রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
১ চৈত্র ১৪৩২

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড অডিট কমিটির সভা

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৩ ০৮:০৮

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড অডিট কমিটির ২৫২তম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যান একরামুল হক।

সভায় অন্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালক আব্দুল হালিম ও মশিউর রহমান চমক, ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক নাসির উদ্দিন আহমেদ, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

হুয়াওয়ের ঝুড়িতে ৮ গ্লোমো অ্যাওয়ার্ড

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৩৭
করপোরেট ডেস্ক

মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি) বার্সেলোনা ২০২৬-এ হুয়াওয়ে আটটি গ্লোবাল মোবাইল (গ্লোমো) অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে। প্রাপ্ত পুরস্কারগুলির মধ্যে রয়েছে বেস্ট মোবাইল নেটওয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, বেস্ট এআই-পাওয়ার্ড নেটওয়ার্ক সল্যুশন, বেস্ট নন-টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্ক সল্যুশন, বেস্ট মোবাইল অপারেটর সার্ভিস ফর কানেক্টেড কনজিউমার্স, বেস্ট মোবাইল ইনোভেশন ফর কানেক্টেড হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং, বেস্ট ফিনটেক অ্যান্ড ডিজিটাল কমার্স ইনোভেশন, বেস্ট ইউজ অব মোবাইল ফর অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন এবং বেস্ট মোবাইল ইনোভেশন ফর এনহ্যান্সিং দ্য লাইভস অব চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়াং পিপল।

জিএসএমএ (গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন্স) -এর গ্লোমো অ্যাওয়ার্ড বিশ্বের মোবাইল শিল্পের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। মোবাইল প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী সেবা ও শিল্পের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের এই পুরস্কারের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। শিল্পখাতের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্যানেল এই পুরস্কারের জন্য বিজয়ীদের নির্বাচন করে।

রবিবার হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বেস্ট মোবাইল নেটওয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার

হুয়াওয়ে আল্ট্রা-ব্রডব্যান্ড, মাল্টি-অ্যান্টেনা প্রযুক্তি এবং শক্তি সাশ্রয়ী ব্যবস্থার জন্য বেশ কিছু উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করেছে, যা সব ফ্রিকোয়েন্সির ব্যান্ডে ফাইভজি নেটওয়ার্কের উন্নয়নে সহায়তা করে। এগুলি ব্যবহার করে অপারেটররা এআই-চালিত ও সহজে স্থাপনযোগ্য মোবাইল নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারছে, যা ফাইভজি-এ উন্নয়নের জন্যও উপযোগী। এই নেটওয়ার্কগুলো উচ্চ কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি খুব কম শক্তি ব্যবহার করে।

বেস্ট এআই-পাওয়ার্ড নেটওয়ার্ক সল্যুশন

হুয়াওয়ে এবং চায়না মোবাইল যৌথভাবে “এআই + নেটওয়ার্ক” অপারেশন ট্রান্সফরমেশনের জন্য সমাধান তৈরি করেছে। এটি স্বয়ংক্রিয় নেটওয়ার্ক (এএন) পরিচালনায় দক্ষতা, প্রবৃদ্ধি এবং খরচ নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করে।

বেস্ট নন-টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্ক সল্যুশন

চায়না টেলিকমের স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন শাখা হুয়াওয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এমন প্রযুক্তি তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে মোবাইল ফোন সরাসরি তিয়ানতং স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে আল্ট্রা-শর্ট কোড, হাই-গেইন কনভোলিউশনাল চ্যানেল কোডিং এবং অ্যাডাপটিভ ভয়েস কোয়ান্টাইজেশন।

বেস্ট মোবাইল অপারেটর সার্ভিস ফর কানেক্টেড কনজিউমারস

ইন্দোনেশিয়ার টেলকমসেল এবং হুয়াওয়ে ইউজার ইকুইপমেন্ট লোগো (ডিভাইসের মান নির্দেশক) ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকদের মানসম্পন্ন অভিজ্ঞতা দিয়ে জিএসএমএ গ্লোমো বেস্ট মোবাইল অপারেটর সার্ভিস ফর কানেক্টেড কনজিউমারস অ্যাওয়ার্ড জিতেছে।

বেস্ট মোবাইল ইনোভেশন ফর কানেক্টেড হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং

চায়না মোবাইল ফাইভজি নিউ কলিং এবং হুয়াওয়ের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এআই হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রকল্পটি ‘জিএসএমএ গ্লোমো বেস্ট মোবাইল ইনোভেশন ফর কানেক্টেড হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে।

বেস্ট ফিনটেক অ্যান্ড ডিজিটাল কমার্স ইনোভেশন

সাফারিকম এবং হুয়াওয়ের তৈরি জিদি ওয়েলথ প্ল্যাটফর্ম ‘জিএসএমএ গ্লোমো বেস্ট ফিনটেক অ্যান্ড ডিজিটাল কমার্স ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। এই দুই প্রতিষ্ঠান এক দশকেরও বেশি সময় ধরে একসঙ্গে কাজ করে আফ্রিকার মোবাইল ফাইন্যান্স খাতকে উন্নত করেছে।

বেস্ট ইউজ অব মোবাইল ফর অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন

চায়না মোবাইল এবং হুয়াওয়ে যৌথভাবে মোবাইল হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরি করেছে। চায়না মোবাইলের ফাইভজি নিউ কলিং নেটওয়ার্ক এবং একটি হেলথ এআই এজেন্ট দ্বারা পরিচালিত এই অ্যাসিস্ট্যান্টটি সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে।

বেস্ট মোবাইল ইনোভেশন ফর এনহ্যান্সিং দ্য লাইভস অব চিলড্রেন অ্যান্ড ইয়াং পিপল

চীনের পু’এর শহরের লানচাং কাউন্টিতে বাস্তবায়িত হয়েছে ছিংজিয়াও প্ল্যান, যা চায়না টেলিকম, সিএসইএফ এবং হুয়াওয়ের একটি যৌথ উদ্যোগ। চায়না টেলিকমের ফাইভজি নেটওয়ার্ক এবং হুয়াওয়ে ক্লাউড উইলিংক ব্যবহার করে লানচাং এবং সাংহাইয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যুক্ত করে একটি ভার্চুয়াল কমিউনিটি তৈরি করার পাশাপাশি ক্যাম্পাসগুলোতে ফাইভজি ও ওয়াই-ফাই একীভূত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রকল্পটি লানচাংয়ের বহু সংখ্যক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করেছে, ৬০০-এর বেশি গ্রামীণ অঞ্চলের শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে এবং ৫,০০০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে উপকৃত করেছে।

স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত এমডব্লিউসি বার্সেলোনা ২০২৬-এ অংশ নিয়ে হুয়াওয়ে সরবাধুনিক পণ্য ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে।


ব্যাংক এশিয়ার নতুন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কায়েস চৌধুরীর যোগদান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

জনাব কায়েস চৌধুরী গত ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি-তে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) এবং চট্টগ্রাম জোনাল হেড হিসেবে যোগদান করেছেন। ব্যাংক এশিয়ায় যোগদানের পূর্বে তিনি ব্র্যাক ব্যাংকে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব রিজিওনাল করপোরেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কায়েস চৌধুরী কৌশলগত নেতৃত্ব, সুশাসন, ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং বিজনেস ট্রান্সফরমেশনে ব্যাপক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ব্যাংকার। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে তাঁর রয়েছে বিশেষ দক্ষতা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা।

তিনি ১৯৯৩ সালে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকে (ইউসিবি) যোগদানের মাধ্যমে তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ঢাকা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ডাচ-বাংলা ব্যাংক এবং সিটি ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি একজন একনিষ্ঠ, নীতিবান এবং দূরদর্শী ব্যাংকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। করপোরেট, কমার্শিয়াল এবং শাখা ব্যাংকিং কার্যক্রমেও তাঁর রয়েছে গভীর অভিজ্ঞতা।

শিক্ষাগত জীবনে জনাব চৌধুরী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন্যান্সে এম.কম ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং এবং ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস বিষয়ে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। নিয়ন্ত্রক নীতিমালা অনুসরণ, টিম গঠন ও উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকরণে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।


টানা দ্বিতীয় বছর ট্রাস্ট-ই রেসপন্সিবল এআই সার্টিফিকেশন পেল ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

টানা দ্বিতীয় বছর ট্রাস্ট-ই রেসপন্সিবল এআই সার্টিফিকেশন পেয়েছে ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট। মূলত প্রতিষ্ঠানের এআই ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের নিরপেক্ষ মূল্যায়নের পর ট্রাস্ট-ই রেসপন্সিবল এআই সার্টিফিকেশন দেওয়া হয়।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) তৈরি, ব্যবহার এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে, তার ওপর ভিত্তি করে ট্রাস্ট-ই রেসপন্সিবল এআই সার্টিফিকেশন মূল্যায়ন করে। এ বছর ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট তাদের ক্লায়েন্ট-ফেসিং অ্যাপ্লিকেশন ও ইন্টার্নাল সিস্টেম মূল্যায়নের মাধ্যমে এই সার্টিফিকেশন অর্জন করেছে।

ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট-এর মূল সমাধানগুলো এআই ব্যবহৃত, যা ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। প্রতিষ্ঠানটি গঠনমূলক শাসন কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হয়। ফলে এআই নীতিমালা ও ডেটা ব্যবস্থাপনার মান অনুযায়ী তাদের প্রযুক্তিগুলো তৈরি ও ব্যবহৃত হয়।

এই সার্টিফিকেশন প্রমাণ করে যে, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে এআই-এর ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত ও নিয়মিত ব্যবহার নিশ্চিতে ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট সাউথ এশিয়া মিডেল ইস্ট লিমিটেড-এর অধীনস্থ ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট ডেটা অ্যান্ড অ্যানালাইটিকস প্রাইভেট লিমিটেড এআই-চালিত সমাধান প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্তিত করছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রতিষ্ঠানগুলো আরও উন্নত ব্যবসায়িক বুদ্ধিমত্তা ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহযোগিতা পাচ্ছে।

এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে, ডান অ্যান্ড ব্র্যাডস্ট্রিট তাদের বিশ্বব্যাপি নেটওয়ার্কে নির্ভরযোগ্য ডেটা ও উন্নত বিশ্লেষণ দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


গ্যাস বিল সংগ্রহে উত্তরা ব্যাংক ও তিতাস গ্যাসের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

গ্রাহকদের গ্যাস বিল পরিশোধের প্রক্রিয়া আরও সহজতর ও বেগবান করতে সম্প্রতি উত্তরা ব্যাংক পিএলসি এবং তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি একটি সমঝোতা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে। রাজধানীর তিতাস গ্যাস ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই বিল সংগ্রহ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন তিতাস গ্যাসের কোম্পানি সেক্রেটারি জনাব মোঃ লুৎফুল হায়দার মাসুম এবং উত্তরা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ রাফিদুল ইসলাম।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা প্রত্যক্ষ করেন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শাহনেওয়াজ পারভেজ এবং উত্তরা ব্যাংক পিএলসি-এর সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব মোঃ আবুল হাশেম। এছাড়া চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিতাস গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) জনাব মোঃ মহিউদ্দিন মোল্লা, উত্তরা ব্যাংকের নির্বাহী মহাব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ লিটন পাশা খান এবং মহাব্যবস্থাপক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান ও মোছাঃ রীনা সুলতানাসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই চুক্তির ফলে তিতাস গ্যাসের গ্রাহকরা এখন থেকে উত্তরা ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের মাসিক বিল অনায়াসেই পরিশোধ করার সুযোগ পাবেন।


সেন্টার পয়েন্ট ঢাকায় বাটার নতুন এক্সক্লুসিভ ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড বাটা, রাজধানীর সেন্টার পয়েন্টে তাদের নতুন এক্সক্লুসিভ ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধন করেছে, যা দেশে বাটার চলমান রিটেইল সম্প্রসারণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। নতুন এই আউটলেটটি গ্রাহকদের জন্য আধুনিক ও উন্নত শপিং পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাজধানীর অন্যতম প্রাণবন্ত বাণিজ্যিক এলাকায় বাটার উপস্থিতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশেই অবস্থিত সেন্টার পয়েন্ট রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পোশাক ও ফুটওয়্যার ব্র্যান্ডগুলোর সমাগমে এটি দ্রুত একটি নতুন লাইফস্টাইল গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে। এই প্রিমিয়াম লোকেশনে নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড বাটা, তাদের গ্লোবাল রিটেইল অভিজ্ঞতাকে গ্রাহকদের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে আধুনিক ও বিশ্বমানের শপিং পরিবেশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও বাটার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর সিয়াম আহমেদ এবং বাটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারিয়া ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইপিসিও ডেভেলপমেন্টস (বাংলাদেশ) লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার জায়েদ আহসান। বাটা বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন ইলিয়াস আহমেদ, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর; মালিক মেহেদী কবির, এইচআর ডিরেক্টর; আরফানুল হক, রিটেইল ডিরেক্টর; নূসরাত হাসান, হেড অব মার্কেটিং; এবং মো. সাইদুর রহমান, চিফ অব আইঅ্যান্ডডি অ্যান্ড ফ্র্যাঞ্চাইজি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতি উদ্বোধনী আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

ঢাকার সেন্টার পয়েন্টের (হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে) লেভেল-৩ এ অবস্থিত নতুন এই ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে বাটার আধুনিক স্টোর ডিজাইনের পাশাপাশি পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য নানা ধরনের ফুটওয়্যার ও লাইফস্টাইল কালেকশন রয়েছে, যা গ্রাহকদের জন্য আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় ও আনন্দদায়ক শপিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

স্টোর উদ্বোধন উপলক্ষে দর্শনার্থীরা বাটার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর সিয়াম আহমেদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ পান, যা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত ও স্মরণীয় করে তোলে।

এই ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের উদ্বোধনের মাধ্যমে বাটা বাংলাদেশ সারা দেশে তাদের আধুনিক রিটেইল উপস্থিতি আরও সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং একইসঙ্গে গ্রাহকদের জন্য আরাম, গুণগত মান ও স্টাইল নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রেখেছে।


গ্রাহক ও কৃষি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এসিআই মটরস্ - সোনালিকা ট্রাক্টরের দেশব্যাপী ইফতার মাহফিল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে এসিআই মটরস্ - সোনালিকা ট্রাক্টর। এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত দেশের ৩৮টি ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রায় ৫,০০০-এরও অধিক ডিলার, এজেন্ট, গ্রাহক এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

উক্ত ইফতার মাহফিলে কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রাধান্য পায় কোম্পানির সম্মানিত ডিলার, এজেন্ট, গ্রাহকসহ কৃষির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ। অনুষ্ঠানে কোম্পানির বিভিন্ন পণ্য যেমন: ফোটন পিক-আপ, ইয়ানমার হারভেস্টার, ইয়ামাহা মোটরবাইক, সোনালিকা ট্রাক্টর, টায়ার ও স্পেয়ার পার্টস প্রদর্শনের পাশাপাশি ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এই ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে এসিআই মটরস্ তার গ্রাহকদের সঙ্গে সম্প্রীতি ও সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি দেশের নাম্বার ওয়ান ট্রাক্টর সোনালিকার বিভিন্ন নতুন বৈশিষ্ট্য এবং প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে গ্রাহকদের জন্য উন্নত বিক্রয়োত্তর সেবা ও পণ্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ণ রাখার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।


বাংলাদেশের শিল্প ও সমাজ উন্নয়নের অন্যতম ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের অর্থনীতি, শিল্প এবং সমাজসেবায় অনন্য অবদান রাখা অন্যতম প্রতিভাবান শিল্পপতি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী ১২ মার্চ পরিবার, শুভানুধ্যায়ী এবং সহকর্মীদের সান্নিধ্যে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়েছে।

এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের লেদার শিল্পকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের মতো প্রতিষ্ঠান তৈরিতেও তাঁর অবদান অনবদ্য। একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পাশাপাশি তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে যোগাযোগ, নৌপরিবহন পরিবহনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করেন।

অবিভক্ত বাংলার প্রধান বিচারপতি স্যার সৈয়দ নাসিম আলীর সন্তান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী কেবল ব্যবসাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, সানবিমস স্কুল, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মতো অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের উন্নয়নে তিনি নিরলস কাজ করে গেছেন।

তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও অসামান্য অবদান বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী সমাজের কাছে চিরকাল এক অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে। প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতি তাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।


বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া হাসপাতালে শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংকের ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া হাসপাতালে অসহায় গরিব রোগীদের চিকিৎসার্থে এবং হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমকে প্রসারিত করার লক্ষ্যে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, গত ১২ মার্চ ২০২৬ইং তারিখে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-র করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের পক্ষ থেকে উক্ত অনুদানের চেক প্রদান করা হয়। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ডা. এ. কে. এম. একরামুল হোসেন স্বপন-এর নিকট উক্ত অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন।

উক্ত অনুদানের চেক হস্তান্তরকালে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: জাফর ছাদেক, এফসিএ এবং ব্যাংকের জেএভিপি, জনসংযোগ ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান জনাব কে. এম. হারুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতাল একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যা থ্যালাসেমিয়া রোগী ও তাদের অভিভাবকদের দ্বারা গঠিত ও পরিচালিত। থ্যালাসেমিয়া একটি রক্তস্বল্পতাজনিত মারাত্মক বংশগত রোগ। বাবা-মা উভয়ই এই রোগের জিন বহন করলে তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্মানোর সম্ভাবনা থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় সহস্রাধিক শিশু এই রোগে ভুগছে এবং প্রতিবছর ১০-১৫ হাজার শিশু এই রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে।

নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন ও কিছু ব্যয়বহুল ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এই রোগীরা মোটামুটিভাবে বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু এর জন্য প্রতি মাসে ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করতে হয়। অথচ মাত্র অল্প কিছু টাকা ব্যয় করে ‘এইচবি ইলেকট্রোফোরেসিস’ (HB Electrophoresis) পরীক্ষার মাধ্যমে যে কেউ জেনে নিতে পারেন তিনি এই রোগের বাহক কি না। শুধুমাত্র সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একজন বাহকের সাথে অন্য একজন বাহকের বিবাহ বন্ধন রোধ করার মাধ্যমেই থ্যালাসেমিয়া রোগাক্রান্ত সন্তান জন্ম দেওয়া রোধ করা সম্ভব।


ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইবার নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ক্যাসপারস্কির পণ্য  

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য তৈরি গ্লোবাল সাইবার সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কির একাধিক সাইবার সিকিউরিটি পণ্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে গবেষণা ও বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কোয়াড্রেন্ট নলেজ সলিউশন (কিউকেএস)। তাদের প্রকাশিত স্পার্ক ম্যাট্রিক্স প্রতিবেদনে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা বাজারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান মূল্যায়ন করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে ক্যাসপারস্কি এসআইইএম, ক্যাসপারস্কি নেক্সট এক্সডিআর এক্সপার্ট, ক্যাসপারস্কি অ্যান্টি টার্গেটেড অ্যাটাক এবং ক্যাসপারস্কি সিকিউরিটি ফর মেইল সার্ভার। এগুলো মূলত প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে সাইবার হুমকি দ্রুত শনাক্ত করা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিষ্কারভাবে বুঝতে সহায়তা করে। বিশ্লেষকদের মতে, ক্যাসপারস্কি নেক্সট এক্সডিআর এক্সপার্ট বিভিন্ন উৎসের তথ্য একত্র করে সম্ভাব্য সাইবার হামলা সহজে শনাক্ত করতে পারে। অন্যদিকে ক্যাসপারস্কি এসআইইএম বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা সিস্টেম লগ বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের করে আনে। নেটওয়ার্ক সুরক্ষায় ক্যাসপারস্কি অ্যান্টি টার্গেটেড অ্যাটাক রিয়েল-টাইমে সন্দেহজনক আক্রমণ শনাক্ত করতে সক্ষম। পাশাপাশি ইমেইলের মাধ্যমে আসা ফিশিং বা ক্ষতিকর বার্তা থেকে সুরক্ষা দিতে ক্যাসপারস্কি সিকিউরিটি ফর মেইল সার্ভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এছাড়া ক্যাসপারস্কি থ্রেট ইন্টেলিজেন্স, ক্যাসপারস্কি ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (এমডিআর) এবং ক্যাসপারস্কি ইন্সিডেন্ট রেসপন্স পণ্যগুলোকেও প্রতিবেদনে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এমডিআর দ্রুত সতর্কবার্তা প্রদান ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে সক্ষম বলে উল্লেখ করেছে কিউকেএস। পাশাপাশি ইন্সিডেন্ট তদন্ত ও সমাধান ব্যবস্থায় শক্তিশালী সক্ষমতা এবং সাইবার থ্রেট ইন্টেলিজেন্সে বিশেষ দক্ষতার কথাও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

কিউকেএস–এর ইনফরমেশন সিকিউরিটি ও আইটি নেটওয়ার্কিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এন্ড্রু আকেন বলেন,

“ক্যাসপারস্কির সিকিউরিটি প্ল্যাটফর্ম ও পণ্যগুলো হুমকি শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া দেখাতে একটি সমন্বিত পদ্ধতির উদাহরণ। শক্তিশালী টেলিমেট্রি কভারেজ, উন্নত বিশ্লেষণ, এআইভিত্তিক অটোমেশন এবং গভীর থ্রেট ইন্টেলিজেন্স একত্রে ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও স্পষ্ট এবং জটিল সাইবার হুমকির মোকাবিলা দ্রুত ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে সহায়তা করে।”

ক্যাসপারস্কির থ্রেট রিসার্চ বিভাগের প্রধান অ্যালেক্সজান্ডার লিসকিন বলেন, “ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য আমাদের একাধিক পণ্যকে স্বীকৃতি দেওয়ায় আমরা আনন্দিত। এটি আমাদের সমন্বিত সাইবার নিরাপত্তা পোর্টফোলিওর শক্তি এবং উন্নত প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের সমন্বয়ে কার্যকর নিরাপত্তা সমাধান দেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।”

ক্যাসপারস্কির এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আদ্রিয়ান হিয়া বলেন, “ক্যাসপারস্কির এন্টারপ্রাইজ সিকিউরিটি সলিউশনগুলো আবারও কিউকেএস স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা আনন্দিত। এটি আমাদের সমন্বিত সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতার গভীরতা ও কার্যকারিতার একটি শক্ত প্রমাণ। এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো আরও জটিল সাইবার হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বৈশ্বিক থ্রেট ইন্টেলিজেন্স এবং গভীর সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতার সমন্বয়ে আমরা এন্টারপ্রাইজ প্রতিষ্ঠানের জন্য আরও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছি।”


সনি-র‍্যাংগস এর নতুন সাইন-বোর্ড উন্মোচন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সনি-র‍্যাংগস, বাংলামোটরে অবস্থিত তাদের হেড অফিস শোরুমে নতুন সাইন-বোর্ড উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

সনি-র‍্যাংগস-এর সম্মানিত ভাইস চেয়ারপারসন মিসেস সাচিমি হোসেন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর একরাম হোসেন, সনি ইলেকট্রনিক্স রিজিওনাল মার্কেটিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রেসিডেন্ট মিঃ বে জি হুন এবং সনি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ হেড মিঃ যশোয়া কোয়েক যৌথভাবে এই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় সনি-র‍্যাংগস-এর বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, ১৯৮৪ সালে সনি ব্র্যান্ডের অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে সনি পণ্যের সুবিশাল লাইনআপ নিয়ে যাত্রা শুরু করে সনি-র‍্যাংগস। কালের পরিক্রমায় এই লাইনআপে যুক্ত হয়েছে LG, TCL, Kelvinator, Hisense, Whirlpool, DAEWOO, Philips, Panasonic, Zeiss-সহ আরও অনেক বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স পণ্য। প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই গ্রাহকদের জন্য সেরা বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করে আসছে।

বর্তমানে দেশব্যাপী ৭৫টি নিজস্ব শোরুম ও ৬০০টিরও বেশি ডিলার শোরুমের মাধ্যমে সনি-র‍্যাংগস তাদের পণ্য ও সেবা পৌঁছে দিচ্ছে।


ডেইলি স্টার-এর ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল অ্যাওয়ার্ডস-এর টাইটেল স্পন্সর হলো প্রাইম ব্যাংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাফল্যকে স্বীকৃতি জানাতে এবং তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার আয়োজিত ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেলস অ্যাওয়ার্ডস-এর টাইটেল স্পন্সর হলো প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। সম্পতি ঢাকায় দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে এ সম্পর্কিক এক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম. নাজিম এ. চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দ্য ডেইলি স্টারের চিফ বিজনেস অফিসার তাজদিন আহমেদ; চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মিজানুর রহমান এবং প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস সৈয়দ রায়হান তারিকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

‘আজকের তরুণরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা’-প্রাইম ব্যাংকের এই বিশ্বাসের প্রতিফলন এই অংশীদারিত্ব। দেশের অন্যতম সম্মানজনক একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদানের এই প্ল্যাটফর্মকে সমর্থন করার মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক মেধা বিকাশে বিনিয়োগ, তরুণদের স্বপ্নকে লালন এবং তাদের বড় স্বপ্ন দেখতে ও তা বাস্তবায়নে অনুপ্রাণিত করার ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে। আসন্ন আয়োজনটি হবে এই উদ্যোগের ২৫তম আসর- যা দেশের মেধা, অধ্যবসায় এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম. নাজিম এ. চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি একটি দেশের প্রকৃত শক্তি তার তরুণদের স্বপ্ন, শৃঙ্খলা এবং কঠোর পরিশ্রমের মধ্যেই থাকে। এই অ্যাওয়ার্ডস দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দিয়ে আসছে। এই সম্মানজনক আয়োজনের ২৫তম আসরের টাইটেল স্পন্সর হতে পেরে আমরা গর্বিত। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা তরুণদের আরও ভালো করার জন্য অনুপ্রাণিত করতে চাই, নতুন চিন্তা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহ দিতে চাই এবং একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে তাদের এগিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ করতে চাই।’ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রাইম ব্যাংক শিক্ষা, নতুন উদ্যোগ এবং তরুণদের উন্নয়নে কাজ করে আসছে।

একটি প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যাংকটি সবসময়ই তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে। এই অংশীদারিত্ব মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া, তাদের বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করা এবং আত্মবিশ্বাস, জ্ঞান ও সততার সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে তরুণদের এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করার একটি যৌথ উদ্যোগ।


ড্যাব এর উদ্যোগে দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এর উদ্যোগে জাতীয় সংসদের এলডি হল সংলগ্ন মাঠে আজ ১৪ মার্চ ২০২৫ইং তারিখে দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এর মাননীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব ড. এম এ মুহিত, এমপি। সম্মানিত অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, জাতীয় সংসদ এর চীফ হুয়িপ নুরুল ইসলাম মনি, এমপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাব এর সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অল রশীদ। সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সঞ্চালনা করেন ড্যাব এর সম্মানিত মহাসচিব ডা. মোঃ জহিরুল ইসলাম শাকিল। অনুষ্ঠানে ড্যাবের ইফতার মাহফিল উদযাপন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, সদস্য সচিব ডা. রেজা মোঃ সামিউল হাসান (বাবু), বিএমইউ ড্যাবের সম্মানিত সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, বিএমইউ ড্যাবের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, বিএমইউ এর ইউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ডা. মোঃ শাহিদুল হাসান বাবুল, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার-১ ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মোঃ দেলোয়ার হোসেন টিটো প্রমুখসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সম্মানিত সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র চিকিৎসকবৃন্দসহ ড্যাবের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে দুস্থ শিশুদের মাঝে, জুলাই গণঅভ্যুানে আহত জুলাই যোদ্ধা, বিগত ১৭ বছরে যারা গুম, খুনের শিকার হয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এর মাননীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে আর নয় সর্বশান্ত হওয়া। দেশের মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়া হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ তার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা পাবেন, সামার্থ্য অনুযায়ী নয়। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূলভিত্তি ও স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলোতে ২৪ ঘণ্টা এ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলো মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। মেডিক্যাল শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় আধুনিকায়ন করা হবে। চিকিৎসা বর্জ্যরে নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, এমপি বলেন, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী সকলকেই যথাসময়ে অফিসে আসতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলো দালাল মুক্ত করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলো চিকিৎসকসহ কর্মরত অনেকেই যথাসময়ে আসেন না বা অনুপস্থিত থাকেন এই অবস্থার অবশ্যই পরিবর্তন ঘটাতে হবে।


দারাজে কেনাকাটায় ‘লাস্ট মোমেন্ট সেভিংস’ অফার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ঈদুল ফিতর যতই এগিয়ে আসছে, শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা আরও জমজমাট হয়ে উঠেছে। তবে, এরইমধ্যে ঈদ বোনাস অনেকটা খরচ হয়ে যাওয়ায় এই সময়টাতে কেউই এখন আর সবচেয়ে সুন্দর পোশাক কিংবা লেটেস্ট ইলেকট্রনিক গ্যাজেটটির কথা ভাবছেন না। বরং, সাশ্রয়ী দামের ভেতর সর্বোচ্চ উপযোগ বের করে আনাটাই এখন গ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশে চলমান এক্সক্লুসিভ পেমেন্ট পার্টনার অফারগুলোর মাধ্যমে খুব সহজেই এই কেনাকাটা আরো উপভোগ্য করে তোলা সম্ভব

ফ্যাশন, ইলেকট্রনিকস, লাইফস্টাইল এবং এফএমসিজি ক্যাটাগরির পণ্যগুলো কেনার সময় চেকআউটের সময় সঠিক পেমেন্ট মেথডটি বাছাই করার মাধ্যমে ক্রেতারা ‘লাস্ট-মোমেন্ট’ সাশ্রয়ের একটি সুযোগ পেতে পারেন। তাই ঈদ মৌসুমের শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা এবার হয়ে উঠবে আরও সহজ, আরও সাশ্রয়ী।

দারাজের গড়ে তোলা বহুমুখী ফিন্যান্সিয়াল পার্টনারশিপের ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই সর্বোচ্চ সাশ্রয়ের বিষয়টি সম্ভব হচ্ছে। মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহারকারীরাও বেশ দারুণ কিছু সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করলে গ্রাহকরা পাবেন সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা পর্যন্ত ১০% তাৎক্ষণিক ছাড়, আর নগদ ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রতি একজনের জন্য থাকছে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত ১০% ক্যাশব্যাকের সুযোগ।

নির্বাচিত ব্যাংকের কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য ছাড় থাকছে আরও বড় মাত্রায়। দারাজ এবার বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে ১০% ছাড় বা ক্যাশব্যাক সুবিধা দিচ্ছে। সিটি ব্যাংক পিএলসি, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কার্ডধারীরা সর্বোচ্চ ১০% ছাড়ে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পেতে পারেন। অন্যদিকে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি, ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, পূবালী ব্যাংক পিএলসি, সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি ১০% ছাড় দিচ্ছে, যাতে প্রতি কেনাকাটায় ১০০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা যাবে।

এছাড়া, ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি গ্রাহকরা সর্বোচ্চ ৬০০ টাকা পর্যন্ত ১০% ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১০% ক্যাশব্যাক পাবেন। মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি কার্ডধারীরা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১০% ছাড় পেতে পারেন, আর ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি দিচ্ছে সর্বোচ্চ ৬০০ টাকা পর্যন্ত ১০% ছাড়।

যারা বাসাবাড়ির জন্য বড় ধরনের কেনাকাটার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য রয়েছে শিথিলযোগ্য ইএমআই সুবিধা, যা সুদের চাপ ছাড়াই কেনাকাটা সহজ করে। ইবিএল জিপ ইএমআইতে সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাকের পাশাপাশি ১২ মাস পর্যন্ত ০% সুদে ইএমআই সুবিধাও থাকছে। অন্যদিকে, এনআরবি ব্যাংক ইএমআইতে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক এবং ৬ মাস পর্যন্ত ০% সুদে ইএমআই সুবিধা পাওয়া যাবে।

এসব সরাসরি পেমেন্ট সুবিধার বাইরে দারাজ প্ল্যাটফর্মে রয়েছে আরও একটি স্মার্ট সাশ্রয়ী ইকোসিস্টেম, যেখানে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সেভিংস সুবিধা একসঙ্গে ব্যবহার করে আরও বেশি সাশ্রয় করা যায়। সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী মূল্য পেতে ক্রেতারা প্রথমেই দারাজ অ্যাপের ভাউচার সেন্টার ঘুরে আসতে পারেন। এই সুবিধাগুলো অন্যান্য প্রচলিত প্রোমো কোডের মতো নয়, তাই কেনাকাটার সময় সরাসরি সংগ্রহ করা যায়।

গ্রাহকরা এই প্ল্যাটফর্ম থেকে সেলার ভাউচার কিংবা জনপ্রিয় ভাউচার ম্যাক্স অফার ব্রাউজিংয়ের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন। সংগৃহীত ভাউচারগুলো পরবর্তীতে চেকআউটের সময় নিজে থেকেই যোগ হয়ে মূল দাম কমে যায়, এরপর কার্যকর হয় পেমেন্ট পার্টনারের নির্ধারিত ছাড়।

মোট খরচ আরও কমানো যাবে চেকআউট স্ক্রিনে কয়েন অপশন নির্বাচনের মাধ্যমে। এতে ক্রেতারা তাদের জমা হওয়া রিওয়ার্ড কয়েন ব্যবহার করে চূড়ান্ত বিল থেকে সরাসরি ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।

এই এক্সক্লুসিভ অফারগুলোর অনেকগুলোর ক্ষেত্রেই, বিশেষ করে উচ্চমূল্যের ভাউচার ম্যাক্স অফারগুলোতে সময়সীমা ও পণ্যের সংখ্যা উভয়ই সীমিত থাকে। তাই সঠিক সময়ে সঠিক অফার খেয়াল করাটা গুরুত্বপূর্ণ। ক্রেতাদের দারাজের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলোতে নজর রাখতে অনুরোধ করা হচ্ছে। কারণ, এই চ্যানেলগুলোতেই ভাউচারের প্রাপ্যতা ও সময়সূচি সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট দেওয়া হয়।

এবারের ক্যাম্পেইনের আনন্দ আরও বাড়াতে মাস্টারকার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে বাড়তি পুরস্কারের সুযোগ। ক্যাম্পেইন চলাকালীন সর্বোচ্চ খরচকারী শীর্ষ ১০ জন মাস্টারকার্ড ব্যবহারকারী জিতে নিতে পারেন টিভি, এয়ার কন্ডিশনার এবং ওয়াশিং মেশিনের মতো প্রিমিয়াম বেশ কিছু পুরস্কার। দারাজের সঙ্গে ঈদ হোক আরও আনন্দময়, আরও উপভোগ্য।


banner close