মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
২১ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ধানমন্ডি লেকের উন্নয়ন আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল, আজ তা বাস্তবায়ন হচ্ছে’

ধানমন্ডি লেকের খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৩

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে আমার নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল। দীর্ঘদিনের সেই প্রত্যাশা ও অঙ্গীকার এখন বাস্তবায়নের পথে।

তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী এ লেকের খনন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হওয়ায়, এটি স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি রাজধানীবাসীর জন্যও আনন্দের বিষয়।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ধানমন্ডি লেকের খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ধানমন্ডি লেক ঢাকার মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও ঐতিহ্যবাহী একটি জলাধার। রাজধানীর এমন কোনো নাগরিক নেই, যিনি এ লেকের নাম জানেন না। দীর্ঘদিন ধরে লেকটির উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের দাবি ছিল। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় আমি ধানমন্ডি লেককে আরও মনোরম ও আধুনিক করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হওয়ায় আমি সন্তোষ প্রকাশ করছি।

শেখ রবিউল আলম বলেন, নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ধানমন্ডি লেকের উন্নয়নের বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ ধানমন্ডি লেকের খনন ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে। তিনি বলেন, লেকের তলদেশে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা স্লাজ অপসারণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় বিপুল পরিমাণ স্লাজ অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ঘনমিটার স্লাজ অপসারণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর মাধ্যমে লেকের জলধারণ ক্ষমতা বাড়ানো এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হবে।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, শুধু লেকের খনন বা সৌন্দর্যবর্ধন করলেই হবে না, এটিকে দীর্ঘমেয়াদে জনগণের জন্য ব্যবহারযোগ্য ও আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে হবে। সে লক্ষ্যেই ধানমন্ডি লেকের জন্য বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে।

লেকের চারপাশে মানুষের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের ব্যবস্থা, বিনোদন ও শরীরচর্চার সুযোগসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, ধানমন্ডি লেকের উন্নয়নে দুটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় লেকের পরিবেশ ও সৌন্দর্য উন্নয়নের পাশাপাশি নাগরিকদের বিনোদন ও সুস্থ জীবনযাপনের উপযোগী বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

লেক এলাকায় লাইব্রেরি, জিমনেসিয়াম এবং নজরুল মঞ্চ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে উন্নয়নকাজ শেষ হলে ধানমন্ডি লেক শুধু একটি জলাধার হিসেবে নয়, বরং নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা, বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিণত হবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ধানমন্ডি লেককে ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সবুজ ও উন্মুক্ত পরিসর হিসেবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। লেকের উন্নয়নের পাশাপাশি এর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করাও জরুরি।

সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা থাকলে লেকের সৌন্দর্য ও পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু সৌন্দর্যবর্ধন করলে হবে না, এর রক্ষণাবেক্ষণেও সরকারের পাশাপাশি এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে। নইলে এই সৌন্দর্যবর্ধন বেশিদিন ধরে রাখা যাবে না।’

লেকের পানি পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের উদ্দেশে ময়লা-আবর্জনা লেকে না ফেলার আহ্বান জানান।

শেখ রবিউল আলম বলেন, একটি লেককে সুন্দর করে তোলা যেমন সরকারের দায়িত্ব, তেমনি সেই সৌন্দর্য ধরে রাখার দায়িত্ব নাগরিকদেরও রয়েছে। নাগরিকরা সচেতন হলে উন্নয়নকাজের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ধানমন্ডি লেকের উন্নয়ন শুধু একটি এলাকার মানুষের জন্য নয়, এটি পুরো ঢাকা শহরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় উন্মুক্ত জলাধার ও সবুজ পরিবেশ মানুষের স্বস্তি ও বিনোদনের সুযোগ তৈরি করে। তাই লেকটির উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

এদিকে, এর আগে ধানমন্ডি লেকের পরিবেশ ও ভারসাম্য সংরক্ষণে ডিএসসিসির পক্ষ থেকেও বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে।

লেককে ঘিরে লাইব্রেরি, জিমনেসিয়ামসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা মন্ত্রীও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, ধানমন্ডি লেকের উন্নয়ন কাজের সঙ্গে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে, এটি একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব লেকে পরিণত হবে।

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই উন্নয়ন কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

মৃধাবাড়ি ওয়াসা থেকে কাজলা পর্যন্ত ফুটপাত-সড়ক দখলমুক্ত করল ডিএসসিসি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃধাবাড়ি ওয়াসা থেকে কাজলা পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামে নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে স্থাপিত বিভিন্ন অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে, সড়কের ওপর অবৈধভাবে রাখা বিভিন্ন মালামাল অপসারণ করে জনসাধারণের চলাচলের পথ উন্মুক্ত করা হয়।

অভিযানে অবৈধভাবে দোকান পরিচালনা এবং সড়কের ওপর মালামাল রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অপরাধে ৪টি মামলায় মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নগরবাসীর নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে। জনসাধারণের চলাচলের পথ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, দোকান পরিচালনা কিংবা সড়কে মালামাল রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

নীতিমালার আওতায় অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে: সড়কমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকা শহরে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর অধীনে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের খনন ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি জানান, এ লক্ষ্যে খুব দ্রুতই একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

ঢাকার ট্রাফিক পরিস্থিতি ও অটোরিকশার বিশৃঙ্খলা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে নগরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে। প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে প্রধান সড়ক ও জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এসব যানের চলাচল সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দীর্ঘদিনের এই পেশার সঙ্গে জড়িত চালকদের জীবিকার বিষয়টি অনুধাবন করে তিনি উল্লেখ করেন, নিয়ম কার্যকর হলে তাদের কিছুটা ভোগান্তি হতে পারে, তবে সামগ্রিক নাগরিক স্বার্থে এই অব্যবস্থাপনা দূর করতে সবাইকে ঐক্যমতে আসতে হবে। সাধারণ কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে বাস্তবমুখী প্রক্রিয়ায় উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথা জানিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে ঢাকা শহরকে অকার্যকর হতে দেওয়া হবে না।

উন্নয়ন প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ধানমন্ডি লেকের খনন, সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশ সংরক্ষণে মোট ৮৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটির অধীনে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাংস্কৃতিক ও মননশীল চর্চার সুযোগ বাড়াতে একটি পাঠাগারসহ ‘নজরুল মঞ্চ’ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে ব্যাটারিচালিত রিকশা উচ্ছেদ ও ডাম্পিং বন্ধ না হলে ঢাকা অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন চালক ও মালিক সমিতির নেতারা। একই সঙ্গে বৈধ লাইসেন্স ও রোড পারমিট প্রদানের দাবি জানিয়ে তারা ঘোষণা দেন, চার্জিং স্টেশনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। এই দাবিতে সোমবার রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করা হলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভের একপর্যায়ে কাকরাইলে ভিক্টর ক্লাসিক গোল্ড সিটি পরিবহনের একটি বাসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং কর্মসূচি অমান্য করে যান চালানোর চেষ্টাকালে কয়েকজনকে হেনস্তা করার অভিযোগ ওঠে।


নির্বাচিত

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করেছে রাজধানী ঢাকা। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা আইকিউ এয়ারের তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকালে ঢাকার বায়ুমান সূচকে স্কোর রেকর্ড করা হয়েছে ২৩৪, যা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ভুক্ত। একই সময়ে ১৯৮ স্কোর নিয়ে দূষণের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা শহর।

সংস্থাটির হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, ১৯১ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর। এছাড়া ভারতের রাজধানী দিল্লি ১৮৬ স্কোর নিয়ে চতুর্থ এবং ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা ১৬২ স্কোর পেয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে, বায়ুমান সূচকে স্কোর শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত থাকলে তা স্বাস্থ্যকর বা ভালো এবং ৫১ থেকে ১০০ হলে সহনীয় কিংবা মাঝারি বিবেচনা করা হয়। তবে স্কোর ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকলে সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য এবং ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত বাতাসকে সরাসরি ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সূচকে স্কোর ২০১ থেকে ৩০০-তে পৌঁছালে বায়ুর মান ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ অতিক্রম করলে সেটিকে পরিবেশের জন্য ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বা চরম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।


নির্বাচিত

মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত, গ্রেপ্তার ৩৬

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনে হকার উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্য আহত ও সিটি করপোরেশনের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা তিন মামলায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উচ্ছেদ অভিযানের পর থেকে মিরপুর ১০ নম্বর এলাকার ফুটপাতে আর কোনো হকার বসেননি। ওই এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছে পুলিশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সদস্যরা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনো হকার ফুটপাতে বসতে এলেই পুলিশ তাকে আটক করছে। এ কারণে অনেক হকার এলাকায় আসছেন না এবং কেউ কেউ গা-ঢাকা দিয়েছেন।

মিরপুর মডেল থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, পুলিশ সদস্য আহত করা এবং সিটি করপোরেশনের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, হামলার সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ ও ছবি পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গত বুধবার মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় হকার উচ্ছেদে অভিযান চালায় ডিএনসিসি। এ সময় হোপ মার্কেটের সামনের ফুটপাতে হকারদের সঙ্গে ডিএনসিসির কর্মী ও পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। একপর্যায়ে সিটি করপোরেশনের একাধিক গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

এরপর থেকে মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে পুলিশ ও সিটি করপোরেশন নিয়মিত নজরদারি করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফুটপাত দখল করে হকার বসানো এবং উচ্ছেদে বাধা দেওয়ার ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

শপিং মল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৫৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও দোকান আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। এ সময়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চালু থাকবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখার উপসচিব সোনিয়া বিনতে তাবিব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

তবে ২৩ অক্টোবর থেকে এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে আগের সময়সূচি কার্যকর হবে। অর্থাৎ সেদিন থেকে সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শপিং মল, মার্কেট ও দোকান খোলা রাখার নিয়ম বহাল থাকবে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে দেশে শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের সুবিধা এবং ক্রেতাদের কেনাকাটার বিষয় বিবেচনায় সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ফলে পূজার কেনাকাটার ব্যস্ত সময়ে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ক্রেতারা রাত ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও দোকান থেকে কেনাকাটা করতে পারবেন। ২৩ অক্টোবর থেকে আবার আগের সময়সূচি অনুযায়ী রাত ৮টার মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হবে।


নির্বাচিত

নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার মামলায় জামিন পেলেন গোলাম মহিউদ্দিন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন দক্ষিণ মানিকদীর নিউগিনি প্রপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জোনাইদের আদালত গত রোববার তার জামিনের আদেশ দেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক তারেকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার ঢাকার রমনা থানার সেগুনবাগিচার একটি বাসা থেকে গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরদিন বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

রিমান্ড শেষে রোববার গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর জেহাদ হোসেন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে তার পক্ষে আইনজীবী জামিনের আবেদন করে শুনানি করেন।

শুনানি শেষে আদালত আগামী ধার্য দিন ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত দুই হাজার টাকা মুচলেকায় গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রায় ৫০ জনের একটি দল দক্ষিণ মানিকদীর নিউগিনি প্রপার্টিজের প্রকল্প এলাকায় ঢুকে হামলা চালায়। তাদের হাতে গুলি, রামদা, ছোরা ও লাঠিসোঁটা ছিল। হামলায় কয়েকজন আহত হন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা প্রকল্প এলাকায় থাকা নগদ টাকা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম লুট করে। এ সময় কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, হামলা ও ভাঙচুরে প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি ১ কোটি ৫০ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিউগিনি প্রপার্টিজের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলাটির তদন্ত করছে ডিবি পুলিশ। রিমান্ড শেষে আদালতের আদেশে গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী আপাতত জামিনে রয়েছেন।


নির্বাচিত

কর্মসংস্থানের দাবিতে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের অবস্থান কর্মসূচি

দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে শতাধিক প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এক দফা কর্মসংস্থানের দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটরা। সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে শতাধিক প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আন্দোলনকারীদের একমাত্র দাবি, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন উপযুক্ত পদে বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা করে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষিত বেকার প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের তাৎক্ষণিক কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় ‘চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদ’ এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। সংগঠনটির নেতারা জানান, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের লাগাতার আন্দোলন চলবে। দ্রুত দাবি মেনে না নিলে আন্দোলন দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন।

আন্দোলনকারীদের কেউ কেউ দাবি আদায় না হলে আত্মহত্যার মতো চরম পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন। তবে সংগঠনটির পক্ষ থেকে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের আহ্বায়ক মো. আলী হোসেন বলেন, ‘আমরা বছরের পর বছর শিক্ষাজীবন শেষ করে চাকরির অপেক্ষায় আছি। আমাদের দাবি কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; আমরা আমাদের যোগ্যতা ও সক্ষমতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান চাই। এক দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। তারপরও যদি আমাদের দাবি পূরণ করা না হয়, তাহলে এই যে দেখেন, হাতে বিষের বোতল! আমরা সবাই এখানে বিষপান করে আত্মহত্যা করব।’

সংগঠনের সদস্য সচিব মো. আলিফ হোসেন বলেন, ‘বহু বছর ধরে বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থানের দাবি জানিয়ে আসছি। বারবার আশ্বাস পেলেও বাস্তব সমাধান পাইনি। এবার আমরা এক দফা দাবিতে মাঠে নেমেছি। বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান নিশ্চিত না করা পর্যন্ত কর্মসূচি থেকে পিছুপা হব না।’

আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট বলেন, ‘শিক্ষাজীবন শেষ করার পরও বছরের পর বছর বেকার থাকা অত্যন্ত কষ্টকর। আমরা কারও দয়া চাই না, কাজের সুযোগ চাই। কর্মসংস্থানের কার্যকর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে বাধ্য হব।’

আরেক আন্দোলনকারী বলেন, ‘আমাদের পরিবার আছে, ভবিষ্যৎ আছে, স্বপ্ন আছে। কিন্তু কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় আমরা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি। সরকার বিষয়টি মানবিক ও জরুরি হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে আমাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে-এটাই প্রত্যাশা।’

আন্দোলনকারীরা বলেন, তাদের ন্যায্য কর্মসংস্থানের দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তাদের দাবির বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদ।


নির্বাচিত

আনসারের অভিযানে মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনে অস্ত্রসহ ছিনতাইকারী আটক

আনসারের অভিযানে মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনে অস্ত্রসহ ছিনতাইকারী আটক । ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের 'এন্ট্রি-এ' গেটে সোমবার (৫ অক্টোবর) এক নারী যাত্রীর ব্যাগ ধরে টানাটানি করছিল এক ছিনতাইকারী। লিফটের সামনে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনকালে বিষয়টি স্টেশনটিতে টহল ডিউটিরত আনসার সদস্য মোঃ রাকিবুল ইসলামের নজরে আসে।

তাৎক্ষণিকভাবে তিনি এপিসি রোকনুজ্জামান ও আনসার শাহীন মিয়াকে সাথে নিয়ে দ্রুত সাহসিকতার সাথে অভিযান পরিচালনা করেন। তাদের ক্ষিপ্রতায় জাকির হোসেন নামে ঐ ছিনতাইকারীকে ঘটনাস্থল থেকেই হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে একটি বড় ধারালো ছুরি জব্দ করা হয়।

ঘটনাস্থল থেকে আটকের পর বিষয়টি দ্রুত মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের কন্ট্রোলারকে জানানো হয়। পরবর্তীতে স্টেশনের কন্ট্রোলারের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে আনসার সদস্যরা জব্দকৃত ধারালো অস্ত্রসহ আটককৃত ছিনতাইকারীকে এমআরটি (MRT) পুলিশের নিকট সোপর্দ করেন।

ব্যস্ততম মেট্রোরেল স্টেশনে আনসার সদস্যদের এমন তাৎক্ষণিক সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে একটি বড় অপরাধ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এই সময়োপযোগী পদক্ষেপের জন্য ভুক্তভোগী নারী এবং উপস্থিত সাধারণ যাত্রীরা আনসার বাহিনীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও গভীর প্রশংসা জ্ঞাপন করেন।


নির্বাচিত

আবাসন প্রকল্পে হামলার ‘অন্যতম পরিকল্পনাকারী’ গ্রেপ্তার

ছবি: বিকাশ চন্দ্র সরকার।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে নিউ গিনি প্রপার্টি আবাসন প্রকল্পে হামলায় বিকাশ চন্দ্র সরকার নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রোববার (৪ অক্টোবর) গভীর রাতে মাগুরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবির এক কর্মকর্তা সোমবার (৫ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ বলছে, বিকাশ চন্দ্র নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একটি সূত্র জানায়, হামলার আগে বিকাশ ওই আবাসন প্রকল্পের চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন ভূঁইয়া এবং সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ জমির মালিকদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করেন। সমঝোতা না হওয়ায় মামলার এক নম্বর আসামি শাহরিয়া মাহমুদকে হামলার জন্য সন্ত্রাসী ভাড়া করে দেন।

এদিকে হামলার এই ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬ জনকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। গত রোববার (৪ অক্টোবর) তাদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তারা হলেন– শাহরিয়া মাহমুদ, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ নেতা শাহ আলম অনিক, কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) মো. আব্দুর গফুরের জামাতা মিজানুর রহমান, ভাসানটেক বস্তির বাসিন্দা মো. মামুন, মো. মুন্না ও অটোরিকশাচালক আসলাম।

এদিকে তিন দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ায় গত রোববার ওই মামলার চার নম্বর আসামি মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরে তার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ডিবির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার আ ফ ম আনোয়ার হোসেন খান বলেন, ‘ছয় আসামিকে ডিবিতে আনা হয়েছে। হামলার ঘটনায় তাদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

পুলিশ জানায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১১টার দিকে নিউ গিনি আবাসন প্রকল্প ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও লটুপাট চালানো হয়। ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে হামলাকারীরা। হামলার ঘটনা সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক মাদ্রাসাশিক্ষক শাহরিয়ার মাহমুদ। হামলার প্রায় সাড়ে আট ঘণ্টা আগেও ইসিবি চত্বর এলাকায় একটি রেস্তোরাঁয় শাহরিয়া মাহমুদ ও মামলার ২ নম্বর আসামি ক্যান্টনমেন্ট থানা জামায়াতে ইসলামীর রুকন আবুল কাশেমসহ ১৪ জন বৈঠক করেন। বৈঠকের ছবি তদন্তসংশ্লিষ্টদের হাতে এসেছে। বৈঠকে বিকাশ কুমার নামে একজন ঠিকাদারকেও শনাক্ত করেছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

তদন্ত সূত্র জানায়, বৈঠকে যাদের ছবি দেখা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে প্রথমে শাহরিয়া মাহমুদ গ্রেপ্তার হন। আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। গত রোববার রাতে বিকাশ কুমার গ্রেপ্তার হলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, হামলকারীরা ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে আবাসন প্রকল্পে প্রবেশ করেছিল। অন্তত ৫০টি গুলি ছোড়া হয়। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সেখানকার নির্মাণশ্রমিক, নিরাপত্তাকর্মী ও আশপাশের বাসিন্দারা। হামলায় অনেক তরুণকে অংশ নিতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থল ও ঘটনার পর যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তারা বস্তির বাসিন্দা ও অটোরিকশাচালক। তাদের ভাড়া করে আনা হয়েছিল।


নির্বাচিত

রাজধানীর ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, দুশ্চিন্তা পুনর্দখল নিয়ে

দখলমুক্ত রাজধানীর ফুটপাত । ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘদিন পর রাজধানীর অনেক ফুটপাতে হাঁটার জায়গা ফিরেছে। কোথাও উচ্ছেদ করা হয়েছে অবৈধ দোকান, কোথাও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হকার। ব্যস্ত সড়কের পাশের ফুটপাত এখন অনেকটাই ফাঁকা। কেউ কেউ বলছেন, এক যুগেরও বেশি সময় পর ঢাকার ফুটপাতে এমন স্বস্তি অনুভব করছেন তারা।

তবে এই স্বস্তি কতদিন থাকবে, তা নিয়েই প্রশ্ন নগরবাসীর। অতীতে বহুবার উচ্ছেদ অভিযান হলেও কয়েক দিনের মধ্যেই অনেক এলাকায় আবার ফুটপাত দখল করে বসেছে হকার ও অবৈধ দোকান। ফলে এবারও একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। নগরবাসীর দাবি, শুধু হকার উচ্ছেদ করলেই হবে না, পুনর্দখলের নেপথ্যে যারা রয়েছে, তাদেরও চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ফুটপাত দখলমুক্ত করতে বর্তমানে তৎপর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিভিন্ন এলাকায় চলছে উচ্ছেদ অভিযান। পাশাপাশি উচ্ছেদের পর ফুটপাত যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে জন্য নজরদারি জোরদারের কথাও জানিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন।

সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনার পর অনেক সড়ক ও ফুটপাত তুলনামূলক ফাঁকা দেখা গেছে। এতে দীর্ঘদিন পর স্বাভাবিকভাবে হাঁটার সুযোগ পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। মিরপুর-১০ ও হোপ মার্কেট এলাকার পরিস্থিতিও বদলে গেছে। গত বুধবারের (৩০ সেপ্টেম্বর) অভিযানের পর মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৩ পর্যন্ত সড়ক ও ফুটপাতের অনেক অংশ এখন ফাঁকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ এই পরিবর্তনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

ফুটপাত ও প্রধান সড়ক দখল করে দোকান বসানোর পরিবর্তে হকারদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে মানুষ প্রয়োজন হলে সেখানে গিয়ে কেনাকাটা করতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রধান সড়ক ও ফুটপাতও পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

ফুটপাত দখলের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার পেছনে শুধু হকারদের দায়ী না করে এর নেপথ্যের ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, প্রশাসনের কিছু সদস্য ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সম্পৃক্ততা ছাড়া বছরের পর বছর একই জায়গায় হকার বসে থাকা সম্ভব নয়।

তাদের ভাষ্য, উচ্ছেদ অভিযান হলে কয়েক দিন ফুটপাত ফাঁকা থাকে। এরপর আবার আগের জায়গায় দোকান বসে। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী কারও সহযোগিতা ছাড়া এভাবে বারবার দখল করা সম্ভব নয় বলেও তারা মনে করেন।

একজন বাসিন্দা বলেন, ‘শুধু হকারদের সরিয়ে দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কারা তাদের বসতে দেয় এবং কারা এর বিনিময়ে টাকা নেয়, সেটিও খুঁজে বের করতে হবে। তা না হলে অভিযান শেষ হওয়ার কয়েক দিন পরই আবার ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

উচ্ছেদের পর ফুটপাত যাতে আবার দখল না হয়, সে জন্য নজরদারি জোরদারের কথা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। গত শনিবার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘ফুটপাত যেখানে দখল হবে, সেখানেই উচ্ছেদ অভিযান চলবে।’ সম্প্রতি মিরপুর-১০ থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত দীর্ঘদিনের দখলে থাকা ফুটপাত স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় দখলমুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। টিমটি নিয়মিত এলাকা পর্যবেক্ষণ করবে। ফুটপাত দখল করে কোনো দোকান বা স্থাপনা বসানো হলে মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। একপর্যায়ে হকার ও দোকানিদের সঙ্গে পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের মধ্যে ডিএনসিসির কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গণমাধ্যমকর্মীরাও হামলার শিকার হন। পরে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৩ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাতের ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়।

রাজধানীর পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে বংশালের নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। গত ২৪ সেপ্টেম্বর ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম ওই এলাকা পরিদর্শন করে জানান, এসব মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিভিন্ন হকার সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে এবং তারা স্বেচ্ছায় এসব মূল সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন বলেও জানান তিনি।

তবে গুলিস্তানের রমনা ভবনসংলগ্ন পূর্ব পাশের ফুটপাতে সাধারণ মানুষের চলাচলের জায়গা রেখে নির্ধারিত স্থানে নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত নির্দিষ্টসংখ্যক হকার বসতে পারবেন। নির্ধারিত স্থান, সময়, সংখ্যা ও নিবন্ধনের বাইরে যত্রতত্র হকার বসার সুযোগ নেই বলেও জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক।

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করার সাম্প্রতিক উদ্যোগে নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও এর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। কারণ, অতীতে উচ্ছেদ অভিযান বারবার হলেও পুনর্দখল ঠেকানো যায়নি।

নগরবাসীর মতে, ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা যেমন জরুরি, তেমনি হকারদের জীবিকার বিষয়টিও বাস্তবতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ের মধ্যে হকারদের ব্যবসার সুযোগ দেওয়া গেলে একদিকে তাদের জীবিকা বজায় থাকবে, অন্যদিকে পথচারীদের চলাচলেও বাধা সৃষ্টি হবে না।

তবে এর পাশাপাশি ফুটপাত দখলের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তি, চাঁদাবাজি এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগও তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা। দীর্ঘদিন পর ফুটপাতে যে স্বস্তি ফিরেছে, সেটি কতটা স্থায়ী হবে, এখন মূল প্রশ্ন সেটিই। উচ্ছেদের পাশাপাশি পুনর্দখল ঠেকানো, দখলের নেপথ্যের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং হকারদের জন্য কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা—এই তিনটি বিষয়ই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে রাজধানীর ফুটপাত কতটা পথচারীবান্ধব থাকে।


নির্বাচিত

ড্রাইভিং লাইসেন্স-রোড পারমিটসহ ৪ দাবিতে অটোরিকশা চালকদের আল্টিমেটাম

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিকদের অধিকার ও কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চার দফা দাবি জানিয়েছেন অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতারা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

আন্দোলনকারীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ১) অটোরিকশার জন্য রোড পারমিটের ব্যবস্থা করা, ২) চালকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা, ৩) অটোরিকশা চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ৪) অটোরিকশার গ্যারেজগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা বন্ধ করা।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অটোরিকশচালকরা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক ও মালিকরা নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছেন।’

বিশেষ করে গ্যারেজে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। তাদের অভিযোগ, অটোরিকশা আটকের পর ‘ডাম্পিং’ এর নামে হয়রানি ও অর্থ আদায়ের ঘটনাও ঘটছে। এ ধরনের হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক নেতারা বলেন, ‘তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।’

একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মালিক-শ্রমিকদের পুনর্বাসনেরও দাবি জানান তারা।

বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘চার দফা দাবি মেনে নেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পেলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।’


নির্বাচিত

গাড়ি দেখলেই সালাম দেওয়া পথশিশুদের খাওয়ালেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়ি ঢাকার বিজয় সরণির ব্যস্ত সড়ক দিয়ে যাতায়াতের সময় তাকে নিয়মিত সালাম দেন ঐ সড়কে প্রতিদিন ফুল, পানি ও বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা বেশ কিছু পথশিশু। প্রধানমন্ত্রীও নিয়মিত তাদের সালাম গ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, নিয়মিত যাতায়াতের পথে প্রধানমন্ত্রী তাদের দেখেন এবং তাদের জীবন-জীবিকার বিষয়টি তার নজরে আসে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শুধু তাদের সালাম গ্রহণ করেই থেমে থাকেননি। তিনি তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে বিজয় সরণিতে থাকা এসব মানুষের জন্য দুপুরের একবেলা খাবারের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুপুরে তাদের ডেকে নিয়ে বিজয় সরণির একটি রেস্টুরেন্টে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে পথশিশু, বয়স্ক নারীসহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলো একসঙ্গে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন।

হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এমন আয়োজন পেয়ে আনন্দিত ও অভিভূত হন তারা। তাদের কয়েকজন বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের সালাম গ্রহণ করেন, এটিই জানতাম না। তিনি আমাদের কথা মনে রেখে খাবারের ব্যবস্থা করবেন, কখনো ভাবেননি।


নির্বাচিত

banner close