আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৪ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গত রোববার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পরিষদের এক সভা বুধবার (জানুয়ারি) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. জুবায়দুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, এফসিএ, এফসিএস, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ইমেজ বৃদ্ধি এবং পণ্য বিক্রয়ে বিশেষ অবদান রাখায় ৫৬০ জনকে বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার দিয়েছে দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ও সুপার ব্র্যান্ড ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—ওয়ালটন প্লাজা, ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, মার্সেল ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, স্মল অ্যাপ্লায়েন্স ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, স্মল ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, করপোরেট সেলস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশন নেটওয়ার্কের বিক্রয় প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন বিভাগের সদস্যরা।
গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ব্র্যান্ড ইমেজ ও পণ্য বিক্রয়ে তাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘এমপ্লয়ি অব দ্য মান্থ’ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। কোম্পানিতে তাদের ডেডিকেশন, প্যাশন, পরিশ্রম ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃত করে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তাদের পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে পুরস্কাপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট, সম্মাননা ও চেক তুলে দেন ওয়ালটন হাইটেকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) এস এম মাহবুবুল আলম।
এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- ওয়ালটন প্লাজার এমডি মোহাম্মদ রায়হান, অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) নজরুল ইসলাম সরকার ও জিয়াউল আলম এফসিএ, ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান মো. ফিরোজ আলম, চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) জোহেব আহমেদ, মার্সেলের হেড অব বিজনেস মতিউর রহমান প্রমুখ।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ওয়ালটন হাইটেকের এমডি এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ‘ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের আনন্দময় জীবন আমাদের কাম্য।’
তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতে চাই আমরা। কোম্পানিতে তাদের কাজে ডেডিকেশনের জন্যে ওয়ালটন এগিয়ে যাচ্ছে উন্নতির শিখরে। তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতে আজকের এই অনুষ্ঠান। ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের স্বীকৃতি প্রদানের এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক পণ্যের মেলা কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস শো (সিইএস) ২০২৬ শেষ হয়েছে। এবার মেলায় প্রদর্শিত হয় ভবিষ্যতের নানা প্রযুক্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও স্মার্ট হোম প্রযুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে চলতি বছর সিইএস -এ সবার নজর কেড়েছে স্যামসাং।
মেলার ‘ফার্স্ট লুক’ ইভেন্টে স্যামসাং তাদের ‘কম্প্যানিয়ন টু এআই লিভিং’ লক্ষ্য সবার সামনে তুলে ধরে, যেখানে টেলিভিশন, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, গেমিং মনিটর ও হেলথ টেকসহ বিভিন্ন পণ্যে এআই প্রযুক্তি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শুধুমাত্র ফিচার হিসেবেই নয়, স্যামসাংয়ের উৎপাদিত পণ্যগুলো যেন ক্রেতাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ করে তুলতে পারে, এ লক্ষ্যেই পণ্যে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্যামসাং।
টিভি শিল্পখাতে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নেতৃত্বদায়ক অবস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং। নিজেদের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ব্র্যান্ডটি একটি পূর্ণাঙ্গ এআই টিভি লাইনআপ তৈরি করেছে, যা ব্যবহারকারীদের বিনোদন উপভোগের ক্ষেত্রে যুক্ত করেছে নতুন মাত্রা। গত বছর উন্মোচিত স্যামসাং -এর ভিশন এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে টেলিভিশন এখন ধীরে ধীরে স্মার্ট হোম অভিজ্ঞতার গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশে পরিণত হচ্ছে। ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী কনটেন্ট রিকমেন্ডেশন, সহজ নেভিগেশন এবং কনটেন্ট সাজেশন- সবই সম্ভব হচ্ছে, স্যামসাং -এর ভিশন এআই এর মাধ্যমে।
ব্যবহারকারীদের ভিউইং অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে এই বছর সিইএস ২০২৬ -এ স্যামসাং নিয়ে এসেছে ভিশন এআই কম্প্যানিয়ন (ভিএসি), যা টিভির ক্ষেত্রে অ্যাসিস্টেন্ট হিসেবে কাজ করবে। ব্যবহারকারী টিভিতে কী দেখবেন বা কী ধরনের খাবার খেতে পারেন কিংবা মুড অনুযায়ী কোন গান শুনতে ভালো লাগবে, এসব বিষয়ে টিভি এখন নিজ থেকেই ব্যবহারকারীকে সাজেশন দিবে। ওএলইডি, নিও কিউএলইডি, কিউএলইডি ও ইউএইচডি টিভিসহ স্যামসাংয়ের ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ টিভি লাইনআপেই যুক্ত থাকছে ভিএসি। এছাড়াও, এই বছরের সিইএস -এ স্যামসাংয়ের প্রদর্শনীর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ব্র্যান্ডটির ১৩০-ইঞ্চি মাইক্রো আরজিবি ডিসপ্লে প্রযুক্তির বৈশ্বিক উন্মোচন।
বাংলাদেশের একমাত্র টিভি ব্র্যান্ড হিসেবে সার্টিফায়েড কোয়ান্টাম ডট প্রযুক্তি (রিয়েল কিউএলইডি) নিশ্চিত করছে স্যামসাং। ফলে, স্যামসাং টিভি ব্যবহারকারীরা উপভোগ করবেন সমৃদ্ধ ভিউইং অভিজ্ঞতা।
মেলার শেষ দিনে স্যামসাংয়ের ডিজিটাল অ্যাপ্লায়েন্সেস উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটির শিল্পখাতে নেতৃত্ব প্রদানকারী উদ্ভাবন ও স্মার্ট হোমের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
বাংলাদেশে গ্লোবাল ব্র্যান্ড কেএফসি’র একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড’ ২০০৬ সাল থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কেএফসি বাংলাদেশ প্রতিবারের মতো এবারও গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসেছে স্বাদের নতুন এক চমক– বক্স মাস্টার!
নতুন ও ভিন্ন অভিজ্ঞতা খুঁজে বেড়ানো ফুড লাভারদের জন্য এটি একটি অনন্য উদ্ভাবন, যা একসঙ্গে উপস্থাপন করে স্বাদ, টেক্সচার এবং অতুলনীয় ফ্লেভারের অসাধারণ সমন্বয়।
নতুন এই আইটেমটিতে তুলতুলে নরম টর্টিয়াতে মোড়ানো হয়েছে কেএফসির সিগনেচার হট অ্যান্ড ক্রিস্পি জিঙ্গার ফিলে। এর সঙ্গে রয়েছে হ্যাশ ব্রাউন, ফ্রেশ ভেজ মিক্স, স্পাইসি ন্যাশভিল সস ও চিজ স্লাইস।
প্রতিটি কামড়ে থাকবে ঝাল, ক্রিমি আর ক্রাঞ্চের দুর্দান্ত মেলবন্ধন– যা একদিকে যেমন মজাদার, অন্যদিকে তেমনি রোমাঞ্চকর।
বক্স মাস্টার এখন পাওয়া যাচ্ছে দেশের সকল কেএফসি আউটলেটে– ডাইন-ইন, টেকঅ্যাওয়ে, হোম ডেলিভারি, কেএফসি অ্যাপ এবং অনলাইন অর্ডারে: kfcbd.com/menu/box-master
রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এরফান গ্রুপের জনপ্রিয় পণ্য ‘এরফান চিনিগুড়া এরোমেটিক চাল’-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন দেশের বিশিষ্ট অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন এরফান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব মাহবুব আলম এবং অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ নিজে। এই চুক্তির ফলে আগামী দুই বছর তাসনিয়া ফারিণ এই ব্র্যান্ডটির প্রচার ও প্রসারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবেন। তিনি এরফান চিনিগুড়া চালের বিভিন্ন টেলিভিশন বিজ্ঞাপন (টিভিবি), অনলাইন ভিডিও কমার্শিয়াল (ওভিসি) এবং ফটোশুটের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক ও প্রচারণামূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এরফান গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে এই নতুন অংশীদারিত্বকে স্বাগত জানান। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিজিএম (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) জনাব মাহমুদ রহমান বুলবুল, এজিএম জনাব জিয়াউর রহমান, ম্যানেজার (এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন) এস এম সোরমান আলী, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার জনাব মাসুদ পারভেজ এবং ব্র্যান্ড ম্যানেজার জনাব সাজ্জাদ মোহাম্মদ জহিরসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। তাসনিয়া ফারিণের মতো একজন জনপ্রিয় ও রুচিশীল তারকাকে ব্র্যান্ডের সাথে যুক্ত করার মাধ্যমে এরফান গ্রুপ তাঁদের পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা সাধারণ মানুষের কাছে আরও দৃঢ় করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করছে। এই চুক্তিটি উভয় পক্ষের জন্যই একটি সফল ও দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক সম্পর্কের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দেশীয় ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ও সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি তাদের ব্যবসায়িক ও প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্যে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশবান্ধব ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কর্পোরেট সুশাসন নিশ্চিত করায় প্রতিষ্ঠানটি টানা পঞ্চম বারের মতো ‘আইসিএসবি ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর কর্পোরেট গভর্ন্যান্স এক্সিলেন্স’ এবং টানা চতুর্থ বারের মতো ‘আইসিএমএবি বেস্ট কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। এই অভূতপূর্ব গৌরব উদযাপন উপলক্ষে গত শনিবার (১০ জানুয়ারি, ২০২৬) রাজধানীর বসুন্ধরায় ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে “সেলিব্রেটিং কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড অ্যাচিভমেন্ট” শীর্ষক এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান ওয়ালটনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, পণ্যের গুণগত মান, স্টেট অব দ্য আর্ট টেকনোলজি এবং সাশ্রয়ী মূল্যের বিচারে ওয়ালটন বর্তমানে অনেক বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান অসামান্য। বিদেশি ব্র্যান্ডের একচেটিয়া আধিপত্য ভেঙে দিয়ে ওয়ালটন কেবল দেশের আমদানি নির্ভরতা কমায়নি, বরং বিশ্বের বহু দেশে পণ্য রপ্তানি করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও বিশাল ভূমিকা রাখছে। তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আইওটি ও এআই ভিত্তিক সর্বাধুনিক প্রযুক্তির হাই-টেক পণ্য তৈরির মাধ্যমে ওয়ালটন আন্তর্জাতিক বাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ওয়ালটনের সুসংগঠিত উৎপাদন ব্যবস্থা ও বিস্তৃত কর্মযজ্ঞের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, গত ১৫ বছরে ওয়ালটন বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স খাতের চিত্র পুরোপুরি বদলে দিয়েছে এবং বিদেশি ব্র্যান্ডের সাথে প্রতিযোগিতা করে বাজারে নিজস্ব আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে। পুঁজিবাজারে ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানি হিসেবে ওয়ালটন যেমন সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করছে, তেমনি বিনিয়োগকারীদের জন্য নিয়মিত সন্তোষজনক লভ্যাংশ নিশ্চিত করছে। দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও সমৃদ্ধ করতে সরকারের পক্ষ থেকে ওয়ালটনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় নীতি ও কর সহায়তা দেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম তাঁর বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান যে, কারখানা স্থাপন থেকে শুরু করে উৎপাদন প্রক্রিয়া সর্বত্র যথাযথ কমপ্লায়েন্স মেনে চলায় তাঁরা দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ‘সাফা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন। বিশেষ করে ওয়ালটনের মোল্ড অ্যান্ড ডাই ফ্যাক্টরি কমপ্লেক্স পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল থেকে ‘লিড প্লাটিনাম’ সনদ লাভ করেছে। তিনি আরও জানান, ওয়ালটন বর্তমানে দেশের প্রথম লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি উৎপাদন কারখানা গড়ে তুলছে এবং কারখানায় বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করেছে, যা দেশের জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম বলেন, কমপ্লায়েন্স বা নিয়মনীতি পালনের প্রশ্নে ওয়ালটন কখনোই কোনো আপস করে না। কর্মক্ষেত্র, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা বজায় রাখার কারণেই তাঁরা নিয়মিতভাবে আইসিএবি, আইসিএসবি এবং আইসিএমএবি-এর মতো মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মাননা পাচ্ছেন। এই সাফল্য পুরো প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কেক কেটে সাফল্যের এই বিশেষ মুহূর্তটি উদযাপন করা হয়। এর আগে স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেছিলেন কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. রফিকুল ইসলাম।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড তাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ‘বার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন-২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুর ১২টায় রাজধানীর গুলশান-১ এলাকার রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটিকে মহিমান্বিত করেন বাংলাদেশের প্রথিতযশা শিল্পপতি, সমাজসেবক এবং মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর মাননীয় চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোস্তফা কামাল। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. সানা উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ এবং প্রধান কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিপুল সংখ্যক কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনের একটি অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল বিগত ২০২৫ সালের ব্যবসায়িক সাফল্য উদযাপন। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, গত অর্থবছরে অনেকগুলো শাখা তাঁদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এই অভাবনীয় সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন শাখার প্রধানদের হাতে বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। এরপর ২০২৬ সালের নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বড় ধরণের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। কোম্পানির প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নে নতুন নতুন কৌশল গ্রহণ করার ওপর জোর দেওয়া হয় সম্মেলনে। অনুষ্ঠানে পরিচালকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিসেস বিউটি আক্তার, তাহমিনা বিনতে মোস্তফা, তায়েফ বিন ইউসুফ, তানজিমা বিনতে মোস্তফা, ওয়াসিকুর রহমান, তাসনিম বিনতে মোস্তফা, রাশিক আলম চৌধুরী এবং মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ (রাজা)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মোস্তফা কামাল বীমা খাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং কোম্পানির বর্তমান অবস্থানে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বিশেষভাবে নির্দেশ প্রদান করেন যে, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA) এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (BIA)-এর প্রতিটি নীতিমালা ও নির্দেশনা কঠোরভাবে পরিপালন করতে হবে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, আইনি কাঠামো বজায় রেখে কাজ করলেই কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন ঘটবে। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পরিশেষে, উপস্থিত সকল অংশীজনকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবং একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের সভাপতি সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে কোম্পানির সকল স্তরের কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও লক্ষ্যপানে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ফুটে উঠেছে।
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন (বিএইচআরএফ)-এর চেয়ারপারসন ও বিশিষ্ট মানবাধিকার নেত্রী অ্যাডভোকেট এলিনা খান দেশজুড়ে বয়ে যাওয়া তীব্র শৈত্যপ্রবাহে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকায় আয়োজিত বিএইচআরএফ-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রাস্টি বোর্ড সভায় তিনি এই আহ্বান জানান। সভায় নিজের বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন যে, মানবিকতা মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ এবং বর্তমানের এই কঠিন সময়ে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত সকল মতভেদ ভুলে দুস্থদের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি বিবেকবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বলেন যে, মানবিক চেতনায় বিশ্বাসী কোনো মানুষই অন্যের কষ্ট দেখে উদাসীন বা নিশ্চুপ থাকতে পারে না।
সংগঠনটির চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট এলিনা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভাটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সঞ্চালনা করেন বিএইচআরএফ-এর মহাসচিব অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান। সভায় ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর অনারারি কনসাল হিজ এক্সেলেন্সি জিয়াউদ্দিন আদিল, মো. ওমর ফারুক, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোহাম্মদ হারুন এবং অ্যাডভোকেট সরকার আসিফ পিয়াল। এছাড়াও লায়ন সালমা আদিল এমজেএফ এবং ফাতিমা যাহরা আহসান রাইসা সভায় অংশ নিয়ে মানবিক সেবা ও মানবাধিকার রক্ষায় তাঁদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। সভায় বক্তারা কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং সম্মিলিত দায়িত্ববোধের মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতি বিশেষ জোর দেন।
সভার আলোচনা থেকে জানা গেছে যে, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন আঞ্চলিক শাখা ইতিমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা এবং পাবনার ঈশ্বরদীসহ বিভিন্ন জেলায় শীতবস্ত্র সংগ্রহ ও বিতরণ কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে। শীতের তীব্রতা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকায় এই মানবিক কার্যক্রমগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করা হচ্ছে যাতে কোনো প্রকৃত দুস্থ ব্যক্তি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন। এই মহতী উদ্যোগের অংশ হিসেবে ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য এবং সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা লায়ন সালমা আদিল এমজেএফ ব্যক্তিগতভাবে শীতার্ত মানুষের সহায়তায় ৫০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন, যা উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
মানবিক সহায়তার পাশাপাশি সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ও জাতীয় ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে আগামী নির্বাচনে নির্দিষ্ট কিছু জেলায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশব্যাপী আইন ও মানবাধিকার মেলা আয়োজনের পরিকল্পনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সভার শেষ পর্যায়ে গত ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস সফলভাবে পালনকারী শাখাগুলোর মধ্যে বিশেষ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। এতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কুমিল্লা মহানগর শাখা প্রথম স্থান, হাটহাজারী উপজেলা শাখা দ্বিতীয় এবং চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর শাখা যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। এছাড়া ঈশ্বরদী শাখাকে তাঁদের ব্যতিক্রমী কাজের জন্য বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। সামগ্রিকভাবে, এই সভার মাধ্যমে বিএইচআরএফ সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় তাঁদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ২০২৫ সালের সমাপ্তি বছরে এক অসামান্য ও শক্তিশালী আর্থিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বছর শেষে তাদের মোট বার্ষিক আয় এবার চার অঙ্কের কোটা অর্থাৎ হাজার কোটির ক্লাবে সফলভাবে প্রবেশ করেছে। একই সাথে ব্যাংকিং খাতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ ‘নন-পারফর্মিং লোন’ বা এনপিএল অনুপাত কমিয়ে এনে দেশের ব্যাংক খাতের মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে ব্যাংকটি। এই অর্জন মূলত ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সুশাসন এবং অত্যন্ত কঠোর ও সুশৃঙ্খল ঝুঁকি ব্যবস্থাপনারই একটি বাস্তব প্রতিফলন। গত এক বছরে ব্যাংকটি তাদের বিনিয়োগ সক্ষমতা, আমানত সংগ্রহ এবং সামগ্রিক ব্যালেন্স শিটের আয়তনে রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা ব্যাংকটির আর্থিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করেছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ অর্জনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করার লক্ষে সম্প্রতি ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ ‘টাউন হল’ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্যাংকের এই সাফল্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাআদাত। তিনি এই ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য ব্যাংকের সম্মানিত পরিচালনা পর্ষদ এবং মাঠ পর্যায়ের নিবেদিতপ্রাণ সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সম্মিলিত অবদানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রম এবং গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান আস্থাই ব্যাংকটিকে আজকের এই সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছে। কিমিয়া সাআদাত তাঁর বক্তব্যে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সেবার মানকে বৈশ্বিক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে আলোকপাত করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও জানান যে, কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি আগামীর দিনগুলোতে উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সেবার ওপর বিশেষ জোর দেবে। তাঁরা টেকসই প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার পাশাপাশি প্রতিটি ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে বদ্ধপরিকর। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকের সকল অংশীদার বা স্টেকহোল্ডারদের জন্য লাভজনক পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং দেশের অর্থনীতিতে আরও জোরালো অবদান রাখাই হবে তাঁদের মূল লক্ষ্য। সামগ্রিকভাবে ২০২৫ সালের এই অভাবনীয় আর্থিক মাইলফলক কমিউনিটি ব্যাংককে দেশের অন্যতম আস্থাশীল ও শক্তিশালী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নতুন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। মূলত স্বচ্ছতা এবং সুশাসনের মাধ্যমেই ব্যাংকটি এই জয়যাত্রা অব্যাহত রাখতে চায়।
কর্মস্থলে ইতিবাচক সংস্কৃতি এবং কর্মীদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ ‘২০২৫ গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক’ সনদ অর্জন করেছে নেক্সট বাংলাদেশ। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটির গ্লোবাল শাখা হিসেবে পরিচিত নেক্সট শ্রীলঙ্কা ও নেক্সট মালয়েশিয়াও এই বিশেষ সম্মানে ভূষিত হয়েছে। এই অভাবনীয় সাফল্য নেক্সট বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী সেই সকল প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানের তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে, যারা কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পেশাদারিত্বের উন্নয়ন এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন কর্মস্থল নিশ্চিত করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। উল্লেখ্য যে, ‘গ্রেট প্লেস টু ওয়ার্ক’ সার্টিফিকেশনটি মূলত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সরাসরি মতামত, নেতৃত্বের প্রতি তাঁদের অগাধ আস্থা এবং কর্মক্ষেত্রের সামগ্রিক পরিবেশের গভীর মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে প্রতিফলিত হয় যে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সেখানে কাজ করতে কতটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
নেক্সট বাংলাদেশের এই অনন্য অর্জনে গভীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির এইচআর (HR) প্রধান জনাব বিদ্যুৎ সেনগুপ্ত। তিনি তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানান যে, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তাঁদের প্রতিটি দপ্তরে গড়ে তোলা চমৎকার কর্মসংস্কৃতিরই একটি বহিঃপ্রকাশ। তিনি মনে করেন, গ্লোবাল পরিসরে তাঁদের কার্যক্রম যত বাড়ছে, তাঁরা ততই বেশি কর্মচারীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে কর্মীরা পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগ দিতে পারছেন এবং প্রয়োজনীয় সকল কারিগরি ও মানসিক সহায়তা প্রতিষ্ঠান থেকে লাভ করছেন। মূলত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের মানোন্নয়ন এবং উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক উদ্যোগ ও সম্মিলিত পরিশ্রমের ফলেই এই গৌরব অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উন্নত কর্মসংস্কৃতি ও কর্মীদের সার্বিক বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নীতিই নেক্সট বাংলাদেশকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাঁদের কর্মীদের জন্য নিয়মিতভাবে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, লিডারশিপ কোচিং এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কাজ করার বিরল সুযোগ নিশ্চিত করে থাকে। এই ধরণের উদ্যোগ কর্মীদের কেবল পেশাগতভাবেই দক্ষ করে তোলে না, বরং তাঁদের ব্যক্তিগত ও মানসিক উন্নয়নেও শক্তিশালী ভূমিকা রাখে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক ভিন্নতা বিবেচনা করে সহনশীল ও উপযোগী নীতিমালা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করায় নেক্সট এখন সবার কাছে একটি স্বপ্নের কর্মস্থলে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে টিমগুলোর মধ্যে চমৎকার সমন্বয় বজায় রাখায় কর্মীরা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে নিজেদের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করেন। সব মিলিয়ে, উন্নত সুযোগ-সুবিধা আর ইতিবাচক আবহের কারণে নেক্সট এখন ক্যারিয়ার সচেতন তরুণ প্রজন্মের কাছে কর্মস্থল হিসেবে পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করছে।
দেশের ব্যাংকিং খাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক অনন্য ও মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে আর্থিক জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে সম্প্রতি সাভারে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রেইল পদ্ধতিতে মুদ্রিত বই বিতরণ করেছে ব্যাংকটি। প্রাইম ব্যাংকের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে এবং ‘টিম ইনক্লুশন বাংলাদেশ’-এর সক্রিয় সহযোগিতায় এই কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দেওয়া, যাতে তাঁরা স্বাবলম্বী হওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারেন। প্রাইম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, সবার জন্য আর্থিক জ্ঞান সহজলভ্য করার যে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি তাঁরা দিয়েছেন, এটি তারই একটি ধারাবাহিক অংশ।
প্রাইম ব্যাংক এর আগে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য কনজ্যুমার ব্যাংকিং সংক্রান্ত ব্রেইল বই বিতরণ করেছিল। তবে এবারের বিশেষত্ব হলো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা সিএমএসএমই (CMSME) ব্যাংকিং সংক্রান্ত তথ্য সম্বলিত ব্রেইল বই বিতরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা এখন থেকে ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন পণ্য, ঋণ সুবিধা, ব্যবসায়িক সেবা এবং বিনিয়োগের সুযোগ সম্পর্কে আরও স্বচ্ছ ও বিস্তারিত ধারণা লাভ করতে পারবেন। এই উদ্যোগটি মূলত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদেরকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে উৎসাহিত করবে এবং তাঁদেরকে দেশের অর্থনৈতিক মূলধারায় সম্পৃক্ত হতে সহায়তা করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অনুষ্ঠানটি কেবল তথ্য প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুফল সরাসরি পৌঁছে দিতে সেখানে ‘স্পট’ বা তাৎক্ষণিক ব্যাংক হিসাব খোলার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এর ফলে অংশগ্রহণকারী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা কোনো ধরণের জটিলতা ছাড়াই সরাসরি আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব লায়াবিলিটি শায়লা আবেদীন, হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসান এবং হেড অব কনজ্যুমার প্রোটেকশন অ্যান্ড সার্ভিস কোয়ালিটি কাজী রেশাদ মাহবুব। জ্যেষ্ঠ এই কর্মকর্তারা সরাসরি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন।
টিম ইনক্লুশন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটি ও সুইনবার্ন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির প্রতিনিধি তানজিলা কানিজ এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রাইম ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই সময় উপস্থিত থেকে কর্মসূচিতে সহযোগিতা করেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মতে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কেবল একটি ব্যবসায়িক সেবা নয়, বরং এটি একটি বড় ধরণের সামাজিক দায়িত্ব। একটি আরও সহানুভূতিশীল এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে অব্যাহত থাকবে বলে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। মূলত প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দেওয়াই এই আয়োজনের মূল বার্তা ছিল।
দেশের তরুণ ও সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অধীন ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম’ (এসআইসিআইপি)-এর আওতায় ‘এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’ (ইডিপি) বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এই অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই উদ্যোগের ফলে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের বিকাশ এবং উদ্যোক্তাদের কারিগরি ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলো।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জনাব নুরুন নাহার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জনাব হুসনে আরা শিখা। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ডিরেক্টর জনাব নওশাদ মোস্তফা এবং এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের (এসএমইএসপিডি) প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ও অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জনাব মো. নজরুল ইসলাম। অন্যদিকে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর ও বিনিময় করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব কিমিয়া সাআদত। উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই চুক্তি বিনিময় দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উদ্ভাবনী শিল্প সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি জোরালো অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ও জয়েন্ট ডিরেক্টর জনাব মোহাম্মদ ওয়াসিম এবং কোঅর্ডিনেটর ও ডেপুটি ডিরেক্টর মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। কমিউনিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে এসএমই ডিভিশন হেড হোসেন-আল-সাফীর চৌধুরী ও এগ্রি ডিভিশন হেড শরিফ হাসান মামুনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই আয়োজনে শরিক হন। বক্তারা জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও আর্থিক পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে তাঁদেরকে বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার যোগ্য করে তোলা হবে। মূলত একটি স্বনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি বিনির্মাণের লক্ষ্যেই কমিউনিটি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংক এই সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের শিল্প খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নতুন কলেবরে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর প্রধান অতিথি হিসেবে গত রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দেশের প্রথম ইসলামিক মোবাইল ব্যাংকিং ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরিফ হোসেন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন। ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, এফসিএ, এফসিএস, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও ব্যাংকের সকল জোনপ্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের একটি শক্তিশালী গ্রাহক ভিত্তি রয়েছে। ৩ কোটির অধিক গ্রাহক এ ব্যাংকের সাথে সম্পৃক্ত। ইসলামী ব্যাংকের ৪০০টি শাখা, ২৭১টি উপশাখা, প্রায় ২,৮০০টি এজেন্ট আউটলেটের বৃহৎ নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে এমক্যাশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স প্রবাহেও এমক্যাশকে কাজে লাগাতে হবে। ক্যাশলেস সোসাইটি গঠনে এমক্যাশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’
সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ‘৩ কোটি গ্রাহক নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে।’ তিনি এমক্যাশ লেনদেনে সবাইকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান। তিনি এমক্যাশের রিব্র্যান্ডিংয়ে গভর্নর মহোদয়ের উপস্থিতির জন্য ধন্যবাদ জানান।