বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪

রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৩ এপ্রিল, ২০২৪ ১৯:৫৮

অগ্নিঝুঁকি হ্রাস ও অগ্নি নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণে রেস্টুরেন্ট ও দোকান মালিক সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। বুধবার দুপুরে অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন; পরিচালকবৃন্দসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এবং দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া; রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির সভাপতি ওসমান গণি, মহাসচিব ইমরান হাসানসহ সমিতির অন্য প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন। পরে উপ-পরিচালক (অপারেশন্স ও মেইনটেইন্যান্স) কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া দোকান ও রেস্টুরেন্টের অগ্নিঝুঁকি এবং তা নিরসনে করণীয় বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। প্রেজেন্টেশন শেষে সবার কাছে উন্মুক্ত মতামত ও বক্তব্য আহ্বান করা হয়।

এ সময় বক্তারা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। দোকান ও রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সব অংশীজনদের সমন্বয়ে রেস্টুরেন্ট, মার্কেট ও দোকানসমূহে অগ্নি নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সদিচ্ছা পোষণ করা হয়। রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বিভিন্ন বিষয়ে সরকারি অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার এবং সেফটি ইকুইপমেন্টের ট্যাক্স কমানোর বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইন উদ্দিন অগ্নিঝুঁকি নিরসনে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, আমরা নিরাপদ দেশের পক্ষে। কেউ আমাদের প্রতিপক্ষ নয়। আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চাই।


রাজধানীতে কোবরা সাপের বিষ ও বিদেশী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে প্রায় ৬০ কোটি টাকা মূল্যের কথিত কোবরা সাপের বিষ, বিদেশী অস্ত্র ও প্রতারণার অভিযোগে ৪ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১০। তারা হলেন, এনামুল হক (৫৪), সফিকুল ইসলাম (৫৪), এরশাদ আলী (৩৬) ও সৈয়্যদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ (৩৪)। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে প্রতারণা ও সন্ত্রাসীর কাজে ব্যবহৃত ৬ রাউন্ড গুলিসহ ১টি বিদেশী পিস্তল, ১টি খেলনা পিস্তল, ১০ কেজি নকল সাপের বিষ, ১টি এ্যালবাম, ২টি সিডি, ৩৬ হাজার ২৩৫ টাকা ও ভারতীয় ৩৬০ রুপি উদ্ধার এবং ১টি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।
বুধবার র‌্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এএসপি এম. জে. সোহেল এ তথ্য জানান।
তিনি গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে জানান, চক্রটি সাপের বিষ রাখতে বিশেষ ধরণের কাচের কৌটা ব্যবহার করে। এসব কাচের কৌটার গায়ে লেখা থাকে বিভিন্ন দেশের নাম ও কোড নম্বর। তারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই বিষ সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে বলে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির কাছে বিক্রিসহ পার্শ্ববর্তী দেশে প্রতারণা ও চোরাচালানের মাধ্যমে পাচার করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি এসব সাপের বিষ লাখ লাখ টাকা দিয়ে কেনে। কারণ বৈধভাবে দেশের বাইরে থেকে এসব সাপের বিষ আনতে হলে কয়েকগুণ বেশি টাকা গুণতে হয়। কম দামের কারণে ক্রেতারা সহজে প্রতারকদের ফাঁদে পা দেয়।
চক্রটি ক্রেতাদের বলে, তাদের কাছে একটি বিদেশী পিস্তল আছে, যা দিয়ে সাপের বিষের কৌটায় ফায়ার করলে কৌটাটি ফাটবে না। আর বিষ নকল হলে কৌটাটি ফেটে যাবে। এছাড়া, অরিজিনাল বিষ স্বচ্ছ কাঁচের জারে রাখার পর এর ওপর লেজার লাইট ধরলে একপাশ থেকে অন্য পাশে যাবে না। তারা ক্রেতাদের তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন বই, এ্যালবাম ও সিডি দেখায়। যেগুলোতে বিষ কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে এবং কিভাবে ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়ে লেখা থাকে। তারা এগুলোকে মূল্যবান সাপের বিষ বলে গোপনে প্রচারণা চালায়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামিরা বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কথিত নকল সাপের বিষ সংগ্রহ করে হাতিরঝিলসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে। এছাড়া, তারা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজী, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে আসছিল। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।


শিশু সাহিত্যিক টিপু কিবরিয়া যখন শিশু পর্নোগ্রাফির মূলহোতা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিশু পর্নোগ্রাফির অভিযোগে টি আই এম ফখরুজ্জামান ওরফে টিপু কিবরিয়াসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের করেছ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি। গ্রেপ্তারকৃতর সহযোগী অপর জন হলেন, কামরুল ইসলাম ওরফে সাগর। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে সিটিটিসির বিশেষায়িত একটি দল।
সিটিটিসি জানায়, টিপু কিবরিয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। কিশোর কবিতা, গল্প ও ছড়া ছাড়াও নব্বইয়ের দশকে তিনি কিশোরদের জন্য ‘হরর ক্লাব’নামে সিরিজ গল্প লিখে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০০৫ সালে তিনি শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৪ সালের জুনে পথশিশুদের নিয়ে পর্নোগ্রাফি তৈরি ও সরবরাহ করার অপরাধে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে গ্রেপ্তার করে। ২০২১ সালে ৭ বছর জেল খেটে কারামুক্ত হন। পরে ‘একশো এক’ নামক একটি কবিতার বই প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি সাহিত্য চর্চার আড়ালে আবারও শিশু পর্নোগ্রাফির বানানো শুরু করেন। তিনি আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি চক্রের সঙ্গে জড়িত এবং বাংলাদেশের মূলহোতা। ভয়ংকর এ অপরাধে জড়িত অভিযোগে অনেক দেশে তিনি শিশু পর্নোগ্রাফি অপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত। তার কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার ৫০০ পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট (আধেয়) ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।


বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, রাজধানীর গুলিস্তান, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ বিভিন্ন স্থানের ছিন্নমূল পথশিশুদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে পর্নোগ্রাফির কাজে যুক্ত করতেন টিপু কিবরিয়া। সামান্য অর্থের প্রলোভনে বাসায় নিয়ে শিশুদের অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে আন্তর্জাতিক যে ক্লায়েন্ট আছে, তাদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন। বিদেশি ক্লায়েন্টদের চাহিদা মাফিক বিভিন্ন পার্কে ও বন-জঙ্গলে ছিন্নমূল পথশিশুদের নিয়ে গিয়ে পর্নোগ্রাফির ভিডিও কন্টেন বানাতেন। তার বাসায় পর্নোগ্রাফির জন্য ভিডিও এডিটিং প্যানেল রয়েছে। তিনি পর্নোগ্রাফির কন্টেন এডিটিং করে বিদেশি ক্লায়েন্টদের কাছে মেইলে পাঠাতেন। যা পরে বিভিন্ন পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটে আপলোড করা হতো।
আসাদুজ্জামান বলেন, তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে নতুন মেগা ও টোটেনা নামক দুটি এনক্রিপটেট অ্যাপসের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের কাছে পর্নোগ্রাফির কনটেন্টগুলো পাঠাতে শুরু করেন। এ পর্যন্ত ইতালি, অস্ট্রেলিয়া ও জর্মানির নাগরিকসহ প্রায় ২০/২৫ টি আইডি সনাক্ত করা হয়েছে। যারা এসব আইডি দিয়ে টিপু কিবরিয়ার সঙ্গে শিশু পর্নোগ্রাফির বিভিন্ন কনটেন্ট এর জন্য যোগাযোগ করতো। এছাড়া তার ক্যামেরা, পিসি ও ক্লাউড স্টোরেজ থেকে প্রাথমিকভাবে প্রায় ২ হাজার ৫০০ স্থিরচিত্র ও প্রায় ১০০০ ভিডিও কনটেন্ট পাওয়া গেছে। ফরেনসিক বা ফিল্টারিংয়ের কাজ শেষ হলে এই সংখ্যা আরও বাড়বে।
এক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসি প্রধান বলেন, মাত্র ৫০০ কিংবা হাজার টাকার প্রলোভনে টিপু কিবরিয়া ছিন্নমূল পথশিশুদের নিয়ে আসতেন। তার চক্রে কামরুল ছাড়াও আরও অনেক সহযোগীর নাম আমরা পেয়েছি। দুজনকে গ্রেপ্তারের সময় একজন ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে আমরা ফিরিয়ে দিয়েছি।
শিশু পর্নোগ্রাফির ভিডিও বিদেশিদের কাছে পাঠিয়ে কী পরিমাণ টাকা পেতেন তিনি? এ প্রশ্নে সিটিটিসি কর্মকর্তা বলেন, অর্থের লেনদেন হতো ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ও কিছু এমএফএসের মাধ্যমে। ৩/৪টি ছোট ছোট ভিডিও পাঠালেই তিনি পেতেন হাজার ডলার। সর্বশেষ তিনি এক বিদেশি গ্রাহককে তিনটি পর্নোগ্রাফির ভিডিও পাঠিয়ে এক হাজার ডলার পেয়েছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে তার এজেন্ট রয়েছে। এ রকম বেশ কয়েকজন এজেন্টকে আমরা শনাক্ত করেছি। পাশাপাশি ২৫/৩০ জন ভুক্তভোগী শিশুকে শনাক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা সবাই ছেলে।


‘২৭ এপ্রিলের পর কোনো বাসাবাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পেলে জেল-জরিমানা’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ এপ্রিলের পর থেকে ডিএনসিসির কোনো এলাকার বাসাবাড়ি কিংবা কার্যালয়ে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে জেল-জরিমানার মতো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সোমবার রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকায় ডিএনসিসির ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র আতিকুল ইসলাম ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে নগরবাসীকে সচেতনতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার সময় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

সপ্তাহব্যাপী ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে নগরবাসীকে সচেতন করার এ কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সবাইকে অনুরোধ করছি, নিজ নিজ ঘরবাড়ি ও অফিস পরিষ্কার রাখবেন। জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা হয়। ২৭ এপ্রিলের পর থেকে কোনো বাড়িতে-অফিসে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলে জেল-জরিমানা করা হবে।’

‘সরকারি অফিসেও যদি লার্ভা পাওয়া যায়, সেই অফিসের যিনি দায়িত্বে আছেন, তার বিরুদ্ধে মামলা, জরিমানা হবে। এমনকি আমার সিটি করপোরেশনের কোনো অফিসেও যদি লার্ভা পাওয়া যায়, সেই অফিসের কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমার ক্লিয়ার মেসেজ। লার্ভা পেলে মামলা, জেল, জরিমানা হবে এবং জরিমানার টাকার পরিমাণ আরও অনেক বেড়ে যাবে। এজন্য আমাদেরকে আরও ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি’- বললেন মেয়ার আতিক।

তিনি বলেন, ‘আমি আগেই ঘোষণা দিয়েছি, ঈদের পর থেকে ডেঙ্গু মৌসুম শুরুর আগেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে একযোগে ৫৪টি ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করবো। বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি কারিগরি কমিটি রয়েছে। তারা সবসময় আমাদের পরামর্শ দেন, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকি।’

সেই বিষয়ে তথ্য দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কীটতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন, এখন থেকেই মাঠে নামতে। তাই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। বিনীত অনুরোধ, আপনারা সচেতন হলে জেল-জরিমানা, মামলার দরকার নেই। তিন দিনে একদিন জমা পানি ফেলে দিন। এডিস মশা জন্মাতে পারে এমন জায়গাগুলো পরিষ্কার করুন। এডিস মশা কামড় না দিলে ডেঙ্গু হবে না।’

মেয়র বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের মতে খালের ও ড্রেনের ময়লা পানিতে এডিস মশা জন্মায় না। জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশা জন্মায়। যেসব পরিত্যক্ত দ্রব্যাদিতে পানি জমে এডিসের লার্ভা জন্মাতে পারে সেসব দ্রব্যাদি সিটি করপোরেশন কিনে নিচ্ছে। ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত পলিথিন, চিপসের প্যাকেট, আইসক্রিমের কাপ, দইয়ের কাপ এগুলো যত্রতত্র না ফেলে ডিএনসিসির কাউন্সিলরদের কাছে জমা দিন। নগদ টাকা গ্রহণ করুন। পুরোনো টায়ার, কমোড, রঙের কৌটা এগুলো ছাদে বা বারান্দায় না রেখে আমাদের কাউন্সিলরদের কাছে জমা দিয়ে টাকা নিন।’

ডিএনসিসির মাসব্যাপী জনসচেতনতামূলক প্রচার অভিযান উদ্বোধন শেষে ডিএনসিসি মেয়র এডিস মশার উৎসস্থল গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, মাটির পাত্র, খাবারের প্যাকেট, অব্যবহৃত কমোড দেখিয়ে জনগণকে সচেতন করেন। এছাড়াও পরিত্যক্ত দ্রব্যাদি ক্রয়ের মাধ্যমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

বিষয়:

সংবেদনশীলদের জন্য আজ অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস

ফাইল ছবি।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঈদের ছুটি শেষে এবং তীব্র তাপপ্রবাহে ঢাকার রাস্তা কিছুটা ফাঁকা থাকলেও বাতসের মনের তেমন উন্নতি হয়নি। সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবসে নিম্ন মানে শীর্ষে না থাকলেও অস্বাস্থ্যকরই রয়ে গেছে ঢাকার বাতাস। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় আজ সোমবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিটে ১২০ স্কোর নিয়ে ১২২টি শহরের মধ্যে বায়ুর নিম্ন মানে অষ্টম ছিল ঢাকা।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় আজ সোমবার সকাল ৯টা ৫৯ মিনিটে ১২০ স্কোর নিয়ে ১২২টি শহরের মধ্যে বায়ুর নিম্ন মানে অষ্টম ছিল ঢাকা।

একই সময়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল নেপালের কাঠমান্ডু, চীনের বেইজিং, ও থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ৭ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১২০। এর মানে হলো ওই সময়টাতে সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ছিল ঢাকার বাতাস।


বিমানবন্দর সড়কে প্রকৌশলীকে চাপা দেয়া বাসচালক গ্রেপ্তার

আপডেটেড ২০ এপ্রিল, ২০২৪ ১৯:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিমানবন্দর সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বেপরোয়া গতির বাসের চাপায় সিভিল এভিয়েশনের প্রকৌশলী মৃত্যুর ঘটনায় বাস চালক হাসান মাহমুদ হিমেলকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শনিবার ভোর ৫টার দিকে বরিশালের হিজলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-৮।
গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরের কাছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিভিল এভিয়েশন) প্রকৌশলী মুইদুল ইসলামের মোটরসাইকেলকে চাপা দেয় রাইদা পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাস। পরে বাসটি বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের টিনের নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে মাইদুল ইসলাম মারা যান।
শনিবার র‌্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এএসপি মো. মাহফুজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সামনে হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনালের নির্মানাধীন অস্থায়ী বাউন্ডারি ভেঙে রাইদা পরিবহনের একটি বাস দূর্ঘটনা ঘটায়। এতে সিভিল এভিয়েশন উপসহকারী প্রকৌশলী মুইদুল ইসলাম বাসটির চাপায় আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার পর বাসের চালক মাহমুদ হাসান এবং চালকের সহকারী (হেলপার) পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এই হত্যাকান্ডের আসামীদের গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং নজরদারী বাড়ায় র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-৮।
তিনি আরও জানান, গোয়েন্দা সংবাদে র‌্যাব জানতে পারে, রাইদা পরিবহনের পলাতক বাস চালক হাসান মাহমুদ হিমেল বরিশালের হিজলা থানার হরিনাথপুর এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। এ তথ্যে শনিবার ভোর ৫টার দিকে অভিযা্ন চালিয়ে র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-৮ তাকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার মাহমুদ হাসানের বাস চালানোর লাইসেন্স ছিলনা। এছাড়া, গাড়ীর ফিটনেস সংক্রান্ত কাগজপত্রও ছিলো না বলে আসামি স্বীকার করেছেন।
এ ঘটনায় আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।


শিশু হাসপাতালের আগুন: পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

আগুনের সময় হুড়োহুড়ি করে অসুস্থ শিশুদের নিয়ে বেরিয়ে আসেন অনেকে। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পঞ্চম তলায় শিশু হৃদরোগ (কার্ডিয়াক) বিভাগের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) লাগা আগুন পুরোপুরি নিভিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

গতকাল শুক্রবার দুপুর দেড়টার কিছু সময় পর আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট প্রায় এক এক ঘণ্টার চেষ্টার পর ২টা ৪০ মিনিটে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আগুন থেকে বাঁচতে ছোটাছুটি করে যে যেভাবে পেরেছেন সেভাবেই তাদের সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালের বাইরের ফ্লোরে অবস্থান নিয়েছেন। প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে এমনিতেই বাইরে অসহনীয় গরম। গরম সহ্য করতে না পেরে শিশুরা কান্নাকাটি করছে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের গণমাধ্যম কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট, সিদ্দিক বাজার থেকে একটি ইউনিট, তেজগাঁও থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। ২টা ৪০ মিনিটে আগুন পুরো নিভিয়ে ফেলা হয়।

তবে বাংলাদেশ এই আগুনে রোগীদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, রোগীদের সবাইকে নিচে নামিয়ে আনা হয়েচে। ইউসিইউতে ১৭ জন রোগী ছিলেন আমরা নামিয়ে এনেছি। কারো কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

তিনি বলেন, হাসপাতালের বি ব্লকের ৫ তলার কার্ডিয়াক বিভাগের আইসিইউতে আগুন লেগেছে। আগুনের চেয়ে ধোঁয়া একটু বেশি ছড়িয়েছে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

আগুনের সূত্রপাত কীভাবে করা হলো এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এখনও বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না। তবে আশঙ্কা করছি এসি থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, কার্ডিয়াক বিভাগের আইসিইউতে লাগা আগুনের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির পাঁচ সদস্যের মধ্যে কার্ডিয়াক আইসিইউ বিভাগের প্রধানকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

এ ছাড়া কমিটিতে একজন মেইনটেইন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, ওয়ার্ড মাস্টার, একজন নার্স ও ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি রয়েছেন। তারা তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন।

এদিকে ওদিন বিকেলে দেখা যায়, আগুন লাগার পর হাসপাপতালের ৫ তলা ও ৪ তলার পুরো ধোঁয়ায় ভরে গেছে। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে। আগুন থেকে বাঁচতে ছোটাছুটি করে যে যেভাবে পেরেছেন সেভাবেই তাদের সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালের বাইরের ফ্লোরে অবস্থান নেন।

প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে এমনিতেই বাইরে অসহনীয় গরম। গরম সহ্য করতে না পেরে শিশুরা কান্নাকাটি করছে। ওপরে সবকিছু কখন ঠিক হবে তা জানেন না এ রোগী ও স্বজনরা। রোগীর অভিভাবক ও স্বজনরা আশঙ্কা করছেন, এমন অবস্থা চলতে থাকলে তাদের বাচ্চারা আরও অসুস্থ হয়ে পড়বে।

প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে ৭ দিন আগে শিশু হাসপাতাল আইসিইউতে ভর্তি হয় পাঁচ মাসের শিশু রাইয়ান। আগুন লাগার পর শিশুটির মা আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করে শিশুটিকে নিয়ে নিচে নামে আসেন। বাচ্চাকে নিয়ে এই অসহনীয় গরমে অবস্থান নিয়েছেন হাসপাতালের বাইরে।

কয়েকজন শিশুর অভিভাবক জানান, পাঁচতলার আইসিইউতে যেসব বাচ্চা ছিল তাদের সমস্যা হচ্ছে। অনেক বাচ্চাকে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছিল। তাদের অক্সিজেন ছাড়া নিচে নামানো হয়। তাদের প্রত্যেকের অবস্থা খুবই নাজুক ছিল।


আগামীকাল নারায়ণগঞ্জে ২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি কাজের জন্য আজ শনিবার নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি স্থানে দুই ঘণ্টার জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামীকাল শনিবার দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা নারায়ণগঞ্জের নয়াপুর, কুতুবপুর, আড়াইহাজার রোড, মদনপুর হতে লাঙ্গলবন্দ ব্রিজ, বন্দর, কাঁচপুর ও যাত্রামুড়া এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া এই সময়ে আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। বিবৃতিতে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।


আগারগাঁওয়ে শিশু হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ১৫:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালের ভবনের পঞ্চম তলায় কার্ডিয়াক বিভাগের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শুক্রবার দুপুর ২টা ৩৯ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে তালহা বিন জসিম খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

আগুনের ঘটনায় এপর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে দুপুর ১টা ৪৭ মিনিটের দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট।


শাহজালাল বিমানবন্দরে বাস চাপায় প্রকৌশলী নিহত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের বাউন্ডারি ভেঙে রাইদা পরিবহনের একটি বাস ঢুকে গেছে। এ ঘটনায় সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র একজন প্রকৌশলী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতের প্রকৌশলীর নাম মাইদুল ইসলাম সিদ্দিকী। তিনি সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রকৌশলী ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাস।

তিনি বলেন, আজ সকাল ১০টার দিকে রাইদা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তৃতীয় টার্মিনালের নিরাপত্তা বাউন্ডারি ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায়। এ সময় রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন সিভিল এভিশনের সিনিয়র সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রকৌশলী মাইদুল ইসলাম। তার মোটরসাইকেলটি রাইদা পরিবহনের বাসে নিচে চলে যায়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল চলছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনায় জড়িত বাসচালক, হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটিকে জব্দ করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


ঢাকায় আমিরের নামে পার্ক ও রাস্তা

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ১২:৩২
বাসস

রাজধানী ঢাকায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির নামে একটি রাস্তা ও পার্কের নামকরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আতিকুল ইসলাম। মিরপুরের কালশী এলাকায় বালুর মাঠে নির্মিতব্য পার্ক ও মিরপুর ইসিবি চত্ত্বর থেকে কালসী উড়াল সেতু পর্যন্ত সড়কটি আমিরের নামে নামকরণ করা হবে।

আগামী ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির এই দুটি স্থাপনা উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, কাতার বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দু’দেশের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের এই সম্পর্ক এবং আমিরের এই সফরকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষে তার নামে এই পার্ক ও রাস্তার নামকরণ করা হচ্ছে।

এসময় তিনি তুরস্কের জাতির পিতা কামাল আতাতুর্ক’র কথা উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ কামাল আতাতুর্কের নামে রাজধানীর বনানীতে একটি সড়ক রয়েছে। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামেও তুরস্কে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক জনসভায় কালশী এলাকার বালুর মাঠে বিনোদন পার্ক ও খেলার মাঠ করার ঘোষণা দেন। তিনি ওই এলাকার মানুষের জন্য উপহার হিসেবে ১৬ বিঘা জমি খেলার মাঠ ও পার্কের জন্য বরাদ্দ দেন।

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম বলেন, মাঠ ও বিনোদন পার্কটিতে যুবকদের জন্য ক্রিকেট ও ফুটবল খেলার ব্যবস্থা এবং প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবস্থা থাকবে। প্রবীণদের জন্য হাঁটার ব্যবস্থা এবং শিশুদের খেলাধুলার জায়গা থাকবে।

আগামী ২৩ এপ্রিল কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি মিরপুর ইসিবি চত্ত্বর থেকে কালসী উড়াল সেতু পর্যন্ত সড়ক ও পার্কের নাম ফলক উন্মোচন করবেন।

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি আগামী সোমবার (২২ এপ্রিল) দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আসছেন।

বিষয়:

মডেল রুপার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারকারী গ্রেপ্তার

(বা থেকে) গ্রেপ্তারকৃত যুবক আরিফুল ইসলাম মিঠু ও মডেল রুপা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

শেষমেশ গ্রেপ্তার করা হলো মডেল রুপার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো যুবক আরিফুল ইসলাম মিঠুকে। গতকাল বুধবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসভবন থেকে ২৮ বছর বয়সী ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে উত্তরা থানার পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মডেল রুপার (১৯) বিরুদ্ধে অনলাইনে নানা রকম অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন অনেকদিন ধরে। 'মতিঝিল টুডে' নামক এক ফেসবুক পেজ খুলে সেখান থেকে রুপার রিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বানোয়াট ও সাজানো গল্প প্রচার করে যাচ্ছিলেন। রুপার ব্যক্তিগত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে ছবি নিয়ে সেগুলো ব্যবহার করে নানা রকম বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছিলেন মিঠু। এতে রুপা ও তার পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়।

মডেল রুপার কাছ থেকে জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরার বাসিন্দা রুপা, এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী। মিঠু তাকে নানাভাবে অনেকবার বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তার বিয়ের প্রস্তাবে সারা না দিলে প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে এসব কাজে লিপ্ত হন মিঠু। তিনি মডেল রুপার ছবি ব্যবহার করে নানারকম গল্প সাজায়; যেগুলো শুনে অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। রুপা ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে অপদস্থ করাই ছিল তার একমাত্র উদ্দেশ্য।

এ ব্যাপারে রুপা ও তার পরিবার থানায় মামলা করলে আরিফুল ইসলাম মিঠুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


বারের সামনে হাতাহাতির ঘটনায় ৩ নারী গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ ১৯:৪০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পহেলা বৈশাখ রাতে রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর সেকশনের ক্যাফে সেলেব্রিটা বারের সামনে কয়েকজন তরুণী ও এক নারীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত তিন নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
তারা হলেন, শারমিন আক্তার মিম (২৪), ফাহিমা ইসলাম তুরিন (২৬) ও নুসরাত আফরিন।
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তরুণীদের মদপানের লাইসেন্স ছিল না। তারা অতিরিক্ত মদ পান করে মাতাল হয়ে মারামারিতে জড়ান। সেলেব্রিটা বার তাদের কাছে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করায় বারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সম্প্রতি গুলশান-২ নম্বরের ক্যাফে সেলেব্রিটা বারের সামনে কয়েকজন নারীর মধ্যে হাতাহাতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক নারী অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে অভিযুক্ত তিন নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি প্রধান বলেন, মদ পানের জন্য কোনও পুরুষ বা নারীর লাইসেন্স থাকলে তারা বৈধ বার থেকে মদ পান করতে পারেন। এতে আইনি কোনও বাধা নেই। কিন্তু পহেলা বৈশাখের রাতে গুলশানের মতো এলাকায় তারা মদ পান করেছেন। কারও কোনও লাইসেন্স ছিল না। লাইসেন্সবিহীন কারও কাছে বার কর্তৃপক্ষ মদ বিক্রি করতে পারে না। তাদের উচিত ছিল এসব নারীর মদপানের লাইসেন্স পরীক্ষা করা। বারের লোকজনের উচিত ছিল বেসামাল নারীদের নিয়ন্ত্রণ করা।
মহানগর গোয়েন্দা প্রধান আরও বলেন, সাধারণ মানুষ এই ভিডিও দেখে ভাববে, শহরের রাস্তায় নারীরা মাতলামি করে, মারামারি করে। এটা কোনও অভিভাবকই মেনে নিতে পারবেন না। এসব নারী কারও না কারও সন্তান। তাদের অভিভাবকদের উচিত মেয়েরা কোথায় যায়, কী করে খেয়াল রাখা। আজ এই নারীরা বারে গিয়ে মদ পান করে এমন কার্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন। যে নারীকে তারা মেরেছে, সেই নারীও মাতাল ছিলেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যে বারগুলো লাইসেন্স ছাড়া মদ বিক্রি করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নেবো।

ভুক্তভোগী নারী রিতা আক্তার সুস্মি বলেন, আমি ও আমার এক বন্ধু মিলে খাবার খেতে ওই রেস্তোরাঁয় যাই। এক পর্যায়ে টয়লেটে যাওয়ার জন্য গিয়ে দেখি চারজন মেয়ে এক সঙ্গে টয়লেটে প্রবেশ করছেন। বিষয়টি রেস্তোরাঁর ম্যানেজারকে বলি। তিনি মেয়েদের বের করে দেন। পরে আমি রেস্তোঁরা থেকে বের হওয়ার সময় তারা আমার ওপর হামলা করেন।
রিতা আক্তার সুস্মি আরও বলেন, তারা আমাকে চড়-থাপ্পড় দিতে পারতো। কিন্তু রাস্তার মধ্যে আমার কাপড় খুলে ফেলেন, আমাকে মারধর করেন। আমি তাদের সঠিক বিচার চাই। কারণ রাস্তায় একজন মেয়ে আরেকজন মেয়ের কাপড় খুলে ফেলতে পারেন না।


সংসদ এলাকায় এমপি পুত্রের ড্রোন উড়ানো, ছাড়া পেলেন মুচলেকায়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানিক অ্যাভিনিউ সড়কে নববর্ষ উপলক্ষে আঁকা আল্পনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে স্পর্শকাতর এই এলাকায় ড্রোন উড়িয়ে বিপাকে পড়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) এইচএম গোলাম রেজার ছেলে হোসেন মোহাম্মদ মায়াজ (২৮)। গত সোমবার এ ঘটনার পর শেরে বাংলা নগর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পরে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান এমপি পুত্র।

সংসদ ভবন, পুরাতন বিমানবন্দর, চন্দ্রিমা উদ্যান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গণভবন এবং বঙ্গভবনসহ রাজধানীর ভিভিআইপি ও স্পর্শকাতর এলাকায় ড্রোন উড়ানো নিষিদ্ধ।

ড্রোন ওড়ানোর বিষয়ে মায়াজ বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আঁকা আলপনার একটি ভিডিওগ্রাফি ও ছবি তোলার জন্য তিনি পূর্ব অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ড্রোন MAVIC AIR-3 ব্যবহার করেন এবং এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এলাকাটি রেস্ট্রিক্টেড এবং নিরাপত্তার স্বার্থে সচেতন থাকা উচিত ছিল জানিয়ে নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। আইনের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থাকবেন জানিয়ে ভবিষ্যতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড আর কখনো করবেন বলেও অঙ্গীকার করেন মায়াজ।

নিরাপত্তার জন্য পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রোন ওড়ানোর ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ রয়েছে। বিশেষ করে রেড জোনে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী দেশের আকাশ সীমায় ড্রোন, রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট সিস্টেম, রিমোট কন্ট্রোলড খেলনা বিমান, ঘুড়ি ও লেজার রশ্মি ব্যবহারে সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। এজন্য একটি নির্দিষ্ট সময় আগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ওয়েব সাইটে (www.caab.gov.bd) দেওয়া ফরম অনুযায়ী পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে।

সম্প্রতি আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অনুমতি ছাড়া ড্রোন না ওড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু উৎসাহী ব্যক্তি, বেসামরিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, এনজিও এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিনা অনুমতিতে বাংলাদেশের আকাশ সীমায় ড্রোন, রিমোটলি পাইলটেড এয়ারক্রাফট সিস্টেম (ইউএভিআরপিএএস), রিমোট কন্ট্রোলড খেলনা বিমান, ঘুড়ি ও ফানুস ইত্যাদি উড্ডয়ন করছেন। জনগণের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের অননুমোদিত উড্ডয়ন, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

রেড জোনে ড্রোন উড্ডয়ন বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. রওশানুল হক সৈকত বলেন, নিরাপত্তার জন্য পৃথিবীর সবদেশেই স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রোন ওড়ানোর ক্ষেত্রে কঠোর বিধি-নিষেধ আছে। আমাদের দেশেও স্পর্শকাতর এলাকায় ড্রোন ওড়ানো নিষেধ। এটা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিরাপত্তার জন্য জরুরি।

বঙ্গভবন, গণভবন, সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিমানবন্দর, চন্দ্রিমা উদ্যানসহ রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে ড্রোন ওড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এডিসি বলেন, আশা করি সবাই এ বিষয়ে সচেতন ও সতর্ক থাকবেন।

পুলিম কর্মকর্তা আরও বলেন, বাংলাদেশে ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা-২০২০ অনুযায়ী ড্রোন অপারেশন জোন রয়েছে, যেখানে রেড জোনে ড্রোন উড়ানো নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে সকলেরই সচেতন হওয়া জরুরি।


banner close