English ভিডিও গ্যালারি ফটো গ্যালারি ই-পেপার শুক্রবার ২৯ মে ২০২০ ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
ই-পেপার শুক্রবার ২৯ মে ২০২০
 / বিনোদন / বাদশা হলেন বড়লোক , নেপথ্যেই থেকে গেলেন বিটি লো-র আসল স্রষ্টা
বাদশা হলেন বড়লোক , নেপথ্যেই থেকে গেলেন বিটি লো-র আসল স্রষ্টা
বিনোদন ডেস্ক :
প্রকাশ: রোববার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ৯:৪৮ এএম আপডেট: ২৯.০৩.২০২০ ৯:৫৮ এএম | অনলাইন সংস্করণ

বাদশা হলেন বড়লোক , নেপথ্যেই থেকে গেলেন বিটি লো-র আসল স্রষ্টা

বাদশা হলেন বড়লোক , নেপথ্যেই থেকে গেলেন বিটি লো-র আসল স্রষ্টা

গত বৃহস্পতিবার মু্ক্তি পেয়েছে র‍্যাপার বাদশার সঙ্গে পায়েল দেব এর গাওয়া 'বড়োলোকের বিটি লো'   'গেন্দা ফুল' গানটি। গানটি সোনি মিউজিক ইন্ডিয়ার লেবেলে মুক্তি পেয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই গানটি শুনে কান ঝালাপালা হওয়ার জোগাড়।
 সেই গান বাংলা লোকগান বড়লোকের বিটি লো-র রিমেক। অথচ গানের ক্রেডিটে কোথাও উল্লেখ করা হয়নি এই গানে সুরকার ও গীতিকারের নাম , রতন কাহারের নাম।

প্রচলিত বাংলা লোকগান 'বড়লোকের বিটি লো..'-র রিক্রিয়েশন বাদশা ও পায়েল দেবের এই গান। যে গানে জ্যাকলিনের শরীরের হিন্দোলে এক কথায় ঝড় উঠে গেছে নেট দুনিয়ায়। রিক্রেয়েশনের পর এই গানে যে পঞ্জাবি ব়্যাপের অংশ যোগ করা বিতর্কিত লিরিকস নিয়ে না হয় কাটাছেঁড়া পরে হল, তবে একথা অনেকেই হয়ত খেয়াল করেননি 'বড়লোকের বিটি লো..'র আসল স্রষ্টাকে তাঁর প্রাপ্য মর্যাদাটুকু দেওয়া হয়নি এই গানে। ইউটিউবে সং ক্রেডিটের জায়গায় অরিজিন্যাল লিরিকসের পাশে লেখা রয়েছে বাংলা ফোক কিন্তু সেই লোকগানের কথা ও সুর যাঁর, সেই ব্যক্তি কে?

১৯৭২ সালে শিল্পী রতন কাহারের সৃষ্টি এই গান। স্বপ্না চৌধুরী ১৯৭৬ সালে অশোকা কম্পানির লেবেলে এই গান রেকর্ড করেছিলেন। তারপর থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এই গান। কিন্তু রতন কাহার রয়ে যান লাইমলাইটের আড়ালেই। বীরভূমের প্রত্যন্ত গ্রামের এই বাসিন্দা আজীবন অভাব-অনটনকে সঙ্গী করেই জীবনযাপন করেছেন।

লোকসঙ্গীতের চর্চা করেন এমন মানুষ ছাড়া ক'জন বাঙালি জানেন রতন কাহারের নাম? হয়ত হাতে গোনা। সেই হাতেগোনা মানুষেরই হয়তো আপত্তি রয়েছে গেন্দা ফুল গানটি নিয়ে।

আর তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন অনেকেই। অভিযোগ, এমন কালজয়ী গানের যিনি স্রষ্টা, সেই শিল্পী অনেকের অবহেলার মধ্যে বিস্মৃতই রয়ে গেলেন। আর তার গান নিয়ে যা খুশি তাই করে ব্যবসা করে চলেছে অনেকে। অথচ সেই রতন কাহার তার প্রকৃত সম্মান পেলেন না।

কেউ  লিখেছেন বাংলা লোকসঙ্গীতকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে তা তার মোটেও ভালো লাগেনি। কেউ আবার গানটি যিনি লিখেছিলেন তার প্রতি কৃতজ্ঞতা না প্রকাশের জন্য ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। অসাধারণ এমন একটি লোকগীতি সৃষ্টির মূলে যিনি রয়েছেন, সেই রতন কাহারের কথা এবং গানটি তৈরির মূলে যে গল্প রয়েছে তার সবটাই উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়।

'বড়োলোকের বিটি লো' গানটির যিনি প্রকৃত স্রষ্টা সেই রাঢ় বাংলার শিল্পী রতন কাহারের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ কিছু না লিখলেও পরিচালকের শেয়ার করা এই ভিডিওটিই অনেক কথা বলে দেয়।

 'গেন্দা ফুল' নামের এই মিউজিক ভিডিওটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় হওয়ার পরে অরিজিনাল মিউজিক হিসাবে বাংলা লোকসঙ্গীতের কথা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু কোথাও লেখা নেই রতন কাহারের নাম। 




সর্বশেষ খবর
শিমুলিয়ায়-কাঠালবাড়ি নৌরুটে ঢাকামুখী হাজারো যাত্রীর ঢল
সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের!
করোনায় বিশ্বে মৃত্যু ৩ লাখ ৫৭ হাজার
রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু
করোনার মধ্যে বিশ্বকাপ আয়োজনের পথেই এগুচ্ছে আইসিসি!
কোহলিকে আনুশকার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পরামর্শ বিজেপি নেতার
বাড়ছেনা ছুটি ,তবে বন্ধ থাকবে গণপরিবহণ
সর্বাধিক পঠিত
করোনা সংকট: ১৫০টি অসহায় পরিবারের পাশে ওলসা
না ফেরার দেশে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বীর স্ত্রী
ঈদের নামাজ বাড়িতে পড়ার ঘোষণা দিলো সৌদি
চলতি মাসেই এসএসসির ফলপ্রকাশ, ঘোষণা হবে এইচএসসি পরীক্ষা সময়সূচি
সাত মাস আগে তৃতীয় বিয়ে করেছেন নোবেল!
আগামী ৩০ মে খুলছে বাণিজ্যিক বিতান ও মার্কেট
সারা দেশে ৩৬৩৩ জনের জামিন
আরও দেখুন...


Copyright © 1962-2019
All rights reserved
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-৯৬৬৬৬৮৫, ৯৬৭৫৮৮৫, ৯৬৬৪৮৮২-৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪, হটলাইন : +৮৮০-১৯২৬৬৬৭০০২-৩, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Website: http://www.dainikbangla.com.bd, Developed by i2soft
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-৯৬৬৬৬৮৫, ৯৬৭৫৮৮৫, ৯৬৬৪৮৮২-৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪, হটলাইন : +৮৮০-১৯২৬৬৬৭০০২-৩, ই-মেইল : [email protected], [email protected]