শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ ১২ সিটির মেয়রকে অপসারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২৪ ১৬:০০

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ মোট ১২টি সিটি করপোরেশনের মেয়রকে অপসারণ করা হয়েছে। আজ সোমবার স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেয়। ১২টি সিটি করপোরেশন হলো, ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ ।

এসব সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অতিরিক্ত সচিব ও সমমর্যাদার চার কর্মকর্তাকে প্রশাসক করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বিভাগীয় কমিশনারদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে স্থানীয় সরকার বিভাগের পৃথক আদেশে দেশের ৪৯৩টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে অপসারণ করা হয়। তাদের জায়গায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের পাশাপাশি দেশের ৬০টি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সব পৌরসভার (৩২৩টি) মেয়রকেও অপসারণ করা হয়েছে।

গত শুক্রবার ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ’, ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ ও ‘উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর খসড়া অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। পরে তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়।

ওই সংশোধনীর ফলে বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যক বিবেচনা করলে সরকার জনস্বার্থে কোনো সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং কাউন্সিলরকে অপসারণ করতে পারবে। একইভাবে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের অপসারণ করতে পারবে। একই সঙ্গে এগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দিতে পারবে সরকার।

ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের অধিকাংশই আত্মগোপনে চলে গেছেন। জেলা ও উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু করে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রায় সব শীর্ষ পদই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দখলে ছিল।


নির্বাচিত

মধ্য বাড্ডায় ‘আলিফ এন্টারপ্রাইজের’ বাসে আগুন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫৪
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সামনে রাস্তার পাশে পার্ক করে রাখা একটি স্টাফ বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে মধ্য বাড্ডা ইউ-লুপের কাছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ঠিক বিপরীতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগা বাসটি ‘আলিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি স্টাফ বাস বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাসটি রাস্তার পাশে পার্ক করা অবস্থায় ছিল। এ সময় হঠাৎ বাসটিতে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন দ্রুত বাসের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

বাড্ডা থানার সাব-ইন্সপেক্টর হাসানুল জানান, বাসটি রাস্তার পাশে পার্ক করা অবস্থায় ছিল। ওই অবস্থাতেই হঠাৎ বাসটিতে আগুন ধরে যায়।

তবে কীভাবে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

এদিকে, একই রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায়ও দুটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে একাধিক বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মধ্য বাড্ডার ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে। আগুনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপরই এখন নজর রয়েছে।


নির্বাচিত

যাত্রাবাড়ীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে দক্ষিণ কাজলা এলাকায় ওই ভবনের সপ্তম তলা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন ২৫ বছর বয়সি আলামিন।

পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর সোয়া ১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।’

নির্মাণ শ্রমিক আলামিন চাঁপাইনবাবগঞ্জের দরিয়াপুর গ্রামের মুকুলের ছেলে। তিনি যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ কাজলা এলাকাতে থাকতেন।

আলামিনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার এক সহকর্মী বলেন, ‘সপ্তম তলা ওই ভবনের সপ্তম তলায় বাইরে বাঁশের মাচার উপর দাঁড়িয়ে কাজ করছিলেন আলামিন। তখন ‘‘অসাবধানতাবশত’’ তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন।’


নির্বাচিত

ডিএসসিসির উদ্যোগে চালু হলো ‘বর্জ্যের বিনিময়ে ভাসমান বাজার’

ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার পাশাপাশি জনগণকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে ব্যতিক্ৰমী কার্যক্রম ‘বর্জ্যের বিনিময়ে ভাসমান বাজার’। গতকাল শনিবার সকালে সোয়ারীঘাট লঞ্চ ঘাটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেন, ‘বুড়িগঙ্গা নদীর ওপরই প্রাচীন ঢাকা গড়ে উঠেছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগের মূল ভিত্তি ছিল এই নদী। কিন্তু অবৈধ দখল ও যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে বুড়িগঙ্গার অস্তিত্ব আজ বিপন্ন।

এই নদীকে বাঁচাতে না পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আজ হয়তো এক দিনে বুড়িগঙ্গার সব সমস্যার সমাধান হবে না, তবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা নদী তীরের বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে এই সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে চাই।’


ডিএসসিসি প্রশাসক আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ঢাকার চারপাশের নদীগুলো—বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদীকে নৌ-চলাচলের উপযোগী করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।


তিনি জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে টানা তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ৭৫টি ওয়ার্ডেই প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালুর পাশাপাশি প্রতি শনিবার বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে। কর্তব্যে অবহেলা করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও কোথাও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে।


বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পরিকল্পনা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় বর্জ্য রিসাইক্লিং করে দ্রুত বিদ্যুৎ, গ্যাস, কম্পোস্ট সার ও ডিজেল উৎপাদনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করা যায়, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই আমরা এর প্রাথমিক ধাপে পৌঁছাতে পারব। বর্জ্য সম্পদে পরিণত হলে তা আর যেখানে-সেখানে পড়ে থাকবে না।’


ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে প্রশাসক বলেন, ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে মানুষের অসাবধানতার কারণেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ডাবের খোসা, এসি কিংবা ছাদ ও ড্রেনে যেন তিনদিনের বেশি পানি না জমে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখার অনুরোধ জানান তিনি। একই সাথে জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কর্মসূচি না দিয়ে পরিচ্ছন্ন শহর গঠনে সহায়তার আহ্বান জানান।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বুড়িগঙ্গার তীরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বর্জ্য সংগ্রহ করে ডিএসসিসির অস্থায়ী ভাসমান বাজারে জমা দেওয়ার বিনিময়ে উপহার হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়া হয়। একটি লঞ্চকে সাজিয়ে এই সাময়িক ভাসমান বাজার তৈরি করা হয়েছে।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান। এ ছাড়া ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

নামাজে গিয়ে ফেরেনি ১১ বছরের আবদুল্লাহ, সন্ধান চায় পরিবার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর হাজারীবাগের ঝাউচর বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে আবদুল্লাহ (১১) নামে এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে নামাজ পড়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে ঝাউচর বাজার সংলগ্ন বাসা থেকে নামাজ পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হয় আবদুল্লাহ। এরপর থেকে তার সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ হয়নি। আত্মীয়স্বজন ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

নিখোঁজ আবদুল্লাহর বাবার নাম টিপু এবং মায়ের নাম মিমি। নিখোঁজের সময় তার পরনে ছিল কমলা রঙের গেঞ্জি ও প্যান্ট

পরিবার জানিয়েছে, আবদুল্লাহর স্থায়ী ঠিকানা ভিশন শোরুম বিল্ডিং, ঝাউচর বাজার, হাজারীবাগ, ঢাকা

আবদুল্লাহর সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি শিশুটির সন্ধান পেলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।

যোগাযোগ: ০১৮৮৬৮২০৭৩৩।


নির্বাচিত

গুলশানের এডিসিসহ ৪ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগে আবারও রদবদল করা হয়েছে। উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) পর এবার একই জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. সরোয়ার হোসাইনকে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত এডিসি পদমর্যাদার আরও তিন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চার কর্মকর্তাকে তাঁদের নামের পাশে উল্লেখ করা পদ ও কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। তাঁদের বদলি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আদেশ অনুযায়ী, গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সরোয়ার হোসাইনকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডেমরা-জোনাল টিম), গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগে বদলি করা হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আমিনুল হক বাপ্পীকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গুলশান জোন), গুলশান বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিএমপির ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলামকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিরপুর জোন), মিরপুর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ফারজিনা নাসরিনকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (পল্লবী জোনাল টিম), গোয়েন্দা-মিরপুর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

ডিএমপির অফিস আদেশে চার কর্মকর্তার বদলির কারণ হিসেবে জনস্বার্থের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বা দায়িত্ব পরিবর্তনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে ডিএমপির গুলশান বিভাগে কর্মকর্তা পর্যায়ে একাধিক রদবদল হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এবার এডিসি পর্যায়ের এই পরিবর্তন এলো। নতুন দায়িত্বে বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের দ্রুত দায়িত্ব গ্রহণের কথা রয়েছে।

ডিএমপির গুরুত্বপূর্ণ জোনগুলোর মধ্যে গুলশান অন্যতম। রাজধানীর কূটনৈতিক এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকা এই বিভাগের আওতাভুক্ত হওয়ায় এখানকার আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনায় পুলিশের দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কর্মকর্তারা দায়িত্ব নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট জোনগুলোর প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে এ পরিবর্তনের প্রভাব পড়বে।


নির্বাচিত

তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে ২৩ জন আটক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ইন্দিরা রোডের তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদ থেকে ২৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অপরাহ্নে মসজিদটির দ্বিতীয় তলায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেলা আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদে এ অভিযান শুরু হয়। বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, শিহাব উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল মসজিদটির দোতলায় বৈঠকে মিলিত হয়েছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতেই সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হয়।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন সদস্যের একটি দল উক্ত অভিযানে অংশ নেয় এবং সেখান থেকে ২৩ জনকে আটক করে।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মসজিদে চলা গোপন বৈঠকস্থল থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের পরিচয় ও কর্মকাণ্ডের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

আটককৃতরা সুনির্দিষ্ট কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না কিংবা তাদের কোনো ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতায় সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযান সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশের পাশাপাশি কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আটক ব্যক্তিদের অতীত ইতিহাস, পরিচয় ও কোনো পূর্ব অভিযোগ রয়েছে কি না তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। বর্তমানে ওই এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পুলিশের কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।


নির্বাচিত

বদ্ধ ঘরের খাটের নিচ থেকে গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কদমতলি ডিপটির গলির একটি বাসায় ইয়ানুর (২৫) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কদমতলি ডিপটির গলির পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায়।

কদমতলি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. খালেকুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কদমতলির ওই বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষের তালা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় মরদেহ খাটের নিচে গলাকাটা অবস্থায় বিছানার চাদর দিয়ে মোড়ানো ছিল।

এসআই আরও জানান, তিন মাস আগে জুয়েল ও ইয়ানুর স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই বাসা ভাড়া নেন। তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত। নিহত ইয়ানুরের ভাই ইমাম হোসেন বোনকে ফোনে না পেয়ে বাসায় খুঁজতে এসে দেখে রুম তালাবদ্ধ পান। এরপর তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে খাটের নিচে তার বোনের মরদেহ দেখে থানায় খবর দেন।

পুলিশের ধারণা—স্বামী জুয়েল ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা গেটে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন। আসামি ধরার চেষ্টা চলছে জানিয়েছে পুলিশ।


নির্বাচিত

রাজধানীর চার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, যাত্রাবাড়ীতে আহত ১

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দুপুরে মালিবাগ থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যায় আগারগাঁও ও মহাখালী এবং পরে যাত্রাবাড়ীতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণে এক অটোরিকশাচালক আহত হয়েছেন। তবে এসব ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর মালিবাগ রেলগেটসংলগ্ন সড়কে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের পাশে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশ জানায়, ফ্লাইওভারের ওপর থেকে নিচে ককটেল ছোড়া হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এরপর সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবনের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে। একই সময়ের কাছাকাছি মহাখালী এলাকায়ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, মহাখালী ফ্লাইওভারের ওপর থেকে নিচে একটি ককটেল ছোড়া হয়েছিল।

সবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার প্রধান ফটকের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এর কয়েক মিনিট পর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে আরও তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এসব ককটেল ফ্লাইওভার থেকে ছোড়া হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজু জানান, ককটেল বিস্ফোরণে একজন অটোরিকশাচালক আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে।

যাত্রাবাড়ী থানায় কর্তব্যরত উপপরিদর্শক মো. হাসানুর জানান, থানার প্রধান ফটকের সামনে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। কোথা থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করছেন।

একই দিনে রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। তবে মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী ও যাত্রাবাড়ীর ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো কোনো বক্তব্য দেয়নি।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনাগুলোর কয়েক দিন পর শুক্রবার আবারও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল।


নির্বাচিত

ভাসমান হাসপাতালে রূপান্তর হচ্ছে বিআইডব্লিউটিসির জাহাজ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত দ্বীপ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) অত্যাধুনিক ও বিলাসবহুল যাত্রীবাহী জাহাজ এমভি মধুমতি, এমভি রূপসা এবং এমভি সুগন্ধাকে আধুনিক ‘ভাসমান হাসপাতাল’-এ রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা নদীবন্দর (সদরঘাট) বাদামতলী বিআইডব্লিউটিসির টার্মিনালে এই বিশেষ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের সময় এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী এবং বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী। এ ছাড়া বিআইডব্লিউটিসির পরিচালকসহ দুই মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

‎অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপকূলীয় ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য তাৎক্ষণিক উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়া দীর্ঘদিনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় সরকারের এই পদক্ষেপ গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এই ভাসমান হাসপাতালগুলোর মাধ্যমে অত্যাধুনিক চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সরাসরি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।’

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে সরকারের এই সমন্বিত উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, নৌপথকে ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই প্রকল্প একটি অনন্য নজির স্থাপন করবে। জাহাজগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সুবিধাদিসহ ভাসমান হাসপাতালে রূপান্তর করতে বিআইডব্লিউটিসি একসঙ্গে কাজ করবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রাথমিকভাবে এই জাহাজগুলোতে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ, জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি ল্যাব এবং বহির্বিভাগসহ একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করা হবে। ফলে দুর্যোগপূর্ণ সময় কিংবা সাধারণ সময়েও প্রত্যন্ত অঞ্চলের নদীমাতৃক মানুষজন মূল ভূখণ্ডে না এসেই উন্নত চিকিৎসাসেবা লাভ করতে পারবেন।’

এ সময় প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। সরকারের এই জনকল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী এবং ঘাটে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।


নির্বাচিত

ওসির পর গুলশান জোনের ডিসিকেও প্রত্যাহার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকে ডিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার কথা জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে তাকে অবিলম্বে কার্যকরভাবে ডিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হলো। তবে তানভীর আহমেদকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার নির্দিষ্ট কোনো কারণ অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে একই দিন সকালে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনকেও প্রত্যাহার করা হয়। একদিনের ব্যবধানে গুলশান বিভাগের ডিসি ও থানার ওসির বিষয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে পুলিশের বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, গুলশানে আওয়ামী লীগের একটি মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি।

গত শুক্রবার গুলশান-১ এলাকায় আওয়ামী লীগের কয়েক শ নেতাকর্মী মিছিল বের করেন। মিছিলটি গুলশানের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণের সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় মিছিলকারীরা দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি জীবন্ত ককটেলসহ দুজনকে আটক করা হয়। পরে এ ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর অভিযান চালিয়ে সোমবার পর্যন্ত ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের মধ্যে ২৪ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কূটনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এলাকায় কয়েক শ মানুষের মিছিল এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের প্রস্তুতি ও গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে, এত বড় একটি জমায়েতের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আগে থেকে কোনো তথ্য ছিল কি না এবং থাকলে কেন তা ঠেকাতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

মিছিল শুরু হওয়ার পর পুলিশ কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে এবং ককটেল বিস্ফোরণের পর ব্যাপক ধরপাকড়ের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।

এর মধ্যেই প্রথমে গুলশান থানার ওসিকে প্রত্যাহার এবং পরে গুলশান বিভাগের ডিসিকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার ঘটনা ঘটল।

তবে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নেওয়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের সঙ্গে মিছিলের ঘটনার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে ডিএমপির অফিস আদেশে কোনো বক্তব্য নেই। ফলে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার অপেক্ষা রয়েছে।

ডিসি এম তানভীর আহমেদকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সদর দপ্তরে সংযুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত বুধবার থেকেই কার্যকর হয়েছে।


নির্বাচিত

ডিএসসিসি কর্তৃক ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:২১
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্তৃক মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এজিবি কলোনী কাঁচাবাজার পর্যন্ত সড়কের পাশের ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও ভাসমান দোকান উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার ডিএসসিসির অঞ্চল-২ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু আসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সড়কের পাশের ফুটপাত দখল করে স্থাপিত বিভিন্ন অবৈধ দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে পথচারীদের চলাচলের জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়।

নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা ও স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

পুলিশ ও গণমাধ্যম একে অন্যের সহযোগী: ডিএমপি কমিশনার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৫
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পুলিশ ও গণমাধ্যম পরস্পরের বন্ধু বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, জনগণের স্বার্থে পুলিশ ও গণমাধ্যমের দায়িত্ব পরস্পরের পরিপূরক। ডিএমপি অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে, আর পুলিশের এসব কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বুধবার দুপুরে ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্র্যাব) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অপরাধবিষয়ক সাংবাদিকতায় ক্র্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম জনগণের সামনে তুলে ধরতে ক্র্যাবের সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, পুলিশ ও গণমাধ্যমের কাজের ক্ষেত্র আলাদা হলেও উভয়ের লক্ষ্য জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা। পুলিশ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে। অন্যদিকে গণমাধ্যম এসব কর্মকাণ্ডের তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরে এবং বিভিন্ন অপরাধ ও সামাজিক সমস্যার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করে। এ কারণে দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন।

মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সময়ে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, অনলাইন প্রতারণাসহ নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। এসব অপরাধ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের শিকার হওয়া থেকে মানুষকে রক্ষা করতে তথ্যভিত্তিক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক তথ্য তুলে ধরার মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করার পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধেও গণমাধ্যম কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

ডিএমপি কমিশনার আশা প্রকাশ করেন, ডিএমপি ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে। অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং পুলিশের পেশাদার কার্যক্রম একে অপরকে সহায়তা করবে বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ক্র্যাবের দীর্ঘ পথচলার কথা উল্লেখ করে তিনি সংগঠনটির ৪১ বছরের পথচলায় অবদান রাখা সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। আগামী দিনগুলোতে ক্র্যাব আরও শক্তিশালী ও পেশাদার সংগঠন হিসেবে দেশের সাংবাদিকতা এবং সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ডিএমপি কমিশনার।

অনুষ্ঠানে ক্র্যাবের সদস্য, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

কেরানীগঞ্জে দিনদুপুরে সেলুনে ঢুকে যুবককে হত্যা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি

ঢাকার কেরানীগঞ্জে দিনে দুপুরে সেলুনে ঢুকে গুলি করে এবং পরে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকার ‘পাটালি গ্রুপের’ সদস্য ফরহাদকেব হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নের আরশিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সেলুন মালিক ইরফান জানান, বেলা ৩টার দিকে ফরহাদ তার সেলুনে চুল কাটাতে ও সেভ করতে আসেন। সেভের শেষ মুহূর্তে তিন যুবক সেলুনে ঢুকে তাকে কাছ থেকে গুলি করে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি সেলুনের বাইরে বের হলে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ফরহাদ ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন না। তাকে মাঝে মধ্যে এলাকায় আসতে এবং চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে দেখা যেত।

স্থানীয় যুবক সোহেল জানান, ফরহাদ মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকার ‘পাটালি গ্রুপের’ অন্যতম সদস্য ছিলেন। তিনি মাঝেমধ্যে আরশিনগর এলাকায় আসতেন। তবে স্থানীয়দের অনেকেই জানতেন না যে তিনি কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুস জানান, নিহত যুবকের নাম ফরহাদ। হত্যাকারীদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, নিহত ব্যক্তি ও হামলাকারীরা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। তদন্তের পর হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।


নির্বাচিত

banner close