English ভিডিও গ্যালারি ফটো গ্যালারি ই-পেপার মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৪ আশ্বিন ১৪২৭
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
 / অর্থনীতি / করোনায় কাবু অর্থনীতি
করোনায় কাবু অর্থনীতি
বিশেষ প্রতিবেদক :
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২০, ১:১৩ পিএম আপডেট: ০৫.০৩.২০২০ ১:২৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

করোনায় কাবু অর্থনীতি

করোনায় কাবু অর্থনীতি

বিশ্বব্যাপী বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনের সীমানা ছাড়িয়ে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের অন্তত ৬০ টি দেশে। বুধবার পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ৩২০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত হয়েছেন ৯২ হাজার । বুধবার কর্তৃপক্ষের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে, আক্রান্তের সংখ্যা ২২৩৬ জন। আর ইরানে মৃতের সংখ্যা ৭৭ জন, আক্রান্তের সংখ্যা দুই হাজার ৩৬ জন। এছাড়াও প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে ইরানের অন্তত ২৩ এমপি আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় মারা গেছেন ৩২ জন, দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩২৮ জন।

করোনায় কাবু করে ফেলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি।  দেখা দিয়েছে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব । এছাড়া চীন থেকে কাঁচামাল এনে পণ্য তৈরি করে অন্যান্য দেশে যে রপ্তানি হয়, তাও ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা।

কারণ, দেশের শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য থেকে শুরু করে যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ এবং নিত্যব্যবহার্য নানা পণ্যের বড় উৎস চীন। এমনকি ওষুধের কাঁচামালের একটি বড় অংশ চীন থেকে আসে। আবার বাংলাদেশের চামড়া, পাট, কাঁকড়াসহ কিছু পণ্যের বড় রপ্তানি বাজার চীন। এছাড়া তৈরি পোশাক, ওষুধ শিল্প এবং ইলেক্ট্রনিক্সসহ মোট ১৪টি খাত চিহ্নিত করা হয়েছে, সবকয়টিতে আমদানি ও রপ্তানি উভয় খাতে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। সব মিলিয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশ ১ হাজার ৩৮৫ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যা মোট আমদানির প্রায় ২৫ শতাংশ। আর রপ্তানি করেছে ৮৩ কোটি ডলারের পণ্য, যা মোট রপ্তানির ২ শতাংশ।

এদিকে, দেশে তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি কমছেই। একের পর এক বন্ধ হচ্ছে কারখানা। সবচেয়ে বেশি শ্রমিকবান্ধব এ খাত থেকে এখন প্রতিনিয়ত কাজ হারাচ্ছেন শ্রমিকরা। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তারা জানান, দেশের রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশ আসছে তৈরি পোশাক শিল্পখাত থেকে। শিল্পখাতে কর্মসংস্থান হওয়া শ্রমিকদের দুই-তৃতীয়াংশ কাজ করছে এ খাতে। প্রিন্টিং, প্যাকেজিং, বোতাম, জিপার, লেবেল, ট্যাগ, কার্টুন থেকে শুরু করে শত শত শিল্পের সাফল্য নির্ভর করছে পোশাকের ওপর। পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীলতা আছে বৃহদাকার তুলা, সুতা, টেক্সটাইল, ডায়িং, উইভিং প্রভৃতি শিল্পেরও। ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও টিকে আছে তৈরি পোশাক শিল্পকে ঘিরে। সঙ্গত কারণেই পোশাক শিল্পে কোনো সঙ্কট দেখা দিলে অস্থিরতা সৃষ্টি হয় সংশ্লিষ্ট অগ্র ও পশ্চাদ শিল্পগুলোয়। ঝুঁকিতে পড়ে সামগ্রিক অর্থনীতি।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ) এর এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, করোনা ভাইরাসের কারণে  চীন থেকে কাঁচামালের প্রাপ্যতা নিশ্চিত হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আর চীন থেকে কাঁচামাল প্রাপ্তি বিঘ্নিত হলে এ খাতে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক দৈনিক বাংলাকে বলেন, ধারাবাহিকভাবে প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় পোশাক শিল্প সঙ্কটাপন্ন। বিশ্বের অন্যান্য প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে পেরে উঠতে পারছি না। গত বছরের ডিসেম্বরে শ্রমিকদের মুজরি বাড়ানোর পর অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। পোশাক খাতের উৎপাদন খরচ গত দিনে ব্যাপক হারে বেড়েছে।

এদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী সংসদে জানিয়েছেন, গত বছরে (২০১৯ সাল) ৩২ হাজার ৫৮২ জন শ্রমিক বেকার হয়েছেন। বিজিএমই নিয়ন্ত্রণাধীন ৬৩টি কারখানা বন্ধ হওয়া ওই সকল শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। করোনা ভাইরাসের প্রভাব সম্পর্কে সমপ্রতি এফবিসিসিআইর কাছে প্রতিবেদন আকারে মতামত জানিয়েছে বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠন।

চট্টগ্রাম চেম্বার জানিয়েছে, স্টিল, সিমেন্ট, প্লাস্টিক, ইলেক্ট্রনিক্স ও ওষুধ খাতের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল চীন থেকে আমদানি করা হয়। বর্তমান অবস্থায় পর্যাপ্ত কাঁচামাল সরবরাহের অভাবে দীর্ঘমেয়াদি শিল্পোৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। আমদানি কমে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারে অনেক পণ্যের দাম বাড়ছে। ঢাকা চেম্বার পর্যবেক্ষণে বলেছে, করোনা ভাইরাসের অজুহাতে অস্থির হয়ে উঠেছে নগরীর ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার। অন্যান্য আমদানি-রপ্তানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। ডিসিসিআই বলেছে, স্টিলের একটি ইউনিয়ন ফিটিংয়ের দাম ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে ছিল ১২০ টাকার মধ্যে। ১৬ই ফেব্রুয়ারিতে ১৬ শতাংশ বেড়ে তা ১৪০ টাকা হয়।

বিকেএমইএ জানিয়েছে, কিছু বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে ক্রেতার অর্ডার অনুসারে সর্বোচ্চ তিন-চার মাসের কাঁচামাল মজুদ থাকলেও বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের কাছে মজুদ কাঁচামাল প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এই সুযোগে কাঁচামালের দাম ২০ থেকে ৫০ শতাংশ বেড়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। ক্রেতার সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত মূল্যে পণ্য সরবরাহের চুক্তি বিদ্যমান থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার ও লেদার গুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসের কারণে এই মুহূর্তে চীনে চামড়া রপ্তানি বন্ধ আছে। ইতিমধ্যে তাদের শিল্পে ৩ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। কসমেটিকস ও টয়লেট্রিজ আমদানিকারক সমিতি জানিয়েছে, এ খাতে প্রতি মাসে ২০০ কনটেইনার পণ্য আমদানি হয়। বর্তমানে আমদানি বন্ধ। ইলেকট্রিক্যাল মার্চেন্ডাইজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এই খাতের সিংহভাগ পণ্যই আসে চীন থেকে। বর্তমানে আমদানি বন্ধ রয়েছে। মুদ্রণ শিল্প সমিতি বলেছে, তাদের প্রয়োজনীয় মালপত্র আমদানি হচ্ছে না।
মেডিকেল ইনস্ট্রুমেন্ট ও হসপিটাল ইক্যুইপমেন্ট আমদানি কমেছে বলে জানিয়েছে এ খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি জানিয়েছে, তাদের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সরবরাহ কমেছে। এতে কম্পিউটারের দাম বেড়ে যেতে পারে। ইলেকট্রনিক্স মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে- টিভি, ফ্রিজ, মোবাইল ফোন, ওভেন, চার্জারসহ ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ৮০ ভাগই আসে চীন থেকে। শিপমেন্ট বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাজারে পণ্যের সংকট দেখা দিচ্ছে।

কেমিক্যাল ও পারফিউমারি অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, তাদের গোডাউন খালি হয়ে এসেছে। নতুন আমদানি সম্ভব হচ্ছে না। পোলট্রি ফিড অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, পোলট্রি ও ফিশ ফিডের আমদানি বন্ধ রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রতি বস্তায় দাম বেড়েছে ২০০ টাকা। প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি জানিয়েছে, তাদের কারখানার প্রয়োজনীয় ইনজেকশন মোল্ডিং, প্রিন্টিং, এক্সট্রুশন ইত্যাদি মেশিনের স্পেয়ার পার্টস চীন থেকে পাওয়া যাচ্ছে না।

বাংলাদেশের চশমার বাজারের একটি বড় অংশ রয়েছে চীনের দখলে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কম মূল্যের কারণে চীনের বাইরে গিয়ে চশমা আমদানি করেন না বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ চশমা শিল্প বণিক সমিতির সভাপতি সানাউল্লাহ খান বলেন, “চশমা একটি অতি জরুরি পণ্য এবং এর ৯৫ শতাংশ চীন নির্ভর। “জানুয়ারির ১০ তারিখ থেকে আমদানি বন্ধ রয়েছে। আমরা প্রতিদিনই যোগাযোগের চেষ্টা করছি। কবে যে চালু হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। চীনের গোয়াংঝু ও সাংহাই থেকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বেশি লেনদেন করে।” চশমার বাজারে এখনও বড় ধরনর প্রভাব না পড়লেও আগামী দুই-তিন মাসে সঙ্কট হবে বলে আশঙ্কা করেন সানাউল্লাহ। “একটি অর্ডার দেওয়ার পর ওই পণ্য উৎপাদন হতে দুই মাস সময় লেগে যায়। সেটা শিপমেন্টে সময় লাগে আরও এক মাস। সব কিছু মিলিয়ে চশমা আমদানি সচল হতে আরও চার মাস সময় লেগে যেতে পারে।” তিনি বলেন, “চীনের অনেক কোম্পানি চশমার অর্ডার চাচ্ছে। কিন্তু আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি, তাদের কর্মচারীগুলো এখনও কারখানায় আসেনি। অনিশ্চয়তার কারণে অনেকে অর্ডার দিচ্ছেন না। আবার অনেক কোম্পানিকে যোগাযোগ করেও পাওয়া যাচ্ছে না।”

বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিক্যাল মোটর পাম্প ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি শহীদুল ইসলাম স্বপন জানান, দেশের সব ধরনের ছোট বড় মেশিন, পানির পাম্প, ইলেকট্রিক মোটরসহ মেশিনারিজ যন্ত্রপাতি চীনের বাজার নির্ভর। এক মাস আমদানি বন্ধ থাকলে এসব পণ্যে ‘প্রভাব পড়ার কথা নয়’। ব্যাটারি উৎপাদনকারী চৌধুরী ও মালিক শাহ আলম বলেন, ব্যাটারি তৈরির অধিকাংশ কাঁচামাল দেশে পর্যাপ্ত রয়েছে। তবে ব্যাটারির জন্য প্রয়োজনীয় প্লাস্টিক দানাসহ বলা যায় ১০ শতাংশ পণ্যের জন্য চীনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এর চেয়ে বেশি দীর্ঘায়িত হলে বিকল্প বাজার খুঁজতে হবে।”

ফ্রেশ  ফ্রুট ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ শামসুল হক বলেন, চীন থেকে নাশপাতি, কমলা, আপেল, আঙ্গুর আমদানি হয়ে থাকে। তবে এসব পণ্যের প্রতিটিরই বিকল্প বাজার রয়েছে। ফলে করোনাভাইরাসের কারণে দেশের ফলের বাজারে খুব একটা প্রভাব পড়বে না। ফলের বিকল্প বাজার ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, তিউনিসিয়া, নিউজিল্যান্ড রয়েছে। রাজধানীর শ্যামবাজারে আদা-রসুনের আমদানিকারক হারুনুর রশিদ  জানান, দেশে আদা-রসুনের বড় একটা জোগান আসে চীন থেকে। তবে এসব পণ্যের বিকল্প বাজারও রয়েছে। “তাই এ নিয়ে সঙ্কট হওয়ার কোনা আশঙ্কা নেই। তাছাড়া দেশেই পর্যাপ্ত রসুন উৎপাদিত হয়।”

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন দৈনিক বাংলাকে বলেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে যে ক্ষতি হচ্ছে সেগুলো কাটিয়ে উঠতে ব্যবসায়ীসহ সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কাজ করছে সরকার। এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম দৈনিক বাংলাকে বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাই বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীদের বিশেষ ঋণসহায়তা চাওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে এ বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমদানি দায় পরিশোধে দেরির কারণে কাউকে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত না করারও সুপারিশ করা হয়েছে।বর্তমানে প্রায় ৪শ’ চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে কাজ করছে। এ ছাড়া দুই দেশের ব্যবসায়ী, স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্যাংকার এবং বীমা মালিকদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠছে। এ ছাড়াও কৌশলগত ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই অর্থনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে চীন।















 


আরও সংবাদ   বিষয়:  করোনাভাইরাস  




সর্বশেষ খবর
এমসি কলেজের ধর্ষকদের ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশে করোনায় নতুন মৃত্যু ৩২ , শনাক্ত ১৪০৭
১০ বছর আয়কর দেননি ট্রাম্প
ডিপ্রেশন থেকে বাচার উপায়
‌'হৃদিতা’ বাতিলে আইনি নোটিশ!
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত হলেন মাহবুবে আলম
সর্বকালের সেরা ফিল্ডিং সেভ
সর্বাধিক পঠিত
নুর অপরাধ করলে বিচার করুন কিন্তু হয়রানি নয় : ডা. জাফরুল্লাহ
সরকার পতনের জন্য গোপনে যতই বৈঠক করুক, কোনো লাভ নেই : কাদের
আগামী ১ অক্টোবর থেকে সৌদির বাতিল হওয়া সব ফ্লাইট চালু
একাধিক প্রেমের সম্পর্কে সারা!
সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ডিজিটাল হবে: প্রধানমন্ত্রী
দেশে করোনায় নতুন মৃত্যু ২৮, মোট মৃত্যু বেড়ে ৫০৭২
মহাবিপদ অপেক্ষা করছে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
আরও দেখুন...


Copyright © 1962-2019
All rights reserved
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-, ৫৫১৩৮৫০১, ৫৫১৩৮৫০২, ৫৫১৩৮৫০৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫১৩৮৫০৪, ই-মেইল : [email protected], [email protected], [email protected]
Website: http://www.dainikbangla.com.bd, Developed by i2soft
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-, ৫৫১৩৮৫০১, ৫৫১৩৮৫০২, ৫৫১৩৮৫০৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫১৩৮৫০৪, ই-মেইল : [email protected], [email protected], [email protected]