বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (এইউডাব্লিউ) বাংলাদেশে নারী পোশাক কর্মীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের পথ প্রশস্ত করতে একটি নতুন অংশীদারত্বে প্রবেশ করেছে। তারা বাংলাদেশের পোশাকখাতে নারী শ্রমিকদের শিক্ষা, নেতৃত্ব দিতে সক্ষমতা তৈরি ও তাদের ক্ষমতায়নের উন্নয়নে সহযোগিতা করবে।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান ও এইউডাব্লিউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) ড. রুবানা হক রোববার চট্টগ্রামের একটি হোটেলে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছেন।
সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, পরিচালক আসিফ আশরাফ, পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল, পরিচালক এম. আহসানুল হক এবং বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ইউডি-ওভেন এন্ড নীট এর চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম। এইউডাব্লিউর পক্ষ থেকে আরও ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কামাল আহমেদ, কলা ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. বীনা খুরানা, বোর্ড অফ ট্রাস্টি সদস্য ক্যাথরিন ওয়াটার্স-সাসানুমা, এইউডাব্লিউ সাপোর্ট ফাউন্ডেশনের বোর্ড সদস্য ক্যাথি মাতসুই এবং ছাত্রদের জন্য ভারপ্রাপ্ত ডিন সুমন চ্যাটার্জি।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সমঝোতা স্মারকের উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো থেকে আরও বেশি সংখ্যক নারী শ্রমিকদের জন্য তাদের স্ব স্ব নিয়োগকর্তার সহযোগিতায় বিনামূল্যে এইউডাব্লিউতে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ তৈরি করে দেয়া।
সমঝোতা স্মারকের আওতায়, বিজিএমইএ ও এইউডাব্লিউ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে কর্মরত নারী কর্মীদের মধ্যে থেকে ৫০০ জন যোগ্য নারী কর্মীকে এইউডাব্লিউতে ৫-বছর মেয়াদি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রোগ্রাম ‘পাথওয়েজ ফর প্রমিজ’-এ তালিকাভুক্ত করার জন্য একসঙ্গে কাজ করবে। পোশাকখাত এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মেয়েদের শিক্ষার জন্য এইউডাব্লিউর বিশেষ উদ্যোগ ‘পাথওয়েজ ফর প্রমিজ’ এবং বিজিএমইএ বাংলাদেশী পোশাক কারখানাগুলোর কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে থেকে মেধাবী নারী শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ইতিমধ্যেই ৯০টিরও বেশি নারী পোশাককর্মী এইউডাব্লিউতে অধ্যয়নরত রয়েছে। অধ্যয়নকালীন বছরগুলোতে সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষ এই নারী পোশাক কর্মীদের নিয়মিত বেতন দিয়ে যাচ্ছে, যাতে করে তাদের পরিবারগুলো কোনো সমস্যায় না পড়ে।
‘পাথওয়েজ ফর প্রমিজ’ কর্মসূচির আওতায় এইউডাব্লিউ প্রত্যেক পাথওয়েজ স্কলারকে প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকালীন পুরো সময়জুড়ে একটি আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ দিয়ে থাকে, যা দিয়ে রুম, বোর্ড, টিউশন, বইপত্র, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদার সমস্ত ব্যয় নির্বাহ করা যায়।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, “পোশাক শিল্প শুধুমাত্র যে সর্ববৃহৎ রপ্তানিখাত তা নয়। বরং শিল্পটি লাখো লাখো মানুষের জীবন বদলে দিচ্ছে, তাদের স্বপ্ন পূরণ করছে। পোশাক শিল্প কীভাবে নারী শ্রমিকদের স্বপ্নপূরণ করছে, কীভাবে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান দিয়ে পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে, তারই একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ এই ‘পাথওয়েজ ফর প্রমিজ’ কর্মসূচী।”
ফারুক হাসান আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আজকের সমঝোতা স্মারক সইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা এইউডাব্লিউ এবং বিজিএমইএর মধ্যকার অংশীদারিত্বকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছি এবং এক্ষেত্রে আমরা আরও বেশি অবদান রাখতে সক্ষম হবো।’
শুধুমাত্র হাইস্কুল সম্পন্ন করা নারীরা আবেদন করার জন্য যোগ্য এবং নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। যারা সফলভাবে পাশ করতে পারেন, তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান।
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলার ১১৭তম আসরে পৃষ্ঠপোষকতা করবে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। নগরীর লালদীঘির মাঠে আগামী শনিবার (২৫ এপ্রিল) বসবে এই আসর। ঐতিহাসিক এ আয়োজনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে দ্বাদশবারের মতো বলী খেলার পৃষ্ঠপোষকতা করছে বাংলালিংক।
আয়োজনের প্রস্তুতি তুলে ধরে আজ সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন লাইব্রেরিতে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বলী খেলা উপলক্ষে এবারও ২৪, ২৫ ও ২৬ এপ্রিল লালদীঘি ময়দান ও আশপাশে বৈশাখী মেলা হবে।
এ পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে নিজেদের ব্র্যান্ড মূলমন্ত্র ‘কেয়ার’ কে তুলে ধরতে চায় বাংলালিংক। এই অঙ্গীকার কেবল গ্রাহকসেবার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়ে তা সংরক্ষণ ও এগিয়ে নেওয়াও এ প্রচেষ্টার অংশ।
এ বছর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জব্বারের বলী খেলা’র ১১৭তম আসর, যা চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। তরুণদের অনুপ্রাণিত ও সংগঠিত করার লক্ষ্যে ১৯০৯ সালে স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার সওদাগরের হাত ধরে এই প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। কালের ধারাবাহিকতায় এ আয়োজন এখন ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। বাংলা বছরের প্রথম মাসে প্রতি বছর এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শতবর্ষের ঐতিহ্য ও মৌলিকত্ব বজায় রেখে স্থানীয়দের পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা নামকরা বলীরা (কুস্তিগীর) এই খেলায় অংশ নেন।
জব্বারের বলী খেলা’র এবারের আসর সরাসরি সম্প্রচার করা হবে দেশের অন্যতম শীর্ষ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম টফিতে। এর মাধ্যমে সারা দেশের দর্শক ঘরে বসেই সরাসরি খেলা উপভোগ করতে পারবেন। এ ধরনের উদ্যোগ বলী খেলার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলোকে সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা আরও জোরদার করছে।
আব্দুল জব্বারের বংশধর ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা এ ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা ও মৌলিকত্ব ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় প্রতি বছর দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন, যা এটিকে একটি প্রাণবন্ত জনসমাগমে রূপ দেয়।
পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বাংলালিংক এবার চট্টগ্রামের গণ্ডি পেরিয়ে জব্বারের বলী খেলাকে সারাদেশের দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে চায়। এতে ঐতিহ্যবাহী এ খেলার প্রসার যেমন বাড়বে, তেমনি বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে এর সংযোগও আরও দৃঢ় হবে।
জনতা ব্যাংক পিএলসির ৮৮১তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পর্ষদের পরিচালক বদরে মুনির ফেরদৌস, ড. মোঃ আব্দুস সবুর, আব্দুল মজিদ শেখ, আব্দুল আউয়াল সরকার, ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, মোঃ আহসান কবীর, মোঃ কাউসার আলম, অধ্যাপক ড. এ. এ. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান ও মোঃ ফয়েজ আলম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শ্রেণীকৃত খেলাপি ঋণ আদায়সহ ব্যাংকের অন্যান্য করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বিশ্ব ধরিত্রি দিবস উপলক্ষে এনসিসি ব্যাংক সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ১৪,০০০-এর বেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে। ‘আপনার সাথে সবুজের পথে’ এই স্লোগানকে উপজীব্য করে সম্প্রতি ঢাকার মোহাম্মদপুরে বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন।
অনুষ্ঠানে বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন, এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, ইভিপি ও হেড অব সাসটেইনেবল অ্যান্ড উইমেন ব্যাংকিং নিঘাত মমতাজ, এসভিপি ও ঢাকা আউটস্কার্ট অঞ্চলের প্রধান মো. জসিম উদ্দিন, ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন সেলের প্রধান মো. আনিসুর রহমান মজুমদার, রিটেইল ব্যাংকিং ইউনিট হেড এস. এম. তানভীর হাসান এবং মোহাম্মদপুর শাখার হেড অব বিজনেস অ্যান্ড ব্রাঞ্চ মো. খায়রুল বাশারসহ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও মোহাম্মদপুর শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং প্রায় ১৫০ জন ছাত্রীর মাঝে চারা বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের ১৪২টি স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণসহ ১৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ব্যাংকিং, আর্থিক সাক্ষরতা এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং বিষয়ে সচেতনতামূলক সেশন পরিচালনা করা হয়।
এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন বলেন, এনসিসি ব্যাংক প্রতি বছরের ন্যায় সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করেছে। পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বাড়ির আঙিনা, বাসার ছাদ কিংবা পতিত জমিতে গাছ লাগিয়ে সবুজের ঘাটতি পূরণ করার পরামর্শ দেন।
তিনি আরও বলেন, এনসিসি ব্যাংক সবসময় পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে অর্থায়নের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে। তিনি স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এনসিসি ব্যাংকের সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও পরিবেশবান্ধব সঞ্চয়ী হিসাব ‘এনসিসি নিউএক্স অ্যাকাউন্ট’-এর সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংকের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম এবং বাংলাদেশ রিটেইল ফোরামের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর তৃতীয় আসর। দেশের খুচরা বিক্রয় বা রিটেইল খাতের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এবারের আসরে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইলেক্ট্রো মার্ট’ (Electro Mart) তিনটি মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির শ্রেষ্ঠত্ব, উদ্ভাবন এবং গ্রাহক আস্থার প্রতিফলন।
ইলেক্ট্রো মার্ট প্রথম পুরস্কারটি পেয়েছে ‘বেস্ট রিটেইলার (ইলেকট্রনিক্স)’ ক্যাটাগরিতে। গ্রাহকদের কাছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পণ্য ও মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়টি হলো ‘এমার্জিং রিটেইলার অফ দ্য ইয়ার’। শক্তিশালী লক্ষ্য নির্ধারণ, গ্রাহক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের পণ্য ও সেবা সরবরাহের জন্য ইলেক্ট্রো মার্টকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। তৃতীয় স্বীকৃতিটি হলো ‘মোস্ট অ্যাডমায়ার্ড রিটেইলার’। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে সবচেয়ে প্রশংসিত রিটেইলার হিসেবে গ্রাহকদের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের ফলস্বরূপ এই সম্মাননা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
মানসম্মত পণ্য উৎপাদন, নিত্যনতুন উদ্ভাবন এবং বিক্রয়োত্তর সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে ইলেক্ট্রো মার্ট বর্তমানে রিটেইল সেক্টরে একটি অনুকরণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের বিশ্বমানের কনকা, গ্রী ও হাইকো ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স পণ্য এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে এবং গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করছে। ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বস্ততা, সুনাম ও আস্থার সাথে পণ্য সরবরাহ করে আসছে এই গ্রুপটি।
বিগত সময়ে গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও ভোক্তাদের অফুরন্ত ভালোবাসা ও নির্ভরতার কারণেই কনকা, গ্রী ও হাইকো ব্র্যান্ড আজ বাজারের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। এই প্রতিটি স্বীকৃতিই প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন দায়বদ্ধতা তৈরি করেছে, যা আগামী দিনে আরও দায়িত্বশীল হতে এবং নতুন কর্ম-অনুপ্রেরণা যোগাতে সহায়তা করবে। এই অর্জনে ইলেক্ট্রো মার্ট কর্তৃপক্ষ গ্রাহক ও ভোক্তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
তীব্র, ক্লান্তিকর, কখনো কখনো যেন একটু দমবন্ধ, বলছি রাজশাহীতে গ্রীষ্মের কথা। প্রচণ্ড রোদে দিনের ছোট ছোট কাজও যেন হয়ে ওঠে পরিশ্রমসাধ্য। তবুও এই তপ্ত সময়ের মাঝেই আছে এক অটুট আনন্দ, আর তা হলো আম। এই গরমের ভেতরেও আমের উপস্থিতিই যেন রাজশাহীর ঋতুকে সবচেয়ে বেশি মনে রাখার মতো করে তোলে।
আর সেই ঋতুর আসল রূপ দেখাতে ব্র্যাকের পর্যটন বিষয়ক উদ্যোগ ‘অতিথি’ নিয়ে এসেছে রাজশাহী ম্যাঙ্গো অর্চার্ড এক্সপেরিয়েন্স প্যাকেজ। এতে আছে দুই দিন-এক রাতের ভ্রমণ প্যাকেজ, যা আপনাকে নিয়ে যাবে রাজশাহীর বিশেষ সব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কাছে।
ভ্রমণের সূচিতে রয়েছে সবুজ আমবাগানের ভেতর দিয়ে হেঁটে বেড়ানো, বাতাসে ভেসে থাকা মিষ্টি গন্ধে ডুবে যাওয়া, আর গাছ থেকে পেড়ে নেওয়া টাটকা আমের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ। বিশেষ করে যারা শহরে থাকি, এই আয়োজনটি এনে দেয় তাদের জন্য এক বিরল সুযোগ— বাগানেই আম উপভোগ করার।
অতিথির এই বিশেষ প্যাকেজটি শুধু আমবাগানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং রাজশাহীর ইতিহাস ও সংস্কৃতির গভীরতাও তুলে ধরে। ভ্রমণের অংশ হিসেবে আরও থাকছে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ঘুরে দেখা, পদ্মার তীরের শান্ত সৌন্দর্য অনুভব আর স্থানীয় সিল্ক হাউসগুলোয় যাত্রা, যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে আছে সূক্ষ্ম কারুশিল্পের ঐতিহ্য।
গত বছর অতিথির সঙ্গে এই ভ্রমণে অংশ নিয়েছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার এবং জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন জ্যান-রলফ জানোস্কি।
অতিথির ম্যাঙ্গো অর্চার্ড এক্সপেরিয়েন্স রাজশাহীর তীব্র গরমকে ভিন্নভাবে অনুভব করার এক অনন্য উপায়, যেখানে প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর আমের সহজ আনন্দ মিলিয়ে তৈরি হয় এক স্মরণীয় যাত্রা। তাহলে আর অপেক্ষা কীসের? ঘুরে আসুন রাজশাহীর অতিথি হয়ে।
প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন ;
যেকোনো তথ্যের জন্য কল করুন +8809610800700 অথবা WhatsApp করুন +8801332550542 নম্বরে।
সম্পন্ন হলো পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ সম্প্রসারণ বিষয়ক বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল লেনদেনে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম। দেশব্যাপী এই আয়োজনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত দুইদিনব্যাপী কর্মসূচিতে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি লিড ব্যাংক হিসেবে নেতৃত্ব প্রদান করে। আয়োজনের প্রথম দিন (১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার) সকালে এক বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারী অতিথি ও বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা শহর প্রদক্ষিণ করেন। র্যালি শেষে পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এর পরিচালক জনাব আ.ন.ম. মঈনুল কবীর এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক জনাব আরিফ হোসেন খান। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আবুল বসার, নির্বাহী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), বরিশাল অফিস, বাংলাদেশ ব্যাংক; জনাব কিশোর রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), পটুয়াখালী; জনাব মো. তামিম নূর ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, পটুয়াখালী এবং জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আইএফআইসি ব্যাংক। সেমিনারে বক্তারা ডিজিটাল লেনদেন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং এ সংক্রান্ত সমষ্টিগত কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
এছাড়া,উক্ত সেমিনার স্থলে বিভিন্ন বুথে অতিথিদের কিউআর (QR) কোড ব্যবহারের মাধ্যমে লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সম্মুখ ধারণা প্রদান করা হয়। একই ধারাবাহিকতায় ২০ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার) পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের মাঝে ক্যাশলেস প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করতে দিনব্যাপী বিশেষ সেমিনার ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আয়োজনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
উপায় গ্রাহকদের জন্যে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী ইন্স্যুরেন্স এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেড (উপায়)-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডে। দেশের তৈরি পোশাক খাতের কর্মীদের পাশাপাশি উপায় ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত এজেন্ট, ডিএসও ও পরিবেশকদের—যাদের অনেকেই এখনো প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক সুরক্ষা সেবার বাইরে—বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই অংশীদারিত্বের আওতায় গার্ডিয়ান দিচ্ছে একটি সমন্বিত সুরক্ষা প্যাকেজ, যার মধ্যে থাকছে লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ডিসএবিলটি বা অক্ষমতা ইন্স্যুরেন্স এবং হেল্থ ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ। এর পাশাপাশি গ্রাহকরা পাবেন প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা- ২৪ ঘণ্টা টেলি-ডাক্তার পরামর্শ, হাসপাতাল সেবায় ছাড় এবং দুর্ঘটনাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি সংক্রান্ত সুবিধা। পুরো প্যাকেজটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে উপায়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে খুব সহজেই এ সেবা গ্রহণ করা যায়।
চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেন গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ, এবং উপায়ের কর্পোরেট সেলস হেড সাজ্জাদ আলম। অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্স্যুরেন্স সেবা বিস্তারের যাত্রায়, এই অংশীদারিত্ব গার্ডিয়ানের জন্য একটি নতুন ধাপ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে আব্দুল হালিম, ইভিপি ও হেড অব মাইক্রো ইন্স্যুরেন্স, ডিজিটাল চ্যানেল এবং এডিসি; মো. নওশাদুল করিম চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট; মো. শাহারিয়ার জামিল আবির, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার; এবং আল-আমিন, ডেপুটি ম্যানেজার।
অন্যদিকে উপায়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মো. নুরুজ্জামান তুহিন, জেনারেল ম্যানেজার, কর্পোরেট সেলস; অভিজিৎ গোপ তপু, কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার; এবং ইমরান হাসান রিমন, কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, মার্চেন্ট বিজনেস।
এই অংশীদারিত্বের বৃহত্তর লক্ষ্য নিয়ে শেখ রকিবুল করিম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে ইন্স্যুরেন্সকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করা। বিশেষ করে, তৈরি পোশাক খাতের কর্মীদের মতো সকল পরিশ্রমী মানুষের জন্য আর্থিক সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপায়-এর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব আমাদেরকে আরও কার্যকরভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং তাদের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, সাশ্রয়ী ও প্রাসঙ্গিক সমাধান দিতে সহায়তা করবে।”
গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের এই উদ্যোগ মূলত অংশীদারিত্ব এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বীমা সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা। দৈনন্দিন আর্থিক সেবার সঙ্গে বীমা সুরক্ষাকে যুক্ত করে কর্মজীবী মানুষ ও তাদের পরিবারের জন্য সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী সমাধান দেওয়াই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। এই পদক্ষেপটি কেবল একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত জনবলই তৈরি করবে না, বরং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি শুরু করলো তাদের ফ্ল্যাগশিপ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম ‘ফিনটার্নশিপ’ সামার ২০২৬। দেশের আর্থিক খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট ও ফাইনাল-ইয়ার শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২ মে, ২০২৬।
আবেদন করতে ভিজিট করুনঃ https://jobs.bdjobs.com/jobdetails?id=1478326&ln=1
‘লার্ন | লিড | এক্সেল’ স্লোগানকে সামনে রেখে ফিনটার্নশিপ প্রোগ্রামটি তরুণদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে ইন্ডাস্ট্রি-ভিত্তিক জ্ঞান, বাস্তবিক অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ পাবে।
আইপিডিসি’র এই উদ্যোগকে ‘ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশের সেরা সুযোগ’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে একাডেমিক জ্ঞান ও কর্পোরেট অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাবে। বাছাইকৃত ইন্টার্নরা রিটেইল ও কঞ্জ্যুমার ফাইন্যান্স, এসএমই ও কর্পোরেট বিজনেস, রিস্ক ও কমপ্লায়েন্স, কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স, বিজনেস অ্যানালাইটিক্স এবং সেলস ও রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট, ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সল্যুশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কাজ করার সুযোগ পাবে।
প্রোগ্রাম চলাকালে ইন্টার্নরা অভিজ্ঞ প্রফেশনালদের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে একটি আধুনিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা লাভের সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে তারা যোগাযোগ ও বিশ্লেষণী দক্ষতা, দলগত কাজের সক্ষমতা, গ্রাহক-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং আর্থিক ব্যবস্থা সম্পর্কে যথাযথ ধারণা পাবে।
এ প্রসঙ্গে আইপিডিসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর রেজওয়ান দাউদ সামস বলে, “বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে প্রাসঙ্গিক কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইপিডিসি’র অভিনব ফিনটার্নশিপ প্রোগ্রাম তরুণদের কর্মজীবনে প্রবেশ কেবল সহজই করবে না, বরং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে। আমাদের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রাম ‘দ্য আনবাউন্ডার্স’ ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বিকাশে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। ‘ফিনটার্নশিপ’ সেই ধারাবাহিকতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।”
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তির মধ্যে দেশে বৈদ্যুতিক যানবাহনের চাহিদা এখন অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এই বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব করতে ঢাকার মোহাম্মদপুরে রিভো বাংলাদেশের নতুন শোরুম ‘লাবিব মোটরস’ চালু হয়েছে।
গত ১৯ এপ্রিল (রবিবার) বিকেলে ফিতা কেটে এবং দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে শোরুমটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রিভো বাংলাদেশের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ভেন নি এবং হেড অব সেলস নাজমুল আহসান সুমন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভেন নি বলেন, “নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবার মাধ্যমে সাধারণ রাইডারদের জন্য স্মার্ট যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করাই রিভোর মূল লক্ষ্য। ঢাকা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মোহাম্মদপুর। এই এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠীর যাতায়াতকে আরও সহজ করতেই আমাদের এই নতুন শোরুম।”
রিভোর এই নতুন শোরুমে ইলেক্ট্রিক বাইক ক্রয় এবং সার্ভিসিং – উভয় সুবিধাই পাওয়া যাবে। গ্রাহকরা এখানে সর্বাধুনিক মডেলের ইলেকট্রিক বাইক কেনার পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য খুচরা যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিং সেবা পাবেন।
ইলেকট্রিক বাইকের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনা করে রিভো বাংলাদেশ একটি বিশেষ প্রি-বুকিং অফারও ঘোষণা করেছে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় গ্রাহকরা জনপ্রিয় মডেলগুলোতে ৩,৫০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন।
আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টারে নবনিযুক্ত এসিস্ট্যান্ট অফিসারদের ০৬ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন কোর্সের প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে মে মাসে ফাউন্ডেশন কোর্সের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে। রোববার(১৯ এপ্রিল)এই প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের প্রশাসক জনাব মামুনুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের প্রশাসক মহোদয়কে সহায়ক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. সুমন্ত কুমার সাহা, সিএফএ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আঞ্চলিক প্রধান (রাজশাহী ও খুলনা) জনাব মোঃ কামাল হোসেন; এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান জনাব মাসুদ হাসান, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন হেড অফ ট্রেনিং জনাব মোঃ পারভেজ ইউসুফ চৌধুরী।
ফাউন্ডেশন কোর্সে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান কার্যালয় ও বিভিন্ন শাখার মোট ২৮ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।
এ সময় বক্তারা প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সাথে ব্যাংকিং পেশায় নিজেদের গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।
দেশের ব্যাংকিং খাতে সুদীর্ঘ ঐতিহ্য, শক্তিশালী করপোরেট গভর্নেন্স এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবার ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার ভবনে পুবালী ব্যাংক পিএলসি’র ১০০০তম এটিএম/সিআরএম বুথ উদ্বোধন করা হয়েছে।
নতুন এই এটিএম/সিআরএম বুথের মাধ্যমে গ্রাহকরা নগদ উত্তোলনের পাশাপাশি জমা প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের স্বয়ংক্রিয় ব্যাংকিং সেবা সহজেই গ্রহণ করতে পারবেন, যা আধুনিক ও সময়োপযোগী ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বুথটির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পিএইচডি। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজার ফাতেমা বিনতে মুস্তাফা, পুবালী ব্যাংকের কার্ড অপারেশন বিভাগের বিভাগ প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার রায়, ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক আবু লাইছ মোঃ শামসুজ্জামান এবং শাহবাগ এভিনিউ শাখার উপ-মহাব্যবস্থাপক মোসা. মাসুমা খাতুন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ বর্তমান সময়ের একটি অপরিহার্য প্রয়োজন। পুবালী ব্যাংক পিএলসি’র এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে এবং ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
পুবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, “পুবালী ব্যাংক পিএলসি সবসময় গ্রাহককেন্দ্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের ১০০০তম এটিএম/সিআরএম বুথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন ডিজিটাল রূপান্তরের ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।” তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও পুবালী ব্যাংক পিএলসি প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাবে।
সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-র মধ্যে সম্প্রতি বিডার প্রধান কার্যালয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিনিয়োগকারীরা বিডার অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে ব্যাংক হিসাব খোলা এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অস্থায়ী ব্যাংক হিসাব খোলার মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি-র মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন।
বিডার নির্বাহী সদস্য এয়ার কমোডোর মো. শাহারুল হুদার সভাপতিত্বে সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি-র হেড অব বিজনেস মোঃ শহীদুল ইসলাম এবং বিডার মহাপরিচালক জীবন কৃষ্ণ সাহা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
উক্ত আয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহীনুজ্জামান, সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি-র হেড অব আইটি মঞ্জুর মাওদুদসহ বিডার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং সহজতর ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি-র (www.shimantobank.com) অঙ্গীকার এই চুক্তির মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।
গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে মা এন্টারপ্রাইজ ও এমআরএম ভেঞ্চার লিমিটেড (ডিএফএসকে বিডি)-এর সাথে একটি অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.। সম্প্রতি গুলশান অ্যাভিনিউ, ঢাকায় অবস্থিত প্রাইম অ্যাসপায়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে উভয় প্রতিষ্ঠান।
এই চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা ডিএফএসকে থেকে গাড়ি ক্রয়ে ডিসকাউন্ট সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর ইভিপি ও হেড অব কনজ্যুমারস অ্যাসেটস এবং কার্ডস জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল এবং মা এন্টারপ্রাইজ ও এমআরএম ভেঞ্চার লিমিটেড (ডিএফএসকে বিডি)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মোহতাসিম আল রাফিদ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (সিকিউরড কনজিউমার ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড এমবেডেড পেমেন্টস) তাকিয়ান চৌধুরী এবং মা এন্টারপ্রাইজ ও এমআরএম ভেঞ্চার লিমিটেড (ডিএফএসকে বিডি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন খানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক গ্রাহকদের লাইফস্টাইল ভিত্তিক মানসম্পন্ন সেবা ও আর্থিক সমাধান প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা গ্রাহকদের স্বপ্নপূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।