বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক রেপো, লিকুইডিটি সাপোর্ট সুবিধা এবং শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর জন্য ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি সুবিধার (আইবিএলএফ) নিলাম গত রোববার অনুষ্ঠিত হয়।
নিলামে সাত দিন মেয়াদি রেপো সুবিধার আওতায় সাতটি ব্যাংক মোট ১ হাজার ৭৫৪ দশমিক ৫৫ কোটি টাকার ২৭টি বিড, এক দিন মেয়াদি লিকুইডিটি সাপোর্ট সুবিধার আওতায় ১০টি পিডি ব্যাংক মোট ৩ হাজার ৮৯৪ দশমিক ৮৬ কোটি টাকার ৩৩টি বিড এবং ১৪ দিন মেয়াদি ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি সুবিধার আওতায় দুটি ব্যাংক ৫৫০ কোটি টাকার দুটি বিড দাখিল করে।
অকশন কমিটিতে সব বিডই গৃহীত হয়। ফলে রেপো, লিকুইডিটি সাপোর্ট সুবিধা এবং আইবিএলএফের আওতায় সর্বমোট ৬ হাজার ১৯৯ দশমিক ৪১ কোটি টাকা প্রদান করা হয়। উল্লিখিত সাত দিন মেয়াদি রেপো ও এক দিন মেয়াদি লিকুইডিটি সাপোর্ট সুবিধার সুদের হার ছিল যথাক্রমে বার্ষিক ৬ দশমিক ৬০ ও ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ১৪ দিন মেয়াদি ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি সুবিধার এক্সপেক্টেড প্রফিট রেট (ইপিআর) ছিল ৭ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তি
সিটি ব্যাংক পিএলসি এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশে জলবায়ু অর্থায়নকে ত্বরান্বিত করতে এবং গ্রিন ও থিমেটিক বন্ড বাজারের বিকাশে একটি কৌশলগত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
ঢাকায় সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করেন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার।
এই চুক্তির আওতায় ইউএনডিপি সিটি ব্যাংককে গ্রিন বন্ড ইস্যু করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেবে। সিটি ব্যাংকও বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব বন্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। অনুষ্ঠানে মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘সিটি ব্যাংক বর্তমানে একটি গ্রিন বন্ড ইস্যুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইউএনডিপির সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব টেকসই অর্থায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দেশের গ্রিন বন্ড বাজারের প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।’
স্টিফান লিলার তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য নতুন জলবায়ু অর্থায়নের উৎস উন্মোচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিটি ব্যাংকের সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগ বৈশ্বিক টেকসই অর্থায়ন ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব সম্ভাবনা ও প্রয়োজনের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’
এই অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে থিমেটিক বন্ড ইস্যুর জন্য একটি মানদণ্ড তৈরি করবে এবং টেকসই অর্থায়নে বেসরকারি খাতের ব্যাপক অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করবে। শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে সিটি ব্যাংক পিএলসি এর মাধ্যমে দেশের জলবায়ু বিষয়ক অগ্রাধিকারমূলক খাতগুলোকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই উদ্যোগটি ব্যাংকের পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসন (ইএসজি) চর্চাকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি একটি টেকসই আর্থিক ইকোসিস্টেম গঠনে সহায়ক হবে।
জনতা ব্যাংক পিএলসি কার্ড ব্যবসায় নিরাপত্তা এবং গ্রাহকদের তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ বৈশ্বিক সনদ পিসিআই-ডিএসএস (পেমেন্ট কার্ড ইন্ডাস্ট্রি ডাটা সিকিউরিটি স্ট্যান্ডার্ড) অর্জন করেছে। এটি ব্যাংকটির টানা তৃতীয়বারের মতো এই সম্মানজনক কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেট প্রাপ্তি।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের একটি সভায় এই অর্জনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। গত মঙ্গলবার আয়োজিত ওই সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমানের হাতে আন্তর্জাতিক মানের এই সনদটি তুলে দেন।
সনদ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে পর্ষদের অন্যান্য পরিচালকবৃন্দের পাশাপাশি উপব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ এবং সংশ্লিষ্ট মহাব্যবস্থাপক ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। এই অর্জন ব্যাংকটির ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থায় গ্রাহক আস্থা বৃদ্ধিতে এবং তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় তাদের অঙ্গীকারকে আরও সুসংহত করেছে।
এনসিসি ব্যাংক সম্প্রতি দেশের অন্যতম খ্যাতনামা হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠান রামাদা বাই উইন্ডহাম-এর সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঢাকায় এই চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
এই কৌশলগত অংশীদারিত্বের ফলে এনসিসি ব্যাংকের কার্ডহোল্ডার এবং কর্মকর্তারা রামাদা হোটেলে বিশেষ মূল্যছাড়সহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় অফার উপভোগ করতে পারবেন। এই উদ্যোগটি ব্যাংকটির গ্রাহক ও কর্মীদের জন্য উন্নত সেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি তাদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক ও সাশ্রয়ী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এনসিসি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. খোরশেদ আলমের উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এতে ব্যাংকের পক্ষে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির আনাম এবং রামাদা বাই উইন্ডহাম-এর পক্ষে চিফ অপারেটিং অফিসার খাদেল বিন আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের হয়ে চুক্তিপত্র বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিসি ব্যাংকের ভিপি ও হেড অব কার্ডস মো. মাহমুদুর রহমান এবং এসভিপি ও হেড অব কার্ড অপারেশনস মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। রামাদা বাই উইন্ডহাম-এর পক্ষ থেকে সেলস ও মার্কেটিং ম্যানেজার ইয়াসির মোস্তফা এবং পিআর ও মার্কেটিংয়ের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ নুসরাত জাহান চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এই আয়োজনে অংশ নেন।
গ্রাহক সন্তুষ্টি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংক নিয়মিতভাবে বিভিন্ন নামী প্রতিষ্ঠানের সাথে এ ধরনের বিশেষ সুবিধা ও লাইফস্টাইল অফার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এ চুক্তির মাধ্যমে ব্যাংকটির ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা সরাসরি উপকৃত হবেন।
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর নির্বাহী কমিটির ৯১৬তম সভা সম্পন্ন হয়েছে। গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে এই সভাটি আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মো. সানাউল্লাহ সাহিদ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন এবং ব্যাংকিং সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান খন্দকার শাকিব আহমেদ। এ ছাড়াও সভায় ব্যাংকের পরিচালক ও কমিটির সদস্যবৃন্দের মধ্যে মহিউদ্দিন আহমেদ, আক্কাস উদ্দিন মোল্লা, ইঞ্জি. মো. তৌহিদুর রহমান এবং আব্দুল হাকিম অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব মো. আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন। সভার মাধ্যমে ব্যাংকের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও নীতিমালার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
দেশের সর্ববৃহৎ অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ গ্রীষ্মের এই মৌসুমে গ্রাহকদের জন্য সেরা ডিল এবং সাশ্রয়ী কেনাকাটার অভিজ্ঞতা দিতে বহুল প্রতীক্ষিত ‘৪.৪ সামার সেল’ নিয়ে এসেছে। আগামী ৩ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে শুরু হয়ে এই বিশেষ ক্যাম্পেইনটি চলবে ৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয় প্রতিষ্ঠানটি, এই সীমিত সময়ের ক্যাম্পেইনে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট, নামী ব্র্যান্ডের সাথে কোলাবরেশন এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন অনলাইন শপিংয়ের সুযোগ থাকছে। গ্রীষ্মকালীন কেনাকাটার চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে সাজানো এই ক্যাম্পেইনের মেগা ডিলে গ্রাহকরা ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বিশাল ছাড় পাবেন।
এ ছাড়া এই উৎসবে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ‘হট ডিলস’ থাকছে। কেনাকাটাকে আরও সহজ করতে নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর ফ্রি ডেলিভারি এবং বিশেষ ডেলিভারি ডিসকাউন্ট দেওয়া হচ্ছে। ফ্যাশন, ইলেকট্রনিক্স, এফএমসিজি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বিউটি এবং লাইফস্টাইলসহ সব ক্যাটাগরিতেই থাকছে সাশ্রয়ী মূল্যের চমৎকার সমন্বয়। ক্যাম্পেইনের শুরুতেই ৩ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত বিশেষ ‘ফ্ল্যাশ ভাউচার’ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন গ্রাহকরা, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কেনাকাটায় ৯ শতাংশ বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করা যাবে। ওই দিন রাত ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিশেষ উইন্ডোতে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ থাকছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নাগালের মধ্যে রাখতে দারাজ তার ‘এভরিডে লো প্রাইস’ বা ‘দারাজ চয়েস’ চ্যানেলটিকে আরও শক্তিশালী করেছে। এখান থেকে ৩টি পণ্য কিনলে ডেলিভারি ডিসকাউন্ট এবং ৫টি পণ্য কিনলে একটি ফ্রি গিফটসহ ডেলিভারি ডিসকাউন্ট পাওয়া যাবে। এর ফলে সাধারণ পরিবারগুলো কোনো বড় বিক্রয় উৎসবের অপেক্ষা না করেই সাশ্রয়ী মূল্যে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারবে। প্রতিদিনের কেনাকাটাকে আরও আনন্দদায়ক করতে দারাজে থাকছে চয়েস ডে, ফ্যাশন ফরোয়ার্ড ডে এবং ইলেকট্রিক্যাল ডের মতো থিম-ভিত্তিক শপিং ডে।
বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ৫ এপ্রিল বাটা সুপার ব্র্যান্ড ডেসহ পরবর্তী দিনগুলোতে ইমামি, সার্ফ এক্সেল এবং হেমাস ব্র্যান্ডের পণ্যে আকর্ষণীয় অফার থাকবে। এবারের আয়োজনে এক্সক্লুসিভ প্ল্যাটিনাম পার্টনার হিসেবে থাকছে ডেটল এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড। গোল্ড স্পন্সর হিসেবে প্যারাসুট ন্যাচারাল ও হিমালয়া এবং সিলভার পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইমামি ও গোদরেজ। পেমেন্ট পার্টনারদের মাধ্যমে কেনাকাটাকে আরও সাশ্রয়ী করতে দারাজ দিচ্ছে বিশেষ সুবিধা, যেখানে ইবিএল-দারাজ কো-ব্র্যান্ড কার্ডে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত সেভিংস এবং নির্দিষ্ট ব্যাংকের কার্ডে ০ শতাংশ ইএমআই সুবিধা পাওয়া যাবে।
দারাজ বাংলাদেশ দেশের সকল গ্রাহককে এই সীমিত সময়ের ৪.৪ সামার সেলে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন দারাজ ৪.৪ ক্যাম্পেইন পেজ অথবা ডাউনলোড করুন দারাজ অ্যাপ। রিয়েল-টাইম আপডেটের জন্য দারাজ বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলোতে চোখ রাখুন।
পহেলা বৈশাখের উৎসবকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পূর্ণ নতুন অপো এ৬কে উন্মোচন করেছে অপো। বাংলাদেশজুড়ে ব্যবহারকারীদের জন্য ‘স্মুথনেস উইদাউট লিমিট’-এর অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এটি নিয়ে আসা হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অপো এ৬কের মূলে রয়েছে এর ৫০ মেগাপিক্সেল আলট্রা-ক্লিয়ার ক্যামেরা। এআই পোর্ট্রেইট রিটাচিং, ডুয়েল-ভিউ ভিডিও ও নাইট মোডের মতো ফিচার যুক্ত রয়েছে। স্মুথনেস নিশ্চিত করতে অপো এ৬কেতে স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫ মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। মাল্টিটাস্কিং, গেমিং ও প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য অপ্টিমাইজড এই প্রসেসরটি ল্যাগ-ফ্রি পারফরম্যান্স ও ধারাবাহিক দক্ষতা নিশ্চিত করে, যা স্মুথনেসকে এই ডিভাইসের একটি অন্যতম ফিচারে পরিণত করে।
অপো এ৬কেতে সুবিশাল ৬৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ৫ বছর পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, এটিকে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী করে তুলতে রিভার্স চার্জিং সুবিধা নিয়ে আসা হয়েছে।
এতে ১২০ হার্জ আলট্রা ব্রাইট ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যা আলট্রা-স্মুথ স্ক্রলিং ও অনন্য ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। এছাড়াও, দীর্ঘমেয়াদী পারফরম্যান্স ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিতে এতে ৪ বছরের ফ্লুয়েন্সি গ্যারান্টির পাশাপাশি, এআই এডিটর ২.০, এআই গেমবুস্ট ২.০, এআই লিঙ্কবুস্ট ৩.০, থেফট প্রোটেকশন ও জেমিনির মতো সর্বাধুনিক এআই-চালিত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপো এ৬কের মাধ্যমে আমরা এমন একটি অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে চাই যা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনের প্রয়োজনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স, শক্তিশালী ব্যাটারি, স্মুথ ডিসপ্লে ও সর্বাধুনিক ক্যামেরার সমন্বয়ে এ ডিভাইসটি কাজ, বিনোদন ও কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”
পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে ডিভাইসটি কিনলেই ক্রেতারা ৯০ দিনের নিশ্চিত রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি ও ২ বছরের ওয়ারেন্টি সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এছাড়াও, একটি বিশেষ লটারি ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ও’লাইক এয়ারবাডস, এলিট ব্যাকপ্যাক, অপো টিশার্ট ও অপো ক্যাপ জিতে নেওয়ার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা। একইসাথে, টপপের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২০% ডাউন পেমেন্টে কার্ডলেস ইএমআই সুবিধাও পাবেন তারা।
ক্রিস্টাল ব্লু ও ক্রিস্টাল ভায়োলেটের মতো আকর্ষণীয় রঙে ৪ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের এই ডিভাইসটি এখন সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৯,৯৯৯ টাকায়।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর আওতাধীন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে মাসব্যাপী চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব খোলার বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর ব্যাংকের করপোরেট শাখায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. শওকাতুল আলম। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক দেশের একমাত্র রাষ্ট্র মালিকানাধীন ইসলামী ব্যাংক। এই ব্যাংকে গ্রাহকদের আমানত সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত রয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে এই ব্যাংকে আস্থার সাথে নির্বিঘ্নে লেনদেনসহ সকল ধরনের ব্যাংকিং সেবা গ্রহণে গ্রাহকদের আহ্বান জানান।” একইসাথে তিনি উপস্থিত ব্যাংক কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিক ও মানসম্মত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশনা দেন।
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ বদিউজ্জামান দিদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মো. মাকসুদুজ্জামান। সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ বদিউজ্জামান দিদার বলেন, “গ্রাহকরাই ব্যাংকের চালিকাশক্তি। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সাথে গ্রাহকদের অধিকতর সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সহযোগী প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক বিশ্বজিৎ কুমার দে, মুহাম্মদ আনোয়ারুল কবির ও মোহাম্মদ ফয়সল খান। এ ছাড়াও সহযোগী প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মো. ওমর ফারুকসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও গ্রাহকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই ইসলামী ব্যাংকটি গ্রাহকদের সঞ্চয়ী প্রবণতা বৃদ্ধি এবং লেনদেন সহজ করার লক্ষ্যে মাসব্যাপী এই প্রচারণামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করবে। আস্থার পরিবেশ বজায় রেখে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য।
গাড়ি ক্রয়ে গ্রাহকদের বিশেষ সুবিধা দিতে টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.। সম্প্রতি ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড-এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান দুটি এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
এই অংশীদারিত্বের আওতায় প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা নির্বাচিত টয়োটা গাড়ি ক্রয়ে বিশেষ মূল্য ছাড় পাবেন।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক মামুর আহমেদ এবং টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড-এর প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রেম্মিত সিং।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর ইভিপি ও হেড অব কনজিউমার অ্যাসেটস অ্যান্ড কার্ডস জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল এবং টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট উসুকে অগিনো ও সৈয়দ আসিফুর রহমান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক গ্রাহকদের লাইফস্টাইল ভিত্তিক মানসম্পন্ন সেবা ও আর্থিক সমাধান প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা গ্রাহকদের স্বপ্নপূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
আর্থিক খাতের বিভিন্ন সূচকে ইতিবাচক ধারা বজায় রেখে একটি শক্তিশালী ও মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকের আমানত, ঋণ ও অগ্রিম, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং মোট সম্পদের স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ১৪তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস.এম. মঈনুল কবীর এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেসুর রহমান। এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন ভূঁইয়াসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৩ এপ্রিল ‘সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড’ নামে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে গ্রাহক আস্থার ওপর ভিত্তি করে ‘এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি’ নামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে ব্যাংকটি ৯০টি শাখা, ৩২টি উপশাখা, এজেন্ট আউটলেট এবং ৭৭টি এটিএম বুথের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছে। প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি ১০টি শাখার মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক ইসলামি ব্যাংকিং এবং অফশোর ব্যাংকিং সেবাও প্রদান করা হচ্ছে।
আর্থিক খতিয়ান অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংকের মোট আমানত ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে এবং ঋণ ও অগ্রিম সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ব্যাংকের ঋণ-আমানত অনুপাত (এডিআর) ৮২ শতাংশে রয়েছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত সীমা ৮৭ শতাংশের চেয়ে অনেক কম। বর্তমানে ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ ১৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা এবং মূলধন পর্যাপ্ততার হার (সিআরএআর) ১৪.২২ শতাংশ, যা একটি শক্তিশালী আর্থিক ভিতের প্রমাণ দেয়।
অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, “আমানতকারীরা আমাদের কাছে নিরাপদ রয়েছেন। গ্রাহক সেবার জন্য যা যা করার দরকার তা আমাদের বোর্ড ও ম্যানেজমেন্ট থেকে করা হচ্ছে। দেশের প্রতি ও গ্রাহকদের প্রতি আমাদের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ব্যাংকের মূল ব্যবসাই হলো আস্থার সাথে সেবা দেওয়া। এই আস্থা তৈরি হয়েছিল দীর্ঘদিনের নৈতিক চর্চা এবং উচ্চমানের মানদণ্ড বজায় রাখার মাধ্যমে। আমাদের বোর্ডে ও ম্যানেজমেন্টে দক্ষ ব্যক্তিরা রয়েছেন। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, তবে আস্থা এমন একটি জিনিস যা, তৈরি হতে দীর্ঘ সময় লাগে।” তিনি আরও জানান, তাদের লক্ষ্য কেবল নিজেদের সাফল্য নয়, বরং কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে বিনিয়োগ এবং তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখা।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস.এম. মঈনুল কবীর বলেন, “আমরা গ্রাহকের প্রয়োজনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকি। আমাদের তারল্য পরিস্থিতি ভালো থাকায় কোনো পরিশোধে আমাদের বেগ পেতে হয়নি। আমাদের কোনো সূচক ব্যাপক ওঠানামা করে না। যার ফলশ্রুতিতে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা কৃষি, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (সিএসএমই) সর্বাধিক প্রাধান্য দিয়েছি। এসবিএসি ব্যাংকের মোট বিনিয়োগের ৩৬ শতাংশ বিনিয়োগ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে।”
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই ব্যাংকটি বর্তমানে সিএসএমই খাতের পাশাপাশি বৃহৎ শিল্প ও বৈদেশিক বাণিজ্যেও তাদের পদচারণা বাড়াচ্ছে। প্রবাসী রেমিট্যান্স আহরণ এবং দক্ষ ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এসবিএসি ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে।
সারাদেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে গত ১২ বছর ধরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বিকাশ। এই দীর্ঘ পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৫২০টি বই প্রদান করেছে। আলোকিত মানুষ গড়ার এই যাত্রাকে আরও বেগবান করতে চলতি বছর আরও ৪০ হাজার নতুন বই যুক্ত করা হয়েছে।
আজ বুধবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বইগুলো হস্তান্তর করা হয়। বিকাশ-এর চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অব:) বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের হাতে বইগুলো তুলে দেন।
বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের আওতায় বিকাশের দেওয়া বইগুলো এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হয়েছে, যা থেকে উপকৃত হয়েছে ৩৪ লাখেরও বেশি পাঠক। চলতি বছরের ৪০ হাজার বই দেশের ৩৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হবে, যার মধ্যে ৮০টি নতুন স্কুল রয়েছে।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র গত কয়েক দশক ধরে পাঠ্যক্রমের বাইরে শিক্ষার্থীদের দেশি-বিদেশি সাহিত্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। বইপড়া কার্যক্রমকে আরও আকর্ষণীয় করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়, যেখানে বিজয়ীদের বই ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, “ভালো পরিবেশ পারে আলোকিত মানুষ তৈরি করতে। জ্ঞান চর্চা, পাঠাভ্যাস তৈরি ও আলোকিত মানুষ গড়ার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির সাথে যুক্ত রয়েছে বিকাশ। এই ধরণের উদ্যোগের জন্য দুই প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের মৈত্রী অনন্য যা আগামীতে অব্যাহত থাকবে।”
বিকাশ-এর চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অব:) বলেন, “বিকশিত মানুষই বিকশিত দেশ গড়বে। এই বিকশিত হওয়ার অন্যতম মাধ্যম হলো একাডেমিক পড়াশুনার বাইরে আরো বই পড়া এবং জ্ঞান অর্জন করা। টেকসই সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষিত ও মননশীল প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে দীর্ঘসময় ধরে বিকাশ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এই বইপড়া কর্মসূচিতে যুক্ত রয়েছে।”
বই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান, যুগ্ম-পরিচালক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন, বিকাশ-এর ইভিপি হুমায়ুন কবির এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট সায়মা আহসানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যৌথ উদ্যোগ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জ্ঞানসমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি গ্রাহকসেবা আরও উন্নত করতে এবং আর্থিক শৃঙ্খলার ভিত মজবুত করার লক্ষ্যে নতুন এক বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ‘রিকভারি মান্থ- এপ্রিল ২০২৬’ শীর্ষক এই ক্যাম্পেইনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
রাজধানীর প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সারাদেশের বিভিন্ন শাখা ও উপশাখা থেকে ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই আয়োজনে সরাসরি ও ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. মনজুর মফিজ। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ক্রেডিট অফিসার মোহাম্মদ আল-আমিন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেইল ব্যাংকিং প্রধান এস এম ওয়ালিউল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমলেন্দু রায় এবং রিকভারি প্রধান ইভিপি মো. আনোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসরণ করে এই উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা একটি টেকসই ও সুশৃঙ্খল আর্থিক পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি গ্রাহক আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে এবং ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করবে।”
উদ্বোধনী বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. মনজুর মফিজ বলেন, “রিকভারি কার্যক্রম শুধু ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকে গতিশীল করে না, বরং গ্রাহকদের জন্য একটি সহায়ক ও দায়িত্বশীল আর্থিক পরিবেশ নিশ্চিত করে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের আর্থিক পরিকল্পনাকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবো।”
প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি দেশের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার সকল নির্দেশনা মেনে চলার ক্ষেত্রে সব সময় সচেষ্ট থাকে। এই ধারাবাহিকতায় শুরু হওয়া ‘রিকভারি মান্থ’ গ্রাহকদের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য ও স্থিতিশীল ব্যাংকিং পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।
প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ আইএফআইসি ব্যাংক তাদের বিভিন্ন স্তরের মোট ৫৯ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়েছে। কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা এবং ধারাবাহিক কর্মসাফল্য বিবেচনা করে এই পদোন্নতি প্রদান করা হয়।
বুধবার ১ এপ্রিল রাজধানীর আইএফআইসি টাওয়ারে ‘সেলিব্রেটিং ক্যারিয়ার প্রগ্রেশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পদোন্নতি পত্র হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা এবং সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যরা উপস্থিত থেকে ১৯ জন কর্মকর্তার হাতে সরাসরি পদোন্নতি পত্র তুলে দেন। এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শাখা ও উপশাখায় কর্মরত আরও ৪০ জন কর্মকর্তাকে ভার্চুয়ালি এই পদোন্নতি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতির পেছনে দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ জনবলই সবচেয়ে বড় শক্তি।’ তিনি আরও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, নতুন দায়িত্বে কর্মকর্তারা আরও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তগ্রহণ, দায়িত্ববোধ এবং সেবামুখী মনোভাবের মাধ্যমে ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবেন এবং গ্রাহকদের জন্য উন্নততর সেবা নিশ্চিত করবেন।
উল্লেখ্য, কর্মদক্ষতা ও মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত আইএফআইসি ব্যাংক সর্বমোট ৩৩৪ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন পদে উন্নীত করেছে। একটি স্বচ্ছ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের মাধ্যমে এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান সুসংহত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।
বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফি আদায়ের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও আধুনিক করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এখন থেকে সোনালী ব্যাংক পিএলসির নিজস্ব সফটওয়্যার ‘সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে’ ব্যবহারের মাধ্যমে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান অনুমতি, নিবন্ধন ও নবায়ন ফি অনলাইনে সংগ্রহ করা হবে।
বুধবার (১ এপ্রিল) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সম্মেলন কক্ষে এই লক্ষে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সোনালী ব্যাংকের পক্ষে এমডি অ্যান্ড সিইও মো. শওকত আলী খান এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষে মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের হয়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এবং পরে চুক্তিপত্র বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম ও জেনারেল ম্যানেজার আকলিমা ইসলাম এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও পরিচালক মীর্জা মোঃ হাসান খসরু অন্যতম। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
এই চুক্তির ফলে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকল ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘরে বসেই তাদের প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করতে পারবেন, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আরেকটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।