বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
২০ ফাল্গুন ১৪৩২

সোয়া ১১ টাকার’ দাম পাঁচ টাকা!

মিউচুয়াল ফান্ডের চিত্র।
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১০:০৭

বিষয়টা বিস্ময়কর হলেও বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে এটি একটি নিয়মিত ঘটনা।

তালিকাভুক্ত বেশ কিছু মিউচুয়াল ফান্ডই তার ইউনিটের সম্পদমূল্যের তুলনায় অর্ধেক বা তার চেয়ে বেশি কমে লেনদেন হচ্ছে। অথচ এটি সম্পদমূল্যের বেশি বা কাছাকাছি লেনদেন হওয়াই সমীচীন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের পুঁজিবাজারের চিত্র তাই।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৬টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে বেশির ভাগের দরই এখন ইউনিট মূল্যের কমে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে আটটি ফান্ডের দর সম্পদমূল্যের অর্ধেকের কম বা অর্ধেকের কাছাকাছি। তিনটি ফান্ডের দর সম্পদমূল্যের তুলনায় ৪০ শতাংশের বেশি-কম। আটটির দর ৩০ শতাংশ বা তার চেয়ে বেশি কম।

২০১০ সালের মহাধসের পর মাঝে ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চার বছর বাদ দিলে বাকি সময় মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর লভ্যাংশ আহামরি কিছু ছিল না। এর কারণ, পুঁজিবাজারের পতনে পর্যাপ্ত আয় না হওয়া।

তবে ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে পুঁজিবাজারে যে উত্থান দেখা দিয়েছে, তাতে তালিকাভুক্ত ও পুঁজিবাজারের বাইরের মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর আয় বাড়ে ব্যাপক হারে। সেই সঙ্গে বাড়ে লভ্যাংশ।

তবে দারুণ লভ্যাংশের পর চলতি বছর বাজার ধসের মধ্যে ফান্ডগুলো তাদের আয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারেনি। এতে ফান্ডগুলো দর হারিয়েছে অনেকটাই। ফলে গত বছর ভালো লভ্যাংশ নিয়েও বিনিয়োগকারীরা লোকসানে আছেন।

তবে গত এক বছরে বাজারে মন্দাভাবের মধ্যেও জুনে অর্থবছর সমাপ্ত বেশিরভাগ ফান্ডই তার ইউনিট মূল্যের তুলনায় এত ভালো লভ্যাংশ দিয়েছে যে, ডিভিডেন্ড ইল্ড যেকোনো সঞ্চয়ী স্কিমের চেয়ে ভালো।

বেশির ভাগ ফান্ডই এখন তার ফ্লোর প্রাইসের কাছাকাছি লেনদেন হচ্ছে। ফলে যে লভ্যাংশ পাওয়া যাবে, তা অনেকাংশেই ফ্রি হয়ে যাবে।

বিষয়টি দেখা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবি পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর ক্ষেত্রে। প্রায় সব কটি ফান্ড ফ্লোর প্রাইসে লেনদেন হচ্ছিল।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিও চাইছে এই ফান্ডগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করতে। বর্তমানে ১৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড রয়েছে পুঁজিবাজার ও বাইরে। এটি দেড় লাখ কোটি টাকায় নিতে নানা সুযোগ-সুবিধা দেয়ার কথাও ঘোষণা করেছে বিএসইসি।

মিউচুয়াল ফান্ডগুলো ভালো করতে পারে না- এমন একটি ধারণার মধ্যে চলতি বছর এগুলোর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করলে দেখা যায়, এই ধারণা সঠিক নয়।

২০২১ সালের প্রথম কর্মদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসইর সার্বিক সূচক ছিল ৬ হাজার ২১৯ পয়েন্ট, যা অর্থবছর শেষে গত ৩০ জুন ছিল ৬ হাজার ৩৭৬ পয়েন্ট। এক বছরে বেড়েছে ২.৫২ শতাংশ। তবে মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটধারীরা লভ্যাংশ পেয়েছেন এর চেয়ে অনেক বেশি।

কেবল এই পরিসংখ্যানে বোঝা যাবে না, গত এক বছরে পুঁজিবাজারে কতটা কঠিন সময় গেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসইসির সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ৭ হাজার ৩০০ পয়েন্ট পেরিয়ে যখন ৮ হাজারের পথে ছোটার স্বপ্ন তৈরি হয়েছিল, তখন শুরু হয় দীর্ঘ দর সংশোধন।

চলতি বছরের শুরুর দিকে বাজার আপন গতিতে ফেরার আশা তৈরি করেও শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক বিপর্যয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা সিদ্ধান্ত, এরপর ইউক্রেনে রুশ হামলার পর অর্থনীতির চাপে পড়ার মধ্যে বাজারে নামে ধস।

এই বাজার ধসের মধ্যেও জুনে সমাপ্ত অর্থবছরে লভ্যাংশ ঘোষণা করা কোনো মিউচুয়াল ফান্ডই এবার আশাহত করেনি। এমনকি বাজার দরে ৭ টাকা ২০ পয়সা, এমন ফান্ড লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ১ টাকা ১০ পয়সা, বাজারদর ৯ টাকা ৮০ পয়সা, এমন ফান্ড লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ১ টাকা ৫০ পয়সা।

কেন এমন হচ্ছে

মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে আগ্রহ না থাকার তিনটি সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক শাকিল রিজভী। তিনি দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘একটি কারণ হতে পারে বিনিয়োগকারীরা হয়তো সম্পদমূল্যের বিষয়টি আস্থা রাখছে না।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিনিয়োগ করতে হলে বিবেচনায় নেব যে, এই নেট অ্যাসেট ভ্যালুর আন্ডারলাইনে কী সম্পদ আছে? সে ভালো জিনিস কিনে রেখেছে নাকি বিশ শতাংশ চলে যাবে এ রকম কিছু কিনেছে।’

তিনি দ্বিতীয় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন নিয়মিতভাবে লভ্যাংশ না পাওয়া। শাকিল রিজভী বলেন, ‘যদি এমন হতো এবার দশ শতাংশ দিয়েছে, পরেরবার ১১, তারপর ১৫ দিচ্ছে, তাহলে আস্থা থাকত। কিন্তু দেখা যায়, এবার ১০ দিয়ে পরের বার নেই। তার পরের বার থেকে ধারাবাহিকতা থাকে না।’

তবে এ বছর ফ্লোর প্রাইসের কারণে মিউচুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগকারীরা অন্যবারের চেয়ে তুলনামূলক বেশি লাভবান হবেন বলে মনে করেন তিনি। বলেন, 'আমাদের দেশে ঘোষিত লভ্যাংশের পুরোটা সমন্বয় হয়, কিন্তু ফ্লোর প্রাইজের কারণে মিউচুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ পুরোটা সমন্বয় হতে পারবে না। এ ছাড়াও ফান্ডটি যদি ভালো পারফর্ম করে এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রি সুযোগ রয়েছে।'

বিএলআই সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, 'একটা শেয়ারের এনএভি ১২ টাকা তারপরও মানুষ ৭ টাকায় কিনতে চায় না কেন? কারণ, এটার বিনিয়োগ ফেরত পাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সঠিক বিনিয়োগ সম্পর্কে জানে না তাই রিস্ক নেয় না, এই আরকি।'

সম্পদের অর্ধেক দরে যেসব ফান্ড

এই তালিকার শীর্ষে আছে এফবিএফআইএফ: ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের সম্পদমূল্য ১১ টাকা ২৭ পয়সা। পুঁজিবাজারে ইউনিট দর ৫ টাকা। অর্থাৎ সম্পদমূল্যের তুলনায় দাম ৫৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ কম।

এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড: প্রতি ইউনিটে সম্পদমূল্য ১১ টাকা ১৭ পয়সা। বিপরীতে ইউনিট মূল্য ৫ টাকা ২০ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদের তুলনায় ইউনিট দর কম ৫৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড: ১০ টাকা ৮৬ পয়সা সম্পদমূল্যের বিপরীতে ফান্ডটির বাজারদর ৫ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদমূল্যের তুলনায় ইউনিটের বাজারদর কম ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ।

আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড: ফান্ডটির ইউনিট মূল্য এখন ৫ টাকা ১০ পয়সা। আর সম্পদমূল্য ১০ টাকা ৮২ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদমূল্যের ৫২ দশমিক ৮৬ শতাংশে লেনদেন হচ্ছে একেকটি ইউনিট।

পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড: ৫ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে প্রতি ইউনিট। ইউনিটপ্রতি সম্পদ আছে ১০ টাকা ৮৭ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদের তুলনায় দাম কম ৫২ দশমিক ১৬ শতাংশ।

ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড: ইউনিট দর এখন ৫ টাকা ৬০ পয়সায়। এর সম্পদমূল্য ১১ টাকা ৩৬ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদের চেয়ে বাজারদর কম ৫০ দশমিক ৭০ শতাংশ।

এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড: ফান্ডটির ফ্লোর প্রাইস ৫ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। প্রতি ইউনিটের বিপরীতে সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ২০ পয়সায়। অর্থাৎ সম্পদমূল্যের তুলনায় ৪৮ দশমিক ২১ শতাংশ কমে লেনদেন হচ্ছে ইউনিট।

এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড: ফান্ডটির ইউনিট দর ৬ টাকা ৬০ পয়সার বিপরীতে সম্পদমূল্য ১০ টাকা ৬০ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদের চেয়ে ৪৭ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে যাওয়া যাচ্ছে ইউনিট।

৪০ শতাংশের বেশি কমে যেগুলো

এলআর গ্লোবাল ওয়ান ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড: এই ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের বিপরীতে সম্পদ রয়েছে ১১ টাকা ৯ পয়সার। কিন্তু বাজারদর ৬ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদমূল্যের ৪৬ দশমিক ২১ শতাংশ কমে পাওয়া পাচ্ছে।

ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড: ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের বিপরীতে সম্পদ রয়েছে ১১ টাকা ৬১ পয়সা। এখন দাম ৬ টাকা ৫০ পয়সায়। অর্থাৎ সম্পদমূল্যের তুলনায় ৪৪ দশমিক ০১ শতাংশ কমে লেনদেন হচ্ছে একেকটি ইউনিট।

জনতা ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড: এই ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি সম্পদ আছে ১০ টাকা ৭০ পয়সা। কিন্তু বাজার দর ৬ টাকা ১০ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদমূল্যের তুলনায় ইউনিট মূল্য কম ৪২ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

৩০ শতাংশের বেশি কমে যেগুলো

এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

ফান্ডটির বর্তমান বাজারমূল্য ৭ টাকার বিপরীতে সম্পদমূল্য ১১ টাকা ৩১ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদমূল্যের তুলনায় ৩৮ দশমিক ১০ শতাংশ কমে পাওয়া যাচ্ছে।

গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড

ফান্ডটির বর্তমান সম্পদমূল্য ১০ টাকা ৭৯ পয়সা। ফ্লোর প্রাইস ৬ টাকা ৯০ পয়সায় নেমে এসেছে দর। বাজারদর এর সম্পদমূল্যের চেয়ে ৩৬ দশমিক ০৫ শতাংশ কম।

আইএফআইএল ইসলামী মিউচুয়াল ফান্ড

ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের সম্পদমূল্য ৯ টাকা ৯৬ পয়সা অথচ কেনা যাচ্ছে ৬ টাকা ৪০ পয়সায়, অর্থাৎ ৩৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমে।

ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ড

ফান্ডটির বর্তমান দর ৭ টাকা ৪০ পয়সা আর সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৫৩ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদের চেয়ে বাজারদর কম ৩৫ দশমিক ৮১ শতাংশ।

ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

এটির ইউনিটদর ৬ টাকা ৯০ পয়সা। আর এর সম্পদ মূল্য ১১ টাকা ২ পয়সা।

অর্থাৎ সম্পদমূল্যের তুলনায় ৩৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমে লেনদেন হচ্ছে একেকটি ইউনিট।

আইসিবি থার্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড

ফান্ডটির ফ্লোর প্রাইস ৬ টাকা ৫০ পয়সা, লেনদেন হচ্ছে এই দরেই। অথচ ইউনিটপ্রতি সম্পদ আছে ৯ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ সম্পদমূল্যের তুলনায় বাজার মূল্য কম ৩৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

ভ্যানগার্ড রূপালী ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড

ফান্ডটির দর ফ্লোর প্রাইস ৭ টাকা ৪০ পয়সায় অবস্থান করছে। বিপরীতে প্রতি ইউনিটের সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৬১ পয়সায়। অর্থাৎ সম্পদের চেয়ে বাজারদর কম ৩০ দশমিক ২৫ শতাংশ।

ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড

সম্পদ মূল্য ১০ টাকা ৬১ পয়সার বিপরীতে সোমবার লেনদেন হয়েছে ফ্লোর প্রাইস ৭ টাকা ৪০ পয়সায়।

অর্থাৎ সম্পদমূল্যের তুলনায় ৩০ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে লেনদেন হচ্ছে একেকটি ইউনিট।

২০ শতাংশের বেশি কমে যেগুলো

এ ছাড়া আইসিবি এমপ্লয়ি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড সম্পদমূল্যের চেয়ে ২৯ দশমিক ৭০ শতাংশ, এআইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ২৮ দশমিক ১৪ শতাংশ, রিলায়েন্স ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড ২৭ দশমিক ২২ শতাংশ, এসএমইএল এফবিএসএল গ্রোথ ফান্ড ২৭ দশমিক ০১ শতাংশ, গ্রামীণ টু ২৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ প্রাইম ব্যাংক ফার্স্ট আইসিবি এএমসিএল মিউচুয়াল ফান্ড ২৬ দশমিক ৩১ শতাংশ, আইসিবি সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ২৫ দশমিক ৭১ শতাংশ, এসএমইএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ড ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ, সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড, ২০ দশমিক ২৮ শতাংশ, আইসিবি অগ্রণী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট সম্পদমূল্যের চেয়ে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ কম দামে বিক্রি হচ্ছে।

আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড, এসএমইএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড, এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের ইউনিটদর এর সম্পদমূল্যের চেয়ে ১১ থেকে ১৯ শতাংশ কমে বিক্রি হচ্ছে।

তিনটি ফান্ডের সম্পদের চেয়ে ইউনিটদর বেশি

ফার্স্ট প্রাইম ফাইনান্স মিউচুয়াল ফান্ড সম্পদমূল্যের তুলনায় ১৬ দশমিক ৭২ শতাংশ, সিএপিএম আইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড, সম্পদমূল্যের তুলনায় ১৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ফিনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড সম্পদমূল্যের চেয়ে ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশিতে লেনদেন হচ্ছে।


হরমুজ প্রণালী বন্ধের জেরে তেলের দাম বাড়ল ১০ শতাংশ

আপডেটেড ১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৮
বাণিজ্য ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে ১০ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে প্রতি ব্যারেলের দাম ১০০ ডলার ছুঁতে পারে।

তেল ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, রোববার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৮০ ডলারের কাছাকাছি উঠেছে। বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আইসিআইএস-এর এনার্জি ও রিফাইনিং ডিরেক্টর অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলার প্রভাব থাকলেও মূল চাপ তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার কারণে।

বাণিজ্যিক সূত্র জানায়, তেহরানের সতর্কবার্তার পর অধিকাংশ ট্যাঙ্কার মালিক, বড় তেল কোম্পানি ও ট্রেডিং হাউস হরমুজ প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে। বৈশ্বিক তেল পরিবহনের ২০ শতাংশের বেশি এই জলপথ দিয়ে যায়।

পারমার বলেন, সপ্তাহের শুরুতে বাজার খোলার পর তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকতে পারে। প্রণালী দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে তা ১০০ ডলার ছাড়িয়েও যেতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা আগেই ওয়াশিংটনকে সতর্ক করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠতে পারে। এদিকে ওপেক প্লাস জানিয়েছে, তারা এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়াবে, যা বৈশ্বিক চাহিদার ০.২ শতাংশেরও কম।

জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রাইস্ট্যাড এনার্জির অর্থনীতিবিদ জর্জ লিওন বলেন, হরমুজ এড়িয়ে সৌদি আরব বা আবুধাবির পাইপলাইন ব্যবহার করলেও প্রতিদিন ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি ব্যারেল তেলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাজার চালু হলে দাম আরও ২০ ডলার বেড়ে প্রায় ৯২ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

ইরান সংকট ঘিরে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ও শোধনাগার এখন মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে। একই সঙ্গে বিকল্প সরবরাহ ও শিপিং রুট খোঁজার চেষ্টা চলছে।


ই-সিগারেট নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আদালতের রুল, জব্দ না করার নির্দেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের ধারা ৬ (গ) কেন অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে দেশে ইতোমধ্যে আমদানি করা ভ্যাপ ও ই-সিগারেট জব্দ বা বাজেয়াপ্ত না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশ বাস্তবায়নে বাণিজ্য সচিব, কাস্টমস কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে।

রোববার (১ মার্চ) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী জানান, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫-এর ৬গ ধারায় ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ও ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্টস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আইনের উপধারা (১)-এ বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম এবং তার যন্ত্রাংশ বা অংশবিশেষ (ই-সিগারেট, ভ্যাপ, ভ্যাপিং, ভ্যাপার ও ই-লিকুইড ইত্যাদি), হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্টস বা ইমার্জিং টোব্যাকো প্রডাক্টস যে নামেই অভিহিত হোক না কেন, উৎপাদন, আমদানি, রফতানি, সংরক্ষণ, বিজ্ঞাপন, প্রচার-প্রচারণা, প্রণোদনা, পৃষ্ঠপোষকতা, বিপণন, বিতরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন করবেন না বা করাবেন না।

উপধারা (২)-এ উল্লেখ আছে, এ বিধান লঙ্ঘন করলে অনূর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে। একই ধরনের অপরাধ পুনরাবৃত্তি হলে পর্যায়ক্রমে শাস্তির পরিমাণ দ্বিগুণ হবে।

এই ধারা চ্যালেঞ্জ করে মাসদুজ্জামানসহ ৪১ জন ব্যবসায়ী রিট দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন এবং আমদানি করা ভ্যাপ ও ই-সিগারেট জব্দে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।


রমজানে ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার, ৪৯ পণ্য প্রত্যাহার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

পবিত্র রমজান সামনে রেখে ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান বাড়িয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন। মান নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় ইফতার ও সেহরিতে ব্যবহৃত ৪৯টি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রস্তুতকারকদের কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১ মার্চ) শিল্প মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিল্প সচিব মো. ওবাইদুর রহমান।

তিনি বলেন, রমজানে বেশি ব্যবহৃত পণ্য যেমন ফ্রুট ড্রিঙ্ক, ফ্রুট সিরাপ, মুড়ি, খেজুর, সফট ড্রিংকস পাউডার, পাস্তুরিত দুধ, ভোজ্য তেল, ঘি, নুডলস ও সেমাই বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

মোট ৭৫০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭০১টি মানসম্মত পাওয়া গেছে। বাকি ৪৯টি পণ্যে ভেজালের প্রমাণ মিলেছে। নিম্নমানের ভোজ্য তেল উৎপাদনের দায়ে একটি কারখানা সিলগালা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গত সাত মাসে ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য বাজারজাতের অভিযোগে ১০৩টি কারখানা ও পেট্রোল পাম্প বন্ধ করা হয়েছে। এক হাজার ৪৭০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলেও জানান সচিব।

রমজান উপলক্ষে ওজন ও পরিমাপে কারচুপি ঠেকাতে মোবাইল কোর্ট ও নজরদারি কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। ঢাকা মহানগরীসহ বিভিন্ন জেলায় বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে প্রতিদিন তিনটি করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় বিভাগীয় ও আঞ্চলিক কার্যালয় থেকেও নিয়মিত অভিযান চলছে।

যৌথভাবে অভিযান পরিচালনায় যুক্ত থাকবে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে পরিচালক (প্রকৌশলী) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, বাজারে নামী প্রতিষ্ঠানের পণ্য নকল করে বিক্রির প্রবণতা রয়েছে। প্রাণ ও ইউনিলিভার-এর নাম ব্যবহার করে নকল পণ্য পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো জানিয়েছে, এসব পণ্য তাদের তৈরি নয়।

শিল্প সচিব বলেন, নিম্নমানের বা নকল খাদ্যপণ্য বিক্রি করলে তা ধ্বংস করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরবরাহ চক্রও চিহ্নিত করা হবে।

বিএসটিআই সারা বছর অভিযান চালালেও রমজানে তা আরও জোরদার করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে ভোক্তাদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং সন্দেহজনক পণ্য দেখলে সংস্থাটিকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।


পাঁচ বছর পর বৈশ্বিক ওয়্যারেবল ডিভাইসের বাজারে শীর্ষে শাওমি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

পাঁচ বছর বিরতির পর বৈশ্বিক ওয়্যারেবল ডিভাইসের বাজারে আবারও শীর্ষ অবস্থান দখল করেছে শাওমি।

২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী ওয়্যারেবল ডিভাইস সরবরাহ দুই কোটি ইউনিট ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়া-র সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর মোট বিক্রির ১৮ শতাংশ ছিল শাওমির দখলে। এর ঠিক পেছনে রয়েছে অ্যাপল, যার বাজার হিস্যা ১৭ শতাংশ। হুয়াওয়ে পেয়েছে ১৬ শতাংশ। শীর্ষ তিন প্রতিষ্ঠানের বাজার অংশীদারত্বের ব্যবধান ১ শতাংশেরও কম। অন্যদিকে স্যামসাং ৯ শতাংশ এবং গারমিন ৫ শতাংশ হিস্যা ধরে রেখেছে।

ওমডিয়ার গবেষণা পরিচালক সিনথিয়া চেন জানিয়েছেন, ওয়্যারেবল খাতে প্রতিযোগিতা এখন শুধু ডিসপ্লে, সেন্সর বা ব্যাটারি সক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ব্যবহারকারীরা এখন ডিভাইসের ইকোসিস্টেমের সমন্বয়কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফোন, ট্যাবলেট, গাড়ি ও স্মার্ট হোম পণ্যের সঙ্গে যার সংযোগ যত শক্তিশালী, সেই ব্র্যান্ডের গ্রাহক তত স্থায়ী হচ্ছে।

শাওমির সাফল্যের পেছনে ‘মি ব্যান্ড’ সিরিজের জনপ্রিয়তা ও সাশ্রয়ী দামের স্মার্টওয়াচ বড় ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি ‘হিউম্যান × কার × হোম’ কৌশলের মাধ্যমে তাদের ওয়্যারেবল ডিভাইসগুলো বৃহত্তর ইকোসিস্টেমের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়েছে।

অন্যদিকে অ্যাপল প্রিমিয়াম সেগমেন্টে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। আইফোনের সঙ্গে সমন্বয়, নির্মাণ মান এবং স্বাস্থ্যভিত্তিক ফিচারের বিস্তার তাদের এগিয়ে রাখছে। হুয়াওয়েও চীনের বাজারে প্রভাব বিস্তার করেছে এবং পেশাদার স্পোর্টস ট্র্যাকিং ও স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তিতে জোর দিচ্ছে।

ওয়্যারেবল ডিভাইসের স্বাস্থ্যসেবা সক্ষমতা এখন শুধু স্টেপ কাউন্ট বা হার্ট রেট মাপায় সীমিত নেই। উন্নত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তির দিকে অগ্রসর হচ্ছে খাতটি। ২৪ ঘণ্টা ব্যবহারের উপযোগী হালকা ও সরল নকশায়ও গুরুত্ব দিচ্ছে অনেক ব্র্যান্ড।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা, বাজার হিস্যার ব্যবধান খুব কম থাকায় চলতি বছর শাওমি, অ্যাপল ও হুয়াওয়ের মধ্যে অবস্থান পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।


ব্রেকিং ত্রুটিতে ৪৩ লাখের বেশি গাড়ি ফিরিয়ে নিচ্ছে ফোর্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

ট্রেলার ব্রেকিং সিস্টেমে সফটওয়্যার সমস্যার কারণে ৪৩ লাখের বেশি পিকআপ ট্রাক ও এসইউভি বাজার থেকে ফিরিয়ে নিচ্ছে মার্কিন গাড়ি নির্মাতা ফোর্ড। ত্রুটির ফলে চলন্ত অবস্থায় ট্রেলারের ব্রেক অকার্যকর হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ তথ্য প্রকাশ করেছে ফক্স বিজনেস।

ট্রেলার ব্রেক হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যা গাড়ির পেছনে যুক্ত ট্রেলারকে আলাদাভাবে গতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি হঠাৎ ধাক্কা লাগা বা নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি কমায়।

রিকলের আওতায় রয়েছে ২০২১-২৬ মডেলের জনপ্রিয় এফ-১৫০ সিরিজ। এছাড়া ২০২২-২৬ মডেলের সুপার ডিউটি ট্রাক, ২০২৪-২৬ মডেলের রেঞ্জার এবং ২০২২-২৬ মডেলের এক্সপিডিশন, ম্যাভেরিক ও লিঙ্কন নেভিগেটর মডেলের গাড়িগুলোও তালিকায় রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৬ মডেলের ট্রানজিট যানবাহনগুলোকেও রিকল নোটিসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ফোর্ড জানিয়েছে, ট্রেলার টানার সময় ইন্টিগ্রেটেড ট্রেলার মডিউল মূল যানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারে। এতে ট্রেলারের ব্রেক ও টার্ন সিগন্যাল লাইট কাজ না করার পাশাপাশি সম্পূর্ণ ব্রেকিং ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ১৭ মার্চ থেকে অধিকাংশ গাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার আপডেট পাওয়া যাবে। ‘ওভার দি এয়ার’ পদ্ধতিতে সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমে অথবা ডিলারশিপ ও মোবাইল সার্ভিসের মাধ্যমে আপডেট গ্রহণ করা যাবে। মে মাসের মধ্যে সব ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িতে এ আপডেট পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ‘এক্সপ্লোরার এসইউভি’ নিয়েও বড় রিকলের ঘোষণা দেয় কোম্পানিটি। ২০১৭-১৯ মডেলের প্রায় ৪ লাখ ১৩ হাজার এক্সপ্লোরার এতে অন্তর্ভুক্ত। পেছনের সাসপেনশনের ‘টো লিংক’ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় এ সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যা স্টিয়ারিং নিয়ন্ত্রণে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, টো লিংক পেছনের চাকার সঠিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভেঙে গেলে গাড়ির নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আসতে পারে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

পৃথক আরেক বিজ্ঞপ্তিতে ফোর্ড জানায়, আরও ৪০ হাজার ৬৫৫টি গাড়ি ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ব্যাটারি অকেজো হওয়া ও ব্রেক প্যাডেলের ত্রুটি সংশোধনের জন্য এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মতে, এসব ত্রুটি চালকের নিরাপত্তার জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল ফোর্ডের জন্য উদ্বেগপূর্ণ সময় ছিল। বছর শেষ হওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠানটি রেকর্ড ১০৩টি ‘সেফটি রিকল’ ঘোষণা করেছে, যা তাদের আগের সব বার্ষিক রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।


আন্তর্জাতিক বাজারে তামার দর তিন সপ্তাহে সর্বোচ্চ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ বাড়ার প্রবণতা ও দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাসে আন্তর্জাতিক বাজারে তামার দর বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শিল্পখাতে ব্যবহারের সম্প্রসারণই এ উত্থানের মূল কারণ।

গত শুক্রবার লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জ-এ তিন মাস মেয়াদি সরবরাহ চুক্তিতে তামা টনপ্রতি ১৩ হাজার ৪৭২ ডলারে লেনদেন হয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারির পর এটি সর্বোচ্চ দাম। টানা সপ্তম মাসের মতো ধাতুটির দর বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজনেস রেকর্ডার।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত অক্টোবর থেকে বিনিয়োগকারীরা তামা ও টিনের মতো শিল্পধাতুতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের মূল্য বাড়ছে। বিদ্যুৎ ও নির্মাণ খাতে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে চলতি বছর এখন পর্যন্ত তামার দাম প্রায় ৯ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে জানুয়ারির শেষ দিকে ধাতুটির মূল্য রেকর্ড ১৪ হাজার ৫২৭ ডলার ৫০ সেন্টে পৌঁছেছিল।

চীনে চান্দ্র নববর্ষের নয়দিনের ছুটি শেষে সাংহাই ফিউচার্স এক্সচেঞ্জ-এ তামার মজুদ ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। বর্তমানে সেখানে মজুদ রয়েছে ৩ লাখ ৯১ হাজার ৫২৯ টন। দাম বেশি থাকায় কিছু ক্ষেত্রে চাহিদা কমলেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ডেটা সেন্টার খাতে তামার ব্যবহার অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ইউবিএস এক নোটে জানিয়েছে, আগামী ১৩ মাসে তামার স্পট মূল্য ১৫ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী তামার ব্যবহার ২ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৫ সালে বাজারে ২ লাখ ৩ হাজার টন ঘাটতি থাকলেও চলতি বছরে তা বেড়ে ৫ লাখ ২০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে।

এদিকে অন্যান্য শিল্পধাতুর মধ্যে অ্যালুমিনিয়ামের দাম সামান্য কমেছে। টনপ্রতি অ্যালুমিনিয়াম ৩ হাজার ১৫২ ডলারে লেনদেন হয়েছে, যা আগের তুলনায় দশমিক ২ শতাংশ কম।


টানা তৃতীয় মাস তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠালো প্রবাসীরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে টানা তৃতীয় মাসের মতো তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ডিসেম্বর ও জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিতেও প্রবাহ শক্তিশালী রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে ৩০২ কোটি ডলার। এর আগে জানুয়ারিতে আসে ৩১৭ কোটি ডলার এবং ডিসেম্বরে আসে ৩২২ কোটি ডলার।

রবিবার এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংক-এর মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০২ কোটি ১০ লাখ ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৭৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২৫২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ২৪৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি।

এর আগে জানুয়ারি মাসে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা এক মাসে ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাপ্তি।


চীনা প্রতিষ্ঠানের সাথে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে গ্রিনহাউস টেন্ট কারখানা স্থাপনে চুক্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

দেশে প্রথমবারের মতো গ্রিনহাউস হাইড্রোপনিক্স টেন্ট উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে চীন (হংকং)ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গ্রিন পিউর হাউসওয়্যার (বিডি) কোম্পানি লিমিটেড বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে কারখানা গড়তে ভূমি ইজারা চুক্তি করেছে।

রোববার (১ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩০ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে কারখানাটি স্থাপন করা হবে। সেখানে গ্রিনহাউস হাইড্রোপনিক্স টেন্ট তৈরি হবে, যা মাটিবিহীন চাষাবাদের জন্য বিশেষায়িত বহনযোগ্য কাঠামো। পাশাপাশি ইভিএ ক্যাবিনেট ম্যাট, কার্টন ও পিই প্যাকেজিং ফিল্মও উৎপাদন করা হবে। হাইড্রোপনিক্স টেন্ট একটি নন-ট্র্যাডিশনাল ও উচ্চমূল্য সংযোজনকারী রপ্তানি পণ্য, যা পণ্য বহুমুখীকরণ ও বিশেষায়িত বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশে বেপজার কৌশলগত লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উৎপাদিত পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ঢাকাস্থ বেপজা কমপ্লেক্সে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বেপজার নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং গ্রিন পিউর হাউসওয়্যার (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি. ওয়াং শেনিউ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন।

প্রতিষ্ঠানটিকে স্বাগত জানিয়ে নির্বাহী চেয়ারম্যান ব্যবসা পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

চুক্তি অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


ইরান ইস্যুতে শেয়ারবাজারে বড় ধস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রভাব পড়েছে দেশের পুঁজিবাজারে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে।

লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। সব সূচক নিম্নমুখী হয়েছে, একই সঙ্গে কমেছে মোট লেনদেনের পরিমাণ।

রোববার (১ মার্চ) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ দাম বাড়ার তালিকায় থাকতে পেরেছে মাত্র ৩০টি প্রতিষ্ঠান। বিপুল সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের দর কমায় প্রধান সূচক একদিনে ১৩৮ পয়েন্ট নেমে যায়।

অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ-এও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর কমেছে, ফলে সূচকে বড় পতনের পাশাপাশি লেনদেনও কমে আসে।

দিনের শুরুতেই ডিএসইতে বিক্রির চাপ তীব্র হয়। লেনদেন শুরুর পর প্রধান সূচক এক পর্যায়ে ২২৩ পয়েন্ট পড়ে যায়। পরে কিছু ক্রেতা সক্রিয় হলে পতনের গতি কিছুটা কমে, তবে শেষ পর্যন্ত বড় ক্ষতিতেই দিন শেষ হয়।

দিনশেষে ডিএসইতে ৩০টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ৩৫৩টির। ৬টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল।

১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া ভালো কোম্পানির মধ্যে ৭টির দর বেড়েছে, ১৯২টির কমেছে এবং ৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া মাঝারি মানের ২টি কোম্পানির দর বেড়েছে, আর ৭৭টির কমেছে।

লভ্যাংশ না দেওয়ায় ‘জেড’ শ্রেণিতে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২১টির শেয়ার দর বেড়েছে, ৮৪টির কমেছে এবং ৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২টির দর বেড়েছে, ২৯টির কমেছে এবং ৩টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

দরপতনের প্রভাবে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৬১ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৯ পয়েন্টে নেমেছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ৫২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ১১৭ পয়েন্টে।

লেনদেনের পরিমাণও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৭৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যেখানে আগের কার্যদিবসে ছিল ৯৪৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ একদিনে লেনদেন কমেছে ১৭১ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

লেনদেনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে সিটি ব্যাংক-এর শেয়ার, যার লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ-এর লেনদেন ২৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন, যার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকার।

লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশে আরও ছিল রবি, ব্যাংক এশিয়া, ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, বেক্সিমকো ফার্মা এবং ঢাকা ব্যাংক।

সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৪৫ পয়েন্ট কমেছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮৪ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টির দর বেড়েছে, ১৩৮টির কমেছে এবং ১১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। এ বাজারে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ১৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকার তুলনায় কম।


মার্চ মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

মার্চ মাসেও জ্বালানি তেলের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফেব্রুয়ারির নির্ধারিত দরই বহাল রাখা হয়েছে চলতি মাসে।

এবারও প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকায় বিক্রি হবে।

রবিবার (১ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত) আলোকে মার্চ মাসে ভোক্তাপর্যায়ে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকায় অপরিবর্তিত রেখে নির্ধারণ করা হলো।"


চাঁদাবাজি রোধে সামাজিক আন্দোলনের গড়ে তোলার আহ্বান ডিসিসিআই সভাপতির

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

দেশে চাঁদাবাজি দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকীন আহমেদ।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণের গুরুত্ব নিয়েই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও যানজট কেবল ব্যবসায়ী বা বেসরকারি খাতের সমস্যা নয়, বরং তা সমাজ ও রাষ্ট্রের সব নাগরিককে প্রভাবিত করছে। সরকারি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে পুলিশ সদস্যরাও এসব সমস্যার বাইরে নন। তাদের পরিবারও চাঁদাবাজি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও নিরাপত্তাহীনতার প্রভাব ভোগ করছে।

তিনি বলেন, ‘শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সম্ভবত এখন সময় এসেছে একটি সামাজিক আন্দোলন তৈরির। পুলিশ কিংবা কোনো একটি দপ্তর একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না। আমাদের নিজেদের মধ্যেও দায়িত্ববোধ তৈরি করতে হবে। সামাজিকভাবে চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।

নিজেদের আশাবাদী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিরাশাবাদী হলে তো হবে না। একটা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে খুব শক্তিশালী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা থাকায় আমাদের আশাও বেড়ে গেছে। আমরা এবার বোধহয় সামনের দিকে ভালো কিছু দেখবো- চাঁদাবাজমুক্ত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে।’

ব্যবসায়িক আস্থা গড়ে ওঠে বিশ্বাস, আইনের শাসন ও স্থিতিশীল পরিবেশের ওপর—এ কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা কারণে প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়েছে। কঠোর মুদ্রানীতি ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণে প্রভাব ফেলেছে।

তার মতে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি ব্যবসার জন্য নিরাপদ ও পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি। পবিত্র রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা জাতীয় অর্থনীতি, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা—সবার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, অবৈধ চাঁদাবাজি, অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা ব্যবসা পরিচালনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে ব্যয় বাড়ছে এবং দেশীয়-বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নীতিনির্ধারক প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন–এর চেয়ারপারসন এ এইচ এম আহসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন–এর প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান। আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা মহানগর পুলিশ–এর উপ-কমিশনার (মতিঝিল বিভাগ) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর–এর পরিচালক আব্দুল জলিল এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শিবির বিচিত্র বড়ুয়া।


দেশের বাজারে সোনার দাম ফের ঊর্ধ্বমুখী, ভরিতে বাড়লো ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি সোনার মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে মূল্যবান এই ধাতুর দাম আবারও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হওয়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সারা দেশে এই নতুন মূল্যতালিকা কার্যকর হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। একদিন আগেও এই মানের সোনার ভরি ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকায় উন্নীত হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার জন্য এখন থেকে ক্রেতাদের গুনতে হবে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।

সোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারেও এই ধাতুর দাম বর্তমানে বেশ চড়া। স্বর্ণ ও রুপার আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস ডট ওআরজি (Goldprice.org) সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম বর্তমানে ৫ হাজার ২৭৮ ডলারে অবস্থান করছে। এর আগে ৩০ জানুয়ারি এই দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে উঠেছিল।

উল্লেখ্য, গত মাসের শেষের দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার কারণে দেশের বাজারেও সোনার দাম একলাফে অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। গত ২৯ জানুয়ারি এক দিনেই ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মূল্যের রেকর্ড। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো একধাপে সোনার দাম এতটা বাড়ানো হয়নি। মূলত বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা ও স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার সংকটকেই এই দফায় দফায় দাম বৃদ্ধির কারণ।


ব্যবসায় দুর্নীতিই বড় বাধা, তিন খাতে ন্যায়পাল নিয়োগ চায় সিপিডি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় দুর্নীতি বলে মনে করছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)। এ সমস্যা মোকাবিলায় কর ন্যায়পাল, ব্যবসাজনিত ন্যায়পাল ও ব্যাংক ন্যায়পাল নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সিপিডি কার্যালয়ে “নতুন সরকারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে নীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত : ১৮০ দিন ও তারপর” শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এসব সুপারিশ তুলে ধরেন।

মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, ব্যবসা পরিচালনায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অপ্রাতিষ্ঠানিক লেনদেন করতে হয়, যা দুর্নীতিকে বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত করেছে। তাই কর, ব্যবসা ও ব্যাংক খাতে পৃথক ন্যায়পাল নিয়োগ জরুরি এবং দ্রুত এ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে রাজস্ব আহরণ সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় ছিল। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত এখন সর্বনিম্ন। বর্তমান সরকার রাজস্ব আহরণ ৪ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে, যা ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সম্পদ কর যুক্ত করার প্রস্তাব থাকলেও কর ন্যায্যতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

কর বৈষম্য কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উচিত একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা, যারা নিয়মিত কর অব্যাহতি, কর ফাঁকি, কর ছাড় ও কর আহরণ পর্যবেক্ষণ করবে। ভ্যাট কাঠামোতে বর্তমানে ৮টি স্ল্যাব রয়েছে, তা ধাপে ধাপে ৩টিতে নামিয়ে আনা এবং দীর্ঘমেয়াদে ২টি স্ল্যাব হয়ে একক হারে যাওয়ার প্রস্তাবও দেন তিনি।

এনবিআরের কর অবকাশ নীতির পুনর্বিবেচনার কথাও বলেন মোয়াজ্জেম। বিশেষ করে বিনোদন ক্লাব বা পুঁজিবাজারের মতো খাতে কর অবকাশ সুবিধা পুনর্মূল্যায়ন করা যেতে পারে। খাতভিত্তিক ও জ্বালানিভিত্তিক কর ছাড় তুলে দিয়ে সমন্বিত একক নীতির আওতায় সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করেন তিনি। ব্যক্তি শ্রেণির পাশাপাশি সব ধরনের ব্যবসার জন্য অনলাইন কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও দেন।

ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা, আন্তর্জাতিক কর ফাঁকি রোধে বৈশ্বিক গাইডলাইন অনুযায়ী চুক্তি এবং এনবিআরের ভেতরে একজন স্বাধীন পরিচালক নিয়োগের বিষয়েও মত দেন তিনি। রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা—এই দুই ভাগে বিভক্ত কাঠামোকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে। নতুন সরকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে সিপিডি এই মিডিয়া ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে।

সংস্থাটি মনে করে, নতুন সরকারের শুরুর দিকে ঘোষিত নীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে না। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রশাসনিক অনাগ্রহ, আইনি জটিলতা এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার থেকে সরে যাওয়ার প্রবণতা বড় কারণ। তাই বিকেন্দ্রীকৃত, জ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নীতি বাস্তবায়ন কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানায় সিপিডি। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের কার্যকর তদারকির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সিপিডি তাদের গবেষণার ভিত্তিতে মোট ১২টি অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে সরকারের নীতি ও প্রশাসনিক করণীয় চিহ্নিত করেছে।


banner close