বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩

ওসির পর গুলশান জোনের ডিসিকেও প্রত্যাহার

ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৮

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকে ডিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার কথা জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে তাকে অবিলম্বে কার্যকরভাবে ডিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হলো। তবে তানভীর আহমেদকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার নির্দিষ্ট কোনো কারণ অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে একই দিন সকালে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেনকেও প্রত্যাহার করা হয়। একদিনের ব্যবধানে গুলশান বিভাগের ডিসি ও থানার ওসির বিষয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে পুলিশের বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, গুলশানে আওয়ামী লীগের একটি মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি।

গত শুক্রবার গুলশান-১ এলাকায় আওয়ামী লীগের কয়েক শ নেতাকর্মী মিছিল বের করেন। মিছিলটি গুলশানের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণের সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় মিছিলকারীরা দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি জীবন্ত ককটেলসহ দুজনকে আটক করা হয়। পরে এ ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর অভিযান চালিয়ে সোমবার পর্যন্ত ৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের মধ্যে ২৪ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কূটনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এলাকায় কয়েক শ মানুষের মিছিল এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের প্রস্তুতি ও গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে, এত বড় একটি জমায়েতের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আগে থেকে কোনো তথ্য ছিল কি না এবং থাকলে কেন তা ঠেকাতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

মিছিল শুরু হওয়ার পর পুলিশ কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে এবং ককটেল বিস্ফোরণের পর ব্যাপক ধরপাকড়ের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।

এর মধ্যেই প্রথমে গুলশান থানার ওসিকে প্রত্যাহার এবং পরে গুলশান বিভাগের ডিসিকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার ঘটনা ঘটল।

তবে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নেওয়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের সঙ্গে মিছিলের ঘটনার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে ডিএমপির অফিস আদেশে কোনো বক্তব্য নেই। ফলে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার অপেক্ষা রয়েছে।

ডিসি এম তানভীর আহমেদকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সদর দপ্তরে সংযুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত বুধবার থেকেই কার্যকর হয়েছে।


নির্বাচিত

ডিএসসিসি কর্তৃক ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:২১
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্তৃক মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এজিবি কলোনী কাঁচাবাজার পর্যন্ত সড়কের পাশের ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও ভাসমান দোকান উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার ডিএসসিসির অঞ্চল-২ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু আসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সড়কের পাশের ফুটপাত দখল করে স্থাপিত বিভিন্ন অবৈধ দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে পথচারীদের চলাচলের জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়।

নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা ও স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

পুলিশ ও গণমাধ্যম একে অন্যের সহযোগী: ডিএমপি কমিশনার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৫
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পুলিশ ও গণমাধ্যম পরস্পরের বন্ধু বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, জনগণের স্বার্থে পুলিশ ও গণমাধ্যমের দায়িত্ব পরস্পরের পরিপূরক। ডিএমপি অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে, আর পুলিশের এসব কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বুধবার দুপুরে ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্র্যাব) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অপরাধবিষয়ক সাংবাদিকতায় ক্র্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধের ধরন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম জনগণের সামনে তুলে ধরতে ক্র্যাবের সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, পুলিশ ও গণমাধ্যমের কাজের ক্ষেত্র আলাদা হলেও উভয়ের লক্ষ্য জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা। পুলিশ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে। অন্যদিকে গণমাধ্যম এসব কর্মকাণ্ডের তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরে এবং বিভিন্ন অপরাধ ও সামাজিক সমস্যার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করে। এ কারণে দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন।

মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সময়ে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তির প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, অনলাইন প্রতারণাসহ নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। এসব অপরাধ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের শিকার হওয়া থেকে মানুষকে রক্ষা করতে তথ্যভিত্তিক সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক তথ্য তুলে ধরার মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করার পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধেও গণমাধ্যম কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

ডিএমপি কমিশনার আশা প্রকাশ করেন, ডিএমপি ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে। অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং পুলিশের পেশাদার কার্যক্রম একে অপরকে সহায়তা করবে বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ক্র্যাবের দীর্ঘ পথচলার কথা উল্লেখ করে তিনি সংগঠনটির ৪১ বছরের পথচলায় অবদান রাখা সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। আগামী দিনগুলোতে ক্র্যাব আরও শক্তিশালী ও পেশাদার সংগঠন হিসেবে দেশের সাংবাদিকতা এবং সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ডিএমপি কমিশনার।

অনুষ্ঠানে ক্র্যাবের সদস্য, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

কেরানীগঞ্জে দিনদুপুরে সেলুনে ঢুকে যুবককে হত্যা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি

ঢাকার কেরানীগঞ্জে দিনে দুপুরে সেলুনে ঢুকে গুলি করে এবং পরে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকার ‘পাটালি গ্রুপের’ সদস্য ফরহাদকেব হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নের আরশিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সেলুন মালিক ইরফান জানান, বেলা ৩টার দিকে ফরহাদ তার সেলুনে চুল কাটাতে ও সেভ করতে আসেন। সেভের শেষ মুহূর্তে তিন যুবক সেলুনে ঢুকে তাকে কাছ থেকে গুলি করে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি সেলুনের বাইরে বের হলে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, ফরহাদ ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন না। তাকে মাঝে মধ্যে এলাকায় আসতে এবং চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে দেখা যেত।

স্থানীয় যুবক সোহেল জানান, ফরহাদ মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকার ‘পাটালি গ্রুপের’ অন্যতম সদস্য ছিলেন। তিনি মাঝেমধ্যে আরশিনগর এলাকায় আসতেন। তবে স্থানীয়দের অনেকেই জানতেন না যে তিনি কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুস জানান, নিহত যুবকের নাম ফরহাদ। হত্যাকারীদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, নিহত ব্যক্তি ও হামলাকারীরা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। তদন্তের পর হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।


নির্বাচিত

ডাকসুর প্রবেশপথে জিন্নাহ-গোলাম আজমের ছবি পদদলিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নানা বিতর্কের পর এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনের প্রবেশপথ ও সংগ্রহশালার মেঝেতে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও গোলাম আজমের ছবি লাগিয়েছেন ঢাবির একদল শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থীরা জানান, ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং তৎকালীন ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি লাগানোর প্রতিবাদে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে জিন্নাহ ও গোলাম আজমের ছবি লাগানোর পর তা পদদলিত করেন তারা।

এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা ডাকসুর সংগ্রহশালায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি লাগানোর পর বলেছিলেন, তার ইচ্ছা হয়েছে এ জন্য তিনি লাগিয়েছেন। তারাও সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে বলছেন, তাদের ইচ্ছা হয়েছে তাই তারা জিন্নাহ ও গোলাম আজমের ছবি পদদলিত করেছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষার্থী শিব্বির আহমেদ বলেন, ‘ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক, যার কি না ইশতেহারে ছিল মুক্তিযুদ্ধকে তুলে ধরা, তিনিই একজন পাকিস্তানপন্থিকে ডাকসু সংগ্রহশালায় দেয়ালের মধ্যে সম্মানের সহিত তার ছবি লাগাতে চেয়েছেন। ক্ষমতা দেখিয়ে তিনি এটা করেছেন।’

শিব্বির আরও বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের ক্ষমতা দিয়ে এবং বাংলাদেশপন্থিদের ক্ষমতা দিয়ে গোলাম আজম ও জিন্নাহর ছবি, পাকিস্তানপন্থিদের ছবি পায়ের নিচে লাগালাম এবং এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশে কোনো পাকিস্তানপন্থির রাজনীতি সামনে আনা যাবে না।’

শিব্বির আহমেদ বলেন, ‘আমরা দেখেছি বিগত দিনে শেখ মুজিবের ছবি দিয়ে রাজনীতি পরিচালনা করত। এখানে স্পষ্ট যে শেখ মুজিবের ছবির রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে তারা জিন্নাহ ও গোলাম আজমের ছবি আনতে চেয়েছে।’

ইংলিশ ফর স্পিকারস অব আদারস ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগের শিক্ষার্থী আশ শামস বলেন, ‘কিছুদিন ধরে দেখতেছি যে জিন্নাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে খুব সম্ভবত ইনকিলাব মঞ্চ থেকে জিন্নাহর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়, সেখানে ঝুমা আপু অতি উৎসাহের সাথে পোস্টার শেয়ার দেয়। পরবর্তীতে জিন্নাহর ছবি যখন ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে মুছে দেওয়া হয় বা ফেলে দেওয়া হয়, তখন আবার তিনি ফেসবুকে পোস্ট করে যে ডাকসু সংগ্রহশালায় নাকি ছবি তুলে নেওয়া হচ্ছে, ভাঙচুর করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের কতটা আক্ষেপ হতে পারে জিন্নার ছবি সরায়ে নেওয়া নিয়ে! তো আমাদের দাবি থাকবে যে তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তো তারা যেন বাংলাদেশের পক্ষে থাকে, বাংলাদেশপন্থিদের পক্ষে থাকে।’

এর আগে সংস্কারের পর গত রোববার ডাকসু সংগ্রহশালা চালু করা হয়। সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকার কোনো একক ছবি রাখা হয়নি। নতুন করে রাখা হয়েছিল পাকিস্তানের সাবেক গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি। এর মধ্যে একটি ছবি ১৯৪৮ সালে ২১ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক অনুষ্ঠানের, যেখানে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘কেবল উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’।

এছাড়া ১৯৪০ সালের মার্চ মাসে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক সম্মেলনের একটি দলগত ছবি ও ডন পত্রিকার প্রতিবেদনের পেপার কাটিংও স্থান পায়। সংগ্রহশালায় রাখা হয় ছাত্রসংঘের সাবেক নেতা আবদুল মালেকের ছবি।

বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ার পর রোববার রাত থেকেই ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে গত সোমবার দুপুরে ডাকসু সংগ্রহশালায় গিয়ে জিন্নাহর তিনটি ছবি ছিঁড়ে প্রতিবাদ জানান আবু তৈয়ব হাবিলদার নামের এক শিক্ষার্থী। এরপর সেখানে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আজমকে ১৯৮১ সালে বায়তুল মোকাররমের সামনে জুতাপেটা করার একটি ছবি টানিয়ে দেন ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা।


নির্বাচিত

সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পরই সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পরপরই সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির প্রবেশপথের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

দুপুর সোয়া ১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে এ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।


নির্বাচিত

পাবনা-২ আসনের সাবেক এমপি আজিজুল হক ঢাকায় আটক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০১
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়া এলাকা থেকে পাবনা- আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজুকে (৬৯) আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে লালমাটিয়ার মীনা বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সহায়তায় তাঁকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।

আটক খন্দকার আজিজুল হক ২০১৪ সালের বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা- আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম জানান, আটকের সময় সামান্য ধস্তাধস্তিতে তিনি সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হন। ছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে আক্রান্ত থাকায় নিরাপত্তা পাহারার মধ্য দিয়ে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাঁকে জরুরি চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। সার্বিক বিষয়টি তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


নির্বাচিত

জনগণের অর্থে নির্মিত রাস্তা কেটে জনভোগান্তি নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের অর্থে নির্মিত নতুন সড়ক কোনো সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে পুনরায় কেটে নষ্ট করতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। নতুন সড়ক না কেটে বিকল্প উপায়ে কাজ সম্পাদন করার জন্য তিনি ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান।

সোমবার সকালে ডিএসসিসির আওতাধীন ইনার সার্কুলার রিং রোডের রায়েরবাজার স্লুইস গেট থেকে কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনকালে প্রশাসক এ কথা বলেন।

​পরিদর্শনকালে আবদুস সালাম বলেন, “দীর্ঘ ২-৩ বছর ধরে চরম কষ্ট সহ্য করার পর আজ এলাকার মানুষের সামনে একটি নতুন রাস্তা দৃশ্যমান হয়েছে। কিন্তু ওয়াসা ‘বর্ধিত ঢাকা পানি সরবরাহ রেজিলিয়েন্স প্রকল্প’-এর আওতায় এই নতুন রাস্তা আবার খুঁড়ে প্রায় ৬ ফুট ব্যাসের পানির লাইন বসাতে চায়। আমরা একাধিক সভা করে তাদের বিকল্প রুট নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়েছি। জনগণকে পুনরায় ভোগান্তিতে ফেলে এবং জনঅর্থের অপচয় করে আমি এই রাস্তা খোঁড়ার অনুমতি দিতে পারব না।”

​প্রকল্পের বিবরণ তুলে ধরে প্রশাসক জানান, ১ হাজার ১৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ ৮ লেনের সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৪টি লেন এক্সপ্রেসওয়ে এবং ৪টি লেন সার্ভিস রোড হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় ২ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক, ১০ কিলোমিটার ফুটপাত, ১০ কিলোমিটার ড্রেন, ৩টি ভেহিকুলার ওভারপাস, ৩টি ফ্লাইওভার, ৮টি স্লুইস গেট, ৬টি বাস-বে এবং ৬টি যাত্রী ছাউনি নির্মিত হচ্ছে। পাশাপাশি ২ কিলোমিটার রিটেইনিং ওয়াল এবং প্রায় ৪৮০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ৮টি টাওয়ার স্থানান্তরের কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপের কাজের ভৌত অগ্রগতি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এই ধাপের পর দ্বিতীয় ধাপে লোহার ব্রিজ থেকে পোস্তগোলা পর্যন্ত সড়ক সম্প্রসারণ করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার বাস ঢাকা শহরের মূল যানজটে না ঢুকে সরাসরি এই রিং রোড ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গে যাতায়াত করতে পারবে। ফলে সমগ্র রাজধানীর পাশাপাশি বিশেষ করে কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ ও হাজারীবাগ এলাকার যানজট নিরসনে আমূল পরিবর্তন আসবে। তাই উন্নয়নকাজের আগেই সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে আন্তঃসমন্বয় থাকা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

লালকুঠির সংস্কার পুরান ঢাকা পুনরুজ্জীবনের মাইলফলক: ​এর আগে সকালে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলকে সঙ্গে নিয়ে ঐতিহাসিক লালকুঠি (নর্থব্রুক হল)-এর সংস্কারকাজ পরিদর্শন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

পরিদর্শনকালে প্রশাসক বলেন, ‘লালকুঠির সংস্কার পুরান ঢাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও শহর পুনরুজ্জীবনে একটি বড় মাইলফলক। ইনার সার্কুলার রিং রোডের মতো আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামো এবং লালকুঠির মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ—দুটিই ঢাকার টেকসই উন্নয়নের অংশ।’

​প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ‘ডিসিএনইউপি’ প্রকল্পের আওতায় ২০২৩ সালের ১ জুন শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক ভবনের মূল সংস্কারকাজ ২০২৬ সালের ৩১ মে সফলভাবে শেষ হয়। ভবনের মূল ঐতিহ্যবাহী চুন-সুরকির গাঁথুনি ও লাল ইটের স্থাপত্য অক্ষুণ্ন রেখেই এটি সংস্কার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে লালকুঠিকে সাহিত্যসভা, চিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পাঠচর্চার একটি সমন্বিত কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

​পরিদর্শনকালে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুট, বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেমসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ঋণখেলাপি হওয়ায় রিহ্যাব সভাপতির পদ গেল আফজালের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সভাপতি মো. আলী আফজালকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে সভাপতির পদটি শূন্য ঘোষণা করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখার উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমীনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, গতকাল সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখা থেকে রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টকে চিঠি দিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) প্রতিবেদন অনুযায়ী ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে আলী আফজাল ঋণখেলাপি হওয়ায় ২০২২ সালের বাণিজ্য সংগঠন আইনের ২৩ (১)(খ) ধারা অনুযায়ী তার রিহ্যাব সভাপতি পদ শূন্য হিসেবে ঘোষণা করা হলো।

ওই ধারায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো বাণিজ্য সংগঠনের নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদের কোনো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে পারিবেন না অথবা কোনো পদে অধিষ্ঠিত থাকিতে পারিবেন না, যদি তিনি—ঋণ খেলাপি হন অথবা হালনাগাদ কর, ভ্যাট, শুল্ক পরিশোধ না করিয়া থাকেন। তবে শর্ত থাকে যে, কোনো পদে নির্বাচিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ঋণ খেলাপি অথবা কর খেলাপি হিসেবে তালিকাভুক্ত হইবার তারিখ হইতে ১৮০ (একশ আশি) দিনের মধ্যে ‍উক্ত ঋণ বা কর পরিশোধ না করিলে উক্ত পদ শূন্য বলিয়া বিবেচিত হইবে।

অফিস আদেশটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর, এফবিসিসিআই এবং রিহ্যাব কার্যালয়ে সদয় অবগতির জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে, গত ১৮ এপ্রিল অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগের রিহ্যাব নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হন আলী আফজাল। প্রগতিশীল প্যানেল থেকে গ্লোরিয়াস ল্যান্ডস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টসের চেয়ারম্যান আফজাল ২৩২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তখনকার বিদায়ী সভাপতি ‘আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের’ ওয়াহিদুজ্জামান পেয়েছিলেন ১৯৩ ভোট।


নির্বাচিত

সিটিটিসি, ডিবি ও থানা পুলিশকে সমন্বিত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের যথাযথভাবে দাযিত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। অপরাধ প্রতিরোধে সিটিটিসি, ডিবি ও থানা পুলিশকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেন তিনি।

ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে আগস্ট-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে ডিউটি করতে হবে, যাতে কোনো এলাকায় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শূন্যতা সৃষ্টি না হয় এবং ডিউটির কোনো ঘাটতি না থাকে। সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।’

আবাসিক হোটেলসহ বিভিন্ন হোটেলের অতিথিদের তালিকা নিয়মিতভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘হোটেলগুলো থেকে অতিথিদের তথ্য সংগ্রহের কার্যকর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনের সময় যেন এসব তথ্য দ্রুত পাওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অপরাধীরা যাতে ঢাকায় এসে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে, সে জন্য রাজধানীর প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্লক চেকসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিষয়ে আইনানুগভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অপরাধ সংঘটনের আগেই তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও তাৎক্ষণিকভাবে কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।’

মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আগস্ট মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উত্তম কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার। সভায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

​জনগণের অর্থে নির্মিত নতুন রাস্তা কেটে জনভোগান্তি সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের অর্থে নির্মিত নতুন সড়ক কোনো সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে পুনরায় কেটে নষ্ট করতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। নতুন সড়ক না কেটে বিকল্প উপায়ে কাজ সম্পাদন করার জন্য তিনি ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান।

​আজ সোমবার সকালে ডিএসসিসির আওতাধীন ইনার সার্কুলার রিং রোডের রায়েরবাজার স্লুইস গেট থেকে কামরাঙ্গীরচর লোহার ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনকালে প্রশাসক এ কথা বলেন।

​পরিদর্শনকালে আবদুস সালাম বলেন, "দীর্ঘ ২-৩ বছর ধরে চরম কষ্ট সহ্য করার পর আজ এলাকার মানুষের সামনে একটি নতুন রাস্তা দৃশ্যমান হয়েছে। কিন্তু ওয়াসা 'বর্ধিত ঢাকা পানি সরবরাহ রেজিলিয়েন্স প্রকল্প'-এর আওতায় এই নতুন রাস্তা আবার খুঁড়ে প্রায় ৬ ফুট ব্যাসের পানির লাইন বসাতে চায়। আমরা একাধিক সভা করে তাদের বিকল্প রুট নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়েছি। জনগণকে পুনরায় ভোগান্তিতে ফেলে এবং জনঅর্থের অপচয় করে আমি এই রাস্তা খোঁড়ার অনুমতি দিতে পারব না।"

​প্রকল্পের বিবরণ তুলে ধরে প্রশাসক জানান, ১ হাজার ১৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ ৮ লেনের সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৪টি লেন এক্সপ্রেসওয়ে এবং ৪টি লেন সার্ভিস রোড হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় ২ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক, ১০ কিলোমিটার ফুটপাত, ১০ কিলোমিটার ড্রেন, ৩টি ভেহিকুলার ওভারপাস, ৩টি ফ্লাইওভার, ৮টি স্লুইস গেট, ৬টি বাস-বে এবং ৬টি যাত্রী ছাউনি নির্মিত হচ্ছে। পাশাপাশি ২ কিলোমিটার রিটেইনিং ওয়াল এবং প্রায় ৪৮০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ৮টি টাওয়ার স্থানান্তরের কাজ চলছে।

​তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপের কাজের ভৌত অগ্রগতি ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এই ধাপের পর দ্বিতীয় ধাপে লোহার ব্রিজ থেকে পোস্তগোলা পর্যন্ত সড়ক সম্প্রসারণ করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলার বাস ঢাকা শহরের মূল যানজটে না ঢুকে সরাসরি এই রিং রোড ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গে যাতায়াত করতে পারবে। ফলে সমগ্র রাজধানীর পাশাপাশি বিশেষ করে কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ ও হাজারীবাগ এলাকার যানজট নিরসনে আমূল পরিবর্তন আসবে। তাই উন্নয়নকাজের আগেই সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে আন্তঃসমন্বয় থাকা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

লালকুঠির সংস্কার পুরান ঢাকা পুনরুজ্জীবনের মাইলফলক

​এর আগে সকালে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলকে সঙ্গে নিয়ে ঐতিহাসিক লালকুঠি (নর্থব্রুক হল)-এর সংস্কারকাজ পরিদর্শন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

​পরিদর্শনকালে প্রশাসক বলেন, "লালকুঠির সংস্কার পুরান ঢাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও শহর পুনরুজ্জীবনে একটি বড় মাইলফলক। ইনার সার্কুলার রিং রোডের মতো আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামো এবং লালকুঠির মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ—দুটিই ঢাকার টেকসই উন্নয়নের অংশ।"

​উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে 'ডিসিএনইউপি' প্রকল্পের আওতায় ২০২৩ সালের ১ জুন শুরু হওয়া এই ঐতিহাসিক ভবনের মূল সংস্কারকাজ ২০২৬ সালের ৩১ মে সফলভাবে শেষ হয়। ভবনের মূল ঐতিহ্যবাহী চুন-সুরকির গাঁথুনি ও লাল ইটের স্থাপত্য অক্ষুণ্ন রেখেই এটি সংস্কার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে লালকুঠিকে সাহিত্যসভা, চিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পাঠচর্চার একটি সমন্বিত কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

​পরিদর্শনকালে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব জোহানেস জুট (Mr. Johannes Zutt), বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব জঁ পেম (Mr. Jean Pesme)-সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ২ বন্দির মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) অসুস্থ হয়ে পড়া আব্দুল মাবুদ (৫৮) ও আব্দুল বারেক (৭০) নামের দুই কারাবন্দি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।

রোববার দুপুরে অচেতন অবস্থায় আব্দুল মাবুদকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আব্দুল মাবুদের বাবার নাম আব্দুল সোবহান। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হামিমপুর এলাকায়। তবে তিনি কোনো মামলায় কারাগারে ছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

কারারক্ষী সাইফুল ইসলাম জানান, হাজতি আব্দুল মাবুদ কেন্দ্রীয় কারাগারে সকালের দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়া আব্দুল বারেক (৭০) নামের এক কারাবন্দি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। গত শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে ঢামেকের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। একই দিন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কারা সূত্রে জানা যায়, তিনি হত্যা মামলায় বন্দি ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলায়। তার বাবার নাম (মৃত) আব্দুল খালেক।

দুই বন্দির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।


নির্বাচিত

বাড্ডায় বাসায় ঢুকে এক ব্যক্তিকে গুলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় মাইনুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে বাসায় ঢুকে গুলির ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তার ডান পায়ে গুলি লেগেছে।

আহত মাইনুল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বলেন, পূর্বপরিচিত ছোট ভাই মাসুদ আহমেদকে দেখতে তিনি উত্তর বাড্ডায় ময়নারবাগ বউবাজার এলাকায় তাঁর বাসায় গিয়েছিলেন। সেখানে অবস্থান করার সময় তামিমসহ তিন থেকে চারজন ওই বাসায় প্রবেশ করেন। পরে তামিম তাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। তামিমের মুখে মাস্ক ও অন্যদের মাথায় হেলমেট ছিল বলে জানান তিনি।

মাইনুলের দাবি, কিছুদিন আগে একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তিন দিন আগে গুলশান এলাকা থেকে আল আমিন নামের একজন ছিনতাইকারীকে ধরার কারণে তাঁর ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। কারণ, ওই ছিনতাইকারী তামিমের গ্রুপের সদস্য।

মাইনুলের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর মাইজদীতে। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে ভাটারা নতুনবাজারের কাজীবাড়ি এলাকায় থাকেন।

এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, রাত দুইটার দিকে মাইনুল গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আসেন। আজ তিনি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে যান।


নির্বাচিত

গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের মিছিলের ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৪০

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান এলাকায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেওয়ার অভিযোগে মোট ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার দিনভর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, গুলশানে জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যানারে বের হওয়া আকস্মিক মিছিলে সরাসরি জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই ৪০ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে গুলশান-১ নম্বরের ভোলা মসজিদের সামনে থেকে কয়েকশ নেতাকর্মী আকস্মিক মিছিল বের করার চেষ্টা চালান। সে সময় পুলিশ তাঁদের প্রতিহত করতে গেলে মিছিলকারীরা দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ পাল্টা দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।

ঘটনার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছেন এবং পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে তাঁদের প্রতিহত করছে। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন জানান, শুক্রবারের ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামতসহ আরও পাঁচটি তাজা ককটেল উদ্ধার এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ব্যাপক তদন্ত ও অভিযানের মাধ্যমে মিছিলে অংশগ্রহণকারী বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।


নির্বাচিত

banner close