English ভিডিও গ্যালারি ফটো গ্যালারি ই-পেপার মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারি ২০২১ ১৩ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারি ২০২১
 / রাজধানী /  রাজধানীতে পরিত্যক্ত জায়গায় প্রায়ই মিলছে নবজাতক
রাজধানীতে পরিত্যক্ত জায়গায় প্রায়ই মিলছে নবজাতক
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০, ১০:৪৪ এএম | অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীতে পরিত্যক্ত জায়গায় প্রায়ই মিলছে নবজাতক

রাজধানীতে পরিত্যক্ত জায়গায় প্রায়ই মিলছে নবজাতক

রাস্তাঘাট, ঝোপঝাড়, এমনকি ডাস্টবিনে পরিত্যক্ত অবস্থায় মাঝে মধ্যেই মিলছে নবজাতক। কিন্তু কোনো সূত্র না থাকায় একটি ঘটনারও ক‚লকিনারা করা যায়নি। পুলিশ বলছে, জাতীয়ভাবে ডিএনএ ব্যাংক করা গেলে সহজেই পরিচয় জানা যাবে। সমাজবিজ্ঞানী ও আইনজীবীদের মত, যে সংস্থাগুলো শিশুদের লালন-পালন করে, কথিত মা-বাবার উচিত শিশুকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে না দিয়ে সরাসরি সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা।

অল্প ক’দিন আগের কথা। হেমন্তের শেষ বিকেল পেরিয়ে হিমেল সন্ধ্যার আগে আগে রাজধানীর কুড়িল সড়কে নেমে আসে বর্বরতার রাত। কে বা কারা কাপড়ের ব্যাগের ভেতর রেখে যায় ফুটফুটে এক ছেলে সন্তান। সেদিন ওই সড়কে দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট সমরেশ মণ্ডল। তিনি বলেন, আমি যখন দেখছি ব্যাগের ভেতরে, তখন আমার পুরা শরীর একটা ঝাঁকি মেরে উঠেছে। ভালো-মন্দ বিচার করার আর চিন্তা হয়নি। তখন আমার একটাই চিন্তা হচ্ছিল ওই শিশু কতক্ষণ না খেয়ে আছে। হাসপাতাল নিতে হবে আগে। তারপর বাঁচাতে হবে।

ব্যাগ খুলতেই কেঁদে ওঠে নবজাতক। একইভাবে শাহবাগ ফুটপাতে বাস কাউন্টারের বক্সের ভেতর থেকে পাওয়া যায় নবজাতক। ঢাকা মেডিকেলে ক'মাস আগে কুকুরের মুখে দেখা যায় আরও একটি নবজাতক। তার ক্ষীণ কান্নার আওয়াজে ছুটে আসেন ক্যান্টিনের কর্মচারীরা। এক কর্মচারী বলেন, কুকুর ওইদিক থেকে ওই শিশুকে নিয়ে আসে।

এভাবে কেবল অক্টোবরেই রাজধানীতেই উদ্ধার করা হয় ৪ নবজাতক। এর মধ্যে দুটি জীবিত আর দুটি ছিল মৃত। 

গোয়েন্দা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, যদি দেশের সব নাগরিকের ডিএনএ ব্যাংক তৈরি করা সম্ভব হয়, তা হলে ফেলে যাওয়া শিশু কার- তা সহজেই জানা সম্ভব।

ডিএমপি গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, এখন যে কেউ একটা অপরাধ করে যাচ্ছে, আমি তো কিছু রেখে গেলাম না। কিন্তু তখন তো তার এই জিনিস মনে পড়বে আমার তো এই জিনিস ওখানে রাখা আছে। চাইলে আজ হোক বা ১০ বছর পরে হোক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ কারণে আমাকে ধরতে পারে।

নারী ও শিশুদের নিয়ে কাজ করা আইনজীবী বলছেন, কথিত এসব বাবা মা রাস্তায় ফেলে না দিয়ে শিশুকে সঠিক উপায়ে দত্তকও দিতে পারেন।

বাংলাদেশ আইনজীবী সমিতির সভাপতি সালমা আলী বলেন, যেসব সংগঠন কাজ করে. তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে এবং সেখানে শিশুদের জন্ম হওয়া ও ভলান্টিয়ারি দিয়ে দিতে পারে।

সাধারণত অনৈতিক সম্পর্কের ফসল এসব শিশু। কিন্তু উচ্চবিত্তের ক্ষেত্রে গর্ভপাতের উদাহরণ থাকলেও নিম্নবিত্ত এবং ভবঘুরে মানুষের সেই সতর্কতা নেই। সাধারণত কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে পরিবার অভিযোগ নিয়ে হাজির হয় পুলিশের কাছে। কিন্তু যখন পরিবারই নিজ সন্তানকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়, তখন অভিযোগ করার কেউ থাকে না। কিন্তু বাস্তব হলেও সত্যি যে, এসব নবজাতকের কোনো দোষ নেই। জন্মই যেন তার একমাত্র দোষ। আর জন্মের পরই চলে মৃত্যুর আয়োজন।




সর্বশেষ খবর
ফরিদপুরে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে চোর আখ্যা দিয়ে বেদম পিটুনী
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ১০ জন
ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রশিক্ষণ দিল ডিএসসিসি
সামান্য ধান খাওয়ার অপরাধে গরুটিকে পিটিয়ে হত্যা
ফেনীর মেয়র প্রার্থীর প্রচারণায় হিরো আলম
দেশের সব জেলায় ৪-৫ দিনের মধ্যে পৌঁছে যাবে টিকা : পাপন
দেশে ঋণ খেলাপি ৩ লাখ ৩৫ হাজার
সর্বাধিক পঠিত
কাশিমপুর কারাগারে নারীর সঙ্গে আসামি: জেল সুপার ও জেলার প্রত্যাহার
রঙ্গিন আম ‘বারি-১৪’ দেশের ফল ভাণ্ডারের নতুন সংযোজন
কচুরিপানা পরিষ্কারে বরাদ্দ ৫০ কোটি টাকা !
এবার মুক্তার তৈরি অন্তর্বাসে ঝড় তুললেন নোরা ফাতেহি
১৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে গায়িকার বিচ্ছেদ !
রাজধানীতে ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকবে আরও ৩ দিন
এবার পরীক্ষা ছাড়া এইচএসসির ফল প্রকাশে আইন পাস
আরও দেখুন...


Copyright © 1962-2019
All rights reserved
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-, ৫৫১৩৮৫০১, ৫৫১৩৮৫০২, ৫৫১৩৮৫০৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫১৩৮৫০৪, ই-মেইল : [email protected], [email protected], [email protected]
Website: http://www.dainikbangla.com.bd, Developed by i2soft
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-, ৫৫১৩৮৫০১, ৫৫১৩৮৫০২, ৫৫১৩৮৫০৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫১৩৮৫০৪, ই-মেইল : [email protected], [email protected], [email protected]