বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আগারগাঁও থেকে কিশোর গ্যাং লাদেন গ্রুপের ১২ জন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১১ মার্চ, ২০২৫ ১৭:০৩

আগারগাঁও তালতলা সংলগ্ন এলাকা থেকে কুখ্যাত কিশোর গ্যাং লাদেন গ্রুপের ১২ জন সদস্যকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগারগাঁও ও তালতলা সংলগ্ন এলাকায় কুখ্যাত কিশোর গ্যাং লাদেন গ্রুপ দীর্ঘদিন যাবত ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষণ, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কিশোর গ্যাং লাদেন গ্রুপ আগামী ২০ মার্চ একটি নাশকতামূলক কার্যক্রম করার পরিকল্পনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন নজরদারির ভিত্তিতে জানা যায়, উক্ত কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা নাশকতামূলক কার্যক্রমের বিষয়ে পরিকল্পনার জন্য আগারগাঁও এর তালতলা এলাকায় সমবেত হচ্ছে। উক্ত জমায়েতে আধিপত্য বিস্তার এবং অন্যান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে উক্ত গ্রুপের নিজেদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি হয় এবং বাক বিতণ্ডার এক পর্যায়ে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মারামারিতে লিপ্ত হয়। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ১০ মার্চ সোমবার মধ্যরাত ১ টায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ঢাকা জোন কর্তৃক উক্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন ঘটনাস্থলে আভিযানিক দল উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করার চেষ্টা করলে কিশোর গ্যাং এর লিডার লাদেনসহ অন্যান্য সহযোগীরা কোস্ট গার্ড সদস্যদের উপর হামলা করে। যায় ফলে ২ জন কোস্ট গার্ড সদস্য ঘটনাস্থলে আহত হয়। পরবর্তীতে কোস্ট গার্ডের আভিযানিক দল কিশোর গ্যাংয়ের লিডার লাদেন সহ মোট ১২ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত সন্ত্রাসীদের তল্লাশী করে ২৫ পিস ইয়াবা, ৫০ গ্রাম গাঁজা এবং ২১ টি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- মো. লাদেন (২১), রায়হান (১৮), বিল্লাল (১৪), হৃদয় (১৯), কালাম (৩০), সুমন (২০), নাঈম (১৬), শামসুদ্দিন (২৮), আরিফ (১৬),ফাহিম (১৬), মো. শাওন (১৭) ও রোহিদ (১৭)
চাঁদাবাজি এবং অন্যান্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কর্তৃক ভবিষ্যতেও এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়েছে।


নির্বাচিত

চলন্ত অবস্থায় দরজা খুলে যাওয়ায় মেট্রোরেল চলাচল ২৬ মিনিট বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরা-মতিঝিল রুটে চলন্ত অবস্থায় মেট্রোরেলের পেছনের একটি দরজা হঠাৎ খুলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুরক্ষার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ২৬ মিনিট ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা হয়। পরবর্তীতে যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করার পর ট্রেন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অনাকাঙ্ক্ষিত যান্ত্রিক বিভ্রাট ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এমআরটি পুলিশের (অপারেশন) পরিদর্শক মো. মহসীন শেখ জানান, সকালে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিলগামী একটি মেট্রোরেল চলাচলের সময় হঠাৎ এর পেছনের একটি দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যায়। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে এই রুটে ট্রেন পরিচালনা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর প্রকৌশলীরা দ্রুত যান্ত্রিক ত্রুটি সমাধান করলে সকাল ৮টা ৩ মিনিটে পুনরায় পরিষেবা চালু করা হয়। সাময়িক এই বিভ্রাটের পর বর্তমানে মেট্রোরেল চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।


নির্বাচিত

ধানমন্ডি লেক থেকে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে মো. জাভেদ আহম্মেদ (৫১) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ভাটারা থানার একটি আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর সড়কের লেকপাড়ে আবেশ অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের ৭ নম্বর শাখার পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

ধানমন্ডি থানা পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে লেকে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সঙ্গে থাকা একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পায়। ওই পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হলে জাভেদ আহম্মেদের স্ত্রী শাহানা জাবিন খান মরদেহ শনাক্ত করেন।

পুলিশকে শাহানা জাবিন খান জানান, জাভেদ দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন এবং আর্থিক সংকটে বিপর্যস্ত ছিলেন। তবে কীভাবে তিনি ধানমন্ডি লেকে গেলেন এবং সেখানে তার মৃত্যু হলো, তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে এসআই গফুরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জাভেদ আহম্মেদের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান ওসি।


নির্বাচিত

বনানীতে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বনানীতে বাসের ধাক্কায় হাসান ইমাম সোহেল (৪৫) নামের এক মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহেলের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায়। তিনি মোহাম্মদপুরে ভাড়া থাকতেন এবং একটি বেসরকারি কোম্পানিতে মার্কেটিংয়ের কাজ করতেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোহেল মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় লাবিব পরিবহনের একটি বাস তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘাতক বাসটিকে জব্দ করা হলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে

বিষয়টি নিশ্চিত করে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। বাসটি জব্দ করা হয়েছে।’


নির্বাচিত

রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে দালাল আটক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীকে প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা। পরে তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ডিএমএ পশ্চিম জোনের শেরেবাংলানগর থানাধীন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা এক রোগীকে লক্ষ্য করে মো. রিয়াজ হোসেন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি বিভিন্ন ধরনের আশ্বাস ও প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালের বাইরে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের জন্য নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

তবে রোগী বিষয়টি বুঝতে পেরে কোনো প্রলোভনে সাড়া না দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যদের অবহিত করেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ পিসি মো. আমিনুল হকের নেতৃত্বে চার সদস্যের আনসার টিম দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে।

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি দালালি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি বিভিন্ন সময় রোগী ও স্বজনদের সহজে চিকিৎসাসেবা এবং কম খরচে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা বলে হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করতেন বলেও জানান।

পরবর্তীতে আটক ব্যক্তিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়। কর্তৃপক্ষ অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের নিকট সোপর্দ করে।

অভিযানে দায়িত্ব পালন করেন পিসি মো. আমিনুল হক, এপিসি জহিরুল ইসলাম, আনসার মো. হাবিবুর রহমান ও মো. আমিনুল ইসলাম। দালালচক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ও সাহসিকতার সঙ্গে তৎপরতা চালিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটকের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।


নির্বাচিত

৭০ শতাংশ এলাকায় লার্ভা পাওয়া গেলেও ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা কম: ডিএনসিসি প্রশাসক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, নাগরিকদের সচেতনতা ও সিটি করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ চলছে। ডিএনসিসির বিভিন্ন অভিযানে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ এলাকায় ডেঙ্গু মশার লার্ভা পাওয়া গেলেও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম রয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬’-এর উদ্বোধনে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর ঘোষিত ৯০ দিনের বিশেষ ডেঙ্গু প্রতিরোধ নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় ডিএনসিসির প্রতিটি ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক ও প্রতিরোধমূলক নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে তিনটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে সচেতনতামূলক লিফলেট তৈরি করে জোনাল কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে বাসাবাড়ি, সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন গণপরিসরে বিতরণ করা হচ্ছে।

নগরবাসীর সহযোগিতা ও সচেতনতা বাড়াতে প্রশাসকের স্বাক্ষর সংবলিত খোলা চিঠি খামজাত করে বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদরাসায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সিটি কর্পোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ডের ভৌগোলিক সীমানায় প্রতিদিনের সব চিত্র একার পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। সাংবাদিকরা তাদের ক্যামেরায় যেসব সমস্যা তুলে ধরেন, তার ভিত্তিতে আমরা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে পারি। নগরবাসীর সেবাদানে সাংবাদিকরা আমাদের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার।

তিনি আরো বলেন, সামনের পিক সময়ে কোনো ধরনের নেতিবাচকতায় না গিয়ে আমাদের সবাইকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

শহরের যাতায়াতব্যবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি করতে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। মিরপুর, উত্তরা, কারওয়ানবাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পুনরায় দখল ঠেকাতে তদারকি বাড়ানো হচ্ছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি এসেছে। অধিক জনসমাগম ও চলাচলকারী প্রধান সড়কগুলোতে এখন দুই শিফটে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে নাগরিক সচেতনতা ছাড়া এর স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

পথচলার সময় যেখানে-সেখানে ময়লা বা ব্যবহৃত টিস্যু না ফেলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাতের বেলায় ময়লা ফেলা বন্ধে মহাখালীসহ বিভিন্ন স্থানে নতুন ডাস্টবিন স্থাপন ও সুরক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, দেশ গঠন ও সুশাসনের লক্ষ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নগরসেবা দিতে ডিএনসিসি বদ্ধপরিকর। সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং পরিচ্ছন্ন ও শান্তিময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে একটি র‍্যালি বের করা হয়। এতে স্থানীয় সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার বক্তব্য দেন। তারা ডিএনসিসি প্রশাসকের নেতৃত্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযানের প্রশংসা করে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।


নির্বাচিত

মঙ্গলবার ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামতকাজের জন্য মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় টানা পাঁচ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময়ের মধ্যে দক্ষিণ পাইকপাড়া, সোনালী নগর, বটতলার পূর্বাংশ ও পশ্চিমাংশসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।

এছাড়া এসব স্থান ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলে তিতাস জানিয়েছে।

গ্রাহকদের এই সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।


নির্বাচিত

আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৮, তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি

আশুলিয়ার জামগড়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

একটি সিলিন্ডারের গায়ে লেখা—‘ডোন্ট ইউজ আফটার ২০২১’। অর্থাৎ চার বছর আগেই যার ব্যবহারের মেয়াদ শেষ হয়েছে, ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর সেই সিলিন্ডারই পাওয়া গেছে আশুলিয়ার একটি হোটেলের সামনে। শুধু তাই নয়, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের কর্মকর্তার দাবি—গ্যাস সিলিন্ডার পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ডভ্যান বা লরিতে এভাবে গ্যাস মজুত ও পরিবহন করার অনুমোদনই নেই।

এই দুটি তথ্য সামনে আসার পর আশুলিয়ার জামগড়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে আটজনের মৃত্যুর ঘটনায় দুর্ঘটনার চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সিলিন্ডার কীভাবে ব্যবহার হলো, অনুমোদন না থাকা যানবাহনে কীভাবে গ্যাস পরিবহন করা হলো এবং পুরো প্রক্রিয়াটি কার নজরদারিতে ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলো।

গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার প্রীতি গ্রুপের প্রীতি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের চত্বরে কাভার্ডভ্যান থেকে গ্যাস সিলিন্ডার নামানোর সময় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে ছিটকে পড়ে আশপাশের সড়ক, দোকান ও ভবনে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত তিনজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিস্ফোরণের পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণের পর পুড়ে যাওয়া যানবাহনে তল্লাশি চালিয়ে একটি কাভার্ডভ্যানের ভেতর থেকে পাঁচজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের শরীর এতটাই পুড়ে গেছে যে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতদের মধ্যে সালমা আক্তার ও বুলবুল নামে দুজনকে স্বজনেরা শনাক্ত করার দাবি করেছেন। পরিচয় নিশ্চিতের প্রক্রিয়া চলছে।

অন্যদিকে দুর্ঘটনায় আহত নজরুল ইসলাম (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে মারা যান। তিনি প্রীতি গ্রুপের কারখানার সামনে পেঁয়াজ-রসুনসহ বিভিন্ন কাঁচামাল বিক্রি করতেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, আশুলিয়ার ঘটনায় চারজনকে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে নজরুল মারা গেছেন। বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন।

বিস্ফোরণের পর সিলিন্ডার ছিটকে যায় কয়েকশ গজ: ঘটনাস্থলের ভয়াবহতা শুধু প্রাণহানিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিস্ফোরণের অভিঘাতে সিলিন্ডার ও বিভিন্ন ধাতব অংশ ছিটকে গিয়ে আশপাশের ভবন ও দোকানে আঘাত করে।

ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরের একটি দুইতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার দেয়াল ভেদ করে লোহার একটি অংশ ঢুকে যায়। দেয়ালে তৈরি হয় বড় দুটি ছিদ্র ও ফাটল।

সে সময় বাসায় ছিলেন গৃহিণী নাজমা ও তার মেয়ে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ঘরের আসবাবপত্র ও দেয়ালের ইট ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে মেয়েকে নিয়ে দ্রুত নিচে নেমে আসেন তিনি।

নাজমার ভাষ্য, ভবনটি নির্মাণের বয়স ছয় মাসও হয়নি। এর মধ্যেই বিস্ফোরণের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন ক্ষতিপূরণ কে দেবে—এ প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে হোটেল মালিক আব্দুল হালিমের সামনে থাকা একটি সিলিন্ডার নজরে আসে।

সিলিন্ডারটির গায়ে ইংরেজিতে স্পষ্টভাবে লেখা—‘ডোন্ট ইউজ আফটার ২০২১’। অর্থাৎ সিলিন্ডারটি ২০২১ সালের পর ব্যবহার না করার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু সেটিই বিস্ফোরণের পর ছিটকে এসে পড়েছে লোকালয়ে।

আশুলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মহিবুল্লাহ আকনও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, সিলিন্ডারটি মেয়াদোত্তীর্ণ। ২০২১ সালের পর সেটি ব্যবহারের কথা ছিল না।

এই তথ্য দুর্ঘটনার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কারণ সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সেটি কার হেফাজতে ছিল, কীভাবে ব্যবহার করা হলো এবং ব্যবহারের আগে সেটি পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখন গুরুত্বপূর্ণ।

‘কাভার্ডভ্যানে গ্যাস পরিবহনই অনুমোদিত নয়’: মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পরিবহন ব্যবস্থার বিষয়টিও।

বিস্ফোরক অধিদপ্তরের ঢাকা কার্যালয়ের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক মুহাম্মদ মেহেদী ইসলাম খান বলেছেন, প্রীতি গ্রুপে কাভার্ডভ্যান বা লরিতে যেভাবে গ্যাস মজুত করা হয়েছিল, তা পুরোপুরি অবৈধ।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, কাভার্ডভ্যান বা লরিতে করে গ্যাস সিলিন্ডার পরিবহন অনুমোদিত নয়। এ ধরনের যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও রয়েছে।

তাহলে অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও গ্যাসবাহী গাড়ি কীভাবে কারখানা চত্বরে ঢুকল—এ প্রশ্নের উত্তরও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

বিস্ফোরক অধিদপ্তর জানিয়েছে, অনুমোদনহীনভাবে গ্যাস পরিবহন ও মজুতের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলও করা হয়েছে।

তবে সংস্থাটির কর্মকর্তারা জনবল ও লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কথাও জানিয়েছেন। ঢাকা কার্যালয়ে কর্মকর্তা কম, নেই নিজস্ব গাড়িও। ফলে নিয়মিত নজরদারি চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।

মেহেদী ইসলাম খান জানান, অনেক প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজর এড়িয়ে বিশেষ করে গভীর রাতে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কারণে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পাশাপাশি অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণায় আগুন লাগার দুটি সম্ভাবনা সামনে এসেছে। প্রথমত, আগুনের সংস্পর্শে অগ্নিকাণ্ড হতে পারে। দ্বিতীয়ত, মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডারের কারণে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কারণকেই চূড়ান্ত বলা যাচ্ছে না।

ফায়ার সার্ভিস ঢাকা জোন-৪-এর উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ বের করা হবে।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ঢাকা জোন-৪-এর সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামানকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

তদন্তে বিস্ফোরণের সূত্রপাত, গ্যাস সিলিন্ডারের মান ও মেয়াদ, পরিবহন পদ্ধতি এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা—সবকিছু খতিয়ে দেখা হবে।

বিশেষ করে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারটি কীভাবে ব্যবহারের সুযোগ পেল, সেটি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

ভয়াবহ এ দুর্ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম।

আটজনের মৃত্যু, তিনজনের আহত হওয়া, কয়েকশ গজ দূরে সিলিন্ডার ছিটকে পড়া এবং ভবনের দেয়াল ভেদ করে ধাতব অংশ ঢুকে যাওয়ার মতো ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এটি কি শুধুই একটি দুর্ঘটনা, নাকি নিরাপত্তাবিধি উপেক্ষার ধারাবাহিক ফল?

মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহারের তথ্য এবং অনুমোদনহীনভাবে কাভার্ডভ্যানে গ্যাস পরিবহনের অভিযোগ সেই প্রশ্নকেই আরও জোরালো করেছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেই মিলতে পারে এর উত্তর।


নির্বাচিত

বিএনপি কোনো খুচরা দল নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বিএনপি কোনো খুচরা দল নয়, জনগণের সঙ্গে দলটির সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের দল। দলটি কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা চায় না। বিরোধী দলে থাকাকালে বিএনপি মারামারি করেনি এবং অস্ত্র হাতে তুলে নেয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন আবদুস সালাম। সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয় বলে আয়োজকেরা জানান।

আবদুস সালাম বলেন, বিএনপি কোনো খুচরা দল নয়। জনগণের সঙ্গে দলটির সম্পর্ক রয়েছে। দলটি জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করে বলেও তিনি বক্তব্য দেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি কোনো ব্যক্তি বা বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় আসেনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জনগণের ভোটেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় বিএনপির প্রতিটি নেতা-কর্মীর দায়িত্ব রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিএনপি সবসময় গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে ছিল দাবি করে আবদুস সালাম বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে সরানোর কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না।

তিনি বলেন, পাঁচ বছরের জন্য জনগণ ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছে। যারা সরকারকে সরানোর কথা বলছে, তাদের উদ্দেশে তিনি পাঁচ বছর অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।

দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি প্রতিটি এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দল সুসংগঠিত ছিল বলেই বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে পেরেছে বলে মন্তব্য করে তিনি ভবিষ্যতেও সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন।

নয়াপল্টনের কর্মসূচিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে কর্মসূচিটি সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আয়োজন করা হয়েছে বলে জানানো হয়।


নির্বাচিত

এলিফ্যান্ট রোডে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের সায়েন্স ল্যাব থেকে বাটা সিগন্যাল মোড় পর্যন্ত এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এ সময় ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স প্রদর্শন ও সিটি করপোরেশনের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে এ যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে সড়কের দুই পাশের বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা ও ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচলের উপযোগী করা হয়।

এ সময় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, সাইনবোর্ড কর পরিশোধ করা হয়েছে কি না এবং ফুটপাত অবৈধভাবে সাইনবোর্ড বা মালামাল রাখা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়।

এ ছাড়া বিভিন্ন দোকান, রেস্তোরাঁ ও ভবনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) পানি ফুটপাতে ফেলে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং এডিস মশার লার্ভা বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।

অভিযান চলাকালে ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স প্রদর্শন এবং সিটি করপোরেশনের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

জনস্বার্থে এবং নগরবাসীর জন্য সুশৃঙ্খল ও চলাচল উপযোগী ফুটপাত নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।


নির্বাচিত

গুলশান জোনের নতুন ডিসি রুহুল কবীর খান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানকে বদলি করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানকে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন দায়িত্বে মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান গুলশান বিভাগের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশের প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারক করবেন।


নির্বাচিত

শাহজালালে বিমানের ফ্লাইটে শতাধিক স্বর্ণবার জব্দ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে অভিযান চালিয়ে ১০০টিরও বেশি স্বর্ণবার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে এ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণবার উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দ করা স্বর্ণবারগুলোর মোট পরিমাণ, ওজন ও আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে এসব স্বর্ণের চালানের সঙ্গে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তথ্য যাচাই, তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সূত্র আরও জানায়, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় বিমানবন্দরে অভিযান ও তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। স্বর্ণবারগুলো কীভাবে বিমানের ফ্লাইটে আনা হয়েছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, অভিযান ও যাচাই-বাছাই শেষে জব্দ করা স্বর্ণের সঠিক পরিমাণ, ওজন, আনুমানিক মূল্য এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে অভিযান চালিয়ে ১০০টিরও বেশি স্বর্ণবার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে এ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণবার উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দ করা স্বর্ণবারগুলোর মোট পরিমাণ, ওজন ও আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে এসব স্বর্ণের চালানের সঙ্গে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তথ্য যাচাই, তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সূত্র আরও জানায়, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় বিমানবন্দরে অভিযান ও তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। স্বর্ণবারগুলো কীভাবে বিমানের ফ্লাইটে আনা হয়েছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, অভিযান ও যাচাই-বাছাই শেষে জব্দ করা স্বর্ণের সঠিক পরিমাণ, ওজন, আনুমানিক মূল্য এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


নির্বাচিত

বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান, ৬ জনকে কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মিরপুর কার্যালয় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার বিআরটিএর মিরপুর কার্যালয় প্রাঙ্গণে অভিযান চালানো হয়।

বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামানের পরিচালনায় আদালত-৩-এর অধীনে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয় এলাকা থেকে ১১ জন দালালকে আটক করা হয়। এর মধ্যে পাঁচজনকে সর্বমোট ত্রিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং বাকি ৬ জনের প্রত্যেককে ৬০ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত।

কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে মো. মনির মোল্ল্যা, সুজন চন্দ্র দাস, মো. আল আমিন, মো. টিপু, মোফাজ্জেল হোসেন ও আব্দুল মান্নান শিকদারকে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘এই প্রতারক চক্র বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ে আসা গ্রাহকদের দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কাগজপত্র ও টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যেত—এমন অসংখ্য অভিযোগ আমাদের কাছে ছিল। সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি দূর করতে এবং বিআরটিএ’কে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত রাখতে আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান আছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’


নির্বাচিত

বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বাড্ডা থানার আফতাবনগর এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে স্যানিটারি কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. নিহাম (১৫) নামের এক কিশোর শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পারে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের সহকর্মী আল-আমিন জানান, আফতাব নগরের একটি ভবনের ৮তলায় স্যানিটারির কাজ করার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়, ওখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

তিনি আরও জানান, নিহত নিহামের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর নানুপুর মিয়াজী বাড়ি গ্রামে চান মিয়া গাজীর ছেলে। বর্তমানে তার পরিবারের সঙ্গে বাড্ডার আফতাবনগর এফ-ব্লকে পাসপোর্ট অফিস এলাকায় থাকত। দুই ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল ছোট।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close