English ভিডিও গ্যালারি ফটো গ্যালারি ই-পেপার শনিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৭ ফাল্গুন ১৪২৬
ই-পেপার শনিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
 / জাতীয় /  ভালোবাসা দিবস আছে ভ্যালেন্টাইনস ডে নেই
ভালোবাসা দিবস আছে ভ্যালেন্টাইনস ডে নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:৫৩ পিএম আপডেট: ১৬.০২.২০২০ ১০:২২ এএম | অনলাইন সংস্করণ

ভালোবাসা দিবস আছে ভ্যালেন্টাইনস ডে নেই
ক’দিন ধরেই ঘুড়ো ঘাসে জলপাই রঙটা প্রকট রূপ নিয়েছে। দরদভরা নয়নে না তাকালে বোঝার উপায় নেই মাটির ঢিবির আড়ালে থাকা কারো কৃষ্ণকেশে যেন দমকা লেগেছে। ছড়ানো খেরো পাতা মোড়ানো মাটির ঢিবিতে তন্বী কুমারী বেণীর মতোই দুলছে। জোড়া জোড়া চঞ্চল চোখ। এ চোখে ভালোবাসা। 

মাত্র এ চারটি অক্ষরের ধাঁধায় পড়ে পৃথিবীময় তাবৎ মানুষেরা নিজেকে নিঃস্ব করেছেন নিমিষেই। আবার অনেক প্রেম ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে। তপ্ত প্রেমের অজুত হৃদয় গড়েছেন সব অসম প্রেমের স্তম্ভ। 

চাওয়া-পাওয়া, সুখ-বিষাদে মিশ্রিত ভালোবাসার কল্পরাজ্যে মানুষ অবিরত ডুবসাঁতার খেলে। হারানোর পরও সে হারায়। কেবল হারানোর মাঝেই যে সুখ তাকেই বলে প্রেম। পোড়া মন বারবার পোড়ানোতেই প্রেমের স্বার্থকতা। তাই বিলেতি কবি জর্জ চ্যাপম্যান বলেছেন, ‘ভালোবাসা পাওয়ার চাইতে ভালোবাসা দেওয়াতেই বেশি আনন্দ।’ 

এমন অর্থেই বলা যায়, উজাড় করা ভালোবাসা পেয়েই এই ভূমন্ডল এখনো নিটল পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। প্রেমবিহীন চোখে পৃথিবীটা কতটা নিরষ, কতটা পাগলাটে তা হয়তো কল্পনাও করা যায় না। প্রেমহীন পৃথিবী ঠিক যেন একটি হাইড্রোজেন বোমার মতো। চিরদিনই বসন্তমনা মানুষেরা ভালোবাসার জন্য কাতর ছিলেন। প্রেমের বেলায় মানুষ সতর্ক নয় বরং স্পর্শকাতর। যে যাই বলুক ভালোবাসা তার গতিতেই চলে। ভালোবাসাকে কোন সজ্ঞায় কখনো বন্ধি করা যায়নি। ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্র নির্মাণে ভালোবাসার জয় হয়েছে সব সময়। তার স্নিগ্ধতার আবেশ এখনো মোহনীয় করে তোলে সব বয়সী মানব মানবীর অন্তর। ভালোবাসার সর্বজনীন ধারণাকে আবেগ, কল্পনা কিংবা সীমাবদ্ধতায় আগলে রাখা যায় না। মস্তিষ্কের গঠন বা জ্ঞানের পরিধির উপর নির্ভর করে ভালোবাসার সজ্ঞা। 

মায়ের মমতা যেমন নিখাঁদ ভালোবাসা, আমাদের তেমন পিতার ছায়াটাই ভালোবাসার উৎস। প্রেয়সির রোমাঞ্চকর খুঁনসুঁটিও পবিত্রতম এক ভালোবাসা।

প্রকৃতি আর মানুষের গভীর মিতালী চিরন্তন। তাই মেঘলা দিনে মানুষ উদাস হয়। আবার প্রকৃতির রঙিন ছটায় মানুষ খুশিতে মাতে। দেখা যায়, ডায়াবেটিস প্রতিনিয়িত মানুষকে আক্রমন করে যায়। মানুষও প্রতিদিন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কেউই থেমে নেই। তবুও বছরে একবার পালিত হয় বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। এভাবে আরো অনেক অনুষঙ্গে বহু দিবস পালিত হয়। সমস্যা কেবল ভালোবাসা দিবস নিয়ে! তবে ভালোবাসার যেহেতু সীমা নেই তাই একদিন আরো বেশী করে ভালোবাসার অনুশীলন বা প্রেমব্যাকরণ পাঠ আমাদের বন্ধনকে আরো দৃঢ় করে। 
আগেই বলেছি, ভালোবাসা রুচির উপর নির্ভর। তবে অনেকে দিবসটিকে ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’ আখ্যায়িত করলেও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বলতে কিছু নেই। ৮৬ সালে রাষ্ট্র  ক্ষমতা দখল করে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মানুষের স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করে দেয়।

 অনেকের মতো সাংবাদিক শফিক রেহমানকেও দেশত্যাগে বাধ্য করে নির্বাসিত করা হয়। রাজপথে নিত্য কলহ, সংগ্রামের এই বাংলাদেশে মানুষ পরস্পর ভালোবাসা, সুসম্পর্ক ও সহাবস্থানের অভাব বোধ করেন সাংবাদিক শফিক রেহমান।  তাই ১৪ ফেব্রুয়ারি এরশাদের পতন দিনটিকে তিনি ‘ভালোবাসার দিন’ হিসেবে প্রচার শুরু করেন যায়যায়দিন পত্রিকায়। সেই সঙ্গে দিনটিকে শুধু স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক- প্রেমিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ভাই-বোন, বাবা-মা-সন্তানদের মধ্যে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশও যুক্ত করা হয়। বলা হয়, ‘এই দিনে মায়ের প্রতি ভালোবাসা দেখাও অন্তত এক কাপ চা বানিয়ে। এর সাথে ইংল্যান্ডে প্রচলিত ‘সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে’ কিংবা বেহায়াপনা বা যৌনতার কোন সম্পর্ক নেই। ভালোবাসাটা যার কাছে যেমন। যত্নের অনুভূতি, সম্পূর্ণ ব্যক্তির ব্যাপার। এর নির্দিষ্ট কোন ছক নেই। এখানে যৌনতার গন্ধ খোঁজা সংকীণতা  মাত্র। জ্ঞানের অভাব, একগুয়েমি প্রচারনা দিনটির প্রতি মানুষের তীব্র আকর্ষন ঘটিয়েছে। সু বা কু নয় শুধু ভালোবাসা থাকুক অনন্ত। ভালোবাসা অবিরাম।




সর্বশেষ খবর
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ২০
লুকোচুরি গল্প
ভাইবোনের সম্পর্ক ছিল সালমানের সঙ্গে : শাবনূর
সাতপাঁকে বাঁধা পড়লেন সৌম্য
খালেদা জিয়ার জামিন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট
মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান থাকায় মোদিকে দাওয়াত
রাজধানীর আবাসিক হোটেলগুলোতে তৎপরতা বাড়ানো হবে
সর্বাধিক পঠিত
মোরা রাম আর রহিম ভাই ভাই আর নই : মিমি
লুকোচুরি গল্প
মুজিব বর্ষে ​​​​​​​আসছে ২০০ টাকার নোট ও স্বর্ণ মুদ্রা
সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর না করার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর
এখনো হুমায়ূন আহমেদ
দুইদিনের সফরে ভারত পৌঁছেছেন ট্রাম্প
সরকারের সায় রয়েছে বলেই পাপিয়ারা ধরা পড়ছে: ওবায়দুল কাদের
আরও দেখুন...


Copyright © 1962-2019
All rights reserved
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-৯৬৬৬৬৮৫, ৯৬৭৫৮৮৫, ৯৬৬৪৮৮২-৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪, হটলাইন : +৮৮০-১৯২৬৬৬৭০০২-৩, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Website: http://www.dainikbangla.com.bd, Developed by i2soft
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-৯৬৬৬৬৮৫, ৯৬৭৫৮৮৫, ৯৬৬৪৮৮২-৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪, হটলাইন : +৮৮০-১৯২৬৬৬৭০০২-৩, ই-মেইল : [email protected], [email protected]