রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়

পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরছে কর্মজীবী মানুষ। ছবিটি বৃহস্পতিবার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে তোলা। ছবি: দৈনিক বাংলা
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০ জুন, ২০২৪ ২১:৪৯

ঈদের ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। যদিও গতকাল বুধবার (১৯ জুন) থেকে সরকারি অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমা, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিতসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঈদের ছুটি শেষে খুলেছে। তবে অনেকেই ঈদের ছুটির সঙ্গে দুদিন ছুটি নেওয়ায় আজ বৃহস্পতিবারও অনেককে নগরীতে ফিরতে দেখা গেছে।

তাই দেশের প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় ছিল অনেক। গ্রামে যাওয়া মানুষ ক্রমিই ঢাকা ফিরতে থাকায় চাপ কম লক্ষ্য করা গেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এ দিন দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের সবগুলো লঞ্চ ডেকে পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে ঘাটে ভিড়ে। ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েও কিছু লঞ্চ ঢাকার এসে পৌঁছায়। এ ছাড়া নিকটবর্তী জেলা চাঁদপুর, ভোলা, ইলিশা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলোও ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সদরঘাট টার্মিনাল থেকে দেশের ৩১টি নৌপথে নিয়মিত ৭০টি লঞ্চ চলাচল করে। তবে ঈদুল আজহায় তা দ্বিগুণের বেশি করা হয়েছে। ঈদের আগে-পরের প্রায় ১৫ দিন ছোটবড় মিলিয়ে ১৭৫টিরও বেশি লঞ্চ যাতায়াত করেছে। আগে ঢাকা থেকে ৪১টি নৌপথে লঞ্চসহ পণ্যবাহী বিভিন্ন নৌযান চলত। নদী খনন ও ড্রেজিংয়ে অনিয়মের কারণে ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলগামী ১০টি নৌপথ বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে গতকাল সকাল থেকেই একে একে ভিড়তে থাকে বিভিন্ন রুটের লঞ্চ। দুপুরের পর থেকে গ্রিন লাইন-৩ ও সন্ধ্যার পর পারাবত- ৯, ১০, ১২ ও ১৮, মানামী, কুয়াকাটা-২, কীর্তনখোলা- ২ ও ১০, সুরভী- ৮ ও ৯, অ্যাডভেঞ্চার-১ ও ৯, সুন্দরবন-১২ লঞ্চসহ মোট ১৫টি লঞ্চ বরিশাল নদীবন্দর সদরঘাটে এসে পৌঁছায়।

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী থেকে ফিরেছেন ঢাকায়। তিনি বলেন, ‘এমভি টিপু ৭ লঞ্চের টিকিট পেয়েছিলাম। তবে লঞ্চে অনেক মানুষের ভিড় ছিলো। ঠিকভাবে ঢাকায় আসতে পেরেছি এটাই অনেক।’ মনপুরা, হাতিয়ার থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা এসেছেন এমভি তাসরিফ ৮। লঞ্চটির কর্মী আসাদ মুন্সি বলেন, লঞ্চে মধ্যে পাঁচ-ছয়শ মানুষ এসেছে। ছুটি শেষ হওয়ায় মানুষ ঢাকা আসছে। আরামের যাত্রা লঞ্চ, এজন্য অনেকেই লঞ্চে করে আসেন।

ভোলার চরফ্যাশন ও বেতুয়া থেকে ঢাকা এসেছেন এমভি টিপু-১৩। লঞ্চটিতে ঘাটে ভিড়তেই দেখা যায়, পুরো ডেক ভর্তি মানুষ। অনেকে দাঁড়িয়েও এসেছেন।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশাল অঞ্চলগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রী কমায় ঢাকার সদরঘাটের চেনা রূপ অনেকটাই হারিয়েছিল। তবে ঈদের ছুটির সঙ্গে ফিরেছে চেনা সেই ভিড়। তবে ঈদের পরে ঢাকার সদরঘাটে ভিড় বাড়লেও আগের মতো নেই বলে জানিয়েছেন লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় থাকলেও ফিরতি যাত্রীর ভিড় ছিলো অনেকটাই কম। বরিশাল, ভোলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা লঞ্চগুলোর কর্মীরা যাত্রীদের ডাকাডাকি করছেন। অল্প সংখ্যক মানুষ লঞ্চে উঠেছেন। বেশ কয়েকটা লঞ্চের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, ডেকের সিটে অধিকাংশই ফাঁকা। ভেততে কিছু মানুষ বসে আছে। কেউ আবার কেবিন নিয়ে দরদাম করছেন। লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ঈদের আগে যাত্রীর চাপ বাড়ায় আশা পেয়েছিলাম। এখন সে আশা আর দেখছি না। সামনের দিনগুলিতে কি হয় দেখা যাক।

সার্বিক বিষয়ে ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন জানান, ‘ঈদের পর যাত্রী চাপ স্বাভাবিক রয়েছে। আমাদের নিয়মিত লঞ্চগুলোই চলাচল করছে। অতিরিক্ত কোনো লঞ্চের প্রয়োজন পড়ছে না। ভাড়া বেশি নেওয়ার অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


নির্বাচিত

ঢাকাকে বাঁচাতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় যুদ্ধ ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৩ জুন, ২০২৬ ২২:০৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৫ বছরে ৩ লাখ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। শনিবার গুলিস্তানের শহীদ মতিউর রহমান পার্কে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে তিনি ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলে একযোগে কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন।

জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিএসসিসি এলাকায় ২০২৬ থেকে ২০৩০ পর্যন্ত ৫ বছরে মোট তিন (৩) লক্ষ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ উদ্বোধনী দিনে ডিএসসিসির ১০টি এলাকায় পাঁচশত (৫০০) বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যেভাবে অস্ত্র হাতে শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছিলাম, দেশ গড়ার এই দ্বিতীয় পর্যায়ে আমাদের লড়াই জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এবং ঢাকাকে বাঁচানোর লড়াই। ঢাকাকে বাঁচাতে হলে আমাদের অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে এবং রোপণকৃত গাছের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে।

৫ বছরে ২৫ কোটি জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রশাসক বলেন, একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি বৃক্ষরোপণকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কারণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এর বিকল্প কিছুই নেই।

ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসক বলেন, কংক্রিটের আধিক্যের কারণে বৃষ্টির পানি মাটির নিচে যেতে পারছে না। তাই নতুন ভবন নির্মাণের সময় কিছু অংশ কংক্রিটমুক্ত রেখে ঘাস বা দুর্বা রাখার জন্য আমি নগরবাসীকে আহ্বান জানাচ্ছি।

শহরের সবুজায়ন নিশ্চিত করতে ছাদ কৃষকদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে প্রশাসক জানান, ঢাকায় যারা ছাদ কৃষি করছেন, তাদের উৎসাহিত করতে প্রতি বছর ঢাকা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রথম ১০ জনকে পুরস্কৃত করা হবে। পরবর্তীতে ছাদ কৃষকদের হোল্ডিং ট্যাক্স রিবেট (ট্যাক্স ছাড়) দেওয়ার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডিএসসিসির জিরো ওয়েস্ট কার্যক্রমের আওতায় ইতোমধ্যে রোড মিডিয়ান ও ট্রাফিক আইল্যান্ডে ১৮ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। এছাড়া ওসমানী উদ্যানে একটি কেন্দ্রীয় নার্সারি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখান থেকে নাগরিকদের গাছ উপহার দেওয়া হবে।

প্রশাসক নগরীর পরিবেশ রক্ষায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যাদের পার্ক বা উন্মুক্ত স্থান ইজারা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোনো বাণিজ্যিক বা অস্থায়ী স্থাপনা রাখা যাবে না। শর্ত ভঙ্গ করলে লিজ বাতিল করা হবে। এছাড়া অবৈধ দখল, লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা এবং হকার নিয়ন্ত্রণে প্রতি শনিবার ১০টি অঞ্চলেই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

সবশেষে তিনি ঢাকাকে একটি সুন্দর, ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন’ মেগাসিটিতে রূপান্তর করতে সর্বস্তরের জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ঢাকা ওয়াসার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর আফতাবনগরসংলগ্ন দাশেরকান্ধি পয়ঃশোধনাগার কম্পাউন্ডে প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা ওয়াসার পক্ষে শনিবার (১৩ জুন) এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।

উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) জনাব এ. কে. এ. এম ফজলুল হক, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ) জনাব মো. মিজানুল হক, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ওএ্যান্ডএম) জনাব মির্জা গোলাম কিবরিয়া,উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (আরপিএ্যান্ডডি) জনাব মোঃ আজিজুল হক সহ অন্যান্য প্রকৌশলী ও কমকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক স্থাপিত 'গভীর নলকূপ' র উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান এর কড়াইল জামাইবাজার এরশাদ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক স্থাপিত 'গভীর নলকূপ' র উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১১ জুন,২০২৬ তারিখে অনুষ্টিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব জনাব আব্দুর রহামান সানি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম।

অন্যান্যের মধ্যে প্রকল্প পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (জরুরি পানি সরবরাহ প্রকল্প ও পানি পূঃ ও উঃ সার্কেল ) জনাব আব্দুল মজিদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মডস সার্কেল-১) জনাব মোঃ ফিরোজ আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মডস সার্কেল-২) মোঃ শাহ আলম সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, আলোচ্য গভীর নলকূপ থেকে প্রতি মিনিটে ২৪০০ লিটার পানি উত্তোলিত হবে।


নির্বাচিত

নাগরিকদের সুঅভ্যাস গড়তে মাঠে নামছে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নাগরিকদের মাঝে নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখা, এডিস মশার বিস্তার রোধে পানি জমতে না দেওয়া এবং যত্রতত্র ময়লা না ফেলার মতো সুঅভ্যাস তৈরি করতে মাঠে নামছে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে এবং ‘আছি বাংলাদেশ’-এর অর্থায়নে বুধবার থেকে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় (৯নং ওয়ার্ড) ‘পরিচ্ছন্ন আঙিনা’ শীর্ষক একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে।

নগর ভবনের মিলনায়তনে ‘নিজে বদলাই, ঢাকা বদলাবে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এক জমকালো অনুষ্ঠানে এই বিশেষ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি’র প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাস মেয়াদি এই প্রকল্পে মোট ২০ জন সিটি ইন্সপেক্টর মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘একটি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা শুধু সিটি করপোরেশনের একক দায়িত্ব নয়; এর জন্য প্রয়োজন নাগরিকদের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ। শহরের প্রতিটি বাড়ি, দোকান ও প্রতিষ্ঠানের আঙিনা পরিচ্ছন্ন থাকলে পুরো নগরই বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। মতিঝিল ৯নং ওয়ার্ডে যে কর্মসূচির সূচনা হলো, তা সফল হলে পর্যায়ক্রমে ঢাকার সকল ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

তিনি আরও জানান, এই সিটি ইন্সপেক্টরদের মূল কাজ হবে নাগরিকদের সচেতন করা এবং পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহযোগিতা করা। নাগরিকরা সচেতন হলে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ধুলোবালি, বায়ুদূষণ ও জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে।

প্রকল্পের মূল কার্যক্রমসমূহ ১০টি জোনে বিভক্ত: পুরো মতিঝিল এলাকাকে ১০টি ভাগে ভাগ করে ২০ জন সিটি ইন্সপেক্টর মাঠে নিয়োজিত থাকবেন।

সরাসরি যোগাযোগ ও পরামর্শ: ইন্সপেক্টররা বাড়ি, দোকান ও প্রতিষ্ঠানে সরাসরি গিয়ে নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলবেন, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করবেন এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

নাগরিকদের রেটিং ও সামাজিক প্রচার: নাগরিকরা নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলছেন কি না, তা নিয়মিত তদারকি ও জরিপ করা হবে। এর মাধ্যমে দায়িত্বশীল ও দায়িত্বহীন নাগরিকদের চিহ্নিত করে সামাজিকভাবে তা প্রচার করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘আছি বাংলাদেশ’-এর প্রতিনিধি, সিটি ইন্সপেক্টর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে জালিয়াতি সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে লেনদেন করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি ব্যাংকের সাবেক এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সাবেক ওই কর্মকর্তার নাম সারোয়ার হোসেন (৪০)। তবে তিনি কোন ব্যাংকে চাকরি করতেন, সে তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, গ্রেপ্তার সারোয়ার ‘একটি স্বনামধন্য’ ব্যাংকের সিনিয়র রিলেশনশিপ অফিসার (কার্ড সেলস, রিটেইল ব্যাংকিং) ছিলেন। গত সোমবার ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, সারোয়ার হোসেন ২০১৭ সালে কর্মরত থাকা অবস্থায় এক গ্রাহক তার নামে একটি ক্রেডিট কার্ড নেন। পরে প্রয়োজন না হওয়ায় গ্রাহক কার্ডটি ব্যবহার না করে ব্যাংকে ফেরত দিলেও সারোয়ার হোসেন কার্ডটি ব্যাংকে জমা না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দেন। ভুয়া মোবাইল নম্বর ও ঠিকানা ব্যবহার করে তিনি কার্ডটির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখেন, যাতে সকল ওটিপি তার কাছে পৌঁছায়। এরপর সেই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন করেন।

এ দিকে সেই গ্রাহক সম্প্রতি ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো রিপোর্ট (সিআইবি) থেকে জানতে পারেন, তার নামে ২০১৭ সালে ইস্যু করা ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে ঋণ আছে। তখন তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে ওই ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

এরপর গত ১৫ এপ্রিল ব্যাংকের পক্ষ থেকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল (ডিএমপি) থানায় মামলা করেন। সেই মামলার তদন্তে নেমে সিআইডি সারোয়ারকে গ্রেপ্তার করে।

সিআইডি জানায়, ২০১৯ সালে চাকরি ছেড়ে দিয়েও ওই ক্রেডিট কার্ড দিয়ে লেনদেন অব্যাহত রাখেন সারোয়ার। সেই গ্রাহকের ফেরত দেওয়া ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ২০১৭ সালের শেষ দিক থেকে ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ১৭ লাখ ৭০ হাজার ২১৩ টাকা লেনদেন করা হয়। মোট লেনদেনের বিপরীতে ১৪ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করা হয়। সুদসহ সেই ঋণের পরিমাণ এখন ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।


নির্বাচিত

তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি জবি শিক্ষার্থীর বাবার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার পশ্চিম তেজতুরী বাজার জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মোবারক হোসেন (৬৯) নামে এক ব্যক্তি তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। মোবারক হোসেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তৈমুর খান মবিনের বাবা।

পরিবারের দাবি, গত ৬ জুন সকাল ১০টার দিকে তিনি নিখোঁজ হন। গত তিন দিন ধরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বয়সজনিত কারণে তার মস্তিষ্কে কিছু জটিলতা রয়েছে এবং তিনি চিকিৎসাধীন। তিনি নিয়মিত নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যেতেন এবং সবসময় সঙ্গে মোবাইল ফোন রাখতেন। তবে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

পরিবার জানায়, নিখোঁজ মোবারক হোসেনের পরনে ছিল হালকা লেবু রঙের পাঞ্জাবি ও কালো জুতা। তার মুখে সাদা দাড়ি রয়েছে। তিনি মাঝারি উচ্চতার, স্বাস্থ্যবান গড়নের এবং মুখে অল্পসংখ্যক দাঁত রয়েছে।

তেজগাঁও থানার ওসি কৈশ্যনুর জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তর ও বিভিন্ন মাধ্যমে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাকে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।


নির্বাচিত

ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কোনো দোকান চললে তা সিলগালা করে দেওয়া হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নিজস্ব মালিকানাধীন মার্কেটগুলোতে কোনো ধরনের অবৈধ দোকান বা স্থাপনা রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেছেন, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কোনো দোকান চললে তা তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার নগর ভবনে ডিএসসিসির নিজস্ব মালিকানাধীন মার্কেট কমিটির নেতাদের সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও ট্রেড লাইসেন্সসহ সার্বিক বিষয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় আবদুস সালাম বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন একটি জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সড়ক নির্মাণ, ড্রেনেজ উন্নয়ন, মশক নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে নাগরিক সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল রাখতে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিটি করপোরেশন নাগরিকদের কর ও ভাড়ার অর্থেই পরিচালিত হয়। রাজস্ব ঘাটতির কারণে সেবা কার্যক্রমে চাপ তৈরি হচ্ছে, তাই ব্যবসায়ীদের নিয়মিত কর ও ভাড়া পরিশোধে এগিয়ে আসতে হবে।’

অনিয়ম ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫-২০ বছর ধরে চলে আসা বিভিন্ন অনিয়ম ও জটিলতা আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চাই। আপনারা নিয়ম মেনে সহযোগিতা করুন, সিটি করপোরেশনও প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে। আমরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই যেখানে আপনারা বৈধভাবে ব্যবসা করবেন এবং করপোরেশনও তার প্রাপ্য রাজস্ব পাবে। একজনকে টাকা দিয়ে ব্যবসা করলেই তা বৈধ হয়ে যায় না; বৈধতার জন্য সিটি করপোরেশনের নিয়ম অনুসরণ করতেই হবে।’

সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জন এবং করদাতাদের বকেয়া পৌর কর পরিশোধে উৎসাহিত করতে একটি বিশেষ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ উদ্যোগের আওতায় আগামী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে বকেয়া পৌর কর পরিশোধ করলে আরোপিত ১৫ শতাংশ সারচার্জ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে বলে জানানো হয়। করদাতারা এই সুযোগ গ্রহণ করে অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা ছাড়াই তাদের বকেয়া কর পরিশোধ করতে পারবেন।

মতবিনিময় সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বাজার ও মার্কেটের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরা হয় এবং প্রশাসক সেগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।


নির্বাচিত

রাজধানীর তিন থানায় বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭১

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মুগদা, যাত্রাবাড়ী ও তেজগাঁও এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৭১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে যাত্রাবাড়ী থানায় ২৪ জন, মুগদা থানায় ১২ জন ও তেজগাঁও বিভাগে ৩৫ জন। মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. আল আমিন (৪০), মো. মহসীন মিয়া (৫০), মো. মিলন মিয়া (৩৭), মো. শামিম মিয়া (২৩), হালিমা আক্তার (৩২), সেলিনা খাতুন (৪৫), মো. হাবিবুর রহমান হাবিব (২৪), মো. ইসমাইল হোসেন (২০), ইয়াসিন মিয়া (১৯), মো. ইকবাল হোসেন (১৯), মো. আলমগীর হোসেন ওরফে শান্ত (২৭), নাজমা বেগম (৫০), মো. আসিফ (২১), মো. সাজ্জাত হোসেন (২২), নাঈম মৃধা (২৫), মো. জাবেদ (৩৮), মো. সেলিম বাবু (৩৫), মো. জনি (৪২), শিলা (৫০), সজল (২৬), মো. নুর ইসলাম (১৯), মো. আবু তালেব সরকার (৩২), মো. ইউসুফ (৩২) ও নাজমুল (২১)।

যাত্রাবাড়ী থানা সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো করা হয়েছে।

এদিকে মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সোহান (২০), রাহাদ (১৯), রাসেল (৩৭), মো. সিফাত (১৮), মো. শাহীন (১৯), আশিকুর রহমান (২৫), মো. রোমান (২৫), সজল (২৮), মো. মাহিম (২৫), মো. আল আমিন (২৬), মো. শাওন (২৬) ও মো. শামীম (৩৬)।

মুগদা থানা সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার মুগদা থানা পুলিশ অত্র থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, প্রদীপ চন্দ্র দাস ওরফে হোসেন মোহাম্মদ ওরফে দীপু (৩৯), মো. আব্দুর রহমান (২৬), মো. হৃদয় (২৭), মো. তরিকুল ইসলাম (৩১), মো. গোলাম মোর্শেদ (২৮), মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৬), তরিকুল ইসলাম (২৮), মো. বাবুল (২৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৩), মো. কামাল (৩৫), ইয়াছিন হাসান সেন্টু (৩৩), মুয়ীদুল ওমর (নাহিদ), হৃদয় (২৬), মো. জুয়েল রানা (৩০), মো. বিল্লাল (২৭), মো. শাহাবুদ্দিন হাওলাদার (৪৫), শাওন (১৯), মো. তালহা জোবায়ের (২০), মো. শফিউল ইসলাম (৩৫), মেহেদী হাসান (২৩), মো. জাকারিয়া (জাকারুল) (২২), মো. মেহেদী হাসান (২০), মো. জুনায়েদ (২০), মো. শরিফুল ইসলাম (২২), মো. ফয়জুল করিম (২৬), মো. পিয়াস (৩০), মো. আসিফ (২২), ফয়সাল (২৪), আল আমিন (২২), মো. জাহিদুল (২৫), মো. জাহিদ হোসেন (৪০), মো. সোহেল রানা (২৯), মো. নিপু (২৪), মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৩) ও মো. রফিকুল ইসলাম ডলার।

তেজগাঁও বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে তেজগাঁও বিভাগের তেজগাঁও থানার ৪ জন, শেরেবাংলা নগর থানার ৫ জন, মোহাম্মদপুর থানার ১৭ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ৪ জন ও হাতিরঝিল থানার ৫ জন। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।


নির্বাচিত

রাজধানীতে চোরাই স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির সূত্রাপুর থানা পুলিশ।

সোমবার (৮ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- রাজু আহমেদ শিপলু (৩৭), ইরফান অমি (৩৮) ও মো. আলমগীর (৫০)।

পুলিশ জানায়, গত ৩১ মে বাসায় তালা দিয়ে ঢাকার বাইরে বেড়াতে যান সূত্রাপুর থানার উল্টিনগঞ্জ লেনের একটি বাসার ভাড়াটিয়া। পরে বুধবার (৩ জুন) সকালে বাসায় এসে দেখতে পান দরজার তালা ভাঙা এবং বাইরে থেকে ছিটকিনি দেওয়া। এ ঘটনায় স্বর্ণালংকার, একটি টেলিভিশন ও নগদ অর্থসহ প্রায় ১৬ লাখ টাকার মালামাল চুরি হয় দাবি করে সূত্রাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পরে ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সূত্রাপুর থানা পুলিশ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে এবং সোমবার (৮ জুন) সূত্রাপুর ও যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে শিপলুর যাত্রাবাড়ীর বাসা থেকে অভিযান পরিচালনা করে চুরি হওয়া এক জোড়া স্বর্ণের ঝুমকা, একটি টেলিভিশন, একটি স্মার্টফোন এবং নগদ ২ লাখ ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।


নির্বাচিত

রাজধানীর রামপুরায় পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পূর্ব নোটিশ ছাড়াই চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে রাজধানীর রামপুরা সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সোমবার (৮ জুন) দুপুরের দিকে হাতিরঝিল ও রামপুরা থানাধীন বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

জানা গেছে, বিটিভি সেন্টারের সামনে ‘টেক্সাস ড্রেসেস লিমিটেড’ নামক একটি পোশাক কারখানার কয়েকশ শ্রমিক এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মালিবাগ-রামপুরা-বাড্ডা রুটের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের এক পাশে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

এর ফলে তীব্র গরমের মধ্যে ওই এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীরা।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রম আইন তোয়াক্কা না করে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা ছাড়াই বেআইনিভাবে তাদের চাকরিচ্যুত করেছে। চাকরি হারিয়ে জীবিকা নির্বাহের সংকটে পড়ে তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা বিটিভি ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল এবং সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ভবন ঘেরাও করে সেখানে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের পক্ষ থেকে কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য পাঁচ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো-

এক. ছাঁটাইকৃত ১৪৭ জন শ্রমিককে অবিলম্বে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে।

দুই. আন্দোলন দমাতে পুলিশ প্রশাসন বা বহিরাগতদের দিয়ে শ্রমিকদের ওপর কোনো ধরনের মামলা, হামলা বা হয়রানি করা যাবে না। তিন. কারখানার পূর্ববর্তী স্বাভাবিক নিয়ম ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে যেভাবে উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল, ঠিক সেভাবেই কারখানা পরিচালনা করতে হবে। চার. কারখানার অভ্যন্তরে শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পাঁচ. প্রত্যেক শ্রমিকের চাকরির আইনি ও স্থায়ী নিশ্চয়তা দিতে হবে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ গণমাধ্যমকে জানান, ১৪৭ জন শ্রমিকের চাকরি ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে দুপুরে রামপুরায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নামেন। এতে প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ ছিল। তবে আমারা তাদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়েছি। এখন শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা শ্রম অধিদপ্তরে যাচ্ছে, সেখানে আশা করি বিষয়টি সমাধান হবে। বর্তমানে রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান তিনি।


নির্বাচিত

ধানমন্ডি লেককে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় উন্মুক্ত জনপরিসর ধানমন্ডি লেককে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। একই সঙ্গে লেকের পরিবেশ, সৌন্দর্য ও পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে নতুন কিছু উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। রোববার ধানমন্ডি এলাকায় আয়োজিত এক গণশুনানিতে ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ধানমন্ডি লেক নগরবাসীর জন্য একটি উন্মুক্ত বিনোদন ও সাংস্কৃতিক পরিসর। এটি কোনোভাবেই পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক এলাকায় পরিণত হতে দেওয়া হবে না।

তিনি জানান, লেক ও আশপাশের পরিবেশ রক্ষায় হকার এবং রিকশাচালকদের একটি নিবন্ধন ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে জনশৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিক সেবা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সিটি করপোরেশন।

গণশুনানিতে প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছাড়া একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই জনগণের অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশন উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তবে নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

আবদুস সালাম বলেন, ধানমন্ডিকে একটি পরিকল্পিত আবাসিক অঞ্চল হিসেবে আরও উন্নত করতে খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান এবং জনসেবামূলক অবকাঠামোর উন্নয়নে কাজ চলছে। পাশাপাশি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, নিউমার্কেট এলাকাকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল বাণিজ্যিক কেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

সড়ক ও ফুটপাত দখলের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, অনেক ক্ষেত্রে হকারদের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম জনভোগান্তি ও পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই নগর ব্যবস্থাপনায় সবাইকে সমান নিয়ম ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তার মতে, ধানমন্ডি লেকের সৌন্দর্য ও স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষা করা গেলে এটি শুধু একটি বিনোদন কেন্দ্র নয়, বরং রাজধানীর টেকসই নগর পরিকল্পনার একটি সফল উদাহরণ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।


নির্বাচিত

মতিঝিলে দিনদুপুরে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর এলাকায় দিনদুপুরে এক মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীকে গুলি করে প্রায় ১৭ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকাল ৩টার পর একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের করপোরেট শাখার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে লোকমান (৪৫) নামের ওই ব্যবসায়ী আহত হন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লোকমান একটি ব্যাগে প্রায় ১৭ লাখ টাকা নিয়ে ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং তার সঙ্গে থাকা টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার। তিনি জানান, আহত ব্যবসায়ী লোকমান শাহজাহানপুর এলাকার বাসিন্দা এবং মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

তিনি আরও জানান, হামলায় লোকমানের হাতে কনুইয়ের নিচে একটি এবং হাঁটুর নিচে দুটি গুলি লাগে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসা অবস্থা আছেন।

পুলিশ জানায়, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত টার্গেটভিত্তিক ছিনতাইয়ের ঘটনা। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ৩টি মোটরসাইকেলে করে অন্তত ৬ জন দুর্বৃত্ত ঘটনাস্থলে আসে এবং ভিকটিমকে অনুসরণ করে হামলা চালায়।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের তথ্য আগে থেকেই ছিনতাইকারীদের কাছে ফাঁস হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টিম কাজ করছে বলে জানা গেছে। পুলিশ বলছে, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


নির্বাচিত

ভাইরাল লক্কড়-ঝক্কড় সেই বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত, ঠাঁই হলো ডাম্পিংয়ে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

যাত্রী নিয়ে রাজধানী ঢাকার সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ভিক্টর ক্লাসিক পরিবহনের লক্কড়-ঝক্কড় এক লোকাল বাস। গাড়িটির পেছনের অংশ প্রায় খুলে পড়ার অবস্থা, যা বেঁধে রাখা হয়েছে দড়ি দিয়ে। এমনই এক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বাসটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

গাড়িটি আটক করে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পাঠানোর পাশাপাশি এর রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢাকা মেট্রো-ব-১২-০৭১৩ নম্বর বাসটির জরাজীর্ণ, রং চটা এবং লক্কড়-ঝক্কড় অবস্থায় সড়কে চলাচল করার বিষয়টি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং বিআরটিএ’র নজরে আসে। মেয়াদোত্তীর্ণ ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেন সনদ নিয়ে এবং জরাজীর্ণ অবস্থায় যানবাহনটি পরিচালনা করায় সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী এর রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মালিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

পোস্টে আরও জানানো হয়, বিআরটিএর আদালত-৬-এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাজিদ আনোয়ারের ভ্রাম্যমাণ আদালত গত ৩ জুন বিকালে মেরুল বাড্ডার বাঁশপট্টি এলাকা থেকে গাড়িটি আটক করে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পাঠায়।


নির্বাচিত

banner close