রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ২ বন্দির মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৩৯

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) অসুস্থ হয়ে পড়া আব্দুল মাবুদ (৫৮) ও আব্দুল বারেক (৭০) নামের দুই কারাবন্দি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।

রোববার দুপুরে অচেতন অবস্থায় আব্দুল মাবুদকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আব্দুল মাবুদের বাবার নাম আব্দুল সোবহান। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হামিমপুর এলাকায়। তবে তিনি কোনো মামলায় কারাগারে ছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

কারারক্ষী সাইফুল ইসলাম জানান, হাজতি আব্দুল মাবুদ কেন্দ্রীয় কারাগারে সকালের দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়া আব্দুল বারেক (৭০) নামের এক কারাবন্দি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। গত শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে ঢামেকের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। একই দিন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কারা সূত্রে জানা যায়, তিনি হত্যা মামলায় বন্দি ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলায়। তার বাবার নাম (মৃত) আব্দুল খালেক।

দুই বন্দির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।


নির্বাচিত

বাড্ডায় বাসায় ঢুকে এক ব্যক্তিকে গুলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় মাইনুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে বাসায় ঢুকে গুলির ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তার ডান পায়ে গুলি লেগেছে।

আহত মাইনুল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বলেন, পূর্বপরিচিত ছোট ভাই মাসুদ আহমেদকে দেখতে তিনি উত্তর বাড্ডায় ময়নারবাগ বউবাজার এলাকায় তাঁর বাসায় গিয়েছিলেন। সেখানে অবস্থান করার সময় তামিমসহ তিন থেকে চারজন ওই বাসায় প্রবেশ করেন। পরে তামিম তাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। তামিমের মুখে মাস্ক ও অন্যদের মাথায় হেলমেট ছিল বলে জানান তিনি।

মাইনুলের দাবি, কিছুদিন আগে একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তিন দিন আগে গুলশান এলাকা থেকে আল আমিন নামের একজন ছিনতাইকারীকে ধরার কারণে তাঁর ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। কারণ, ওই ছিনতাইকারী তামিমের গ্রুপের সদস্য।

মাইনুলের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর মাইজদীতে। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে ভাটারা নতুনবাজারের কাজীবাড়ি এলাকায় থাকেন।

এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, রাত দুইটার দিকে মাইনুল গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আসেন। আজ তিনি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে যান।


নির্বাচিত

গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের মিছিলের ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৪০

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান এলাকায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেওয়ার অভিযোগে মোট ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার দিনভর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গুলশানে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যানারে বের হওয়া আকস্মিক মিছিলে সরাসরি জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই ৪০ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে গুলশান-১ নম্বরের ভোলা মসজিদের সামনে থেকে কয়েকশ নেতাকর্মী আকস্মিক মিছিল বের করার চেষ্টা চালান। সে সময় পুলিশ তাঁদের প্রতিহত করতে গেলে মিছিলকারীরা দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ পাল্টা দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।

ঘটনার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছেন এবং পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে তাঁদের প্রতিহত করছে। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন জানান, শুক্রবারের ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামতসহ আরও পাঁচটি তাজা ককটেল উদ্ধার এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ব্যাপক তদন্ত ও অভিযানের মাধ্যমে মিছিলে অংশগ্রহণকারী বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।


নির্বাচিত

রাজধানীর আদাবরে ১০ টুকরো মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আদাবর এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মস্তক ও দুই হাত বিচ্ছিন্ন করা ক্ষতবিক্ষত খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে আদাবর ১০ নম্বর সড়কের হাক্কার মোড় এলাকা থেকে প্রায় দশটি টুকরো করা অবস্থায় এই মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়

বর্বরোচিত এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর জানান, ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিকভাবে ওই নারীর কাটা মাথা ও দুটি হাত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের সুনির্দিষ্ট নাম-পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ উদ্ঘাটন এবং শরীরের অন্যান্য অংশ উদ্ধারে পুলিশের একটি দল কাজ করছে এবং সার্বিক তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।


নির্বাচিত

শাহবাগের পৃথক স্থান থেকে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

রাজধানীর শাহবাগ এলাকার পৃথক দুটি স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই ভবঘুরে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ। শনিবার দুপুর বারোটার দিকে জাতীয় ঈদগাহের প্রধান ফটক সংলগ্ন ফুটপাত এবং কদম ফোয়ারা মোড় এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া দুই ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৬৫ ও ৪৫ বছর বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক হাসান জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট ও জাতীয় ঈদগাহ সংলগ্ন ফুটপাত থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী তাঁরা ভবঘুরে প্রকৃতির ছিলেন এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় অসুস্থতাজনিত কারণেই তাঁদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত ব্যক্তিদের সঠিক পরিচয় নিশ্চিতের লক্ষ্যে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দেওয়া হয়েছে।


নির্বাচিত

গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় গ্রেফতার ৩২

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিলে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার সকালে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) আকতার হোসেন

পুলিশের এই দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার গুলশানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের যে ঝটিকা মিছিলটি বের করা হয়েছিল, তাতে সরাসরি জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এই ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


নির্বাচিত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ডিজিএফআইয়ের পরিচয় দেওয়া প্রতারক আটক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) পিএস পরিচয় দিয়ে জালিয়াতির চেষ্টাকালে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। আটক হওয়া মাসুদুর রহমান (৩৪) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কার্যালয়ে গত দুই দিন ধরে একটি ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চাপ দিয়ে আসছিল।

গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে আটক করে আনসার সদস্যরা। বাহিনীটির সহকারী পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিব স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সে ওই কর্মকর্তার পিএসকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হুমকি দিয়ে বলে, ‘তোমার নামে অনেক রিপোর্ট আছে, তোমাকে দেখে নেব।’

বিষয়টি সেখানে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্যদের নজরে এলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির মুখোমুখি হন। তার পরিচয় ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে কথাবার্তায় অসঙ্গতি ও প্রতারণার প্রমাণ মেলে। পরবর্তীতে আনসার সদস্যরা তাকে আটক করে বনানী থানা পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে প্রতারককে তাদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। আনসার বাহিনীর পিসি মো. সাহাবউদ্দীনের নেতৃত্বে এ অভিযানে অংশ নেন এপিসি জালাল উদ্দীন, আনসার মনিরুল ইসলাম ও আনসার শ্রী পূর্ণ রায়।


নির্বাচিত

ঢাকার সড়ক থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার যাত্রাবাড়ীর একটি সুপারশপের সামনে থেকে রাব্বী নামে (২৬) এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে কেউ হত্যা করে থাকতে পারে। শুক্রবার সকালে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবকের বুকে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘সকালে খবর পেয়ে সনটেক এলাকার একটি সুপারশপের সামনের সড়ক থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাব্বির বুকে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা জানা যায়নি।’

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অপরাধ শনাক্তকরণ দল ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে বলে জানান ওসি রাজু আহমেদ।

পারিবারিক সূত্র জানায়, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকার শনির আখড়ায় থাকতেন রাব্বি। তিনি যাত্রাবাড়ীতে তার বাবার সঙ্গে মাছের আড়তে কাজ করতেন।


নির্বাচিত

গুলশানে আ. লীগ-ছাত্রলীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর গুলশানে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মীর ঝটিকা মিছিলকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশের রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে গুলশান-১ এলাকার ভোলা মসজিদের সম্মুখভাগ থেকে মিছিলটি বের করার চেষ্টা করা হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন গণমাধ্যম-কে জানান, বেলা পৌনে ১২টার দিকে কয়েকশ নেতাকর্মী জড়ো হয়ে আকস্মিক মিছিল বের করার অপচেষ্টা চালায়। এ সময় পুলিশ তাদের প্রতিহত করতে গেলে মিছিলকারীরা দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের দ্রুত ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ পাল্টা দুই রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পরবর্তী সময়ে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনার ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছে।


নির্বাচিত

হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রোগীদের সঙ্গে কথা বলছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সরেজমিনে পরিদর্শন করে চিকিৎসাসেবায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও অবহেলার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শুক্রবার সকালে হাসপাতালটির বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ডেঙ্গু ইউনিট পরিদর্শনকালে সাধারণ রোগীদের অভিযোগ শুনে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, চিকিৎসাসেবায় দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না এবং এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিদর্শনকালে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে এবং তাঁদের প্রেসক্রিপশন ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেখতে পান, হাসপাতালেই ডেঙ্গু শনাক্তকরণসহ যাবতীয় পরীক্ষার প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা করাতে বাধ্য করা হচ্ছে। এতে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ অপচয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে। রোগীদের বিনামূল্যে ও স্বল্পমূল্যে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারের পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার ত্রুটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগীদের অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরাসরি এই হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। বিশেষ করে ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য মুগদা মেডিকেল কলেজকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরবরাহ দেওয়া সত্ত্বেও রোগীরা কেন যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তা নিয়ে তিনি অসন্তোষ জানান। চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির মূলোৎপাটনে প্রশাসন আপসহীন থাকবে বলে স্পষ্ট করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


নির্বাচিত

শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও চিত্রশিল্পীদের সম্মাননা প্রদান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

'উৎসবে গর্বে দায়িত্বে'—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী 'হৃদয়ের ঢাকা ৪১৬' উৎসবের অংশ হিসেবে শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং বিশিষ্ট চিত্রশিল্পীদের সম্মাননা ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

​অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম শেখ।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, "বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও প্রথিতযশা শিল্পীদের ক্যানভাসে ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সাথে সমন্বয় করে সংরক্ষণ করতে হবে, কারণ অতীতকে ভিত্তি করেই আধুনিক সমাজ সমৃদ্ধ হয়।"

তিনি ডিএসসিসির 'হৃদয়ে ঢাকা' কর্মসূচির প্রশংসা করে আশা প্রকাশ করেন যে, এই আয়োজন নগরবাসীর মধ্যে নাগরিক সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করবে।

​বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম শেখ বলেন, "ব্রিটিশ আমলে যেভাবে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পীরা একত্রিত হয়ে ঢাকার চিত্র একেছিলেন, তার শত বছর পর ডিএসসিসি আবার প্রথিতযশা শিল্পীদের নিয়ে ঢাকাকে তুলে ধরার এই ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছে। এটি ভবিষ্যতের জন্য এক অনন্য উপহার।"

​সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান বলেন, "চিত্রশিল্প সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। ভাষার প্রচলন ও আনুষ্ঠানিক শিক্ষার আগে থেকেই মানুষ চিত্রশিল্পের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করে আসছে।"

মহান মুক্তিযুদ্ধে চিত্রশিল্পীদের অনন্য অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি জয়নুল আবেদিন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, দেবদাস চক্রবর্তী, স্বপন চৌধুরী ও নুরুন্নবী খানের মতো বীর শিল্পীদের ভূমিকা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের হীনম্মন্যতা দূর করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের সবার প্রতি আহ্বান জানান।

​অনুষ্ঠানে শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ৫টি বিভাগে মোট ১৫ জন বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া ঢাকাকে নিয়ে আঁকা ৪২টি চিত্রকর্মের জন্য ৪২ জন প্রথিতযশা চিত্রশিল্পীকে সম্মাননা ও সনদ দেওয়া হয়।

​উল্লেখ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় চিত্রশালার ৪ নম্বর গ্যালারিতে এই ৪২টি চিত্রকর্মের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনী শেষে চিত্রকর্মগুলো নগর ভবনে অবস্থিত 'নগর জাদুঘরে' স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হবে।


নির্বাচিত

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৭৭, বিপুল অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রমে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় বিভিন্ন অপরাধে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে মোট ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।

বিভাগভিত্তিক গ্রেপ্তারের পরিসংখ্যানে তিনি জানান, অভিযানে মিরপুর বিভাগে সর্বোচ্চ ১৪৩ জন এবং তেজগাঁও বিভাগে ১১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ওয়ারী বিভাগে ৮০ জন, মতিঝিল বিভাগে ৬৮ জন, লালবাগ ও উত্তরা বিভাগে ৪২ জন করে, গুলশান বিভাগে ৩৯ জন, রমনা বিভাগে ৩৬ জন এবং গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে ১৩ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

অভিযানকালে পুলিশ ২টি চাইনিজ কুড়াল, ২টি সুইচ গিয়ার, একটি চাকু, একটি ছুরি এবং ৬টি তাজা ককটেল জব্দ করেছে। একই সাথে মাদকবিরোধী তল্লাশিতে ৩২ কেজি ৬৫৫ গ্রাম গাঁজা, ৬২৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৭ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া অপরাধকর্মে ব্যবহৃত ও সন্দেহভাজন মালামাল হিসেবে দুটি প্রাইভেটকার, একটি অটোরিকশা, ৭টি ল্যাপটপ, ৬৭টি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ৪৮৪টি সিমকার্ড, ২৭টি ভিসা কার্ড এবং ৪টি ইলেকট্রনিক চিপ জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ডিএমপি জানিয়েছে, মহানগরের নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত ধারাবাহিক তল্লাশিতে এসব অস্ত্র, মাদক ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


নির্বাচিত

ডিএমপির চার সহকারী পুলিশ কমিশনার পদে রদবদল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) পদমর্যাদার চার কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে এ রদবদল করা হয়।

জারিকৃত আদেশ অনুযায়ী, পিওএম-দক্ষিণ বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার সাজিয়া আফরোজ সুমাকে ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগের ট্রাফিক-পল্লবী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। একই সাথে ট্রাফিক-পল্লবী জোনে দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ কমিশনার নুসরাত ইয়াসমিন তিসাকে ট্রাফিক-গুলশান বিভাগের ট্রাফিক-বাড্ডা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, রমনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল-রমনা) সৌমিক হাসানকে ট্রাফিক-গুলশান বিভাগের ট্রাফিক-গুলশান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ-দক্ষিণের সহকারী পুলিশ কমিশনার খান মাহমুদুল হাসানকে ট্রাফিক-গুলশান বিভাগের ট্রাফিক-মহাখালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

প্রশাসনিক আদেশে উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশনা অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে।


নির্বাচিত

banner close