বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সহজ শর্তে ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

এফবিসিসিআই’র বোর্ডরুমে সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
১১ জানুয়ারি, ২০২৩ ২১:১৪
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১১ জানুয়ারি, ২০২৩ ২১:১৪

কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহজে ঋণ প্রাপ্তি নিশ্চিতে উদ্যোগ নিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। এজন্য বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বুধবার বিকেলে এফবিসিসিআইর বোর্ডরুমে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়। নতুন এই চুক্তির আওতায় দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা প্রদান করবে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক।

এফবিসিসিআইর পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক ও বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের পক্ষে এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান খুব বড় না হলেও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এই খাতের অনেক বড় অবদান রয়েছে। প্রায় ৪০ শতাংশ কর্মসংস্থান হচ্ছে এ খাতে। তাই এসএমই উদ্যোক্তারা সহজ শর্তে ঋণ পেলে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি তাদের ব্যবসার পরিধি বড় করতে পারবে। ফলে আরও নতুন উদ্যোক্তার সৃষ্টি হবে।’

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) গুলো গ্রামাঞ্চল থেকে উচ্চ সুদে দিয়েও সেই ঋণের প্রায় শতভাগ তুলে নিয়ে আসছে। আমাদের ব্যাংকগুলো আগ্রহ দেখালে ক্ষুদ্র উদোক্তাদের কাছ থেকেও সহজে ঋণ তুলে নিয়ে আসা সম্ভব। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা খেলাপী হতে চায়না।’ সহজ শর্তে ঋণ পেলে এসএমই খাত সমৃদ্ধ হবে, যা এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনসহ সরকারের অন্যান্য লক্ষ্য অর্জনকে সহজ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এসময় সহজ শর্তে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কাছে ঋণ পৌছে দিতে চেম্বার অ্যাসোসিয়েশনগুলোর প্রতি আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, ‘দেশে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ব্যবসা করছে। এখনও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে গেলে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হন। নতুন উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে আর্থিক নীতিমালা সহজীকরণ দরকার। এই চুক্তি গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালি করবে।’

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ বলেন, ‘ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তি নিশ্চিতে আমরা ইতোমধ্যে ১৫ টি অ্যাসোসিয়েশনের সাথে চুক্তি করেছি। গত বছর আমাদের প্রদানকৃত ঋণের প্রায় ২৩ শতাংশ গেছে এসএমই খাতে। চলতি বছর এসএমই খাতে অন্তত ৫৫ শতাংশ ঋণ বরাদ্দের লক্ষ্য ঠিক করেছি আমরা। এজন্য আমরা প্রান্তিক পর্যায়ে উপ-শাখা, প্রান্তিক পর্যায়ে শাখা-উপশাখা স্থাপনে জোর দিয়েছি। সেই ধারাবাহিকতায় এই মাসে আমরা রংপুরে নতুন একটি শাখা খুলতে যাচ্ছি।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন- এফবিসিসিআইর সহ-সভাপতি এম এ মোমেন, পরিচালক এম.জি.আর. নাসির মজুমদার, শফিকুল ইসলাম ভরসা, বিজয় কুমার কেজরিওয়াল, হাফেজ হারুন, আমজাদ হোসেন, মোহাম্মদ বজলুর রহমান, মো. নাসের, সৈয়দ সাদাত আলমাস কবীর, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের উপব্যব্স্থাপনা পরিচালক ও সিবিও কে. এম আওলাদ হোসেন প্রমুখ।

বিষয়:

নির্বাচিত

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন সিইও এনামুল হক

ছবি: এনামুল হক
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এনামুল হক। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করপোরেট ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নেতৃত্বে আসছেন এনামুল হক। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডে তার ২৫ বছরের কর্মজীবনে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় করপোরেট, কমোডিটি ট্রেডিং ও এগ্রিবিজনেস, গ্লোবাল সাবসিডিয়ারিজ এবং ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস খাতে ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

তিনি বিভিন্ন খাতের গুরুত্বপূর্ণ গ্রাহক সম্পর্ক পরিচালনার পাশাপাশি বহুমাত্রিক ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক লেনদেনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে এনামুল হক বলেন, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের।

তিনি বলেন, গত ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড তার পেশাগত পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নতুন দায়িত্ব তার দীর্ঘ পথচলার স্বীকৃতির পাশাপাশি একটি বড় দায়িত্বও।

এনামুল হক বলেন, আন্তর্জাতিক ব্যাংক হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের অনন্য সংযোগ ও সক্ষমতাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো, গ্রাহক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা এবং সবার কাছে একটি বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে ব্যাংকের অবস্থান সুদৃঢ় করাই তাঁর অগ্রাধিকার থাকবে।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে এনামুল হক ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ব্যাংকটির কান্ট্রি চিফ রিস্ক অফিসার ও সিনিয়র ক্রেডিট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ সময়ে তিনি ব্যাংকের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অনুযায়ী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তদারকি, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতি ও নির্দেশনা পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তিনি ব্যাংকটির ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের বাইরে বাংলাদেশের আর্থিক খাতের উন্নয়নেও অবদান রেখেছেন এনামুল হক। ২০২৩ থেকে ২০২৫ মেয়াদে তিনি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ক্যাপিটাল মার্কেটস অ্যান্ড বন্ডের কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এনামুল হক অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটির মাউন্ট এলিজা বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েট ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
কর্মজীবনের বাইরে তিনি ভ্রমণ উপভোগ করেন এবং চিত্রকলার প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।


নির্বাচিত

নিরাপদ ও আধুনিক কর্পোরেট ব্যাংকিং সেবায় ব্র্যাক ব্যাংকের ‘কর্পনেট’ মোবাইল অ্যাপ চালু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

কর্পোরেট ও ব্যবসায়িক গ্রাহকদের জন্য শক্তিশালী এবং নিরাপদ মোবাইল ব্যাংকিং সল্যুশন হিসেবে ‘কর্পনেট’ মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এই অ্যাপের মাধ্যমে অনুমোদিত ব্যবহারকারীরা যেকোনো স্থান থেকে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা লেনদেন অনুমোদন, অ্যাকাউন্ট মনিটরিং এবং যেকোনো জরুরি আর্থিক তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পারবেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্র্যাক ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অ্যাপটিতে একসঙ্গে একাধিক লেনদেন অনুমোদনের সুবিধা রয়েছে, যা অধিকসংখ্যক লেনদেন পরিচালনাকারী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করে তুলবে। ব্যবহারকারী গ্রাহকরা অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স ও লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পারবেন, যা তাদের আর্থিক কার্যক্রম সম্পর্কে হালনাগাদ ধারণা দেবে। পাশাপাশি পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন-সংক্রান্ত তথ্যও জানতে পারবেন।

অ্যাপটির মাধ্যমে কর্পোরেট গ্রাহকরা এমআইএস রিপোর্টও দেখতে পারবেন, যা তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রম পর্যবেক্ষণসহ সময়োপযোগী ও তথ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে।

কর্পোরেট ব্যাংকিংয়ের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় অ্যাপটিতে একাধিক স্তরে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। বায়োমেট্রিক লগইন সুবিধা অ্যাপটিতে দ্রুত ও সুবিধাজনক অ্যাকসেস নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে, টোকেনভিত্তিক লেনদেন অনুমোদন, ডিভাইস বাইন্ডিং এবং সেশন-লেভেল সুরক্ষা কর্পোরেট ব্যাংকিং কার্যক্রমকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখবে।

অ্যাপটির বিস্তারিত ‘অডিট ট্রেইল’ প্রতিটি লেনদেন এবং অনুমোদনের কার্যক্রমকে স্পষ্টভাবে ট্র্যাক করার সুবিধা দেয়, যা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

উল্লেখ্য, ব্র্যাক ব্যাংকের বিদ্যমান ‘কর্পনেট’ প্ল্যাটফর্মের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে এই নতুন ‘কর্পনেট মোবাইল অ্যাপ’। গ্রাহকরা এখন মোবাইল ডিভাইসেই মাধ্যমেই প্রয়োজনীয় লেনদেন অনুমোদন, অ্যাকাউন্ট মনিটরিং এবং রিপোর্টিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলো উপভোগ করতে পারবেন। মোবাইল ব্যবহারের সুবিধার সঙ্গে এন্টারপ্রাইজ-পর্যায়ের নিরাপত্তা ও তদারকি সমন্বয়ের মাধ্যমে অ্যাপটি নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন অক্ষুণ্ন রেখে কর্পোরেট গ্রাহকদের ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনায় আরও বেশি নমনীয়তা ও স্বাধীনতা দেবে।

এই উদ্যোগের বিষয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “ব্যবসার ক্ষেত্রে বিলম্বিত অনুমোদন মানে হতে পারে একটি বিলম্বিত পেমেন্ট, শিপমেন্ট বা হাতছাড়া হয়ে যাওয়া বড় কোনো সুযোগ। ‘কর্পনেট’ মোবাইল অ্যাপটি কর্পোরেট গ্রাহকদের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় লেনদেন অনুমোদন এবং আর্থিক তথ্যের রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করবে। এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত। কর্পনেট মোবাইল অ্যাপ চালু দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আরও দ্রুত, স্মার্ট ও কার্যকর ডিজিটাল ব্যাংকিং ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ব্যাপারে আমাদের ব্যক্ত করা প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।”

এই অ্যাপটি চালুর মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংকের লক্ষ্য হলো, বর্তমান বিশ্বের তীব্র গতিশীল ব্যবসায়িক পরিবেশে প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রশাসনিক জটিলতা কমাতে, আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকে ত্বরান্বিত করতে এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং কার্যক্রম অত্যন্ত নিরাপদে পরিচালনা করতে সহায়তা করা।


নির্বাচিত

উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়তে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এনআরবিসি ব্যাংকের চুক্তি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র বিমোচনসহ সামষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার পুন:অর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিলের আওতায় ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম সভাকক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহামদ্দের উপস্থিতিতে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগ-২-এর পরিচালক একেএম সাইদুজ্জামান এবং এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান, এনআরবিসি ব্যাংকের ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান মীর মো. আব্বাস আলীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিভাগ-২-এর উদ্যোগে গঠিত এ তহবিলের মাধ্যমে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে কৃষি উৎপাদন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং রপ্তানি খাতে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে। এ কর্মসূচির আওতায় কৃষক, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা এবং কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (সিএমএসএমই) উদ্যোক্তাদের অর্থায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেবে এনআরবিসি ব্যাংক। কৃষক ও উদ্যোক্তাগণ সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ৩৬ মাস মেয়াদে এই ঋণ নিতে পারবেন।

তহবিলের অর্থের ১৫ শতাংশ কৃষি উৎপাদন, ৩৫ শতাংশ কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন, ৩৫ শতাংশ কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ১৫ শতাংশ কৃষিপণ্য রপ্তানি খাতে বিতরণ করতে হবে। কৃষি উৎপাদনে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা, সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণে সর্বোচ্চ ৪০ কোটি টাকা এবং কৃষিপণ্য রপ্তানি খাতে সর্বোচ্চ ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন পেতে পারেন। এ উদ্যোগের ফলে উত্তরবঙ্গে কৃষিপণ্যের উৎপাদন থেকে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পথ আরও সুগম হবে।

কৃষি ও পল্লী অর্থনীতির উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে ব্যাংকটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে এনআরবিসি ব্যাংক। নতুন এ চুক্তির মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের কৃষক ও কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তাদের কাছে সহজতর অর্থায়ন পৌঁছে দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত করা হবে।


নির্বাচিত

চট্টগ্রামে ট্রাস্ট ব্যাংকের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ সম্মেলন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে কর্মকর্তাদের সচেতনতা বাড়াতে চট্টগ্রামে সম্মেলন করেছে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাস্ট ব্যাংক জানায়, সম্প্রতি চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মকর্তাদের নিয়ে তারা ‘মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ’ বিষয়ক এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ারউদ্দিন মোহাম্মদ মামুন এবং বিএফআইইউয়ের উপপ্রধান ইমতিয়াজ আহমেদ মাসুম।

ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান জামান চৌধুরী, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) ও ক্যামেলকো হাসনা হেনা চৌধুরী এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসইভিপি) ও ট্রাস্ট ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ শামসুজ্জামানসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে নিয়ন্ত্রক পরিপালন নিশ্চিত করা এবং মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়নসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে ট্রাস্ট ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।


নির্বাচিত

জলবায়ু-সহনশীল কৃষি উন্নয়নে গবেষণায় অর্থায়ন করবে প্রাইম ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর বিশেষ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের আওতায় কৃষিভিত্তিক একটি গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)-এর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।

‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট সাসটেইনেবল ক্রপ, ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক ডেভলপমেন্ট ইন হাওর অ্যাগ্রো-ইকোসিস্টেম অব বাংলাদেশ (সিআরসিএফএলডিএইচএবি)’ শীর্ষক বিশেষ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। প্রাইম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফয়সাল রহমান এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলে ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তির উদ্ভাবন, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা। পাশাপাশি কৃষকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে টেকসই ও জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

প্রাইম ব্যাংকের সিএসআর অর্থায়নের মাধ্যমে স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জলবায়ু-সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও হস্তান্তর, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতজুড়ে সমন্বিত বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে হাওর অঞ্চলের কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. নাজিম এ. চৌধুরী; অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান এবং অ্যাগ্রো বিজনেস বিভাগের প্রধান শাহানা পারভীন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক, বাকৃবি-এর সহযোগী পরিচালক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান এবং সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. পরেশ কুমার শর্মা। এছাড়াও প্রাইম ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

টুয়েলভে চলছে এন্ড অব সামার মেগাসেল, সকল পণ্যে থাকছে ৪০% ছাড়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের নান্দনিক, রুচিসম্মত ও ফ্যাশনেবল ব্র্যান্ড হিসেবে তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয়তার দিক থেকে প্রথম সারিতে রয়েছে টুয়েলভ ক্লথিং লিমিটেড। এই সেপ্টেম্বরে ক্রেতাদের জন্য নানা ডিজাইনের পোষাকের পাশাপাশি দূর্দান্ত অফারে সাজানো হয়েছে টুয়েলভের প্রতিটি আউটলেট। অনলাইনেও ক্রেতারা উপভোগ করতে পারবেন দারুণ এসব অফার। এছাড়া, নিজেদের লয়্যাল কার্ডধারী ক্রেতাদের জন্যও বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের আয়োজন করে থাকে টুয়েলভ। বাংলাদেশের আবহাওয়ার কথা সবসময় বিবেচনা করে নিজেদের কালেকশন সম্মৃদ্ধ করেছে টুয়েলভ কতৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় ১লা সেপ্টেম্বর থেকে এন্ড অব সামার মেগাসেল নামে নতুন ক্যাম্পেইন চালু করেছে টুয়েলভ। স্টক সীমিত থাকায় এই অফার চলবে খুবই অল্প দিনের জন্য। যেখানে সকল পণ্যের ওপর থাকছে ৪০% পর্যন্ত মূল্য ছাড়। টুয়েলভের সকল আউটলেটের পাশাপাশি অনলাইনেও অর্ডারের মাধ্যমে ক্রেতারা এই অফার উপভোগ করতে পারবেন। এ বিষয়ে টুয়েলভের কতৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, টুয়েলভ ক্রেতাদের নিয়ে দেশ ও দেশের বাইরে একটি বিশাল পরিবার তৈরি করেছে। সেই পরিবারেরে সদস্যদের আনন্দের উপলক্ষ তৈরি করার জন্যই এ আয়োজন।


নির্বাচিত

টেলিটকের বাসাবো কাস্টমার কেয়ার উদ্বোধন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রমকে আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে ঢাকার বাসাবো এলাকায় নতুন কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নুরুল মাবুদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে উক্ত কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয়ের পাশাপাশি টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর সেলস্ অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নতুন এ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের মাধ্যমে বাসাবো ও আশপাশের এলাকার টেলিটক গ্রাহকরা আরও সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে বিভিন্ন গ্রাহকসেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এর ফলে টেলিটকের গ্রাহকসেবার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড গ্রাহকদের দোরগোড়ায় উন্নত ও মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী কাস্টমার কেয়ার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


নির্বাচিত

ডিস্ট্রিবিউটরদের জন্য কো-ব্র্যান্ডেড এসএমই ক্রেডিট কার্ড চালু করল সাউথইস্ট ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সিসিআই বাংলাদেশের ডিস্ট্রিবিউটরদের জন্য যৌথভাবে একটি কো-ব্র্যান্ডেড এসএমই ক্রেডিট কার্ড চালুর ঘোষণা দিয়েছে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি, মাস্টারকার্ড ও এসএসএল কমার্জ। বিশেষভাবে তৈরি এ ক্রেডিট কার্ড ডিস্ট্রিবিউটরদের সহজে অর্থ ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট এবং কার্যকর মূলধন ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করবে।

সিসিআই বাংলাদেশ হলো বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কোকা-কোলা কোম্পানির পানীয় উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান কোকা-কোলা ইচেজেক-এর অংশ।

নতুন এ কার্ডের মাধ্যমে শহর ও গ্রামাঞ্চলের ২০০ ডিস্ট্রিবিউটর সহজে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন এবং ব্যবসার অর্থ ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সুবিধা পাবেন। এতে দৈনন্দিন খরচ সামলানোর পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণ সহজ হবে।

এ কার্ডে সর্বোচ্চ ৪৫ দিন পর্যন্ত সুদমুক্ত ক্রেডিট সুবিধা রাখা হয়েছে। এর ফলে ডিস্ট্রিবিউটররা দৈনন্দিন ব্যবসার খরচ ও ক্যাশ ফ্লো আরও সহজে সামলাতে পারবেন। ব্যবসার প্রয়োজন বিবেচনায় তৈরি এ কার্ড পণ্য কেনাকাটা ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় মেটানোর পাশাপাশি দায়িত্বশীলভাবে ক্রেডিট ব্যবহারে সাহায্য করবে।

এ সহযোগিতার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ডিস্ট্রিবিউটরদের ব্যবসা পরিচালনা সহজ করা, ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার বাড়ানো এবং পুরো ভ্যালু চেইনের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি এগিয়ে নিতে কাজ করছে।

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা জানান, ডিস্ট্রিবিউটররা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং এ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ডিস্ট্রিবিউশন ইকোসিস্টেমের ডিজিটাল রূপান্তর ঘটবে।

সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. সেকান্দার-ই-আজম বলেন, এ কার্ডের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা কার্যকর মূলধন সহজে পাবেন ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

এ উদ্যোগ বাংলাদেশে এসএমই খাতে উদ্ভাবনী আর্থিক সেবার পরিধি বাড়াতে এবং ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটায়।

সিসিআই বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাদাব আহমেদ খান জানান, ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এসএসএল কমার্জের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের এ যৌথ উদ্যোগ ডিজিটাল পেমেন্টকে আরো নিরাপদ ও সহজ করে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করবে।


নির্বাচিত

রবি’র ‘প্রাইভেসি অ্যাভেঞ্জার্স’ প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের তরুণদের মধ্যে ডেটা সুরক্ষা ও গোপনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে জাতীয় পর্যায়ের ‘প্রাইভেসি অ্যাভেঞ্জার্স’ নামে সমস্যা সমাধানভিত্তিক (কেস) প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি।

রবির ‘প্রাইভেসি ফার্স্ট’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। তিনজনের দল গঠন করে অংশগ্রহণকারীদের বাস্তব জীবনে ডেটা সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে নতুন ও কার্যকর সমাধান উপস্থাপন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের আস্থা, ব্যবসায়িক প্রয়োজন এবং নতুন প্রযুক্তির বিষয়গুলোও বিবেচনায় নিতে হবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে দায়িত্বশীলভাবে তথ্য ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতের ডিজিটাল নেতৃত্ব তৈরিতে ভূমিকা রাখা রবির লক্ষ্য।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে রবির ওয়েবসাইট robi.com.bd/privacy-avengers এ। প্রতিযোগিতায় মোট ৫ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

নিবন্ধিত দলগুলোকে একটি নির্ধারিত কেস বিশ্লেষণ করে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কনসেপ্ট পেপার জমা দিতে হবে। প্রাথমিক বাছাই শেষে সেরা ২০টি দল ‘প্রাইভেসি ডিফেন্ডারস’ হিসেবে পরবর্তী ধাপে অংশ নেবে। এরপর নির্বাচিত ১০টি দল শিল্পখাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের কাছ থেকে মেন্টরশিপ ও দিকনির্দেশনা পাওয়ার সুযোগ পাবে।

চূড়ান্ত পর্বে দলগুলো ১৩ অক্টোবর গ্র্যান্ড জুরির সামনে তাদের সমাধান উপস্থাপন করবে। ১৫ অক্টোবর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এদিন বিজয়ী দলকে ‘প্রাইভেসি গার্ডিয়ান ২০২৬’ সম্মাননায় ভূষিত করা হবে।


নির্বাচিত

রাজশাহী বিভাগের ‘সেরা পাঁচ ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’ নির্বাচিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ইস্পাহানি মির্জাপুরের উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় মাতৃভাষা বাংলা নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় মেধাভিত্তিক টিভি রিয়্যালিটি শো ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’ সপ্তম বর্ষ–এর রাজশাহী বিভাগের বাছাইপর্ব (অডিশন) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজশাহী ‘শহীদ মামুন মাহমুদ পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’প্রাঙ্গণে আয়োজিত বাছাই পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। প্রাথমিক বাছাই পর্ব শেষে চূড়ান্ত পর্বে ঢাকায় যাবার সুযোগ পেয়েছে রাজশাহী বিভাগের সেরা ৫ বাংলাবিদ।

নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি, শুদ্ধ বাংলা, বানান ও ব্যবহার ছড়িয়ে দিতে সপ্তমবারের মতো ইস্পাহানি টি লিমিটেড আয়োজন করছে বাংলা প্রতিযোগিতা ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক স্বরোচিষ সরকার এবং প্রথিতযশা আবৃত্তি শিল্পী মাহীদুল ইসলাম আর এই প্রতিযোগিতাটি পরিচালনায় ছিলেন চ্যানেল আই-এর তাহের শিপন। পরে নির্বাচিতদের হাতে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, কাজী শহিদুল ইসলাম ও ইস্পাহানি টি লিমিটেডের রাজশাহী বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (রাজশাহী) সত্য নারায়ণ ভৌমিক।

ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ প্রতিযোগিতায় ৪০ নম্বরের সাহিত্য ও ব্যাকরণভিত্তিক বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও ৩০ নম্বরের অনুধাবনমূলক প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় বিভাগীয় সেরা ২০ প্রতিযোগীকে। পরে বিচারকরা যাচাই করেন প্রতিযোগীদের উচ্চারণ, বানান ও ব্যাকরণের সুষ্ঠ প্রয়োগের ক্ষমতা যার মাধ্যমে সেরা পাঁচ নির্বাচিত হয়ে ঢাকায় মূলপর্বে যাবার সুযোগ পায়। এছাড়া অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘সুন্দর হাতের লেখা’ প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান বিজয়ীকে দেওয়া হয় যথাক্রমে পাঁচ হাজার, তিন হাজার ও দুই হাজার টাকার আর্থিক পুরস্কার ও সনদপত্র।

উল্লেখ্য, ঢাকায় মূলপর্ব শেষে দেশসেরা বাংলাবিদ জিতে নেবে ১০ লক্ষ টাকার মেধাবৃত্তি এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয়স্থান অধিকারী পাবে যথাক্রমে ৩ লক্ষ টাকা ও ২ লক্ষ টাকার মেধাবৃত্তি। এছাড়াও প্রথম দশজন প্রতিযোগী প্রত্যেকেই পাবে ১ টি ল্যাপটপসহ ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার করার জন্যে ৫০ হাজার টাকা সমমূল্যের বাংলা বই ও বইয়ের আলমারি।


নির্বাচিত

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘সীরাতুন নবী (সা.) ২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে পবিত্র ‘সীরাতুন নবী (সা.) ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট বিকাল ৩:০০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এতে মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার, লেখক ও গবেষক শাইখ ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ মাদানী।

মূল আলোচকের বক্তব্যে ড. মাদানী মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং দৈনন্দিন জীবনে সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা ও মহানবীর (সা.) আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সৎ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক এবং স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল কাদের মুহাম্মদ মাসুম। এতে বিশেষ বক্তব্য রাখেন ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম মোফাজ্জল হোসেন। বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষকমন্ডলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

দেশ, জাতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।


নির্বাচিত

বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্ট শুরু ৩ সেপ্টেম্বর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের পর্যটন বাণিজ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করতে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন আয়োজন ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্ট (বিটিএম) ২০২৬’। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন করছে বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (বোটোয়া)। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে দেশি-বিদেশি পর্যটন খাতের প্রায় ১০০ প্রদর্শক, ৬০ ট্রেড বায়ার এবং ১৫ হাজার দর্শনার্থীর অংশগ্রহণের আশা করছেন আয়োজকরা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানান বোটোয়ার সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ।

তিনি বলেন, আগামী ৩ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্ট ২০২৬। আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের।

বোটোয়া সম্পাদক বলেন, দেশের পর্যটন বাণিজ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা, দেশি-বিদেশি পর্যটন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরাসরি ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি এবং বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে প্রথমবারের মতো এ ট্রাভেল মার্ট আয়োজন করা হচ্ছে। এখানে দেশি-বিদেশি ট্যুর অপারেটর, ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (ডিএমসি), এয়ারলাইন্স, ট্রাভেল এজেন্সি, পর্যটন সংস্থা এবং অন্যান্য ট্রাভেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছে প্রি-সিডিউলড বি-টু-বি বায়ার-সেলার মিটিং। এতে অংশগ্রহণকারী বায়ার ও সেলাররা অনলাইন পিএসএ (প্রি-সিডিউলড অ্যাপয়েন্টমেন্ট) সিস্টেম ব্যবহার করে আগে থেকেই পছন্দের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময় নির্ধারণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে শুধু পরিচিতি বা সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক লক্ষ্য নিয়ে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা, নতুন চুক্তির সম্ভাবনা, প্যাকেজ ও পণ্য বিনিময়, নতুন গন্তব্য নিয়ে কাজ এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে জানান শরিফুল ইসলাম শরিফ।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্ট ২০২৬-এ বি-টু-বি (বিজনেস টু বিজনেস) এবং বি-টু-সি (বিজনেস টু কনজ্যুমার) কার্যক্রম পৃথকভাবে পরিচালিত হবে। বি-টু-বি অংশে ট্রাভেল ট্রেড পেশাজীবীরা দেশি-বিদেশি বায়ার ও সেলারের সঙ্গে ব্যবসায়িক বৈঠক, নেটওয়ার্কিং এবং নতুন অংশীদারত্ব তৈরির সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে বি-টু-সি অংশে সাধারণ দর্শনার্থীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দেশি-বিদেশি ট্যুর প্যাকেজ, এয়ার টিকিট, হোটেল ও রিসোর্ট বুকিং, ভিসা সেবা, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যের তথ্য এবং বিশেষ ট্রাভেল অফার সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারবেন।

বোটোয়ার সভাপতি সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্টকে আমরা শুধু একটি প্রদর্শনী হিসেবে দেখছি না। এটি বাংলাদেশের পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যটন বাজারের সরাসরি সংযোগ তৈরির একটি প্ল্যাটফর্ম।

তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বায়ার, সেলার ও পর্যটন সেবাদাতাদের একই জায়গায় এনে বাস্তব ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরিই আমাদের লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক পর্যটন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়লে দেশের পর্যটন, হসপিটালিটি ও এভিয়েশন খাতে নতুন বাজার, বিনিয়োগ ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই ট্রাভেল মার্টে আসার জন্য অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন করলে ফ্রি-তে দর্শনার্থীরা আসতে পারবেন। সরাসরি আসার ক্ষেত্রে ৫০ টাকা ফ্রি প্রদান করতে হবে জনপ্রতি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাভেল মার্টের চিফ কো-অর্ডিনেটর মহসীন ইকবাল, ট্রাভেল এজেন্সি ‘ট্যুরিজম উইন্ডো’র স্বত্বাধিকারী ও সিইও শাহাদাৎ রশিদ প্রমুখ।


নির্বাচিত

সিটিজেনস ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত মাসুদুজ্জামান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

মাসুদুজ্জামান সর্বসম্মতিক্রমে সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। মাসুদুজ্জামান দেশের তৈরী পোশাক শিল্প খাতে দীর্ঘ ২৮ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী এবং সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসি-এর অন্যতম স্পন্সর পরিচালক। তিনি মডেল ডি ক্যাপিটাল ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিমিটেড, রাইন ড্রেস লিমিটেড, সাদিয়া ফ্যাশন ওয়্যারস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এছাড়াও তিনি এমব্রো আর্চ, ওশান কালার, স্টেপ টু রেইনবো, আটলান্টিক অ্যাকসেসরিজ, সাদিয়া প্যাকেজিং অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এবং কেয়ামা কালার প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী। রপ্তানির ক্ষেত্রে অসামান্য পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি টানা ছয়বার সরকার কর্তৃক বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) নির্বাচিত হন। ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি মাসুদুজ্জামান সমাজকল্যাণ, মানবিক উদ্যোগ, ক্রীড়া এবং কমিউনিটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। মাসুদুজ্জামান বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমুখী সংস্থা সাথে যুক্ত রয়েছেন এবং দেশের খেলাধুলার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।


নির্বাচিত

banner close