বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

লভ্যাংশ বাড়তে পারে ১৮ ব্যাংকের

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৬ ব্যাংকের মধ্যে ৩৫টি ব্যাংক সম্প্রতি তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৬ মার্চ, ২০২৫ ১৬:৫৭

ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর ডিসেম্বরে’২৪ অর্থবছরের আর্থিক বছর শেষ হয়েছে। গত ১৩ মার্চ থেকে প্রাইম ব্যাংকের বোর্ড সভার মাধ্যমে ডিভিডেন্ড ঘোষণা শুরু হয়। সমাপ্ত অর্থবছরে ব্যাংকটি ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে। আগের বছর যেখানে সাড়ে ১৭ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। অন্য ব্যাংকগুলো পর্যায়ক্রমে লভ্যাংশ ঘোষণা করবে। গত অর্থবছরের সর্বশেষ প্রান্তিকে আয় বৃদ্ধি পাওয়া ১৮ ব্যাংকের ডিভিডেন্ড বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডিএসইর তথ্যানুযায়ী, দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৬টি ব্যাংকের মধ্যে ৩৫টি ব্যাংক সম্প্রতি তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) অনিরক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী আলোচ্য সময়ে ১৮ ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে। একই সময়ে ইপিএস কমেছে ১০টি, অপরিবর্তিত একটি এবং লোকসানে ৬টি ব্যাংক।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইপিএস বৃদ্ধি পাওয়া ব্যাংকগুলো হলো- স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (এনআরবিসি ব্যাংক), ব্যাংক এশিয়া, ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, ওয়ান ব্যাংক পিএলসি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, দ্যা সিটি ব্যাংক পিএলসি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি), ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, উত্তরা ব্যাংক পিএলসি, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি, সাউথবাংলা অ্যাগ্রিকারচারাল ব্যাংক (এসবিএসি), মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি), পূবালী ব্যাংক পিএলসি, ন্যাশনাল ক্রেডিট কমার্স ব্যাংক পিএলসি (এনসিসি ব্যাংক), ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি এবং যমুনা ব্যাংক পিএলসি।

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৫ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ২ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৮ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২৮ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৩০ পয়সা।

এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (এনআরবিসি ব্যাংক): তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিটেড ইপিএস) হয়েছে ০.১৩৬ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার লোকসান ছিল ০.০৮১ টাকা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৫ পয়সা।

অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টম্বর’২৪) কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ০.৮৬৯ টাকা। গত অর্থছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ১৩৭ পয়সা।

ব্যাংক এশিয়া: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৯ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৮ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৭১ পয়সা।

অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টম্বর’২৪) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ০৬ পয়সা।

ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৭ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫২ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ২৫ পয়সা।

অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি- সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৩৫ পয়সা।

ওয়ান ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পাটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৩ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৫ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৩৮ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৬৩ পয়সা।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনস্যুলেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ০৬ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮৬ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ২০ পয়সা।

অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৩১ পয়সা।

দ্যা সিটি ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৯ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৪৪ পয়সা।

অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩৫ পয়সা আয়। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৮১ পয়সা।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি): তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির সমন্বিতভাবে শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৬৬ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫১ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ১৫ পয়সা।

অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (কনস্যুলেডেটেড ইপিএস) ১ টাকা ৫১ পয়সা আয় হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ১৪ পয়সা।

ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (কনস্যুলেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৭ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা।

অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি- সেপ্টেম্বর’২৪) সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৯২ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৯৭ পয়সা।

উত্তরা ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৮ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯১ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৫৭ পয়সা।

অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮২ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ৩৭ পয়সা।

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (কনস্যুলেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৩ পয়সা। গত অর্থবছরের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৫১ পয়সা।

অর্থবছরের তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি- সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩৮ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৫ পয়সা।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি: চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই’২৪-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ০৬ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ৭৮ পয়সা আয় করেছিল।

অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে (জানুয়ারি’২৪-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ০৪ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে তা ২ টাকা ১১ পয়সা ছিল।

সাউথবাংলা অ্যাগ্রিকারচারাল ব্যাংক (এসবিএসি): তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পাটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৯ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১৯ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৩০ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯৫ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ১ টাকা ৬০ ইপিএস হয়েছিল।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি): তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পাটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯২ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৮৪ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৮ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ১ টাকা ৯৪ ইপিএস হয়েছিল।

পূবালী ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনস্যুলেটেড ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৩৯ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৩ টাকা ২৫ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ২ টাবা ১৪ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫৮ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে তা ৫ টাকা ৩০ পয়সা ছিল।

ন্যাশনাল ক্রেডিট কমার্স ব্যাংক পিএলসি (এনসিসি ব্যাংক): তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনস্যুলেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮১ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ৮৭ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৯৪ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪৮ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে তা ২ টাকা ৩০ পয়সা ছিল।

ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনস্যুলেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৩ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ২৯ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৪ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৬ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে তা ২ টাকা ৭৮ পয়সা ছিল।

যমুনা ব্যাংক পিএলসি: চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২৪) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৮৭ পয়সা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ইপিএস বেড়েছে ৩৩ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২৪) ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৬৯ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩ টাকা ৭৮ পয়সা।


মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩৩ কোটি ডলার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২১
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বের একক বৃহত্তম পোশাক বাজার যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি কমেছে ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ। যেখানে প্রধান প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, সেখানে বাংলাদেশের এই পতন বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা নিয়ে নতুন শঙ্কার সৃষ্টি করেছে। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন বাজারে এখন শীর্ষ সরবরাহকারী হিসেবে ভিয়েতনাম তার অবস্থান শক্ত করেছে, যা বাংলাদেশের জন্য বড় ধরণের বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল’ (ওটিইএক্সএ) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫ সালের প্রথম চার মাসে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির অর্থমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৬৪ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৯৮ কোটি ১৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৩৩ কোটি ৫২ লাখ ডলার সমমূল্যের পোশাক আমদানি কমিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি ১ দশমিক ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫১৫ কোটি ৫৮ লাখ ৭০ হাজার ডলারে উন্নীত হয়েছে, যার ফলে দেশটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ পোশাক সরবরাহকারীতে পরিণত হয়েছে।

প্রতিযোগী অন্যান্য দেশের মধ্যে কম্বোডিয়া অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। দেশটিতে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি ১৪ শতাংশের বেশি বেড়ে ১৪০ কোটি ৪১ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানিও ২ দশমিক ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাংলাদেশের মতো বড় ধরণের ধস নেমেছে চীন ও ভারতে। চীন থেকে মার্কিন পোশাক আমদানি অর্ধেকের বেশি বা ৫০ দশমিক ২১ শতাংশ কমে গেছে। ভারতের ক্ষেত্রেও রপ্তানি কমেছে প্রায় ২৮ শতাংশ। সামগ্রিকভাবে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি কমেছে ১২ শতাংশ।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু অর্থমূল্যেই নয়, পরিমাণগত দিক থেকেও বাংলাদেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। জানুয়ারি-এপ্রিল সময়ে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানির পরিমাণ ৯ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৮৯ কোটি বর্গমিটারে নেমে এসেছে। বিপরীতে ভিয়েতনামের সরবরাহ প্রায় ৩ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার সরবরাহ প্রায় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি কমার অন্যতম কারণ হিসেবে পণ্যের ইউনিট মূল্য হ্রাসকেও চিহ্নিত করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি বর্গমিটার বাংলাদেশী পোশাকের গড় দাম ২ ডলার ৯৭ সেন্ট, যা গত বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম। অথচ প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে ভিয়েতনাম, ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার পণ্যের দাম বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি।

এপ্রিল মাসেও বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি। শুধু এপ্রিলেই বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি ১৭ শতাংশের বেশি কমেছে। অথচ এই সময়েও কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো তাদের অবস্থান শক্তিশালী রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, লজিস্টিক সংকট এবং উচ্চমূল্যের পণ্যের অভাব বাংলাদেশকে এই প্রতিযোগিতামূলক বাজারে পিছিয়ে দিচ্ছে। যেখানে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারছে, সেখানে বাংলাদেশের এই পতন রপ্তানি আয়ে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওটিইএক্সএর তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাজারের এই সংকোচন এবং প্রতিযোগীদের উত্থান বাংলাদেশের প্রধান এই রপ্তানি খাতের জন্য একটি বড় সতর্ক সংকেত।


ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে এবিবির উদ্বেগ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে দেশের ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) গভীর উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি মনে করছে, এই সংকট শুধু একটি বিশেষ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর নেতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের ওপর পড়ছে। বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এবিবির চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন সাংবাদিকদের নিকট এই উদ্বেগের কথা জানান।

মাসরুর আরেফিন জানান, ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি দেশের ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গভর্নরের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সংকট বর্তমানে রাজনৈতিক মাত্রা পেয়েছে, তাই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে একটি টেকসই সমাধানের চেষ্টা চলছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুশাসন নিশ্চিতে কঠোর বার্তা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘গভর্নর ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানিয়েছেন।’ একই সঙ্গে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) তথ্যের শতভাগ নির্ভুলতা নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে দেশের অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) সহায়তা করতে একটি বড় ধরনের বিশেষ উদ্যোগের কথা জানানো হয়। সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক যৌথভাবে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি নতুন অর্থায়ন প্যাকেজ চালুর পরিকল্পনা করছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় ও বাণিজ্যে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর নজরদারির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন গভর্নর।

রফতানি ও আমদানি সংক্রান্ত তথ্যের ভুল বা বিলম্ব জাতীয় হিসাব-নিকাশে জটিলতা তৈরি করছে বলে গভর্নর বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে আমদানিকৃত পণ্যের ঘোষিত মূল্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারদরের অসামঞ্জস্যতা রোধে বৈশ্বিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রকৃত মূল্য যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় রোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও বৈঠকে ঐক্যমত পোষণ করা হয়।


জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৭ হাজার কোটি টাকার তেল আমদানি করবে সরকার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৬ সালের জুন থেকে আগস্ট সময়কালীন এই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি তেল ক্রয়ে সরকারের মোট ব্যয় হবে ১৭ হাজার ৩৩ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত পৃথক চারটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চারটি ভিন্ন প্যাকেজে এই পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে। প্রথম প্যাকেজের আওতায় সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড মোট ৪ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি সরবরাহ করবে, যার মধ্যে ৩ লাখ ৯০ হাজার টন গ্যাস অয়েল ০.০০৫% ‘এস’ এবং ৯০ হাজার টন জেট এ-১ জ্বালানি রয়েছে। এই লটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৬৭২ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় প্যাকেজে সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড সরবরাহ করবে ৪ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন তেল। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪০ হাজার টন গ্যাস অয়েল এবং ৮০ হাজার টন জেট এ-১ রয়েছে, যাতে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৭১১ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার টাকা।

অন্যান্য জ্বালানির মধ্যে তৃতীয় প্যাকেজের আওতায় সিঙ্গাপুরের ট্রাফিগুরা প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ১ হাজার ৯০০ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে ২ লাখ মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল ১৮০ সিএসটি সংগ্রহ করা হবে। এছাড়া চতুর্থ প্যাকেজের অধীনে ভিটল এশিয়া থেকে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন-৯৫ আনলোডেড আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৪৮ কোটি ৯৬ লাখ ১০ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য যে, পূর্ববর্তী জানুয়ারি-জুন সময়ের তুলনায় বর্তমান মেয়াদে জ্বালানি আমদানির প্রিমিয়ামের হারে বড় ধরণের উল্লম্ফন দেখা গেছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গ্যাস অয়েলের ক্ষেত্রে প্রিমিয়াম বৃদ্ধির হার প্রায় ৬৪ শতাংশ এবং জেট এ-১ এর ক্ষেত্রে প্রায় ৫৪ শতাংশ। এছাড়া ফার্নেস অয়েল ও গ্যাসোলিনের প্রিমিয়ামও ৪৫ থেকে ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যেই দেশের বিদ্যুৎ ও পরিবহন খাতের নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার এই বিশাল অংকের ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, টেকনিক্যাল ইভ্যালুয়েশন কমিটির সুপারিশ ও প্রতিযোগিতামূলক দরের ভিত্তিতেই সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই সরবরাহের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে।


শেয়ারবাজারে অস্থিরতা, সূচক ও লেনদেনে পতন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের পূর্বমুহূর্তে দেশের শেয়ারবাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা ও দোদুল্যমান প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার অপেক্ষায় থাকা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরণের সতর্কাবস্থা বিরাজ করায় বুধবার (১০ জুন) সূচক ও লেনদেন—উভয় ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। গত কয়েক কার্যদিবস ধরে বাজারে বড় উত্থান ও পুনরায় পতনের যে চক্র চলছে, আজ দরপতনের মাধ্যমে সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকল।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী ধারা থাকলেও শেষ দিকে এক শ্রেণির বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রির চাপে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দরপতন ঘটে। দিনশেষে ডিএসইতে ১৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ১৭৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৪টি প্রতিষ্ঠানের দর। এর ফলে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক সামান্য কমলেও ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। লেনদেনের অংকের দিকে তাকালে দেখা যায়, বুধবার ডিএসইতে ১ হাজার ২১০ কোটি ৫ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৭৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা কম।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতের অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দাম বাড়লেও মৌলভিত্তি সম্পন্ন বড় কোম্পানিগুলোর দরপতন সূচকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এদিন লেনদেনের শীর্ষে ছিল এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, সামিট এলায়েন্স পোর্ট এবং এনসিসি ব্যাংক। এছাড়া শীর্ষ তালিকায় আরও ছিল পিপলস ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ও জেনেক্স ইনফোসিসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দরপতনের চিত্র ফুটে উঠেছে, যেখানে সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৭৩ পয়েন্ট কমেছে। সিএসইতে ২৩৭টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেনে অংশ নেওয়া ১০৮টির দাম বাড়লেও ৯৯টির দাম কমেছে এবং সেখানে প্রায় ২৪ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। মূলত বাজেটে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত সম্ভাব্য ঘোষণাগুলো নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরণের সংশয় কাজ করায় বাজারে এমন অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


কুনমিংয়ে দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের রেকর্ড অংশগ্রহণ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১০ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক আসর ‘দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি ও রপ্তানি মেলা ২০২৬’-এ মর্যাদাপূর্ণ ‘থিম কান্ট্রি’ হিসেবে অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ। দেশটির ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে আজ থেকে এই ছয় দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং কুনমিংস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এবারের আয়োজনে বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।

আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এই মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক তাদের পণ্য ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করছেন। ইপিবি সূত্রে জানা গেছে যে, থিম কান্ট্রি হওয়ার সুবাদে এবারের আসরে বাংলাদেশকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে। মেলার প্রথম দিনে মূল উৎসবের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হবে। আয়োজনের দ্বিতীয় দিনটিকে ‘বাংলাদেশ ডে’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।

এই উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানগুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও ইউনান প্রদেশের গভর্নরসহ বিভিন্ন দেশের নীতি-নির্ধারক ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা এসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। মেলায় স্থাপিত বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, ওষুধ, সিরামিক, পাট ও চামড়াজাত পণ্যের পাশাপাশি বাহারি হস্তশিল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা আন্তর্জাতিক ক্রেতা, আমদানিকারক ও পরিবেশকদের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে বিজনেস টু বিজনেস (বিটুবি) নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে নতুন বাণিজ্যিক বাজার সৃষ্টি এবং চীনের বাজারে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে এই মেলা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


টিসিবির জন্য ৮২ কোটি টাকার মসুর ডাল কিনছে সরকার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে বিতরণের জন্য স্থানীয় উৎস থেকে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। এই পরিমাণ ডাল সংগ্রহের জন্য সরকারের মোট ব্যয় হবে ৮২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। রাজশাহীর প্রতিষ্ঠান নাবিল নবা ফুডস লিমিটেড প্রতি কেজি ৮২ টাকা ৫৪ পয়সা দরে এই ডাল সরবরাহ করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী টিসিবির মোট ২ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, যার মধ্যে ইতিমধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২৭২ মেট্রিক টন ডাল সংগ্রহ করা হয়েছে। সারাদেশে টিসিবির উপকারভোগীদের মাঝে নিয়মিত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতেই নতুন করে এই ১০ হাজার মেট্রিক টন ডাল কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দর ছিল প্রতি কেজি ৮৭ টাকা ৩৭ পয়সা, তবে উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় ৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নাবিল নবা ফুডস লিমিটেড সর্বনিম্ন দর প্রস্তাব করায় তাদের নির্বাচন করা হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, স্থানীয় পাইকারি বাজারে একই মানের মসুর ডালের গড় মূল্য যেখানে প্রতি কেজি ৮৪ টাকা, সেখানে টিসিবি ৮২ টাকা ৫৪ পয়সা দরে তা সংগ্রহ করছে। এমনকি অস্ট্রেলিয়া বা ভারত থেকে আমদানিকৃত ডালের তুলনায় স্থানীয় উৎস থেকে এই ক্রয় প্রক্রিয়াটি সরকারের জন্য অনেক বেশি সাশ্রয়ী। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করতে গেলে প্রতি কেজিতে খরচ পড়ত প্রায় ৯৪ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৪ টাকা ২৪ পয়সা পর্যন্ত।

বর্তমানে টিসিবির গুদামে পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও আগামী ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত কার্যক্রম সচল রাখতে বড় অংকের ডালের প্রয়োজন হবে। টিসিবির চাহিদা ও মজুত পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে এই ক্রয় প্রস্তাবটি প্রয়োজনীয় মনে করেছে সরকার। মূলত নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে টিসিবির পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার করাই এই সংগ্রহের মূল উদ্দেশ্য।


মরক্কো থেকে ৫২২ কোটি টাকার টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মরক্কো থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মরক্কোর ওসিপি ন্যুট্রিক্রপস এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে দুই পৃথক লটে এই সার সংগ্রহ করা হবে। এই বিপুল পরিমাণ সার আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ৫২২ কোটি ৯৪ লাখ ৮৫ হাজার ১৭৫ টাকা।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত প্রথম প্রস্তাব অনুযায়ী ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার কেনা হবে। এই ধাপে প্রতি মেট্রিক টনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮৮ মার্কিন ডলার এবং এতে মোট ব্যয় হবে ২৫৪ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। একইভাবে দ্বিতীয় আরেকটি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই লটের ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৭২৬ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার এবং এর ফলে এই ধাপে সরকারের মোট ব্যয় হবে ২৬৮ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার ১৭৫ টাকা। কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে এবং সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার দ্রুততম সময়ে এই আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। মূলত আন্তর্জাতিক বাজারদরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সরাসরি সরকারি পর্যায়ে এই ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।


বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১০ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৫
বাণিজ্য ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে আক্রমণ শুরু করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের কার্যদিবসে তেলের দাম কমে গত সাত সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে পৌঁছালেও বুধবার (১০ জুন) বাজার আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের সূচনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার তথ্য বাজারে এই উর্ধ্বমুখী প্রভাব ফেলেছে। খবর রয়টার্সের।

বুধবার লেনদেন শুরুর পর লন্ডন বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৩ সেন্ট বা ০.৯ শতাংশ বেড়ে ৯২.২৯ ডলারে উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৬৮ সেন্ট বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮৮.৯৭ ডলারে পৌঁছেছে।

বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতির নতুন তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত টানা অষ্টম সপ্তাহের মতো হ্রাস পেয়েছে। গত ৫ জুন শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটিতে তেলের মজুত ৯১.২ লাখ ব্যারেল এবং পেট্রোলের মজুত ১১.৯ লাখ ব্যারেল কমেছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া ও ইউরোপে জ্বালানি পণ্যের রফতানি বাড়ালেও অভ্যন্তরীণ মজুত কমে আসায় সেই সক্ষমতা এখন হুমকির মুখে। রফতানি ব্যাহত হওয়ার এই আশঙ্কা বিশ্ববাজারে তেলের দামকে আরও উসকে দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।


দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের (তেজাবী স্বর্ণ) মূল্য হ্রাস পাওয়ার প্রেক্ষিতে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই মূল্য কার্যকর হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা। এর আগে এ মানের স্বর্ণ ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনের ব্যবধানে এটি স্বর্ণের মূল্যে তৃতীয় দফা পতন। গত ২ জুন ও ৬ জুন দুই দফায় দাম কমানোর পর আজ আবারও মূল্য হ্রাস পাওয়ায় তিন দফায় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম মোট ১৫ হাজার ৩৩৯ টাকা কমেছে।

স্বর্ণের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রূপার দামও কমিয়েছে বাজুস। সবচেয়ে ভালো মানের রূপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে স্থানীয় বাজারের সমন্বয় এবং তেজাবী স্বর্ণের দাম হ্রাস পাওয়ার কারণেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন দাম বুধবার সকাল থেকেই সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।


৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ১২ হাজার কোটি টাকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম ৮ দিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ৯৭ কোটি ৯০ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১২ হাজার ১৮ কোটি ৩২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে)।

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরিফ হোসেনের দেওয়া তথ্য মতে, গতকাল সোমবার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৩২৪ কোটি ৯৬ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। গত বছরের জুন মাসের প্রথম ৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৯০ কোটি ৭২ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে সাত দশমিক ৯২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ৮ জুন পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে তিন হাজার ৩৭৩ কোটি ৫৮ লাখ ৯০ হাজার ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৮৪১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ।


বাড়ছে না বিড়ির দাম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির দাম ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফলে নতুন অর্থবছরে বিড়ির দামে কোনো পরিবর্তন আসছে না।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসন-৩ এর সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

রাশেদা বেগম হীরা জানতে চেয়েছিলেন, তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধি, বিশেষ করে বিড়ির খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও এক শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রেখে অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হবে কিনা।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে বিড়ির ক্ষেত্রে মূল্য এবং করহার আগের বছরের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৫০ বিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে জাপান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৯ জুন, ২০২৬ ১৯:২০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো সুসংহতকরণ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ সরকার ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) মধ্যে ৫০ বিলিয়ন জাপানি ইয়েনের একটি বিশাল ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং জাইকা বাংলাদেশ কার্যালয়ের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে সই করেন। প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকার এই আর্থিক সহায়তা মূলত ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফর এনহ্যান্সিং ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড স্টেবল এনার্জি সাপ্লাই’ শীর্ষক কর্মসূচির অধীনে প্রদান করা হচ্ছে।

এই ঋণ সহায়তা দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমকে বেগবান করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জাপান সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ‘পার্টনারশিপ অন ওয়াইড এনার্জি অ্যান্ড রিসোর্সেস রেজিলিয়েন্স এশিয়া (POWERR Asia)’-এর আওতায় এটিই প্রথম সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) ঋণ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো এশিয়ার দেশগুলোতে জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি হ্রাস করা এবং বিশ্ববাজারের অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় কার্যকর সহযোগিতা প্রদান করা। একই অনুষ্ঠানে নোট বিনিময় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইআরডি সচিব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।

প্রদত্ত এই ঋণ কর্মসূচির দুটি প্রধান ভিত্তি রয়েছে, যার একটি হলো জ্বালানি খাতের সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং অন্যটি অর্থনৈতিক সুশাসন ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করা। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহ-অর্থায়নে পরিচালিত এই কার্যক্রমের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করার মতো নীতিগত পদক্ষেপগুলোতে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এর ফলে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর টেকসই পরিচালনা এবং দেশব্যাপী স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য এই সহায়তা অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এটি দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের সাথে বাংলাদেশের অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। জ্বালানি খাতের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতেই এই বিশাল অঙ্কের ঋণ সহায়তা প্রদান করেছে জাইকা। মূলত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জাইকার এই অব্যাহত সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।


বিমা খাতের দাপটে ফের চাঙা শেয়ারবাজার, সূচক ও লেনদেনে বড় উত্থান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এক কার্যদিবসের ব্যবধানে দেশের শেয়ারবাজার আবারও বড় ধরণের উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফিরেছে। গত সোমবারের ঢালাও দরপতনের ধাক্কা কাটিয়ে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক সক্রিয়তায় বাজার ইতিবাচক ধারায় ফিরে আসে। এই ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে বিমা খাত। এদিন অধিকাংশ বিমা কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য খাতেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, যার ফলে দিনশেষে মূল্যসূচক ও লেনদেনের অংকে বড় ধরণের উল্লম্ফন দেখা গেছে। এই উত্থানের মাধ্যমে গত ১১ কার্যদিবসের মধ্যে ১০ দিনই শেয়ারবাজার উর্ধ্বমুখী থাকল।

মঙ্গলবার লেনদেনের শুরু থেকেই বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এই খাতের দাপট আরও বৃদ্ধি পায়, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আস্থার সঞ্চার করে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এদিন ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে দর হারিয়েছে ১০০টি এবং ৫১টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল। এর মধ্যে বিমা খাতের ৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫১টিরই দাম বেড়েছে। এই ব্যাপক উর্ধ্বগতির প্রলেপে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৩৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট এবং বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

মূল্যসূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও এদিন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিএসইতে মোট ১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩১৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনের শীর্ষে ছিল এনসিসি ব্যাংক, যার ৪৯ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকায় পরবর্তী অবস্থানে ছিল সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স ও ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং। এছাড়া শীর্ষ দশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, পিপলস ইন্স্যুরেন্স ও বেক্সিমকো ফার্মার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো।

বিভিন্ন শ্রেণির শেয়ারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অন্তত ১০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদানকারী ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বেড়েছে। পাশাপাশি 'জেড' গ্রুপের ৫৩টি এবং মাঝারি মানের ৬০টি কোম্পানির শেয়ারের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৩ পয়েন্ট বেড়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪০টির দাম বেড়েছে এবং ২৩ কোটি ৭২ লাখ টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। বিমা খাতের ধারাবাহিক উর্ধ্বগতি ও বড় মূলধনী শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজার দ্রুত তার ক্ষতি কাটিয়ে উর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে। মূলত ক্রেতাদের সক্রিয়তা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের ইতিবাচক প্রবাহই এই উত্থানের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।


banner close