সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

পেঁয়াজ-মরিচ ও সবজির দাম কিছুটা কমেছে

পেঁয়াজ-মরিচ ও সবজির দাম কিছুটা কমেছে
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য। ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

সপ্তাহ ব্যবধানে সরবরাহ বাড়ায় রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সব ধরনের সবজির দাম কমেছে।একই সঙ্গে আগের মতো ঝাঁজ নেই পেঁয়াজে, মরিচের ঝালও কমেছে। এদিকে ডিম ও মুরগির দামে ক্রেতাদের স্বস্তি কিছুটা ফিরলেও আদা-রসুনের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। 

বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম গেল সপ্তাহের তুলনা এ সপ্তাহে কমেছে। তবে সামান্য দাম কমায় খুশি হননি ক্রেতারা। তারা বলছেন ‘কই আর কম।’ 

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ২০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া বিভিন্ন সবজির দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। 

বাজারে নতুন আসায় গত সপ্তাহে শিমের দাম কেজিতে ২০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। এ সপ্তাহে দাম কমে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটো ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গেল সপ্তাহে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। গাজর কেজি প্রতি ২০ টাকা কমে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা দরে, যা গত সপ্তাহে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়।

১০ টাকা কমে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। এছাড়া অন্যান্য সবজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে পটল বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁকরোল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ১০ টাকা কমে চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢ্যাঁঢ়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রকমভেদে ৩০ থেকে ৬০ টাকায় প্রতি পিস লাউ বিক্রি হয়েছে। ৫ টাকা কমে আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। তবে পাল্লা নিলে আরও কম দামে কেন যাচ্ছে আলু। কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা কমে এ সপ্তাহে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পাইকারিতে আদা-রসুনের দাম বাড়লেও আগের দামেই বিক্রি করছেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কেজি প্রতি আদা ও রসুন এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

এদিকে ডিম ও মুরগির দাম কমেছে। গেল সপ্তাহে সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির বাদামি ডিমের প্রতি হালির দর নেমেছে ৪০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা হালি। দাম কমে ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২০ টাকা দাম কমে সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়।

লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৭০ টাকায়। আর ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে দেশি মুরগি। 


বিদেশি পর্যটকদের জন্য দরজা খুলছে জাপান

বিদেশি পর্যটকদের জন্য দরজা খুলছে জাপান
ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

অবশেষে বিদেশি পর্যটকদের জন্য দরজা খুলে দিচ্ছে জাপান। করোনা মহামারির কারণে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ ছিল। আগামী ১১ অক্টোবর থেকে পর্যটকরা ভিসা ছাড়াই দেশটিতে ভ্রমণ করতে পারবেন, লাগবে না কোনো ট্রাভেল এজেন্সির সহায়তাও। এ ছাড়া প্রতিদিন প্রবেশ করা পর্যটকের পরিমাণের সীমাও তুলে দেয়া হবে। খবর বিবিসির।

তাইওয়ান এবং হংকং তাদের দেশে পর্যটক প্রবেশের নিয়ম শিথিল করার পরপরই জাপান এ রকম ঘোষণা দিল। তাইওয়ান অক্টোবরের মাঝামাঝি নাগাদ আন্তর্জাতিক আগমনের জন্য কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজনীয়তা বাদ দেয়ার কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে গত শুক্রবার হংকং কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হোটেলে কোয়ারেন্টাইনের বদলে বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন পালন করতে হবে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা বলেছেন, ‘জাপান যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ হতে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শিথিল করবে।’

দেশটি জুন থেকে দর্শনার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দিলেও তাদের কোনো ট্যুরের অংশ হতে হতো।

কিশিদা জাপানে ভ্রমণের জন্য একটি প্রণোদনা স্কিমও ঘোষণা করেছেন। যার মাধ্যমে ভ্রমণ করলে থিম পার্ক, ক্রীড়া ইভেন্ট এবং কনসার্টে ছাড় পাওয়া যাবে। এ ছাড়া জাপানের নাগরিক এবং বাসিন্দারা ১১ হাজার ইয়েন ভর্তুকি পাবে বলে জানা গেছে।

অন্য দেশগুলোতেও একই রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা গেছে, যাতে মানুষ ব্যয় করতে আগ্রহ পায় এবং অর্থনীতি প্রাণ ফিরে পায়। তবে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি স্থানীয়দের জন্য উদ্বেগজনক।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি এশিয়ার সর্বশেষ শক্তিশালী দেশ যারা কোভিড স্বাস্থ্য উদ্বেগের জন্য সীমানা বন্ধ রেখেছিল। বিশ্বের ধনী দেশগুলোর মধ্যে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম জাপানে এবং টিকাদানের হার সবচেয়ে বেশি।

মহামারির আগের বছর ২০১৯ সালে প্রায় ৩২ কোটি আন্তর্জাতিক পর্যটক জাপান ভ্রমণ করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিধিনিষেধ আরোপ করায় অনেক বিদেশি জাপান ভ্রমণ থেকে বিরত রয়েছে।


বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনে তিন বাধা

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনে তিন বাধা
ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
  • বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

  • সংস্কার না হলে প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে তিনটি বাধা চিহ্নিত করেছে বিশ্বব্যাংক। এগুলো হলো- বাণিজ্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হ্রাস, দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ আর্থিক খাত এবং ভারসাম্যহীন ও অপর্যাপ্ত নগরায়ণ। এই তিন বাধা দূর করতে পারলে উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে এবং ভবিষ্যতে প্রবৃদ্ধি আরও টেকসই হবে।

বিশ্বব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিতে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ‘চেঞ্জ অব ফেব্রিক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে সংস্কার না হলে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে। বর্তমান প্রবৃদ্ধির কাঠামো টেকসই নয়। ২০৩৫ থেকে ২০৩৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশের নিচে নেমে যেতে পারে। বিশ্বের শীর্ষ প্রবৃদ্ধির দেশগুলোর মতো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধির কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক দশক ধরে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সেরা প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশগুলোর একটি হলো বাংলাদেশ। কিন্তু এতে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কারণ নেই। অর্থনীতির তেজিভাব কখনো স্থায়ী প্রবণতা নয়। দ্রুত উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি সব সময় উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে। তবে কয়েকটি দেশ দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। শীর্ষ ১০-এ থাকা দেশগুলোর মাত্র এক-তৃতীয়াংশ দেশ পরের দশকেও উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। গত এক দশকে (২০১০-১৯) যেসব দেশ শীর্ষ ১০-এ ছিল, সেসব দেশ আগের দশকে শীর্ষ ১০-এ ছিল না।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে বিশ্বব্যাংক কিছু সুপারিশ করেছে। যেমন রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের শুল্ক-করহার অন্য দেশের তুলনায় বেশি, যে কারণে বাণিজ্য সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। ব্যাংক খাত সম্পর্কে বিশ্বব্যাংক বলেছে, ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংক খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। কিন্তু দেশের আর্থিক খাত অতটা গভীর নয়। গত চার দশকে আর্থিক খাতের উন্নতি হলেও এখনো তা পর্যাপ্ত নয়। অন্য দিকে আধুনিক নগরায়ণই বাংলাদেশের পরবর্তী ধাপের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারসাম্যপূর্ণ আধুনিক নগরায়ণের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

এদিকে সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার বাংলাদেশ সফরে এসে বলেন, ‘বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, অনিশ্চয়তার মধ্যে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা সম্প্রসারণ ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংস্কারে অগ্রাধিকার দেয়া প্রয়োজন।’

মার্টিন রেইজার বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ হলো একটি উন্নয়ন সাফল্যের গল্প। ৫০ বছর ধরে বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় সঙ্গী হতে পেরে বিশ্বব্যাংক গর্বিত। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা অর্জনে সহায়তা দিতে বিশ্বব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, জলবায়ু পরিবর্তনে টেকসই হওয়া নিশ্চিতকরণ, আর্থিক খাত শক্তিশালী করার বিষয়ে সময়োপযোগী নীতি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

বাংলাদেশের জন্য ২০২৩-২৭ মেয়াদের জন্য নতুন কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) তৈরি করছে বিশ্বব্যাংক। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করেছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক বলেছে, গত কয়েক দশকের উন্নয়নে দেশের দারিদ্র্যবিমোচন হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সূচকের উন্নতি হয়েছে। কোভিড মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্য দেশের তুলনায় ভালো করেছে।


বেঁধে দেয়া দামে চিনি ও পাম তেল মিলছে না

বেঁধে দেয়া দামে চিনি ও পাম তেল মিলছে না
চিনি ও পাম তেল।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

বীর সাহাবী

সরকারের বেঁধে দেয়া দামে চিনি ও পাম তেল বিক্রি করছেন না ব্যবসায়ীরা। অনেক ব্যবসায়ী জানেনই না এ দুটি পণ্যের দাম বেঁধে দেয়ার খবর।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দুটি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিয়ে গত বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। যা গতকাল রোববার থেকে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হলেও সে নির্দেশনা অনুযায়ী পাম সুপার খোলা তেল ও চিনি বিক্রি করছেন না দোকানিরা।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মগবাজার, মহাখালীসহ বেশ কিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দাম বেঁধে দেয়া এ দুটি পণ্য আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

দেখা যায়, পাম সুপার তেল সেই আগের দাম ১৪৫ টাকা লিটারেই বিক্রি হচ্ছে। আর খোলা চিনি ৯০ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেন সরকারের বেঁধে দেয়া দামে চিনি ও পাম তেল বিক্রি করছেন না- এ প্রশ্নে কারওয়ান বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মফিজ উদ্দিন দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘আমরা তো দাম নির্ধারণ করি না। দাম যারা নির্ধারণ করে তারাই এসব বিষয়ে বুঝবে। আমরা বেশি দাম দিয়ে কিনেছি, তাই সে দামেই বিক্রি করব। আমাদের কাছে এমন কোনো নির্দেশনা আসেনি।’

বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, দেশে কোনো পণ্যের দাম বাড়লে সবাই তড়িঘড়ি করে দাম বাড়িয়ে দেন। কিন্তু যখন সে পণ্যের দাম কমার ঘোষণা আসে সরকারের পক্ষ থেকে, তখন আর কেউ সহজে দাম কমাতে চান না। বিগত দিনগুলোতে এমন কর্মকাণ্ডের জন্য বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণও দিতে হয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠানকে। তার পরও কোনো কাজ হচ্ছে না।

গত বৃহস্পতিবার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার, কাজী ফার্মস, সিটি গ্রুপসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। তার পরও বাজারে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। বেশি মূল্যে পণ্য কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের; সরকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি হিসাব-নিকাশ করে চিনি ও পাম তেলের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; কিন্তু সে মূল্যে কোনো ব্যবসায়ী এই দুটি পণ্য বিক্রি করছেন না।

দাম বাড়লে তা সরকারি নির্দেশনা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে কমে যেতে হবে এমন কোনো আইন নেই বলে মনে করেন মহাখালীর এক খুচরা দোকানি। মফিজ উদ্দিন নামে এ বিক্রেতা দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘মূল্য সরকারিভাবে বাড়ানো হয়েছিল। আমরা সে অনুযায়ীই বিক্রি করছি। এখন আজ থেকে আবার কমার সিদ্ধান্ত দেয়া আছে শুনেছি। কমার সিদ্ধান্ত দিলেই কি সঙ্গে সঙ্গে কমিয়ে ফেলতে হবে? সিদ্ধান্ত নিছে কমার, তা আস্তে আস্তে কমবে।’

বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য শাখা দুটি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে; যা গতকাল রোববার থেকে কার্যকর হয়। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, পাম সুপার তেল প্রতি লিটার খুচরায় সর্বোচ্চ ১৩৩ টাকা; যা এত দিন ১৪৫ টাকায় নির্ধারিত ছিল। মিল গেটে পাম তেল প্রতি লিটার ১২৮ টাকা এবং পরিবেশক পর্যায়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একইভাবে পরিশোধিত খোলা চিনি প্রতিকেজি ৮৪ টাকা এবং প্যাকেট চিনি প্রতিকেজি সর্বোচ্চ ৮৯ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে খোলা চিনি ৯০ টাকা এবং প্যাকেট চিনি ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিল গেটে খোলা চিনি প্রতিকেজি ৭৯ টাকা এবং পরিবেশক পর্যায়ে ৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে প্যাকেটজাত চিনি মিল গেটে ৮২ টাকা এবং পরিবেশক পর্যায়ে ৮৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সরকার ‘দ্য কন্ট্রোল অব অ্যাসেনসিয়াল কমোডিটিস অ্যাক্ট-১৯৫৬’ এর ক্ষমতাবলে মিল গেট, পরিবেশক ও সর্বোচ্চ পর্যায়ে তেল, চিনির দাম নির্ধারণ করল।

এর আগে বিভিন্ন সময় তেল ও চিনির দাম নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সবশেষ বাজার বিশ্লেষণ করে চিনি ও পাম তেলের দাম কমিয়ে ঠিক করে দেয়া হলো।

চাল, লবণসহ অত্যাবশ্যকীয় অন্তত ৯টি পণ্যের দাম বেঁধে দেয়া হবে বলে চলতি মাসের শুরুতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ বকশি দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘আমার জানা মতে, আমাদের নির্ধারিত মূল্যেই পাম তেল ও চিনি বিক্রি হচ্ছে। ভোক্তাদের সুবিধার্থে মন্ত্রণালয় মূল্য কমিয়ে নির্ধারণ করে দিয়েছে। যা গতকাল থেকে কার্যকর হয়েছে। বেঁধে দেয়া নতুন দর অনুযায়ী, খুচরায় চিনির মূল্য কেজিতে ৬ টাকা এবং পাম তেলের দাম লিটারে ১২ টাকার মতো কমেছে। তবে এ মূল্যের বাইরে যদি কোনো ভোক্তা কেনাকাটা করে তাহলে সে আইন অনুযায়ী ভোক্তা অধিদপ্তরে অভিযোগ করবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ভোক্তা জরিমানার ২৫ শতাংশ ফেরত পাবে।’

ভোক্তার অভিযোগ অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান লতিফ বকশি।

এ প্রসঙ্গে ভোক্তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘সরকার শুধু মূল্য বেঁধে দিলে হবে না, বাজার তদারক করতে হবে; মনিটর করতে হবে। যে মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হচ্ছে, সেই মূল্যে ব্যবসায়ীরা যাতে বাজারে পণ্য বিক্রি করে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।’

অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার, কাজী ফার্মস, সিটি গ্রুপসহ ১১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করাকে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের ‘শুভ সূচনা’ বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম রহমান।

তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পরে প্রথম কোনো দৃশ্যমান কাজ করল প্রতিযোগিতা কমিশন। কিছু করল বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা কমিশন। আর এই কাজকে শুভ সূচনা বলে আমি মনে করি।’

গোলাম রহমান বলেন, ‘ভোক্তাদের স্বার্থে প্রতিযোগিতা কমিশন তো এত দিন কিছুই করেনি। এই প্রথম বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করল। এখন দেখতে হবে, কত দ্রুততার সঙ্গে মামলাটির নিষ্পত্তি হয়। আইন অনুযায়ী কাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অন্যায়ভাবে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মানুষের পকেট থেকে বাড়তি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সেই অপরাধে যদি সত্যিই এদের উপযুক্ত শাস্তি হয়, তাহলে বাজারে এর একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। অন্যরা ভয় পাবে, অযৌক্তিকভাবে ইচ্ছামতো আর পণ্যের দাম বাড়াবে না। দেশের মানুষ স্বস্তি পাবে।’


পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি

পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি
সাকিব আল হাসান। ছবি: ফেসবুক থেকে
ফারহান ফেরদৌস
প্রকাশিত

ফারহান ফেরদৌস

পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকারের লাইসেন্স চেয়েছে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরুর মালিকানাধীন ব্রোকারেজ হাউজ মোনার্ক হোল্ডিংস।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসই এই আবেদনে সম্মতি দিয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন বা বিএসইসির কাছে পাঠিয়েছে আবেদনটি।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই চিঠি পাঠান। তবে এখনও বিএসইসি থেকে কোনো জবাব আসেনি।
বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘কাগজপত্র সব ঠিকঠাক আছে কি না, সেটি দেখার মূল দায়িত্ব ডিএসইর। বিএসইসি মূলত সেই সিদ্ধান্ত রিভিউ করে।’
মোনার্কের মার্কেট মেকার হওয়ার যোগ্যতা আছে বলে মনে করেন কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘যেসব ক্রাইটেরিয়া তাদের থাকা উচিত, সেগুলো যদি থাকে, তাহলে তারা পাবে।’
সাকিবের ব্যবসায়ীক অংশীদার হিরুর বিরুদ্ধে পুঁজিবাজারে কারসাজির মাধ্যমে ১৩৭ কোটি টাকা আয়ের প্রমাণ পেয়েছে বিএসইসি। একাধিক আদেশে হিরু ও তার অংশীদারদের ১০ কোটি টাকারও বেশি জরিমানাও করা হয়েছে।
কারসাজির অভিযোগ ছিল সাকিবের বিরুদ্ধেও। তবে সেই অভিযোগের প্রমাণ না পেয়ে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। যদিও হিরুর সঙ্গে তার ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে।
মোনার্কের নথিপত্রে সাকিবের বাবার নামের জায়গায় হিরুর শ্বশুরের নাম ছাপা হওয়া নিয়েও তোলপাড় হয়েছে সম্প্রতি। তবে এটি করণিক ভুল বলে জানিয়েছে মোনার্ক।
কোম্পানিটি যখন প্রতিষ্ঠা করা হয়, তখন সাকিবের বাবার নাম খন্দকার মাসরুর রেজাই উল্লেখ করা হয়। তবে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর আবেদনের সময় যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর বা আরজেএসসি থেকে ভুল করা হয়। তারা সাকিবের বাবার নামের জায়গায় হিরুর শ্বশুর আব্দুল লতিফের নাম বসিয়ে দেয়।
তোলপাড়ের পর সেটি সংশোধনের আবেদন করা হয়। এরই মধ্যে নামটি সংশোধন হয়ে গেছে বলে মোনার্ককে জানানো হয়েছে।

ডিএসইর মূল্যায়নে মোনার্ক যোগ্য

মোনার্ক প্রথমে ডিএসইর কাছে আবেদন করার পর তারা পুঁজিবাজারে কারসাজির এই বিষয়গুলো বিবেচনায় না এনে কেবল কাগজপত্র দেখে সিদ্ধান্তে আসে যে, প্রতিষ্ঠানটির মার্কেট মেকার হিসেবে কাজ করার যোগ্যতা আছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসইর এমডি দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘আমরা আবেদন পেয়েছিলাম। প্রয়োজনীয় কাজগপত্র সব আছে। কাজ শেষ করে বিএসইসির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।’
যে কোম্পানির মালিকের বিরুদ্ধে পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগ আছে, এমন একটি কোম্পানিকে মার্কেট মেকারের স্বীকৃতি দেয়া কতটা নৈতিক, সেই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তাদের যে জরিমানা করা হয়েছে, সেটা তো অন্য বিষয়। এখানে আমরা তাদের কোনো সমস্যা পাইনি।’
কারসাজিতে জড়িত থাকার পর হিরুর মালিকানাধীন কোম্পানিকে মার্কেট মেকারের স্বীকৃতি দেয়াটা কতটা যৌক্তিক- এমন প্রশ্নে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘মার্কেট মেকারের লাইসেন্স নিয়ে অকাজ করলে তো হবে না। তবে বিষয়টি বিএসইসি দেখবে।’
মোনার্ক হোল্ডিংসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘আমরা অনেক আগে ডিএসইর মার্কেট মেকারের লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছিলাম। তারা তাদের কাজ শেষ করেছে। এখন বিএসইসি কাগজ খতিয়ে দেখছে। তারা আমাদের কাছে কিছু কাগজ চেয়েছে। আমরা এসব কাগজ কালকে দিয়ে দেবো।’


মার্কেট মেকার কারা

মার্কেট মেকার বলতে এমন একটি কোম্পানি বা ব্যক্তিকে বোঝায় যারা একটি শেয়ারের বাজার তৈরি করে। তারা কোনো একটি শেয়ারের মজুদ রাখে এবং সব সময় তাদের কাছে একটি দামে শেয়ারটি কেনা যায় ও একটি দামে শেয়ারটি বিক্রি করা যায়। এর ফলে পুঁজিবাজারে তারল্য তৈরি হয়।
পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়াতে মার্কেট মেকারের আইন করে বিএসইসি।
দেশের ইতিহাসে প্রথমবার মার্কেট মেকার হিসেবে নিবন্ধন সনদ পায় ডিএসই ও সিএসই (চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের) সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউজ বি রিচ লিমিটেড।এর পরে লাইসেন্স পায় গ্রিনডেল্টা সিকিউরিটিজ।
বাজার সৃষ্টিকারী বিধিমালায় উল্লেখ রয়েছে- কোনো মার্চেন্ট ব্যাংক, তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্টক ডিলার বা স্টক ব্রোকার বিএসইসি থেকে এ সনদ পাওয়ার যোগ্য হবে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বাজার সৃষ্টিকারী) বিধিমালা অনুযায়ী, মার্কেট মেকার হওয়ার জন্য স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদন সাপেক্ষে বিএসইসির কাছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আবেদন করবে।
একইসঙ্গে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা থাকতে হবে। আর উল্লিখিত পরিমাণ টাকা পরিশোধিত মূলধন হিসেবে থাকলে যে কোনো মার্কেট মেকার একটি অনুমোদিত সিকিউরিটিজ পরিচালনার জন্য নিয়োজিত থাকতে পারবে।
বাংলাদেশে একজন মার্কেট মেকার সর্বোচ্চ ৫টি শেয়ারের বাজার তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারবে। একটি শেয়ারের বাজার তৈরি করতে ১০ কোটি টাকা পেইডআপ লাগবে। সে হিসাবে ৫০ কোটি টাকা পেইড-আপ থাকলে ৫টি শেয়ারের মার্কেট তৈরি করা যাবে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে মোনার্ক হোল্ডিংস। আবুল খায়ের হিরু জানিয়েছেন, তাদের পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা।


বিএমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল, সম্পাদক সাইফ

বিএমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল, সম্পাদক সাইফ
ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

বাংলাদেশ এমবিএ অ্যাসোসিয়শনের (বিএমবিএএ) নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নাজমুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সাইফ আই মাহমুদ।

গতকাল শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির ১০ম বার্ষিক সাধারণ সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় বিএমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশনায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো প্রকাশিত দেশীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডদের নিয়ে একটি বিজনেস কেস বুকের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।  

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাবি আইবিএ-এর পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পিএইচপি গ্রুপের চেয়ারম্যান সুফি মিজানুর রহমান এবং আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আলমগীর।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মিজানুর রহমান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, দেশি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান শীর্ষ কর্তারা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন এমবিএ ডিগ্রীধারীদের সবচেয়ে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। ঢাবির আইবিএর শুরুর দিককার এমবিএ ডিগ্রিধারী এবং করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ, হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল, ওয়ার্টন বিজনেস স্কুল ও স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুলের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশি এমবিএদের নিয়ে ১৯৮৬ সালে শুরু হয় এই সংগঠনের যাত্রা।