শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪

নারী কর্মীদের উচ্চশিক্ষায় কাজ করবে বিজিএমইএ ও এইউডাব্লিউ

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান ও এইউডাব্লিউর ভিসি ড. রুবানা হক রোববার সমঝোতা স্মারক সই করেন
আপডেটেড
২২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৯:৫৮
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৯:৫৭

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (এইউডাব্লিউ) বাংলাদেশে নারী পোশাক কর্মীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের পথ প্রশস্ত করতে একটি নতুন অংশীদারত্বে প্রবেশ করেছে। তারা বাংলাদেশের পোশাকখাতে নারী শ্রমিকদের শিক্ষা, নেতৃত্ব দিতে সক্ষমতা তৈরি ও তাদের ক্ষমতায়নের উন্নয়নে সহযোগিতা করবে।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান ও এইউডাব্লিউর ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) ড. রুবানা হক রোববার চট্টগ্রামের একটি হোটেলে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছেন।

সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, পরিচালক আসিফ আশরাফ, পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল, পরিচালক এম. আহসানুল হক এবং বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ইউডি-ওভেন এন্ড নীট এর চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম। এইউডাব্লিউর পক্ষ থেকে আরও ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কামাল আহমেদ, কলা ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. বীনা খুরানা, বোর্ড অফ ট্রাস্টি সদস্য ক্যাথরিন ওয়াটার্স-সাসানুমা, এইউডাব্লিউ সাপোর্ট ফাউন্ডেশনের বোর্ড সদস্য ক্যাথি মাতসুই এবং ছাত্রদের জন্য ভারপ্রাপ্ত ডিন সুমন চ্যাটার্জি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সমঝোতা স্মারকের উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো থেকে আরও বেশি সংখ্যক নারী শ্রমিকদের জন্য তাদের স্ব স্ব নিয়োগকর্তার সহযোগিতায় বিনামূল্যে এইউডাব্লিউতে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ তৈরি করে দেয়া।

সমঝোতা স্মারকের আওতায়, বিজিএমইএ ও এইউডাব্লিউ বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে কর্মরত নারী কর্মীদের মধ্যে থেকে ৫০০ জন যোগ্য নারী কর্মীকে এইউডাব্লিউতে ৫-বছর মেয়াদি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রোগ্রাম ‘পাথওয়েজ ফর প্রমিজ’-এ তালিকাভুক্ত করার জন্য একসঙ্গে কাজ করবে। পোশাকখাত এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মেয়েদের শিক্ষার জন্য এইউডাব্লিউর বিশেষ উদ্যোগ ‘পাথওয়েজ ফর প্রমিজ’ এবং বিজিএমইএ বাংলাদেশী পোশাক কারখানাগুলোর কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে থেকে মেধাবী নারী শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ইতিমধ্যেই ৯০টিরও বেশি নারী পোশাককর্মী এইউডাব্লিউতে অধ্যয়নরত রয়েছে। অধ্যয়নকালীন বছরগুলোতে সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষ এই নারী পোশাক কর্মীদের নিয়মিত বেতন দিয়ে যাচ্ছে, যাতে করে তাদের পরিবারগুলো কোনো সমস্যায় না পড়ে।

‘পাথওয়েজ ফর প্রমিজ’ কর্মসূচির আওতায় এইউডাব্লিউ প্রত্যেক পাথওয়েজ স্কলারকে প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকালীন পুরো সময়জুড়ে একটি আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ দিয়ে থাকে, যা দিয়ে রুম, বোর্ড, টিউশন, বইপত্র, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদার সমস্ত ব্যয় নির্বাহ করা যায়।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, “পোশাক শিল্প শুধুমাত্র যে সর্ববৃহৎ রপ্তানিখাত তা নয়। বরং শিল্পটি লাখো লাখো মানুষের জীবন বদলে দিচ্ছে, তাদের স্বপ্ন পূরণ করছে। পোশাক শিল্প কীভাবে নারী শ্রমিকদের স্বপ্নপূরণ করছে, কীভাবে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান দিয়ে পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে, তারই একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ এই ‘পাথওয়েজ ফর প্রমিজ’ কর্মসূচী।”

ফারুক হাসান আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আজকের সমঝোতা স্মারক সইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা এইউডাব্লিউ এবং বিজিএমইএর মধ্যকার অংশীদারিত্বকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছি এবং এক্ষেত্রে আমরা আরও বেশি অবদান রাখতে সক্ষম হবো।’

শুধুমাত্র হাইস্কুল সম্পন্ন করা নারীরা আবেদন করার জন্য যোগ্য এবং নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। যারা সফলভাবে পাশ করতে পারেন, তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান।

বিষয়:

পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজের এজিএম অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজের ১৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গত বুধবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে হাইব্রিড পদ্ধতিতে (শারীরিক উপস্থিতি ও ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে) অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনিরউদ্দিন আহমদ। সভায় পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজের পরিচালকবৃন্দ- আজিজুর রহমান, মোস্তফা আহমদ, আয়শা ফারহা চৌধুরী, রুনা ফৌজিয়া হাফিজ, আহমেদ সালাহ্ সাত্তার, আসিফ এ. চৌধুরী, শাহীনুজ্জামান ইয়াকুব, ড. শাহ্দীন মালিক, মোহাম্মদ আলী এবং পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ্ ও মহাব্যবস্থাপক শাহ্ আলম উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

তিন উৎসবে রঙিন এনআরবিসি ব্যাংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

এনআরবিসি ব্যাংক নিজেদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ১২ বছরে পদার্পণ, বাংলা নববর্ষ বরণ এবং ঈদ পুনর্মিলনী বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপন করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই তিন উৎসব উপলক্ষে প্রধান কার্যালয়ের সকল বিভাগ এবং সারা দেশের সব শাখা-উপশাখায় মতবিনিময় সভা ও ‘ওয়ান ডিস পার্টি’র আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। হাইব্রিড পদ্ধতিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আদনান ইমাম এফসিসিএ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক ওলিউর রহমান, এ এম সাইদুর রহমান, লকিয়ত উল্লাহ, মোহাম্মদ নাজিম, স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান আবু এসরার, স্বতন্ত্র পরিচালক খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, রাদ মজিব লালন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম আউলিয়াসহ ব্যাংকের উদ্যোক্তা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

মধুমতি ব্যাংক অডিট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মধুমতি ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের অডিট কমিটির ৪৪তম সভা গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান শেখ সালাহ্উদ্দিন। এ সময় ব্যাংকের অডিট কমিটির সদস্য এ মান্নান খান, মজিবুল ইসলাম পান্না, স্বতন্ত্র পরিচালক সৈয়দ রেজাউর রহমান এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিউল আজম উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

নারীর অধিকার আদায়ে ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা মোহর সঞ্চয়ী হিসাব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মোহর ইসলামে নারীর প্রতি সম্মান আর অধিকার প্রদর্শনের একটি নিদর্শন। বিবাহের সময় কনের দাবিকৃত অর্থ মোহর, আর বরের পক্ষ থেকে কনেকে এই মোহর আদায় করা অত্যাবশ্যকীয় কর্তব্য। পবিত্র কোরানের সুরা নিসায় আল্লাহ বলেন “আর তোমরা আনন্দের সাথে স্ত্রীদের মোহর আদায় করে দাও। তবে যদি তারা স্বেচ্ছায় মাফ করে দেয়, তাহলে তা সানন্দে ভোগ করতে পার”। মোহর যে স্ত্রীর অপরিহার্য অধিকার এবং স্বামীকে যে অবশ্যই পালন করতে হবে এমন চিন্তা বেশিরভাগ মানুষের থাকে না। ফলে সমাজে মোহর আদায়ের সংস্কৃতি কিছুটা কম। বিয়েতে মোটা অংকের মোহর নির্ধারণ করা হয়, কিন্তু সংসারের খরচ চালাতে গিয়ে এই মোহর আদায় কারো কারো পক্ষে কঠিন হয়ে উঠে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি মোহর আদায়ের সংস্কৃতি চালু রাখতে ও আরো সহজ করতে মুদারাবা মোহর সেভিংস অ্যাকাউন্ট চালু করেছে।

সমাজের সর্বস্তরের মুসলিম জনসাধারণ বিশেষত পেশাজীবী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, প্রবাসী তাদের সামর্থ অনুযায়ী মাসিক কিস্তিতে টাকা জমা দিয়ে এই প্রকল্পের আওতায় একাউন্ট খুলতে পারবেন। মাসিক কিস্তি ৫০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকার কিস্তিতে ৫ বছর ও ১০ বছর মেয়াদী এ হিসাব পরিচালনাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করবে স্বামী বা বিবাহেচ্ছুক পুরুষ। কাবিননামায় উল্লেখিত মোট টাকার পরিমাণ, আদায়কৃত টাকা এবং আদায়যোগ্য টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে আদায়যোগ্য টাকার উপর মাসিক হার নির্ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে প্রায় ৩৩ হাজার গ্রাহক ইসলামী ব্যাংকে মোহর একাউন্ট খুলেছেন।

বাংলাদেশের যে কোন বৈধ নাগরিক তার জাতীয় পরিচয় পত্র/পাসপোর্ট/ ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি, নিজের ২ কপি ছবি, স্ত্রীর ২ কপি ছবি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও নমিনির এক কপি ছবি নিয়ে ইসলামী ব্যাংকের যে কোন শাখা, উপশাখা কিংবা এজেন্টে মোহর একাউন্ট খুলতে পারবে, এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের ডিজিটাল অ্যাপস সেলফিনের মাধ্যমেও এই একাউন্ট খোলা যায়। অন্য শাখা, উপশাখা কিংবা এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট থেকে অনলাইনের মাধ্যমে কিস্তির টাকা জমা দেওয়া যায়। মোবাইলভিত্তিক ব্যাংকিং আ্যাপস সেলফিনের মাধ্যমে মাসের যে কোন দিন যে কোন স্থান থেকে খুব সহজে মাসিক কিস্তি দেওয়া যায় অথবা শাখায় স্পেশাল ইনস্ট্রাকশন দিয়ে রাখলে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট তারিখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অটোমেটিক সংশ্লিষ্ট সেভিংস হিসাব থেকে মোহর একাউন্টে ট্রান্সফার হয়ে যাবে। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও এমক্যাশের মাধ্যমেও মাসিক কিস্তি পরিশোধ করা যায়। গ্রাহক চাইলে কিস্তির টাকা অগ্রিম পরিশোধ করতে পারেন। ওই অ্যাকাউন্টের মূল টাকা ও প্রদত্ত মুনাফা সবই স্ত্রীর প্রাপ্য। হিসাব খোলার সময় কিস্তির হার ও মেয়াদ নির্ধারণ করতে হবে। পরবর্তীতে তা পরিবর্তন করা যাবে না।

মুদারাবা মোহর হিসাবে সঞ্চিত অর্থ দিয়ে একজন স্বামী তার স্ত্রীর মোহরের ঋণ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারেন। মোহর পরিশোধের মাধ্যমে নারীর জীবনে আর্থিক সচ্ছলতা আসে। এবং সম্মান প্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বোপরি সমাজে নারীর অধিকার আদায়ের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায়ন হয়। মোহর আদায়ের সংস্কৃতি চালু করতে ইসলামী ব্যাংকের এ উদ্যোগ কৃতিত্বের দাবিদার। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নরসিংদী শাখা নতুন ভবনে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নরসিংদী শাখা স্থানান্তরিত ভবনে গত বুধবার উদ্বোধন করা হয়। ব্যাংকের ঢাকা উত্তর অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান মাহবুবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক খায়রুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের শাখা নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন ও গবেষণা বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এবং বিভাগীয় প্রধান মফিজুল ইসলাম এবং এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

শিপ রিসাইক্লিং শিল্পে কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে আলোচনা

সিনিয়র শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানার সঙ্গে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিমের সাক্ষাৎ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশের শিপ রিসাইক্লিং বা জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পে হংকং কনভেনশন ২০০৯ দ্রুত কমপ্লায়েন্স বা প্রতিপালন নিশ্চিতকরণ বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানার সঙ্গে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এক বৈঠকে মিলিত হন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) ও উন্নয়ন অংশীদারদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শামীমুল হক, যুগ্ম সচিব প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, আইএমওর প্রকল্প পরিচালক সঞ্জয় কুমার ঘোষ ও আইএমওর ন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. জসিম উদ্দিন বাদল অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশনের এশিয়া প্যাসিফিক পর্বে রুয়েট তৃতীয়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বখ্যাত চাইনিজ কোম্পানি হুয়াওয়ের আইসিটি কম্পিটিশনের এশিয়া প্যাসিফিক (এপিএসি) পর্বে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ছাত্রদের একটি দল তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। আজ বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত এপিএসি অ্যাওয়ার্ড সিরিমনিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

গত বছর শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজারেরও বেশি স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এই প্রতিযোগিতায় নেটওয়ার্ক ট্র্যাক, ক্লাউড ট্র্যাক, কম্পিউটিং ট্র্যাক ও ইনোভেশন ট্র্যাক এই চারটি গ্রুপে অংশ নেয়ার সুযোগ ছিল। প্রতিটি ট্র্যাক থেকে ১০ জন শিক্ষার্থীকে তাদের অধ্যয়ন ও পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ পর্বে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

পরবর্তীতে তাঁদের মধ্যথেকে শীর্ষ বারোজন চারটি দলে ভাগ হয়ে এপিএসি পর্বে যোগ দেয়। রুয়েটের শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৈরি একটি দল যোগ দেয় নেটওয়ার্ক ট্র্যাকে আরেকটি দল যোগ দেয় কম্পিউটিং ট্র্যাকে। এই ট্র্যাকে প্রতিযোগিতা করে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) -এর আরও একটি দল। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য একটি দল যোগ দেয় ক্লাউড ট্র্যাকে। এই চার দলের মধ্যে নেটওয়ার্ক ট্র্যাক গ্রুপে অংশগ্রহণকারী রুয়েটের তিনজনের দলটি এপিএসি পর্বের ১৪টি দেশের ৬৪০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শীর্ষ তিনে জায়গা করে নিয়েছে।

বিজয়ী দলে রয়েছে রুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শুভাম আগারওয়ালা, রাকেশ কার এবং মোঃ মাজহারুল ইসলাম। আজ ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় তাঁদের হাতে পুরষ্কার ও সনদপত্র তুলে দেয়া হয়। আগামী মাসে দলটি চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল রাউন্ডে অংশ নেবে।

রুয়েটের বিজয়ী দলের সদস্য শুভাম আগারওয়ালা বলেন, এই প্রতিযোগিতা আমাদের আইসিটি এবং নেটওয়ার্ক সেক্টর সম্পর্কে নতুন কিছু শেখার অনেক সুযোগ দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মেও আসতে পেরেছি। ষ্টেজে সবার সামনে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে দাঁড়ান আমাদের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা ছিলো। এমন অভাবনীয় সুযোগ তৈরি করার জন্য আমরা হুয়াওয়ের কাছে সত্যিই কৃতজ্ঞ। আমরা গ্লোবাল রাউন্ডে আরও ভালো কিছু অর্জনের চেষ্টা আমাদের থাকবে।

হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার বোর্ড সদস্য লিজংশেং (জেসন) বলেন, হুয়াওয়ে বিশ্বাস করে, তরুণরা যেকোনো দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। বাংলাদেশে যে বিশাল সংখ্যক তরুণ রয়েছে তাঁদের সম্ভাবনা অসীম। আর সেই বিশ্বাস নিয়েই হুয়াওয়ে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের আইসিটির জ্ঞান বৃদ্ধি করতে নানা ধরনের উদ্যোগের নিয়ে আসছে। বিজয়ী দলকে আমি অভিনন্দন জানাই। আমরা বাংলাদেশে প্রতিভা বিকাশের জন্য একটি দায়িত্বশীল কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ চালিয়ে যাবো।

রুয়েটের সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আজমাইন ইয়াক্কীন সৃজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে জাকার্তার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন। তিনি বলেন, আমার ছাত্ররা এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শুধু বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বই করছে না, তারা সকলের মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করে নিয়েছে। এতে আমি খুবই গর্বিত বোধ করছি। আমি লক্ষ্য করেছি যে, এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার ফলে তাদের জ্ঞান যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমন আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে। তাদেরকে এমন একটি দারুণ প্ল্যাটফর্ম দেওয়ার জন্য আমি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাই।

গ্লোবাল রাউন্ডে প্রায় ৪০টি দেশের ৫০০-এরও বেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৈরি ১৭০টিরও বেশি দল অংশগ্রহণ করবে। শুরুর পর এটি হুয়াওয়ে আইসিটি প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় অফলাইন গ্লোবাল ফাইনালে পরিণত হতে যাচ্ছে। “কানেকশন, গ্লোরি, অ্যান্ড ফিউচার” থিমের এই ইভেন্টে দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেছে।


জাদুঘরে মুজিবনগর দিবস নিয়ে সেমিনার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভা আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় জাদুঘর পর্ষদ সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এমপি। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

দেশে গ্লোবাল কাস্টমার কেয়ার চালু করল হায়ার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশে ‘হায়ার গ্রুপ গ্লোবাল লিডিং ডিজিটাল সার্ভিস সিস্টেম গ্লোবাল কাস্টমার কেয়ার (জিসিসি)’ প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে গ্লোবালি সেরা অ্যাপ্লায়েন্স ব্র্যান্ড হায়ার। গতকাল বুধবার গুলশান এভিনিউয়ের হায়ার বাংলাদেশ করপোরেট অফিসে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই কাস্টমার কেয়ারের উদ্বোধন করা হয়।

জিসিসি হচ্ছে হায়ার গ্রুপের সবচেয়ে উন্নত গ্লোবাল ইন্টেলিজেন্ট ইন্টারেক্টিভ সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম, যা বিশ্বব্যাপী অগ্রণী ডিজিটালাইজড সিস্টেম। জিসিসি চালু হওয়ার পর, হায়ারের গ্রাহকরা ফোন, ই-মেইল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মতো একাধিক চ্যানেলের মাধ্যমে সহজেই পরিষেবা পেতে পারেন। হায়ার সার্ভিস টিম অন-সাইট সার্ভিস টেকনিশিয়ানদের জন্য আরও ভালো প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেক বেশি দক্ষ এবং প্রতিক্রিয়াশীল পরিষেবা প্রদান করবে, ফলে প্রযুক্তিবিদরা হায়ার গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও দক্ষভাবে পেশাগতভাবে পরিষেবা দিতে সক্ষম হবে। জিসিসি সিস্টেম পুরো পরিষেবা প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বচ্ছ এবং দৃশ্যমান করে তুলবে, গ্রাহক অভিযোগের পুরো প্রক্রিয়াটি ট্র্যাক করতে এবং সন্তুষ্টি না হওয়া পর্যন্ত রিয়েল টাইমে আপডেট পেতে পারেন। জিসিসি সিস্টেম চালু করে বিশ্বের অনেক দেশে হায়ার গ্লোবালের সেরা গ্রাহক সমাধান হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হায়ার ইন্ডিয়া, হায়ার পাকিস্তান, হায়ার থাইল্যান্ড এবং আরও অনেক দেশ। সেরা পরিষেবার অভিজ্ঞতা এবং সর্বোত্তম প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার লক্ষ্যে এবার হায়ার বাংলাদেশে জিসিসি চালু করাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

হায়ার গ্রুপ ওভারসিজ সার্ভিসের জেনারেল ম্যানেজার মি. ওয়াং ইয়ান তার বক্তৃতায় বলেন, জিসিসি প্রকল্প হায়ারের পরিষেবার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ এবং পুরো পরিষেবা প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ। বিদেশে প্রায় বিশ বছরের উন্নয়ন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর হায়ার ব্যবহারকারীদের দ্রুত এবং উচ্চমানের পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে ৫০টিরও বেশি দেশে স্থানীয় বিক্রয়োত্তর পরিষেবা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য পরিষেবাটি আমাদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টাচপয়েন্ট এবং গ্রাহকদেরও হায়ারের যত্নের অভিজ্ঞতা নেওয়ার একটি সুযোগ।

হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিএমডি ওয়াং শিয়াংজিন তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের কোম্পানি কাস্টমার ইজ অলওয়েজ রাইট’ নীতি মেনে চলে। আমাদের কাছে গ্রাহকের সন্তুষ্টিই প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার এবং আন্তরিক চিরকাল। আমরা ব্যবহারকারীর চাহিদাকে সর্বদা প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করি। আমরা ডিজিটালাইজেশন এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে সর্বোত্তম পরিষেবার অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্য রাখছি। হায়ার একটি উদীয়মান বাজার হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটি গত তিন বছরে দ্রুত প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। হায়ার বাংলাদেশ ‘সিনসিয়ার ফরএভার’ কনসেপ্ট নিয়ে কাজ করে এবং ‘কেন্দ্রীয় গ্রাহক অভিজ্ঞতা ও ব্র্যান্ডের সুনাম তৈরি’ পরিষেবা নীতি মেনে চলে। ডিজিটাল পুনরাবৃত্তি এবং আপগ্রেডিংয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের দ্রুত, দক্ষ এবং এককালীন পরিষেবা প্রদানের জন্য একটি পেশাদার, ব্র্যান্ডেড এবং ভিন্নমাত্রার পরিষেবা ব্যবস্থা তৈরি করেছে। হায়ার বাংলাদেশে বিশাল গ্রাহকশ্রেণির জন্য আরও ভালো পরিষেবা নিশ্চিতের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। ফলে ‘গুড কোয়ালিটি’ এবং ‘গুড সার্ভিস’ হায়ারের একটি সমার্থক শব্দ হয়ে উঠছে। বিজ্ঞপ্তি


বিদেশে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সিকে মানবিক হওয়ার আহ্বান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি বলেছেন, বিদেশে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সিকে অবশ্যই মানবিক দিক বিবেচনা করতে হবে। বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যেন আরও উজ্জ্বল হয় তা বিবেচনা করে দক্ষ কর্মী প্রেরণ করতে সবাইকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিক-কর্মীদের ন্যূনতম বেতন-ভাতা ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বায়রা এ মন্ত্রণালয়ের প্রধান অংশীজন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে যৌক্তিক প্রস্তাব পাঠাবেন। ন্যূনতম বেতনের বিষয়ে মন্ত্রণালয় কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। পাশাপাশি, আমরা আরও কম অভিবাসন ব্যয়ে কর্মী পাঠাতে চাই।

তিনি বলেন, বিদেশে কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বায়রাকে একসূত্রে কাজ করতে হবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও এর অংশীজনরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে মন্ত্রণালয়ের সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে। সবার সম্মিলিত প্রচেস্টায় আমরা দ্রুত সময়ে একটি স্মার্ট মন্ত্রণালয় তৈরি করতে পারবো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দক্ষ কর্মী পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এ লক্ষ্যে আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক ও যুগোপযোগী যন্ত্রপাতি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে । প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন, জনশক্তি কমর্সংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক সালেহ আহমদ মোজাফফর, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, বায়রার মহাসচিব মো. আলী হায়দার চৌধুরীসহ বায়রার প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

কানাডার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন ফয়সাল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সম্প্রতি কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা থেকে টেক্সটাইল অ্যান্ড ফেব্রিকসের ওপর উচ্চতর গবেষণা ও পড়ালেখা সম্পন্ন করে কৃতিত্বের সঙ্গে সম্মানসূচক পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন সাইফুল হক ফয়সাল। ড. ফয়সাল ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই দক্ষতা এবং মেধার পরিচয় রেখে এসেছেন। এ যাবৎ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক জার্নালে টেক্সটাইল এবং ফেব্রিকস-সংক্রান্ত বিষয়ে তার অনেক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার পিতা এমদাদুল হক এবং মাতা বেগম মুসলিমা হক তাদের সব আত্মীয়-স্বজন এবং তার শুভানুধ্যায়ীদের কাছে ছেলের জন্য দোয়া প্রার্থী। উল্লেখ্য ড. ফয়সালের পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা, তার বড় ভাই মো. সাইদুল হক ফাহাদ একজন চার্টার্ড সেক্রেটারি এবং তারা নারায়ণগঞ্জ পিলকুনির স্থায়ী বাসিন্দা। ছেলের এই সফলতা এবং অর্জনকে তার পিতা সোনালী ব্যাংক পিএলসির প্রতি উৎসর্গ করেছেন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

আইপিডিসি ফাইন্যান্সের নতুন এমডি

রিজওয়ান দাউদ সামস
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বেসরকারি খাতের আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসি ফাইন্যান্সের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হয়েছেন রিজওয়ান দাউদ সামস। গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি এখন কোম্পানির এমডি হিসেবে পূর্ণ দায়িত্ব পেলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে দুই দশকের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে রিজওয়ান দাউদ সামসের। ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে তিনি আইপিডিসিতে যোগ দেন। এর পর থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালের এপ্রিলে তিনি আইপিডিসির প্রথম অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন।

আইপিডিসিতে যোগদানের আগে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, হাবিব ব্যাংক ও জিএসপি ফাইন্যান্সে কাজ করেছেন রিজওয়ান দাউদ সামস। তিনি অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে ঢাকার নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ সম্পন্ন করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে জার্মানি, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও ভারতে বিজনেস প্রশিক্ষণ ও সেমিনারে অংশ নেন রিজওয়ান সামস।

আইপিডিসি জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সাল থেকে যে ধরনের সার্বিক পরিবর্তন ও উন্নয়ন প্রক্রিয়া শুরু করে, তাতে রিজওয়ান দাউদ সামস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আইপিডিসিকে আর্থিক খাতের অন্যতম দ্রুত প্রবৃদ্ধিশীল কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সিএমএসএমই অর্থায়ন, রিটেইল অর্থায়ন ও সাপ্লাই চেইন অর্থায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার নেওয়া উদ্যোগ দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের মাত্রা কমিয়ে রাখতে রিজওয়ান দাউদ সামস অসাধারণ ভূমিকা রাখছেন বলে জানায় আইপিডিসি। এ জন্য তিনি আইপিডিসির ট্রেজারি বিভাগকে পুনর্গঠন করে কোম্পানির লিক্যুইডিটির ভালো অবস্থান নিশ্চিত করেন।

নতুন দায়িত্বের বিষয়ে রিজওয়ান দাউদ সামস বলেন, ‘আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ঘোষিত হওয়া আমার জন্য একই সঙ্গে আনন্দের ও গর্বের। আর্থিক খাতের সবচেয়ে স্বল্প খেলাপি ঋণ হারযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি আইপিডিসি। তা সত্ত্বেও এই মুহূর্তে আমাদের কাছে অগ্রাধিকার পাবে করপোরেট সুশাসন। করপোরেট সুশাসনের মানকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এবং অংশীজন ও নিয়ন্ত্রক গোষ্ঠীর সঙ্গে ফলপ্রসূ সমন্বয়ের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনাকে আরও শক্তিশালী করে তোলা হবে।

রিজওয়ান দাউদ সামস আরও বলেন, দেশের আর্থিক খাতে আমাদের এগিয়ে চলার পথে বরাবরের মতো বিশেষ প্রাধান্য পাবে টেকসই উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, তরুণদের উৎসাহ প্রদান ও সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে থাকার মতো বিষয়গুলো। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

মেগা র‌্যাফেল ড্র বিজয়ীকে বাজাজ পালসার এন ১৬০ প্রদান করল উত্তরা মোটর্স

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদের খুশি বাজাজে বেশি ক্যাম্পেইনে উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের যেকোনো শোরুম/ ডিসপ্লে সেন্টার থেকে পালসার এন সিরিজের সঙ্গে ছবি তুলে নিজস্ব ফেসবুক পেজে হ্যাসটেগ (#) ব্যবহার করে র‌্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে বাজাজ পালসার এন ১৬০ এবং বাজাজ পালসার এন ২৫০-সহ আরও অনেক আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেওয়ার সুযোগ।

মেগা র‌্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে বাজাজ পালসার এন ১৬০ বিজয়ী হয়েছেন ঢাকার পান্থপথের গার্ডেন এলাকার এনজামুল মোল্যা। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের করপোরেট অফিসে বিজয়ীকে একটি বাজাজ পালসার এন ১৬০ মোটরসাইকেল প্রদান করলেন সামীর মারডিকার, সিনিয়র ব্যবস্থাপক বাজাজ অটো লিমিটেড এবং নাঈমুর রহমান, পরিচালক উত্তরা মোটর্স লিমিটেড। এ সময় বাজাজ অটো এবং উত্তরা মোটর্সের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঈদ-পরবর্তী এই অফারে বাজাজ পালসার এন ২৫০-সহ আরও অনেক আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেওয়ার সুযোগ থাকছে, অফারটি চলবে ৩০ এপ্রিল ২০২৪ পর্যন্ত। উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের যেকোনো শোরুম/ডিসপ্লে সেন্টার থেকে পালসার এন সিরিজের সঙ্গে ছবি তুলে নিজস্ব ফেসবুক পেজে হ্যাসটেগ (#) ব্যবহার করে র‌্যাফেল ড্রর মাধ্যমে বাজাজ পালসার এন ২৫০-সহ আরও অনেক আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেওয়ার সুযোগ গ্রহণ করুন।

বাংলাদেশের সবচাইতে জনপ্রিয়, সর্বাধিক বিক্রিত এবং নাম্বার ১ মোটরসাইকেল বাজাজ মোটরসাইকেল। বাংলাদেশে বাজাজ মোটরসাইকেলের একমাত্র পরিবেশক উত্তরা মোটর্স দেশব্যাপী ১৫টি শাখা অফিস ও ৩৫০ এর অধিক থ্রী এস ডিলার এর মাধ্যমে বাজাজ মোটরসাইকেল বাজারজাতকরণ এবং অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার তথা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মেকানিক্সের মাধ্যমে থানা/গ্রামগঞ্জে বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান নিশ্চিত ও সহজলভ্য করে আসছে। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

banner close