English ভিডিও গ্যালারি ফটো গ্যালারি ই-পেপার  বুধবার ৩ জুন ২০২০ ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
ই-পেপার  বুধবার ৩ জুন ২০২০
 / ধর্ম / সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা ও নৈতিক মূল্যবোধের উন্নয়নে কাজ করছি: ইফা মহাপরিচালক
সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা ও নৈতিক মূল্যবোধের উন্নয়নে কাজ করছি: ইফা মহাপরিচালক
আমিন ইকবাল
প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০১৯, ৪:৫৫ পিএম আপডেট: ২২.০৩.২০১৯ ৫:১৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, সামীম মোহাম্মদ আফজাল

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, সামীম মোহাম্মদ আফজাল

সুপ্রাচীনকাল থেকে এদেশে ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধের লালন ও চর্চা হয়ে আসছে। ইসলামের সমুন্নত আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার কার্যক্রমকে বেগবান করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এক অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)। আজ ২২ মার্চ উদযাপিত হচ্ছে ইফার ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে দৈনিক সময়ের আলোর সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ইসলাম বিভাগের প্রধান আমিন ইকবাল

সময়ের আলো : ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পথচলা কখন কীভাবে শুরু?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল : বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামের প্রচার-প্রসারে ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ এক অধ্যাদেশ বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। আমাদের এই উপমহাদেশে ইসলামের প্রচার ও প্রসার লাভ করে অগণিত অলি-আউলিয়া ও পীর-মাশায়েখের মাধ্যমে। তারা ইসলামের মানবতাবাদী, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন। ফলে অগণিত মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর পূর্বপুরুষ শেখ দরবেশ আউয়াল (রহ.) ছিলেন দ্বীনের একজন মহান প্রচারক। বঙ্গবন্ধুর রক্তে এই সুফি দরবেশের প্রভাব সবসময় বিদ্যমান ছিল। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, মমত্ববোধ ও সহমর্মিতার শিক্ষা তিনি তার পরিবার থেকে পেয়েছেন। তাই ইসলামের সুমহান শিক্ষা ও আদর্শকে কুরআন সুন্নাহর আলোকে যথাযথভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আলেম-ওলামাদের একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। সূচনালগ্ন থেকেই সুনাম ও সুখ্যাতির সঙ্গে অধ্যাবধি পথ চলছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)।

সময়ের আলো : ইফার ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কী কী আয়োজন রয়েছে?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল : প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৬৪টি জেলা কার্যালয়, ৫৫০টি উপজেলা-জোন, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষার ৭৩ হাজার ৭৬৮টি কেন্দ্র, দেড় হাজার মডেল রিসোর্স সেন্টার, ১ হাজার ১০টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা, ৫০টি ইসলামিক মিশন, ১৯টি পুরনো ইবতেদায়ি মাদ্রাসা, ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি, মসজিদ পাঠাগার শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের ৫৫৫টি মডেল লাইব্রেরি এবং ইসলামিক মিশনের ৪৬৩টি মক্তবে র‌্যালি, আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি রয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় আলেম-ওলামাদের অংশগ্রহণে একটি সমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সময়ের আলো : ইসলামিক ফাউন্ডেশন মৌলিকভাবে কী ধরনের কাজ পরিচালনা করে?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল : বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। সুপ্রাচীনকাল থেকে এ দেশে ইসলামী আর্দশ ও মূল্যবোধের লালন ও চর্চা হয়ে আসছে। ইসলামের এই সমুন্নত আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার কার্যক্রমকে বেগবান করার লক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশ ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে নিরলস কাজ করে চলছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন কেবল বস্তুর উন্নয়নে নয়; মানুষের দৈহিক ও আত্মিক উন্নয়নের জন্যও কাজ করে থাকে। মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, ইমাম প্রশিক্ষণ, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান, মসজিদ পাঠাগার স্থাপন, দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা পরিচালনা, ইসলামী বিশ্বকোষ, ইসলামী পুস্তক প্রকাশ, ইসলামের মৌলিক বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, যাকাতের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, ইসলামের সাম্য ও সম্প্রীতির প্রচার ও প্রসার, নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ উন্নয়নের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন মাঠপর্যায়ে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

সময়ের আলো : সারাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এ সম্পর্কে কিছু বলুন?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল : দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ১টি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্ভাবিত একটি অসাধারণ কনসেপ্ট। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার অসামান্য দেশপ্রেম ও অসাধারণ ধর্মীয় চেতনা থেকে এত বিপুল সংখ্যক মসজিদ নির্মাণ করছেনÑ যা মুসলিম উম্মাহর সাড়ে চৌদ্দশ’ বছরের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা। আশা করছিÑ সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, সামাজিক সমস্যা সমাধান এবং ইসলামের প্রচার-প্রসারে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ভুমিকা রাখতে সক্ষম হবে। এ ছাড়া ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের ইবাদত, সচেতনতা বৃদ্ধি, ধর্মীয় শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং দ্বীনী দাওয়াত কার্যক্রম পরিচালনা, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ এবং সরকারের উন্নয়ন প্রক্রিয়ার নীতি-নির্ধারণী বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং ইসলামিক জ্ঞান ও সংস্কৃতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইসলামী মূল্যবোধের পরিচর্যা ও প্রসারেও মডেল মসজিদ ভ‚মিকা পালন করবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সব কর্মসূচি পরিচালিত হবে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে। মসজিদের সঙ্গে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ও থাকবে।

সময়ের আলো : মডেল মসজিদের খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিন-খাদেম নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হবে?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল : প্রতিটি মডেল মসজিদে একজন খতিব, একজন ইমাম, একজন মুয়াজ্জিন, তিনজন খাদেম ও একজন নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগ করা হবে। এ হিসেবে ৫৬০টি মডেল মসজিদে ৩৯২০ জনবল নিয়োগ করা হবে যারা হবেন আলেম ওলামা এবং ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত। এসব মসজিদের খতিব-ইমাম এবং মুয়াজ্জিন-খাদেমগণ জাতীয় স্কেলে বেতন-ভাতা পাবেন। খতিবদের জাতীয় বেতন স্কেলের ৯ম গ্রেডে, ইমামদের ৮ম গ্রেডে, মুয়াজ্জিনদের ১৪তম গ্রেডে ও খাদেমদের ১৬তম গ্রেডে বেতন-ভাতা পাবেন। একজন খতিবের মূল বেতন একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার সমান হবে। সঙ্গে স্থানভেদে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতা পাবেন। আলিয়া ও কওমি উভয় নেসাবের আলেমদের মডেল মসজিদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্স ডিগ্রি সমমান দিয়ে আইন পাশ করেছেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে তা বিবেচনা করা হবে।

সময়ের আলো : ইফা প্রতিষ্ঠিত ১০১০টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা সম্পর্কে জানতে চাই।

সামীম মোহাম্মদ আফজাল : প্রকৃত ইসলামী চেতনার মর্মালোকে আরবি ধারার একটি দ্বীনী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে সারা দেশে একযোগে ১০১০টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে। ইফা পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের আওতায় যেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই সেখানে দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা স্থাপন করা হয়েছে। দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসার মাধ্যমে একদিকে যেমন ৫ সহস্রাধিক উচ্চশিক্ষিত আলেম-ওলামার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে তেমনি লক্ষাধিক শিশু আরবি ভাষায় ব্যুৎপত্তি দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দ্বীনী শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। এই শিক্ষাব্যবস্থার কারিকুলাম ও সিলেবাস এমনভাবেই তৈরি করা হয়েছে যেন ইলম ও আমলওয়ালা আলেম তথা নায়েবে রাসুল তৈরি হয়।

সময়ের আলো : আপনি তো দ্বীনী শিক্ষার কারিকুলাম নিয়ে কাজ করছেন। এ কারিকুলাম সম্পর্কে কিছু বলুন?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল : ইসলামের নামে বিকৃতবাদীরা এ দেশের দ্বীনী শিক্ষার কারিকুলাম বিকৃত করে ফেলেছে। ফলে ইলমওয়ালা ও আমলওয়ালা প্রকৃত আলেম কমে যাচ্ছে। দ্বীনের ডাক্তার আলেম-ওলামাদের আরবি ভাষায় কোরআন-হাদিস বুঝতে হবে। দাওয়াতি উসূল পরিবর্তন করে ফেলেছে। ইহুদি-নাসারাদের ষড়যন্ত্রে ইসলামের অপব্যবহার করে বস্তুর মালিকানা ও রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের যে বিকৃত দর্শন বাংলাদেশে মওদুদী জামাত, মিসরে ব্রাদারহুড, তুরস্কে ফতেহগুল ও ভারতে ডা. জাকির নায়েক চালু করেছেÑ তার সঙ্গে প্রকৃত ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। আল্লাহর রাসুল এসেছেন মানুষকে কালিমার দাওয়াত দিতে, মানুষকে সুন্দর মানুষ বানাতে। অথচ তারা জমিনকে কালিমার দাওয়াত দিচ্ছে। তাই ইসলামের অপব্যবহার করে যে বিকৃত শিক্ষা কারিকুলাম তারা চালু করেছে তার থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেওবন্দ, আযমগড়, আলিগড়, মিসরসহ সারা পৃথিবীর বিভিন্ন শিক্ষা কারিকুলাম নিয়ে কাজ করছে। সারা পৃথিবীকে আমরা একটি উন্নত শিক্ষা কারিকুলাম উপহার দেব। আমরা বিশ্বাস করি, আলেম-ওলামাদের প্রকৃত দ্বীনী শিক্ষা ও দ্বীনী দাওয়াতে সম্পৃক্ত করতে পারলে একদিন বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারা ভুমিকা পালন করবেন।

সময়ের আলো : জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভুমিকা কী?

সামীম মোহাম্মদ আফজাল : সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এর কারণে মানবসভ্যতা আজ হুমকির সম্মুখীন। শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলামিক স্টেট ও মুসলিম স্টেট প্রতিষ্ঠার নামে যারা বোমা মারছে, মানুষ হত্যা করছে তাদের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বেশ কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সম্পর্কে আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, খতিব-ইমামদের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে ইমাম সম্মেলন, দাওয়াতী মাহফিল, খতিব সম্মেলন, মোবাল্লিগ প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষার শিক্ষক প্রশিক্ষণ, সভা, সেমিনার, মতবিনিময় সভা, বই বিতরণ ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়েছে। ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে ইসলাম’ শীর্ষক কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে। এ সম্পর্কে দুটি বই ৫ লাখ কপি করে সারা দেশে মসজিদের ইমাম, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

সময়ের আলো : মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
সামীম মোহাম্মদ আফজাল : আপনাকেও ধন্যবাদ। দৈনিক সময়ের আলোর সাফল্য কামনা করি।




সর্বশেষ খবর
এন্টিবায়োটিকের অধিক ব্যবহারে মৃত্যু বাড়বে: ডব্লিউএইচও
সচেতনতার প্রয়োজন ব্যক্তি পর্যায় থেকেই: প্রধানমন্ত্রী
করোনায় দেশে আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড, মৃত্যু ৩৭
বিশ্ব খাদ্য সংস্থার শুভেচ্ছা দূত তামিম ইকবাল
শিগগির করোনাভাইরাসের দুর্বল হয়ে পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই : ডব্লিউএইচও
করোনায় সারা বিশ্বে মৃত্যু ৩ লাখ ৭৭ হাজার মানুষ
নতুন আতঙ্ক ,করোনার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে ইবোলা ভাইরাস
সর্বাধিক পঠিত
সাত মাস আগে তৃতীয় বিয়ে করেছেন নোবেল!
না ফেরার দেশে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বীর স্ত্রী
আগামী ৩০ মে খুলছে বাণিজ্যিক বিতান ও মার্কেট
বাড়ছেনা ছুটি ,তবে বন্ধ থাকবে গণপরিবহণ
শারীরিক ক্ষতি করার ‘শক্তি হারাচ্ছে’ করোনাভাইরাস!
এবার করোনায় সুন্দরবন কুরিয়ার চেয়ারম্যানের মৃত্যু
বাড়িতে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে প্রাথমিকের পরীক্ষার পরিকল্পনা
আরও দেখুন...


Copyright © 1962-2019
All rights reserved
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-৯৬৬৬৬৮৫, ৯৬৭৫৮৮৫, ৯৬৬৪৮৮২-৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪, হটলাইন : +৮৮০-১৯২৬৬৬৭০০২-৩, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Website: http://www.dainikbangla.com.bd, Developed by i2soft
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-৯৬৬৬৬৮৫, ৯৬৭৫৮৮৫, ৯৬৬৪৮৮২-৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪, হটলাইন : +৮৮০-১৯২৬৬৬৭০০২-৩, ই-মেইল : [email protected], [email protected]