বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

আইডিয়ালকে হারিয়ে বিতর্কে বিজয়ী ঢাকা কলেজ

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১ নভেম্বর, ২০২২ ১১:৩০

ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজিতে (আইইউবিএটি) বসেছিল জাতীয় বিতর্কের আসর। আইইউবিএটি ডিবেটিং ফোরাম গত ২৮-২৯ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

প্রতিযোগিতায় আইডিয়াল কলেজকে হারিয়ে ঢাকা কলেজ বিজয়ী হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিব শেখ হাফিজুর রহমান সজল এবং সভাপতিত্ব করেন আইইউবিএটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুর রব।


৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করলো বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক

আপডেটেড ১১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২০
করপোরেট ডেস্ক

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক তাদের পথচলার ষষ্ঠ বছরে পা রেখেছে। এই যাত্রায় ব্যাংকটি নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা, ব্যাংকিং খাতের সকল আইনি বিধিবিধান যথাযথভাবে মেনে চলা এবং সাধারণ মানুষকে আর্থিক সেবার আওতায় আনার বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

প্রতিষ্ঠার এই গৌরবময় মাইলফলক উদযাপন করতে বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে ব্যাংকটি সারাদেশে ৩৪টি শাখা চালু করতে সক্ষম হয়েছে, যার মধ্যে শরিয়াহভিত্তিক সেবার জন্য ৪টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকিং শাখাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শুরুর লগ্ন থেকেই সিএমএসএমই (CMSME) খাতকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এছাড়া আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করা এবং ক্রেডিট রেটিং সূচকে ‘AA-’ অর্জন নতুন প্রজন্মের এই ব্যাংকের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এসসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন গ্রাহকদের অবিচল আস্থা, অংশীদারদের সহযোগিতা এবং সকল কর্মীর নিরলস পরিশ্রমের জন্য তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সিএমএসএমই খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। আগামীতেও এই খাতের টেকসই উন্নয়নে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পাশে থাকবে।”

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, “ব্যাংকিং খাতের নিয়মনীতি যথাযথ পরিপালন, উন্নত গ্রাহক সেবা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং নিশ্চিত করাই বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের মূল লক্ষ্য।”

এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরসহ পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয়, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয়, বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের গ্রাহক ও স্টেকহোল্ডাররাও এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি কেক কাটা, বিশেষ দোয়া ও ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সারাদেশের সকল শাখা ও উপ-শাখায় গ্রাহক, পৃষ্ঠপোষক ও শুভানুধ্যায়ীদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিলসহ দিনব্যাপী নানা আনন্দদায়ক কর্মসূচি পালিত হয়েছে।


গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আড়ং, বিশ্বের বৃহত্তম কারুশিল্প বিপণন কেন্দ্রের স্বীকৃতি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ব্র্যাকের সামাজিক উদ্যোগ এবং বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ং আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ কারুশিল্প বিপণন কেন্দ্র’ হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর স্বীকৃতি পেয়েছে আড়ং ধানমণ্ডি ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট। এই স্বীকৃতি আউটলেটটির বিশাল পরিসর, বৈচিত্র্যময় কারুশিল্প এবং ক্রাফট অভিজ্ঞতাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।

অনুষ্ঠানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদ উন্মোচনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় প্রদর্শিত হয় একটি বিশেষ মিউজিক ভিডিও, যেখানে আরমিন মুসা ও ঘাসফড়িং কয়ার পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আনন্দলোকে’।

ভিডিওটিতে ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের এক জীবন্ত প্রদর্শনভূমি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে কারুশিল্প, জীবনের গল্প এবং ঐতিহ্য একসূত্রে গাঁথা।

ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ বলেন, ‘এটি শুধু একটি রেকর্ড নয়, কারুশিল্পের পেছনে থাকা মানুষের স্বীকৃতি। কারুশিল্পকে সম্মান জানানো মানে আমাদের ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করা। আর এর পরিসর যত বাড়ে, ততই বাড়ে মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সুযোগ।

এই অর্জন সেই কারুশিল্পীদের, যাদের দক্ষতা ঐতিহ্যকে জীবিকা ও মর্যাদায় রূপ দেয়।’

উপহার ও উদযাপনের সঙ্গে আড়ং-এর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটের স্থাপত্যে ব্যবহার করা হয়েছে রিবন-প্রেরিত নকশা, যা দর্শনার্থীদের জন্য তৈরি করেছে এক দারুণ স্থাপত্যশৈলীর অভিজ্ঞতা। এখানে রয়েছে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কারুশিল্প স্থাপনা—এর মধ্যে ‘সাঁওতাল গাঁও’ টেরাকোটা ওয়ালটি প্রায় ১০০টি কুমোর পরিবারের অংশগ্রহণে নির্মিত একটি বৃহৎ মৃৎশিল্প স্থাপনা; এবং ‘দ্য গ্রেট এরিনা’, ২৫০ জন কারিগরের ছয় মাসের পরিশ্রমে তৈরি ৪৪ ফুট দীর্ঘ নকশি কাঁথা, যা চার তলা জুড়ে রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের সূচিশিল্প ঐতিহ্যের প্রতি এক অনন্য শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রতীক।

এই স্বীকৃতিকে কেন্দ্র করে শুরু হচ্ছে একটি দেশব্যাপী উদযাপনও।

দেশের ১০টি আড়ং আউটলেটে আয়োজন করা হবে একটি পপ-আপ গ্যালারি অভিজ্ঞতা, যেখানে দর্শনার্থীরা ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপের বিশেষ বৈশিষ্ট্য এবং এই বিশ্বরেকর্ড অর্জনের গল্প কাছ থেকে জানার সুযোগ পাবেন।

আড়ং-এর এই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অর্জন বাংলাদেশের কারুশিল্প ঐতিহ্যের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক স্বীকৃতি, যার পেছনে রয়েছে এমন একটি সামাজিক উদ্যোগ, যেখানে প্রতিটি ক্রয় কারুশিল্পীদের জীবিকা টিকিয়ে রাখতে এবং ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পকে জীবন্ত রাখার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।


শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় এনএসইউতে ‘ওয়েলবিয়িং সিরিজ’ আয়োজন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক সুস্থতা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) ‘ওয়েলবিয়িং সিরিজ’ শীর্ষক একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং সেন্টারের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অডি-৮০১ কক্ষে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সুস্থতা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে চারটি অংশগ্রহণমূলক সেশন আয়োজন করা হয়।

সেশনগুলোতে ঘুমের ভালো অভ্যাস গড়ে তোলা, সুস্থ যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়ন, সুস্থ জীবনযাপনের জন্য আত্মযত্নের চর্চা এবং সম্পর্কের ধরন বোঝার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। কাউন্সেলিং অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং সেন্টারের পরামর্শকরা এসব সেশন পরিচালনা করেন।

কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অনেক শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে অংশ নেয়। তারা আগ্রহের সঙ্গে আলোচনা ও বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত হয়।

প্রথম সেশনে ঘুমের অভ্যাস মানুষের কর্মক্ষমতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলে তা তুলে ধরা হয়। দ্বিতীয় সেশনে কার্যকর যোগাযোগের গুরুত্ব ও সম্পর্ক শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় আলোচনা করা হয়।

তৃতীয় সেশনে সুস্থ জীবনযাপনের জন্য আত্মযত্ন চর্চার বাস্তবধর্মী পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। শেষ সেশনে মানুষের সম্পর্কের ধরন নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং এসব আচরণ কীভাবে ইতিবাচকভাবে উন্নত করা যায় তা ব্যাখ্যা করা হয়।

সেশনগুলোতে শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে এবং বিভিন্ন আলোচনায় যুক্ত হয়। এতে একটি প্রাণবন্ত ও সহায়ক শেখার পরিবেশ তৈরি হয়।

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের আহ্বান জানান।

কাউন্সেলিং অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং সেন্টার জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং ব্যক্তিগত উন্নয়ন বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়া হবে।


আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সপ্তাহজুড়ে বাংলালিংকের উদ্যোগে সমতা ও অংশীদারিত্বের বার্তা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

সপ্তাহজুড়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। গত ৫ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত আয়োজিত এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিল কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রম, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতামূলক উদ্যোগ, বাংলালিংকের কর্মীদের অংশগ্রহণে আলোচনা ও শিক্ষামূলক আয়োজন এবং কর্মীদের বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান অনুষ্ঠান।

‘ফ্রম রাইটস টু রিয়েলিটি’ (‘অধিকার থেকে বাস্তবতায়’) এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে এবং ‘সবার জন্য অধিকার ও ন্যায়বিচার ও কার্যকর উদ্যোগ’ এই আহ্বান সামনে রেখে আয়োজনগুলো অনুষ্ঠিত হয়। বাংলালিংকের কর্মী, তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন কমিউনিটির প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। নারী অধিকার নিশ্চিতে নেওয়া উদ্যোগগুলোকে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

নারী দিবস উদযাপনের সূচনা হয় ৫ মার্চ। এই দিন অপরাজয় বাংলাদেশ-এর সঙ্গে অংশীদারিত্বে একটি কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলালিংক। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও মায়েদের সঙ্গে সময় কাটান। এই কর্মসূচিতে প্রায় ৭৫ জন উপকারভোগী ও ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন। শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও অংশগ্রহণমূলক শেখার পরিবেশ তৈরি করা হয়। এই আয়োজনে ছিল একটি সৃজনশীল চিত্রাঙ্কন পর্ব, যেখানে অংশগ্রহণকারী শিশুরা আশা, সমতা ও ক্ষমতায়নের নানা ভাবনা তুলে ধরে। এর পাশাপাশি একজন পেশাদার চিকিৎসকের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য ও সচেতনতা সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যচর্চা এবং ঋতুস্রাবকালীন স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

আয়োজনের অংশ হিসেবে বাংলালিংকের কর্মীরা একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য নাটক মঞ্চস্থ করেন। সামাজিক কুসংস্কার, সচেতনতার ঘাটতি এবং বৈষম্যের কারণে নারীরা যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, সেই বিষয়গুলো নাটকে তুলে ধরা হয়। গল্পভিত্তিক উপস্থাপনার মাধ্যমে মেয়েদের শিক্ষার গুরুত্ব, পারিবারিক সমর্থন এবং প্রচলিত ধ্যানধারণা ভেঙে তরুণীদের স্বপ্নপূরণের পথ তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

সপ্তাহের শেষ দিকে, ৯ মার্চ রাজধানীতে বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগার্স ডেনে কর্মীদের নিয়ে একটি অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোকপাত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশে গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস এবং সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস-এর করপোরেট আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজিয়া কবির। তাঁরা অধিকার, ন্যায়বিচার ও সমান সুযোগের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে ও সমাজে কীভাবে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের ভাবতে অনুপ্রাণিত করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা রুহুল কাদের বলেন, “বাংলালিংকে আমরা বিশ্বাস করি, অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ শুধু নীতিমালা তৈরির মাধ্যমে গড়ে ওঠে না, এর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত কার্যকর উদ্যোগ, সহমর্মিতা এবং একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা। এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে আমরা এ সংক্রান্ত আলোচনা ও মতবিনিময়কে উৎসাহিত করতে চাই, যা অধিকার ও সমতার ধারণাকে নারীদের জীবনে বাস্তব অভিজ্ঞতায় রূপ দিতে সহায়তা করবে।”

অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে বাংলালিংকের ‘হি ফর শি’ (He4She) উদ্যোগের বিজয়ীকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই পর্বে বাংলালিংকের একজন কর্মীর বাবা তাঁর মেয়ের স্বপ্ন পূরণে পাশে থাকার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। সমঅধিকার বিষয়ে সচেতনতা ও এর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার মানসিকতা অনেক সময় পরিবার থেকেই গড়ে ওঠে, এই উদ্যোগে সেই বিষয়টিই তুলে ধরা হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলালিংক উইমেনস নেটওয়ার্ক-এর চলমান কার্যক্রমও তুলে ধরা হয়। বিদায়ী কমিটির সদস্যদের তাঁদের অসামান্য অবদানের জন্য স্বীকৃতি জানানো হয় এবং ২০২৬ সালের জন্য নতুন কমিটিকে স্বাগত জানানো হয়। সপ্তাহব্যাপী নানা ধরনের বৈচিত্র্যময় আয়োজনের মধ্য দিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহায়ক কর্মসংস্কৃতি গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলালিংক।


উৎসবের কেনাকাটায় বাড়তি আনন্দ বিকাশ পেমেন্টে ডিসকাউন্ট-ক্যাশব্যাক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উৎসবের কেনাকাটার ধরণে গ্রাহকদের মাঝে মৌলিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দিন দিন তারা অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন ক্যাশবিহীন লেনদেনে- হোক তা সরাসরি কেনাকাটা বা অনলাইনে অর্ডার। বিশেষ করে ঈদের কেনাকাটায় ডিজিটাল পেমেন্ট এখন আর সাধারণ কোনো মাধ্যম নয়, বরং কেনাকাটার এক অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে। লেনদেনের নিরাপত্তা ও দ্রুততার পাশাপাশি উৎসবকেন্দ্রিক বিভিন্ন ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্ট অফারের কারণে গ্রাহকরা নগদ অর্থের বদলে ডিজিটাল পেমেন্টেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। আর এই পরিবর্তিত কেনাকাটার প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে বরাবরের মতোই এগিয়ে আছে বিকাশ।

প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর-কে সামনে রেখে আকর্ষনীয় সব অফার নিয়ে এসেছে বিকাশ। বিভিন্ন ধরনের কেনাকাটায় একজন গ্রাহকের জন্য বিকাশ পেমেন্টে এবছর রয়েছে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ। এই ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক পাওয়া যাচ্ছে সুপারস্টোর থেকে শুরু করে ব্র্যান্ডেড শপ, ফ্যাশন হাউস, জুতার দোকান, ইলেকট্রনিক্স, অনলাইন মার্কেটপ্লেস, রেস্টুরেন্ট, টিকিটিং প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন খাতে। বর্তমানে সারাদেশে বিকাশ-এর প্রায় ১০ লাখ মার্চেন্ট রয়েছে, যেখানে কিউআর কোড স্ক্যান, এনএফসি ট্যাপ, পেমেন্ট গেটওয়ে অথবা *২৪৭# ডায়াল করে খুব সহজেই লেনদেন করা সম্ভব।

যেসব অফার আছে বিকাশ পেমেন্টে:
পুরো রমজান জুড়ে উৎসবের কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে পাওয়া যাচ্ছে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক। বিকাশ পেমেন্টে কেনাকাটার সব ক্যাম্পেইন দেখে নেয়া যাবে এই লিংকে: https://www.bkash.com/campaign/ramadan-offer-payment-hero-2026

সুপারস্টোর:
রমজান মাস জুড়ে এবং ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে গ্রাহকরা বিকাশ অ্যাপে ‘D2’ কুপন ব্যবহার করে আগোরা, মীনা বাজার, ইউনিমার্ট, প্রিন্স বাজার, বেঙ্গল মিট, হোলসেল ক্লাব, খুলশি মার্ট, উৎসব সুপার মার্কেটসহ আরও বেশকিছু সুপারস্টোর ৫০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়া যাচ্ছে। পাশপাশি, ‘D3’ কুপন ব্যবহার করে দেশজুড়ে সুপারস্টোর চেইন স্বপ্ন ও ডেইলি শপিং-এ বিকাশ পেমেন্টে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও, অনলাইনে চালডাল, ডেইলি শপিং, মীনা বাজার, ও প্যারাগন থেকে গ্রোসারি অর্ডারে মিলছে ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।

লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড:
বিকাশ অ্যাপে ‘S3’ কুপন ব্যবহার করে ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেইলর-এ ৩০০ এবং সারা লাইফস্টাইল-এ ২০০ টাকা ডিসকাউন্ট। ‘D1’ কুপন ব্যবহার করে মি. ডিআইওয়াই, আর্টিসান, কান্ট্রি বয়, দর্জি বাড়ি, এক্সটেসি, ফ্যাব্রিলাইফ, ফ্রিল্যান্ড, ইয়েলো, ইলিয়েন, কে ক্রাফট, বিশ্বরঙ, অঞ্জন’স, র নেশন, শৈল্পিক, স্মার্টেক্স, টেক্সমার্ট, হুর, গয়না বাক্স, সানভি’স সহ আরও বেশ কিছু ব্র‌্যান্ডে রমজানজুড়ে পাওয়া যাবে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ‘D5’ কুপনে ২০০ টাকা ডিসকাউন্ট মিলবে তাকদুম, মিনিসো বাংলাদেশ সহ বেশকিছু মার্চেন্টে। কুপন কোড ‘D8’ ব্যবহার করে ৩০০ টাকা ডিসকাউন্ট মিলছে ইজি ফ্যাশন, জেন্টেল পার্ক, ইনফিনিটি মেগা মল, লুবনান, রিচম্যান, টপ টেন ফেব্রিক্স অ্যান্ড টেইলার্সসহ আরও বেশ কিছু আউটলেটে। পাশাপাশি, লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ং-এ বিকাশ পেমেন্টে গ্রাহকরা পেতে পারেন ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।

অনলাইন মার্কেটপ্লেস:
অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ-এ বিকাশ পেমেন্টে ৬০ টাকার ডিসকাউন্ট ভাউচার রয়েছে গ্রাহকদের জন্য। এছাড়াও, স্টার টেক-অনলাইন, অথবা, রবিশপ, লুবনান, অ্যারোমেটিকা সহ বিভিন্ন অনলাইন শপে ১০% এবং ২০% হারে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। এদিকে, আমার পেট, পেট ফুড বিডি এবং পেট মামা থেকে পোষা প্রাণীর যত্নের জিনিসপত্র অর্ডার করার ক্ষেত্রেও এই ক্যাশব্যাক প্রযোজ্য।

রেস্টুরেন্ট:
সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা দুই হাজারেরও বেশি রেস্তোরাঁয় ‘D4’ কুপন ব্যবহার করে গ্রাহকরা ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পেতে পারেন। ঢাকায় গ্যালিটো’স, বার্গার কিং, সিপি ফাইভ স্টার, চিলিস রেস্তোরাঁ, দিল্লি দরবার সহ ইত্যাদি বিভিন্ন আউটলেটে ছাড় উপভোগ করা যাবে। এদিকে, চট্টগ্রামে পিৎজা লাউঞ্জ, সিক্রেট রেসিপি, বে লিফ রেস্তোরাঁ, কুটুম বাড়ি, পাপা চিনোস ইত্যাদি বিভিন্ন আউটলেটে পাওয়া যাবে এই ডিসকাউন্ট।
পাশাপাশি, ডিসেন্ট পেস্ট্রি শপ, স্টার বেকারি, স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁর বিভিন্ন আউটলেটে গ্রাহকরা ইফতার কেনার উপর রমজানজুড়ে মোট ১,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও, ২৫০ টিরও বেশি অন্যান্য খাবারের দোকান এবং বেকারিতে ইফতার অর্ডার করে মিলতে পারে আরও ৫০০ টাকা ডিসকাউন্ট।

ইলেকট্রনিকস ও ফার্নিচার:
‘D6’ কোড ব্যবহার করে গ্রাহকরা সারাদেশে ওয়ালটন প্লাজা, হায়ার, সিঙ্গার, ভিশন এম্পোরিয়াম, অ্যাপল মার্ট বিডি এবং গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের ১২শর বেশি আউটলেটে ২০০ টাকার ছাড় পেতে পারেন। এদিকে, আখতার ফার্নিচার, ব্রাদার্স ফার্নিচার, হাতিল, হাই-টেক ফার্নিচার, নাদিয়া ফার্নিচার, নাভানা ফার্নিচার, অটোবি, তানিন বাংলাদেশ-এর মতো ফার্নিচার ব্র্যান্ডগুলোতে ৬০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাবে।

টিকেটিং এবং হোটেল বুকিং:
ঈদের ছুটির আগে বিকাশ পেমেন্টে ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেস, সেবা গ্রিন লাইন, শ্যামলী পরিবহন সহ বেশকিছু বাসের টিকিটে ২০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন গ্রাহকরা। এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা, এয়ার অ্যাস্ট্রা এবং নভো এয়ারে বিকাশ পেমেন্টের মাধ্যমে টিকিট বুক করে পাওয়া যাচ্ছে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। এছাড়াও, গ্রাহকরা সারা দেশে নির্বাচিত হোটেল এবং রিসোর্ট বুকিং করে পেতে পারেন ৬০০ টাকা ক্যাশব্যাক।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রাহকদের কেনাকাটার অভ্যাসে যে দ্রুত পরিবর্তন ঘটেছে, তার কেন্দ্রে রয়েছে ডিজিটাল পেমেন্টের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা। কেবলমাত্র ক্যাশব্যাক বা ডিসকাউন্টের আকর্ষণে নয়, বরং আধুনিক ও নিরাপদ জীবনযাত্রার অংশ হিসেবেই মানুষ এখন ক্যাশলেস লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। নিরাপদ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত লেনদেনের সুবিধার কারণে বিকাশ পেমেন্ট প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে কোটি গ্রাহকের দৈনন্দিন জীবনে।


আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে প্রাইম ব্যাংকের অনন্য উদ্যোগ - দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী গ্রাহকদের মাঝে চেকবই ও ডেবিট কার্ড বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

একটি বাধাহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার নিরন্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. সাভারে ‘এক্সেস টু এমপাওয়ারমেন্ট: অ্যাডভান্সিং ব্যাংকিং ফর পারসনস উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেশনের আয়োজন করেছে। স্থানীয় সংগঠন ‘টিম ইনক্লুশন বাংলাদেশ’-এর আয়োজনে সম্প্রতি এই সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী গ্রাহকদের মাঝে চেকবই ও ডেবিট কার্ড বিতরণ করা হয়, যা তাদের স্বাধীনভাবে আর্থিক লেনদেন করতে সক্ষম করে তুলবে। এ ছাড়া, বিভিন্ন শারীরিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন ব্যক্তিদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা প্রদান করা হয়, যা তাদের মূলধারার অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপনকালে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসান বলেন, `অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং কোনো বিকল্প কাজ নয়, বরং এটি একটি দায়িত্ব। সবার জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজলভ্য করতে আমরা আমাদের সেবাগুলোকে নতুনভাবে সাজাচ্ছি। প্রাইম ব্যাংক কনজ্যুমার ও এসএমই ব্যাংকিংয়ের ওপর ব্রেইল পদ্ধতিতে আর্থিক সাক্ষরতা বই প্রকাশ করেছে, যা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। আমাদের নতুন এবং রিনোভেশনকৃত শাখাগুলোতে হুইলচেয়ার ফ্রেন্ডলি ক্যাশ সার্ভিস কাউন্টার স্থাপনের উদ্যোগটি ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। এ ছাড়াও, শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী গ্রাহকদের জন্য প্রাইম ব্যাংকের চালু করা ‘সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ভিডিও কল সার্ভিস’ গত বছর ন্যাশনাল ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে।‘

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব কনজ্যুমার প্রোটেকশন অ্যান্ড সার্ভিস কোয়ালিটি কাজী রেশাদ মাহবুব এবং হেমায়েতপুর শাখার প্রধান মো. সাখাওয়াত হোসেন। টিম ইনক্লুশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, `আর্থিক সাক্ষরতা, প্রযুক্তি এবং সহজলভ্য অবকাঠামোর সমন্বয়ে প্রাইম ব্যাংকের এই অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড স্থাপন করেছে।‘ এ সময় তিনি আগামী দিনগুলোতেও প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. দেশের সকল নাগরিকের জন্য আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো, উদ্ভাবনী সমাধান এবং আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীকে সেবার আওতায় আনতে ব্যাংকটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে এমটিবি-র বিনম্র শ্রদ্ধা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের প্রথিতযশা শিল্পোদ্যোক্তা ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) পিএলসি-র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করছে এমটিবি। এই মহীয়সী ব্যক্তিত্বের প্রয়াণ দিবসে এমটিবি এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহ— এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও এমটিবি সিকিউরিটিজ পিএলসি তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মরণ করছে।

সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী ছিলেন একাধারে একজন দূরদর্শী ব্যবসায়ী, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সফল রাষ্ট্রনায়ক। ১৯৭৬ সালে অ্যাপেক্স ট্যানারি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাঁর শিল্প বিপ্লবের যাত্রা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড ও গ্রে অ্যাডভারটাইজিং (বাংলাদেশ) লিমিটেডের মতো বড় প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়। ১৯৯৯ সালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি দেশের ব্যাংকিং ও করপোরেট খাতে এক অনন্য ও অগ্রগামী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। অসামান্য নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষা ও মানবাধিকারের প্রসারে তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজ গঠনে জোরালো ভূমিকা রেখে গেছেন।

সারা জীবন সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে তিনি দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে ২০২৩ সালে ইউকেবিসিসিআই (UKBCCI) প্রদত্ত ‘লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর এই ক্ষণে এমটিবি পরিবার মরহুমের সুযোগ্য নেতৃত্ব, কর্মময় জীবন ও কালজয়ী উত্তরাধিকারকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে।


রমজান উপলক্ষ্যে ইউএই এইড ও জায়েদ ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইউএই এইড ও জায়েদ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ১,৬২০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে রমজানের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে। ‘রমজান ইফতার প্রোগ্রাম’-এর আওতায় এই সহায়তা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ঢাকার মিরপুরের ভাষানটেক বস্তিতে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০টি পরিবারও এই সহায়তা পেয়েছে।

ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের ফরেন এইড বিভাগের পরিচালক রাশেদ মোহাম্মদ নাসের আলমাইল আলজাবি কর্মসূচির স্থান পরিদর্শন করেন এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিটি পরিবারকে প্রায় ৩৮ কেজি ওজনের একটি খাদ্য প্যাকেজ প্রদান করা হয়। প্যাকেজে পবিত্র রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিনের ইফতার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সহায়তা পাওয়া পরিবারগুলো এই মানবিক উদ্যোগের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তারা জানান, রমজানের এই খাদ্য সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য স্বস্তি হয়ে এসেছে এবং কঠিন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তারা কৃতজ্ঞ।


বাংলাদেশ আইটি প্রফেশনাল ফ্রেন্ডস ক্লাবের বাৎসরিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১১ মার্চ, ২০২৬ ২০:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের আইটি পেশাজীবীদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ আইটি প্রফেশনাল ফ্রেন্ডস ক্লাব (বিআইটিপিএফসি)–এর উদ্যোগে বাৎসরিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর মিরপুর ১২ এর একটি রুফটপ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও ক্লাউড সেবাসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন শাখার পেশাজীবী এবং বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নেন। ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণকারী আইটি পেশাজীবীরা দেশের প্রযুক্তি খাতের বর্তমান অবস্থা, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

এ সময় আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসা–বাণিজ্য, শিল্প ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রুপভিত্তিক মতবিনিময় সভায় প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে করণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। আয়োজকেরা জানান, বাংলাদেশ আইটি প্রফেশনাল ফ্রেন্ডস ক্লাব দীর্ঘদিন ধরে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। আইটি প্রশিক্ষণ, ওয়েবিনার, সেমিনার, কর্মশালা এবং বিভিন্ন লাইভ প্রোগ্রামের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রযুক্তি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা এবং আইটি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সংগঠনটি ভূমিকা রাখছে।

বর্তমানে সংগঠনটির সদস্যসংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার। সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সালেহ মুহাম্মদ মোবিন। উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মোঃ আরিফ, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ভূঁইয়া, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি কাজী মোহাম্মদ মুরাদে আলম, প্রশিক্ষণ ও ডেভেলপমেন্ট সেক্রেটারি মোঃ আরিফিন, মেম্বারশিপ ডেভেলপমেন্ট সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন সুজন, পার্টনারশিপ সেক্রেটারি মোঃ সোহেল সিকদার, ইভেন্ট সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন,মো ইজাজুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম মিঠু,খালিদ শামস্ রনি,মোঃ ছাইদুর রহমান সহ
এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য, ক্লাবের সদস্য, আইটি খাতের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে বক্তারা বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


‘অল সমাধান’ এক অ্যাপে স্বাস্থ্য, জরুরি সেবা ও ডেলিভারিতে নতুন যুগের সূচনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সহায়তা খাতে প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতে ‘অল সমাধান’ (All Samadhan) নামে একটি আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের দৈনন্দিন স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি মুহূর্তের সকল প্রয়োজনীয় সহায়তা এখন একটি প্ল্যাটফর্মেই সহজে পাবেন। গত ৬ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেবার উদ্বোধন করা হয়।

সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একইসাথে ফার্মেসি, ডেলিভারি ও অ্যাম্বুলেন্স পার্টনারদের জন্য এই প্ল্যাটফর্মটি টেকসই আয়ের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

এখন থেকে গ্রাহকরা ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় ঔষধের ফরমায়েশ দিতে পারবেন এবং নিবন্ধিত বিশ্বস্ত ফার্মেসি থেকে দ্রুততম সময়ে তা সরাসরি হাতে পৌঁছে যাবে। দূরত্বের কারণে পরিবারের বড়দের বা প্রিয়জনদের প্রয়োজনীয় যত্নে যেন কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সেই দায়বদ্ধতা থেকেই কাজ করে যাচ্ছে ‘অল সমাধান’।

জরুরি অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে সংশ্লিষ্টরা জানান, "জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্তই অনেক সময় জীবন বাঁচায়"। এই বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিয়ে অ্যাপটিতে যুক্ত করা হয়েছে ওয়ান-ক্লিক অ্যাম্বুলেন্স সেবা। এর মাধ্যমে স্বচ্ছ ভাড়া ও সহজ বুকিং নিশ্চিত করে ২৪ ঘণ্টা যেকোনো অসুস্থতায় তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া সম্ভব হবে।

এই প্ল্যাটফর্মটি কেবল সেবা গ্রহীতাদের জন্যই নয়, বরং সেবকদের আয়ের ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ডেলিভারি পার্টনাররা এখানে নিজেদের সুবিধাজনক সময়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। একইভাবে অ্যাম্বুলেন্স মালিক ও চালকদের জন্য রয়েছে স্মার্ট ডিজিটাল নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুবিধা, যা তাদের ট্রিপ ও আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বিশেষ অফার হিসেবে রেজিস্ট্রেশনের পর প্রথম পাঁচটি ট্রিপে কমিশনমুক্ত সুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ রাখা হয়েছে।

ফার্মেসি মালিকদের ব্যবসায়িক প্রসারেও এই অ্যাপ আধুনিক সমাধান নিয়ে এসেছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে নতুন গ্রাহক সৃষ্টি, স্বচ্ছ লেনদেন এবং দ্রুত অর্ডার প্রসেসিংয়ের সুবিধা এখানে পাওয়া যাচ্ছে একদম বিনামূল্যে। পাশাপাশি স্বল্প খরচে স্টক আপডেট রাখা এবং পাইকারি ক্রয়-বিক্রয়ের সুযোগ ফার্মেসিগুলোর কার্যক্রমকে আরও গতিময় করবে।

মানবিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অ্যাপটিতে রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা ও গ্রহীতাদের সমন্বয়ে গড়া একটি ফ্রি নেটওয়ার্ক। এর ফলে সংকটের মুহূর্তে রক্তদাতার সাথে দ্রুত যোগাযোগ ও সমন্বয় করা অনেক সহজ হয়ে উঠেছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশব্যাপী একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য সেবা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে তারা আগ্রহী ফার্মেসি মালিক, ডেলিভারি পার্টনার এবং অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারীদের যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। এই সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে একটি দ্রুত, নিরাপদ ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পরিবেশ তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


ঈদ আনন্দে এইম ইনিশিয়েটিভ ফাউন্ডেশন স্কুলের সঙ্গে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে সাজগোজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিউটি ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড সাজগোজ সম্প্রতি এইম ইনিশিয়েটিভ ফাউন্ডেশন স্কুলের কমিউনিটি ইমপ্যাক্ট পার্টনার হিসেবে এক বিশেষ সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে স্কুলটির বার্ষিক ইফতার কর্মসূচিতে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করে প্রতিষ্ঠানটি।

রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল স্কুলের প্রতিটি শিশু যেন যথাযথ মর্যাদা ও উচ্ছ্বাসের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারে, তা নিশ্চিত করা।

বার্ষিক এই ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে এক অনন্য মেলবন্ধন তৈরি হয়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এটি কেবল একটি অনুষ্ঠান ছিল না, বরং সম্প্রীতি ও আনন্দের এক উষ্ণ পরিসর হিসেবে ধরা দেয়।

সাজগোজ কর্তৃপক্ষ মনে করে, ক্ষমতায়নের অর্থ কেবল সৌন্দর্যচর্চার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকা নয়। বরং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের শিক্ষা ও সম্ভাবনার পথ সুগম করতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্র্যান্ডটি সবসময় সক্রিয় ভূমিকা পালনে সচেষ্ট। এইম ইনিশিয়েটিভ ফাউন্ডেশন স্কুলের সাথে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে সাজগোজ তাদের সেই সামাজিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের একটি বৈষম্যহীন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে ব্র্যান্ডটি তাদের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন বজায় রেখেছে।

উল্লেখ্য, সাজগোজ বাংলাদেশের একটি অগ্রগণ্য বিউটি ও লাইফস্টাইল প্ল্যাটফর্ম। নির্ভরযোগ্য রূপচর্চা ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য সরবরাহের পাশাপাশি সঠিক তথ্য এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানুষের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি, যাতে প্রত্যেকে নিজ জীবনে দৃঢ়তার সাথে এগিয়ে যেতে পারে।


ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ সহজ হলো — অতিথি দিচ্ছে ০% EMI সুবিধা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

এই ঈদে পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার কথা ভাবছেন? আপনার ভ্রমণকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে অতিথি নিয়ে এসেছে বিশেষ “Travel Now, Pay Later” সুবিধা। এখনই বুক করুন বাংলাদেশের ছয়টি অনন্য গন্তব্যের ভ্রমণ প্যাকেজ এবং উপভোগ করুন সর্বোচ্চ ৩ মাস পর্যন্ত ০% EMI সুবিধা!

অতিথি বাংলাদেশের ছয়টি গন্তব্যে যেমন সিলেট, শ্রীমঙ্গল, সুন্দরবন, উত্তরবঙ্গ, মধুপুর এবং রাজশাহীতে ভ্রমণ প্যাকেজ অফার করে থাকে। BRAC Bank PLC, United Commercial Bank PLC, এবং Eastern Bank PLC এর কার্ডহোল্ডাররা অতিথি’র এই যেকোনো প্যাকেজ বুক করে উপভোগ করতে পারবেন সর্বোচ্চ ৩ মাস পর্যন্ত ০% EMI সুবিধা। এই বিশেষ অফারটি পেতে ৩১ মার্চ ২০২৬-এর আগেই বুক করুন আপনার পছন্দের ভ্রমণ প্যাকেজ! বিস্তারিত জানতে এবং বুক করতে ভিজিট করুন: https://otithi.brac.net/microsite/our-packages. এছাড়াও যোগাযোগ করুন +8809610800700 নম্বরে অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন +8801332550542 নম্বরে।

আমাদের সিলেট প্যাকেজে রয়েছে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা রাতারগুল, জাফলং ও লালাখাল ভ্রমণের সুযোগ, যেখানে পাহাড়, নদী আর সবুজের মায়া একসঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করে এক মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা। শ্রীমঙ্গল প্যাকেজে উপভোগ করতে পারবেন সবুজে মোড়া চা–বাগানের শান্ত সৌন্দর্য, পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনধারা কাছ থেকে জানার এক অনন্য সুযোগ। সুন্দরবন প্যাকেজের মূল আকর্ষণ হলো বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের বিস্ময়কর প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং করমজল পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা।

উত্তরবঙ্গ প্যাকেজে অপেক্ষা করছে বরেন্দ্র অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প, সঙ্গে রয়েছে ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ ভ্রমণের সুযোগ, যা এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে তুলে ধরে। আর মধুপুর প্যাকেজে আপনি পাবেন প্রকৃতির সান্নিধ্যে মাটির ঘরে থাকার ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা এবং মান্দি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী রান্নার স্বাদ নেওয়ার সুযোগ।

ঈদ মানেই একসাথে সময় কাটানোর আনন্দ। সেই আনন্দকে আরও স্মরণীয় করতে অতিথি’র সঙ্গে এবার ঈদের ভ্রমণ হোক সহজ, সাশ্রয়ী এবং নিশ্চিন্ত।


ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস, ক্রেতার পছন্দে  ওয়ালটনের আধিপত্য

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কেনাকাটার ধুম পড়েছে। পোশাক ও জুতার পাশাপাশি গৃহস্থালি ইলেকট্রনিক্স পণ্য, বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ কেনার প্রতি ক্রেতাদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, রমজান শুরু হওয়ার পর থেকেই খাদ্য সংরক্ষণ এবং ইফতার ও সেহরির প্রস্তুতির সুবিধার্থে নতুন ফ্রিজ কেনার প্রবণতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এই মৌসুমী চাহিদাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দেশীয় ইলেকট্রনিক্স খাতের শীর্ষ ব্র্যান্ড ওয়ালটন ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ওয়ালটন প্লাজা ও পরিবেশক শোরুমগুলোতে বর্তমানে ক্রেতাদের ভিড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ঢাকা ছাড়িয়ে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেটসহ বিভিন্ন জেলা শহরেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রয় প্রতিনিধিরা। বর্তমানের সচেতন ক্রেতারা কেবল পণ্য কেনায় সীমাবদ্ধ না থেকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, দীর্ঘস্থায়ী এবং আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ফ্রিজ খুঁজছেন। ওয়ালটন তাদের উদ্ভাবনী ডিজাইন ও দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবার মাধ্যমে বাজারে এই আস্থার জায়গাটি সুদৃঢ় করেছে।

রমজানে ফ্রিজের চাহিদা বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোয়েব আহমেদ বলেন, “রমজান মাসে পরিবারভিত্তিক খাদ্য সংরক্ষণের প্রয়োজন স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। ইফতার ও সেহরির জন্য আগে থেকে খাবার প্রস্তুত রাখা, ফল, দুগ্ধজাত খাবার, মাংস, হিমায়িত খাদ্য এবং রান্না করা খাবার নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য বড় বা উন্নতমানের ফ্রিজের প্রয়োজনীয়তা বেশি অনুভূত হয়। ফলে এই সময়ে বহু পরিবার পুরনো ফ্রিজ পরিবর্তন করে নতুন ফ্রিজ কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। তাই প্রতিবছরই রমজানে ফ্রিজের চাহিদা ও বিক্রি বৃদ্ধি পায়।”

ফ্রিজ বিক্রির এই বিশাল বাজার নিয়ে ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক জানান, “ঈদ মৌসুমে বরাবরই ফ্রিজের বিক্রি বেশ ভালো হয়। অনেক ক্রেতাই নতুন ফ্রিজ কেনার জন্য ঈদের আগের সময়টাকে বেছে নেন। কেননা এই সময় বেতন, বোনাস মিলিয়ে ক্রেতাদের কাছে বাড়তি টাকা থাকে। তাই বাংলাদেশে রোজা ও কোরবানির ঈদকে ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সারা বছরের মোট ফ্রিজ বিক্রির অর্ধেকেরও বেশি বিক্রি হয় এই সময়টাতে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, উন্নত প্রযুক্তি ও নির্ভরযোগ্য কর্মক্ষমতার কারণে ওয়ালটন ফ্রিজ এখন আধুনিক রান্নাঘরের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ওয়ালটন ফ্রিজে যুক্ত হওয়া অ্যাডভান্সড এআই (AI) এবং আইওটি (IoT) ফিচারের কারণে প্রযুক্তিপ্রেমী ক্রেতাদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। বর্তমানে ওয়ালটন ফ্রিজে যুক্ত রয়েছে এআই ডক্টর, এমএসও ইনভার্টার টেকনোলজি, ডুয়াল টেম্পারেচার কন্ট্রোল এবং ২১.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লের মতো সব আধুনিক স্মার্ট সুবিধা, যা স্মার্টফোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ওয়ালটন কেবল ব্যবসায়িক সাফল্য নয়, বরং দেশীয় শিল্প খাতের সক্ষমতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এদিকে ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চলমান ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৩’ এর আওতায় ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ক্রেতারা সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটরসহ অসংখ্য পণ্য উপহার হিসেবে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া ওয়ালটন প্লাজা থেকে ফ্রিজ কিনলে ১০ শতাংশ এবং নির্দিষ্ট কিছু মডেলে অনলাইন ক্রয়ের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ মূল্যছাড় দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে ১৫,৬৯০ টাকা থেকে শুরু করে ২,৪০,০০০ টাকা মূল্যের ৩ শতাধিক মডেলের ওয়ালটন ফ্রিজ পাওয়া যাচ্ছে।


banner close