English ভিডিও গ্যালারি ফটো গ্যালারি ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১
 / সারাদেশ / ফরিদপুরে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে চোর আখ্যা দিয়ে বেদম পিটুনী
ফরিদপুরে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে চোর আখ্যা দিয়ে বেদম পিটুনী
ফরিদপুর সংবাদদাতা:
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২১, ৪:৫২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরে  ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে চোর আখ্যা দিয়ে বেদম পিটুনী

ফরিদপুরে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে চোর আখ্যা দিয়ে বেদম পিটুনী

কোন্দারদিয়া গ্রামে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে চোর আখ্যা দিয়ে বেদম পিটুনী দিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আহত অবস্থায় ওই স্কুলছাত্রকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। সারা শরীরজুড়ে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ব্যাথায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। এ ঘটনায় থানায় মামলার পুস্তুতি চলছে। স্কু ছাত্রকে চোর আখ্যা দিয়ে পিটুনীর ঘটনায় এলাকাজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 
স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, দাদপুর ইউনিয়নের কোন্দারদিয়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক রাজা মোল্যার পুত্র, স্থানীয় রাঙামুলারকান্দি স্কুলের ৫ম শ্রেণির ছাত্র মো. সাব্বির মোল্যা (১২) আজ সোমবার ফজর নামাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে অদূরে মসজিদে যাচ্ছিল। মসজিদে যাবার পথে একটি গাছগাছালী ঘেরা বাগান পার হতে হয়। সাব্বির মোল্যা ভয়ের কারণে বাগানটি এড়িয়ে জনৈক মাজেদ মাস্টারের বাড়ির উঠানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এসময় বাড়ির লোকজন সাব্বিরকে ধরে ঘরের মধ্যে নিয়ে যায়। 

পরে মাজেদ মাস্টারের ছেলে ফারুক, জিয়াদ ও মাজেদ মাস্টারের নাতি হাসিব লাঠি দিয়ে সাব্বিরকে বেদমভাবে প্রহার করে। এসময় তারা তার হাতের নখ প্লাস দিয়ে তুলে ফেলার চেষ্টা করলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে খবর পেয়ে সাব্বিরের বাবা-মা সেখান থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। 
সাব্বিরের বাবা রাজা মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, আমার স্ত্রী মাজেদ মাস্টারের বাসায় দীর্ঘ ৬ বছর ধরে কাজ করে আসছিল। গত কয়েকমাস আগে অসুস্থ্যতার কারণে সে আর কাজ করতে পারবে না বলে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে মাজেদ মাস্টার। বিভিন্ন সময় মাজেদ মাস্টার ও তার ছেলেরা আমার ছেলে সাব্বিরকে তাদের বাড়ির কাজ করে দিতে বলে। কিন্তু আমার ছেলে তাদের কাজ না করায় দেখে নেবার হুমকি দেয়। ভোরে আমার ছেলে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে মাজেদ মাস্টারের ছেলে ও নাতি মিলে তাকে বেদমভাবে প্রহার করে। মারপিটের কারণে আমার ছেলের সারাদেহে মোটা কালো দাগ হয়ে গেছে। আমার ছেলের নখ ভেঙ্গে গেছে। সে এখন ঠিকমতো দাঁড়াতে এবং শুতেও পারছেনা। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। আমি আমার ছেলের উপর নির্মম নির্যাতনের বিচার চাই। 

সাব্বিরের মা মোসা. পানোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে যারা অমানুষিক নির্যাতন করেছে তাদের বিচার চাই। আমরা গরীব মানুষ বলে আমাদের উপর এমন অত্যাচার কেন করা হবে। 

এ বিষয়ে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই মাজেদ মাস্টারের ছেলে ফারুকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সামনাসামনি কথা বলবো। আমি এখন ব্যস্ত আছি বলেই ফোনটি কেটে দেয়। 

বোয়ালমারী থানার ওসি জানান, এ বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 




সর্বশেষ খবর
দেশে করোনায় নতুন মৃত্যু ৫, মোট মৃত্যু ৮ হাজার ৩৮৪ জন
স্ট্রবেরি আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করবেন
দেশের রাজনীতিতে ‘বিএনপির ৭ মার্চ পালন ইতিবাচক
কালিয়াকৈরে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
ফরিদপুরের সালথায় দুদল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩০
বরগুনায় কুকুরের সন্ধান চেয়ে জিডি, পুরস্কার ঘোষণা
সোনার বাংলা সবুজ করার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ অভিযান : পরিবেশ ও বন মন্ত্রী
সর্বাধিক পঠিত
রিচের সাজাপ্রাপ্ত দুই হোতা কারাগারে
সংবাদ প্রকাশ করায় হত্যা মামলার আসামী হলো সাংবাদিক
‘বনবন্ধু’ পরিচয় দিয়ে মুজিববর্ষে বৃক্ষরোপণের নামে প্রতারণা
ঐতিহাসিক রায় : স্ত্রীকে ঘরের কাজের জন্য দিতে হবে বেতন
পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা, ৯ মাস পর তোলা হলো লাশ
মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নারীর নিথর দেহ
শর্তসাপেক্ষে সাত কলেজের পরীক্ষার চলবে
আরও দেখুন...


Copyright © 1962-2019
All rights reserved
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-, ৫৫১৩৮৫০১, ৫৫১৩৮৫০২, ৫৫১৩৮৫০৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫১৩৮৫০৪, ই-মেইল : mdainikba[email protected], [email protected], cvd[email protected]
Website: http://www.dainikbangla.com.bd, Developed by i2soft
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার, লেভেল-৫, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ +৮৮-০২-, ৫৫১৩৮৫০১, ৫৫১৩৮৫০২, ৫৫১৩৮৫০৩, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫১৩৮৫০৪, ই-মেইল : [email protected], [email protected], [email protected]