মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬ আশ্বিন ১৪৩৩

আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ৮, তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি

আশুলিয়ার জামগড়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৩

একটি সিলিন্ডারের গায়ে লেখা—‘ডোন্ট ইউজ আফটার ২০২১’। অর্থাৎ চার বছর আগেই যার ব্যবহারের মেয়াদ শেষ হয়েছে, ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর সেই সিলিন্ডারই পাওয়া গেছে আশুলিয়ার একটি হোটেলের সামনে। শুধু তাই নয়, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের কর্মকর্তার দাবি—গ্যাস সিলিন্ডার পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ডভ্যান বা লরিতে এভাবে গ্যাস মজুত ও পরিবহন করার অনুমোদনই নেই।

এই দুটি তথ্য সামনে আসার পর আশুলিয়ার জামগড়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে আটজনের মৃত্যুর ঘটনায় দুর্ঘটনার চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সিলিন্ডার কীভাবে ব্যবহার হলো, অনুমোদন না থাকা যানবাহনে কীভাবে গ্যাস পরিবহন করা হলো এবং পুরো প্রক্রিয়াটি কার নজরদারিতে ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলো।

গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার প্রীতি গ্রুপের প্রীতি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের চত্বরে কাভার্ডভ্যান থেকে গ্যাস সিলিন্ডার নামানোর সময় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে ছিটকে পড়ে আশপাশের সড়ক, দোকান ও ভবনে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত তিনজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিস্ফোরণের পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণের পর পুড়ে যাওয়া যানবাহনে তল্লাশি চালিয়ে একটি কাভার্ডভ্যানের ভেতর থেকে পাঁচজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের শরীর এতটাই পুড়ে গেছে যে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতদের মধ্যে সালমা আক্তার ও বুলবুল নামে দুজনকে স্বজনেরা শনাক্ত করার দাবি করেছেন। পরিচয় নিশ্চিতের প্রক্রিয়া চলছে।

অন্যদিকে দুর্ঘটনায় আহত নজরুল ইসলাম (৩০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে মারা যান। তিনি প্রীতি গ্রুপের কারখানার সামনে পেঁয়াজ-রসুনসহ বিভিন্ন কাঁচামাল বিক্রি করতেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, আশুলিয়ার ঘটনায় চারজনকে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে নজরুল মারা গেছেন। বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন।

বিস্ফোরণের পর সিলিন্ডার ছিটকে যায় কয়েকশ গজ: ঘটনাস্থলের ভয়াবহতা শুধু প্রাণহানিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিস্ফোরণের অভিঘাতে সিলিন্ডার ও বিভিন্ন ধাতব অংশ ছিটকে গিয়ে আশপাশের ভবন ও দোকানে আঘাত করে।

ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরের একটি দুইতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার দেয়াল ভেদ করে লোহার একটি অংশ ঢুকে যায়। দেয়ালে তৈরি হয় বড় দুটি ছিদ্র ও ফাটল।

সে সময় বাসায় ছিলেন গৃহিণী নাজমা ও তার মেয়ে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ঘরের আসবাবপত্র ও দেয়ালের ইট ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে মেয়েকে নিয়ে দ্রুত নিচে নেমে আসেন তিনি।

নাজমার ভাষ্য, ভবনটি নির্মাণের বয়স ছয় মাসও হয়নি। এর মধ্যেই বিস্ফোরণের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন ক্ষতিপূরণ কে দেবে—এ প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে হোটেল মালিক আব্দুল হালিমের সামনে থাকা একটি সিলিন্ডার নজরে আসে।

সিলিন্ডারটির গায়ে ইংরেজিতে স্পষ্টভাবে লেখা—‘ডোন্ট ইউজ আফটার ২০২১’। অর্থাৎ সিলিন্ডারটি ২০২১ সালের পর ব্যবহার না করার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু সেটিই বিস্ফোরণের পর ছিটকে এসে পড়েছে লোকালয়ে।

আশুলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মহিবুল্লাহ আকনও বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, সিলিন্ডারটি মেয়াদোত্তীর্ণ। ২০২১ সালের পর সেটি ব্যবহারের কথা ছিল না।

এই তথ্য দুর্ঘটনার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কারণ সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সেটি কার হেফাজতে ছিল, কীভাবে ব্যবহার করা হলো এবং ব্যবহারের আগে সেটি পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখন গুরুত্বপূর্ণ।

‘কাভার্ডভ্যানে গ্যাস পরিবহনই অনুমোদিত নয়’: মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পরিবহন ব্যবস্থার বিষয়টিও।

বিস্ফোরক অধিদপ্তরের ঢাকা কার্যালয়ের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক মুহাম্মদ মেহেদী ইসলাম খান বলেছেন, প্রীতি গ্রুপে কাভার্ডভ্যান বা লরিতে যেভাবে গ্যাস মজুত করা হয়েছিল, তা পুরোপুরি অবৈধ।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, কাভার্ডভ্যান বা লরিতে করে গ্যাস সিলিন্ডার পরিবহন অনুমোদিত নয়। এ ধরনের যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও রয়েছে।

তাহলে অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও গ্যাসবাহী গাড়ি কীভাবে কারখানা চত্বরে ঢুকল—এ প্রশ্নের উত্তরও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

বিস্ফোরক অধিদপ্তর জানিয়েছে, অনুমোদনহীনভাবে গ্যাস পরিবহন ও মজুতের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলও করা হয়েছে।

তবে সংস্থাটির কর্মকর্তারা জনবল ও লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কথাও জানিয়েছেন। ঢাকা কার্যালয়ে কর্মকর্তা কম, নেই নিজস্ব গাড়িও। ফলে নিয়মিত নজরদারি চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।

মেহেদী ইসলাম খান জানান, অনেক প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজর এড়িয়ে বিশেষ করে গভীর রাতে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কারণে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পাশাপাশি অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণায় আগুন লাগার দুটি সম্ভাবনা সামনে এসেছে। প্রথমত, আগুনের সংস্পর্শে অগ্নিকাণ্ড হতে পারে। দ্বিতীয়ত, মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডারের কারণে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো কারণকেই চূড়ান্ত বলা যাচ্ছে না।

ফায়ার সার্ভিস ঢাকা জোন-৪-এর উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ বের করা হবে।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ঢাকা জোন-৪-এর সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামানকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

তদন্তে বিস্ফোরণের সূত্রপাত, গ্যাস সিলিন্ডারের মান ও মেয়াদ, পরিবহন পদ্ধতি এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা—সবকিছু খতিয়ে দেখা হবে।

বিশেষ করে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারটি কীভাবে ব্যবহারের সুযোগ পেল, সেটি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

ভয়াবহ এ দুর্ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম।

আটজনের মৃত্যু, তিনজনের আহত হওয়া, কয়েকশ গজ দূরে সিলিন্ডার ছিটকে পড়া এবং ভবনের দেয়াল ভেদ করে ধাতব অংশ ঢুকে যাওয়ার মতো ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এটি কি শুধুই একটি দুর্ঘটনা, নাকি নিরাপত্তাবিধি উপেক্ষার ধারাবাহিক ফল?

মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহারের তথ্য এবং অনুমোদনহীনভাবে কাভার্ডভ্যানে গ্যাস পরিবহনের অভিযোগ সেই প্রশ্নকেই আরও জোরালো করেছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেই মিলতে পারে এর উত্তর।


নির্বাচিত

বিএনপি কোনো খুচরা দল নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বিএনপি কোনো খুচরা দল নয়, জনগণের সঙ্গে দলটির সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের দল। দলটি কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা চায় না। বিরোধী দলে থাকাকালে বিএনপি মারামারি করেনি এবং অস্ত্র হাতে তুলে নেয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন আবদুস সালাম। সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয় বলে আয়োজকেরা জানান।

আবদুস সালাম বলেন, বিএনপি কোনো খুচরা দল নয়। জনগণের সঙ্গে দলটির সম্পর্ক রয়েছে। দলটি জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করে বলেও তিনি বক্তব্য দেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি কোনো ব্যক্তি বা বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় আসেনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জনগণের ভোটেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় বিএনপির প্রতিটি নেতা-কর্মীর দায়িত্ব রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিএনপি সবসময় গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে ছিল দাবি করে আবদুস সালাম বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে সরানোর কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না।

তিনি বলেন, পাঁচ বছরের জন্য জনগণ ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছে। যারা সরকারকে সরানোর কথা বলছে, তাদের উদ্দেশে তিনি পাঁচ বছর অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।

দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি প্রতিটি এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দল সুসংগঠিত ছিল বলেই বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে পেরেছে বলে মন্তব্য করে তিনি ভবিষ্যতেও সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন।

নয়াপল্টনের কর্মসূচিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে কর্মসূচিটি সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আয়োজন করা হয়েছে বলে জানানো হয়।


নির্বাচিত

এলিফ্যান্ট রোডে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের সায়েন্স ল্যাব থেকে বাটা সিগন্যাল মোড় পর্যন্ত এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এ সময় ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স প্রদর্শন ও সিটি করপোরেশনের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে এ যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে সড়কের দুই পাশের বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা ও ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচলের উপযোগী করা হয়।

এ সময় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, সাইনবোর্ড কর পরিশোধ করা হয়েছে কি না এবং ফুটপাত অবৈধভাবে সাইনবোর্ড বা মালামাল রাখা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হয়।

এ ছাড়া বিভিন্ন দোকান, রেস্তোরাঁ ও ভবনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) পানি ফুটপাতে ফেলে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং এডিস মশার লার্ভা বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়।

অভিযান চলাকালে ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স প্রদর্শন এবং সিটি করপোরেশনের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

জনস্বার্থে এবং নগরবাসীর জন্য সুশৃঙ্খল ও চলাচল উপযোগী ফুটপাত নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।


নির্বাচিত

গুলশান জোনের নতুন ডিসি রুহুল কবীর খান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানকে বদলি করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানকে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন দায়িত্বে মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান গুলশান বিভাগের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশের প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারক করবেন।


নির্বাচিত

শাহজালালে বিমানের ফ্লাইটে শতাধিক স্বর্ণবার জব্দ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে অভিযান চালিয়ে ১০০টিরও বেশি স্বর্ণবার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে এ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণবার উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দ করা স্বর্ণবারগুলোর মোট পরিমাণ, ওজন ও আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে এসব স্বর্ণের চালানের সঙ্গে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তথ্য যাচাই, তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সূত্র আরও জানায়, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় বিমানবন্দরে অভিযান ও তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। স্বর্ণবারগুলো কীভাবে বিমানের ফ্লাইটে আনা হয়েছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, অভিযান ও যাচাই-বাছাই শেষে জব্দ করা স্বর্ণের সঠিক পরিমাণ, ওজন, আনুমানিক মূল্য এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে অভিযান চালিয়ে ১০০টিরও বেশি স্বর্ণবার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে এ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণবার উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দ করা স্বর্ণবারগুলোর মোট পরিমাণ, ওজন ও আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে এসব স্বর্ণের চালানের সঙ্গে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তথ্য যাচাই, তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সূত্র আরও জানায়, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় বিমানবন্দরে অভিযান ও তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। স্বর্ণবারগুলো কীভাবে বিমানের ফ্লাইটে আনা হয়েছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, অভিযান ও যাচাই-বাছাই শেষে জব্দ করা স্বর্ণের সঠিক পরিমাণ, ওজন, আনুমানিক মূল্য এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


নির্বাচিত

বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান, ৬ জনকে কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মিরপুর কার্যালয় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার বিআরটিএর মিরপুর কার্যালয় প্রাঙ্গণে অভিযান চালানো হয়।

বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামানের পরিচালনায় আদালত-৩-এর অধীনে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয় এলাকা থেকে ১১ জন দালালকে আটক করা হয়। এর মধ্যে পাঁচজনকে সর্বমোট ত্রিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং বাকি ৬ জনের প্রত্যেককে ৬০ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত।

কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে মো. মনির মোল্ল্যা, সুজন চন্দ্র দাস, মো. আল আমিন, মো. টিপু, মোফাজ্জেল হোসেন ও আব্দুল মান্নান শিকদারকে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘এই প্রতারক চক্র বিআরটিএ মিরপুর কার্যালয়ে আসা গ্রাহকদের দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কাগজপত্র ও টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যেত—এমন অসংখ্য অভিযোগ আমাদের কাছে ছিল। সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি দূর করতে এবং বিআরটিএ’কে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত রাখতে আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান আছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’


নির্বাচিত

বাড্ডায় নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বাড্ডা থানার আফতাবনগর এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে স্যানিটারি কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. নিহাম (১৫) নামের এক কিশোর শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পারে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের সহকর্মী আল-আমিন জানান, আফতাব নগরের একটি ভবনের ৮তলায় স্যানিটারির কাজ করার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়, ওখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

তিনি আরও জানান, নিহত নিহামের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর নানুপুর মিয়াজী বাড়ি গ্রামে চান মিয়া গাজীর ছেলে। বর্তমানে তার পরিবারের সঙ্গে বাড্ডার আফতাবনগর এফ-ব্লকে পাসপোর্ট অফিস এলাকায় থাকত। দুই ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল ছোট।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।


নির্বাচিত

ঘুষের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, আনসার সদস্যের তৎপরতায় উদ্ধার ৯৮ হাজার রিয়াল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনকালে ঘুষ হিসেবে দেওয়া টাকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আনসার সদস্যের সততা ও দায়িত্বশীলতায় ৯৮ হাজার সৌদি রিয়ালসহ দুবাইগামী এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত রিয়ালের বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক মূল্য ৩২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দরের হেভি লাগেজের ৪ নম্বর গেটে প্রবেশের সময় চেকিংকালে দুবাইগামী যাত্রী মোহাম্মদ হালিমের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয় কর্তব্যরত আনসার সদস্য পিসি মো. নিজাম উদ্দিনের। এ সময় ওই যাত্রী বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পিসি মো. নিজাম উদ্দিনকে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু দায়িত্বের প্রতি অবিচল থেকে আনসার সদস্য ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে শিফটে দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রশিক্ষক ওমর ফারুককে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে উপজেলা প্রশিক্ষক ওমর ফারুক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পিসি মো. আলমগীর হোসেন ও আনসার সদস্য চঞ্চল সাদেক রানাকে সঙ্গে নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে ওই যাত্রীর সঙ্গে থাকা মালামাল তল্লাশি করেন। এ সময় তার কাছ থেকে ৯৮ হাজার সৌদি রিয়াল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে শিফট ইনচার্জ আটক যাত্রী ও উদ্ধারকৃত রিয়াল বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।

আটক যাত্রী মোহাম্মদ হালিম, পিতা: জজ মিয়া, কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনায় দায়িত্ব পালনকালে ঘুষের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আনসার সদস্যের তাৎক্ষণিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ বাহিনীর সততা, পেশাদারিত্ব ও কর্তব্যনিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত।

এ ধরনের নিষ্ঠা ও দৃঢ়তা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসাধারণের আস্থা ও নিরাপত্তাবোধকে আরও সুদৃঢ় করে। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা দেশব্যাপী সর্বোচ্চ সতর্কতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।


নির্বাচিত

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএনসিসির ৫ কন্টেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক চালু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল আধুনিক করার লক্ষ্যে পাঁচটি নতুন কন্টেইনার ক্যারিয়ার ট্রাকের উদ্বোধন করেছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গাবতলীর প্রস্তাবিত কাঁচা বাজারে অবস্থিত ডিএনসিসির পরিবহন ডিপোতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব ট্রাকের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক জানান, বাসা-বাড়ির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের (এসটিএস) মাধ্যমে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে আধুনিক করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামীতে এই বহরে আরও ১০টি কন্টেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক যুক্ত করা হবে।

বর্তমানে ডিএনসিসির ১৮০ থেকে ২০০টি গাড়ি প্রতিদিন ঢাকা শহরের চার হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করছে। নতুন এই ভারী যানগুলো যুক্ত হওয়ায় বর্জ্য পরিবহনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং কম সময়ে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করে নগরবাসীকে উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। ট্রাকগুলো উদ্বোধনের পর প্রশাসক নিজে একটি ট্রাক চালিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন। সময় তিনি উল্লেখ করেন যে, কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলে অতি বৃষ্টিতেও এখন ডিএনসিসি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় না।

পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর ৯০ দিনের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ডিএনসিসি প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি জানান। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস, ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালনা জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা প্রচেষ্টায় আগামী তিন মাসের মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিব হাসান এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম ইমরুল কায়েসসহ অন্যান্য বিভাগীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রাজধানীর ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় আগুন ও বিস্ফোরণ

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় একের পর এক আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

সন্ধ্যা ৭টার পর প্রায় একই সময়ে মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় দুই যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এরপর রাত ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে মধ্য বাড্ডা ইউ-লুপের কাছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিপরীতে ‘আলিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি স্টাফ বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে একটি পিকআপে এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

এছাড়া যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার সামাদ সুপার মার্কেটের সামনে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ইনকামিং লেনে পরপর চারটি ককটেল বিস্ফোরণে বিল্লাল নামে এক রিকশাচালক আহত হন।

এর আগে গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর থেকে রাত পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী, মগবাজার, আগারগাঁও এবং মিরপুরের কাফরুল এলাকায় একইভাবে বাস পোড়ানো ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরপর দুদিন ধরে চলা এসব নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তার অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে দুই শতাধিক স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি ও পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার চারটি প্রধান রুটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহন পর্যবেক্ষণে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।


নির্বাচিত

রাজধানীতে ডিএমপির ২০০ চেকপোস্ট, নিরাপত্তা জোরদার

ফাইল ছবি। দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীজুড়ে ধারাবাহিক কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ও একটি অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর অংশ হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে প্রায় ২০০টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির দেওয়া এক বার্তায় জানানো হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশের টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে চেকপোস্ট বসানো এবং পিকেট ডিউটি জোরদার করা হয়েছে। একইসঙ্গে নগরজুড়ে থানা মোবাইল প্যাট্রোল, ফুট প্যাট্রোল ও হোন্ডা প্যাট্রোলের (মোটরসাইকেল টহল) সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। যেকোনো বড় ধরনের অপরাধ বা নাশকতা প্রতিরোধে মাঠে ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ), সিটিটিসি এবং এপিবিএন টিম মোতায়েন রাখা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতাও কামনা করেছে ডিএমপি।

গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মালিবাগ, মহাখালী ও যাত্রাবাড়ীসহ কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। পুলিশ জানায়, বিকেল ৩টার দিকে মালিবাগ রেলগেটের কাছে প্রধান সড়কে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, তিন তলা ফ্লাইওভার থেকে এগুলো ছোড়া হয়েছিল। বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে মহাখালীর আমতলী এলাকায় আরেকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। মহাখালী ফ্লাইওভার থেকে এটি ছোড়া হয়েছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে যাত্রাবাড়ী থানার মূল ফটকের কাছেও বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পুলিশ জানিয়েছে, থানার সামনে চার থেকে পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন কর্মকর্তারা এবং তারা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছেন। সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের বেতার ভবনের সামনেও একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থল থেকে কোনো আলামত উদ্ধার করতে পারেনি। শব্দটি ককটেল বিস্ফোরণের নাকি পটকার, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ জানান, মৌচাক এলাকায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।

পরবর্তীতে গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে কাফরুল থানার সামনে একটি মিরপুর সুপার লিংক বাসে আগুন লাগে। ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার টিবিএসকে জানান, দুর্ঘটনার জেরে কয়েকদিন আগেই বাসটি জব্দ করা হয়েছিল এবং এটি থানার সামনে পার্ক করা ছিল। তিনি বলেন, কেউ বাসে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ ও স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ডিএমপি জানিয়েছে, এমন প্রেক্ষাপটে সন্দেহভাজন গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা জোরদার করতে ঢাকাজুড়ে কৌশলগত স্থানগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

চলতি মাসে রাজধানীতে ধারাবাহিক কয়েকটি একই ধরনের ঘটনার পর সর্বশেষ এই নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলো।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের বাইরে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরপরই এই ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও তিনটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।

এর আগে, ১১ সেপ্টেম্বর গুলশান থানা এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে ডিএমপি ঢাকার প্রবেশপথ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছিল। পাশাপাশি ব্লক চেক জোরদার করা হয় এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট, গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, সর্বশেষ এই নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা এবং রাজধানীজুড়ে জননিরাপত্তা বজায় রাখা।


নির্বাচিত

নিপীড়িত মানুষের পাশে বিএনপি: ডিএসসিসি প্রশাসক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের পাশে বিএনপি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ন্যায্য দাবির বিষয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি ঢাকা জেলা শাখার ৭ দফা দাবি আদায়ের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুস সালাম বলেন, ‘এই দেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত সকল মানুষের সঙ্গে বিএনপিও আছে, আমিও আছি।’ দলিল লেখকদের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের কথা তারা জানেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁদের দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। তিনি নিজেও বিষয়গুলো মন্ত্রণালয়ে তুলে ধরার পাশাপাশি সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছেও উপস্থাপন করবেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিটি মানুষের কথা বোঝার চেষ্টা করেন এবং সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে আবদুস সালাম বলেন, তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘ ১৭ বছরে দেশকে ধ্বংসের প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ব্যাংক খাতে লুটপাট হয়েছে এবং অনেক ব্যাংক এমন অবস্থায় পড়েছে যে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা নিয়েও সংকট তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ বিভিন্ন খাতে সমস্যা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য, এমন পরিস্থিতিতে জনগণ তারেক রহমানকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।

দলিল লেখকদের সাত দফা দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে সরকার যেন মানুষের সমস্যাগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

সমাবেশে দলিল লেখক নেতারা পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা ও সাত দফা দাবি তুলে ধরেন। দেশের বিভিন্ন জেলায় একই দিনে দলিল লেখক সমিতির কর্মসূচিতে দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, দলিলপ্রতি ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা বাস্তবায়ন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্যদের দলিল লেখা বা মুসাবিদার সুযোগ বন্ধ এবং দলিল লেখক কাউন্সিল গঠনের অনুমতিসহ বিভিন্ন দাবি জানানো হয়েছে।

সমাবেশে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান এম এ রশিদ, মহাসচিব কে এস হোসেন টমাস, সভাপতি মো. ওয়াজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন খানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দলিল লেখক নেতারা তাদের সাত দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


নির্বাচিত

মধ্য বাড্ডায় ‘আলিফ এন্টারপ্রাইজের’ বাসে আগুন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫৪
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সামনে রাস্তার পাশে পার্ক করে রাখা একটি স্টাফ বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে মধ্য বাড্ডা ইউ-লুপের কাছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ঠিক বিপরীতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগা বাসটি ‘আলিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি স্টাফ বাস বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাসটি রাস্তার পাশে পার্ক করা অবস্থায় ছিল। এ সময় হঠাৎ বাসটিতে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন দ্রুত বাসের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

বাড্ডা থানার সাব-ইন্সপেক্টর হাসানুল জানান, বাসটি রাস্তার পাশে পার্ক করা অবস্থায় ছিল। ওই অবস্থাতেই হঠাৎ বাসটিতে আগুন ধরে যায়।

তবে কীভাবে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

এদিকে, একই রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায়ও দুটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে একাধিক বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মধ্য বাড্ডার ঘটনাটি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে। আগুনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপরই এখন নজর রয়েছে।


নির্বাচিত

banner close