মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
১ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রিমিয়ার ব্যাংক এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে চুক্তিপত্র সই

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৩ ০৮:১৩

সম্প্রতি প্রিমিয়ার ব্যাংক এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের মধ্যে একটি চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয়। প্রিমিয়ার ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুদ্দিন চৌধুরী ও নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ন কবীরের উপস্থিতিতে তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

এই চুক্তির আওতায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের গ্রাহকরা জাতীয় পরিচয়পত্রের নতুন ও নবায়ন, হারানো বা নষ্ট হওয়ার কারণে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তি, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন এবং তথ্য-উপাত্ত সংশোধন বাবদ ফি প্রিমিয়ার ব্যাংকের যেকোনো শাখায় এবং অনলাইনে জমা প্রদান করতে পারবেন।

বিষয়:

কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৭৪তম সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
করপোরেট ডেস্ক

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-র পরিচালনা পর্ষদের ৭৪তম সভা সোমবার (১৩ এপ্রিল, ২০২৬) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) এবং কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-র চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির।

পর্ষদ সভার শুরুতেই পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকিরকে কমিউনিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করা হয় এবং এরপর তিনি ৭৪তম সভার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সভায় ব্যাংকের বর্তমান কার্যক্রম পর্যালোচনার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বিনিয়োগ প্রস্তাব এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় বাংলাদেশ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত আইজি (অ্যাডমিন) জনাব এ. কে. এম. আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ফিন্যান্স) জনাব মোঃ আকরাম হোসেন (বিপিএম-সেবা), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) জনাব মোঃ শিবগাত উল্লাহ (বিপিএম-সেবা, পিপিএম), স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজি জনাব সরদার নূরুল আমিন (বিপিএম-সেবা) এবং পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত আইজি ও রেক্টর জনাব কাজী মো. ফজলুল করিম (বিপিএম-সেবা)।

এছাড়াও সভায় অংশগ্রহণ করেন ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) জনাব কামরুল আহসান, অতিরিক্ত ডিআইজি (হাইওয়ে পুলিশ) জনাব মুনতাসিরুল ইসলাম (পিপিএম), বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব আহমদ মুঈদ (বিপিএম-সেবা) এবং ইন্সপেক্টর জনাব কামরুল হাসান তালুকদার। স্বতন্ত্র পরিচালক জনাব সৈয়দ রফিকুল হক ও জনাব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন (এফসিএ) সহ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব কিমিয়া সাদাত এবং কোম্পানি সচিব জনাব সাইফুল আলম (এফসিএস) সভায় উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সভায় উপস্থিত সদস্যরা বিভিন্ন গঠনমূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।


এনসিসি ব্যাংক ও এসএমই ফাউন্ডেশন এর মধ্যে অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের প্রসারে এনসিসি ব্যাংক এবং এসএমই ফাউন্ডেশন দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারের ‘রিভলভিং ফান্ড’-এর আওতায় ক্রেডিট হোলসেলিং এবং জাইকা অর্থায়িত ফুড ভ্যালু চেইন ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের (এফভিসিআইপি) অধীনে এই অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার এবং উইমেন এন্ট্রাপ্রেনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভানেত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়াল। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব ও এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

মূলত দেশের এসএমই খাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করতে সরকার ৩০০ কোটি টাকার একটি ‘রিভলভিং ফান্ড’ গঠন করেছে। এই তহবিলের অধীনে এনসিসি ব্যাংক এখন থেকে যোগ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণ বিতরণ করতে পারবে। অন্যদিকে, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি বা জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত এফভিসিআইপি প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় এনসিসি ব্যাংক এসএমই ফাউন্ডেশন থেকে নির্দিষ্ট ক্রেডিট লিমিট পাবে, যা দিয়ে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী উদ্যোক্তাদের ঋণ সহায়তা প্রদান করা হবে।

আমন্ত্রিত অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগের ফলে একদিকে যেমন নতুন উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, তেমনি দেশের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রান্তিক ও উদীয়মান উদ্যোক্তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে এই চুক্তিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং জাতীয় অর্থনীতিকে আরও মজবুত করবে বলে সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয়।


ইসলামী ব্যাংকের ত্রৈমাসিক ব্যবসায় পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-র ৯টি জোন এবং ৪টি কর্পোরেট শাখার প্রথম প্রান্তিকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়ে এক বিশেষ পর্যালোচনা সভা সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ব্যাংকের অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা ও সার্বিক অগ্রগতি মূল্যায়নের লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়। গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আলতাফ হোসেন সভায় সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসীমসহ উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ এবং প্রধান কার্যালয়ের উর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ৯টি জোনের জোনপ্রধান ও ৪টি কর্পোরেট শাখার প্রধানগণও এই পর্যালোচনায় সশরীরে অংশ নেন। সভায় নতুন বছরের প্রথম তিন মাসের ব্যবসায়িক অর্জন পর্যালোচনার পাশাপাশি আগামীর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিভিন্ন কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।


পূবালী ব্যাংক পিএলসি ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার যৌথ উদ্যোগে কো-ব্র্যান্ডেড ক্রেডিট কার্ডের উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বেসরকারি ব্যাংক পূবালী ব্যাংক পিএলসি এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা কো-ব্র্যান্ডেড ক্রেডিট কার্ডের উদ্বোধন করেছে।

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার মধুমতি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক্সক্লুসিভ এই কার্ড উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার মালিক) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী।

এই চুক্তির অধীনে, ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার সকল এমপ্লয়ি ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা এবং পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র লোগো সম্বলিত কো-ব্র্যান্ডেড ক্রেডিট কার্ড পাবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ পরিচালক অলিভিয়ের ক্লদ লরেন্স, পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চল প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক আবু লাইছ মোঃ শামসুজ্জামান, হেড অব কার্ড বিজনেস ও উপ-মহাব্যবস্থাপক এনএম ফিরোজ কামাল এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল শাখার প্রধান মোঃ শাফায়েত হোসেনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এই উদ্যোগটি গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী আর্থিক সমাধান প্রদান, পেশাজীবী সম্প্রদায়কে শক্তিশালীকরণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রাহক-কেন্দ্রিক ব্যাংকিং পরিষেবা সম্প্রসারণের প্রতি একটি যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।


নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

নারীদের ডিজিটাল ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে এবং তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে দেশের জনপ্রিয় বিউটি সার্ভিস প্রোভাইডার ‘রমণী’-র সাথে অংশীদারিত্ব করেছে ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এ উদ্যোগের মাধ্যমে রমণী’-র নারী সেবাদানকারী কর্মীরা নিজেদের পেশার বাইরে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাবেন।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় ‘রমণী’-র কর্মীরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে ডিজিটাল রিচার্জ বিক্রি করার প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করবেন। রিচার্জ বিক্রি করে কমিশন অর্জনের মাধ্যমে তাঁরা বাংলালিংক পাওয়ার অ্যাপকে নিজের আয়ের অন্যতম প্রধান একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। সম্প্রতি বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় ‘টাইগার্স ডেন’-এ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ–সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক সই হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, রমণীর কর্মীরা অ্যাপের মাধ্যমে রিচার্জসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা দিতে পারবেন। এর পাশাপাশি তাঁরা ডিজিটাল দক্ষতা ও নিরাপদভাবে ডিজিটাল টুল ব্যবহারের প্রয়োজনীয় সক্ষমতাও অর্জন করবেন। উদ্যোগটি তাদেরকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আত্মবিশ্বাসের সাথে কাজ করতে সাহায্য করবে।

বাংলালিংক পাওয়ার অ্যাপটি একটি সামাজিক ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম। এতে কোনো প্রাথমিক খরচ ছাড়াই রিচার্জ বিক্রি করে আয়ের সুযোগ রয়েছে। ব্যবহারকারীরা ডিজিটাল কেওয়াইসি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যাপটির সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন এবং রিয়েল-টাইমে তাদের কমিশন ও রিওয়ার্ড ট্র্যাক করতে পারবেন।

উদ্যোগটি মূল কাজের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের বাস্তবসম্মত সুযোগ তৈরি করছে। বিশেষ করে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও বিশ্বস্ত নারীদের জন্য এটি ডিজিটাল অর্থনীতিতে যুক্ত হওয়ার একটি কার্যকর পথ।

নারী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কেবল ডিজিটাল সচেতনতা বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, ডিজিটাল অর্থনীতিতে দক্ষ ও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণে সহায়তা করাই বাংলালিংকের লক্ষ্য। ‘রমণী’-র সাথে এ অংশিদারিত্ব সেই বৃহত্তর লক্ষ্যের প্রতিফলন।

এ উদ্যোগ সম্পর্কে বাংলালিংকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, “রমণী-র সেবাদানকারী কর্মীদের মতো নারীরা ইতোমধ্যে তাদের নিজ নিজ কমিউনিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। আমরা চাই তারা যেন ডিজিটাল দক্ষতা ও টুলস ব্যবহার করে আরও সাফল্য অর্জন করতে পারেন। ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ তাদের জন্য আয়ের একটি বাস্তবসম্মত সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনা উন্মোচনে আত্মবিশ্বাস জোগাবে।”

রমণী-র সিইও আরমিন জামান খান বলেন, “এই অংশীদারিত্ব আমাদের সেবাদানকারীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে। বাংলালিংক পাওয়ার অ্যাপের প্রযুক্তিগত সহায়তায় তারা নিজেদের সেবার পরিধি বৃদ্ধি করতে পারবেন এবং তাদের প্রাত্যহিক আয় বাড়াতে পারবেন। ডিজিটাল অর্থনীতিতে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো এবং আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ।”

অনুষ্ঠানে বাংলালিংক-এর পক্ষ থেকে সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মুহাম্মদ মেহেদী হাসান, ডিজিটাল রিচার্জ অ্যান্ড অল্টারনেট চ্যানেল ডেপুটি ডিরেক্টর মো. খালেদুল হাসান এবং হেড অব ডিজিটাল রিচার্জ মোহাম্মদ তাহমিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। রমণী-র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সিইও আরমিন জামান খান এবং মার্কেটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার নাশিবা সামারাত।


বিডিবিএল ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিডিবিএল ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেস লিঃ (বিআইএসএল)-এর ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার বেলা ১টা ৩০ মিনিটে বিআইএসএল-এর বোর্ড রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং বিডিবিএল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও জনাব মো. জসিম উদ্দিন। বার্ষিক এই সাধারণ সভায় কোম্পানির বিগত বছরের আর্থিক কার্যক্রম পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক জনাব মো. আব্দুর রউফ, জনাব মোহাম্মদ আমিনুল হক, এফসিএ, জনাব সারমিন সুলতানা, জনাব পারভীন আক্তার এবং জনাব শেখ সারফাত ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সভায় বিআইএসএল-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিচালক, কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার জনাব কামাল উদ্দিন আহমেদ মোল্লা এবং কোম্পানি সচিব জনাব মো. শাহাবুদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভার কার্যক্রম শেষে চেয়ারম্যান মহোদয় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।


এসএমই উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে অর্থায়নের লক্ষ্যে ব্যাংক এশিয়া ও এসএমই ফাউন্ডেশনের চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে অর্থায়নের লক্ষ্যে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি এবং এসএমই (SME) ফাউন্ডেশনের মধ্যে সম্প্রতি দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় উদ্যোক্তারা অত্যন্ত সাশ্রয়ী সুদে ঋণ সুবিধা লাভ করবেন।

চুক্তির শর্তানুযায়ী, এসএমই ফাউন্ডেশনের রিফাইন্যান্স তহবিল থেকে ‘ক্রেডিট হোলসেলিং’ কর্মসূচির আওতায় উদ্যোক্তারা মাত্র ৮ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। এছাড়া জাইকা (JICA)-এর সহায়তায় এবং বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (BIFFL)-এর কর্মসূচির আওতায় কৃষিনির্ভর শিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের উদ্যোক্তারা ৯ শতাংশ সুদে অর্থায়ন সুবিধা পাবেন।

এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও শিল্প সচিব মো. ওবায়দুল রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার।

অনুষ্ঠানে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএনএম মাহফুজ এবং স্মল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ সাইফুদ্দৌলা। এছাড়া এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নাসরীন ফাতেমা আউয়াল, ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম হাসান সাত্তার এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক সুমন চন্দ্র সাহাসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির মাধ্যমে দেশের এসএমই উৎপাদনশীল খাত, বিভিন্ন বিজনেস ক্লাস্টার এবং দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা নারী উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা হবে। এছাড়া কৃষিনির্ভর ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে স্বল্প সুদে বিনিয়োগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশীদার ১১টি ব্যাংক ও ৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরাও উপস্থিত ছিলেন।


শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি'র চুয়াডাঙ্গা জেলায় স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স-২০২৬ আয়োজন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং চুয়াডাঙ্গা জেলায় কর্মরত সকল তফসিলি ব্যাংকের সহযোগিতায় গত ১১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে চুয়াডাঙ্গা জেলা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে 'স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স-২০২৬' অনুষ্ঠিত হয়েছে। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি লিড ব্যাংক হিসেবে বর্ণাঢ্য এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

উক্ত স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক হাসান কাজী তৌফিকুর রহমান এবং উপ-পরিচালক মো. মাহবুব-উল আলম। এছাড়া শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর নারায়ণগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক এস. এম. রাশেদুল করিম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আবু সায়েম। সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন স্কুল থেকে আসা প্রায় দেড় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে আলোচকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করেন এবং সঞ্চয় কীভাবে ভবিষ্যৎ জীবনে একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়ায় তা তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চয়ের মানসিকতা তৈরি করার লক্ষ্যে স্টুডেন্ট ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। ব্যাংকিং খাতে ছাত্র-ছাত্রীদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আমানত বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে আলোচকবৃন্দ তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজনে কুইজ প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানস্থল এক উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং সেবার প্রতি আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি সঞ্চয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।


মার্সেল পণ্য কিনে ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুযোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ঈদুল আজহা বা কোরবানি ঈদ উপলক্ষে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেলের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’। প্রতিবারের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনেও মার্সেল পণ্যের গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। এই ঈদে মার্সেল পণ্য কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুযোগ। এছাড়াও রয়েছে আকর্ষণীয় অঙ্কের ক্যাশব্যাকসহ লক্ষ লক্ষ টাকার নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। চলতি বছরের ঈদুল আজহা পর্যন্ত দেশজুড়ে মার্সেল পণ্য ক্রয়ে এসব সুবিধা পাবেন ক্রেতারা।

সম্প্রতি রাজধানীর মার্সেল কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সিজন-২৪ এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম। সেসময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল, অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ, মার্সেলের হেড অব বিজনেস হোসাইন মো. রুহিন সাব্বির প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, “প্রতিটি বড় উৎসবকে সামনে রেখে মার্সেল সর্বদা ক্রেতাদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পণ্য ক্রয়ে গ্রাহকদের ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পূর্বের মতো মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের এই সিজনও গ্রাহকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে শতভাগ সফল হবে বলে আমি আশাবাদী।”

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ চলাকালীন ক্রেতারা দেশজুড়ে মার্সেল ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন অথবা সিলিং ফ্যান কেনার পর ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের বার কোড দিয়ে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করবেন। এরপর সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড সিস্টেমে মার্সেলের কাছ থেকে ফিরতি এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্রেতাদের ১০ লাখ টাকা, আকর্ষণীয় অঙ্কের ক্যাশব্যাক বা নিশ্চিত উপহার পাওয়ার তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট মার্সেল শোরুম কর্তৃপক্ষ ক্রেতাদের সেসব উপহার বুঝিয়ে দেবেন।

উল্লেখ্য, বিক্রয়োত্তর সেবা কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনতে ‘ডিজিটাল কাস্টমার ডাটাবেজ’ গড়ে তুলছে মার্সেল। সেজন্য দেশব্যাপী মার্সেল পণ্য কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর এবং পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশব্যাপী বিস্তৃত মার্সেলের যেকোনো সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে, সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এই কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় গ্রাহকদের নানা সুবিধা দিয়ে আসছে মার্সেল।


ভিসা ডুয়েল কারেন্সি ডেবিট কার্ড চালু করল জনতা ব্যাংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

গ্রাহকদের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষে ‘ভিসা ডুয়েল কারেন্সি ডেবিট কার্ড’ চালু করেছে জনতা ব্যাংক পিএলসি। গত ১২ এপ্রিল, রোববার এক জমকালো ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন কার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে জনতা ব্যাংকের এই আধুনিক কার্ডটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দেবদুলাল রায়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব ও চিফ ইনোভেশন অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান। অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংকের ডিএমডি কাজী আব্দুর রহমান ও মোঃ ফয়েজ আলম এবং আইসিটি ডিভিশনের জিএম মোহাম্মদ আনিসসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক ও উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভার্চুয়ালি ব্যাংকের সকল কার্যালয় ও শাখা প্রধানগণ এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নাজমা মোবারেক তার বক্তব্যে এই বিশেষ কার্ডের উদ্বোধনকে জনতা ব্যাংকের পথচলায় একটি স্মরণীয় মাইলফলক বলে উল্লেখ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সেবার মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে জনতা ব্যাংকের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে। জনতা ব্যাংকের এই নতুন ভিসা ডুয়েল কারেন্সি ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকরা দেশীয় ব্যবহারের পাশাপাশি পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট সাপেক্ষে বিদেশেও লেনদেন করতে পারবেন। এর মাধ্যমে অনলাইনে কেনাকাটা, দেশি-বিদেশি ফ্লাইট ও হোটেল বুকিং, মোবাইল রিচার্জ এবং ভিসা নেটওয়ার্কভুক্ত যেকোনো এটিএম বুথ থেকে স্থানীয় মুদ্রায় অর্থ উত্তোলনসহ বিভিন্ন ধরনের আধুনিক পেমেন্ট সুবিধা উপভোগ করা যাবে। প্রযুক্তিনির্ভর এই সেবাটি গ্রাহকদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং লেনদেনকে আরও সহজ ও গতিশীল করবে বলে মনে করছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।


ক্রাউন প্লাজা ঢাকায় বৈশাখী মেলা ও খাদ্য উৎসব ‘এসো হে বৈশাখ’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম উৎসব পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে বর্ণিল এক আয়োজন হাতে নিয়েছে ঢাকার এয়ারপোর্ট সংলগ্ন আন্তর্জাতিক হোটেল ক্রাউন প্লাজা। আগামী ১২ এপ্রিল হোটেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে হোটেল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই পর্বের বিশেষ উৎসব। এই আয়োজনে থাকছে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক মেলা ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের সমারোহ নিয়ে খাদ্য উৎসব ‘ঢাকাইয়া রসনা বিলাস’। মূলত দেশীয় ঐতিহ্যের সাথে আধুনিকতার এক অনন্য সমন্বয় ঘটানোই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

আগামী ১৪ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পুরো হোটেল প্রাঙ্গণ সেজে উঠবে বৈশাখী আমেজে। উৎসবের আমেজ বাড়িয়ে দিতে দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে নাগরদোলা ও চু-চু ট্রেনের রাইড। শিশুদের বিনোদনের জন্য থাকছে জাম্পিং ক্যাসেল, বাবল হাউস, ক্যারোজেল এবং বেলুন শ্যুটিংয়ের মতো আকর্ষণীয় ব্যবস্থা। মেলার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে হারানো দিনের বায়োস্কোপ, পুতুলনাচ, জাদুর আসর এবং লোকগানের সরাসরি পরিবেশনা। এছাড়া দর্শনার্থীরা ক্রিয়েটিভ কর্নারগুলো থেকে আলপনা, ফেস পেইন্টিং বা মেহেদি দিয়ে নিজেকে রাঙিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন এবং মেলার স্টলগুলোতে পাবেন রকমারি বৈশাখী খাবার।

উৎসবের দ্বিতীয় পর্বে ভোজনরসিকদের জন্য থাকছে বিশেষ বুফে ব্রাঞ্চ ও ডিনারের আয়োজন ‘ঢাকাইয়া রসনা বিলাস’। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের অনুপ্রেরণায় সাজানো এই মেন্যুতে থাকবে সরিষা ইলিশ, ইলিশ পোলাও, ঐতিহ্যবাহী কাচ্চি, কাবাব এবং কাঠি রোলের মতো জিভে জল আনা সব পদ। মিষ্টিমুখের জন্য নকশি পিঠা, ভাপা পিঠা ও গুড়ের রসগোল্লাসহ হরেক পদের মিষ্টির পাশাপাশি থাকছে বিশেষ চমক ‘আগুন পান’। উৎসবকে আরও আনন্দদায়ক করতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের কার্ডধারীদের জন্য থাকছে ‘১টি কিনলে ৩টি ফ্রি’ আকর্ষণীয় অফার।

এই আয়োজন সম্পর্কে ক্রাউন প্লাজা-এর জেনারেল ম্যানেজার অশ্বিনী নায়ার জানান, ‘এসো হে বৈশাখ’-এর মতো দেশীয় উৎসবের মাধ্যমে তারা স্থানীয় মানুষদের আরও কাছে পেতে চান। আন্তর্জাতিক মানের সেবার পাশাপাশি দেশীয় সংস্কৃতি ও মানুষের আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া ক্রাউন প্লাজার দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যেরই একটি অংশ। বর্ণাঢ্য এই উৎসব সফল করতে সহযোগী হিসেবে কাজ করছে ব্যাংক এশিয়া, এয়ার অ্যাস্ট্রা, স্ন্যাপঅ্যান্ডকিপ, সেভেনআপ, বেলিসিমো এবং টিঙ্কারস টি। পহেলা বৈশাখের এই আনন্দ আয়োজনে পরিবার ও প্রিয়জনদের নিয়ে অংশ নিতে সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।


সামুদা গ্রুপের সাথে ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষর করলো প্রাইম ব্যাংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. সামুদা গ্রুপের সাথে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সমন্বিত ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা প্রদান করবে ব্যাংকটি। সম্প্রতি গুলশানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।

চুক্তির আওতায় সামুদা গ্রুপ প্রাইম ব্যাংকের ওমনিচ্যানেল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্রাইমপে’ ব্যবহার করে সকল ধরনের দেশীয় পেমেন্ট ও ডিসবার্সমেন্ট সম্পন্ন করবে। পাশাপাশি, তাদের বিক্রয় সংগ্রহ ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাংকের সারাদেশব্যাপী শাখা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবে। ব্যাংকের উন্নত এমআইএস রিপোর্টিং ব্যবহারের মাধ্যমে সামুদা গ্রুপের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষ ও স্বচ্ছ হবে।

অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল রহমান এবং কর্পোরেট ও ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিংয়ের এরিয়া হেড সাজিদ রহমান এবং সামুদা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আকরামুজ্জামান এ সম্পর্কিত চুক্তিপত্র বিনিময় করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাইমপে হলো প্রাইম ব্যাংকের একটি আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যা গ্রাহকদের সহজে বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট সম্পন্ন করার সুযোগ দেয় এবং উচ্চমানের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরটিজিএস, বিএফটিএন, ফান্ড ট্রান্সফার, এনপিএসবি, এমএফএস সহ ইলেকট্রনিক ও কাগজভিত্তিক লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। এছাড়াও ডিজিটাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে চেক ও পে-অর্ডার ইস্যু করা যায় এবং গ্রাহকরা সহজেই শুল্ক, কর, ভ্যাট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করতে পারেন।


পূবালী ব্যাংক পিএলসি রেমিট্যান্স সংগ্রহে বিশেষ অবদানের জন্য ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড ফর ব্র্যান্ডিং পদক’ পেল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বৈদেশিক রেমিট্যান্স সংগ্রহে অনবদ্য ভূমিকা রাখায় পূবালী ব্যাংক পিএলসি-কে ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড ফর ব্র্যান্ডিং পদক’ সম্মাননা প্রদান করেছে সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশিস (এনআরবি)। রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর এনআরবি কর্তৃক আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আলীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্টটি তুলে দেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এমপি উপস্থিত ছিলেন।

বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এবং অ্যাওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী। সেন্টার ফর এনআরবি-র চেয়ারম্যান এমএস সেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। মূলত প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বৈধ পথে দেশে আনার ক্ষেত্রে ব্যাংকটির ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদক প্রদান করা হয়েছে।


banner close