বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে টিওটি প্রশিক্ষণ

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১২:৫৫

পরিবেশ অধিদপ্তরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পের আয়োজনে বিআরটিএ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাঠপর্যায়ের ১৫০ জন প্রশিক্ষক এবং কর্মকর্তাদের নিয়ে গত শনিবার পরিবেশ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে টিওটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রম, শব্দদূষণের কারণ, ক্ষতিকর প্রভাব, করণীয় ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা-২০০৬ এবং উল্লিখিত সামগ্রিক বিষয়ের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ও প্রকল্প পরিচালক সৈয়দা মাছুমা খানম। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের নাক-কান-গলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার হুসনে কমর ওসমানী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিকদার এবং বিআরটিএর পরিচালক (অপারেশন) মো. লোকমান হোসেন মোল্লা।


সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সেমিনার করল বিকাশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন (এএমএল-সিএফটি) প্রতিরোধে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের দক্ষতা আরও বাড়াতে দুই দিনব্যাপী সেমিনারের আয়োজন করেছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ। সেমিনারে অবৈধ পথে রেমিট্যান্স, বেটিং, জুয়া, ফোরেক্স, ক্রিপ্টো কারেন্সির মতো অননুমোদিত বৈদেশিক লেনদেন প্রতিরোধে পরিচালিত নতুন ‘রিস্ক-বেজড ওভারসাইট ফ্রেমওয়ার্ক’ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়, যা বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন হাউস, এজেন্ট, ব্যক্তি অ্যাকাউন্ট এবং মার্চেন্টদের মনিটরিং কার্যক্রম বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। বিকাশের এএমএল-সিএফটি বিভাগের ঢাকাসহ সারা দেশের আঞ্চলিক পর্যায়ের কর্মকর্তারা এতে অংশগ্রহণ করেন।

সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিকাশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার কামাল কাদীর, চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার ও চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অব.), চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, চিফ লিগ্যাল অফিসার ও কোম্পানি সেক্রেটারি এম মাজেদুল ইসলাম, চিফ রিস্ক অফিসার আহম্মেদ আশিক হোসেন, চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার মাহফুজ সাদিকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সেমিনার চলাকালে ‘এএমএল ৩৬০’ কমপ্লায়েন্স টুলে ‘অটোমেটেড কন্ট্রোল রিপোর্ট মডিউল’ উদ্বোধন করেন বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অব.)। এ ছাড়া সেমিনারে অংশ নিয়ে ৪০ ঘণ্টার ফান্ডামেন্টাল ও অ্যাডভান্সড মাই এসকিউএল ট্রেনিং সম্পন্ন করা অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কর্মকর্তাদের সবাইকে সার্টিফিকেটও দেওয়া হয়।

রিপোর্টিং অর্গানাইজেশন হিসেবে বিকাশ দেশের একমাত্র এমএফএস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান যারা নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কমপ্লায়েন্স টিম নিয়োগ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে অ্যান্টি মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের পাশাপাশি ঝুঁকিমুক্ত লেনদেন নিশ্চিতে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

বিকাশ বিশেষ কাস্টমাইজড কমপ্লায়েন্স টুল ‘এএমএল ৩৬০ ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সল্যুশন’ ও স্ক্রিনিং ইনটেলিজেন্স সিস্টেমের (এসআইএস) মাধ্যমে যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে এমএফএস খাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বিজ্ঞপ্তি


বিনা মূল্যে কৃষি উপকরণ দিল এনসিসি ব্যাংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

এনসিসি ব্যাংক সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সম্প্রতি লালমনিরহাটের পাটগ্রামে সাবেক ছিটমহলের প্রান্তিক ভুট্টাচাষিদের মাঝে বিনা মূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেছে। এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) এম শামসুল আরেফিনের সভাপতিত্বে পাটগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মোট ৩৫০ জন প্রান্তিক ভুট্টাচাষির মাঝে বিভিন্ন প্রকারের ভুট্টা বীজ, সার ও কীটনাশক বিতরণ করেন। এ সময় এনসিসি ব্যাংক সিআরএম ডিভিশনের এসভিপি মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম, রংপুর শাখার ব্যবস্থাপক রবীন্দ্রনাথ রায়, জনসংযোগ বিভাগের প্রধান মো. আনোয়ার হোসেন এবং পাটগ্রাম শাখার ব্যবস্থাপক মো. নাজির হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পাটগ্রামের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরুল ইসলাম এনসিসি ব্যাংকের কৃষি উপকরণ বিতরণের এ মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান তথা দেশের প্রতি ইঞ্চি জমি আবাদযোগ্য করার কার্যক্রমে সহযোগিতা এবং কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) এম শামসুল আরেফিন বলেন, এনসিসি ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের প্রতি ইঞ্চি জায়গা চাষযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এনসিসি ব্যাংক কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে কৃষি যন্ত্রপাতিসহ আরও উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে বিতরণ এবং কৃষি গবেষণা কাজে ও উৎপাদিত কৃষি পণ্য সংরক্ষণে কৃষকদের সহায়তায় এনসিসি ব্যাংকের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। বিজ্ঞপ্তি


মধুমতি ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মধুমতি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির ৩৭তম সভা মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। জুম প্রযুক্তি সহায়তায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন পর্ষদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল। এ সময় ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সুলতানা জাহান, এ মান্নান খান, দিদারুল আলম, সৈয়দা শারমিন হোসেন এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সফিউল আজম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ রিস্ক অফিসার আরব ফজলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।বিজ্ঞপ্তি


সাউথইস্ট ব্যাংকের আয়োজনে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশনর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের তত্ত্বাবধানে ‘এসএমই খাতে মাঝারি থেকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে চাহিদা এবং সরবরাহের ব্যবধান চিহ্নিতকরণ’ শীর্ষক গবেষণার মাঠপর্যায়ের জরিপ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশনের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মোহাম্মদ আশিকুর রহমান ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম পরিচালক মো. শামস্ তিবরীজ ভূঁইয়া এবং মো মামুনুর রশীদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুদ্দীন মো. ছাদেক হোসাইন। ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবিদুর রহমান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


এক্সিম ব্যাংক ও কলকাতা অ্যাপোলো হসপিটালের মধ্যে চুক্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহক, নির্বাহী ও কর্মকর্তাদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কলকাতা অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হসপিটালস লিমিটেডের সঙ্গে একটি করপোরেট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এক্সিম ব্যাংক। সম্প্রতি এক্সিম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন এবং অ্যাপোলো হসপিটালের প্রধান নির্বাহী রানা দাশগুপ্ত।

এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে এক্সিম ব্যাংকের নির্বাহী ও কর্মকর্তারা এবং ব্যাংকের ডেবিট ও ইসলামিক ইনভেস্টমেন্ট কার্ড ব্যবহারকারী গ্রাহকরা কলকাতার অ্যাপোলো হসপিটালের বিভিন্ন সার্ভিসের ওপর ৫% থেকে ৩০% পর্যন্ত মূল্যছাড় সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া এক্সিম ব্যাংকের ভিসা ব্র্যান্ডেড ইসলামিক ইনভেস্টমেন্ট কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করলে সব সার্ভিসের ওপর আরও অতিরিক্ত ৫% মূল্যছাড় সুবিধা পাবেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এক্সিম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হুমায়ূন কবীর ও শাহ্ মো. আব্দুল বারী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহা. জসিম উদ্দিন ভূঞা এবং মাকসুদা খানম, ব্যাংকের হিউম্যান রিসোর্স ডিভিশনের প্রধান কানু লাল কর্মকার, এডিসি এবং কার্ড ডিভিশনের প্রধান মো. মোফাজ্জল মামুন খান, করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ব্র্যান্ডিং ডিভিশন ও মার্কেটিং ডিভিশনের প্রধান সঞ্জীব চ্যাটার্জী, অ্যাপোলো হসপিটাল বাংলাদেশ অফিসের কান্ট্রি ম্যানেজার এম এম মাছুমুজ্জামান এবং কলকাতা অ্যাপোলো হসপিটালের সিনিয়র মার্কেটিং ম্যানেজার শ্রীজীব ঘোষসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা।


জাতীয় জাদুঘরে চলছে চিত্রকর্ম প্রদর্শনী ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’

আপডেটেড ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১১:৩৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শিরোনামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর তথ্য-নির্ভর চিত্রকলা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও ব্রিটিশ বাংলাদেশি চিএশিল্পী এস এম আসাদের যৌথ উদ্যোগে শিল্পীর আঁকা বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারিতে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক প্রধান বার্তা সম্পাদক শেখ সালেক। স্বাগত বক্তব্য দেন গ্যালারি চিত্রকের নির্বাহী পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান। শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর যুক্তরাজ্যের সভাপতি গোলাম মোস্তফা। এ সময় শিল্পী এস এম আসাদ তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।

শিল্পী এস এম আসাদের ছবিগুলো বর্ণনাধর্মী তৈলচিত্র। প্রতিটি ছবি ক্রমানুসারে দেখলে বঙ্গবন্ধুর জীবন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টিতে তার অবদান সম্পর্কে সহজে ধারণা পাওয়া যায়। এমন উপস্থাপনা দর্শকের মনে সহজেই দাগ কাটবে।

প্রদর্শনটি আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত শনিবার থেকে বুধবার সকাল ১০.৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪.৩০ মিনিট এবং শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বৃহস্পতিবার ও অন্যন্য সরকারি ছুটির দিন প্রদর্শনী বন্ধ থাকবে। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস পালিত

আপডেটেড ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১১:৩৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের সংগঠন ভলান্টিয়ার অপরচুনিটিজ (ভিও) এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ভলান্টারি সার্ভিস ওভারসিজ বাংলাদেশের (ভিএসও) যৌথ উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস’ পালিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ভিএসও বাংলাদেশ-এর অ্যাকটিং কান্ট্রি ডিরেক্টর খবিরুল হক কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনার হারিস ওথমান, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আ. হামিদ খান এবং জিআইজেড বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল তরুণ ও যুব স্বেচ্ছাসেবীদের দেশ ও জাতির চেইঞ্জ মেকার উল্লেখ করে বলেন, স্বেচ্ছায় সেবা প্রদান করা একটি মহৎ কাজ। ঘূর্ণিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবীরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আর্তমানবতার সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়ে। তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের উৎসাহ প্রদানে প্রতিবছর এই দিবসটি পালন করায় আয়োজকদের তিনি ধন্যবাদ জানান। দেশের উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিতে ভলান্টিয়ারিজমের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে কাজ করার জন্য উপাচার্য নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি


বাংলালিংক ও লাভেলো আইসক্রিমের মধ্যে চুক্তি

আপডেটেড ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১১:৩৮
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের অন্যতম ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক স্বনামধন্য আইসক্রিম ব্র্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি ও এর স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান তাওফিকা ফুডসের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই নতুন চুক্তির আওতায় লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি ও এর স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান তাওফিকা ফুডসের কর্মীদের বাংলালিংক করপোরেট সেবার বিভিন্ন সুবিধা দেবে। এর মধ্যে রয়েছে করপোরেট সংযোগ, ডাটা সংযোগ, বাংলালিংকের ওকলা স্বীকৃত দ্রুততম ফোর-জি ইন্টারনেট, এসএমএস ব্রডকাস্ট, ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিস সুবিধাসহ অন্যান্য উদ্ভাবনী ডিজিটাল সেবা। বাংলালিংকের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস ডিরেক্টর রুবাইয়াত এ তানজিন ও তাওফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মুস্তাক আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্প্রতি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

বাংলালিংকের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস ডিরেক্টর রুবাইয়াত এ তানজিন বলেন, ‘একটি গ্রাহককেন্দ্রিক ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে এন্টারপ্রাইজ গ্রাহকদের উন্নত সংযোগ ও সর্বোচ্চ মানের ডিজিটাল সেবা দেওয়ার জন্য বাংলালিংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই চুক্তির মাধ্যমে তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির কর্মীদের বিভিন্ন উন্নত ডিজিটাল সেবা দেওয়ার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।’

তাওফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মুস্তাক আহমেদ বলেন, ‘বাংলালিংকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে পেরে আমরা আনন্দিত। দ্রুততম ফোর-জি নেটওয়ার্ক ও বিভিন্ন রকমের ডিজিটাল সেবা দেওয়ার মাধ্যমে বাংলালিংক ইতোমধ্যে দেশব্যাপী চার কোটিরও বেশি গ্রাহকের নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে আমাদের কর্মীরা এখন সহজেই বাংলালিংকের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিভিন্ন সেবা নিতে পারবে ও উপকৃত হবে।’

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তাওফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির কর্মকর্তাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন চিফ স্ট্র্যাটেজিক অফিসার মুহম্মদ রাজীব হাসান, চিফ অপারেটিং অফিসার মো. কামরুজ্জামান, অ্যাক্টিং কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ দিদারুল আলম এফসিএমএ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের হেড অব ইমার্জিং সেগমেন্ট-নর্থ সৈয়দ সালাহউদ্দিন ইসরার ও হেড অব ইমার্জিং সেগমেন্ট-সাউথ নাফিজ আহমেদ সাঈদসহ অন্য কর্মকর্তারা। বিজ্ঞপ্তি


বাজারে রেইনবো পেইন্টসের আরও নতুন ১১টি পণ্য

আপডেটেড ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১১:৩৮
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেয়াল, গাড়ি ও কাঠের সর্বোচ্চ সুরক্ষায় তিন ক্যাটাগরিতে ১১টি নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে এসেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান আরএফএল গ্রুপের জনপ্রিয় রঙের ব্র্যান্ড ‘রেইনবো পেইন্টস’। এর মধ্যে ডেকোরেটিভ পেইন্ট ক্যাটাগরিতে ৬টি, উড কোটিং পেইন্ট ক্যাটাগরিতে ৪টি এবং কার পেইন্ট ক্যাটাগরিতে ১টি পণ্য রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর বাড্ডার একটি হোটেলে নতুন ১১টি পণ্যের উদ্বোধন করেন আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল। ডেকোরেটিভ পেইন্ট ক্যাটাগরির ৬টি নতুন পণ্যের মধ্যে ৪টি হলো ড্যাম্প সিরিজের। পণ্যগুলো হলো ড্যাম্প প্রটেক্টর প্রাইমার, ড্যাম্প প্রটেক্টর হাই বিল্ড পাট্টি, ড্যাম্প প্রটেক্টর টপ কোট-ওয়ান স্টপ, ড্যাম্প প্রটেক্টর টপ কোট- সুপ্রিম। বাকি দুটো পণ্য হলো ওয়েদার কেয়ার ডার্ট গার্ড লং লাইফ ও ফেদার সিল্ক মেটালিক ফিনিশ। উড পেইন্ট ক্যাটাগরির ৪টি নতুন পণ্য হলো উড কেয়ার ফিলার, উড কেয়ার সিলার, উড কেয়ার স্টেইন ও উড কেয়ার টপ কোট। অন্যদিকে কার পেইন্ট ক্যাটাগরিতেও সাকা এনসি পেইন্ট বাজারে এসেছে। অনুষ্ঠানে আর এন পাল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের রং উৎপাদন করে বাজারজাত করায় অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। নতুন পণ্যের মাধ্যমে ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি, রেইনবো পেইন্টসের নতুন পণ্যগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা দেয়াল, গাড়ি ও কাঠের সুরক্ষায় ভালো সমাধান পাবেন।’

নতুন পণ্যের বিষয়ে রেইনবো পেইন্টসের নির্বাহী পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, ‘ড্যাম্প ও নোনা বিল্ডিংয়ের ক্ষতিসাধন করে। ফলে বিল্ডিংয়ের স্থায়িত্ব কমে যায়। ড্যাম্প সিরিজের পণ্য বাজারে আনা হয়েছে বিল্ডিংয়ের ভেতর ও বাহিরের দেয়ালকে ড্যাম্প ও নোনার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। এ ছাড়া ধুলা-ময়লা ও ডাস্ট বিল্ডিংয়ের ক্ষতিসাধন করে, ফলে বিল্ডিংয়ের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। ডেকোরেটিভ ক্যাটাগরির নতুন পণ্য ওয়েদার কেয়ার ডার্ট গার্ড লং-লাইফ বিল্ডিংয়ের বাহিরের দেয়ালকে ধুলা-ময়লা ও ডাস্ট থেকে রক্ষা করে বিল্ডিংয়ের সৌন্দর্যকে অটুট রাখবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাঠ, ভিনিয়ার ও এমডিএফ বোর্ডের তৈরি ফার্নিচার রং করার জন্য চারটি নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে। এ ছাড়া অটো-রিফিনিশের ইকোনমিক সল্যুশন হিসেবে স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করতে ওসাকা এনসি পেইন্ট বাজারে আনা হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে রেইনবো পেইন্টসের জেনারেল ম্যানেজার (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) সালেহ আহম্মদ চৌধুরী, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মো. সোহেল রানা, হেড অব সেলস শাহজাহান সানী ও হেড অব মার্কেটিং মো. নাজমুল হকসহ রেইনবো পেইন্টসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি


ফরহাত আনোয়ার ও আহসান উল্লাহ ফের মেঘনা ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক

আপডেটেড ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১১:২৫
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মেঘনা ব্যাংক পিএলসির স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার এবং মো. আহসান উল্লাহ। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী তিন বছরের জন্য এ দুই স্বতন্ত্র পরিচালকের পুনর্নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। মার্কেটিংয়ে অগাধ জ্ঞানের অধিকারী ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার এরই মধ্যে সার্টিফাইড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট হিসেবে সুপরিচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন বিভাগে ৩৩ বছর শিক্ষকতার পাশাপাশি তার রয়েছে দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা। ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার ২০২০ সালের ১৮ অক্টোবর মেঘনা ব্যাংক পিএলসির বোর্ডে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি সিঙ্গার (বাংলাদেশ) বোর্ডের একজন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ ডিজেল প্ল্যান্টের স্বতন্ত্র পরিচালক এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি ব্যবসায়িক সহায়তা উদ্যোগের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার বাংলাদেশ অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রির (সিইবিএআই) সেন্টার অব এক্সিলেন্স বোর্ডের একজন উপদেষ্টা। তিনি একাধারে এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশনের (এএমএফ) প্রেসিডেন্ট, যার সদর দপ্তর জাপানে অবস্থিত এবং অ্যাসোসিয়েশন অফ ম্যানেজমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট অফ সাউথ এশিয়ার (এএমডিআইএসএ) ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্বেও রয়েছেন। ব্যাংকার-অর্থনীতিবিদ মো. আহসান উল্লাহ সুদীর্য ৩৫ বছর ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগে সফলতা এবং দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে লং টার্ম প্রজেক্ট ফাইন্যান্সিং, ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি, স্ট্যাটেজিক পলিসি তৈরির ক্ষেত্রে তার রয়েছে অগাধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা। বর্তমানে, তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম), মিরপুর, ঢাকার সুপারনিউমারারি প্রফেসর। এ ছাড়া তিনি আইসিসি (ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স), ব্যাংকিং কমিশন, বাংলাদেশের একজন সদস্যও। বিজ্ঞপ্তি


আবারও শীর্ষ ভ্যাটদাতার তালিকায় নগদ

আপডেটেড ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১১:০৫
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

যাত্রা শুরুর তৃতীয় বছরেই দেশের শীর্ষ করদাতার তালিকায় চলে এসেছিল মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ। দেশের অন্যতম শীর্ষ এই প্রতিষ্ঠানটি তার অগ্রযাত্রা ধরে রেখে আবারও শীর্ষ ভ্যাটদাতাদের তালিকায় এসেছে। সেবা খাতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদের নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রতি বছরের মতো এবারও আগামী ১০ ডিসেম্বর রোববার ভ্যাট দিবস পালন করা হবে। আর এই দিন এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নগদসহ অন্য সেরাদের হাতে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি পুরস্কার হস্তান্তর করবেন। বিদায়ী অর্থবছরে এনবিআর উৎপাদন খাত, ব্যবসা খাত এবং সেবা খাতে তিনটি করে মোট নয়টি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কৃত করবে। একের পর এক নতুন উদ্ভাবন এবং সেবা বিতরণের ক্ষেত্রে অভিনবত্ব নিয়ে শুরু করায় দ্রুতই নগদের সেবা গ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে নগদের মাধ্যমে লেনদেন যেমন বেড়েছে, একইভাবে সরকারের হয়ে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সংগ্রহেও নগদ সেরার অবস্থানে চলে এসেছে।

২০১৯ সালে স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে উদ্বোধন হওয়া নগদ বর্তমানে সাড়ে আট কোটি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত কোটি মানুষের কাছে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, প্রাথমিকের উপবৃত্তি এবং করোনার সময় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণের মাধ্যমে সরকারি অর্থ বিতরণ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করেছে নগদ। শুরুতেই গ্রাহক নিবন্ধনের জন্য দেশে প্রথম ইলেকট্রনিক কেওয়াইসির উদ্ভাবন করে দেশে আর্থিক খাতে ডিজিটালাইজেশন নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরপর নগদ উদ্ভাবন করে মোবাইল অপারেটরদের কাছে থাকা গ্রাহক তথ্যের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে মোবাইল ফোনে মাত্র পাঁচটি বাটন ডায়াল করেই অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি চালু হয়, যা ডিজিটাল সেবার দুনিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

নগদের গ্রাহক নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজতর হওয়ায় দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি যেমন বেড়েছে, তেমনি ক্যাশলেস লেনদেনের বিবেচনায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘যত বেশি গ্রাহক ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করবেন, তাদের জীবন ততটাই সহজ হবে। আর সেটি হলে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল যেমন ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে, সরকারের রাজস্ব আয়েও ইতিবাচক ধারা চলে আসবে।’ আমিনুল হক আরও বলেন, ‘সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কার পাওয়ার জন্য আমরা কাজ করিনি, নগদ কাজ করেছে গ্রাহক সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য। সেটি করতে পেরেই আমরা খুশি। এই পথে এমন পুরস্কার আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে।’

ক্যাশলেস লেনদেনকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য এখন কাজ করছে নগদ। বিজ্ঞপ্তি


কৃষকদের অর্থায়ন করবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড-টিএমএসএস

বাংলাদেশের গ্রমীন ও কৃষক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ ‍সংঘের সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশ। এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে ‍দুটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১০:৫৪
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশের গ্রামীণ ও কৃষক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও সহনশীলতা অর্জনে ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে দুটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে, যা ২৫ হাজার ৫০০ কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখবে। এই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে প্রায় ২৬ মিলিয়ন অর্থায়নের আশ্বাস দিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। প্রথম প্রকল্পের অংশ হিসেবে বগুড়া, জয়পুরহাট এবং সিরাজগঞ্জে বসবাসকারী ২৫ হাজার কৃষকের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ফল, ঔষধি এবং কাঠের গাছের চারা বিতরণ করতে টিএমএসএসের সঙ্গে সহযোগিতা করবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। এসব এলাকার বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর একটি অংশ বর্তমানে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং অপুষ্টির সম্মুখীন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাংকটি টিএমএসএসের সঙ্গে কাজ করে কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সবজির বীজ বিতরণ করবে যাতে করে তারা বাড়ির পাশে সবজির বাগানে উৎসাহিত হয়। এই প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে এসব অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করে টেকসই জীবনমান অর্জনে সাহায্য করবে।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের চিফ এক্সিকিউটিভ কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় বলেন, ‘স্থানীয় খাদ্য উৎপাদনকে শক্তিশালী করে কৃষিব্যবস্থাকে সুরক্ষিত করার মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড জীবন ও জীবিকার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে রোপিত ফলজ এবং বনজ বৃক্ষের পাশাপাশি শস্যগুলো আমাদের জনগোষ্ঠীর তথা অর্থনীতির উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কাজ করে যাওয়া টিএমএসএসের সঙ্গে এই দুটি প্রকল্পের অংশীদার হতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত।’

ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম বলেন, ‘আমরা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সঙ্গে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের অংশীদার হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা মনে করি, এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত এই জনগোষ্ঠীর সামাজিক মর্যাদা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।’

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ এবং টিএমএসএসের মধ্যকার এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় এবং ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম। বিজ্ঞপ্তি


ব্র্যাক ব্যাংকে অ্যানুয়াল রিস্ক কনফারেন্স-২০২৩

আপডেটেড ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১০:৪৮
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রমে জড়িত ঝুঁকি সম্পর্কে ব্যাংকের সহকর্মীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সেগুলো কার্যকরভাবে কাটিয়ে ওঠার কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যে ব্র্যাক ব্যাংক ‘বার্ষিক রিস্ক কনফারেন্স-২০২৩’-এর আয়োজন করেছে। ব্যাংকের সহকর্মীদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো সম্পর্কে জানাতে এবং ব্যাংক অপারেশনাল ও অন্য যেসব ঝুঁকিসমূহের সম্মুখীন হয়, সেগুলো মোকাবেলায় সহকর্মীদের সহায়তা করার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইনস ফর ব্যাংকস ২০১৮’- এর সঙ্গে সংগতি রেখে ব্র্যাক ব্যাংক এই কনফারেন্সের আয়োজন করে। ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, ব্রাঞ্চ অপারেশনস ম্যানেজার এবং অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ৭০০ জনেরও বেশি সহকর্মী দিনব্যাপী চলা এই সম্মেলনে সরাসরি এবং ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন। সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর মো. জবদুল ইসলাম। সম্মেলনে ব্র্যাক ব্যাংকের ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর অ্যান্ড বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন।

ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট আহমেদ রশীদ জয় সঞ্চালিত ‘সামষ্টিক অর্থনীতি অস্থিরতা এবং ক্রেডিট ও মার্কেট রিস্কের ওপর এর প্রভাব’বিষয়ক একটি প্যানেল ডিসকাশনে অংশ নেন ব্র্যাক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর অ্যান্ড বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর। এ ছাড়া দিনব্যাপী চলা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট কমিটির অন্য সদস্যরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন ডিপার্টমেন্টের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ড. কাজী আরিফ উজ জামান, জয়েন্ট ডিরেক্টর এস এম খালেদ আবদুল্লাহ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর এবং কমার্শিয়াল ব্যাংক অব দুবাইয়ের সাবেক হেড অব ফ্যাসিলিটিজ রিস্ট্রাকচারিং অ্যান্ড রিকভারি খন্দকার তানভীর শামসুল ইসলাম ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে পৃথক পৃথক সেশন পরিচালনা করেন।

এ সম্মেলন সম্পর্কে মন্তব্য করে ব্র্যাক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংকগুলো প্রায়ই নিজেদের দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রমে বহুমুখী ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। এ জন্য আমাদের অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ করে তুলতে হবে, যাতে তারা কার্যকরভাবে এবং দক্ষতার সঙ্গে দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। আমরা মনে করি, ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের নলেজ-শেয়ারিং সম্মেলনের আয়োজন অপরিহার্য। আজ আমরা এই সম্মেলনের আয়োজন করেছি, বিশেষ করে আমাদের ফ্রন্টলাইন সহকর্মীদের জন্য, যাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে ঝুঁকির বিষয়টি সরাসরি জড়িত। আমরা আশা করি, আমাদের সহকর্মীরা আজকের এই সম্মেলন থেকে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন করবেন এবং তাদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করবেন।’

ব্র্যাক ব্যাংকের ইন্ডিপেনডেন্ট ডিরেক্টর অ্যান্ড বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর বলেন, ‘একটি মূল্যবোধভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠানে সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংকের কর্মীদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ধারাবাহিক নীতিগত সহায়তা ও নির্দেশনার জন্য আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককে ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় সহকর্মীদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমরা এ রকম নলেজ-শেয়ারিং সেশনের আয়োজন অব্যাহত রাখব। এ রকম সচেতনতামূলক আয়োজনের মাধ্যমে আমরা ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং পরিপালন বিষয়ে রোল মডেল হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’ বিজ্ঞপ্তি


banner close