বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু

ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৭

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে হানিফ ফ্লাইওভারের ওপর গাড়ির ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ধোলাইপাড় থেকে যাত্রাবাড়ীগামী (ইনকামিং) হানিফ ফ্লাইওভারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে।

যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. সাইদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় ওই নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।’

পুলিশ জানায়, নিহত নারীর পরনে ছিল সাদা রঙের চেক ফুলহাতা ছেঁড়া শার্ট ও ছাই রঙের প্যান্ট। তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এসআই মো. সাইদুজ্জামান বলেন, ‘নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’


নির্বাচিত

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৪৩৮, মাদক ও নগদ অর্থ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মহানগরের আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে ৪৩৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে মোট ৮৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের সংখ্যাগত বিভাজন তুলে ধরে মো. আকতার হোসেন বলেন, ‘গ্রেফতারদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৩৩ জন, লালবাগ বিভাগ ৩০ জন, ওয়ারী বিভাগ ৬৫ জন, মতিঝিল বিভাগ ৪৩ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৭৮ জন, মিরপুর বিভাগ ১১৬ জন, গুলশান বিভাগ ৩৭ জন ও উত্তরা বিভাগ ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া গোয়েন্দা বিভাগ একজন এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) চারজনকে গ্রেফতার করেছে।’

অভিযানকালে জব্দ করা অবৈধ সামগ্রী প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অভিযানকালে ১ হাজার ৫৫ পিস ইয়াবা, ১৪ পুরিয়া গাঁজা, ২৬ পুরিয়া হেরোইন, ৯টি মোবাইল ফোন, একটি চাকু, একটি কাটার, নগদ ১ লাখ ১১ হাজার ৫৮৯ টাকা ও একটি ভুয়া স্টুডেন্ট আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।’ মহানগরীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এসব মাদক ও সরঞ্জামসহ তাদের আটক করা হয়। ধৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।


নির্বাচিত

১৪ বছর ধরে নিখোঁজ ইবির ওয়ালিউল্লাহ-মুকাদ্দাস

* জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইবি প্রতিনিধি

১৪ বছর ধরে নিখোঁজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও আল-মুকাদ্দাসের সন্ধান এবং তাদের গুমের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ও কুষ্টিয়া জেলা শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ‘আমার ভাই গুম হয়, প্রশাসন কী করে’, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘আওয়ামী লীগের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ এবং ‘অলি ভাই গুম হয়, প্রশাসন জবাব চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।

সমাবেশে ছাত্রশিবিরের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি’র তদন্ত কার্যক্রমের স্থবিরতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তারা।

সমাবেশে কুষ্টিয়া জেলা শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান বলেন, অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করে গুম হওয়া ব্যক্তিদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রশিবির কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, ‘২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে শিবিরের দুই মেধাবী শিক্ষার্থীকে গুম করা হয়। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে পরিবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বারবার যোগাযোগ করা হলেও বিগত সরকার বা প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি।’

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের নেতা ওয়ালিউল্লাহ ও আল-মুকাদ্দাস ঢাকার সাভার থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে নিখোঁজ হন। দীর্ঘ ১৪ বছরেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের সন্ধান ও ঘটনার তদন্তের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করে আসছে পরিবার ও ছাত্রশিবির।


নির্বাচিত

যানজটের জট খুলতে এক টেবিলে ঢাকার ২৪ সংস্থা

* মাসে একবার বসবে কমিটি * কারণ খুঁজে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা * সমন্বিত হবে সড়ক, গণপরিবহন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর যানজট যেন ঢাকার নিত্যদিনের বাস্তবতা। এক সংস্থা রাস্তা করছে, অন্য সংস্থা খুঁড়ছে; কোথাও গণপরিবহনের সংকট, কোথাও অপরিকল্পিত পার্কিং ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা। বছরের পর বছর নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে। এবার সেই সমস্যার সমাধানে বড় পরিসরে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ঢাকার যানজটের কারণ চিহ্নিত, সমাধানের পথ নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাজের মধ্যে সমন্বয় আনতে গঠন করা হয়েছে ২৪ সদস্যের একটি কমিটি। সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন থেকে শুরু করে ট্রাফিক, নগর পরিকল্পনা, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাখা হয়েছে একই কাঠামোর মধ্যে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, বৃহত্তর ঢাকার যানজট নিরসন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সমন্বয় আনাই এই কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য।

কমিটির সভাপতি করা হয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রীকে। সদস্যসচিব হিসেবে থাকছেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক।

কমিটিতে রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার।

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিআরটিএ, বিআরটিসি, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিসি, ঢাকা ওয়াসা, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, রাজউক, বুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, বিআইডব্লিউটিএ, ডিএমটিসিএল, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, ঢাকা বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট পিএলসি, তিতাস গ্যাস ও ডিটিসিএর প্রতিনিধিরা কমিটিতে থাকছেন।

ফলে ঢাকার যানজটের সঙ্গে সরাসরি কিংবা পরোক্ষভাবে যুক্ত প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ পক্ষই এবার একই প্ল্যাটফর্মে আসছে।

কমিটির কাজ কেবল যানজটের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা নয়। প্রজ্ঞাপনে নয়টি বিষয়কে কার্যপরিধির মধ্যে রাখা হয়েছে।

প্রথমে পরিবহন খাতের চলমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ঠিক করা হবে। এরপর যানজটের প্রকৃত কারণ বিশ্লেষণ করে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে।

গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন, বিভিন্ন পরিবহন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নও করবে কমিটি।

একই সঙ্গে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, নাগরিক সচেতনতা তৈরি এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে প্রচারণা জোরদারের বিষয়েও কাজ করবে তারা।

যানজট নিরসনে শুধু সরকারি সংস্থার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর না করে পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা মূল্যায়ন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে কমিটি। অর্থাৎ পরিকল্পনা নেওয়ার পর তার বাস্তব ফলাফলও পর্যালোচনা করা হবে।

কমিটির কার্যক্রম নিয়মিত রাখতে প্রতি মাসে সভা করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। প্রতি মাসের প্রথম রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় সভা হবে। ওই দিন সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কর্মদিবসে বৈঠক হবে।

রাজধানীর যানজটের মতো বহুস্তরীয় সমস্যার সমাধানে এবার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই টেবিলে বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও তদারকির মধ্যে সমন্বয় করা গেলে এই উদ্যোগ ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে নতুন পথ খুলতে পারে।

তবে শেষ পর্যন্ত কমিটির সুপারিশ কত দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং বিভিন্ন সংস্থা নিজেদের কাজের সীমা পেরিয়ে কতটা সমন্বিতভাবে কাজ করবে—তার ওপরই নির্ভর করবে এই উদ্যোগের সাফল্য।


নির্বাচিত

ডিএমপিতে রদবদল, নতুন দায়িত্ব পেলেন ৮ কর্মকর্তা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রশাসনিক কাঠামোতে গতিশীলতা আনতে আটজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে নতুন দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এই রদবদল করা হয়। পদায়নকৃত কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনজন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এবং পাঁচজন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।

আদেশ অনুযায়ী, উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শরফুদ্দীনকে প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড ওয়ার্কশপ বিভাগে, ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগের মো. আজাদ রহমানকে ডেভেলপমেন্ট সিকিউরিটি বিভাগে এবং মোহাম্মদ নূরে আলমকে সিটি-রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগ থেকে ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারদের মধ্যে মো. সোনাহের আলীকে গোয়েন্দা-মিরপুর থেকে গোয়েন্দা-গুলশান বিভাগে এবং মো. সাজ্জাদ হোসেনকে ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ফোর্স বিভাগ থেকে গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্যান্টনমেন্ট জোনের বর্তমান অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবির হাসান পিপিএমকে কমিশনারের দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ ‘স্টাফ অফিসার টু কমিশনার’ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এছাড়া মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরীকে গোয়েন্দা-রমনা থেকে পিওএম-পূর্ব বিভাগে এবং মো. নজরুল ইসলাম পিপিএমকে পিওএম-পূর্ব থেকে গোয়েন্দা-রমনা বিভাগের জোনাল টিমে বদলি করা হয়েছে।

ডিএমপি কমিশনারের জারি করা এই আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনস্বার্থে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই পদায়ন অবিলম্বে কার্যকর হবে। নিয়মিত প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবেই এই গুরুত্বপূর্ণ রদবদল করা হয়েছে।


নির্বাচিত

সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকারীর টানে শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে প্রধান শিক্ষিকা রনজিনা পারভীন নিহতের ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন মো. পনি ওরফে ‘প্যারা পনি’কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এই অভিযানে তার এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৯ আগস্ট সকালে বগুড়া থেকে চোখের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় ছিনতাইকারীর হামলার শিকার হন রনজিনা পারভীন। মোটরসাইকেলে আসা দুই ছিনতাইকারী তার ব্যাগ ধরে সজোরে টান দিলে তিনি রিকশা থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়েন এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রনজিনা পারভীন বগুড়ার বাগবাড়ি বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

মর্মান্তিক এই ঘটনার পর নিহতের স্বামী বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আজ রোববার বিকেল ৪টায় মোহাম্মদপুরের বসিলায় র‍্যাব-২ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান এই গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেপ্তারের ফলে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

শ্যামবাজারে অবৈধ পলিথিনের বিরুদ্ধে ডিএসসিসির যৌথ অভিযান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকায় অবৈধ পলিথিন বিক্রি ও গুদামজাতকরণের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকাল ৪টায় ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে অবৈধ পলিথিন বিক্রি ও গুদামজাতকরণের দায়ে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী দুই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার মুচলেকা নেওয়া হয়।

অভিযানে দুটি গুদাম থেকে ১৪২ বস্তায় মোট ৪ হাজার ৮১৫ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পলিথিনের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ লাখ ১৮ হাজার ৪৫০ টাকা।

জব্দকৃত পলিথিন পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা মহানগর কার্যালয়ের পরিদর্শক মুহাম্মদ মোতাহার হোসেনের হেফাজতে দেওয়া হয়।

অভিযানে শ্যামবাজার মার্কেটের সভাপতি গণি মিয়া, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মোতাহার হোসেন এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল) ফেরদৌস মেহবুবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জনস্বার্থে ডিএসসিসি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

পথচারীকে ছুরিকাঘাত, হাত ফসকে প্রাণ গেল অপর ছিনতাইকারীর

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কদমতলীর নামা-শ্যামপুর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় ছুরিকাঘাতে এক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন। পথচারীকে ছুরিকাঘাতের একপর্যায়ে ছুরিটি হাত ফসকে তার সহযোগী অপর ছিনতাইকারীর শরীরে বিদ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। তবে এখনো তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরে নামা-শ্যামপুরের বড়ইতলা ভাঙা ব্রিজের পাশে এ ঘটনা ঘটে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় ছুরিকাহত ওই ছিনতাইকারীকে উদ্ধার করে পুলিশ সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কদমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজীব কুমার বাড়ৈ জানান, ভোরে ভাঙ্গা ব্রিজের পাশে দুই পথচারীকে ঘেরাও করে তিন ছিনতাইকারী। তাদের মধ্যে এক ছিনতাইকারী এক পথচারীকে জাপটে ধরলে তার কাছ থেকে জিনিসপত্র টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে অন্য দুই ছিনতাইকারী। একপর্যায়ে সুইচ গিয়ার দিয়ে পথচারীকে আঘাত করতে গেলে পেছন থেকে জাপটে ধরা অপর ছিনতাইকারী ছুরিকাহত হয়। এ সময় দুই ছিনতাইকারী পালিয়ে গেলেও আহত ছিনতাইকারী রাস্তায় পড়ে থাকে। পরে খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, নিহত ছিনতাইকারীর নাম-পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তার মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে প্রাণ গেল শিক্ষিকার

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার নিকটবর্তী স্থানে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন রনজিনা পারভীন নামের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত রনজিনা পারভীন বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি ঢাকা এসেছিলেন।

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্রমতে, রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে শুক্রবার রাতে তিনি বগুড়া থেকে বাসে চড়ে রওয়ানা হন। শনিবার ভোরে গাবতলী বাস টার্মিনালে নেমে একটি রিকশাযোগে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল আরোহী একদল ছিনতাইকারী অতর্কিতভাবে তার ব্যাগ ধরে সজোরে টান দেয়। ছিনতাইকারীদের হেঁচকা টানে তিনি চলন্ত রিকশা থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়েন এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পান। সেখান থেকে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনরা এই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দিতে বা সংবাদ প্রকাশ হোক তা তারা চাচ্ছেন না। তবে পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতারে তৎপর রয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, “এ ঘটনায় আমরা মোটরসাইকেল ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছি। আশা করছি খুব শিগগিরই তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে পারব।”


নির্বাচিত

ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে সহযোগীর ছুরিকাঘাতে অপর ছিনতাইকারীর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কদমতলী থানাধীন নামা-শ্যামপুর এলাকায় ছিনতাই করতে গিয়ে নিজ সহযোগীর ছুরিকাঘাতে এক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) ভোরের দিকে নামা শ্যামপুর বড়ইতলা ভাঙা ব্রিজের পাশে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি, তবে তার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে কদমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজীব কুমার বাড়ৈ জানান, ভোরের দিকে ভাঙা ব্রিজের নিকটবর্তী স্থানে দুই পথচারীকে গতিরোধ করে তিনজনের একটি ছিনতাইকারী চক্র। ছিনতাইকারীদের একজন এক পথচারীকে পেছন থেকে জাপটে ধরলে অন্য সহযোগীরা তার কাছ থেকে টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পথচারীরা চিৎকার শুরু করলে এক ছিনতাইকারী সুইচ গিয়ার দিয়ে তাদের আঘাত করার চেষ্টা চালায়। তবে সেই আঘাত লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ওই পথচারীকে জাপটে ধরে রাখা অপর ছিনতাইকারীর বগলের নিচে লাগে। এতে তিনি গুরুতর জখম হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকলে অন্য দুই সহযোগী দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

কদমতলী থানার পরিদর্শক সজীব কুমার বাড়ৈ আরও জানান, “নিহত ছিনতাইকারীর নাম পরিচয় এখনও সনাক্ত করা যায়নি। তার লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।” পুলিশ জানায়, খবর পাওয়ার পরপরই নিথর প্রায় দেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলেও চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বর্তমানে নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।


নির্বাচিত

রাজধানীতে ডিএমপির সাঁড়াশি অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫৪ গ্রেফতার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৫৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই সময়ে মোট ৩০টি মামলা রুজু হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী অভিযানের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিএমপির বিভিন্ন বিভাগ ও ইউনিটের পরিচালিত এই অভিযানে মিরপুর বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১৭৪ জন এবং ওয়ারী বিভাগ থেকে ৮৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া উত্তরা বিভাগে ৬১ জন, মতিঝিল বিভাগে ৫৭ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৫৬ জন, গুলশান বিভাগে ৪৭ জন, লালবাগ বিভাগে ৩২ জন এবং রমনা বিভাগে ৩১ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিটিসি ৭ জন ও গোয়েন্দা বিভাগ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযান পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৫ হাজার ৪৪৫ পিস ইয়াবা, ৩১ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ২০ বোতল ইস্কাফ সিরাপ, ২১টি মোবাইলফোন, বিভিন্ন ব্যাংকের ৮টি ভিসা বা ক্রেডিট কার্ড, ১৪৬টি সিম কার্ড ও একটি ব্যক্তিগত গাড়ি জব্দ করেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ নানাবিধ আলামত উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


নির্বাচিত

অটোরিকশার দাপটে সড়কে বিশৃঙ্খলা, লাগাম টানছে সরকার

* অগোছালো গণপরিবহন * অবৈধ পার্কিং ও দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা * বাড়ছে যানজট-ভোগান্তি
রাজধানীর সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দাপট দিন দিন বাড়ছে। সিগন্যাল ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দলবেঁধে ছুটে চলা এসব যান দখল করছে সড়কের একাধিক লেন। গলি থেকে প্রধান সড়ক—রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এখন চোখে পড়ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল। এতে একদিকে বাড়ছে যানজট, অন্যদিকে তৈরি হচ্ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

শুধু সড়কে চলাচল নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপে চলছে অটোরিকশা তৈরির কাজও। বসিলা, মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় চাহিদা অনুযায়ী নতুন অটোরিকশা তৈরি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই এসব যান তৈরিতে অনুমোদন ও নির্দিষ্ট কারিগরি মান অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১০ সালের পর রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। এসব যানবাহনের বড় একটি অংশ যথাযথ নিবন্ধনের আওতায় না থাকায় সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করাও কঠিন। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, রাজধানীতে বর্তমানে ২০ লাখের বেশি অটোরিকশা চলাচল করছে।

নিয়ন্ত্রণে আসছে অটোরিকশা: পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে অটোরিকশার নির্মাণ, চলাচল, চালকের যোগ্যতা এবং নির্দিষ্ট এলাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। একই সঙ্গে জোনভিত্তিক চলাচলের ব্যবস্থা করা হতে পারে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট এলাকার জন্য অনুমোদিত অটোরিকশা অন্য জোনে গিয়ে চলাচল করতে পারবে না।

এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর হলে অটোরিকশার অবাধ চলাচল কমানোর পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চালকরাও চান শৃঙ্খলা: অটোরিকশা চালকদের অনেকেই বলছেন, নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়াই অনেকে অটোরিকশা চালাচ্ছেন। ফলে যানবাহন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি চালকদের যোগ্যতা নিশ্চিত করাও জরুরি।

একজন চালকের ভাষায়, যিনি আগে কখনো গাড়ি চালাননি, তিনিও অটোরিকশা চালাচ্ছেন। তাই সড়কে শৃঙ্খলা আনতে চালকদের প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা নিশ্চিত করা দরকার।

তবে হঠাৎ করে অটোরিকশা বন্ধ করে দিলে বিপুলসংখ্যক চালক ও তাদের পরিবারের জীবিকায় প্রভাব পড়তে পারে। তাই নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি চালকদের জন্য বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি রয়েছে।

মানহীন নির্মাণেও ঝুঁকি: বিশেষজ্ঞদের মতে, অটোরিকশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি যান তৈরির প্রক্রিয়াতেও শৃঙ্খলা আনতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন ওয়ার্কশপে নিজেদের মতো করে অটোরিকশার নকশা ও কাঠামো পরিবর্তন করা হচ্ছে। ফলে যানগুলোর আকার, ওজন, ব্যাটারি, মোটর ও নিরাপত্তাব্যবস্থায় ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুমোদিত কারিগরি সংস্থার তদারকি ছাড়া অটোরিকশা তৈরি করা উচিত নয়। নির্দিষ্ট মডেল ও কারিগরি স্পেসিফিকেশন অনুসরণ করে যান তৈরি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রস্তাবিত প্রোটোটাইপকে ভিত্তি করে মান নির্ধারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

জোনভিত্তিক চলাচলের প্রস্তাব: অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে জোনভিত্তিক ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে একটি নির্দিষ্ট এলাকার অটোরিকশা অন্য এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না। প্রযুক্তির মাধ্যমে এই ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু জোন নির্ধারণ করলেই হবে না। অটোরিকশার শক্তির উৎস নিয়েও গবেষণা প্রয়োজন। ব্যাটারিনির্ভর যান ব্যবস্থাকে কীভাবে আরও নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব করা যায়, সে বিষয়েও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার।

শুধু অটোরিকশা নয়, পুরো পরিবহন ব্যবস্থায় সংস্কার: রাজধানীর যানজটের জন্য শুধু অটোরিকশাকে দায়ী করলে সমস্যার পূর্ণ সমাধান হবে না। অগোছালো গণপরিবহন, অবৈধ পার্কিং, ফুটপাত দখল, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, সড়কে পণ্য ওঠানামা এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাও যানজটের বড় কারণ।

একই সড়কে দ্রুতগতির বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল, রিকশা ও অটোরিকশা চলাচলের কারণে যানবাহনের মধ্যে সংঘাত বাড়ছে। নির্দিষ্ট লেন ও স্টপেজ না থাকায় যান চলাচলের গতি কমছে।

এ কারণে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি গণপরিবহন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নির্দিষ্ট বাসস্টপ, আলাদা লেন, পরিকল্পিত পার্কিং এবং উন্নত ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা গেলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে পারে।

গণপরিবহনই হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান: বিশেষজ্ঞদের মতে, যানজট কমাতে হলে মানুষকে ব্যক্তিগত যানবাহনের পরিবর্তে উন্নত গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে। নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও সময়নির্ভর বাসসেবা নিশ্চিত করা গেলে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর চাপ কমবে।

মেট্রোরেলসহ বড় গণপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে বাস, রিকশা ও অটোরিকশার সমন্বিত সংযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের জন্য নির্দিষ্ট ফিডার সার্ভিস থাকলে মূল সড়কে অপ্রয়োজনীয় যান চলাচলও কমানো সম্ভব।

বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা তৈরি হলেও এর বাস্তবায়নই হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। অতীতে বিভিন্ন সময়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও যথাযথ প্রয়োগের অভাবে সেগুলোর অনেকটাই কার্যকর হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নে ট্রাফিক পুলিশ, সিটি করপোরেশন, সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। একই সঙ্গে নিবন্ধন, ফিটনেস, চালকের লাইসেন্স ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।

অটোরিকশা বন্ধ নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে শুধু একটি যানবাহনের ওপর লাগাম টানলেই রাজধানীর যানজটের সমাধান হবে না। প্রয়োজন পুরো পরিবহন ব্যবস্থার সংস্কার। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অটোরিকশার সংখ্যা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি গণপরিবহন উন্নয়ন, অবৈধ পার্কিং বন্ধ, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

সবশেষে প্রশ্ন একটাই—নীতিমালা কাগজে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বাস্তবে সড়কের বিশৃঙ্খলা কমিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে পারবে? এখন সেই বাস্তবায়নের দিকেই তাকিয়ে নগরবাসী।


নির্বাচিত

অটোরিকশার জন্য সড়কে আলাদা লেন-চার্জিং স্টেশনসহ ৬ দাবি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীসহ সারা দেশে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত রিকশা-অটোরিকশাসহ স্বল্প গতির যানবাহন চলাচলের জন্য আলাদা লেন সার্ভিসের দাবি জানিয়েছে ‘রিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ’। একই সঙ্গে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পার্কিং ব্যবস্থা ও চার্জিং স্টেশনসহ ছয় দফা দাবি জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন সংগঠনের আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন। এ সময় সংগঠনটির সদস্যসচিব মনীষা চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।

খালেকুজ্জামান লিপন বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাটারিচালিত যানবাহনকে যানজট, দুর্ঘটনা ও লোডশেডিংয়ের জন্য দায়ী করা হচ্ছে। কিন্তু কেন এত মানুষ রিকশা, ইজিবাইক চালান এবং কেন এত যাত্রী এসব বাহন ব্যবহার করে সেসব কারণ কেউ বলছেন না। তীব্র বেকারত্ব যেমন রিকশা চালানোর মতো কাজে মানুষকে টেনে আনছে, তেমনি সহজ ও সস্তা আর কোনো বাহন না থাকায় সাধারণ মানুষ এসব বাহন ব্যবহার করছেন। আর লোডশেডিং সবচেয়ে কম থাকে রাত ১০টার পর এবং ব্যাটারিচালিত বাহনগুলো তখন চার্জ দেওয়া হয়। ফলে অপপ্রচার নয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

সংগ্রাম পরিষদের দাবিগুলো হলো প্রশিক্ষণ-নিবন্ধন-রুট পারমিটের আওতায় নিয়ে এসে একটি সমন্বিত নীতিমালা ও বিধিমালা চূড়ান্ত করে স্থানীয় অটোমোবাইল শিল্পকে রক্ষা করা; স্থানীয় উৎপাদকদের সরকারি অনুমোদিত ই-রিকশার ডিজাইনে যানবাহন উৎপাদন ও বিপণনের অনুমতি এবং মেকানিকদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, উৎপাদন ও বিপণনে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটকে সুবিধা না দেওয়া।

এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পার্কিং ও চার্জিং স্টেশন স্থাপন, পরিবেশবান্ধব লিথিয়াম ব্যাটারি প্রতিস্থাপনে সরকারি ভর্তুকি; সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার বাধ্যতামূলক শর্ত প্রত্যাহার; দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ব্যাটারিচালিত যানবাহন অনুমোদিত ডিজাইনে পরিবর্তনের জন্য অন্তত দুই বছর সময় দেওয়া; যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রতিটি মহাসড়কে স্বল্পগতির ও লোকাল যানবাহনের জন্য পৃথক লেন বা সার্ভিস রোড নির্মাণ করা।


নির্বাচিত

ডিএমপির অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ৭৩

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) তেজগাঁও বিভাগের ডিএম‌পির এডি‌সি (মি‌ডিয়া) নিয়াজ মে‌হেদী এটি নিশ্চিত করেন।

তিনি ব‌লেন, ‘মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।’

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানা ১৮ জন, শেরেবাংলা নগর থানা ৪ জন, মোহাম্মদপুর থানা ২৭ জন, আদাবর থানা ৪ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা ৮ জন ও হাতিরঝিল থানা ১২ জন‌কে গ্রেফতার ক‌রে‌ছে।


নির্বাচিত

banner close