বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
৫ আষাঢ় ১৪৩৩

নগর পরিবহন রুটে বিশৃঙ্খলা হলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক

প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ২০:১৬

বাস রুট রেশনালাইজেশনের আওতাধীন নগর পরিবহনের রুটে যদি কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছিন বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির পদাধিকার বলে সভাপতি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ড. মুহ. শের আলী। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নগরভবনে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ২৮তম সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

আজকের সভায় গত ২৭তম সভার সিদ্ধান্তের অগ্রগতি পর্যালোচনা, বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনয়নে করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ অন্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রশাসক ড. মুহ. শের আলী বলেন, ‘বাস রুট রেশনালাইজেশনের আওতাধীন নগর পরিবহনের রুটে যদি কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় তবে তার বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ রোডগুলো বিশেষ কারও জন্য বা বিশেষ কোনো পরিবহনের জন্য আমরা বরাদ্দ রাখতে চাই না। আমরা চাই যেকোনো উপায়ে এই রুটগুলোতে শৃঙ্খলিতভাবে গণপরিবহনগুলো চলাচল করুক। আর এর জন্য যে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার, আমরা সব পদক্ষেপ নেব।’

‘জনসংখ্যা অনুযায়ী কোনো রুটে কতক্ষণ পর পর কয়টি বাস চলাচল করবে সেসব বিষয়ে আমরা আরও বিস্তর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। পাশাপাশি নগর পরিবহন সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য আরও কতটা আধুনিক এবং যাত্রীবান্ধব করা যায় সেসব বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। এ ছাড়া আগের যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে তাহলে সেগুলোর সমাধানের মাধ্যমে আমরা ওভারকাম করতে পারব’- বললেন প্রশাসক ড. মুহ. শের আলী।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক ড. মুহ. শের আলী বলেন, ‘ভাড়া সমন্বয়ের বিষয়ে আজকে আমাদের কোনো আলোচনা হয়নি। এ বিষয়টি যদি কারও কোনো অভিযোগ থাকে, অথবা পরামর্শ থাকে সেক্ষেত্রে পরবর্তী সভায় আমরা সে বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসি প্রশাসক ড. মুহ. শের আলী। এ ছাড়া বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির সদস্য-সচিব এবং ডিটিসিএ এর নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতারসহ কমিটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সব শেষ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ২৭ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল ঢাকা নগর পরিবহনের বহরে ১০০টি ইলেকট্রিক বাস সংযোজন করা হবে। এ ছাড়া নগর পরিবহনে যাত্রী সেবার মান অক্ষুণ্ন রাখা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বিষয়:

নির্বাচিত

ফ্যামিলি কার্ড অসচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে: ঢাকার জেলা প্রশাসক

আপডেটেড ১৭ জুন, ২০২৬ ২১:৫০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফ্যামিলি কার্ড প্রতিটি অসচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। বুধবার কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর উপজেলা পরিষদ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অন্যতম দূরদর্শী অঙ্গীকার হলো ‘‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।’’ এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘এর মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে একটি সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।’

ফরিদা খানম বলেন, ‘আজকের এই তৃতীয় পর্যায়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলার ২টি ইউনিয়নের মোট ১ হাজার ২৭৫টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। এটি শুধু একটি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম নয়; বরং এটি সামাজিক সুরক্ষা, মানবিক মর্যাদা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের এক নতুন যাত্রা।’

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ২৩টি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ৯৫টিরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড এই বিচ্ছিন্ন সেবাগুলোকে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার ভিত্তি তৈরি করছে। এর মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা আর কেবল অনুদান ভিত্তিক ব্যবস্থা নয়; বরং নাগরিকের ন্যায্য অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’


নির্বাচিত

বর্জ্য অপসারণ আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার: ডিএসসিসি প্রশাসক

আপডেটেড ১৭ জুন, ২০২৬ ২১:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক

মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলমান থাকলেও বর্তমানে দ্রুত বর্জ্য অপসারণই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়ে করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, ‘সিটি করপোরেশনের সবচেয়ে কঠিন ও কষ্টসাধ্য কাজটি করেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। নাগরিকদের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে আগামী দুই বছরের মধ্যে ঢাকার চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব।’

বুধবার নগর ভবন অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ঈদ অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির ৪ হাজার ৯৫০ পরিচ্ছন্নতাকর্মীর প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদেরও জনসচেতনতা তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

বাসাবাড়ির বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ওয়ার্ডভিত্তিক টেন্ডারের মাধ্যমে পরিচালিত বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও নির্ধারিত সময়ে ময়লা তোলা হচ্ছে না, আবার কোথাও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। আগামী বছর বর্তমান ব্যবস্থা বহাল থাকবে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।’ জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেলে প্রয়োজনে নতুন ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানান তিনি।

ঈদুল আজহায় স্বল্প সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশাসক বলেন, ‘দ্রুত বর্জ্য অপসারণের ফলে এবার নগরবাসী দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পেয়েছে, যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।’

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে তিনি জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ইতোমধ্যে এক হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ‘হেলথ কার্ড’ দেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে ছয় হাজারে উন্নীত করা হবে।

আর্থিক সংকটের কারণে কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সন্তান যেন উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে সিটি করপোরেশন সহযোগিতা করবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।

আবদুস সালাম বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ে তোলা শুধু সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব নয়, এটি নাগরিকদেরও দায়িত্ব। সবাই মিলে কাজ করলে রাজধানীকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার প্রমুখ।


নির্বাচিত

কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে তরিকুল ইসলাম পবন নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর বাজার ব্রিজের ওপর এ ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম।

নিহত তরিকুল ইসলাম পবন (২৭) ঢাকার শ্যামপুর থানার পোস্তগোলা কলিমুল্লাহ বাগ এলাকার শফিকুল ইসলাম মাসুদের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে পবন মোটরসাইকেলে আব্দুল্লাহপুর বাজার ব্রিজ এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার মোটরসাইকেলের পেছনে এক নারী যাত্রী ছিলেন। তবে ওই নারীর পরিচয় জানা যায়নি। পথে একদল ছিনতাইকারী মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশে পবনকে ছুরিকাঘাত করে সড়কে ফেলে দেয়। পরে তারা মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে পথচারীদের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় পবনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি সাইফুল আলম বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ছিনতাইকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’


নির্বাচিত

ঢাকার থানাগুলোকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ ঢাকা মহানগরের থানাগুলোকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। থানাকে দালালমুক্ত রাখতে হবে। কোনো অপরাধ যেন থানা এলাকায় সংঘটিত হতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

বুধবার (১৭ জুন) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে গত মে মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে। বিশেষ করে মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

সভায় তিনি আরও বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হবে। অন্যদিকে দায়িত্বে অবহেলা, শৃঙ্খলাভঙ্গ কিংবা পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আসন্ন পবিত্র আশুরার সব কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ যেন বিশৃঙ্খলা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

মাসিক অপরাধ সভায় মে মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।


নির্বাচিত

কব্জি কাটা গ্রুপের প্রধান এক্সেল বাবুসহ র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার ৬

র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার এক্সেল বাবু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আদাবরে বিকাশ দোকানিকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই এবং থানা পুলিশের দুই কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় কুখ্যাত ‘কব্জি কাটা’ গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ উদ্দিন বাবু ওরফে এক্সেল বাবুসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর এবং মিরপুরের পীরেরবাগ ও ৬ ফিট এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত বাকি পাঁচজন হলেন এই সন্ত্রাসী চক্রের বর্তমান সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু সাঈদ, রাশেদ খন্দকার, মো. লিটন, মো. তসির এবং মো. তরিকুল ইসলাম। গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, চাপাতি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নাঈমুল হাসান এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, গত ১৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় এক বিকাশ এজেন্টকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে প্রায় ৩ লাখ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা। ঘটনার পর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আদাবর থানা পুলিশ তুরাগ হাউজিং এলাকায় অভিযান চালালে ছিনতাইকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আদাবর থানার ওসি জাইদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ গুরুতর আহত হন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে আমির ও রুবেল নামে দুই ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয় এবং পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরসহ মোট ৬ জনকে আটক করে। পরবর্তীতে মূলহোতাদের ধরতে র‍্যাব-২ এর গোয়েন্দা দল নজরদারি বাড়িয়ে এই ছয় শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‍্যাব জানায়, কব্জি কাটা গ্রুপের মূল প্রধান আনোয়ার ও বর্তমান প্রধান আবু সাঈদের ‘গুরু’ বা মেন্টর হিসেবে কাজ করতেন এই এক্সেল বাবু।

তিনি আরও জানান, এক্সেল বাবু নিজেই র‍্যাবের কাছে এই গ্যাংয়ের সঙ্গে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। মূলত তার প্রত্যক্ষ আশ্রয়-প্রশ্রয় ও ছত্রছায়ায় এই গ্রুপটি মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। মূল প্রধান আনোয়ার গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে আবু সাঈদ এই পুরো গ্রুপটিকে মাঠে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছিল। র‍্যাব কর্মকর্তা নাঈমুল হাসান জোর দিয়ে বলেন, এক্সেল বাবুর মতো গডফাদার ও পৃষ্ঠপোষকদের যতক্ষণ পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা না যাবে, ততক্ষণ এই গ্যাংগুলো বারবার সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। এই কারণে অপরাধ দমনে র‍্যাব এখন থেকে আরও আক্রমণাত্মক ও কঠোর পুলিশিং ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ছিনতাইকারী ও অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার বিষয়ে র‍্যাবের পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হলে অতিরিক্ত ডিআইজি নাঈমুল হাসান রামিসা হত্যা মামলার দ্রুততম সময়ে রায় হওয়ার উদাহরণটি টেনে আনেন।

তিনি বলেন, ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের অংশ হিসেবে র‍্যাব শুধু অপরাধীদের আটক ও তদন্তের কাজটি করে থাকে। তবে এই ধরনের কুখ্যাত ছিনতাইকারী এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা যেত, তবে দেশের সাধারণ জনগণ আরও অনেক বেশি নিরাপদ বোধ করতো এবং অপরাধীদের মনেও ভয় তৈরি হতো।


নির্বাচিত

ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের হেলথ কার্ড বিতরণ শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদান শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। গতকাল মঙ্গলবার নগরভবন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে এক হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদান হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ডিএসসিসির ৬ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এই কার্যক্রমের আওতায় আসবে।

‎অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার বলেন, ‘এই কার্ডে মাধ্যমে ৪৫০টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারবেন। এতে ৫০ শতাংশ ছাড় পাবেন কার্ডধারীরা। এমনকি ১০০ শতাংশও ছাড় পাবেন তারা।’

‎ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু তারা চিকিৎসা নিতে পারেন না। তাই তাদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

‎অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ করছি। এরমধ্যে দিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানও উৎসাহিত হবেন।’

‎তিনি বলেন, ‘একদিন যদি পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ময়লা না নেন তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতি দাঁড়াবে৷ তাই কর্মীদের স্বাস্থ্য দিকটি আমাদের দেখতে হবে।’

‎এসময় নগরবাসীর উদ্দেশে প্রশাসক বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। আমি অনুরোধ করবো, যেন সবাই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখি।’

‎তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সচেতন হই। যত্রতত্র ময়লা না ফেলি। এবং ঢাকা আমার শহর, এটাকে গর্ব করি, তবেই ঢাকা সুন্দর হয়ে উঠবে।’

‎অনুষ্ঠানে জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা কার্ডটি প্রদানে সহযোগিতা করছে হারপিক, সাজেদা ফাউন্ডেশন, সুইডেন সভেরিয়ে ও একশান এইড।


নির্বাচিত

শত বাধা পেরিয়ে অব্যাহত থাকবে নগর উন্নয়নের কাজ: ডিএনসিসি প্রশাসক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, নগর উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে যত বাধা-বিপত্তি ও ষড়যন্ত্রই আসুক না কেন? নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সব উন্নয়নমূলক কাজ চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে আয়োজিত শিশু সুরক্ষায় শিশু ও যুব কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ শীর্ষক প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘একটা পর্যায়ে গিয়ে তিনি অবশ্যই সফল হবেন। ৪১ বছরের রাজনৈতিক জীবনে অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আজ এ অবস্থানে এসেছেন। ভালো কাজের ক্ষেত্রে নানা বাধা থাকে। তবে থেমে থাকলে চলবে না, সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নগরবাসীর জন্য সচেতনতামূলক ও উন্নয়নমূলক সংবাদ প্রচারে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম ও ইতিবাচক উদ্যোগ যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে বাসাবাড়ি, ছাদ, ছাদবাগান ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। সচেতনতার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব। ক্লিন ঢাকা-গ্রীন ঢাকা বাস্তবায়ন করতে হলে প্রথমে নগরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে, এরপর সবুজায়নের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।’

সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেগুনা, রিকশাসহ বিভিন্ন পরিবহনে কর্মরত শিশুদের কল্যাণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এর আগে প্রশাসক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিশুদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।


নির্বাচিত

তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেপ্তার ৬১

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৬১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার তেজগাঁও বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে তেজগাঁও থানা থেকে ৫ জন, শেরেবাংলা নগর থানা থেকে ৫ জন, মোহাম্মদপুর থানা থেকে ৩৩ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা থেকে ৫ জন, আদাবর থানা থেকে ৯ জন এবং হাতিরঝিল থানা থেকে ৪ জন রয়েছেন।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।


নির্বাচিত

রাজধানীর আফতাবনগরে বহুতল ভবন থেকে পড়ে নারী নিহত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আফতাবনগর এলাকায় বহুতল ভবন থেকে নিচে পড়ে এক নারী নিহত হয়েছেন। স্বজনদের দাবি, মানসিক সমস্যার কারণে তিনি আট তলা ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন।

নিহত নারীর নাম মোছা. মনিকা আক্তার (২৭)। শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে তার মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

মনিকা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রামপুরা সরকারপাড়ার মহির উদ্দিনের মেয়ে। তার স্বামী লিটন মিয়া আফতাবনগরের ই ব্লকের দুই নম্বর সেক্টরের এক নম্বর রোডের ৩১ নম্বর বাড়ির কেয়ারটেকার এবং স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নিচতলায় বসবাস করতেন।

নিহতের বোন মমিনা জানান, মনিকা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। আগের দিন তার স্বামী জমিসংক্রান্ত কাজে গ্রামের বাড়িতে যান। এ সুযোগে তিনি ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েন।

বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, শুক্রবার বিকেলে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েন মনিকা আক্তার। পরে খবর পেয়ে ৩১ নম্বর ভবনটির সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই ফাতেমা আরও বলেন, পরিবারের কাছ থেকে জানতে পারি, মনিকা মানসিক হতাশা থেকে আত্মহত্যা করেছেন। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।


নির্বাচিত

বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে বৃক্ষরোপণ সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: ঢাকা জেলা প্রশাসক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেছেন, ‘বৃক্ষরোপণ আমাদের দায়িত্ব নয়, আমাদের দায়। ঢাকাকে বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে।’

শনিবার রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন তিনি।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘দ্রুত নগরায়ণ, পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে রাজধানী ঢাকা ক্রমেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাপক সবুজায়নের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়ই বৃক্ষরোপণকে একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে দেখি। কিন্তু বাস্তবে এটি কোনো শৌখিনতা নয় বরং আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। প্রতিটি নাগরিক যদি বছরে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেয়, তাহলে রাজধানীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।’

ফরিদা খানম আরও বলেন, ‘সবুজ ঢাকা গড়তে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ—সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে পারলেই আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য ঢাকা উপহার দিতে পারব।’

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনাসভা শেষে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।


নির্বাচিত

ঢাকাকে বাঁচাতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় যুদ্ধ ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৩ জুন, ২০২৬ ২২:০৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৫ বছরে ৩ লাখ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। শনিবার গুলিস্তানের শহীদ মতিউর রহমান পার্কে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে তিনি ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলে একযোগে কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন।

জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিএসসিসি এলাকায় ২০২৬ থেকে ২০৩০ পর্যন্ত ৫ বছরে মোট তিন (৩) লক্ষ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ উদ্বোধনী দিনে ডিএসসিসির ১০টি এলাকায় পাঁচশত (৫০০) বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যেভাবে অস্ত্র হাতে শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছিলাম, দেশ গড়ার এই দ্বিতীয় পর্যায়ে আমাদের লড়াই জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এবং ঢাকাকে বাঁচানোর লড়াই। ঢাকাকে বাঁচাতে হলে আমাদের অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে এবং রোপণকৃত গাছের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে।

৫ বছরে ২৫ কোটি জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রশাসক বলেন, একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি বৃক্ষরোপণকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কারণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এর বিকল্প কিছুই নেই।

ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসক বলেন, কংক্রিটের আধিক্যের কারণে বৃষ্টির পানি মাটির নিচে যেতে পারছে না। তাই নতুন ভবন নির্মাণের সময় কিছু অংশ কংক্রিটমুক্ত রেখে ঘাস বা দুর্বা রাখার জন্য আমি নগরবাসীকে আহ্বান জানাচ্ছি।

শহরের সবুজায়ন নিশ্চিত করতে ছাদ কৃষকদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে প্রশাসক জানান, ঢাকায় যারা ছাদ কৃষি করছেন, তাদের উৎসাহিত করতে প্রতি বছর ঢাকা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রথম ১০ জনকে পুরস্কৃত করা হবে। পরবর্তীতে ছাদ কৃষকদের হোল্ডিং ট্যাক্স রিবেট (ট্যাক্স ছাড়) দেওয়ার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডিএসসিসির জিরো ওয়েস্ট কার্যক্রমের আওতায় ইতোমধ্যে রোড মিডিয়ান ও ট্রাফিক আইল্যান্ডে ১৮ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। এছাড়া ওসমানী উদ্যানে একটি কেন্দ্রীয় নার্সারি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখান থেকে নাগরিকদের গাছ উপহার দেওয়া হবে।

প্রশাসক নগরীর পরিবেশ রক্ষায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যাদের পার্ক বা উন্মুক্ত স্থান ইজারা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোনো বাণিজ্যিক বা অস্থায়ী স্থাপনা রাখা যাবে না। শর্ত ভঙ্গ করলে লিজ বাতিল করা হবে। এছাড়া অবৈধ দখল, লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা এবং হকার নিয়ন্ত্রণে প্রতি শনিবার ১০টি অঞ্চলেই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

সবশেষে তিনি ঢাকাকে একটি সুন্দর, ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন’ মেগাসিটিতে রূপান্তর করতে সর্বস্তরের জনগণ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ঢাকা ওয়াসার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর আফতাবনগরসংলগ্ন দাশেরকান্ধি পয়ঃশোধনাগার কম্পাউন্ডে প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা ওয়াসার পক্ষে শনিবার (১৩ জুন) এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।

উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) জনাব এ. কে. এ. এম ফজলুল হক, উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ) জনাব মো. মিজানুল হক, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ওএ্যান্ডএম) জনাব মির্জা গোলাম কিবরিয়া,উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (আরপিএ্যান্ডডি) জনাব মোঃ আজিজুল হক সহ অন্যান্য প্রকৌশলী ও কমকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক স্থাপিত 'গভীর নলকূপ' র উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান এর কড়াইল জামাইবাজার এরশাদ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক স্থাপিত 'গভীর নলকূপ' র উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১১ জুন,২০২৬ তারিখে অনুষ্টিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব জনাব আব্দুর রহামান সানি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম।

অন্যান্যের মধ্যে প্রকল্প পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (জরুরি পানি সরবরাহ প্রকল্প ও পানি পূঃ ও উঃ সার্কেল ) জনাব আব্দুল মজিদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মডস সার্কেল-১) জনাব মোঃ ফিরোজ আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মডস সার্কেল-২) মোঃ শাহ আলম সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, আলোচ্য গভীর নলকূপ থেকে প্রতি মিনিটে ২৪০০ লিটার পানি উত্তোলিত হবে।


নির্বাচিত

banner close