সিটি ব্যাংক সম্প্রতি করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বগুড়ার প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে শস্যবীজ বিতরণ করেছে। ব্যাংকটির নিজস্ব উদ্যোগে আঞ্চলিক এনজিও টিএমএসএসের সহযোগিতায় বগুড়ার ঠেঙ্গামারায় টিএমএসএসের মুক্ত মঞ্চে ৪০০ জন প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিভিন্ন ধরনের ফসলের বীজ বিতরণ করা হয়।
টিএমএসএসের উপনির্বাহী পরিচালক সোহরাব আলী খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, টিএমএসএসের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপিকা ড. হোসনে আরা বেগম, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক উপসচিব ও টিএমএসএসের পরামর্শক তপন কুমার নাথ এবং সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফ ও হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. অরূপ হায়দার। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘কৃষির উন্নয়নে গবেষণার জন্য সিটি ব্যাংক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুদান দিয়েছে। আগামীতেও আমাদের ব্যাংক কৃষকদের জন্য সহায়তার হাত উল্লেখযোগ্যভাবে প্রসারিত করবে। এ সময় টিএমএসএসের উপনির্বাহী পরিচালক ড. মো. মতিউর রহমান, সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন শাহরিয়ার জামিল খানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি
মেঘনা ব্যাংক পিএলসি মেঘনা-পে-এর মাধ্যমে বাংলা কিউআর পেমেন্ট সেবা চালু করেছে। সমন্বিত ডিজিটাল লেনদেন সুবিধা সম্প্রসারণ ও নগদবিহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ সেবা চালু করেছে ব্যাংকটি।
সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান বাংলা কিউআর পেমেন্ট সেবার উদ্বোধন করেন। এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ছাদেকুর রহমান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোতাজ্জুল করিম এন আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন এ সেবার মাধ্যমে মেঘনা ব্যাংকের গ্রাহকেরা মেঘনা-পে ব্যবহার করে যেকোনো পণ্য বা সেবার মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। এ জন্য মুঠোফোনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বাংলা কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সরাসরি মূল্য পরিশোধ করা যাবে।
ব্যাংকটির দাবি, নতুন এ সেবার ফলে গ্রাহকদের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও সুবিধাজনক হবে।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এ (বিইউপি) ‘সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও সামাজিক সংহতি: একটি উন্নত সমাজ বিনির্মাণ’ (এমপ্যাথি, টলারেন্স অ্যান্ড সোশ্যাল কোহিশন: বিল্ডিং আ বেটার সোসাইটি) শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল পৌনে দশটা থেকে দুপুর পৌনে একটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়টির স্বাধীনতা মিলনায়তনে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। বিইউপির ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস (এফএএসএস)-এর সমাজবিজ্ঞান বিভাগ এই শিক্ষামূলক ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বর্তমান যুগে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক প্রভাব বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মূল্যবোধ ও মনস্তত্ত্বে দৃশ্যমান রূপান্তর ঘটাচ্ছে। এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতি একদিকে যেমন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে, তেমনি অন্যদিকে সমাজে অসহিষ্ণুতা ও মেরুকরণের মতো উদ্বেগজনক প্রবণতাও বৃদ্ধি করছে। এমন বাস্তবতায় দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় তরুণদের মাঝে সহমর্মিতা, পারস্পরিক পরমতসহিষ্ণুতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের বিস্তার ঘটিয়ে সমাজে সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যেই সেমিনারটির আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক বা প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিইউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম। এ ছাড়া প্যানেল আলোচক হিসেবে মূল্যবান বক্তব্য উপস্থাপন করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের ডিন ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিয়া হক এবং বিইউপির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শাম্মী আক্তার। তাঁরা তরুণ শিক্ষার্থীদের মানসিক ইতিবাচকতা ও সহনশীল সমাজ গঠনে ব্যক্তিকেন্দ্রিক সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই আয়োজনে অন্যান্যের মধ্যে বিইউপির ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে একটি সহনশীল, সংহত ও প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি. তথ্য নিরাপত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। ব্যাংকের ইনফরমেশন সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইএসএমএস) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ISO 27001:2022 মানদণ্ড অনুযায়ী সফলভাবে সার্টিফায়েড হয়েছে। এই সার্টিফিকেশনের আওতাভুক্ত বিভাগগুলোর মধ্যে রয়েছে: তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ (ITD), আইটি সিকিউরিটি এন্ড গভর্ন্যান্স বিভাগ (ITSGD), মানবসম্পদ বিভাগ (HRD) এবং সেইসাথে ডেটা সেন্টার ও ডিজাস্টার রিকভারি সাইট। এ উপলক্ষে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় শান্তা পিনাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনজুর মফিজের কাছে সার্টিফিকেশন হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং চিফ অপারেটিং অফিসার মির্জা আজহার আহমদ; এসইভিপি এবং চিফ রিস্ক অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) অনির্বাণ হক; এসইভিপি এবং রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মো. কামরুজ্জামান; ইভিপি এবং চিফ টেকনোলজি অফিসার আবু মো. সাব্বির হাসান চৌধুরী; ইভিপি এবং এডিসি বিভাগের প্রধান শেখ মোহাম্মদ ফুয়াদ; ভিপি এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মইনুল হক সিরাজী; এফভিপি এবং জিএসডি বিভাগের প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) ফজলুর রহমান; এসএভিপি এবং চিফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার (CISO), খন্দকার গোলাম সরওয়ার সহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক টেস্টিং, ইন্সপেকশন এবং সার্টিফিকেশন (TIC) বডি, ব্যুরো ভেরিটাস-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রিজিওনাল ম্যানেজার (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) তারেক আহমেদ, এবং কনসালটিং প্রতিষ্ঠান ইআইসি লিমিটেড-এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউল ইসলাম।
প্রিমিয়ার ব্যাংক গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষা ও সাইবার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় অঙ্গীকারবদ্ধ। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ব্যাংকের তথ্যের গোপনীয়তা, অখণ্ডতা ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ব্যাংকের সক্ষমতার স্বীকৃতি বহন করে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মনে করে, গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষায় ব্যাংকের ধারাবাহিক অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন এই স্বীকৃতি।
ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি বা আন্তঃখাত কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও সন্ধানী গ্রুপের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
এর লক্ষ্য দুই প্রতিষ্ঠানের জন্য পারস্পরিক ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের আরও উন্নত আর্থিক ও করপোরেট সুবিধা দেওয়া। প্রাইম ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই অংশীদারত্বে প্রাইম ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবাকাঠামো এবং স্বাস্থ্যসেবা, বিনিয়োগ, উচ্চশিক্ষা ও বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সেবা খাতে সন্ধানী গ্রুপের উপস্থিতিকে কাজে লাগানো হবে।
চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংক সন্ধানী গ্রুপের যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো এবং সেসব প্রতিষ্ঠানের কর্মী, গ্রাহক ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা দেবে। এর মধ্যে রয়েছে মাল্টি-চ্যানেল ফি সংগ্রহ, প্রাইম পে-এর মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ইন্টারনেট ব্যাংকিং, বেতন ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন সুবিধা, ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা, সঞ্চয়ী পণ্য, শিক্ষাসংক্রান্ত আর্থিক সেবা এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষা সহায়তা।
এ ছাড়া আর্থিক সাক্ষরতা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি, ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ তৈরির বিষয়েও কাজ করবে ব্যাংকটি।
পাশাপাশি ব্যাংকাস্যুরেন্স, বিমা সমাধান, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ, মিউচুয়াল ফান্ড বিতরণ, ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ও ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং সেবায় যৌথভাবে কাজের সুযোগ খুঁজবে দুই পক্ষ।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় প্রাইম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও লায়াবিলিটি অ্যান্ড উইমেন ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান শায়লা আবেদীন এবং সন্ধানী গ্রুপের উপদেষ্টা মাহমুদুল বারী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান এম এম মাহবুব হাসান; সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডিস্ট্রিবিউশন বিভাগের প্রধান মামুর আহমেদ; এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট, ব্যাংকাস্যুরেন্স অ্যান্ড রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মিয়া মোহাম্মদ রবিউল হাসান, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কনজ্যুমার অ্যাসেটস অ্যান্ড কার্ডস বিভাগের প্রধান জোয়ারদার তানভীর ফয়সাল এবং সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পেরোল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান হাসিনা ফেরদৌস উপস্থিত ছিলেন।
সন্ধানী গ্রুপের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সন্ধানী অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আরিফুল ইসলাম, এসিএস; প্রধান কমপ্লায়েন্স ও বিনিয়োগ কর্মকর্তা মোঃ তানভীর ইসলাম ও সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হোসাইন এম. ফজলে এলাহী এবং সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ মিজানুর রহমান।
নতুন ঠিকানায় আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে সোনালী ব্যাংক পিএলসির পল্লবী শাখা। গতকাল বুধবার সকালে ফিতা কেটে আধুনিকীকৃত এ শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও মো. শওকত আলী খান। গ্রাহকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে গত আগস্ট মাসের শেষদিকে শাখাটি মিরপুরের পল্লবী মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন একই ভবনের তিনতলা থেকে দোতলায় স্থানান্তর করা হয়। নতুন এই পরিসরে ব্যাংকিং সেবা আরও সহজ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর খান ইকবাল হোসেন, জেনারেল ম্যানেজারস অফিসের (ঢাকা নর্থ) জেনারেল ম্যানেজার মো. আব্দুল কুদ্দুসসহ প্রধান কার্যালয় ও শাখা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নির্বাহী কর্মকর্তা, সম্মানিত গ্রাহক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ নিয়ে এলো বছরের অন্যতম বৃহৎ অনলাইন শপিং ক্যাম্পেইন ‘দারাজ ১০.১০ শপিং ফেস্ট’। ক্যাম্পেইনটি ৯ অক্টোবর রাত ৮টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। কেনাকাটায় সর্বোচ্চ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে এই ক্যাম্পেইনে থাকছে প্রিপেমেন্ট ভাউচারে সর্বোচ্চ ১২% ছাড়, ব্র্যান্ড রাশ আওয়ারে আকর্ষণীয় ব্র্যান্ড ডিসকাউন্ট, ফ্ল্যাশ সেলে ৮০% পর্যন্ত ছাড়, হট ডিলে ৭৫% পর্যন্ত ছাড় এবং প্ল্যাটফর্মজুড়ে বিশেষ ডেলিভারি সুবিধা।
১০.১০ শপিং ফেস্টে গ্রাহকরা ইলেকট্রনিক্স, ফ্যাশন, এফএমসিজি, হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস, হেলথ অ্যান্ড বিউটি ও লাইফস্টাইলসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্যে উপভোগ করতে পারবেন দারুণ সব ডিল। ক্রেতাদের জন্য আরও রয়েছে আকর্ষণীয় মূল্যে মেগা ডিল, ফ্ল্যাশ সেলে ৮০% পর্যন্ত ছাড় এবং নির্বাচিত পণ্যে হট ডিলে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়। এছাড়া দেশজুড়ে সাশ্রয়ী অনলাইন শপিং নিশ্চিত করতে থাকছে সাইট-ওয়াইড ডেলিভারি ডিসকাউন্ট এবং ৬৪ জেলার গ্রাহকদের জন্য নির্বাচিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা।
এবারের ক্যাম্পেইনের অন্যতম মূল আকর্ষণ হলো দুটি বিশেষ অফার। এর মধ্যে ‘প্রিপেমেন্ট ভাউচার’-এর মাধ্যমে কেনাকাটায় আগে মূল্য পরিশোধ করে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন ১২% পর্যন্ত ছাড়, যা দ্রুত অর্ডার প্রসেসিং নিশ্চিত করবে। এছাড়া নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর পণ্য কেনাকাটায় বিশেষ ছাড় দিতে রয়েছে ‘ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার’। প্রথম ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার সেশনটি শুরু হবে ৯ অক্টোবর রাত ৮টা থেকে এবং চলবে ১০ অক্টোবর রাত ২টা পর্যন্ত। পরবর্তীতে আরও তিনটি সেশন পরিচালিত হবে—১০ অক্টোবর (সারাদিন), ১৬ অক্টোবর (সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১:৫৯টা পর্যন্ত) এবং ১৯ অক্টোবর (সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১:৫৯টা পর্যন্ত)।
ক্যাম্পেইন চলাকালীন গ্রাহকদের জন্য থাকছে বিশেষ ব্র্যান্ড অ্যাক্টিভেশন ও ব্র্যান্ড ডে। ৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ‘স্পিন দ্য হুইল’ ফেসবুক লাইভ সেশনের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনটির আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে, যেখানে অংশ নিয়ে দর্শকরা জিতে নিতে পারবেন চমৎকার সব পুরস্কার। এছাড়া ১১ অক্টোবর ভিশন ব্র্যান্ড ডে, ১২ অক্টোবর লোটো ব্র্যান্ড ডে, ১৩ অক্টোবর নেসলে ব্র্যান্ড ডে, ১৪ অক্টোবর ডেটল সুপার ব্র্যান্ড ডে, ১৬ অক্টোবর ডাবর ব্র্যান্ড ডে এবং ১৭ অক্টোবর হিমালয়া ব্র্যান্ড ডে অনুষ্ঠিত হবে। এসব আয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ডের বিশেষ অফার ও ছাড় থাকবে।
দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যে সাশ্রয় নিশ্চিত করতে দারাজ চয়েসের মাধ্যমে ‘এভরিডে লো প্রাইস’ (ইডিএলপি) সুবিধাও অব্যাহত থাকবে। দারাজ চয়েস থেকে কেনাকাটায় ক্রেতারা ৩টি পণ্য কিনলে ফ্রি ডেলিভারি এবং ৫টি পণ্য কিনলে একটি ফ্রি উপহারসহ ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা পাবেন।
১০.১০ শপিং ফেস্টে দারাজের সঙ্গে অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। হিমালয়া, ডেটল এবং ইউনিলিভার এক্সক্লুসিভ প্লাটিনাম পার্টনার হিসেবে এবং গোদরেজ ও প্যারাশুট ন্যাচারেল গোল্ড স্পনসর হিসেবে যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি নিওকেয়ার সিলভার স্পনসর হিসেবে ক্যাম্পেইনে অংশ নিচ্ছে।
কেনাকাটায় বাড়তি সঞ্চয়ের সুযোগ করে দিতে ক্যাম্পেইনে যুক্ত হয়েছে শীর্ষস্থানীয় পেমেন্ট পার্টনাররা। বিকাশ ব্যবহারকারীরা মার্কেটপ্লেসে ন্যূনতম ৫৯৯ টাকার অর্ডারে উপভোগ করতে পারবেন ১২% ছাড় (সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত)। নগদ ব্যবহারকারীরাও মার্কেটপ্লেসে ন্যূনতম ৫৯৯ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ১২% ক্যাশব্যাক (সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত)। এছাড়া কমিউনিটি ব্যাংক পিএলসি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ড ব্যবহারকারীরা উপভোগ করতে পারবেন ১২% ডিসকাউন্ট (সর্বোচ্চ ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত)। পাশাপাশি, এনআরবি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডহোল্ডাররা যোগ্য ইএমআই লেনদেনে লেনদেন প্রতি সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১০% ক্যাশব্যাক সুবিধা পাবেন।
অনলাইন কেনাকাটায় গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দারাজের নামে পরিচালিত প্রতারণামূলক কার্যক্রমের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অননুমোদিত ফেসবুক পেজ, গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দারাজের নামে ভুয়া ‘মিস্ট্রি বক্স’ অফার এবং চাকরি বা অনলাইনে আয়ের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। দারাজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দারাজ কোনো ‘মিস্ট্রি বক্স’ অফার পরিচালনা করে না। একইভাবে চাকরির প্রস্তাব দেওয়ার জন্য দারাজ কখনো হোয়াটসঅ্যাপ, ব্যক্তিগত মেসেজ বা টেলিগ্রামের মাধ্যমে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করে না। তাই অননুমোদিত কোনো মাধ্যমে দারাজের পরিচয়ে যোগাযোগ করা ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য শেয়ার না করার জন্য ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। দারাজের অনুমোদিত অ্যাফিলিয়েট পেজ ও গ্রুপগুলো বৈধ অ্যাফিলিয়েটদের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং সেগুলোর লিংক দারাজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা অ্যাপে নিয়ে যায়। ক্রেতাদের অফার ও তথ্য যাচাইয়ের জন্য দারাজের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনুমোদিত অ্যাফিলিয়েট চ্যানেল এবং www.daraz.com.bd অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১০.১০ শপিং ফেস্টের সব অফার ও বিস্তারিত তথ্য জানতে ক্রেতারা ক্যাম্পেইন পেজে https://s.daraz.com.bd/s.Y1PTx?cc ভিজিট করতে পারেন অথবা দারাজ অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারেন। ক্যাম্পেইনের সর্বশেষ আপডেট, ফ্ল্যাশ সেল ও অন্যান্য আয়োজনের খবর জানতে দারাজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজগুলোতেও চোখ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে ডিজিটাল লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বাংলা কিউআর ব্যবহারে প্রচারণামূলক কার্যক্রম আয়োজন করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)। আজ বৃহস্পতিবার চট্টেশ্বরী রোডের শপিংব্যাগ সুপার মার্কেটে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক স্বরূপ কুমার চৌধুরী এবং ইউসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বাংলা কিউআর ব্যবহার করে লেনদেন করেন। এ সময় ব্যাংকিং ও পেমেন্ট অ্যাপ ব্যবহার করে কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে সহজে পেমেন্ট করার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়।
ইউসিবি জানিয়েছে, উদ্যোগটির মাধ্যমে বিভিন্ন মার্চেন্ট পয়েন্টে বাংলা কিউআর ব্যবহার করে সহজে ডিজিটাল পেমেন্ট করার সুবিধা সম্পর্কে গ্রাহকদের জানানো হয়। পাশাপাশি আরও বেশি ব্যবসায়ীকে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে উৎসাহিত করা হয়।
ইউসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেছেন, ‘ডিজিটাল পেমেন্ট সহজ, সবার নাগালের মধ্যে এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী হলেই মানুষ এর সুবিধা পুরোপুরি পেতে পারেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা আরও বেশি গ্রাহক ও ব্যবসায়ীকে বাংলা কিউআর ব্যবহারে উৎসাহিত করতে চাই। দেশের ডিজিটাল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার যাত্রায় ইউসিবি কাজ করে যাচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসাইন চৌধুরী, যুগ্ম পরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক মাহফুজুর রহমান; ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, পিএমপি এবং চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার (সিসিও) জীশান কিংশুক হক উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইউসিবির অন্যান্য কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ যুব জলবায়ু সম্মেলন রিজিওনাল কনফারেন্স অব ইয়ুথ (আরসিওয়াই) এশিয়া-প্যাসিফিক ২০২৬ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ গাজীপুরের সিসিডিবি ক্লাইমেট সেন্টারে চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন শেষ হয়। সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়ন, টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা, পরিবেশ সুরক্ষা, তরুণদের নেতৃত্ব এবং জলবায়ু সংকট মোকাবেলার বিভিন্ন বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হলো। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের তরুণদের ১২টি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশে এর আয়োজন করেছে সিক্ত বাংলাদেশ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (সিথ্রিইআর)।
এই সম্মেলনটি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সংস্থা ইউএনএফসিসিসির যুব সংগঠন ইয়াঙ্গোর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। এর প্রতিপাদ্য ছিল “ফ্রম মাউন্টেন টু সি: ইউনাইটেড ফর ক্লাইমেট জাস্টিস”।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ২৮টি দেশের ৫০০-এর বেশি তরুণ, জলবায়ু কর্মী, গবেষক, উন্নয়নকর্মী, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
চার দিনব্যাপী আয়োজনে প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, কপের আদলে বিভিন্ন সিমুলেশন সেশন, নেটওয়ার্কিং কার্যক্রম এবং সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন দেশ ও জনগোষ্ঠী যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে এবং সেগুলো মোকাবিলার সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়ন, তরুণদের নেতৃত্ব, কর্মসংস্থান, পরিবেশ সুরক্ষা, জ্বালানি এবং নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
এই সম্মেলনটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য কপ৩১ এর প্রস্তুতির একটি অনুশীলন মঞ্চ হিসেবেও কাজ করেছে। এর মাধ্যমে তারা আলোচনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া শেখা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছেন।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা যৌথভাবে একটি ‘রিজিওনাল ইয়ুথ স্টেটমেন্ট’ তৈরি করেন। এটি আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আন্তালিয়ায় অনুষ্ঠিত কনফারেন্স অফ ইয়োথ ও কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিস (কপ৩১) এ তুলে ধরা হবে।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) ইউএন উইংয়ের প্রধান এ কে এম সোহেল। তিনি জলবায়ু ও উন্নয়নসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তরুণদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, “আমরা যেগুলো ঋণ নিচ্ছি, তা ভবিষ্যতে তরুণদেরই পরিশোধ করতে হবে। তাই এই অর্থের সঙ্গে যদি আপনাদের স্বার্থ জড়িত থাকে, তাহলে আপনাদেরকে মতামতের গুরুত্ব থাকতে হবে। আর আপনাদের প্রতিটি বক্তব্যই হতে হবে তথ্য, উপাত্ত ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ওপর ভিত্তিতে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের কমিউনিকেশন অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি প্রধান মিগুয়েল মাতেওস মুনোজ। তিনি তরুণ অংশগ্রহণকারীদের মনে রাখতে বলেন যে, এই সম্মেলনের বাইরে আরও অনেক মানুষের কণ্ঠস্বর রয়েছে, যাদের প্রতিনিধিত্ব করাও জরুরি।
তিনি বলেন, “কপ৩১ এ রিজিওনাল ইয়ুথ স্টেটমেন্ট নিয়ে যাওয়ার সময় ভাবুন- এখনো সেখানে কাদের কথা উঠে আসেনি? বাংলাদেশের এনডিসি ৩.০ শিশু ও তরুণদের জলবায়ু কার্যক্রমের কেন্দ্রে স্থান দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এখন শুরু হবে আসল যাত্রা- এটার বাস্তবায়ন। আপনারা যখন বৈশ্বিক পরিসরে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরবেন, তখন সেই মানুষদের বাস্তবতা, দাবি ও স্বপ্ন বিবেচনায় নিন, যারা এই আলোচনায় সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেনি। আর একটা বিষয় নিশ্চিত করবেন যে, ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করে এমন কোনো সিদ্ধান্তে যেন একটা শিশুর কণ্ঠস্বরও উপেক্ষিত না থাকে।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের অ্যাডভাইজার ও প্রফেসর এমেরিটাস ড. আইনুন নিশাত। তিনি তরুণদের নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো, নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানার এবং তথ্য-প্রমাণভিত্তিক কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “নীতিনির্ধারণের ভাষা বুঝতে শিখতে হবে। তরুণদের জন্য উত্থাপিত যে কোনো দাবি বা উদ্যোগ হতে হবে তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ। বাংলাদেশ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু সহযোগিতার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। অনুষ্ঠানে “ক্লাইমেট চেঞ্জ, ইটস ইমপ্যাক্ট ইন এশিয়া-প্যাসিফিক অ্যান্ড অ্যাকশন রিকোয়ার্ড” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিথ্রিইআর এর ডিরেক্টর ড. মো. গোলাম রব্বানী।
এ ধরনের আয়োজন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার এসডিজি ৪ (মানসম্মত শিক্ষা), এসডিজি ১৩ (জলবায়ু কার্যক্রম) এবং এসডিজি ১৭ (অংশীদারিত্ব) এর প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকারকে আরও এগিয়ে নেয়।
এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের (এসবিআইএল) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ মাহবুবর রহমান এফসিএমএ। বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) এসবিআইএলের পরিচালনা পর্ষদের ৩০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মোহাম্মদ মাহবুবর রহমান এফসিএমএ এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে ইনটেক সল্যুশন কর্তৃক মনোনীত। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও পরিচালক (অর্থ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একজন খ্যাতিমান পেশাদার হিসাববিদ ও করপোরেট নির্বাহী। বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়াসহ ছয়টি দেশে তাঁর ২৭ বছরেরও বেশি সময়ের নেতৃত্ব ও পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। কর্মজীবনে তিনি স্টারউড হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টস এবং ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনালের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মোহাম্মদ মাহবুবর রহমান এফসিএমএ ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) ফেলো ও কাউন্সিল সদস্য। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে মাস্টার অব কমার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। দীর্ঘ পেশাজীবনে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বস্থানীয় দায়িত্ব পালন করেছেন। আর্থিক ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত পরিকল্পনা, ব্যবসায়িক নেতৃত্ব এবং সাংগঠনিক রূপান্তরের ক্ষেত্রে তার বিস্তৃত অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর অভিজ্ঞতা এসবিএল-এর কৌশলগত দিকনির্দেশনা, করপোরেট সুশাসন এবং পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি উত্তরা ব্যাংক পিএলসি লেডিস ব্রাঞ্চ, ঢাকার উদ্যোগে ঢাকা বিজনেস এন্ড প্রফেশনাল ওমেন্স ক্লাব -এ "SHE MATTERS - Women’s Health & Awareness Programme" অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে নারী স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বিষয়ে আলোচনা, পূর্ণাঙ্গ শারীরিক সুস্থতা ও ফিটনেস সেশন এবং লেডিস ব্রাঞ্চের সঙ্গে দীর্ঘদিনের আস্থাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা সম্মানিত প্রবীণ গ্রাহকদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: আবুল হাশেম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাকসুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ব্যাংকের নির্বাহী মহাব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ লিটন পাশা খান, মহাব্যবস্থাপক জনাব রীনা সুলতানা, সহকারি মহাব্যবস্থাপক জনাব নাজনীন নাহার শারমিন এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী ও সফল নারী উদ্যোক্তা জনাব মনিরা ইমদাদসহ সম্মানিত গ্রাহকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির গ্রাহকরা সকল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। গ্রাহকরা দেশের সকল শাখা ও এটিএম বুথ থেকে তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। একই দিন থেকে কাউন্টার সেবা, মোবাইল অ্যাপ, ইন্টারনেট ব্যাংকিংসহ ব্যাংকের সকল ডিজিটাল ও অনলাইন সেবা পূর্ণমাত্রায় চালু হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেলিতা মেহজাবিন এবং ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল হক। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান, ড. মো. কবির আহমদ, মো. সরওয়ার হোসেন ও মো. আনিসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে গভর্নর আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের প্রতি জনআস্থা অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ন্যাশনাল ব্যাংকের সকল আমানতকারীর চাহিদা অনুযায়ী অর্থ উত্তোলন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
এই পরিপ্রেক্ষিতে আজ ৮ অক্টোবর দুপুরে ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের সকল শাখা ও এটিএম বুথ থেকে গ্রাহকদেরকে তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী সকল ব্যাংকিং সেবা প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হয়।
চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেলিতা মেহজাবিন গভর্নরকে জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে ন্যাশনাল ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে। ব্যাংকের দক্ষতা ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তনও আনা হয়েছে।
চেয়ারম্যান বলেন, "বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক সহযোগিতা এবং পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ন্যাশনাল ব্যাংক আবারও পূর্ণ গতিতে গ্রাহকসেবায় ফিরছে। দীর্ঘ সময় ধরে যেসব গ্রাহক ধৈর্য ধরে আমাদের পাশে ছিলেন, তাঁদের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। খেলাপি ঋণ আদায়ে আমরা সব সময়ই কঠোর অবস্থানে ছিলাম। আগামীতেও কোনো খেলাপিকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে আমরা গ্রাহকের আস্থা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর।"
ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল হক জানান, ১৫ অক্টোবর থেকে সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে সকল শাখা ও এটিএম বুথে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
অটাম-উইন্টার ২০২৬ কালেকশন উন্মোচন করেছে হাই -এন্ড রিটেইলার ইল্লিয়ীন। দেশজুড়ে লাক্সারি ব্র্যান্ডটির বিভিন্ন আউটলেট এবং অনলাইনে মিলবে এ কালেকশন।
শরতের আলো, শুকনো মাটির রঙ ও আবহাওয়া বদলের অনুভূতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে কালেকশনটি সাজানো হয়েছে। পুরুষ, নারী ও শিশুদের পোশাকের পাশাপাশি এতে রয়েছে জুতা, সুগন্ধি ও এক্সেসরিজের পসার। প্রতিটি নকশায় শরতের পরিবর্তনশীল আবহ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
আধুনিক প্যাটার্ন ও নিখুঁত টেইলারিংয়ের মাধ্যমে তৈরি করা এ কালেকশন ক্যাজুয়াল, সেমি-ফরমাল ও রিলাক্সড, তিন ধরনের পরিবেশেই মানিয়ে যায়। হাই-কোয়ালিটি ফ্যাব্রিক ও ফিনিশিংয়ের সমন্বয়ে পুরুষদের জন্যে আছে সিগনেচার থোব, পাঞ্জাবি, পোলো শার্ট ও ডেনিমসহ আরও কিছু পোশাক। নারীদের কালেকশনে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন কো-অর্ড সেট, টপস, ড্রেস, স্টাইলিশ আবায়া এবং আরামদায়ক স্কার্ফ।
ক্রেতারা ইল্লিয়ীনের যেকোন আউটলেটে গিয়ে সশরীরে বা অনলাইনে নতুন এ কালেকশন কিনতে পারবেন।
স্টারলিংকের সঙ্গে অংশীদারিত্বে দেশে স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু করেছে বাংলালিংক। দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে চালু হলো এই সেবা।
এর মাধ্যমে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে বাংলালিংকের অবস্থান সুদৃঢ় হলো। পাশাপাশি আরও শক্তিশালী নেটওয়ার্ক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা এলাকাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পূরণে আরও এক ধাপ এগিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে প্রচলিত নেটওয়ার্ক সেবা বিঘ্নিত হলে স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবার মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতে পারবেন গ্রাহকেরা।
জেলে, সাগরে কাজ করা মানুষ, দুর্গম ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা এবং পর্যটকদের জন্য এ সেবা বিশেষ কাজে আসবে। বাংলাদেশের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের (ইইজেড) অন্তর্ভুক্ত গভীর সমুদ্র এলাকাতেও এ সেবার মাধ্যমে সংযোগ পাওয়া যাবে।
স্যাটেলাইট-টু- মোবাইল সেবায় নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা এলাকাতে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় অ্যাপ ও লোকেশন সেবা ব্যবহার করার সুবিধা থাকছে। বাংলালিংক সংযোগ ও ফোর-জি-সক্ষম ফোন থাকলেই এ সেবাটি ব্যবহার করা যাবে।
এ সেবা চালুর প্রথম মাসে যেকোনো বাংলালিংক ইন্টারনেট বা মিক্সড বান্ডল প্যাক কিনলে বাড়তি খরচ ছাড়াই স্টারলিংক ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকেরা। দ্বিতীয় মাস থেকে নির্ধারিত কিছু মাসিক ইন্টারনেট ও মিক্সড বান্ডল প্যাকের সঙ্গেও কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই এ সুবিধা পাওয়া যাবে।পাশাপাশি স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে প্রতি মাসে বিনা মূল্যে পাঁচটি এসএমএস পাঠাতে পারবেন গ্রাহকেরা।
দেশে স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু প্রসঙ্গে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসে বলেন, “কানেক্টিভিটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মানুষ। পরিবারের কেউ যেন দূরে থাকা স্বজনের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, একজন জেলে যেন বাড়িতে বার্তা পাঠাতে পারেন কিংবা দুর্গম এলাকায় থাকা কেউ প্রয়োজনের সময় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশের আরও বেশি মানুষের কাছে এবং আরও বেশি এলাকায় সংযোগ পৌঁছে দিতে চাই আমরা। দূরত্ব যেন যোগাযোগের পথে বাধা না হয়। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তব সুবিধা তৈরি করাই ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে আমাদের লক্ষ্য।”
স্টারলিংক-এর স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবায় প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরের এলাকাতে বাংলালিংকের গ্রাহকেরা প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করতে পারবেন। ফলে গ্রাহক কোথায় আছেন, তার ওপর মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়ার বিষয়টি আর নির্ভর করবে না। আকাশ দেখা গেলেই সংযুক্ত থাকতে পারবেন বাংলালিংকের মাধ্যমে।