রোববার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
২৭ পৌষ ১৪৩২

ইসলামিক ফাইন্যান্সের পর্ষদ সভা

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১৯:০২

ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের (আইএফআইএল) পরিচালনা পর্ষদের ৩৩৩তম সভা গত শনিবার তেজগাঁওয়ের প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পর্ষদের চেয়ারম্যান কে বি এম মঈন উদ্দিন চিশতী সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় অন্যদের মধ্যে পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান শিব্বির মাহমুদ ও আনিস সালাউদ্দিন আহমেদ, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এ কে এম শহীদুল হক, পরিচালকরা হোসাইন মাহমুদ, আফজালুর রহমান, জুলিয়া রহমান, আজগার হায়দার, স্বতন্ত্র পরিচালক ইরতেজা রেজা চৌধুরী এবং আইএফআইএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।


ক্ষুদ্রঋণ খাতে ‘Debt Spiral’ নিরসনে গবেষণার উদ্যোগ: এমআরএ আয়োজিত ইনসেপশন সেমিনার অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

‘Debt Spiral’ বা ঋণ ফাঁদের প্রকৃতি, ব্যাপ্তি ও প্রভাব নিরূপণের লক্ষ্যে “Debt Spiral in Bangladesh’s Microfinance: An Assessment of its size and implication for indebted household and suggestions for remedial measures” শীর্ষক গবেষণা প্রস্তাবনা বিষয়ক ইনসেপশন সেমিনার বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ)-এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে মূল আলোচক ও গবেষণা দলের প্রধান হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপ (ইআরজি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. সাজ্জাদ জহির। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. এম. এ. বাকী খলিলি এবং পিকেএসএফ এর গভার্নিং বোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ ব্যাংক এর সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. লীলা রশিদ। সেমিনারে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গবেষক ও নীতিনির্ধারকগণ অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক বলেন, “ক্ষুদ্রঋণ খাত দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ হলেও অতিরিক্ত ঋণগ্রস্ততা ও Debt Spiral এখন একটি নীতিগত উদ্বেগের বিষয়। এই গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যভিত্তিক সুপারিশ ক্ষুদ্রঋণ খাতকে আরও মানবিক ও টেকসই করতে সহায়ক হবে।” এছাড়া এমআরএ'র গত বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন হতে দেখা যায় যে, বৃহৎ কিছু প্রতিষ্ঠান সেক্টরের বৃহদাংশ ভুমিকা রাখছে আর অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান খুবই ছোট ও আর্থিক অবস্থা নাজুক। বিষয়টি গবেষণা করে দেখার পাশাপাশি এখাতের টেকসই উন্নয়নে অধিক পরিমানে গবেষণা উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, “ক্ষুদ্রঋণ খাতের জবাবদিহি এবং স্বচ্ছতা আনায়নে এমআরএ MF-CIB বাস্তবায়ন, ন্যাশনাল ডাটাবেইজের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ, সরেজমিনে পরিদর্শন জোরদার করেছে। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি এই গবেষণার মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ খাতের বিদ্যমান ঝুঁকি চিহ্নিত করে একটি কার্যকর ও গ্রাহকবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন সহায়ক প্রমাণভিত্তিক দিকনির্দেশনা থাকবে মর্মে আশা পোষণ করছেন। ” এছাড়া আলোচ্য গবেষণা কার্যটির মাধ্যমে অধিকহারে দারিদ্র্য নিরসন ও টেকসই ক্ষুদ্রঋণ খাত প্রতিষ্ঠা সহায়ক পলিসি উপকরণ পাওয়া যাবে মর্মে তিনি উল্লেখ করেন।

গবেষণা দলের প্রধান ও Economic Research Group (ERG)-এর চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ জহির ইনসেপশন রিপোর্ট উপস্থাপনকালে বলেন, “এই গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ খাতে Debt Spiral-এর প্রকৃত পরিসর নিরূপণ, এর চালকসমূহ চিহ্নিত করা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করা। আমরা পরিমাণগত ও গুণগত উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে ১৬টি জেলায় ৩২টি উপজেলায় মাঠপর্যায়ের গবেষণা পরিচালনা করবো, যাতে নীতিনির্ধারণের জন্য বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর সুপারিশ প্রদান করা যায়।”

ক্ষুদ্রঋণখাত বিশেষজ্ঞ ড. লীলা রশিদ বলেন, “ঋণের পথ সুগম করা আর ঋণের পথে প্রলুব্ধ করা এক জিনিস নয়, এ বিষয়ে আমাদের ধারণাগত বোঝাপড়া পরিষ্কার হওয়া দরকার। ঋণের ওভারল্যাপিং ও স্পাইরাল এর মধ্যে সম্পর্ক থাকাটা অবান্তর নয় এবং এসব বিষয় আলোচ্য গবেষণায় বেড়িয়ে আসবে মর্মে তিনি আশাপোষণ করেন।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, একটি ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণগ্রহীতারা অন্য এনজিও বা সমিতি থেকে নতুন ঋণ গ্রহণে বাধ্য হচ্ছেন। এতে একই ব্যক্তি একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে অতিরিক্ত ঋণগ্রস্ততায় পতিত হচ্ছেন। এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী নীতিমালা প্রণয়ন প্রয়োজন।” তবে মাল্টিপল ঋণ গ্রহণ এসেক্টরে সব সময় যে খারাপ তা কিন্তু নয় যা পিকেএসএফের ইতিপূর্বের স্টাডি হতে দেখা গেছে। তিনি আশা করছেন আলোচ্য গবেষণার মাধ্যমে সেক্টরের জন্য ইতিবাচক অনেক কিছু বেড়িয়ে আসবে যা এমআরএ ও পিকেএসএফ এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নে ভুমিকা রাখবে।

অধ্যাপক ড. এম. এ. বাকী খলিলি বলেন, “গবেষণায় ঋণের প্রকৃত অবস্থা তুলে আনতে ঋণগ্রহীতার ঋণের দীর্ঘমেয়াদী তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করতে হবে।” Demand side ও Supply side এর প্রভাব ভূমিকা এবং এটি পূঁজি গঠন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা অর্থায়নে কেমন ভূমিকা রাখছে তা দেখা জরুরী মর্মে তিনি মত দেন।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির নির্বাহী পরিচালক মোঃ ইয়াকুব হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ খাত দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণসহ সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসলেও সাম্প্রতিক সময়ে অতিরিক্ত ঋণগ্রস্ততা ও একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণের প্রবণতা একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। ফলে এ সমস্যা সঠিকভাবে অনুধাবনের জন্য তথ্যভিত্তিক, নিরপেক্ষ ও গভীর গবেষণার বিকল্প নেই।” মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা এঁর অনুশাসন পরিপালনে সরকারের পক্ষে এমআরএ আলোচ্য গবেষণা কার্যটি সম্পাদনে ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপ (ইআরজি) এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় মর্মেও তিনি উল্লেখ করেন।


আইএফআইসি ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন–২০২৬ অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

আইএফআইসি টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৬'। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোঃ মেহমুদ হোসেন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিগত বছরের সাফল্য পর্যালোচনা এবং নতুন বছরের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

সম্মেলনে পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ এবতাদুল ইসলাম, জনাব কাজী মোঃ মাহবুব কাশেম এফসিএ, জনাব মোঃ গোলাম মোস্তফা এবং জনাব মুহাম্মদ মনজুরুল হক। এছাড়াও উক্ত সম্মেলনে ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ এবং দেশব্যাপী সকল শাখার ব্যবস্থাপকগণ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় চেয়ারম্যান মোঃ মেহমুদ হোসেন বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আইএফআইসি ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য। সুশাসন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়িক মডেলে কৌশলগত পরিবর্তনের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।। এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের পরিচালনা পর্ষদ পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা দিতে বদ্ধপরিকর।”

এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মানিত পরিচালকগণ সুশাসন, বর্তমান ব্যবসায়িক পরিস্থিতি, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যত কৌশলগত পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন। উক্ত সম্মেলনে ব্যাংকের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার ২০২৫ সালের সার্বিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম, আর্থিক সূচক ও অর্জনসমূহ নিয়ে একটি বিস্তারিত তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন।

সম্মেলনে আমানত সংগ্রহ, ঋণ প্রদান ও আদায় এবং পরিচালন মুনাফা অর্জনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ২৪টি শাখাকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনটি একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়, যেখানে শাখা ব্যবস্থাপকগণ তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।


ডিজিটাল বিজ্ঞাপন শিল্পের উন্নয়নে এএএবি ও আলেফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে ডিজিটাল অ্যাডভার্টাইজিং খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক মানদণ্ড নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অ্যাডভার্টাইজিং এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এএএবি) এবং আলেফ গ্রুপের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। আলেফ বর্তমানে বাংলাদেশে গুগল ও টিকটকসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর অথরাইজড কমার্শিয়াল পার্টনার হিসেবে কাজ করছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ, পেশাগত নৈতিকতা অনুসরণ, নেতৃত্বের উন্নয়ন এবং স্থানীয় বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে এএএবির পক্ষে সংগঠনের সভাপতি সানাউল আরেফিন ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আহসানুল আপন এবং আলেফের পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর এহসানুল হকসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা চুক্তির আওতায় ‘এনেবলমেন্ট, এনহ্যান্স এবং এক্সপ্যান্ড’ (থ্রি ই) নামক একটি বিশেষ কাঠামোর অধীনে বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর মাধ্যমে এএএবি-র সদস্য সংস্থাগুলোর জুনিয়র পেশাজীবী এবং নতুন গ্র্যাজুয়েটদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল অ্যাডভার্টাইজিং সার্টিফিকেশন প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া আলেফের ঢাকার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি এএএবি-র বিশেষ লার্নিং হাব হিসেবে ব্যবহৃত হবে, যেখানে নিয়মিত যৌথ কর্মশালা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে। সংস্থা দুটির এই যৌথ প্রচেষ্টার ফলে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে পেশাগত মান উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি ও তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সহজতর হবে। এই উদ্যোগটি দেশের ডিজিটাল রূপান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

অংশীদারিত্বের অন্য একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো বিজ্ঞাপনী সংস্থার মালিক এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ ‘লিডারশিপ মাস্টারক্লাস’ আয়োজন করা। পাশাপাশি বাংলাদেশের ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে একটি দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে প্রকাশ করা হবে। ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ব্র্যান্ডের নিরাপত্তা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একটি যুগোপযোগী আচরণবিধি প্রণয়নের পরিকল্পনাও রয়েছে এই চুক্তিতে। এছাড়া বাংলাদেশের সেরা বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইনগুলোকে আলেফের বৈশ্বিক কেস স্টাডিতে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ থাকবে, যা বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের সৃজনশীলতাকে তুলে ধরবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন শিল্পকে আরও দক্ষ, নৈতিক এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। মূলত প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে একটি আধুনিক ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।


ডিবিএইচ-এর শরীয়াহ্ সুপারভাইজরী কমিটির ৯ম সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসির শরীয়াহ্ সুপারভাইজারী কমিটির ৯ম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির গুলশানে অবস্থিত প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মু. ফরিদউদ্দীন আহমেদ, মোঃ আব্দুল আউয়াল সরকার, ড. জুবায়ের মুহাম্মাদ এহসানুল হক সিএসএএ, নাসিমুল বাতেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, তানভীর আহমেদ, ডিএমডি ও হেড অব ইসলামিক ফাইন্যান্সিং ডিভিশন, ডিবিএইচ। এছাড়াও সভায় প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও ইসলামিক ফাইন্যান্সিং ডিভিশনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসির দেশব্যাপী অবস্থিত ১৬টি শাখা হতে কনভেনশনাল অপারেশন এর পাশাপাশি ‘ডিবিএইচ ইসলামিক’ এর আওতায় গ্রাহকদের শরিয়াহ্সম্মত ইসলামিক হোম ফাইন্যান্সিং ও মুদারাবা ডিপোজিট সেবা প্রদান করা হচ্ছে।


আকিজ বশির কেবলস্-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আকিজ বশির গ্রুপ বাংলাদেশের বৈদ্যুতিক তার ও কেবল শিল্পে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। গ্রুপটির নতুন ব্র্যান্ড আকিজ বশির কেবলস্-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উন্নত প্রযুক্তিতে নির্মিত ৩-লেয়ার ইনসুলেটেড কেবল উন্মোচন করা হয়েছে।

পিওর কপার দ্বারা তৈরি, ৩-লেয়ার ইনসুলেশন প্রযুক্তিতে প্রস্তুতকৃত এই কেবল সর্বোচ্চ ১০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপ সহনশীল। এই উদ্ভাবন দেশের বৈদ্যুতিক নিরাপত্তায় একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে এবং আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চাহিদা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ব্র্যান্ডটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, কর্পোরেট সহযোগী এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজনটি বাংলাদেশের দ্রুত সম্প্রসারিত বৈদ্যুতিক তার ও কেবল খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

প্রথম দিন থেকেই দেশজুড়ে ৩২টি নিজস্ব সেলস সেন্টার ও ডিলার ডিস্ট্রিবিউটর নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা শুরু থেকেই সারাদেশে সহজলভ্যতা নিশ্চিত করবে। “Confidence Within” ট্যাগলাইন নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই ব্র্যান্ডটি নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি পারফরম্যান্সে আকিজ বশির গ্রুপের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

আকিজ বশির গ্রুপের চিফ অপারেটিং অফিসার মোহাম্মদ খোরশেদ আলম ব্র্যান্ডটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হেলাল আহমেদ, হেড অব বিজনেস, কেবলস্ অপারেশনস মোহাম্মদ ওমর ফারুকসহ আকিজ বশির গ্রুপের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে মোহাম্মদ খোরশেদ আলম জানান, আকিজ বশির গ্রুপের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আধুনিক উৎপাদন সক্ষমতার ভিত্তিতে আকিজ বশির কেবলস্ আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের চাহিদা পূরণে মানসম্মত বৈদ্যুতিক তার ও পাওয়ার কেবলের পোর্টফোলিও নিয়ে বাজারে প্রবেশ করেছে।

তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আকিজ বশির কেবলস্ খুব শিগগিরই বাংলাদেশের সবচেয়ে নিরাপদ ও বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। নিজস্ব শোরুমভিত্তিক সারাদেশব্যাপী বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎ উপযোগী ইলেকট্রিক পণ্য সরবরাহ করে বাংলাদেশের ঘরবাড়ি, শিল্প ও অবকাঠামো খাতে নিরাপদ বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এই উদ্বোধনের মাধ্যমে আকিজ বশির গ্রুপ উদ্ভাবন, গুণগত মান ও জাতীয় উন্নয়নের প্রতি তাদের অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় করল।


সিএমএসএমই অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সীমান্ত ব্যাংকের চুক্তি সই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সীমান্ত ব্যাংক সম্প্রতি বাংলাদেশ কর্র্তৃক গঠিত ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড হতে সিএমএসএমই স্টার্টআপ উদ্যোগ/প্রকল্পের অনুকুলে সহজলভ্য অর্থায়নের উদ্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় সিএমএসএমই স্টার্টআপ গ্রাহকেরা সহজ শর্তে মাত্র ৪% বার্ষিক সুদে ব্যাংক থেকে চলতি মূলধন অর্থায়ন সুবিধা পাবেন যা তাদের জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার মহোদয়ের সভাপতিত্বে এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্টের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা এবং সীমান্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ আজিজুল হক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


দুঃস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে বিএইচবিএফসি’র শীতবস্ত্র বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সমাজের দুঃস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি)।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটির সদর দফতর প্রাঙ্গণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দুঃস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করেন বিএইচবিএফসি পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান এ এস এম আব্দুল হালিম।

এসময় করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল মান্নান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নূর আলম সরদার, সকল মহাব্যবস্থাপক, উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বরাবরের ন্যায় এ বছরও বিএইচবিএফসি ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের শীতপ্রবণ জেলাসমূহে শীতবস্ত্র বিতরণ করছে।


গ্রাহকসেবা বাড়াতে খিলগাঁওয়ে সাজগোজ এর নতুন আউটলেট উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্সভিত্তিক বিউটি ব্র্যান্ড সাজগোজ রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তালতলা রোডে তাদের নতুন আউটলেট চালু করেছে। ফলে গ্রাহকদের জন্য বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য কেনাকাটা আরও সহজ ও সুবিধাজনক হবে।

নতুন আউটলেটে একসাথে পাওয়া যাবে জনপ্রিয় বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার ব্র্যান্ডের পণ্য, যা গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় ও পছন্দের পণ্য বাছাইকে আরও সহজ করবে।

এভাবে আউটলেট সম্প্রসারণের মাধ্যমে সারাদেশে গ্রাহকদের জন্য ব্র্যান্ডের কাছে পৌঁছানো আরও সহজ ও স্বাভাবিক করতে চায় সাজগোজ। সারাদেশে ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের মধ্যে কার্যকরী সংযোগ তৈরি করতে চায় সাজগোজ। একই সাথে অনলাইন ও অফলাইন উভয় মাধ্যমে অন্যতম বিশ্বস্ত বিউটি ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে প্রতিষ্ঠানটি।


ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে ৬ জেলার ক্রেতাদের উপহারের ফ্রিজ, টিভি হস্তান্তর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশজুড়ে চলছে সুপারব্র্যান্ড ও টেক জায়ান্ট ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৩। গত বছরের ২৫ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া ক্যাম্পেইনের এই সিজনে দেশব্যাপী ওয়ালটন প্লাজা বা পরিবেশক শোরুম থেকে পণ্য কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন, ওভেনসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য ফ্রি এবং নিশ্চিত উপহার। সারাদেশে প্রতিদিন অসংখ্য ক্রেতার হাতে উপহারের ফ্রি পণ্য তুলে দিচ্ছে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।

এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ঢাকা, রংপুর, সিলেট, যশোর, কুষ্টিয়া ও মাগুরা জেলায় ওয়ালটন পণ্য কিনে ফ্রি পণ্য উপহারপ্রাপ্ত অসংখ্য ক্রেতাদের মধ্য থেকে ৯ ক্রেতার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সাইড বাই সাইড ফ্রিজ, স্মার্ট টিভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেনসহ উপহারের বিভিন্ন পণ্য তুলে দেওয়া হয়। উপহারপ্রাপ্তদের ক্রেতারা হচ্ছেন- রাজধানী ঢাকার শাহজাদপুরের মো. সৌরভ, রংপুর নগরীর হারাগাছ এলাকার আব্দুল আজিজ ও কামাল খাসনা এলাকার তরুণী সৃষ্টি আক্তার, সিলেটের সুলতানা বেগম, মো. জাকারিয়া এবং লিটন মিয়া, যশোর সদরের ভুমদিয়ার কবির উদ্দীন, মাগুরার রণজিৎ বিশ্বাস এবং দৌলতপুর কুষ্টিয়ার রুহুল আমীন।

সম্প্রতি রাজধানী ঢাকাসহ সংশ্লিষ্ট জেলায় আয়োজিত পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে ক্রেতাদের হাতে উপহারের ফ্রি ফ্রিজ, স্মার্ট টিভি, ওভেনসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান। চিত্রনায়ক আমিন খানের হাত থেকে উপহার পেয়ে আনন্দে আপ্লুত ক্রেতারা।

একাধিক ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত ওইসব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ ওয়ালটন প্লাজা এবং ডিস্ট্রিবিউটর সেলস নেটওয়ার্কের কর্মকর্তরা।

চিত্রনায়ক আমিন খান জানান, ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ওয়ালটন পণ্য কিনে গ্রাহকরা পাচ্ছেন কোটি কোটি টাকার পণ্য ফ্রি ও ক্যাশ ভাউচার সুবিধা। ওয়ালটন গ্রাহকদের দেওয়া কথা রাখে তার প্রমাণ এই উপহার হস্তান্তর অনুষ্ঠান।

সবাইকে দেশীয় ব্র্যান্ডের পণ্য ক্রয়ের আহ্বান জানিয়ে আমিন খান বলেন, ‘যারা দেশকে ভালোবাসেন তারা দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই দেশে উৎপাদিত পণ্য কিনবেন। দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন পণ্য গুণগত মানে সেরা। তাই দেশের গন্ডি পেরিয়ে ওয়ালটন পণ্য এখন রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে।’

উল্লেখ্য, ইলেকট্রনিক্স পণ্য ক্রয়ে গ্রাহকদের বিশেষ সুবিধা দিতে দেশব্যাপী চলছে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৩। এই সিজনেও ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি ফ্যান কিনে গ্রাহকরা পাচ্ছেন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাইড বাই সাইড ফ্রিজসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য ফ্রি ও নিশ্চিত উপহার। ওয়ালটন পণ্যের ক্রেতারা চলতি মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত ক্যাম্পেইনের এই সুবিধা পাবেন।


হায়ার বাংলাদেশের যুগান্তকারী পদক্ষেপ: গ্রাহক সেবায় ২৪/৭ কল সেন্টার চালু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হায়ার বাংলাদেশ তাদের গ্রাহকদের জন্য আধুনিক ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি এখন থেকে সপ্তাহের সাত দিন এবং ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন কল সেন্টার সেবা প্রদান করবে। একই সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সেবার পরিধি বাড়াতে তারা ১৭টি নতুন এক্সক্লুসিভ সার্ভিস সেন্টার এবং ৭টি ডাইরেক্ট সার্ভিস সেন্টার আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নেটওয়ার্কে যুক্ত করেছে। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন সার্বক্ষণিক কল সেন্টার সেবা চালু করে হায়ার গ্রাহক সেবার ক্ষেত্রে এক নতুন উচ্চতা স্পর্শ করেছে। এর ফলে গ্রাহকরা এখন থেকে দিনের যেকোনো সময় তাঁদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও কারিগরি সহায়তার জন্য যোগাযোগ করতে পারবেন, যা দ্রুত রেসপন্স এবং উন্নত সেবার মান নিশ্চিত করবে।

সার্ভিস নেটওয়ার্কের এই ব্যাপক সম্প্রসারণের মূল লক্ষ্য হলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য টেকনিক্যাল সাপোর্ট পৌঁছে দেওয়া। বিক্রয়-পরবর্তী সেবাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার লক্ষ্যেই এই নতুন অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। হায়ার বাংলাদেশের এই উদ্যোগটি গ্রাহকদের পণ্যের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও আনন্দময় করে তুলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। নতুন চালু হওয়া কল সেন্টারটি সপ্তাহে সাত দিনই সচল থাকবে, যা বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে গ্রাহকদের জন্য এক বিশাল আস্থার স্থল হয়ে দাঁড়াবে।

এই বিশেষ সেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হায়ার বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব ওয়াং শিয়াংজিং এবং হেড অব সার্ভিস জনাব ফজলুল হক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে জনাব ওয়াং শিয়াংজিং বলেন যে, গ্রাহক সন্তুষ্টিই হায়ারের বৈশ্বিক ভিশন বা দর্শনের মূল কেন্দ্রবিন্দু। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই ২৪/৭ কল সেন্টার এবং বর্ধিত সার্ভিস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তাঁরা সারা দেশে দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও সুবিধাজনক সেবা প্রদানে পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগটি হায়ার বাংলাদেশের সেবার সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই একটি সফল প্রতিফলন, যা ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির ওপর মানুষের আস্থা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। মূলত বিশ্বমানের প্রযুক্তির পাশাপাশি বিশ্বমানের গ্রাহক সেবা দেওয়াই এখন হায়ারের প্রধান লক্ষ্য।


ভোটের আগে-পরে ৭ দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 নিজস্ব প্রতিবেদক 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালনা—সবকিছুর সমন্বয় থাকবে রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। তবে পরিপত্রটি বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পরিপত্রে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি–শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড নিয়োগ করা এবং স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’–এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে। প্রথম পর্বে চলমান যারা মোতায়েন রয়েছেন, তারা বলবৎ থাকবেন। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দিন দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা-উপজেলা ও থানাভিত্তিক কাজ করবে। কোস্ট গার্ড দায়িত্বে থাকবে উপকূলীয় এলাকায়।

সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিম পুনর্বিন্যাস করা যাবে।

আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল থাকবে: আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করার কথা জানিয়ে পরিপত্রে বলা হয়, পুলিশ, আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড এবং র‍্যাবের সমন্বয় স্থাপন করতে হবে। এ সমন্বয় সেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।

পরিপত্রে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানের জন্য জরুরি পরিষেবা নম্বর ৯৯৯-এ বিশেষ টিম গঠন করে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ওই টিম নির্বাচনসংক্রান্তু প্রাপ্ত অভিযোগ/তথ্যের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরাসরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও এলাকাভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে পাঠাবে।

জেলা ও উপজেলায় পর্যায়ে স্থাপিত আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা সংবেদনশীলতা বিবেচনায় পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও র‍্যাব মোতায়েন করা হবে।

এ ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য নির্বাচনকালীন জেলা ও উপজেলায় গঠিত আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার, বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে এলাকাভিত্তিক অভিযান এবং চেক পয়েন্ট (তল্লাশিচৌকি) অভিযান পরিচালনা করবে।


হায়ার বাংলাদেশ চালু করল ২৪/৭ কল সেন্টার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

হায়ার বাংলাদেশ গ্রাহকদের জন্য ২৪ ঘণ্টা কল সেন্টার সেবা চালু করেছে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৭টি এক্সক্লুসিভ সার্ভিস সেন্টার ও ৭টি ডাইরেক্ট সার্ভিস সেন্টার যুক্ত করে আফটার-সেলস সার্ভিস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাহকরা সপ্তাহের সাত দিন, ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন সাপোর্ট পাবেন। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পে প্রথমবারের মতো এমন সেবা চালু করে হায়ার গ্রাহক সেবার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে—যা দ্রুত রেসপন্স, উন্নত সেবা মান এবং সার্বক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করবে।

বর্ধিত সার্ভিস অবকাঠামো দেশের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রদান করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হায়ার বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়াং শিয়াংজিং এবং হেড অব সার্ভিস ফজলুল হক।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওয়াং শিয়াংজিং বলেন, গ্রাহক সন্তুষ্টি হায়ারের বৈশ্বিক ভিশনের মূল কেন্দ্রবিন্দু। ২৪/৭ কল সেন্টার চালু এবং সার্ভিস নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমরা দেশের সর্বত্র দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও সুবিধাজনক সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই উদ্যোগ হায়ার বাংলাদেশের গ্রাহক সেবার অভিজ্ঞতা উন্নয়ন এবং সার্ভিস সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রতিফলন।


সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষা সহায়তায় স্কলারশিপ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

প্রাতিষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি, মর্যাদা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষায় সহায়তার জন্য স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।

এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় কর্মীরা তাদের প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ শিক্ষাবৃত্তি পাবেন। অভ্যন্তরীণ জরিপের মাধ্যমে সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের তথ্য নিয়ে ও তাদের প্রয়োজন জেনে এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।

এই স্কলারশিপ ব্র্যাক ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) বা সামাজিক দায়িত্বশীলতার অংশ। এর লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠানের ভেতর এবং বৃহত্তর সমাজে অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করা। সহকর্মীদের কল্যাণ ও একটি ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিকে প্রাধান্য দিচ্ছে ব্যাংকটি।

ব্র্যাক ব্যাংকের এমন উদ্যোগ সম্পর্কে ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, অন্তর্ভুক্তি কেবল আলোচনার বিষয় নয়, এটি বাস্তবেও চর্চা করতে হয়। এই স্কলারশিপ আমাদের সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার পথকে কিছুটা হলেও সহজ করবে এবং প্রতিদিন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়া সহকর্মীদের কিছুটা হলেও সহায়তা করবে। একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শুধু মুনাফার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং আমরা এমন একটি কর্মক্ষেত্র ও সমাজ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবাই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।’

স্কলারশিপপ্রাপ্ত এক সন্তানের অভিভাবক তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক আমাকে কেবল একজন কর্মী হিসেবেই নয়, বরং ব্র্যাক ব্যাংক পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে সত্যিকার অর্থেই মূল্যায়ন করেছে। সত্যি কথা বলতে কী, আমি কখনোই কর্মস্থল থেকে এমন সহায়তা বা উদ্যোগ প্রত্যাশা করিনি। পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গে ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ সামলানো আমার দৈনন্দিন বাস্তবতা। তবুও, ব্র্যাক ব্যাংক আমার না বলা প্রয়োজনটি উপলব্ধি করে আমাদের মতো অভিভাবকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের একজন কর্মী হিসেবে আমি সত্যিই অনেক গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করছি।’

বিশ্লেষকদের দাবি, উদ্যোগটি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে সামাজিক দায়িত্বশীলতাকে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। ব্যাংকটির কার্যক্রমের মূলে রয়েছে সহমর্মিতা, ন্যায্যতা ও মানবিকতা।


banner close