ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চট্টগ্রাম নর্থ, সাউথ, কুমিল্লা এবং নোয়াখালী জোনের উদ্যোগে ব্যাংকিং কার্যক্রমে শরিয়াহ পরিপালন শীর্ষক ওয়েবিনার গত শনিবার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোলায়মান ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি এবং অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যাংকের শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি ছাঈদ আহমদ। মূল বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন শরিয়াহ সেক্রেটারিয়েটের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শামসুদ্দোহা। চট্টগ্রাম সাউথ জোনপ্রধান মিয়া মো. বরকত উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম নর্থ জোনপ্রধান মুহাম্মদ নুরুল হোসাইন কাউসার।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি রেকিট বেনকিজার বাংলাদেশ পিএলসি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ হাজার ৭৩০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা ১৭৩ টাকা লভ্যাংশ পাবেন। রোববার (৩ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ প্রকাশের পাশাপাশি এই লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়।
কোম্পানিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার লভ্যাংশের হার গত বছরের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এর আগের অর্থাৎ ২০২৪ হিসাব বছরে রেকিট বেনকিজার তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ৩ হাজার ৩০০ শতাংশ বা শেয়ারপ্রতি ৩৩০ টাকা নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছিল। যদিও গত বছরের তুলনায় এবার লভ্যাংশের পরিমাণ কমেছে, তবুও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে বড় অংকের লভ্যাংশ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি তাদের শীর্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭২ টাকা ৯৩ পয়সা। গত ২০২৪ হিসাব বছরে তাদের ইপিএস ছিল ১৫৯ টাকা ১৭ পয়সা। অর্থাৎ বার্ষিক আয়ের ক্ষেত্রে কোম্পানিটি গত বছরের চেয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ ছাড়া ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮৭ টাকা ৫৮ পয়সায়। ঘোষিত এই লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটি শীঘ্রই বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) সময়সূচি ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করবে।
বার্ষিক প্রতিবেদনের পাশাপাশি চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে রেকিট বেনকিজার। বছরের প্রথম তিন মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২৩ টাকা ২৬ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩২ টাকা ৪৫ পয়সা। অর্থাৎ বছরের শুরুতেই কোম্পানিটির মুনাফায় কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে চলতি বছরের ৩১ মার্চ শেষে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ২১০ টাকা ৮৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের জন্য এমন বড় অংকের লভ্যাংশ ঘোষণা রেকিট বেনকিজারের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতারই পরিচয় দেয়। বহুজাতিক এই কোম্পানিটি নিয়মিতভাবে তাদের লভ্যাংশের একটি বড় অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বণ্টন করে থাকে। প্রথম প্রান্তিকে মুনাফা কিছুটা কমলেও সামগ্রিক বার্ষিক আয় এবং সম্পদমূল্য বৃদ্ধির তথ্য বিনিয়োগকারীদের মাঝে কোম্পানিটি সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করেছে। এখন চূড়ান্ত লভ্যাংশ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা।
জনতা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান রোববার (৩ মে) ১৫ কর্মদিবস ব্যাপী একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। জনতা ব্যাংক স্টাফ কলেজ ঢাকা কর্তৃক আয়োজিত এই কোর্সটির শিরোনাম ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ এন্ড ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফিন্যান্স (ব্যাচ ০১/২৬)’। পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি রাজধানীর জনতা ব্যাংক স্টাফ কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সম্পন্ন হয়।
এই উচ্চতর প্রশিক্ষণ কোর্সে জনতা ব্যাংকের দেশের বিভিন্ন শাখা থেকে নির্বাচিত ২৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন। দীর্ঘ ১৫ দিনের এই কর্মসূচিতে কর্মকর্তাদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কারিগরি ও আইনি দিকগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংক স্টাফ কলেজের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) ও স্টাফ কলেজ ইনচার্জসহ ব্যাংকের অন্যান্য উর্ধ্বতন নির্বাহী এবং অভিজ্ঞ অনুষদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী ভাষণে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান বৈদেশিক বাণিজ্য ব্যবসায় জনতা ব্যাংকের দীর্ঘদিনের গৌরবময় ও বলিষ্ঠ ভূমিকার কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন। তিনি কর্মকর্তাদের ব্যাংকটির সেই ঐতিহ্য বজায় রেখে আধুনিক বিশ্ব ও পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে নিপুণভাবে বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনা করার পরামর্শ দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক ও মানসম্মত প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শতভাগ সক্ষম করে তোলা সম্ভব।
এমডি তাঁর বক্তব্যে ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্য ব্যবসা আরও গতিশীল ও সম্প্রসারণের জন্য কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, বৈদেশিক বাণিজ্য বা ফরেন ট্রেড ব্যবসা ব্যাংকের জন্য ‘নন-ইন্টারেস্ট আয়’ বা সার্ভিস চার্জ ভিত্তিক আয় বৃদ্ধির অন্যতম বড় এবং কার্যকর একটি মাধ্যম। এই খাত থেকে অর্জিত আয় ব্যাংকের সামগ্রিক আর্থিক ভিত্তি ও মূলধন শক্তিশালী করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে বলে তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অর্থায়ন ও ফরেন এক্সচেঞ্জ সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো আরও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সমাধান করতে পারবেন বলে আশা করছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়া মূলত ব্যাংকের গ্রাহকসেবার মান উন্নত করা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। জনতা ব্যাংক নিয়মিতভাবে কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব ও উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে এমন নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করে থাকে।
দেশের অন্যতম বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিয়ে আসছে ‘৫.৫ ঈদ সেল’ নামক এক বিশাল মেগা ক্যাম্পেইন। আগামী ৪ মে রাত ৮টা থেকে শুরু হয়ে এই বিশেষ আয়োজনটি চলবে ২৬ মে ২০২৬ পর্যন্ত। উৎসবের আমেজকে আরও রঙিন করতে এই দীর্ঘ সময়জুড়ে গ্রাহকরা সাশ্রয়ী দামে কেনাকাটার পাশাপাশি বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ পাবেন। ফ্যাশন, ইলেকট্রনিক্স, জীবনযাত্রা ও গৃহস্থালি পণ্যসহ সব ক্যাটাগরিতে এক অনন্য অনলাইন শপিং অভিজ্ঞতা দিতেই দারাজ এই বর্ণাঢ্য আয়োজনটি সাজিয়েছে।
এবারের ঈদ ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে নজিরবিহীন মূল্যছাড়ের সমাহার। মেগা ডিল এবং ফ্ল্যাশ সেলসের আওতায় বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের পণ্যে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করা যাবে। পাশাপাশি ‘হট ডিলস’ বিভাগে থাকছে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট সুবিধা। কেনাকাটাকে আরও সহজলভ্য করতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি এবং সাইটজুড়ে আকর্ষণীয় ডেলিভারি ডিসকাউন্ট অফার করা হচ্ছে। এ ছাড়াও দারাজ তাদের ‘এভরিডে লো প্রাইস’ চ্যানেলের মাধ্যমে সারা মাস অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করবে, যেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক পণ্য কিনলে মিলবে বান্ডেল ডিল ও বিশেষ উপহার।
৫.৫ ঈদ সেলের সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে থাকছে কোরবানির গরু ও ছাগল জেতার এক ব্যতিক্রমী সুযোগ। ‘জিতছেন ভাই’ নামক গিভঅ্যাওয়ের মাধ্যমে ন্যূনতম মূল্যের কেনাকাটা ও সর্বোচ্চ সফল ডেলিভারির ভিত্তিতে ভাগ্যবান বিজয়ী পাবেন একটি গরু। একইভাবে ‘শপ অ্যান্ড উইন’ অফারের আওতায় নির্ধারিত আটটি স্পন্সর স্টোর থেকে কেনাকাটা করে ৮ জন বিজয়ী ছাগল জেতার সুযোগ পাবেন। ক্যাম্পেইন শুরুর আগে ৪ মে রাত ৮টা পর্যন্ত ‘অ্যাড টু কার্ট’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এসি জেতার সুযোগও রাখা হয়েছে। গ্রাহকদের উৎসাহ বাড়াতে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের ওপর ‘ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার’ বা বিশেষ ৬ ঘণ্টার এক্সক্লুসিভ ছাড়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।
এই বৃহৎ আয়োজনকে সফল করতে দারাজের সাথে যুক্ত হয়েছে দেশের নামী সব ব্র্যান্ড ও ব্যাংক। ডেটল, ইউনিলিভার, হিমালয়া এবং হায়ার বাংলাদেশ এই ক্যাম্পেইনের প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে রয়েছে। পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে বিকাশ ও নগদ ব্যবহারকারীরা যথাক্রমে ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক ও লংকাবাংলাসহ ১০টিরও বেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্ডধারীরা ১২ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এমনকি মাস্টারকার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য সর্বোচ্চ কেনাকাটার ভিত্তিতে টিভি, এসি ও রেফ্রিজারেটর জেতার মতো আকর্ষণীয় রিওয়ার্ড ও শূন্য শতাংশ সুদে কিস্তি সুবিধাও প্রদান করা হচ্ছে।
ঈদের প্রস্তুতিকে সাশ্রয়ী ও আনন্দময় করতে দারাজ বাংলাদেশের এই মেগা সেল সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। গ্রাহকরা সরাসরি দারাজ অ্যাপ বা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতিদিনের নতুন সব ডিল ও গিভঅ্যাওয়ে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত লজিস্টিক সেবার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন কেনাকাটা নিশ্চিত করতে দারাজ কর্তৃপক্ষ সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। বিশাল ডিসকাউন্ট আর বিরল সব পুরস্কারের এই মেলবন্ধন এবারের ঈদ শপিংকে সাধারণ মানুষের জন্য আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেড এবং অন-ডিমান্ড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডি-এর মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে গ্রামীণ হেলথটেকের ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবার কারিগরি সক্ষমতা এবং ফুডির শক্তিশালী লাস্ট-মাইল ডেলিভারি নেটওয়ার্ক একীভূত হলো। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সেবার মাধ্যমে ঢাকাবাসীর জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরণের স্বাস্থ্যপণ্য ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সহজলভ্য করা।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গ্রামীণ হেলথটেকের সিইও ড. আহমেদ আরমান সিদ্দিকী এই উদ্যোগকে নগর স্বাস্থ্যসেবার দীর্ঘদিনের শূন্যতা পূরণে একটি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি জানান, ডিজিটাল অর্ডারিং ও দ্রুত ডেলিভারির নিখুঁত সমন্বয়ের ফলে এখন থেকে ওষুধ পেতে আর দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে না, যা নাগরিক জীবনে বড় স্বস্তি বয়ে আনবে। একই সাথে ফুডির সিইও শাহনেওয়াজ মান্নান আশা প্রকাশ করেন যে, তাঁদের পরিচিত অ্যাপভিত্তিক ইন্টারফেসের মাধ্যমে ওষুধ সংগ্রহের পুরো প্রক্রিয়াটি গ্রাহকদের জন্য অনেক বেশি সহজ ও গতিশীল হবে।
নতুন এই সেবার আওতায় ‘সুখী’ অনলাইন হেলথস্টোর প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্ডার করা ওষুধ সর্বোচ্চ এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকার গুলশান ১ ও ২, বনানী, বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোন, তেজগাঁও, নিকেতন, বাড্ডা, নাখালপাড়া এবং মহাখালী এলাকার বাসিন্দারা এই জরুরি সেবাটি উপভোগ করতে পারবেন। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে যে, খুব শীঘ্রই উত্তরার বাসিন্দাদেরও এই নিরবচ্ছিন্ন ও দ্রুততম ডেলিভারি সেবার আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
গ্রাহকরা চাইলে সরাসরি ফুডি অ্যাপের মাধ্যমেও তাঁদের প্রয়োজনীয় পণ্য অর্ডার করতে পারবেন, যেখানে গ্রামীণ হেলথটেকের ‘সুখী’ উত্তরা মডেল ফার্মেসি এবং সেন্ট্রাল ওয়্যারহাউজের বিশাল পণ্য ভাণ্ডার যুক্ত করা হয়েছে। সেন্ট্রাল ওয়্যারহাউজ থেকে মূলত সাধারণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা বা ওটিসি পণ্য এবং উত্তরা মডেল ফার্মেসি থেকে সব ধরণের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ সরবরাহ করা হবে। এর ফলে ওষুধের মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গ্রাহকদের মনে আর কোনো সংশয় থাকবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা।
গ্রামীণ হেলথটেকের সুদৃঢ় অবকাঠামো এবং ফুডির গতিশীল ডেলিভারি চেইনের এই মেলবন্ধন রাজধানী ঢাকার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন এক দিগন্তের সূচনা করেছে। এখন থেকে শারীরিক অসুস্থতা বা ব্যস্ততার কারণে ফার্মেসিতে না গিয়েও ঘরে বসেই নির্ভরযোগ্য উপায়ে জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরণের কৌশলগত অংশীদারিত্ব শহরের মানুষের পণ্য সংগ্রহের প্রথাগত ধারণাকে বদলে দেওয়ার পাশাপাশি ডিজিটাল কমার্স খাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশে প্রোটন ব্র্যান্ডের গাড়ি কিনতে আগ্রহী গ্রাহকদের জন্য সহজ শর্তে অটো লোন সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি এবং র্যানকন কারস্ লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে এখন থেকে গ্রাহকরা সাশ্রয়ী সুদে এবং দ্রুততর সময়ে ব্যাংক এশিয়ার থেকে ঋণ নিয়ে প্রোটন ব্র্যান্ডের পছন্দসই গাড়ি ক্রয় করতে পারবেন। গত ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই আনুষ্ঠানিক চুক্তিটি সম্পাদিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ব্যাংক এশিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং সৈয়দ জুলকার নাইন। অন্যদিকে, বাংলাদেশে প্রোটন ব্র্যান্ডের একমাত্র অনুমোদিত পরিবেশক র্যানকন কারস্ লিমিটেডের পক্ষে সিইও হোসাইন মাসনুর চৌধুরী চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত পরিবহনের স্বপ্ন পূরণে এই উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এই চুক্তির আওতায় প্রোটন গাড়ির ক্রেতারা ব্যাংক এশিয়ার বিশেষ ‘অটো লোন’ প্যাকেজ উপভোগ করতে পারবেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রাহকদের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে আকর্ষণীয় সুদের হার এবং নমনীয় কিস্তিতে এই ঋণ প্রদান করা হবে। এতে করে মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য নতুন প্রযুক্তির ব্র্যান্ড নিউ প্রোটন গাড়ি কেনা আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
র্যানকন কারস্ লিমিটেড জানিয়েছে, প্রোটন ব্র্যান্ডের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির গাড়িগুলোকে বাংলাদেশের বাজারের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়াই তাদের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যাংক এশিয়ার মতো একটি শক্তিশালী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে এই অংশীদারিত্ব সেই লক্ষ্য অর্জনে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। উন্নত গ্রাহকসেবা এবং নির্ভরযোগ্য অর্থায়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থার জায়গা তৈরি করাই এই চুক্তির মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রিটেইল ব্যাংকিং খাতে আধুনিক ও গ্রাহকবান্ধব সেবা প্রদানে ব্যাংক এশিয়া দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে আসছে। এই নতুন পার্টনারশিপ ব্যাংকটির সেই সেবার মান আরও বৃদ্ধির অঙ্গীকারেরই একটি অংশ। এর ফলে দেশে অটোমোবাইল খাতের বিক্রয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের বিনিয়োগেও নতুন গতির সঞ্চার হবে। উভয় প্রতিষ্ঠানই আশা প্রকাশ করেছে যে, এই সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে গ্রাহকরা একটি নিরবচ্ছিন্ন ও ঝামেলামুক্ত গাড়ি কেনার অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।
সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি তাদের নবনিযুক্ত প্রবেশনারি অফিসারদের পেশাদার দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি নিবিড় বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির (ফাউন্ডেশন ট্রেনিং কোর্স) আয়োজন করেছে। ব্যাংকিং খাতের সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং কর্মকর্তাদের আধুনিক ব্যাংকিং সেবায় দক্ষ করে তোলাই ছিল এই বিশেষ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য। নবীন কর্মকর্তাদের ব্যাংকের কর্মপরিবেশ ও নীতিমালার সাথে পরিচিত করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
এই প্রশিক্ষণ কোর্সের সেশনগুলো অত্যন্ত সফলভাবে পরিচালনা করেন সাউথইস্ট ব্যাংকের নিজস্ব অভিজ্ঞ রিসোর্স পারসন এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রশিক্ষণে ব্যাংকিং অপারেশনস, ক্রেডিট ম্যানেজমেন্ট, ফরেন এক্সচেঞ্জ, কাস্টমার সার্ভিস এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয়ভাবেই আলোচনা করা হয়। ব্যাংকের নিজস্ব বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে সরাসরি দিকনির্দেশনা পাওয়ায় অংশগ্রহণকারীরা বাস্তবিক কর্মক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শেষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খালিদ মাহমুদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি নবীন কর্মকর্তাদের জন্য ব্যাংকিং ক্যারিয়ারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যাংকিং বাজারে টিকে থাকতে নিয়মিত জ্ঞান অর্জন এবং উচ্চতর পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী অফিসারদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র তুলে দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা ও সততার সাথে গ্রাহকসেবা প্রদান করার আহ্বান জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে, এই বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ তাঁদের দীর্ঘমেয়াদী পেশাদার জীবনে একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। সনদপত্র বিতরণের সময় ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সাউথইস্ট ব্যাংক নিয়মিতভাবে তার মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে এই ধরনের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মনে করে, দক্ষ কর্মী বাহিনী গড়ে তোলার মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানের সেবার মান এবং গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব। এই সফল আয়োজনের মধ্য দিয়ে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রবেশনারি অফিসাররা পূর্ণ উদ্যমে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় তাঁদের পেশাদার দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত হলেন।
‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ খ্যাত জনপ্রিয় র্যাপার আলী হাসান আবারও দর্শকদের চমকে দিতে নতুন একটি গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন। তবে এবার তিনি আন্তর্জাতিক স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি-এর সঙ্গে যৌথভাবে এই বিশেষ মিউজিক্যাল প্রজেক্টটি সম্পন্ন করেছেন। আগামী ৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে গানটি প্রকাশিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এই গানটি মূলত ব্র্যান্ডটির আসন্ন স্মার্টফোন ‘সি১০০আই’ (C100i)-কে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে, যা নিয়ে তরুণদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আলী হাসানের সাহসী পরিবেশনা এবং ‘স্ট্রিট-স্টাইল’ গায়কী বর্তমান প্রজন্মের কাছে বেশ সমাদৃত। রিয়েলমি তাদের এই নতুন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এমন এক শ্রেণি লক্ষ্য করেছে, যারা দৈনন্দিন জীবনে শৈল্পিক স্টাইল, সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তির সমন্বয় পছন্দ করে। নতুন এই গানটি কেবল একটি বিনোদনমূলক কাজ নয়, বরং এর মাধ্যমে রিয়েলমি সি১০০আই স্মার্টফোনটির বিশেষ দিকগুলো সংগীতের মাধ্যমে এক ভিন্ন আঙ্গিকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে।
‘অল ডে এনার্জি, ওয়ারি-ফ্রি ব্যাটারি লাইফ’—এই বিশেষ প্রতিশ্রুতি নিয়ে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের বাজারে উন্মোচিত হতে যাচ্ছে রিয়েলমি সি১০০আই। স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল টাইটান ব্যাটারি। দীর্ঘস্থায়ী এই ব্যাটারি পারফরম্যান্সের কারণে ব্যবহারকারীরা বারবার চার্জ দেওয়ার ঝামেলা ছাড়াই তাদের ব্যস্ত দিন পার করতে পারবেন। শক্তিশালী ব্যাটারি সক্ষমতাই এই ফোনের প্রধান আকর্ষণ হতে যাচ্ছে যা আধুনিক স্মার্টফোন গ্রাহকদের বড় একটি চাহিদা পূরণ করবে।
বাজেট সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক সব ফিচার প্রদানের পাশাপাশি সবসময় ট্রেন্ড-নির্ভর মার্কেটিং কৌশলের জন্য পরিচিত রিয়েলমি। আলী হাসানের মতো একজন জনপ্রিয় শিল্পীর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব ব্র্যান্ডটিকে তরুণ প্রজন্মের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী ৭ মে গানটি প্রকাশের পর স্মার্টফোনটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসার পথ আরও প্রশস্ত হবে। বর্তমানে গানটি এবং নতুন এই ফোনটিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র আওতাধীন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসিতে ৩ মে ২০২৬, রবিবার থেকে মাসব্যাপী ‘ক্ষুদ্র আমানত সংগ্রহ ক্যাম্পেইন-২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সকালে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন ব্যাংকের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদার। তৃণমূল পর্যায়ের সঞ্চয়কারীদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের নীতিনির্ধারক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে বক্তব্য প্রদান করেন ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সালাহ উদ্দিন আহমেদ এবং সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এ. কে. মোহাম্মদ জাওয়াদুল হক। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বরত অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটরবৃন্দ এবং ব্যাংকের জোন প্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকরা সরাসরি ও ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের বর্তমান অগ্রগতি ও ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদার বলেন, ক্ষুদ্র আমানতকারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংকের তহবিলের প্রবাহ (ফান্ড ফ্লো) বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। তিনি মনে করেন, এই ধরনের ক্যাম্পেইন সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাংকের প্রতি ইতিবাচক ভাবমূর্তি ও গভীর আস্থা তৈরি করবে। জনগণের সঞ্চয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গ্রাহকদের দোরগোড়ায় আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই এই কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
বক্তব্যকালে প্রশাসক ব্যাংকের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের অত্যন্ত আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে মানসম্মত গ্রাহকসেবা প্রদানের নির্দেশ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের একমাত্র রাষ্ট্র মালিকানাধীন ইসলামী ব্যাংক হিসেবে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক এখন আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ। গ্রাহকদের যেকোনো প্রকার উদ্বেগ ছাড়াই আস্থার সাথে এই ব্যাংকে লেনদেন এবং সকল ধরণের ব্যাংকিং সেবা গ্রহণের জন্য তিনি বিশেষ আহ্বান জানান।
মাসব্যাপী চলমান এই ক্যাম্পেইনের আওতায় গ্রাহকরা অত্যন্ত আকর্ষণীয় মুনাফায় সঞ্চয় করার সুযোগ পাবেন। দেশের সাধারণ ও ক্ষুদ্র আয়ের মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে এই স্কিমে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো অংকের মেয়াদি আমানত রাখা যাবে। সহজ শর্তে ও নিরাপদ বিনিয়োগের এই সুযোগ প্রান্তিক মানুষের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের স্মার্টফোন বাজারে আকর্ষণীয় অফার নিয়ে এসেছে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড শাওমি বাংলাদেশ। ২ মে থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ ‘ঈদ উইথ শাওমি’ ক্যাম্পেইনটি চলবে ঈদের দিন পর্যন্ত। উৎসবের মৌসুমে ক্রেতাদের স্মার্টফোন কেনার অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করতে বড় অঙ্কের মূল্যছাড়, কার্ডবিহীন কিস্তি সুবিধা এবং বিভিন্ন নিশ্চিত উপহারের ব্যবস্থা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। দেশজুড়ে শাওমির সকল অনুমোদিত আউটলেটে এই অফারগুলো পাওয়া যাচ্ছে।
এই ক্যাম্পেইনের অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো রেডমি নোট ১৫ প্রো+ স্মার্টফোনটিতে সরাসরি ৫,০০০ টাকা ফ্ল্যাট মূল্যছাড়। এ ছাড়াও ক্রেতারা ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে ১২ মাস পর্যন্ত কোনো সুদ ছাড়াই (০% ইএমআই) কিস্তি সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। অন্যদিকে, রেডমি নোট ১৫ ৫জি স্মার্টফোনটি এখন পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৩,০০০ টাকা ডাউন পেমেন্টে। কার্ডবিহীন বিশেষ কিস্তি সুবিধা ‘হালাল ফ্লেক্স’-এর মাধ্যমে এটি কেনা যাবে এবং ক্রেতারা এর সাথে উপহার হিসেবে পাবেন একটি রেডমি ওয়াচ ৫ অ্যাক্টিভ।
শাওমির এই নতুন উদ্যোগ ‘হালাল ফ্লেক্স’-এর আওতায় গ্রাহকরা ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই মাত্র ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে শাওমির যেকোনো স্মার্টফোন কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। এ ছাড়াও নির্দিষ্ট মডেলের স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট কিনলে নিশ্চিত উপহার হিসেবে থাকছে আকর্ষণীয় ট্র্যাভেল ব্যাগ ও টি-শার্টসহ বিভিন্ন সামগ্রী। মূলত সাধারণ মানুষের কাছে আধুনিক প্রযুক্তি আরও সহজলভ্য করতেই এই কার্ডবিহীন কিস্তি সুবিধা প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে চালু করেছে শাওমি বাংলাদেশ।
শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী জানান, উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং স্মার্টফোন কেনাকে আরও সাশ্রয়ী করতেই এই ক্যাম্পেইন সাজানো হয়েছে। তাঁর মতে, হালাল ফ্লেক্স সুবিধাটি দেশে স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে এবং প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে। স্মার্টফোন আপগ্রেড করা কিংবা প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে এই ক্যাম্পেইন ক্রেতাদের জন্য একটি চমৎকার সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আগ্রহী ক্রেতারা স্টক থাকা সাপেক্ষে নিকটস্থ শাওমি আউটলেট থেকে এই সীমিত সময়ের ঈদ অফার উপভোগ করতে পারবেন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য শাওমি হেল্পলাইন (+৮৮০ ৯৬১২-৯৪২৬৬৪) অথবা তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা শাওমি বর্তমানে দেশের স্মার্টফোন ও কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স বাজারে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় অবস্থান দখল করে আছে।
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি গ্রাহকসেবাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্যে নতুন দুটি ডিজিটাল সেবা চালু করেছে। রোববার (৩ মে) ব্যাংকের কর্পোরেট শাখায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চেক বই ছাড়াই কিউআর কোড স্ক্যান করে ক্যাশ উত্তোলন এবং আধুনিক ‘ক্যাশ রিসাইক্লার মেশিন’ (সিআরএম) সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব মো. আবুল হাশেম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই উদ্ভাবনী সেবা দুটির শুভ উদ্বোধন করেন।
নতুন চালু হওয়া "ক্যাশ বাই কিউআর" (Cash by QR) সেবার মাধ্যমে উত্তরা ব্যাংকের গ্রাহকরা এখন থেকে প্রচলিত চেক বইয়ের ঝামেলা ছাড়াই দ্রুততম সময়ে ক্যাশ কাউন্টার থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। গ্রাহকরা ব্যাংকের নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে নির্ধারিত কিউআর কোড স্ক্যান করার মাধ্যমেই এই ডিজিটাল লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন। ক্যাশলেস সোসাইটি বিনির্মাণের পথে এই উদ্যোগটি গ্রাহকদের জন্য সময়সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ ব্যাংকিং নিশ্চিত করবে বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
একই দিনে ব্যাংকের কর্পোরেট শাখায় সদ্য স্থাপিত "ক্যাশ রিসাইক্লার মেশিন (সিআরএম)"-এর উদ্বোধন করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এই মেশিনের বিশেষত্ব হলো, গ্রাহকরা এর মাধ্যমে দিন-রাত যেকোনো সময় একই যন্ত্র ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক টাকা জমা দেওয়া এবং উত্তোলনের সুবিধা পাবেন। এটি ব্যাংকিং কর্মঘণ্টার বাইরেও গ্রাহকদের জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং প্রচলিত এটিএম বুথের চেয়ে আরও উন্নত অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।
মর্যাদাপূর্ণ এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাকসুদুল হাসান এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ জনাব মো. রেজাউল করিম, জনাব খন্দকার আলী সামনুন ও জনাব মো. রাফিউল ইসলাম। এ ছাড়া ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। আধুনিক ও স্মার্ট ব্যাংকিং প্রসারে উত্তরা ব্যাংক তাদের এই অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতে আরও বেগবান করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান স্মার্টফোন ব্র্যান্ড শাওমি প্রতি বছরের মতো এবারও ক্রেতাদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে নিয়ে এসেছে ‘ঈদ উইথ শাওমি’ ক্যাম্পেইন। ০২ মে থেকে শুরু হয়ে ঈদুল আজহার দিন পর্যন্ত চলবে এই ক্যাম্পেইনটি। দেশজুড়ে চলা এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য হলো কার্ডবিহীন সহজ কিস্তি সুবিধা, ফ্ল্যাট ডিসকাউন্ট এবং আকর্ষণীয় উপহারের মাধ্যমে এই উৎসবের মৌসুমে স্মার্টফোন কেনার অভিজ্ঞতাকে আরও স্বস্তিদায়ক করে তোলা।
ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে, রেডমি নোট ১৫ প্রো+ ডিভাইসে থাকছে আকর্ষণীয় ৫,০০০ টাকা ফ্ল্যাট মূল্য ছাড় অথবা ব্যাংক কার্ডে ১২ মাস পর্যন্ত 0% EMI সুবিধা। এছাড়াও, ‘হালাল ফ্লেক্স’-এর মাধ্যমে কার্ডবিহীন কিস্তিতে মাত্র ৩,০০০ টাকা ডাউন পেমেন্টেই থাকছে রেডমি নোট ১৫ ৫জি ডিভাইসটি কেনার সুযোগ, আর সাথে উপহার হিসেবে রেডমি ওয়াচ ৫ অ্যাক্টিভ। পাশাপাশি, শাওমির অন্যান্য স্মার্টফোনগুলোও মাত্র ২০% ডাউন পেমেন্টে কেনার সুযোগ রয়েছে হালাল ফ্লেক্স কার্ডবিহীন কিস্তি অফারে। আর নিশ্চিত উপহার হিসেবে থাকছে ট্র্যাভেল ব্যাগ, টি-শার্ট, ইত্যাদি। শাওমির ট্যাবলেটগুলোতেও থাকছে এই গিফটের অফার।
এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “এই ঈদে সবার জন্য শাওমির স্মার্টফোন আরও সহজলভ্য করতে হালাল ফ্লেক্স এর মাধ্যমে কার্ডবিহীন কিস্তি সুবিধা নিয়ে এসেছি আমরা। এছাড়াও থাকছে বিরাট অঙ্কের মূল্যছাড় সহ ক্রেতাদের পছন্দ ও সুবিধা মত নানা ধরণের অফার। আমাদের বিশ্বাস, এই উদ্যোগ সবার উৎসবের আনন্দকে আরও বহুগুণে বাড়িয়ে তুলবে এবং আমাদের কার্ডবিহীন কিস্তি স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে।”
এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেই প্রযুক্তিকে সবার জন্য আরও সহজলভ্য করে তোলার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করল শাওমির কার্ডবিহীন কিস্তি অফার ‘হালাল ফ্লেক্স’। ফলে স্মার্টফোন আপগ্রেড, ট্যাবলেট কেনা কিংবা প্রিয়জনকে উপহার দেওয়া - যে কোন কারণেই হোক, এখন শাওমির সব স্মার্টফোনই হয়ে যাবে অনেক সহজলভ্য।
স্টক থাকা সাপেক্ষে, এই সীমিত সময়ের ঈদ অফার উপভোগ করতে আপনার নিকটস্থ আউটলেট ভিজিট করুন। আরও বিস্তারিত জানতে শাওমি হেল্পলাইনে +৮৮০ ৯৬১২-৯৪২৬৬৪ কল করুন অথবা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ ভিজিট করুন।
ভিভো বাংলাদেশ ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশ বগুড়ায় সফলভাবে “ক্যাপচার দ্য ফিউচার ২০২৬” আয়োজন সম্পন্ন করেছে, যা শিশুদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে তাদের তিন বছরের সম্মিলিত প্রচেষ্টার উজ্জ্বল প্রতিফলন।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্মার্টফোনকে আত্মপ্রকাশ ও আত্মবিশ্বাস গড়ার একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা। ২০২৪ সালে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফির ব্যবহারিক দক্ষতা শেখানো হচ্ছে, যাতে তারা ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের চিন্তা ও অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে। গত তিন বছরে এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে ঢাকা, খুলনা এবং বগুড়ার ৩০০-এর বেশি শিশু অংশ নিয়েছে। এতে তারা ফটোগ্রাফি দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং ছবি দিয়ে ধারণা প্রকাশের ক্ষমতা অর্জন করেছে, পাশাপাশি ডিজিটাল জ্ঞানও উন্নত হয়েছে।
এ বছরের বগুড়া পর্বে শিশুরা ভিভো স্মার্টফোন ব্যবহার করে ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি এবং গল্প বলার প্রশিক্ষণে অংশ নেয়। এই সেশনগুলো তাদের চারপাশ পর্যবেক্ষণ, সৃজনশীল চিন্তা এবং দৈনন্দিন মুহূর্তগুলোকে ভিজ্যুয়াল গল্প হিসেবে ধারণ করতে উৎসাহিত করে।
সর্বশেষ ধাপে ৩০ এপ্রিল ও ১ মে বগুড়ায় দুই দিনব্যাপী একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেয় এবং ব্যবহারিক অনুশীলনের অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের ছবি তোলে। ২ মে একটি সমাপনী অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের কাজ প্রদর্শিত হয় এবং তাদের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি ও উদীয়মান গল্প বলার দক্ষতা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অংশগ্রহণকারীদের পরিবার এবং ফটোগ্রাফাররা। ভিভো বাংলাদেশের সহকারী ব্যবস্থাপক, তানভীর হাসান মজুমদার বলেন, “প্রদর্শনীর মাধ্যমে আমরা প্রতিটি ছবিতে তিন বছরের অগ্রগতি দেখতে পেয়েছি। শিশুরা শুধু ফটোগ্রাফি শিখেনি, তারা তাদের নিজের পৃথিবী প্রকাশ করার একটি উপায় খুঁজে পেয়েছে।” পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান, তানভীর মুরাদ তপু বলেন, “তাদের আত্মবিশ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই আগে স্মার্টফোন সৃজনশীলভাবে ব্যবহার করেনি, কিন্তু এখন তারা নিজেদের গল্প শেয়ার করছে।” ১৪ বছর বয়সী অংশগ্রহণকারী মালিহা বলেন, “এখন আমি আমার জীবনকে ভিন্নভাবে দেখি। প্রতিটি ছবির একটি গল্প আছে এবং আমি সেটাই বলতে চাই।”
এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশের ফান্ড ডেভেলপমেন্ট ও কমিউনিকেশন বিভাগের উপ-পরিচালক রাসেল মিয়া বলেন, “আমাদের শিশুদের এত গর্বিত দেখতে পাওয়া অত্যন্ত আবেগঘন ছিল। এই প্রোগ্রাম তাদের দক্ষতার পাশাপাশি অর্জন ও অন্তর্ভুক্তির অনুভূতিও দিয়েছে।”
প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতাকে একত্রিত করে “ক্যাপচার দ্য ফিউচার” দেখিয়েছে কীভাবে ডিজিটাল টুলস অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাকে সমর্থন করতে পারে এবং শিশুদের শ্রেণিকক্ষের বাইরেও ক্ষমতায়িত করতে পারে। এই ধারাবাহিকতায় ভিভো ভবিষ্যতেও এই উদ্যোগ সম্প্রসারণ এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
৪০ বছরে পদার্পণ করলো আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড। ৩০ এপ্রিল কেক কাটার মাধ্যমে প্রধান কার্যালয়সহ দেশের সকল শাখায় এই আয়োজন উদযাপিত হয়। প্রধান কার্যালয়ের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের প্রশাসক জনাব মামুনুর রহমান মহোদয়। আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের প্রশাসক মহোদয়কে সহায়ক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা। এছাড়াও প্রধান কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনের শুরুতে দীর্ঘদিন ধরে যারা এ ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত আছেন, তাদের স্মৃতিচারণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ব্যাংকের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া মাহফিল এবং পবিত্র সুরা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়।
আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের সকল শাখায় শাখা ব্যবস্থাপকবৃন্দের তত্ত্বাবধায়নে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
এ বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ পথচলার মাইলফলক উদযাপন করা হয় এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামীর পথচলায় নতুন প্রত্যয়ের বার্তা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে প্রশাসক বলেন, “এখন সময় নতুনভাবে ভাবার, নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার, এবং নিজেদের সক্ষমতা নতুনভাবে প্রমাণ করার।”
গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও সহকর্মীদের অব্যাহত সহযোগিতা ও আস্থার জন্য আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।