ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি বাংলাদেশের শক্তিশালী ব্যাংক হিসেবে 'কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৩' অর্জন করেছে।
সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের প্যান প্যাসিফিক হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে 'কমনওয়েলথ পার্টনারশিপ সামিট অ্যান্ড বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড' এ পুরষ্কার প্রদান করে।
কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর ব্যবসার মান উন্নয়নে বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে অভিজ্ঞ জুরি বোর্ডের মাধ্যমে আর্থিক খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন স্বনামধন্য কোম্পানি ও অন্যান্য খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
গ্রাহকদের ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে নতুন অ্যাপ চালু করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ। গ্রাহকবান্ধব ইন্টারফেস এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি নতুন এই অ্যাপ মানুষের দৈনন্দিন আর্থিক চাহিদাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
দৃষ্টিনন্দন এই নতুন অ্যাপটি দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম নিরাপদ অ্যাপ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে আরও উন্নত ও গ্রাহকবান্ধব করার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। সেই প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে এতে আরও অনেক নতুন ফিচার যুক্ত হবে।
নতুন নগদ অ্যাপটি এখন গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে উন্মুক্ত রয়েছে। নতুন লেনদেন করার আগে গ্রাহকদের অ্যাপটি আপডেট করে নিতে হবে যা তাদের নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল লেনদেনের নিশ্চয়তা দেবে।
অ্যাপের মাধ্যমে নগদের লেনদেন অভিজ্ঞতা আরও সহজ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে। এই নতুন অ্যাপটির রেসপন্স, লোড ও ল্যাগ টাইম অন্যান্য আর্থিক সেবার অ্যাপের তুলনায় বেশ কম। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে বহুল ব্যবহৃত ফিচারগুলো গ্রাহক সুবিধার ভিত্তিতে সুবিন্যস্ত করা হয়েছে।
ব্যবহার সহজ ও কোনো রকম জটিলতা মুক্ত ডিজাইনের কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষও সহজে অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন। অ্যাপটিতে পেমেন্ট, সেন্ড মানি, মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ আউট কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধ এবং ইন্টার অপারেবিলিটি সেবার মাধ্যমে গ্রাহকের লেনদেনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি দেশের ক্যাশলেস যাত্রাকে আরও বেগবান করতে সহায়তা করবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে আরও আর্থিক সেবা যেমন গ্রাহকদের লোন দেওয়া, ফিক্সড ডিপোজিট ও ইন্স্যুরেন্সের মতো সেবা যুক্ত হবে।
লেনদেনজনিত প্রতারণার ঝুঁকি কমাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ডিভাইস বাইন্ডিং সুবিধা চালু করা হয়েছে যা গ্রাহকের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা দেবে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অ্যাপটিতে যুক্ত রয়েছে বহুস্তরীয় আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা কাঠামো। উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক জালিয়াতি প্রতিরোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিটি অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে গ্রাহকরা সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে লেনদেন করতে পারেন।
প্রতারণা ও এআইভিত্তিক হ্যাকিং রোধে অ্যাপটির নিরাপত্তায় যুক্ত রয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স; যা রিয়েল-টাইমে সন্দেহজনক নিরাপত্তা ঝুঁকি চিহ্নিত করবে এবং প্রতিরোধ করবে।
এসব বিষয়ে নগদে বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, ‘গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের আর্থিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নতুন অ্যাপ চালু করা হয়েছে। নতুন অ্যাপে আমরা আধুনিক ইউজার ফ্রেন্ডলি অভিজ্ঞতার পাশাপাশি শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামো যুক্ত করেছি। ফলে গ্রাহকরা আরও সহজে, দ্রুত এবং একই সঙ্গে নিজের তথ্য ও অর্থকে সুরক্ষিত রেখে তাদের দৈনন্দিন সব ডিজিটাল লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নগদের মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করা, যাতে গ্রাহকরা এই একটি অ্যাপ থেকেই দৈনন্দিন সব আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন।’ গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল আর্থিক চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে এই অ্যাপে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সেবা ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত হতে থাকবে বলেও জানান তিনি।
ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে গতকাল মঙ্গলবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলতাফ হুসাইন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ব্যাংকের সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
গতকাল মঙ্গলবার ব্যাংকটির সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সুলতান উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ১০ অক্টোবর ২০২৬ সী পার্ল বীচ রিসোর্ট এন্ড স্পা, কক্সবাজার -এ উত্তরা ব্যাংক পিএলসি -এর “শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলন-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব আজহারুল ইসলাম। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: আবুল হাশেম -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সম্মানিত পরিচালক জনাব বদরুন্নেছা শারমিন ইসলাম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাকসুদুল হাসান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ সর্বজনাব মো: রেজাউল করিম, খন্দকার আলী সামনুন এবং মো: রাফিউল ইসলাম। ব্যাংকের সর্বস্তরের নির্বাহীবৃন্দসহ সকল শাখা-উপশাখার প্রধানগণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
সোনালী ব্যাংকের নিজস্ব সফটওয়্যার ‘সোনালী পেমেন্ট গেটওয়েতে’ (এসপিজি) যুক্ত হয়েছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) কার্ড গেটওয়ে।
গতকাল রবিবার সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শওকত আলী খান ও এমটিবির এমডি ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি মো. রফিকুল ইসলাম, জিএম আকলিমা ইসলাম এবং এমটিবির চিফ ডিজিটাল অফিসার খালিদ হোসেনসহ উভয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসি এর ত্রৈমাসিক বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ২০২৬” ৮ অক্টোবর, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আলমগীর হোসেন সভার সভাপতিত্ব করেন। সম্মেলনে গত ত্রৈমাসিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সমন্বিত পর্যালোচনা করা হয় এবং উল্লেখযোগ্য সাফল্য সমূহের পাশাপাশি উন্নয়নের প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা হয়। বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ব্যাংকিং খাতে সম্ভাব্য প্রভাব এবং তা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উপর বিশেষ গুরোত্বারোপ করা হয়। এছাড়াও অবশিষ্ট নয় মাসের ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাস্তব ভিত্তিক কৌশলগত পরিকল্পনা, ব্যবসা সম্প্রসারণ, কার্যক্রমগত দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রমের গতি ত্বরান্বিতকরণ, ব্যবসায়িক নেটওর্য়াক সম্প্রসারণ, উদ্ভাবনী ও গ্রাহক বান্ধব সেবা প্রদান, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এসএমই ও কৃষিবান্ধব খাতে অগ্রাধিকারের উপর বিশেষ গুরুত্বপ্রদান করা হয়।
সম্মেলনে ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও জনাব মোঃ আবদুল লতিফসহ বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান এবং শাখা ব্যবস্থাপক গণ অংশ গ্রহণ করেন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ ও কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
নিজেদের কর্মী ও তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের জন্য বীমা সুবিধা দিতে সম্প্রতি মেটলাইফ বাংলাদেশের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে উল্কাসেমি প্রাইভেট লিমিটেড। এই চুক্তির আওতায়, কর্মী ও তাদের নির্ভরশীলেরা দুর্ঘটনা, অক্ষমতা এবং জীবনহানির ঝুঁকি থেকে আর্থিক সুরক্ষার পাশাপাশি ইন-পেশেন্ট, আউট-পেশেন্ট ও মাতৃত্বকালীন চিকিৎসা বীমা সুবিধা পাবেন।
পার্টনারশিপের ফলে উল্কাসেমির কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি এবং জীবনের অনিশ্চিত ঘটনায় সৃষ্ট আর্থিক ঝুঁকি সামলাতে বীমা সুরক্ষা পাবেন। কর্মীদের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিতে উল্কাসেমির ধারাবাহিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন এ উদ্যোগ।
দাবি নিষ্পত্তিতে ধারাবাহিক সাফল্য, গ্রাহকভিত্তিক বীমা সমাধান, আধুনিক ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড, ক্যাশলেস হাসপাতালে ভর্তি ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং আর্থিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানের কারণে উল্কাসেমি তাদের বীমা প্রদানকারী হিসেবে মেটলাইফকে নির্বাচন করেছে। এসব সুবিধা দ্রুত ও ঝামেলামুক্তভাবে বীমা দাবি পরিশোধ নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। ২০২৫ সালে মেটলাইফ ২,৮৫৩ কোটি টাকা এবং চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ১,৩৮৪ কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে, যা উভয় ক্ষেত্রেই দেশের জীবন বীমা শিল্পে সর্বোচ্চ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উল্কাসেমির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান এবং মেটলাইফ বাংলাদেশের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ করপোরেট বিজনেস অফিসার মোহাম্মদ কামরুজ্জামানসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্কাসেমি অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর নকশাকারক প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের বিভিন্ন প্রযুক্তি ও সিস্টেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের পার্টনার হিসেবে পরবর্তী প্রজন্মের সেমিকন্ডাক্টর পণ্য তৈরিতে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রকৌশলগত দক্ষতা, সর্বোচ্চ গুণগত মান ও পেশাদারিত্ব ধরে রেখে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গ্রাহককে সেবা দচ্ছে উল্কাসেমি। তাদের কাজের ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো, মোবাইল ডিভাইস, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সিপিইউ ও জিপিইউ, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), ডেটা সেন্টার ও সার্ভার, গাড়ির প্রযুক্তি, নেটওয়ার্ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, ক্লাউড অবকাঠামো এবং চিকিৎসাসেবা সরঞ্জামসহ নতুন প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্র।
মেটলাইফ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তি গ্রাহক এবং ৯০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের ৩ লাখের বেশি কর্মী ও তাদের নির্ভরশীলদের বীমা সুরক্ষা প্রদান করছে। মেটলাইফের সাথে পার্টনারশিপের ফলে উল্কাসেমির কর্মী ও তাদের পরিবার আর্থিক সুরক্ষার পাশাপাশি চিকিৎসা বীমা সুবিধা পাবেন। এই উদ্যোগ কর্মীদের কল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নে দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ অঙ্গীকারকে আরও এগিয়ে নেবে।
গ্রাহকদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও বিশেষ সুবিধা চালুর স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ ‘ফিনটেক ইনোভেশন অব দ্য ইয়ার-এনবিএফআই’ পুরস্কার পেয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি। চতুর্থবারের মতো আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির উচ্ছ্বাস কার্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের জন্য এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
উচ্ছ্বাস কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকেরা রেস্তোরাঁ, হোটেল ও রিসোর্ট, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ভ্রমণ, ইলেকট্রনিকস, লাইফস্টাইল এবং ডিজিটাল বিনোদনসহ বিভিন্ন খাতে বিশেষ ছাড় ও বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন। ২০২৬ সালের মে মাসে চালু হওয়া এ কার্ডের লক্ষ্য হলো আর্থিক সেবার পাশাপাশি গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনেও বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করা।
কার্ডটির ব্যবস্থাপনায় আইপিডিসি নিজস্ব প্রযুক্তিতে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে কিউআর কোড ব্যবহার করে গ্রাহকের সুবিধা পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই, অফার গ্রহণ এবং অংশীদার মার্চেন্টদের কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। পাশাপাশি গ্রাহকেরা কোন ধরনের অফার বেশি ব্যবহার করছেন, তা বিশ্লেষণ করে তাদের চাহিদা অনুযায়ী সুবিধা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী নতুন অফার যুক্ত করা এবং অংশীদার মার্চেন্টের সংখ্যা বাড়ানোর উপযোগী করে প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত এ উদ্যোগের আওতায় ৪০০-এর বেশি গ্রাহককে সেবা দেওয়া হয়েছে। দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তিনির্ভর বাড়তি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি উদ্যোগটির প্রাথমিক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এ অর্জন সম্পর্কে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, আর্থিক সেবা শুধু লেনদেনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর মাধ্যমে গ্রাহকদের বাড়তি সুবিধাও নিশ্চিত করা সম্ভব। উচ্ছ্বাস কার্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম গ্রাহকদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করতে প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এ স্বীকৃতি গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল চাহিদা অনুযায়ী নতুন ও কার্যকর সেবা চালু করার ক্ষেত্রে আমাদের আরও উৎসাহিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
উচ্ছ্বাস কার্ডের এ স্বীকৃতি আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা উন্নত করা, বিভিন্ন জীবনধারাভিত্তিক সুবিধা সহজলভ্য করা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির গবেষণা, জ্ঞানচর্চা ও একাডেমিক প্রকাশনা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি জার্নাল -এর আনুষ্ঠানিক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ারুল কবির, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. মীর মোহাম্মদ আজাদ, স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক আবুল কালাম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাকির হোসেন এবং আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান তাহমিদ মোস্তফা, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান নাজলা ফাতমি এবং এডমিশন এন্ড পাবলিক রিলেশনস ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ডিরেক্টর এন্ড হেড জাহিদ হাসান সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি জার্নাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও একাডেমিক প্রকাশনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। জার্নালটির মাধ্যমে শিক্ষক, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিদদের গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রকাশ, জ্ঞান বিনিময় এবং উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
জার্নালটির আন্তর্জাতিক প্রকাশনা-পরিচিতি ও গবেষণাপত্রের শনাক্তকরণব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে DOI (Digital Object Identifier) Prefix: 10.66460 অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। DOI ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের জন্য স্বতন্ত্র ডিজিটাল শনাক্তকারী নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হয়, যা গবেষণাপত্রের পরিচিতি, উদ্ধৃতি এবং অনলাইন অনুসন্ধানযোগ্যতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। জার্নালটির প্রকাশনা কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও আন্তর্জাতিক গবেষণা-পরিমণ্ডলের সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা জার্নালটির প্রকাশনা কার্যক্রমের সাফল্য কামনা করেন এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবন ও একাডেমিক উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে এর কার্যকর ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ধারাবাহিক মানসম্মত প্রকাশনার মাধ্যমে জার্নালটি ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও পরিচিতি অর্জন করবে এবং প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির একাডেমিক সুনাম বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।
জার্নালটির সম্পাদকীয় দলের নেতৃত্বে রয়েছেন মো. আনিসুর রহমান, সম্পাদক। সম্পাদকীয় দলে আরও রয়েছেন মো. হাবিবুল্লাহ, সহ-সম্পাদক এবং মো. আজিজুল ইসলাম আশিক, সহযোগী সম্পাদক ।
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি জার্নাল -এর আনুষ্ঠানিক উন্মোচন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রমের বিকাশে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, জার্নালটি ভবিষ্যতে মানসম্মত গবেষণা প্রকাশ, জ্ঞান বিনিময় এবং উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
গাজীপুরের চন্দ্রায় শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করেছেন মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস (এমইএস)-এর উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল। সফরকালে ওয়ালটনের বিশাল উৎপাদন পরিধি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম, পণ্যের বৈচিত্র্য এবং আন্তর্জাতিকমানের উৎপাদন সক্ষমতা দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস-এর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ মেজর জেনারেল হাসান উজ জামান। প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন ডিরেক্টর, ওয়ার্কস ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েমসহ এমইএস-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সম্প্রতি হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে এমইএস প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস. এম. মাহবুবুল আলমসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এমইএস প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ডিসপ্লে সেন্টারে ওয়ালটন উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য, প্রোডাকশন প্ল্যান্ট এবং গবেষণা ও উদ্ভাবন (আরঅ্যান্ডআই) কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। তারা লিফট, এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, ক্যাবল, কম্প্রেসরসহ বিভিন্ন ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিকস ও হাই-টেক পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা প্রত্যক্ষ করেন।
সে সময় মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস-এর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ মেজর জেনারেল হাসান উজ জামান বলেন, “ওয়ালটনের বিশাল উৎপাদন পরিধি, পণ্যের বৈচিত্র্য এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আমাদের সত্যিই মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা ও উন্নয়ন বা আরঅ্যান্ডডি কার্যক্রম অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমরা চাই, ওয়ালটন এই সক্ষমতা আরও সম্প্রসারণ করুক এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে আরও এগিয়ে যাক।”
দেশে উৎপাদিত পণ্য ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “সরকারের মতো আমরাও দেশে উৎপাদিত পণ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিই। স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া গেলে আমরা আগে দেশীয় পণ্যই বিবেচনা করতে চাই। এ ক্ষেত্রে ওয়ালটন এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যার নাম স্বাভাবিকভাবেই আমাদের বিবেচনায় আসে। শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় উৎপাদন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং জাতীয় অর্থনীতিতে প্রতিষ্ঠানটির অবদান নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।”
মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস-এর ডিরেক্টর, ওয়ার্কস ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম বলেন, “ওয়ালটনের বিপুল উৎপাদন সক্ষমতা সত্যিই বিস্ময়কর। বাংলাদেশে এত বড় পরিসরে উৎপাদন সুবিধা ও ম্যানুফ্যাকচারিং সক্ষমতা গড়ে উঠেছে এবং এখান থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি হচ্ছে—এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। ওয়ালটন এখন শুধু দেশের বাজারের কথা ভাবছে না বরং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রয়োজন ও সম্ভাবনাকে সামনে রেখে পণ্য ডিজাইন ও উৎপাদন করছে। এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও উৎপাদনশিল্পের সক্ষমতার একটি অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।”
পরিবেশবান্ধব উৎপাদন কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “ওয়ালটনের পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা শুধু বর্তমানের কথা নয় বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথাও বিবেচনায় রেখে কাজ করছে।”
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস. এম. মাহবুবুল আলম বলেন, “দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতাভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে তোলাকে ওয়ালটন অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস-এর প্রতিনিধিদলের এই সফর আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন এবং গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।”
তিনি আরও বলেন, “ওয়ালটনের লক্ষ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিকমানের প্রযুক্তিপণ্য দেশে উৎপাদনের মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা কমানো, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আরও বেশি অবদান রাখা। সে লক্ষ্যে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের সর্বোচ্চ মান ও বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিনিয়ত গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করছি।”
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টরের বিজনেস কো-অর্ডিনেটর ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তানভীর আনজুম এমইএস-এর সঙ্গে ওয়ালটনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম, যোগাযোগ ও সমন্বয় তত্ত্বাবধান করেন। তিনি অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। সে সময় তিনি এমইএস প্রতিনিধিদলের সফরের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ওয়ালটন ও এমইএস-এর মধ্যে চলমান সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর সহযোগিতায় রূপ নেবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনকালে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, ওয়ালটন এসির সিবিও মো. তানভীর রহমান, হেড অব করপোরেট সেলস আহমেদ তানভীর, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর প্রতীক কুমার মোদক, ওয়ালটন লিফটের সিবিও মো. মাহমুদুর রহমান এবং হেড অব অ্যাডমিন তানভীর আহাম্মদ প্রমুখ।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চলের শাখাগুলো নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্ট্র্যাটেজিক কনক্লেভ’। সম্প্রতি কুমিল্লার ব্যুরো ট্রেনিং সেন্টারে এর আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. এহতেশামুল হক খান। তিনি গ্রাহকদের ‘বেস্ট সলিউশন পার্টনার’ বা বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে ব্যাংকটিকে প্রতিষ্ঠায় কর্মকর্তাদের আরও যত্নশীল হওয়ার দিকনির্দেশনা দেন।
কনক্লেভে দুই অঞ্চলের শাখা ব্যবস্থাপকরা নিজেদের ব্যবসায়িক কৌশল উপস্থাপন করেন।
এ ছাড়া শাখা-উপশাখার কর্মকর্তা, রকেট ও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আঞ্চলিক প্রধান এবং এডিসি সুপারভাইজাররা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি এবং এনলাইটেন্ড একাডেমির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহক, প্রাইম ব্যাংক নীরা গ্রাহক, প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকদের সন্তান, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের স্বামী/স্ত্রী ও সন্তানরা এনলাইটেন্ড একাডেমির সেল্ফ-ডিফেন্স প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
সম্প্রতি গুলশানে অবস্থিত প্রাইম ব্যাংক পিএলসির করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির এসইভিপি ও হেড অব লায়াবিলিটি অ্যান্ড ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট শায়লা আবেদীন এবং এনলাইটেন্ড একাডেমির চেয়ারম্যান শারমিন সলিম তুলি।
চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংকের যোগ্য গ্রাহক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এনলাইটেন্ড একাডেমি পরিচালিত সেল্ফ-ডিফেন্স প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এক্সক্লুসিভ সুবিধা পাবেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাহক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা, আত্মবিশ্বাস ও সার্বিক কল্যাণে অবদান রাখার পাশাপাশি তাদের মধ্যে আত্মরক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করবে প্রাইম ব্যাংক।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসির এফএভিপি, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্রপোজিশন ম্যানেজার–উইমেন ব্যাংকিং নীরা ফাতেমা আক্তার এবং এনলাইটেন্ড একাডেমির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ ইনস্ট্রাক্টর মো. ওয়ালিউর রহমানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
যারা কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে সম্পূর্ন নতুন এবং যারা কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছে সেই সব উদ্যমী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যে এই বিশেষ আয়োজন করে এক্সপার্ট সেবা যেখানে অংশগ্রহণ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শতাধিক তরুণ, তরুণী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ জন।
যেখানে কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি নিয়ে কিভাবে ব্যাবসা শুরু করতে হয় নিবন্ধন লাইসেন্স সংগ্রহ, বাজার ও ক্রেতার সন্ধান, পণ্য স্পেসিফিকেশন, পণ্যের মান, এর সাথে জড়িত কমপ্লায়েন্স ও সনদ, ট্রেসেবিলিটি ও রেকর্ড, প্যাকেজিং ও লজিস্টিক, বিভিন্ন ডকুমেন্টেশন ইত্যাদি রপ্তানি বাণিজ্য বিষয়ক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সরাসরি এই সকল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন জাহিদ হোসাইন (ফাউন্ডার এক্সপাের্ট সেবা)
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, আব্দুল হাই মোহাম্মদ (চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার), শাহিদুজ্জামান শোভন (চিফ বিজনেস অফিসার), নুসরাত জাহান সেতু (হেড অব সেলস), ফারিহা আলম (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার), সামিয়া চৌধুরী (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার), নুরুল মোস্তফা রাহাত (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার), জুমন শর্না (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার), আয়মন উর রশিদ, সুফিয়া ইয়াসমিন উষা, ওয়ালিউল ইসলাম আযান, শামীম হোসেন, রাফি প্রমুখ।
এছাড়া অংশগ্রহণ করেন বেশকিছু সফল উদ্যোক্তা যারা কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে কাজ করে যাচ্ছেন তারা তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা সমস্যা এবং তা সমাধানের বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা নতুন উদ্যোক্তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা এবং তা সমাধানের এক অনন্য জায়গা এক ছাদের নীচে পাওয়াতে উচ্ছাস প্রকাশ করেন।
সম্প্রতি এসিআই এর জনপ্রিয় ব্র্যান্ড টুইংকেল বাজারে নিয়ে এসেছে টুইংকেল নিউ বর্ণ বেবি বেল্ট ডায়াপার। নবজাতকের সংবেদনশীল নাভির বিশেষ যত্নের জন্য টুইঙ্কল নিউ বর্ন বেবি বেল্ট ডায়াপারে রয়েছে বিশেষ ‘আম্বিলিক্যাল কর্ড কাট’। এছাড়াও ডায়াপারটিতে রয়েছে প্রায় ৫,০০০ মাইক্রো চ্যানেল, যা দ্রুত শোষণে সহায়তা করে এবং শিশুর ত্বক শুষ্ক রাখতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এর কটনের মতো নরম টপশিট নবজাতকের কোমল ত্বকে দেয় আরামদায়ক অনুভূতি।
এই নতুন পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিআই ওয়েলনেস অ্যান্ড হাইজিন বিজনেসের সম্মানিত চিফ অপারেটিং অফিসার জনাব খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ, জেনারেল ম্যানেজার-সেলস জনাব মেজানুর রহমান, জেনারেল ম্যানেজার-ম্যানুফ্যাকচারিং জনাব দীপঙ্কর বিশ্বাসসহ অন্যান্য সম্মানিত অতিথিবৃন্দ।
‘টুইংকেল’ সবসময়ই ভোক্তাদের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে শিশুর সর্বোচ্চ আরাম নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিভাবকদের দুশ্চিন্তামুক্ত রাখার চেষ্টা করে আসছে। নতুন টুইংকেল নিউ বর্ন বেবি বেল্ট ডায়াপারের যাত্রা সেই ধারাবাহিকতারই আরেকটি নতুন সংযোজন, যা নবজাতকের যত্নকে করবে আরও আরামদায়ক, সহজ ও নিশ্চিন্ত।