শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

ডিএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৯ মার্চ, ২০২৪ ২০:৪১

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় মাদকবিরোধী অভিযানে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গত সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত এসব অভিযান চালায় ডিএমপির বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

ডিএমপি গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার কে এন রায় নিয়তি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৫ হাজার ৩২৫টি ইয়াবা, ১৮৬ গ্রাম হেরোইন, ৪ কেজি ৮২৫ গ্রাম গাঁজা ও ২০০টি ইনজেকশন জব্দ করা হয়।

এসব ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৫টি মামলা হয়েছে।

বিষয়:

শিশু হাসপাতালের আগুন: পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

আগুনের সময় হুড়োহুড়ি করে অসুস্থ শিশুদের নিয়ে বেরিয়ে আসেন অনেকে। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পঞ্চম তলায় শিশু হৃদরোগ (কার্ডিয়াক) বিভাগের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) লাগা আগুন পুরোপুরি নিভিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

গতকাল শুক্রবার দুপুর দেড়টার কিছু সময় পর আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট প্রায় এক এক ঘণ্টার চেষ্টার পর ২টা ৪০ মিনিটে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আগুন থেকে বাঁচতে ছোটাছুটি করে যে যেভাবে পেরেছেন সেভাবেই তাদের সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালের বাইরের ফ্লোরে অবস্থান নিয়েছেন। প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে এমনিতেই বাইরে অসহনীয় গরম। গরম সহ্য করতে না পেরে শিশুরা কান্নাকাটি করছে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের গণমাধ্যম কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট, সিদ্দিক বাজার থেকে একটি ইউনিট, তেজগাঁও থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। ২টা ৪০ মিনিটে আগুন পুরো নিভিয়ে ফেলা হয়।

তবে বাংলাদেশ এই আগুনে রোগীদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, রোগীদের সবাইকে নিচে নামিয়ে আনা হয়েচে। ইউসিইউতে ১৭ জন রোগী ছিলেন আমরা নামিয়ে এনেছি। কারো কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

তিনি বলেন, হাসপাতালের বি ব্লকের ৫ তলার কার্ডিয়াক বিভাগের আইসিইউতে আগুন লেগেছে। আগুনের চেয়ে ধোঁয়া একটু বেশি ছড়িয়েছে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

আগুনের সূত্রপাত কীভাবে করা হলো এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এখনও বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না। তবে আশঙ্কা করছি এসি থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, কার্ডিয়াক বিভাগের আইসিইউতে লাগা আগুনের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির পাঁচ সদস্যের মধ্যে কার্ডিয়াক আইসিইউ বিভাগের প্রধানকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিটিতে একজন মেইনটেইন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, ওয়ার্ড মাস্টার, একজন নার্স ও ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি রয়েছেন। তারা তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন।

এদিকে ওদিন বিকেলে দেখা যায়, আগুন লাগার পর হাসপাপতালের ৫ তলা ও ৪ তলার পুরো ধোঁয়ায় ভরে গেছে। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে। আগুন থেকে বাঁচতে ছোটাছুটি করে যে যেভাবে পেরেছেন সেভাবেই তাদের সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালের বাইরের ফ্লোরে অবস্থান নেন।

প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে এমনিতেই বাইরে অসহনীয় গরম। গরম সহ্য করতে না পেরে শিশুরা কান্নাকাটি করছে। ওপরে সবকিছু কখন ঠিক হবে তা জানেন না এ রোগী ও স্বজনরা। রোগীর অভিভাবক ও স্বজনরা আশঙ্কা করছেন, এমন অবস্থা চলতে থাকলে তাদের বাচ্চারা আরও অসুস্থ হয়ে পড়বে।

প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে ৭ দিন আগে শিশু হাসপাতাল আইসিইউতে ভর্তি হয় পাঁচ মাসের শিশু রাইয়ান। আগুন লাগার পর শিশুটির মা আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে শিশুটিকে নিয়ে নিচে নামে আসেন। বাচ্চাকে নিয়ে এই অসহনীয় গরমে অবস্থান নিয়েছেন হাসপাতালের বাইরে।

কয়েকজন শিশুর অভিভাবক জানান, পাঁচতলার আইসিইউতে যেসব বাচ্চা ছিল তাদের সমস্যা হচ্ছে। অনেক বাচ্চাকে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছিল। তাদের অক্সিজেন ছাড়া নিচে নামানো হয়। তাদের প্রত্যেকের অবস্থা খুবই নাজুক ছিল।


আগামীকাল নারায়ণগঞ্জে ২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি কাজের জন্য আজ শনিবার নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি স্থানে দুই ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামীকাল শনিবার দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা নারায়ণগঞ্জের নয়াপুর, কুতুবপুর, আড়াইহাজার রোড, মদনপুর হতে লাঙ্গলবন্দ ব্রিজ, বন্দর, কাঁচপুর ও যাত্রামুড়া এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া এই সময়ে আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। বিবৃতিতে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।


আগারগাঁওয়ে শিশু হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ১৫:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালের ভবনের পঞ্চম তলায় কার্ডিয়াক বিভাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শুক্রবার দুপুর ২টা ৩৯ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে তালহা বিন জসিম খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

আগুনের ঘটনায় এপর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে দুপুর ১টা ৪৭ মিনিটের দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট।


শাহজালাল বিমানবন্দরে বাস চাপায় প্রকৌশলী নিহত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের বাউন্ডারি ভেঙে রাইদা পরিবহনের একটি বাস ঢুকে গেছে। এ ঘটনায় সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র একজন প্রকৌশলী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতের প্রকৌশলীর নাম মাইদুল ইসলাম সিদ্দিকী। তিনি সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রকৌশলী ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাস।

তিনি বলেন, আজ সকাল ১০টার দিকে রাইদা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তৃতীয় টার্মিনালের নিরাপত্তা বাউন্ডারি ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায়। এ সময় রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন সিভিল এভিশনের সিনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রকৌশলী মাইদুল ইসলাম। তার মোটরসাইকেলটি রাইদা পরিবহনের বাসে নিচে চলে যায়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল চলছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনায় জড়িত বাসচালক, হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটিকে জব্দ করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


ঢাকায় আমিরের নামে পার্ক ও রাস্তা

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ১২:৩২
বাসস

রাজধানী ঢাকায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির নামে একটি রাস্তা ও পার্কের নামকরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আতিকুল ইসলাম। মিরপুরের কালশী এলাকায় বালুর মাঠে নির্মিতব্য পার্ক ও মিরপুর ইসিবি চত্ত্বর থেকে কালসী উড়াল সেতু পর্যন্ত সড়কটি আমিরের নামে নামকরণ করা হবে।

আগামী ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির এই দুটি স্থাপনা উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, কাতার বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দু’দেশের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের এই সম্পর্ক এবং আমিরের এই সফরকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষে তার নামে এই পার্ক ও রাস্তার নামকরণ করা হচ্ছে।

এসময় তিনি তুরস্কের জাতির পিতা কামাল আতাতুর্ক’র কথা উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ কামাল আতাতুর্কের নামে রাজধানীর বনানীতে একটি সড়ক রয়েছে। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামেও তুরস্কে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক জনসভায় কালশী এলাকার বালুর মাঠে বিনোদন পার্ক ও খেলার মাঠ করার ঘোষণা দেন। তিনি ওই এলাকার মানুষের জন্য উপহার হিসেবে ১৬ বিঘা জমি খেলার মাঠ ও পার্কের জন্য বরাদ্দ দেন।

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম বলেন, মাঠ ও বিনোদন পার্কটিতে যুবকদের জন্য ক্রিকেট ও ফুটবল খেলার ব্যবস্থা এবং প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবস্থা থাকবে। প্রবীণদের জন্য হাঁটার ব্যবস্থা এবং শিশুদের খেলাধুলার জায়গা থাকবে।

আগামী ২৩ এপ্রিল কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি মিরপুর ইসিবি চত্ত্বর থেকে কালসী উড়াল সেতু পর্যন্ত সড়ক ও পার্কের নাম ফলক উন্মোচন করবেন।

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি আগামী সোমবার (২২ এপ্রিল) দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আসছেন।

বিষয়:

মডেল রুপার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারকারী গ্রেপ্তার

(বা থেকে) গ্রেপ্তারকৃত যুবক আরিফুল ইসলাম মিঠু ও মডেল রুপা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

শেষমেশ গ্রেপ্তার করা হলো মডেল রুপার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো যুবক আরিফুল ইসলাম মিঠুকে। গতকাল বুধবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসভবন থেকে ২৮ বছর বয়সী ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে উত্তরা থানার পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মডেল রুপার (১৯) বিরুদ্ধে অনলাইনে নানা রকম অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন অনেকদিন ধরে। 'মতিঝিল টুডে' নামক এক ফেসবুক পেজ খুলে সেখান থেকে রুপার রিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বানোয়াট ও সাজানো গল্প প্রচার করে যাচ্ছিলেন। রুপার ব্যক্তিগত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে ছবি নিয়ে সেগুলো ব্যবহার করে নানা রকম বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছিলেন মিঠু। এতে রুপা ও তার পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়।

মডেল রুপার কাছ থেকে জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরার বাসিন্দা রুপা, এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী। মিঠু তাকে নানাভাবে অনেকবার বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তার বিয়ের প্রস্তাবে সারা না দিলে প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে এসব কাজে লিপ্ত হন মিঠু। তিনি মডেল রুপার ছবি ব্যবহার করে নানারকম গল্প সাজায়; যেগুলো শুনে অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। রুপা ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে অপদস্থ করাই ছিল তার একমাত্র উদ্দেশ্য।

এ ব্যাপারে রুপা ও তার পরিবার থানায় মামলা করলে আরিফুল ইসলাম মিঠুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


বারের সামনে হাতাহাতির ঘটনায় ৩ নারী গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ ১৯:৪০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পহেলা বৈশাখ রাতে রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর সেকশনের ক্যাফে সেলেব্রিটা বারের সামনে কয়েকজন তরুণী ও এক নারীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত তিন নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
তারা হলেন, শারমিন আক্তার মিম (২৪), ফাহিমা ইসলাম তুরিন (২৬) ও নুসরাত আফরিন।
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তরুণীদের মদপানের লাইসেন্স ছিল না। তারা অতিরিক্ত মদ পান করে মাতাল হয়ে মারামারিতে জড়ান। সেলেব্রিটা বার তাদের কাছে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করায় বারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সম্প্রতি গুলশান-২ নম্বরের ক্যাফে সেলেব্রিটা বারের সামনে কয়েকজন নারীর মধ্যে হাতাহাতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক নারী অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে অভিযুক্ত তিন নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি প্রধান বলেন, মদ পানের জন্য কোনও পুরুষ বা নারীর লাইসেন্স থাকলে তারা বৈধ বার থেকে মদ পান করতে পারেন। এতে আইনি কোনও বাধা নেই। কিন্তু পহেলা বৈশাখের রাতে গুলশানের মতো এলাকায় তারা মদ পান করেছেন। কারও কোনও লাইসেন্স ছিল না। লাইসেন্সবিহীন কারও কাছে বার কর্তৃপক্ষ মদ বিক্রি করতে পারে না। তাদের উচিত ছিল এসব নারীর মদপানের লাইসেন্স পরীক্ষা করা। বারের লোকজনের উচিত ছিল বেসামাল নারীদের নিয়ন্ত্রণ করা।
মহানগর গোয়েন্দা প্রধান আরও বলেন, সাধারণ মানুষ এই ভিডিও দেখে ভাববে, শহরের রাস্তায় নারীরা মাতলামি করে, মারামারি করে। এটা কোনও অভিভাবকই মেনে নিতে পারবেন না। এসব নারী কারও না কারও সন্তান। তাদের অভিভাবকদের উচিত মেয়েরা কোথায় যায়, কী করে খেয়াল রাখা। আজ এই নারীরা বারে গিয়ে মদ পান করে এমন কার্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন। যে নারীকে তারা মেরেছে, সেই নারীও মাতাল ছিলেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যে বারগুলো লাইসেন্স ছাড়া মদ বিক্রি করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নেবো।

ভুক্তভোগী নারী রিতা আক্তার সুস্মি বলেন, আমি ও আমার এক বন্ধু মিলে খাবার খেতে ওই রেস্তোরাঁয় যাই। এক পর্যায়ে টয়লেটে যাওয়ার জন্য গিয়ে দেখি চারজন মেয়ে এক সঙ্গে টয়লেটে প্রবেশ করছেন। বিষয়টি রেস্তোরাঁর ম্যানেজারকে বলি। তিনি মেয়েদের বের করে দেন। পরে আমি রেস্তোঁরা থেকে বের হওয়ার সময় তারা আমার ওপর হামলা করেন।
রিতা আক্তার সুস্মি আরও বলেন, তারা আমাকে চড়-থাপ্পড় দিতে পারতো। কিন্তু রাস্তার মধ্যে আমার কাপড় খুলে ফেলেন, আমাকে মারধর করেন। আমি তাদের সঠিক বিচার চাই। কারণ রাস্তায় একজন মেয়ে আরেকজন মেয়ের কাপড় খুলে ফেলতে পারেন না।


সংসদ এলাকায় এমপি পুত্রের ড্রোন উড়ানো, ছাড়া পেলেন মুচলেকায়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানিক অ্যাভিনিউ সড়কে নববর্ষ উপলক্ষে আঁকা আল্পনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে স্পর্শকাতর এই এলাকায় ড্রোন উড়িয়ে বিপাকে পড়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) এইচএম গোলাম রেজার ছেলে হোসেন মোহাম্মদ মায়াজ (২৮)। গত সোমবার এ ঘটনার পর শেরে বাংলা নগর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পরে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান এমপি পুত্র।

সংসদ ভবন, পুরাতন বিমানবন্দর, চন্দ্রিমা উদ্যান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গণভবন এবং বঙ্গভবনসহ রাজধানীর ভিভিআইপি ও স্পর্শকাতর এলাকায় ড্রোন উড়ানো নিষিদ্ধ।

ড্রোন ওড়ানোর বিষয়ে মায়াজ বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আঁকা আলপনার একটি ভিডিওগ্রাফি ও ছবি তোলার জন্য তিনি পূর্ব অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ড্রোন MAVIC AIR-3 ব্যবহার করেন এবং এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এলাকাটি রেস্ট্রিক্টেড এবং নিরাপত্তার স্বার্থে সচেতন থাকা উচিত ছিল জানিয়ে নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। আইনের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থাকবেন জানিয়ে ভবিষ্যতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড আর কখনো করবেন বলেও অঙ্গীকার করেন মায়াজ।

নিরাপত্তার জন্য পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রোন ওড়ানোর ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ রয়েছে। বিশেষ করে রেড জোনে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী দেশের আকাশ সীমায় ড্রোন, রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট সিস্টেম, রিমোট কন্ট্রোলড খেলনা বিমান, ঘুড়ি ও লেজার রশ্মি ব্যবহারে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। এজন্য একটি নির্দিষ্ট সময় আগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ওয়েব সাইটে (www.caab.gov.bd) দেওয়া ফরম অনুযায়ী পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে।

সম্প্রতি আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অনুমতি ছাড়া ড্রোন না ওড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু উৎসাহী ব্যক্তি, বেসামরিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, এনজিও এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিনা অনুমতিতে বাংলাদেশের আকাশ সীমায় ড্রোন, রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট সিস্টেম (ইউএভিআরপিএএস), রিমোট কন্ট্রোলড খেলনা বিমান, ঘুড়ি ও ফানুস ইত্যাদি উড্ডয়ন করছেন। জনগণের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের অননুমোদিত উড্ডয়ন, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

রেড জোনে ড্রোন উড্ডয়ন বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. রওশানুল হক সৈকত বলেন, নিরাপত্তার জন্য পৃথিবীর সবদেশেই স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রোন ওড়ানোর ক্ষেত্রে কঠোর বিধি-নিষেধ আছে। আমাদের দেশেও স্পর্শকাতর এলাকায় ড্রোন ওড়ানো নিষেধ। এটা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিরাপত্তার জন্য জরুরি।

বঙ্গভবন, গণভবন, সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিমানবন্দর, চন্দ্রিমা উদ্যানসহ রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে ড্রোন ওড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এডিসি বলেন, আশা করি সবাই এ বিষয়ে সচেতন ও সতর্ক থাকবেন।

পুলিম কর্মকর্তা আরও বলেন, বাংলাদেশে ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা-২০২০ অনুযায়ী ড্রোন অপারেশন জোন রয়েছে, যেখানে রেড জোনে ড্রোন উড়ানো নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে সকলেরই সচেতন হওয়া জরুরি।


ঢাকার তেজগাঁওয়ে যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ ১১:১৭
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকার তেজগাঁওয়ে মাছের আড়তের সামনে ঢাকা অভিমুখী যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এক লাইন দিয়ে চলাচল করছে ট্রেন। ঢাকা রেলওয়ে পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমেদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, জামালপুর থেকে ঢাকাগামী ট্রেনটি সকাল ৮টার দিকে লাইনচ্যুত হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেছে। এখনএকটি লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল চলছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সকাল ১০টার দিকে জানা গেছে, উদ্ধারকাজ চলছে, শেষের পথে, কিছুক্ষণ পর ওই লাইন দিয়েও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে।’


সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে বাঙালিই একমাত্র বর্ষবরণ করে: তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৪ এপ্রিল, ২০২৪ ১৮:৪৪
বাসস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, সারাবিশ্বে বাঙালি জাতিই একমাত্র জাতি-যারা নতুন সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে নতুন বর্ষবরণ করে থাকে। তাই বাঙালি জাতি আলোর দিশারি।

রোববার নগর ভবন প্রাঙ্গণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বর্ষবরণ উৎসব-১৪৩১ বঙ্গাব্দ’- এ মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ রাতের বেলা ১২টা ১ মিনিটে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। আমরাই একমাত্র জাতি-যারা নতুন সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে বর্ষবরণ করে থাকি। সুতরাং বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখায়। বাঙালি জাতি আলোর দিশারি।’

নতুন বর্ষকে বরণের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ রচনা অব্যাহত থাকবে- জানিয়ে ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, জাতির পিতার লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখাতে চায়। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমে, তিনি এ দেশকে একটি উন্নত বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। তাঁর সে অগ্রযাত্রাকে সমুন্নত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা সকলেই এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির সার্বজনীন উৎসবসমূহের মধ্যে অন্যতম। এই উৎসব অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিনির্মাণের অন্যতম ভিত্তি। অথচ দেশে-বিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি একসময় এই উৎসবকে বানচাল করার পায়তারা করেছিলো। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবারও এই উৎসবকে বাঙালির ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর নেতৃত্বেই বাঙালি সংস্কৃতি এগিয়ে চলেছে এবং এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. আওলাদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, করপোরেশনের সচিব আকরামুজ্জামান, করপোরেশনের কাউন্সিলর ও তাদের পরিবারবর্গ, করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী এস ডি রুবেল এবং করপোরেশনের সংগীত শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে আগত সকলের মাঝে পান্তা-ইলিশের পাশাপাশি আলু, ডাল, লইট্টা শুটকি, বেগুন, শিম, কলা, ধনিয়া পাতা, টমেটো, চ্যাপা শুটকি, সরিষা ও পেঁয়াজ ভর্তাসহ মোট ২০ ধরনের ভর্তা পরিবেশন করা হয়।


কেনো এক্সপ্রেসওয়ে গাড়িতে আগুন লাগলো তা জানালো পুলিশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ এপ্রিল, ২০২৪ ১৬:৩৬
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কুড়িল বিশ্বরোড এলাকার অংশে একটি প্রাইভেটকারে আগুন লাগে। কেনো আগুন লেগেছে সেই বিষয়ের কারন জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের বাড্ডা অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার রাজন কুমার দে গণমাধ্যমকে বলেন, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে গতকাল বিকেলে আবু শাহরিয়ার তাঁর স্ত্রী, দুই সন্তান নিয়ে গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৭-২৭২১) ঘুরতে বের হন। তাঁরা রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসা থেকে বেরিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে ধরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন শাহরিয়ারের ভাই। একপর্যায়ে গাড়িটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় আগুন ধরে যায়। আগুন গাড়িতে ছড়িয়ে পড়ার আগে তাঁরা সবাই নিরাপদে নেমে যান।

এ ব্যাপারে পুলিশের পক্ষ থেকে ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

গাড়িটির মালিক আল আজমি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবু শাহরিয়ার‍।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, গতকাল বিকেল ৫টা ১৭ মিনিটে এক্সপ্রেসওয়ের ওপর একটি গাড়িতে তারা আগুন লাগার খবর পায়। তখন ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভালেও গাড়িটি ততক্ষণে পুড়ে যায়। কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, গাড়িটি হাইব্রিড (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের সমন্বয়ে চালিত গাড়ি)।


সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতদের ২৫ হাজার টাকা দিল বিআইডব্লিউটিএ

আপডেটেড ১১ এপ্রিল, ২০২৪ ২২:৪৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

সদরঘাটে পন্টুনে বেঁধে রাখা লঞ্চে আরেক লঞ্চের ধাক্কায় রশি ছিঁড়ে নারী-শিশুসহ পাঁচজন যাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতি মৃতব্যক্তির দাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

বৃহস্পতিবার নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার জাহাঙ্গীর আলম খান বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, এমভি ফারহান-৬ ও এমভি তাসরীফ-৪ লঞ্চ দুটির রুট পারমিট ও সময়সূচি স্থগিত করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটি-এর পক্ষ হতে প্রত্যেক মৃত ব্যক্তির নমিনির কাছে দাফন কাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিআইডব্লিউটিএ-এর পরিচালক (ক্রয় ও সংরক্ষণ) মো. রফিকুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আজগর আলী এবং বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেনকে সদস্য করে এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্ম দিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন পেশ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিষয়:

এতিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদ করলো ছাত্রলীগ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১১ এপ্রিল, ২০২৪ ২২:৫০
ঢাবি প্রতিনিধি

কারো মা নেই, কারো বাবা নেই, আবার কারো বাবা-মা দুজনই বেঁচে নেই। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে সবাই যখন বাড়ি ফিরছে তখন এই শিশুরা বসে ছিলো মাদরাসার প্রাঙ্গণেই। প্রিয়জন না থাকায় যেতে পারেনি বাড়িতে। তাই অন্য শিশুদের মতো তাদের ছিলো না ঈদ উদযাপনের আনন্দ। আর এসব শিশুদের নিয়েই ঈদ উদযাপন করেছে ছাত্রলীগ।

আজ বৃহস্পতিবার নাঙ্গলকোট উপজেলার হিয়াজোড়া দারুসসালাম মাদরাসা ও এতিমখানার ২০ শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন আয়োজন করে তাদের ঈদ আনন্দ এনে দেওয়া হয়েছে। আর এই আয়োজনের মূল সংগঠক বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মাদ্রাসা বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম। এসব শিক্ষার্থীদের ঈদ উপহার বিতরণ, নিজ বাড়িতে ঘুরানো এবং মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা ছিলো ছাত্রলীগের এই আয়োজনে।

এই বিষয়ে হিয়াজোড়া দারুসসালাম মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, এই শিক্ষার্থীরা ঈদ উদযাপন করার জন্য বাড়ি যেতে পারেনি। কারণ তাদের অধিকাংশেরই বাবা-মা বেঁচে নেই। ঈদ উপলক্ষে তাদের আনন্দ-উল্লাসের কোন আয়োজন নেই, ছিলো না নতুন জামা-কাপড় এর ব্যবস্থা। জহিরুল ভাই আমাদের সাথে কথা বললে উনি নিজে এসে গাড়িতে করে শিক্ষার্থীদের নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।

এই শিক্ষক বলেন, তিনি তাদের সকলকে নতুন ঈদ পোশাক ও টুপি উপহার দেন এবং তাদের সামনে উনার মায়ের তৈরি করা খাবার পরিবেশন করেন। শিক্ষার্থীদের জন্য আইসক্রিম, চকলেট, সেমাই, দধিসহ ফলমূলের ব্যবস্থা ছিলো। শিক্ষার্থীরা মাদরাসায় আসলে তাদের প্রফুল্ল মনে হয়েছে। আমাদের এতিম শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন আয়োজন করায় ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ।

এবিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এতিম ও অসহায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ও তাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও মানবিক ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে আমি এই কাজটি দায়িত্ব হিসেবে পালন করেছি।

তিনি বলেন, এই এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের ঈদের দিনে যাওয়ার মতো কোন জায়গা ছিলো না, তাদের জন্য ঈদ উদযাপনের কোন আয়োজন ছিলো না, ছিলো না নতুন পোশাকের ব্যবস্থা। যেখানে অন্য সব বাচ্চারা তাদের পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করবে, সেখানে এই এতিম ও অসহায় বাচ্চাগুলো কোন প্রকার আনন্দ ছাড়া কাটিয়ে দিবে তা আমার কাছে অনেক খারাপ লাগে।

'এই অনুভূতি থেকে বাচ্চা গুলো যাতে অন্তত ঈদের দিন তাদের বাবা- মা হারানোর কষ্টের কথা ভুলে থাকতে পারে, সেই প্রচেষ্টা থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আমার এই আয়োজন করি। আশা করি ভবিষ্যতে আমার এই কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো' যোগ করেন জহিরুল।


banner close