শনিবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
১৮ মাঘ ১৪৩২

কোটালীপাড়ার প্রান্তিক কৃষকের হাতে ‘এবি স্মার্ট কৃষিঋণ’

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ৭ জুন, ২০২৩ ০৮:৫৯

এবি ব্যাংক গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ১৫০০-এর অধিক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে কৃষিঋণ বিতরণ করেছে। গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মণি স্মৃতি মিলনায়তনে এ ঋণ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন কোটালীপাড়ার কৃষি কর্মকর্তা নিটুল রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ।


সিঙ্গার বাংলাদেশের আধুনিকায়ন ও রপ্তানি সক্ষমতায় নতুন দিগন্ত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

তুরস্কের কচ হোল্ডিং-এর ফ্ল্যাগশিপ প্রতিষ্ঠান বেকো’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড গত কয়েক বছরে স্থানীয় ভোক্তাদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে এবং উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে বহুমুখী রূপান্তরমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সিঙ্গার বর্তমানে আধুনিক উৎপাদন কারখানা, দেশের প্রথম কনসেপ্ট স্টোর এবং ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালুর মাধ্যমে পণ্য ও সেবার উৎকর্ষতায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে ইউরোপীয় বাজারে রপ্তানি কার্যক্রম শুরুর পাশাপাশি নিজস্ব কারখানায় প্রথমবারের মতো এয়ার কন্ডিশনার উৎপাদন চালু করার গৌরব অর্জন করেছে। নানাবিধ সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও ২০২৫ সালে সিঙ্গার বাংলাদেশ ১৪.৩ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এবং একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির স্থূল মুনাফা বেড়েছে ২১৪ মিলিয়ন টাকা, যা এর টেকসই ভবিষ্যৎ ও প্রবৃদ্ধির বলিষ্ঠ প্রতিফলন।

সিঙ্গার বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে টেকসই লাভ ও প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে, যদিও এই বৃহৎ বিনিয়োগের কারণে বর্তমানে সামান্য আর্থিক চাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের শুরুতে বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে সিঙ্গার এক অত্যাধুনিক হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস কারখানা উদ্বোধন করেছে, যা দেশের শিল্পায়নের ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের ফলে প্রায় ৪,০০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এই কারখানায় স্থানীয় বাজারের জন্য রেফ্রিজারেটর, টেলিভিশন, এয়ার কন্ডিশনার ও ওয়াশিং মেশিনসহ বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সিঙ্গারের মোট উৎপাদনের ৯০ শতাংশের বেশি এখন দেশেই প্রস্তুত হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড তাদের কারখানা থেকে ওয়্যার হারনেস কম্পোনেন্টের প্রথম রপ্তানি চালান সফলভাবে সম্পন্ন করে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই অর্জন কেবল সিঙ্গারের একার নয়, বরং সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতার অগ্রযাত্রাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছে। গত কয়েক বছরে গৃহীত এই কৌশলগত বিনিয়োগ ও পরিকল্পনাগুলো বাজারের পরিবর্তিত চাহিদাকে ধারণ করার পাশাপাশি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিকাশে জোরালো ভূমিকা রাখছে। মূলত তারুণ্যদীপ্ত উদ্ভাবন ও আধুনিক কর্মস্থলের সমন্বয়ে সিঙ্গার বাংলাদেশ এখন একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে যা দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


আইডিআরএ ইন্স্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের বীমা খাতে নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন স্বীকৃতি প্রদান এবং গ্রাহকের আস্থা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) আয়োজিত “IDRA Insurance Excellence Award 2025” প্রদান অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাননীয় জনাব ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব জনাব নাজমা মোবারেক।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আদিবা আহমেদ এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের সভাপতি জনাব বি. এম. ইউসুফ আলী।

উক্ত অনুষ্ঠানে আইডিআরএ’র সদস্য (প্রশাসন) জনাব মো. ফজলুল হক স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় “আইডিআরএ: ইতিবাচক পরিবর্তনের এক যাত্রা” শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

পরে বীমা খাতে নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন বিশেষ অবদান রাখায় নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানদের “IDRA Insurance Excellence Award 2025” প্রদান করা হয়।

অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীগুলোর মাঝে প্রথম স্থান অর্জন করেছে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, তৃতীয় স্থানে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, চতুর্থ স্থানে গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এবং যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, সেনা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

অন্যদিকে লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীগুলোর মাঝে প্রথম স্থান অর্জন করেছে আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (মেটলাইফ)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, তৃতীয় স্থানে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, চতুর্থ স্থানে জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং যৌথভাবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ও গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

অ্যাওয়ার্ড প্রদান পর্বে বক্তব্য রাখেন প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. সৈয়দ সেহাব উল্লাহ আল মনজুর, “শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত বিমান দুর্ঘটনায় মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা। এ ঘটনায় প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসি প্রায় ৩০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করেছে, যেখানে প্রাপ্ত প্রিমিয়ামের পরিমাণ ছিল ১৬ লাখ টাকা। এই পরিশোধের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করেছি—প্রগতি ইন্স্যুরেন্স সবসময় ব্যবসায়ীদের পাশে থেকে সংকটময় সময়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মেটলাইফ বাংলাদেশ-এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মুহাম্মদ আলা উদ্দিন আহমদ, “এই স্বীকৃতি আমাদের সামনে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। সলভেন্সি মার্জিনসহ সব আইন মেনে চলার মাধ্যমে আমরা জাতীয় অর্থনীতিতে আরও ইতিবাচক ও টেকসই অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের সভাপতি জনাব বি. এম. ইউসুফ আলী, বিমা রেজুলেশন আইন ২০২৫ খসরা পাস করার অনুরোধ জানান।

এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আদিবা আহমেদ বলেন,

“এমন স্বীকৃতি অনুষ্ঠান বীমা খাতে উৎকর্ষতা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বকে উৎসাহিত করে এবং শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব জনাব নাজমা মোবারেক বলেন,

“বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ—আইডিআরএ—বিগত বছরগুলোতে নীতিমালা প্রণয়ন, তদারকি শক্তিশালীকরণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। এই ধরনের সম্মাননা উদ্যোগ আইডিআরএ’র সেই প্রচেষ্টারই একটি বাস্তব প্রতিফলন। সরকার চায়, বীমা খাত আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হয়ে উঠুক। সেই লক্ষ্যে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন, দাবি নিষ্পত্তির সময় কমানো এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমেই এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব। সামনে বীমা খাতের ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য আরও একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে তিনি সকল বীমা কোম্পানিকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক কার্যক্রম জোরদার করে জনগণের আস্থা অর্জন করা যায় এবং জাতীয় অর্থনীতিতে আরও কার্যকর অবদান রাখা সম্ভব হয়।”

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান জনাব ড. এম. আসলাম আলম বলেন,

“বীমা খাতকে সংকট থেকে উত্তরণ এবং টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে প্রণীত আইনগুলো দ্রুত কার্যকর করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি, ডিজিটাইজেশন এখন সময়ের দাবি—এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং গ্রাহকদের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি আরও বলেন, বীমা খাতে প্রশিক্ষিত ও পেশাদার জনবলের ঘাটতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কখনও কখনও শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার ঘটনাও আমাদের উদ্বিগ্ন করে। এই খাতে আরও বেশি দক্ষ ও পেশাদার মানবসম্পদ গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বীমা খাতের সব প্রতিষ্ঠানকে একভাবে দেখা উচিত নয়—এখানে অনেক ভালো কোম্পানিও রয়েছে।

চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, এই মূল্যায়ন ও পুরস্কার প্রদান ২০২২–২৩ ও ২০২৩–২৪ অর্থবছরের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে করা হয়েছে, যেখানে প্রিমিয়াম প্রবৃদ্ধি, ক্লেইম সেটেলমেন্ট, ম্যানেজমেন্ট দক্ষতা, ব্যবস্থাপনা ব্যয় এবং টপ ম্যানেজমেন্ট কোয়ালিটিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সূচক বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী ধাপে ২০২৬ সালের হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতেও একই ধরনের মূল্যায়ন করা হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতিবছর শীর্ষ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল—বরং এটি সকলকে আরও ভালো করার জন্য উৎসাহিত করার একটি স্বীকৃতি মাত্র।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাননীয় জনাব ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী, “বাংলাদেশের বীমা খাত দ্রুত পরিবর্তনের পথে হাঁটছে। ডিজিটালাইজেশন, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, অনলাইন পলিসি ইস্যু এবং দ্রুত দাবি নিষ্পত্তি—এসব উদ্যোগ আমাদেরকে ধীরে ধীরে বৈশ্বিক মানের কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে। আজ গ্রাহকরা মোবাইল অ্যাপ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহজেই বীমা সেবা গ্রহণ করতে পারছে, যা সময় ও ব্যয় উভয়ই সাশ্রয় করছে।

উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের পার্থক্য কমাতে হলে আমাদেরকে গ্রাহককেন্দ্রিকতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একইসঙ্গে বীমা পণ্যে উদ্ভাবন, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আইডিআরএ এই ক্ষেত্রে যে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

আমি বিশ্বাস করি, একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সুশাসিত বীমা খাত গড়ে তুলতে পারলে তা দেশের শিল্প, বাণিজ্য, এসএমই, কৃষি এবং সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ তার উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা কেবল অর্জনই নয়, দীর্ঘমেয়াদে তা ধরে রাখতেও সক্ষম হবে।“

আইডিআরএ কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, “IDRA Insurance Excellence Award 2025”–এর আওতায় নির্বাচিত ১৩টি বীমা প্রতিষ্ঠানকে প্রদত্ত এই সম্মাননা বীমা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন, উৎকর্ষতা এবং গ্রাহকআস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হাউজিং লিঃ এর আবাসিক প্রকল্প আশুলিয়া আরবান সিটি'র শুভ উদ্বোধন

আপডেটেড ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
করপোরেট ডেস্ক

প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হাউজিং লিমিটেড-এর আবাসিক প্রকল্প আশুলিয়া আরবান সিটি'র শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের স্বনামধন্য আবাসন প্রতিষ্ঠান প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হাউজিং লিমিটেড-এর এ আবাসন প্রকল্প 'আশুলিয়া আরবান সিটি'-এর শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) বাদ আসর রাজধানীর গুলশান-১-এ অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির কর্পোরেট অফিসে অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধনের পাশাপাশি দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়, যেখানে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং নতুন প্রকল্পটির সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হাউজিং লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তার বক্তব্যে প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "আশুলিয়া আরবান সিটি "আধুনিক নগরজীবনের সকল সুবিধা নিশ্চিত করে একটি পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব আবাসন প্রকল্প হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।"

এছাড়া অনুষ্ঠানে প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন গোলাম মোহাম্মদ আলী, ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সহ উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ,শুবাণুধ্যায় এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও মর্যাদাপূর্ণ হয়ে উঠে।

সর্বশেষ কোম্পানির পক্ষ থেকে দেশের মানুষের জন্য একটি নিশ্চিত আবাসন গড়ার লক্ষ্যে প্রতিশ্রুতি ঘোষনা দেয়া হয়।


নির্মাণ শিল্পে নতুন দিগন্ত: আকিজবশির গ্রুপ ও আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আকিজবশির গ্রুপ এবং প্রথিতযশা আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের বিভিন্ন প্রকল্প এবং তাদের গ্রাহকদের জন্য আকিজবশির গ্রুপের প্রিমিয়াম মানের বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস বা নির্মাণ সামগ্রী সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া আরও সহজতর ও সাশ্রয়ী হবে। গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত করা হয়।

সমঝোতা স্মারকটিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ ফসিউল মাওলা এবং আকিজবশির গ্রুপের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। এই চুক্তির আওতায় আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের অথোরাইজড কর্মকর্তারা ও গ্রাহকরা আকিজবশির গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোর পণ্য, যেমন— আকিজ সিরামিকস, রোসা স্যানিটারি ও বাথওয়্যার, আকিজ বোর্ড, আকিজ ডোর এবং আকিজবশির গ্লাস সরাসরি অর্ডারের পাশাপাশি প্রসেসিং ও ডেলিভারির ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার পাবেন। এছাড়া চুক্তিতে ক্রেডিট সুবিধা, দীর্ঘমেয়াদী ওয়ারেন্টি সাপোর্ট এবং ক্যাটাগরি ভিত্তিক আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট বা ছাড়ের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা উভয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও টেকসই করবে।

অনুষ্ঠানে আকিজবশির গ্রুপের সিওও মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, এই সমঝোতা স্মারকটি কেবল পণ্য সরবরাহের একটি সাধারণ চুক্তি নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ও নির্ভরযোগ্য সহযোগিতার ভিত্তি। এর মাধ্যমে নির্মাণ শিল্পে ক্রেতাদের কাছে আরও উন্নত, আধুনিক ও গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, আনোয়ার ল্যান্ডমার্কের সিইও মোহাম্মদ ফসিউল মাওলা এই অংশীদারিত্বকে পারস্পরিক আস্থার প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, কাঠামোবদ্ধভাবে একসাথে কাজ করার মাধ্যমে তারা তাদের গ্রাহকদের জন্য ধারাবাহিক মানসম্মত সেবা এবং দীর্ঘমেয়াদি মূল্য নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি দেশের নির্মাণ ও আবাসন খাতের জন্য একটি ইতিবাচক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দুই শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের এই সম্মিলিত পদক্ষেপে গ্রাহকরা সাশ্রয়ী মূল্যে প্রিমিয়াম পণ্য ব্যবহারের সুযোগ পাবেন এবং দেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে। এই দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় পক্ষই ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন।


যমুনা ব্যাংকে আইএফআরএস-৯ অনুযায়ী ‘ইসিএল’ বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদন মান (IFRS-9)-এর আওতায় ‘এক্সপেক্টেড ক্রেডিট লস’ (ECL) বাস্তবায়ন বিষয়ে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানস্থ রিলায়্যান্স বিল্ডিংয়ে ব্যাংকের ট্রেনিং একাডেমি প্রাঙ্গণে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। যমুনা ব্যাংকের ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহম্মদ।

প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি পরিচালনা করেন বিশ্বখ্যাত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস (PwC) বাংলাদেশের ম্যানেজার জনাব আব্দুর রহমান। তিনি তার সেশনে আইএফআরএস-৯-এর মৌলিক কাঠামো, ইসিএল মডেলিং এবং ঋণের গুণমান অনুযায়ী বিভিন্ন স্তর বিন্যাস বা স্টেজিং (Stage-1, Stage-2 ও Stage-3) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়া তিনি প্রোবাবিলিটি অফ ডিফল্ট (PD), লস গিভেন ডিফল্ট (LGD), এক্সপোজার অ্যাট ডিফল্ট (EAD) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ইসিএল বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত ও নীতিগত দিকসমূহ অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সামনে উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ আব্দুস সালাম। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও জনাব মোঃ শাহীদুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং হেড অফ হোলসেল ব্যাংকিং ডিভিশন জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারস (PwC) বাংলাদেশের ডিরেক্টর (অ্যাডভাইজরি) সায়েকা মসলেমসহ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ।

কর্মশালাটিতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এবং বিভিন্ন শাখা থেকে মোট ৪১ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। যমুনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই নিবিড় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আইএফআরএস-৯ অনুযায়ী ইসিএল বাস্তবায়নে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা আরও জোরদার হবে। এটি ব্যাংকের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঋণ ঝুঁকি হ্রাসে দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। মূলত বৈশ্বিক ব্যাংকিং মানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের ব্যাংকিং খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষেই যমুনা ব্যাংক নিয়মিত এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।


ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের এনার্জিপ্যাক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি গাজীপুরে অবস্থিত এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি’র শিল্প কারখানা পরিদর্শন করেছেন। অ্যাক্সিলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেন্দেনিং স্কিলস ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন (এএসএসইটি) প্রকল্পের আওতায় তারা এ পরিদর্শনে অংশগ্রহণ করেন।

এই কারখানা পরিদর্শনে ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের মোট ১৩৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। গাজীপুরের জৈনাবাজারে অবস্থিত এনার্জিপ্যাক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে এই পরিদর্শনে শিক্ষার্থীরা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে আধুনিক উৎপাদন প্রক্রিয়া ও শিল্প কার্যক্রম সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা পান।

পরিদর্শনকালে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসির প্রকৌশলীরা শিক্ষার্থীদের উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপ ঘুরে দেখান। এ সময় উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি, মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সংযোজনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও ফলপ্রসূ শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এনার্জিপ্যাকের হিউম্যান ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিএসএ) এবং হেলথ, সেফটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট (এইচএসই) টিম এই পরিদর্শনের আয়োজন করে।

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রোমেকানিক্যাল কোম্পানি হিসেবে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির কাজে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে আসছে।


২০২৫-এ ২০ হাজার কোটি টাকার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

২০২৫ সালে দেশে থাকা প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার কোটি টাকার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ৪১ লাখ বিকাশ অ্যাকাউন্টে এই টাকা গ্রহণ করেছেন প্রবাসীর প্রিয়জনেরা, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় দিগুণ। বৈধপথে নিরাপদে, সবচেয়ে সহজে ও তাৎক্ষণিকভাবে রেমিটেন্স পাঠানোর সুবিধায় এভাবে দিন দিন প্রবাসী ও তার প্রিয়জনের কাছে রেমিট্যান্স প্রেরণ ও গ্রহণের আস্থার মাধ্যম হয়ে উঠছে বিকাশ।

২০২৫ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ - প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, একই সময়ে, এমএফএস-এর মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ বেড়েছে ৯০ শতাংশেরও বেশি। বিকাশ-এর মতো এমএফএস অ্যাকাউন্টে রেমিট্যান্স পাঠানো আরও সহজ ও তাৎক্ষণিক হওয়ায় এই প্ল্যাটফর্মে রেমিট্যান্সের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যহারে বাড়ছে।

বর্তমানে, ১৭০টিরও বেশি দেশ থেকে ১৩৫টি আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) এর মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশে থাকা স্বজনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষনিকভাবে রেমিটেন্স পাঠাতে পারছেন। সেই রেমিটেন্স ২৭টি শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকে সেটেলমেন্ট হয়ে প্রতি হাজারে ২৫ টাকা সরকারি প্রণোদনাসহ নিমেষেই পৌঁছে যাচ্ছে দেশে থাকা প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে।

রেমিট্যান্সের হিসাব রাখার প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হয়েছে ‘রেমিট্যান্স স্টেটমেন্ট’ সেবা। এর ফলে প্রবাসীর স্বজনরা তাদের অ্যাকাউন্টে আসা রেমিটেন্সের হিসাব ও স্টেটমেন্ট নিতে পারছেন প্রয়োজনমতো, যা আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রেও সহায়ক হচ্ছে।

বিকাশ অ্যাকাউন্টে আসা রেমিটেন্স বাড়ির পাশের এজেন্ট পয়েন্টের পাশাপাশি দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ২৫০০ এরও বেশি এটিএম বুথ থেকেও ক্যাশ আউট করতে পারছেন গ্রাহকরা। এটিএম বুথ থেকে হাজারে মাত্র ৭ টাকায় এই সেবা গ্রহণ করছেন প্রবাসীর স্বজনরা।

এছাড়া, বিকাশ অ্যাপ থেকেই চারটি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডিপিএস খোলার সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসীর স্বজনরা। প্রাপ্ত রেমিট্যান্স দিয়ে ইউটিলিটি বিল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি এবং কেনাকাটার পেমেন্টসহ বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের সুবিধাও পাচ্ছেন গ্রাহকরা।


তাসমিয়া কসমেটিকসের বর্ণাঢ্য পরিবেশক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কসমেটিকস ও টয়লেট্রিজ সামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘তাসমিয়া কসমেটিকস অ্যান্ড টয়লেট্রিজ লিমিটেড’ তাদের দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা পরিবেশকদের নিয়ে এক বিশেষ কনফারেন্সের আয়োজন করেছে। আজ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, বুধবার রাজধানীর একটি অভিজাত কনভেনশন হলে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই পরিবেশক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মূলত পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় বিপণন ও কৌশলগত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যেই এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাসমিয়া কসমেটিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাওহীদ আহমেদ। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ফাহমিদা আহমেদ, ডিরেক্টর নাফিসা আহমেদ পারিসা এবং জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. ওবায়দুর রহমান মোল্লাসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শুভানুধ্যায়ীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। কনফারেন্সে সারা দেশ থেকে আগত শত শত পরিবেশকদের সঙ্গে আসন্ন ঈদের বাজার ব্যবস্থাপনা এবং পণ্য সরবরাহ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয় এবং মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে তাদের মূল্যবান পরামর্শ গ্রহণ করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাওহীদ আহমেদ তাঁর বক্তব্যে পরিবেশকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাসমিয়া কসমেটিকস কেবল একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আপনাদের সবার একটি পরিবার। কোম্পানির প্রতিটি উন্নয়ন ও সফল অগ্রযাত্রায় পরিবেশকদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তিনি ভবিষ্যতে এই অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানান, কোম্পানি পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিটি পরিবেশকের অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তাসমিয়া কসমেটিকস এখন কেবল দেশেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিদেশের মাটিতেও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করছে এবং বিভিন্ন দেশে নিয়মিত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। এ সময় তিনি তাসমিয়া পণ্যের ওপর আস্থা রাখার জন্য দেশের আপামর জনসাধারণের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, তাসমিয়া কসমেটিকস অ্যান্ড টয়লেট্রিজের পণ্য তালিকায় রয়েছে জনপ্রিয় সব ব্র্যান্ড। এর মধ্যে স্মার্ট সিনথেটিক কালার পেস্ট মেহেদি, স্মার্ট কাশ্মীরি কালার কোন মেহেদি, স্মার্ট সিনথেটিক কোন মেহেদি, স্মার্ট পাওয়ার ডিস ওয়াশিং বার এবং ররি ডিটারজেন্টসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী বাজারে বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। আধুনিক মান ও গুণগত বৈশিষ্ট্যের কারণে এসব পণ্য বর্তমানে দেশের বড় বড় শপিং সেন্টার, মেগা শপ থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের দোকানগুলোতেও সহজলভ্য। সম্মেলনের শেষে পরিবেশকদের উৎসাহ প্রদানে বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। মূলত আসন্ন উৎসবের মৌসুমে গ্রাহকদের হাতে সেরা পণ্য পৌঁছে দেওয়াই এই সম্মেলনের মূল সার্থকতা হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ।


হায়ার বাংলাদেশের জাঁকজমকপূর্ণ পার্টনার কনভেনশন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বের এক নম্বর হোম অ্যাপ্লায়েন্স ব্র্যান্ড হায়ার বাংলাদেশে তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক পার্টনার কনভেনশন অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে সম্পন্ন করেছে। গত ২৭ জানুয়ারি ঢাকার একটি অভিজাত ভেন্যুতে ‘প্লে উইথ দ্য নাম্বার ওয়ানস’ থিমকে সামনে রেখে এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। টানা ১৭ বছর ধরে বৈশ্বিক বাজারে শীর্ষস্থানে থাকা এই ব্র্যান্ডটির আয়োজনে সারা দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিস্ট্রিবিউটর, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন। এবারের সম্মেলনে হায়ার তাদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ২০২৬ সালের জন্য নির্ধারিত কৌশলগত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে।

কনভেনশনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশের বাজারে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নতুন ধারার কিছু যুগান্তকারী পণ্য উন্মোচন। এসব উদ্ভাবন প্রযুক্তিখাতে হায়ারের একচ্ছত্র আধিপত্যকে আবারও জোরালোভাবে প্রমাণ করেছে। উন্মোচিত পণ্যগুলোর মধ্যে সবার নজর কেড়েছে দেশের প্রথম ফেব্রিক ফিনিশ এবং উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ ‘গ্রাভিটি সিরিজ’ এসি। এ ছাড়া বিনোদন জগৎকে নতুন মাত্রা দিতে হায়ার নিয়ে এসেছে ১০০ ইঞ্চির অতিকায় কিউডি-মিনি এলইডি টিভি, যা দর্শকদের বিশাল পর্দায় ইমারসিভ ভিউয়িংয়ের এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা দেবে। লন্ড্রি সেগমেন্টে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিনটি ড্রাম সম্বলিত ‘থ্রি-ড্রাম’ ওয়াশিং মেশিন প্রদর্শন করা হয়। এর পাশাপাশি আল্ট্রা ফ্রেশ এয়ার টেকনোলজি এবং ফুল-টাচ কালারফুল ডিসপ্লে প্যানেল যুক্ত প্রিমিয়াম ডিজাইনের স্মার্ট ইন্টারঅ্যাকশন ওয়াশিং মেশিনটিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার বিশেষ প্রশংসা কুড়ায়।

অনুষ্ঠানে হায়ার বাংলাদেশ তাদের ২০২৬ সালের জন্য সুনির্দিষ্ট একটি কৌশলগত রোডম্যাপ উপস্থাপন করে। এই পরিকল্পনায় আধুনিক উদ্ভাবন, প্রিমিয়াম পণ্যের উন্নয়ন এবং দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা পার্টনার নেটওয়ার্কের সাথে সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কনভেনশন শেষে উপস্থিত ডিলার ও অংশীদারদের মধ্যে ইন্ডাস্ট্রি-লিডিং এসব আধুনিক পণ্য এবং সুনির্দিষ্ট প্রবৃদ্ধির কৌশল নিয়ে এক নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে হায়ার বাংলাদেশ স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, গুণগত মান এবং যুগান্তকারী প্রযুক্তির সমন্বয়ে তারা আগামী দিনে দেশের হোম অ্যাপ্লায়েন্স মার্কেটে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করতে এবং গ্রাহক চাহিদার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে বদ্ধপরিকর।


নতুন হলিডে ক্যাম্পেইনে নিশ্চিত পুরষ্কারসহ বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে মিতসুবিশি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রাহকদের লাইফস্টাইল ও ভ্রমণ অভিজ্ঞতা আরও উপভোগ্য করতে মিতসুবিশি মোটরস বাংলাদেশ নতুন হলিডে ক্যাম্পেইন ‘ফ্রম ইগনিশন টু ড্রিম ডেস্টিনেশন’ শুরু করেছে। ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ক্যাম্পেইনটি আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এর আওতায়, প্রতিটি নিশ্চিত বুকিংয়ের সঙ্গে গ্রাহকরা লাইফস্টাইল ভাউচারসহ প্রিমিয়াম ইলেকট্রনিকস পণ্য, দেশে বিদেশ অবকাশ যাপন ও ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে, দেশের যেকোন মিতসুবিশি অনুমোদিত শোরুম থেকে মিতসুবিশি এক্সপ্যান্ডার, এক্সপ্যান্ডার ক্রস, আউটল্যান্ডার স্পোর্ট, এক্লিপস ক্রস এবং আসন্ন মিতসুবিশি ডেস্টিনেটর মডেলটি বুকিং করতে হবে। গাড়ি ডেলিভারির পর গ্রাহকরা নিশ্চিত গিফট ভাউচার এবং প্রতিটি সাপ্তাহিক র‍্যাফেল ড্র-তে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

র‍্যাফেল ড্র-এর পুরস্কার তালিকার গ্র্যান্ড প্রাইজ হিসেবে থাকবে ঢাকা-টোকিও-ঢাকা ভ্রমণের সুযোগ। আরও থাকবে; কুয়ালালামপুরে ভ্রমণ, কক্সবাজারে অবকাশ যাপন, র‍্যানকন গুগল টিভিসহ বিভিন্ন প্রিমিয়াম ইলেকট্রনিকস পণ্য এবং প্রতিটি নিশ্চিত বুকিংয়ের সঙ্গে ১০,০০০ টাকা মূল্যের লাইফস্টাইল ও ট্রাভেল ভাউচার জেতার সুযোগ। মিতসুবিশি মোটরস বাংলাদেশ-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ ও শোরুমগুলোতে নিয়মিত সাপ্তাহিক বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

ক্যাম্পেইন সম্পর্কে মিতসুবিশি মোটরস বাংলাদেশ-এর হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ ফাহিম হোসেন বলেন, “নতুন বছর মানেই নতুন শুরুর সময়। ফ্রম ইগনিশন টু ড্রিম ডেস্টিনেশন’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা শুধু একটি গাড়ি কেনার অভিজ্ঞতা নয়, বরং গ্রাহকদের ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা প্রদানের চেষ্টা করছি। নিশ্চিত লাইফস্টাইল ভাউচার থেকে শুরু করে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রাহকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।”

মিতসুবিশি মোটরস বাংলাদেশ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুইদুর রহমান তানভীর বলেন, “মিতসুবিশি মোটরস বাংলাদেশ গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় বরাবরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। তারই ধারাবাহিকতায়, ‘ফ্রম ইগনিশন টু ড্রিম ডেস্টিনেশন’ ক্যাম্পেইনের সূচনা, যেখানে গ্রাহকদের জন্য আমরা ও আমাদের পার্টনার ব্র্যান্ডস মিলে আকর্ষণীয় সব অফার দিচ্ছি। এটি আমাদের গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর একটি বিশেষ প্রয়াস।”

এই ক্যাম্পেইনের ট্রাভেল পার্টনার শেয়ারট্রিপ এবং লাইফস্টাইল পার্টনার র‍্যানকন ইলেকট্রনিকস ও র‍্যাংগস ই-মার্ট। এছাড়া, ব্যাংকিং পার্টনার হিসেবে থাকছে ব্যাংক এশিয়া এবং ঢাকা ব্যাংক, যেখানে গ্রাহকরা স্পেশাল ইন্টারেস্ট রেট, প্রসেসিং ফি-তে বিশেষ ছাড়, দ্রুত ঋণ অনুমোদনসহ অতিরিক্ত ব্যাংকিং সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।


২০২৫ সালে ৫৪৩ কোটি টাকারও বেশি বিমা দাবি নিষ্পত্তি করল গার্ডিয়ান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আর্থিক সক্ষমতা ও গ্রাহক প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোট ২ লাখ ২৫ হাজার ২৫৪টি বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে, টাকার অংকে যার মোট পরিমাণ ৫৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

নিষ্পত্তিকৃত দাবির মধ্যে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৯৯টি মৃত্যু দাবির বিপরীতে ২৯৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এটি শোকাহত পরিবারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সহায়তা হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়া, ১ লাখ ৫ হাজার ৫২৪টি স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা দাবির বিপরীতে ২১৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং পলিসি মেয়াদপূর্তি ও অন্যান্য দাবিতে ৩২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়।

২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে দাবি নিষ্পত্তির পরিমাণ ও সংখ্যা, উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৪ সালে যেখানে গার্ডিয়ান ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি দাবি নিষ্পত্তি করে ৪৩৯ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল, সেখানে ২০২৫ সালে দাবি নিষ্পত্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ২৫ হাজার ২৫৪টিতে, আর মোট পরিশোধিত অর্থের পরিমাণ পৌঁছায় ৫৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকায়।

এই ধারাবাহিক বার্ষিক প্রবৃদ্ধি গার্ডিয়ানের কার্যকর পরিচালন দক্ষতার প্রতিফলন। এই ধারাবাহিকতা দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ও আর্থিকভাবে স্থিতিশীল লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে এর অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে।

এ বিষয়ে গার্ডিয়ানের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ বলেন, “আমরা প্রতিটি দাবি নিষ্পত্তির মাধ্যমে একটি করে প্রতিশ্রুতি পূরণ করি। গ্রাহকদের সবচেয়ে প্রয়োজনের সময় তাদের পাশে দাঁড়ানোই গার্ডিয়ানের মূল অঙ্গীকার। স্বচ্ছতার সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেবা দেয়ার মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা অর্জন ও তা ধরে রাখাই আমাদের কার্যক্রমের মূল কেন্দ্রবিন্দু।”

বর্তমানে, গার্ডিয়ান দেশের ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষের জন্য বিমা সুরক্ষা নিশ্চিত করছে এবং ৫০০-এর বেশি করপোরেট গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির সেবাকে আরও শক্তিশালী করতে দেশজুড়ে এর ৪৫০টিরও বেশি অংশীদার হাসপাতাল রয়েছে। এছাড়াও, গ্রাহকেরা ২৪ ঘণ্টা সহায়তা পেতে সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন ১৬৬২২-এ যোগাযোগ করতে পারেন।

শক্তিশালী বিমা দাবি নিষ্পত্তির রেকর্ড এবং দেশজুড়ে সেবার পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশের বিমা খাতে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করে চলেছে। এর ফলে দেশের লক্ষ লক্ষ পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর্থিক নিরাপত্তা লাভ করছে।


হপ লুনের অনন্য উদ্যোগ: ২০ হাজার কর্মীর বার্ষিক পিকনিক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিদিনের মেশিনের শব্দ আর কারখানার একঘেয়ে কর্মব্যস্ত জীবনের বাইরে কর্মীদের মানসিক প্রশান্তি দিতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে হপ লুন। তৈরি পোশাক খাতের এই প্রতিষ্ঠানটি তাদের ২০ হাজারেরও বেশি কর্মীর জন্য আয়োজন করেছে জাঁকজমকপূর্ণ বার্ষিক পিকনিক। নিছক বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে কর্মীদের মানসিক সতেজতা ও সমতাকে গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছিল এই কয়েকদিনব্যাপী আনন্দ উৎসব।

হপ লুনের আটটি কারখানার বিপুল সংখ্যক কর্মীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই আয়োজনটি ছিল ‘মাল্টি-ডে’ বা একাধিক দিনে বিভক্ত। জানুয়ারি মাসজুড়ে বিভিন্ন ধাপে ঢাকা ইপিজেড, লিনটাস, ফ্যাশন, পিওয়াই গার্মেন্টস, ব্র্যান্ডস ও ইনটিমেট ইউনিটের কর্মীদের নিয়ে ফ্যান্টাসি কিংডম, গার্ডেন পার্ক এবং ব্লু ওয়াটার পার্কের মতো দর্শনীয় স্থানগুলোতে এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই উৎসবে কর্মীদের যাতায়াত থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়া ও বিনোদনের সব ব্যয় বহন করে হপ লুন কর্তৃপক্ষ।

পিকনিকের মাঠে পা রাখতেই কারখানার গণ্ডিবদ্ধ পরিবেশ ভুলে কর্মীরা মেতে ওঠেন বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে। গান, নাচ, ফ্যাশন শো আর খেলাধুলার পাশাপাশি সহকর্মীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন তারা। এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল পদমর্যাদার ভেদাভেদ ভুলে সবার এক কাতারে শামিল হওয়া। প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহী থেকে শুরু করে সাধারণ মেশিন অপারেটর—সবাই একসঙ্গে খাবার খেয়েছেন ও খেলায় অংশ নিয়েছেন, যা কর্মক্ষেত্রে পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ককে আরও গভীর করেছে।

হপ লুন বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি হেড নিশান্তা মোহত্তিজ বলেন, কর্মীদের মানসিক প্রশান্তি ও আনন্দই দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসার সাফল্যের মূল ভিত্তি। এই পিকনিক তাদের মানবকেন্দ্রিক সংস্কৃতি ও দর্শনেরই প্রতিফলন, যার মাধ্যমে তারা তৈরি পোশাক খাতে কর্মীবান্ধব পরিবেশের একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করার চেষ্টা করছেন।

অন্যদিকে কর্মীদের কণ্ঠেও শোনা গেছে স্বস্তির সুর। হপ লুন অ্যাপারেল লিমিটেডের সিনিয়র অপারেটর সাবিনা আক্তার জানান, সারা বছর কাজের চাপের পর এই পিকনিক তাদের জন্য মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ করে দেয়। পরিবার ও সহকর্মীদের নিয়ে কাটানো এই আনন্দঘন মুহূর্তগুলো তাদের কাজের ক্লান্তি দূর করে এবং নতুন উদ্যমে কাজ করার সাহস যোগায়।

মূলত, বিশ্রাম ও আনন্দ যে কোনো বিলাসিতা নয়, বরং কর্মীদের প্রতি যত্ন নেওয়াই যে টেকসই উৎপাদনশীলতার চাবিকাঠি—হপ লুনের এই বার্ষিক আয়োজন তারই প্রমাণ। মেশিনের চাকার পেছনে থাকা মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটানোর এই উদ্যোগ শিল্প ব্যবস্থাপনায় মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের আস্থা পুনর্গঠনে অংশীদারদের সম্মাননা: সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরস্থ মিরাজ কনভেনশন সেন্টারে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোগে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ব্যাংকের আস্থা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী সম্মানিত অংশীজন ও শুভার্থীদের সম্মাননা জানানো হয়। ব্যাংকের চরম দুঃসময়ে পাশে থাকার এবং হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জনাব মো. মজিবুর রহমান। এছাড়া ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ড. সুমন্ত কুমার সাহা এবং যুগ্ম পরিচালক জনাব এনামুল হক ও রাসেল মাহমুদ। বিপুল সংখ্যক বিনিয়োগকারী, আমানতকারী এবং শুভার্থীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. সুমন্ত কুমার সাহা, জনাব মো. কামাল হোসেন, জনাব আব্দুল মতিন শহীদ, মো. বেল্লাল হোসেন, রোটারিয়ান মো. নুরুল ইসলাম উজ্জ্বল, শামীমা সুলতানা রেক্সোনা, শারমীন খানম এবং এম. নুরুল হুদাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ব্যাংকের বর্তমান অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। বক্তারা ব্যাংকের প্রতি তাদের অবিচল আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ভবিষ্যতে ব্যাংকের কার্যক্রমে, বিশেষ করে আমানত বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রধান অতিথি জনাব মো. মজিবুর রহমান তার বক্তব্যে ব্যাংকের ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনের কারিগরদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ব্যাংকের চরম সংকটময় মুহূর্তে যারা পাশে থেকে ব্যাংকটিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছেন, তারা আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্জাগরণে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের এই সমর্থন ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে স্বপ্ন জাগাতে সহায়তা করেছে। ভবিষ্যতে ব্যাংকের সমৃদ্ধি এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নে এই অংশীদারিত্ব অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


banner close