বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
৪ ভাদ্র ১৪৩৩

রাজধানীতে পৃথক অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৩

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:১২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:১০

রাজধানীর উত্তরা ও পল্টন এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে সাজাপ্রাপ্ত এবং পরোয়ানাভুক্ত ৩ জন পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ৫ বছর এবং একজন ৩ বছরের সাজার আদেশপ্রাপ্ত আসামি। আজ বুধবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের ৮ নম্বর রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে কাজী শামসুর রহমান (৩৫) ও সাবানা আক্তার জুনিকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া শামসুর রহমান ৫ বছরের এবং সাবানা ৩ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে দীর্ঘ দিন ধরে নজরদারি চালিয়ে আসছিল সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।

একই দিনে রাজধানীর শান্তিনগর আবাসিক এলাকায় কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের অভিযানে আনিসুর রহমান ওরফে হুমায়ুন (৫৫) নামের অপর এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হন। সিটিটিসি জানিয়েছে, আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজার ৫টি পরোয়ানা এবং ১টি সাধারণ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ মোট ৬টি পরোয়ানা ছিল। মঙ্গলবার বিকেলে বিশেষ এই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত এই তিন আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে মহানগর পুলিশের এই বিশেষ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮৩

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পরিচালিত নিয়মিত অভিযানে গত এক দিনে মোট ৪৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রাজধানীর সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে ৫৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিযানের বিস্তারিত জানানো হয়।

ডিএমপি জানিয়েছে, অপরাধ বিরোধী এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও বিবিধ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২০ কেজি গাঁজা, ১২ হাজার ৩৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুই পুরিয়া হেরোইন এবং পাঁচ লিটার দেশি মদ রয়েছে। মাদক ছাড়াও পুলিশ ১১ হাজার ৪৮০টি নকল ক্রিম, ৫২৬ বস্তা চাল, ১১টি মোবাইল ফোন, দুটি চাকু, একটি মোটরসাইকেল ও একটি প্রাইভেটকার জব্দ করেছে। একই সাথে দুই ভিকটিমকেও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ বাহিনী।

বিভাগভিত্তিক গ্রেপ্তারের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মিরপুর বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১৩২ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ওয়ারী বিভাগে ৮০ জন, উত্তরা বিভাগে ৫৫ জন, মতিঝিলে ৫৩ জন, তেজগাঁওয়ে ৪৫ জন এবং গুলশান বিভাগ থেকে ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রমনা ও লালবাগ বিভাগ থেকে যথাক্রমে ৩৪ ও ৩৩ জন এবং গোয়েন্দা শাখার অভিযানে ১১ জন পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিতে গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি কর্তৃপক্ষ।


নির্বাচিত

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৭৩০ মামলা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৭৩০টি মামলা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। গত সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা করে ট্রাফিক বিভাগ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৩৬, লালবাগ বিভাগে ১৪১, মতিঝিল বিভাগে ৩০৭, ও ওয়ারী বিভাগে ১৫২টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৭৪, মিরপুর বিভাগে ৩৫৪, উত্তরা বিভাগে ২৬২ এবং গুলশান বিভাগে ২০৪টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া অভিযানকালে ৫৮৯টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৩৪৮টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।


নির্বাচিত

ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার আরও ৪৮৮ জন

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৮ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। একই সময়ে ৫৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছে রমনা বিভাগ কর্তৃক ৩০ জন, লালবাগ বিভাগ কর্তৃক ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক ৪৭ জন, মতিঝিল বিভাগ কর্তৃক ৬১ জন, তেজগাঁও বিভাগ কর্তৃক ৫৯ জন, মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ১৫৩ জন, গুলশান বিভাগ কর্তৃক ৪৯ জন, উত্তরা বিভাগ কর্তৃক ৪১ জন, গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ১০ জন এবং সিটিটিসি কর্তৃক ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানকালে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ১২ রাউন্ড গুলি, ১১ কেজি গাঁজা, ১৬২২২ পিস ইয়াবা, ১টি সুইচ গিয়ার, ২টি হ্যান্ডকাফ, ১টি খেলনা পিস্তল, ১টি ইলেক্ট্রিক ট্র্যাকার, ২টি ওয়াকি-টকি, ১টি ওয়েট মেশিন, ১৯টি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন অপারেটরের ২৮টি সীম, নগদ ১ হাজার ৪০০ টাকা এবং ১ জন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত, অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।


নির্বাচিত

বিভিন্ন বাহিনীর পোশাকে ডাকাতি, রূপগঞ্জের ইমরানসহ গ্রেপ্তার ৮

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মহানগরীতে প্রশাসনের বিভিন্ন বাহিনীর পোশাকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আতঙ্ক ইমরান (২৭) ও তার ৭ জন সহযোগীকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির লালবাগ বিভাগ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ইমরান(২৭), মো. তৈয়ব আলী সর্দার (৪৫), পাভেল সর্দার (৩৩), সাইফুর রহমান (৪৫), রাব্বি আলম (২৪), নুরুল ইসলাম (৩৩) ও মো. ইসমাইল (২৮)।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, চুরি, ছিনতাই, দস্যুতা ও ডাকাতি রোধকল্পে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভর করে নিবারণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে অপরাধী ও তাদের অপরাধ প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার কাজ চলমান রয়েছে।

গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ৩টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ৬/৭ জনের সংঘবদ্ধ একটি ডাকাতদল কামরাঙ্গীরচর থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় দূরানী ব্রিজের দক্ষিণ পাশের ফাঁকা জায়গায় ডাকাতির পরিকল্পনা করার জন্য সমবেত হয়েছে। তারা বেশ কিছুদিন ধরে নিজেদের বিভিন্ন বাহিনীর নাম, পদবি, পোশাক, ওয়াকিটকি ও দেশি-বিদেশি অস্ত্র ব্যবহার করে দস্যুতা ও ডাকাতি করে আসছিল। খবর পেয়ে এসি লালবাগের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে মো. তৈয়ব আলী সর্দার নামের এক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্ট ফোন ও একটি পকেট রাউটার উদ্ধার করা হয়। তবে তার সাথে থাকা অন্য ডাকাত সদস্যরা পালিয়ে যায়।

মো. তৈয়ব আলী সর্দারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া তার অপর সহযোগীরা উত্তরখান, দক্ষিণখান ও বিমানবন্দর এলাকায় বসবাস করে। পরে তার দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী উত্তরখান এলাকায় গত শুক্রবার অভিযান পরিচালনা করে পাভেল সর্দার নামে আরও এক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার কাছ থেকে একটি কিরিচ, দুটি মোবাইল ফোন, র‌্যাব লোগোযুক্ত একটি আইডি কার্ড হোল্ডার, দুইটি সেনাবাহিনীর ফিল্ড ক্যাপ ও একটি কালো লেজার লাইট উদ্ধার করা হয়।

পরে গ্রেপ্তারকৃত মো. তৈয়ব আলী ও পাভেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত শুক্রবার বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুর রহমান, রাব্বি আলম, ইমরান, নুরুল ইসলাম ও মো. ইসমাইল নামে আরও পাঁচজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য মোতাবেক বিমানবন্দর থানার সেন্টার পয়েন্ট শপিংমলের পার্কিং স্থল থেকে একটি কালো ওয়াকিটকির সেট, বাংলাদেশ পুলিশের লোগোযুক্ত একটি হ্যান্ডকাফ, গাড়ির দুইটি ভুয়া নম্বর প্লেট, তিনটি র‌্যাব লেখা ভেস্ট, একটি ডিবি লেখা ভেস্ট, দুইটি রিফ্লেক্টিং ভেস্ট, পাঁচটি কালো রঙের রিফ্লেক্টিং স্টিকার, পাঁচটি হলুদ রঙের রিফ্লেক্টিং স্টিকার, একটি কালো রঙের পিস্তল কভার, একটি খেলনা পিস্তল ও তিনটি স্মার্ট ফোন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ তারা সংঘবদ্ধ হয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি ও দস্যুতার কাজ করে আসছে। পরবর্তীতে আসামি ইমরানের দেওয়া তথ্যে গত শনিবার রাত আড়াইটার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসী এলাকায় তার বোনের বাসা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া তৈয়ব আলীর দেওয়া তথ্যমতে গত রোববার সকাল ৮টার সময় ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত ও তৈয়ব আলীর মালিকানাধীন একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।

তারা আরও বলেন, ‘উদ্ধারকৃত পিস্তলটি তৈয়ব আলী সর্দার কিছুদিন আগে তার সহযোগী ইমরানের কাছে হস্তান্তর করে। তৈয়ব আলী সর্দারের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, দস্যুতাসহ ৪৫টি মামলা এবং পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তথ্য পাওয়া গেছে। গত মে মাসে যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে তৈয়ব আলী ও পাভেলকে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ ছাড়া গত ১৩ জুলাই খিলক্ষেত থানার কুড়িল বিশ্বরোড ফ্লাইওভারে ডাকাতির ঘটনায় ও তৈয়ব আলী জড়িত রয়েছে। এই ডাকাত দলের সদস্যরা সম্প্রতি একাধিক ডাকাতির কাজে জড়িত ছিল বলেও তারা স্বীকার করে।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা এবং রূপগঞ্জ থানায় একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’

এদিকে রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসী এলাকার সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ আতঙ্ক ইমরানের অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এলাকাবাসী।


নির্বাচিত

রাজধানীতে নারীদের নিরাপদ যাতায়াতে ‘পিংক বাস’ সার্ভিসের শুভ সূচনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গণপরিবহনে নারী যাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো ‘মহিলা বাস সার্ভিস’। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) প্রবর্তিত এই বিশেষ সেবাটির প্রধান আকর্ষণ হলো—গোলাপি রঙের এই বাসগুলোতে চালক এবং কন্ডাক্টর হিসেবে শুধুমাত্র নারীরাই দায়িত্ব পালন করবেন। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশেষ সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সেবার উদ্বোধন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই ‘পিংক বাস’ সার্ভিস চালু করা হয়েছে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগের ফলে গণপরিবহনে নারীদের অংশগ্রহণ যেমন বাড়বে, তেমনি কর্মজীবী নারীরা নির্ভয়ে কর্মস্থলে যাতায়াত করতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সড়ক পরিবহন সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।

বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে এই বাসগুলো চলাচল করবে। বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে অফিসগামী নারী যাত্রীদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। উল্লেখ্য যে, অতীতেও নারীদের জন্য পৃথক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছিল, তবে নানা সীমাবদ্ধতার কারণে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। এবার উন্নত ব্যবস্থাপনা ও সরাসরি নারী কর্মীদের মাধ্যমে পরিচালিত এই সার্ভিসটি টেকসই হবে বলে সংশ্লিষ্টরা বিশ্বাস করছেন।


নির্বাচিত

মেট্রো স্টেশনে ১ হাজার ৭০২ পিস ইয়াবাসহ যাত্রী আটক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর মেট্রো স্টেশন থেকে ১ হাজার ৭০২ পিস ইয়াবা একজনকে আটক করেছে এমআরটি পুলিশ।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃতের নাম জামাল মোল্লা (৩৫)।

এমআরটি কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়ার পর তাকে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে তার নিকট থেকে ইয়াবা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


নির্বাচিত

ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার আরও ৪৬৪ জন

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। একই সময়ে ৫২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ডিএমপি মিডিয়া বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৩৫ জন, লালবাগ বিভাগ ৪১ জন, ওয়ারী বিভাগ ৫৩ জন, মতিঝিল বিভাগ ৪৮ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৫৮ জন, মিরপুর বিভাগ ১২৩ জন, গুলশান বিভাগ ৪৪ জন, উত্তরা বিভাগ ৫৪ জন, গোয়েন্দা বিভাগ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

অভিযানকালে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি, একটি বিদেশি রিভলবার, দুটি সামুরাই, ৮৬ কেজি ৫৯০ গ্রাম গাঁজা, ৩৭৬৩ পিস ইয়াবা, ৩.৩৫ গ্রাম হেরোইন, এক বোতল বিদেশি মদ, তিন বোতল দেশি মদ, একটি ছুরি, একটি আংশিক ব্লেড, ট্রেনের টয়লেটের স্টিলের ট্যাপ চারটি, প্লাস্টিকের ট্যাপ পাাঁচটি, ১০টি মোবাইল ফোন, ২১.২ লিটার ওষুধের কেমিক্যাল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


নির্বাচিত

রাজধানীতে গ্যাস সংকটে সিএনজিচালকদের নাভিশ্বাস

ছবি: দৈনিক বংলা
আপডেটেড ১৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরায় তীব্র গ্যাস সংকটে বিপাকে পড়েছেন যানবাহনের চালকরা। গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সিএনজি পাম্পে দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। ভোর থেকে শুরু করে দিনের বিভিন্ন সময়ে পাম্পগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক চালক গ্যাস পাচ্ছেন না। ফলে একদিকে যেমন নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা, অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক যান চলাচল।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মিরপুর, তেজগাঁও, ফার্মগেট, উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে চলমান গ্যাস সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

গ্যাসের জন্য দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে চালকদের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় সমস্যায় পড়ছেন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরাও।

অনেক চালক বলেন, ‘গ্যাসের সংকটের কারণে দিনের একটি বড় অংশ পাম্পের লাইনে অপেক্ষা করতেই চলে যাচ্ছে। এতে আয় কমে যাচ্ছে, বাড়ছে গাড়ি পরিচালনার খরচ এবং তৈরি হচ্ছে অতিরিক্ত চাপ।’ আয়-রোজগার কমায় প্রতিদিনের গাড়ির জমা দিতেও হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

মিরপুরের সিএনজিচালক মো. মনির বলেন, ‘কিস্তি থেকে টাকা তুলে সিএনজি মালিককে জমা দিতে হচ্ছে। ভোর ৪টা থেকে লাইনে আছি, এখনো গ্যাস পাইনি। গাড়ির মালিককে জমা দেব কীভাবে, সংসার চালাব কীভাবে—সামনে বাসা ভাড়া দিতে হবে।’

অপর এক সিএনজিচালক জানান, প্রতিদিন মহাজনকে জমা দিতে হয় ১ হাজার ২০০ টাকা। গ্যাস লাগে প্রায় ৫০০ টাকার। এর বাইরে সারাদিনে আমারও ২০০ থেকে ২৫০ টাকা খরচ আছে। সব মিলিয়ে দেড় থেকে ২ হাজার টাকা খরচ হয়। গ্যাস না পাওয়ায় গত দুই মাস ধরে আয় বন্ধ।’

গ্যাস সংকটের বিষয়ে এম এ মাসুদ ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার কামাল গণমাধ্যমকে জানান, চার-পাঁচ দিন আগেও স্টেশনে পর্যাপ্ত গ্যাস ছিল। এরপর মাঝখানে কয়েক দিন গ্যাস একেবারেই পাওয়া যায়নি। গতকাল (রোববার) রাতে কিছুটা গ্যাস সরবরাহ হলেও বর্তমানে আবারও সংকট দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘নিয়মিতভাবে সিগন্যাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত চাপের গ্যাস নেই। তাদের স্টেশনের ভালভ কম প্রেসারে ওপেন হয় না। ফলে যেসব স্টেশনের ভালভ কম প্রেসারে চালু হয়, তারাই কিছুটা গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছে।’

বর্তমানে বিশেষ করে রাতের দিকে কিছুটা গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে বিকালের দিকে গ্যাসের চাপ কিছুটা বাড়তে শুরু করে বলে জানান তিনি।


নির্বাচিত

চালু হচ্ছে বিআরটিসির ‘পিংক বাস’ সার্ভিস, চালক-কন্ডাকটরও নারী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর সড়কে নারীদের যাতায়াত নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে পৃথক বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। নারীচালক ও কন্ডাকটর দিয়ে পরিচালিত এ ‘পিংক বাস’ সেবা মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) চালু হবে।

গত রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘মহিলা বাস সার্ভিস পরিচালন’ কার্যক্রমের উদ্বোধন মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।’ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ সার্ভিস চালু করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ এহতেশামুল হক। বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোড়া (অতিরিক্ত সচিব) অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।


নির্বাচিত

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৬৪, মামলা ৫২

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) পরিচালিত গত চব্বিশ ঘণ্টার নিয়মিত অভিযানে ৪৬৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মোট ৫২টি মামলা রুজু করা হয়েছে বলে আজ সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

অভিযানের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মিরপুর বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ৫৮ জন, উত্তরা বিভাগে ৫৪ জন, ওয়ারী বিভাগে ৫৩ জন এবং মতিঝিল বিভাগে ৪৮ জন পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন। লালবাগ বিভাগ থেকে ৪১ জন, গুলশান বিভাগে ৪৪ জন, রমনা বিভাগে ৩৫ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগের বিশেষ অভিযানে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশের এই অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি এবং একটি বিদেশি রিভলবার উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অপরাধীদের কাছ থেকে দুটি সামুরাই, একটি ছুরি ও একটি আংশিক ব্লেড জব্দ করা হয়েছে। মাদকবিরোধী এই তৎপরতায় উদ্ধার করা হয়েছে ৮৬ কেজি ৫৯০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ৭৬৩ পিস ইয়াবা, ৩.৩৫ গ্রাম হেরোইন এবং চার বোতল মদ। এছাড়াও ১০টি মোবাইল ফোন, ২১.২ লিটার ঔষধের রাসায়নিক এবং ট্রেন থেকে চুরি হওয়া ৯টি ট্যাপ উদ্ধার করা হয়। বিশেষ এই অভিযানের মাধ্যমে একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে ডিএমপি।


নির্বাচিত

রাজধানীতে নারীদের জন্য আসছে বিশেষ ‘পিংক বাস’ সার্ভিস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর নারী যাত্রীদের যাতায়াত নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) থেকে চালু হতে যাচ্ছে বিআরটিসি-র বিশেষ ‘পিংক বাস’ সার্ভিস। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) এই উদ্ভাবনী উদ্যোগে বাসগুলোতে সেবা দেওয়ার পাশাপাশি চালক ও কন্ডাক্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও থাকবেন নারী কর্মীরাই। বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই নারী-বান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হচ্ছে।

বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞা আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে এই বিশেষ বাস সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এই বাসগুলো আকর্ষণীয় গোলাপি বা ‘পিংক’ রঙের হবে, যা সহজেই নারী যাত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। মূলত বাস পরিচালনায় নারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে এই খাতে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য।

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সেবার শুভ উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং সড়ক পরিবহন সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রাজধানীতে গণপরিবহনে নারীদের দীর্ঘদিনের হয়রানি ও ভোগান্তি নিরসনে এই ‘পিংক বাস’ সার্ভিস একটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


নির্বাচিত

লালবাগে বিদেশি পিস্তল ও অস্ত্রসহ সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

লালবাগ বিভাগ কর্তৃক সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গণি।

তিনি জানান, ঢাকা মহানগরীতে চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ডাকাতি রোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় লালবাগ বিভাগের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, কয়েকজনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল কামরাঙ্গীরচর থানাধীন বেড়িবাঁধ সংলগ্ন দুরানী ব্রিজের দক্ষিণ পাশে ফাঁকা জায়গায় ডাকাতির পরিকল্পনা করছে। তারা বিভিন্ন বাহিনীর নাম ও পদবি ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক, ওয়াকিটকি এবং দেশি-বিদেশি অস্ত্র ব্যবহার করে দস্যুতা ও ডাকাতি করে আসছিল।

তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মো. তৌহর আলী সরদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন ও একটি পকেট রাউটার উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাটোলে সরদারসহ আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. তৌহর আলী সরদার (৪৫), পাভেল সরদার (৩৩), সাইফুর রহমান (৪৫), রাব্বি আলম (২৮), ইমরান হোসেন ভূঁইয়া (২৮), নূরুল ইসলাম (৩৩) ও মো. ইসমাইল (২৮)। তাদের মধ্যে পাভেল সরদার চাকরিচ্যুত পেটি অফিসার এবং রাব্বি আলম চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে কিরিচ, মোবাইল ফোন, র‍্যাবের লোগোযুক্ত আইডি কার্ড হোল্ডার, সেনাবাহিনীর ফিল্ড ক্যাপ, ওয়াকিটকি, পুলিশের লোগোযুক্ত হ্যান্ডকাফ, ভুয়া নম্বর প্লেট, র‍্যাব ও ডিবির নামযুক্ত ভেস্ট, রিফ্লেক্টিভ টর্চ, পিস্তল কাভার, খেলনা পিস্তলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

মোহাম্মদ ওসমান গণি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা সংঘবদ্ধভাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি ও দস্যুতার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কামরাঙ্গীরচর থানায় ডাকাতি প্রস্তুতি মামলা এবং রূপগঞ্জ থানায় পৃথক অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পলাতক অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close