রোববার, ২৪ মে ২০২৬
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে সেমিনার

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১১:৪১

বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং অ্যাকাডেমির উদ্যোগে সম্প্রতি ‘Central Bank and Its Role: Present and Future Challenges’ বিষয়ে এক সেমিনার বিবিটিএর একেএন আহমেদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। আলোচক হিসেবে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. এজাজুল ইসলাম, নির্বাহী পরিচালক (গবেষণা), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং মো. জুলকার নায়েন, নির্বাহী পরিচালক, বিবিটিএ।

সেমিনারে বিবিটিএর পরিচালক মো. মেজবাহ উদ্দিন মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক হতে পরিচালকপর্যায়ের ১১৪ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিবিটিএর নির্বাহী পরিচালক মো. জুলকার নায়েন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

হোন্ডা -এর আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে “হোন্ডা ফান ডে” অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ২৪ মে, ২০২৬ ২০:০৭
কর্পোরেট ডেস্ক

রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের ওপেন এয়ার অ্যারেনায় অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে দুই দিনব্যাপী ‘হোন্ডা ফান ডে’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের আয়োজনে গত ২২ ও ২৩ মে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে যোগ দেন বিপুল সংখ্যক মোটরসাইকেলপ্রেমী। মূলত রাইডারদের সরাসরি অভিজ্ঞতার সুযোগ দিতে এবং ব্র্যান্ডের সাথে গ্রাহকদের সেতুবন্ধন তৈরি করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে সাধারণ রাইডারদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল হোন্ডার জনপ্রিয় দুই মডেল এনএক্স ২০০ (NX200) এবং হর্নেট ২.০ (Hornet 2.0)-এর সরাসরি টেস্ট রাইড সুবিধা। বিশেষ করে তরুণ রাইডারদের মধ্যে এনএক্স ২০০-এর অ্যাডভেঞ্চার স্টাইল এবং হর্নেট ২.০-এর স্পোর্টি পারফরম্যান্স নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল দেখা যায়। অংশগ্রহণকারীরা বাইক দুটির নিয়ন্ত্রণ ও আরামদায়ক আধুনিক ফিচারগুলো পরখ করে দেখেন। হর্নেট ২.০-এর ১৮৪.৪ সিসি ইঞ্জিন, এসিস্ট অ্যান্ড স্লিপার ক্লাচ, ইউএসডি ফ্রন্ট ফর্ক এবং এবিএস প্রযুক্তির কার্যকারিতা রাইডারদের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

উন্মুক্ত এই প্রাঙ্গণে শুধু বাইক চালানোই নয়, দর্শনার্থীদের জন্য ছিল বিনোদনের নানা অনুষঙ্গ। বাইক ডিসপ্লে জোনে হোন্ডার বিভিন্ন মডেলের প্রদর্শনী দেখার পাশাপাশি দর্শনার্থীরা বিভিন্ন গেমিং অ্যাক্টিভিটি ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। বিজয়ীদের জন্য ছিল আকর্ষণীয় গিফট এবং বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা। পুরো আয়োজনে প্রাণের সঞ্চার করতে ছিল লাইভ ডিজে পারফরম্যান্স, যা উপস্থিত পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের জন্য এক আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি করে।

আয়োজন প্রসঙ্গে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ ‘কমিউনিটি এক্সপেরিয়েন্স’ তৈরি করা। দর্শনার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত এবং এ ধরনের সাড়ায় তারা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে আয়োজন করতে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। বাইকপ্রেমীদের সরাসরি নতুন মডেলের সক্ষমতা অনুভব করার সুযোগ দিতেই তারা এই ওপেন এয়ার ইভেন্টের পরিকল্পনা করেছিলেন, যা সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে।

সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে অংশ নিতে ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকা থেকে শত শত রাইডার ভিড় জমান। অভিজ্ঞতামূলক এই কমিউনিটি ইভেন্টের মাধ্যমে হোন্ডা বাংলাদেশে তাদের অবস্থান আরও সুসংহত করছে। সরাসরি বাইকের পারফরম্যান্স অনুভব করার সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি একই ছাদের নিচে বিনোদনের এমন আয়োজন তরুণ প্রজন্মের মাঝে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, এই ধরনের কার্যক্রম বাইকপ্রেমীদের সাথে তাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।


তাহসানের ওয়ালটন লিফটের বিজ্ঞাপনে সামাজিক মাধ্যমে বাজিমাত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশীয় ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের লিফট পণ্যের নতুন একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। ‘ওয়ালটন লিফট ইনোভেশন ইন মোশন’ স্লোগান নিয়ে নির্মিত এই বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পরপরই নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উন্মাদনা তৈরি করেছে। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপনটি শেয়ার হওয়ার মুহুর্তের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়ে যায় এবং এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিজ্ঞাপনটির দর্শক সংখ্যা বা ভিউ ইতোমধ্যে এক কোটি ছাড়িয়ে গেছে। জনপ্রিয় এই তারকা বর্তমানে ওয়ালটন লিফটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

বিজ্ঞাপনটিতে মূলত ইউরোপীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ওয়ালটন লিফটের অত্যাধুনিক ও উদ্ভাবনী ফিচারগুলো অত্যন্ত নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরিচালক আশিক ইসলামের নির্মাণে এবং ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদের ভাবনায় বিজ্ঞাপনটিতে লিফটের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এতে আধুনিক সব প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন—এআই ফেইস ডিটেকশন, হলোগ্রাফিক টাচ প্যানেল, স্মার্ট ভয়েস কমান্ড এবং অটোমেটিক রেসকিউ সিস্টেমের কার্যকারিতা তুলে ধরা হয়েছে। এলিগ্যান্ট ডিজাইন ও এনার্জি ইফিশিয়েন্ট প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি এই লিফট ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বার্তা দিচ্ছে।

ওয়ালটন লিফটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে এই প্রজেক্টে যুক্ত থাকতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তাহসান খান। তিনি জানান, ওয়ালটন এখন একটি গর্বের দেশীয় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে যা বহির্বিশ্বেও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করছে। এমন একটি বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের সাথে নিজেকে যুক্ত করতে পেরে তিনি গর্বিত। বিজ্ঞাপনটি দর্শক মহলে সমাদৃত হওয়ায় তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বিজ্ঞাপনটির মাধ্যমে দেশে তৈরি ওয়ালটন লিফটের টেকসই গুণগত মান ও স্মার্ট প্রযুক্তির বিষয়টি সাধারণ মানুষের কাছে খুব সহজেই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

ওয়ালটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের লিফট ম্যানুফ্যাকচারিং প্রজেক্টে কয়েকশ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বাৎসরিক এক হাজার ইউনিটেরও বেশি লিফট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে এবং ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কায় লিফট রপ্তানি শুরু হয়েছে। ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার গতি সম্পন্ন অত্যাধুনিক লিফট টেস্ট টাওয়ারও রয়েছে, যা তাদের কারিগরি শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেয়। কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, তাহসানের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে নির্মিত এই বিজ্ঞাপনটি চলতি বছরে লিফট বিক্রিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং দেশীয় বাজারে বিদেশি ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনবে।

পরিবেশবান্ধব ও আইওটি বেজড স্মার্ট প্রযুক্তির কারণে স্থানীয় ও বৈশ্বিক উভয় বাজারেই ওয়ালটন লিফটের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সাশ্রয়ী মূল্য এবং সহজলভ্য বিক্রয়োত্তর সেবার কারণে এটি এখন দেশের বড় বড় আবাসন প্রকল্প ও বহুতল ভবনের মালিকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে। নতুন এই বিজ্ঞাপনটি ব্র্যান্ডটির ব্যবসায়িক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আধুনিক জীবনযাত্রায় স্মার্ট পরিবহন সমাধান হিসেবে ওয়ালটন লিফট এখন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শক্তিশালী প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত।


জনতা ব্যাংকে অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জনতা ব্যাংক পিএলসি’র সম্পদ ও দায় ব্যবস্থাপনা বা অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির (এ্যালকো) একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান। বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যাংকের আর্থিক ভিত মজবুত করার কৌশল নির্ধারণের লক্ষ্যেই এই নীতিনির্ধারণী সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ব্যাংকের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সূচক নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এতে জনতা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমানসহ প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এবং সংশ্লিষ্ট উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সভার শুরুতেই ব্যাংকের বর্তমান তারল্য পরিস্থিতি এবং সম্পদ ও দায়ের ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান ব্যাংকের উত্তরোত্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে কর্মকর্তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু কর্মকৌশল নির্ধারণ করে দেন। তিনি বর্তমান বাজার পরিস্থিতির আলোকে স্বল্প সুদের আমানত সংগ্রহের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে এবং ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে ফরেন রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় বৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন।

ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শ্রেণিকৃত বা খেলাপি ঋণ আদায়ের বিষয়টি সভায় বিশেষ গুরুত্ব পায়। ব্যবস্থাপনা পরিচালক খেলাপি ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে ব্যাংকের অনাদায়ী ও অবলোপনকৃত ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়া আরও জোরদার করতে এবং নতুন করে কোনো ঋণ যেন শ্রেণিকৃত না হয়, সে ব্যাপারে মাঠ পর্যায়ের তদারকি বাড়ানোর নির্দেশ দেন। ঋণ আদায়ে কোনো ধরনের শিথিলতা প্রদর্শন না করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন।

পরিশেষে, জনতা ব্যাংকের সামগ্রিক সেবার মানোন্নয়ন এবং আধুনিক ব্যাংকিং সেবা গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সভার আলোচনায় উঠে আসে যে, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতিটি বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং স্বচ্ছতা বজায় রেখে প্রতিটি অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমেই টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।


ঈদে রিভো ইলেকট্রিক বাইকে ২০ হাজার টাকা ক্যাশব্যাক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বাজারে বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলের প্রসার ঘটাতে বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে রিভো বাংলাদেশ। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রতিষ্ঠানটির সব মডেলের ইলেকট্রিক বাইকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক সুবিধা পাবেন ক্রেতারা। উৎসবের মৌসুমে পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী যাতায়াত ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলতেই দেশজুড়ে এই বিশেষ অফার চালু করা হয়েছে।

রিভোর এই ঈদ অফারের অন্যতম আকর্ষণ হলো তাদের সদ্য বাজারে আসা হাই-পারফরম্যান্স মডেল ‘রিভো বি১২’। এই মডেলটি ঈদ উপলক্ষে সীমিত সংখ্যায় বাজারে আনা হয়েছে এবং এটিতেও গ্রাহকরা ক্যাশব্যাক সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। নতুন এই ইলেকট্রিক বাইকটিতে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড ও ফাস্ট—উভয় ধরনের চার্জিং সুবিধা রাখা হয়েছে। বিশেষ করে ফাস্ট চার্জার ব্যবহার করে মাত্র দেড় ঘণ্টায় ব্যাটারির ৮০ শতাংশ চার্জ সম্পন্ন করা সম্ভব, যা দীর্ঘ পথ যাতায়াতে চালকদের বাড়তি সুবিধা দেবে।

জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম এবং প্রথাগত মোটরসাইকেলের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে দেশের সাধারণ মানুষ বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এই পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে রিভো বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ভ্যান নি জানান, গ্রাহকদের দৈনন্দিন যাতায়াতকে আরও সহজ, সাশ্রয়ী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে তারা এই আধুনিক পরিবহন সমাধান নিয়ে এসেছেন। রিভোর লক্ষ্য হলো উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সাশ্রয়ী যাতায়াতে গ্রাহকদের উৎসাহিত করা।

ক্যাশব্যাক সুবিধার পাশাপাশি গ্রাহকদের বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে রিভো বাংলাদেশ। ইলেকট্রিক বাইক কেনার পর সার্ভিসিং নিয়ে গ্রাহকদের যেন কোনো দুশ্চিন্তা করতে না হয়, সে লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি তাদের অনুমোদিত সার্ভিসিং নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারণ করছে। বর্তমানে দেশের সব অনুমোদিত রিভো শোরুমে এই ক্যাশব্যাক ক্যাম্পেইনটি চালু রয়েছে, যা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

পরিশেষে, এই ক্যাম্পেইনটি বাংলাদেশে ব্যক্তিগত যাতায়াতে টেকসই ও নির্ভরযোগ্য সমাধান হিসেবে ইলেকট্রিক বাইকের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। রিভোর আধুনিক ডিজাইন ও উন্নত চার্জিং ব্যবস্থা যাতায়াতের অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। আগ্রহী ক্রেতারা এখন সরাসরি শোরুমে গিয়ে নিজের পছন্দমতো মডেলটি বেছে নিয়ে এই বিশেষ ছাড়ের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।


তিন ক্যাটাগরিতে বুয়েট স্বীকৃতি পেল অপো এ সিরিজ স্মার্টফোন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো সম্প্রতি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বুয়েট) থেকে তাদের এ সিরিজ স্মার্টফোনের জন্য বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এই সার্টিফিকেশনে অপো এ সিরিজের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, কালারওএসের স্মুথনেস, সর্বোচ্চ ৬ বছর পর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ ও নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ড ডিউরেবিলিটি, বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে।

সার্টিফায়েড ফিচারগুলোর মধ্যে স্মুথনেস অপো এ সিরিজের অন্যতম বড় সক্ষমতা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপ পরিবর্তন, অ্যাপ চালু করা, কনটেন্ট ব্রাউজিং, গেমিং কিংবা সারাদিন মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স আশা করেন। অপো এ সিরিজের স্মার্টফোনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরও দ্রুত অ্যাপ রেসপন্স, ফ্লুইড ট্রানজিশন ও স্থিতিশীল পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা যায়।

বুয়েটের সার্টিফিকেশন অনুযায়ী, নির্বাচিত অপো এ সিরিজের স্মার্টফোনগুলো সর্বোচ্চ ৬ বছর ব্যবহারের পরও নতুন ফোনের মতো স্মুথ অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম। অ্যাপ চালানো, নিয়মিত ব্যবহৃত অ্যাপ চালু করা কিংবা দৈনন্দিন কাজ পরিচালনার সময় ব্যবহারকারীরা দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের রেসপন্সিভ ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স উপভোগ করতে পারবেন।

এই সার্টিফিকেশন অপো এ সিরিজের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি পারফরম্যান্সকেও স্বীকৃতি দিয়েছে। যারা সারাদিন স্মার্টফোনের ওপর নির্ভর করেন, তাদের জন্য ডিভাইসগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন বছরের পর বছর নিয়মিত চার্জিং ও ব্যবহারের পরও ব্যাটারির স্বাস্থ্য ও ব্যাকআপ ভালো থাকে।

স্মুথনেস ও ব্যাটারি নির্ভরযোগ্যতার পাশাপাশি, ডিউরেবিলিটিও অপো এ সিরিজের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। দৈনন্দিন ব্যবহারের চাপ, দীর্ঘসময় হ্যান্ডলিং, ব্যাগ বা পকেটে বহন করা এবং ছোটখাটো দুর্ঘটনাজনিত আঘাত সহ্য করার উপযোগী করে স্মার্টফোনগুলো তৈরি করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘসময় ধরে ব্যবহারযোগ্যতা ও স্ট্রাকচারাল রিলায়েবিলিটি নিশ্চিত হয়।

এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিসট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপোতে আমরা বিশ্বাস করি, ব্যবহারকারীরা শুধু প্রথম দিনের জন্য নয়, বরং বছরের পর বছর ধরে স্মুথ, নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল অভিজ্ঞতা পেতে চান। বুয়েটের এই সার্টিফিকেশন আমাদের সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি।”


বাংলাদেশের টেকসই স্থাপত্য নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিশেষ প্রতিবেদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের স্থাপত্যশৈলীকে পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু-সহনশীল করার লক্ষ্যে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপস অ্যান্ড সেটেলমেন্টস একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত ২১ মে ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে 'সাসটেইনেবল আর্কিটেকচার প্র্যাকটিস' শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট স্থপতি, নগর পরিকল্পনাবিদ, গবেষক এবং নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে বাংলাদেশের স্থাপত্যচর্চার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে পরিচালিত এই বিস্তৃত গবেষণার নেতৃত্বে ছিল বেঙ্গল ইনষ্টিটিউট। এতে ২০১৫ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের সরকারি, বেসরকারি ও তৃণমূল পর্যায়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন টেকসই স্থাপত্যচর্চার চিত্র বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে মূলত স্থানীয় জ্ঞান ও সম্পদের সঠিক ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে উদ্ভাবনী নকশার কয়েকটি কেস স্টাডি তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর সমাধানগুলো খুঁজে বের করা এবং এই খাতের বিকাশে যথাযথ নীতিগত সুপারিশ পেশ করা।

বেঙ্গল ইনষ্টিটিউটের মহাপরিচালক কাজী খালিদ আশরাফ তাঁর বক্তব্যে স্থাপত্যের টেকসই ধারাকে একটি নতুন মানবিক ও বৈশ্বিক চিন্তা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, টেকসই স্থাপত্যের চর্চা এ দেশে নতুন কিছু নয় বরং এটি বহু শতাব্দী ধরেই চলে আসছে। এ দেশের মানুষ প্রাচীনকাল থেকেই স্থানীয় ভৌগোলিক ও জলবায়ুগত বাস্তবতাকে মাথায় রেখে এবং নিজস্ব উপকরণ ব্যবহার করে তাদের বসতি গড়ে তুলত। বর্তমানের এই প্রতিবেদনটি সেই ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানকে আধুনিক স্থাপত্যের সাথে সমন্বিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমান এই গবেষণা উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান যে, টেকসই স্থাপত্যের বৈচিত্র্যময় ও উদ্ভাবনী চর্চাগুলোকে বিশ্বমঞ্চে আনার এই প্রচেষ্টায় যুক্ত থাকতে পেরে তাঁরা গর্বিত। নকশার মাধ্যমে জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের যে যৌথ অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে, এই প্রকাশনা তারই প্রতিফলন। এটি কেবল সৃজনশীল অর্থনীতিতেই অবদান রাখবে না, বরং জলবায়ু-সহনশীলতা নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনাতেও বাংলাদেশের বিশেষ সক্ষমতা ও স্থানীয় সমাধানগুলোকে উপস্থাপন করবে।

সবশেষে এই গবেষণাধর্মী প্রতিবেদনটি নির্মাণ ও স্থাপত্য খাতে নতুন নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা গবেষণার বিভিন্ন কারিগরি ও নীতিনির্ধারণী দিক তুলে ধরেন এবং একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। সৃজনশীল শিল্পের বিকাশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি কার্যকর দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।


পূর্ব-তিমুরে রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটন টিভি, যাচ্ছে ১২তম শিপমেন্ট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশীয় ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও উচ্চ গুণগতমানের পণ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি মাল্টিন্যাশনাল ব্র্যান্ডটির টেলিভিশন রপ্তানি নেটওয়ার্কে একটি শক্তিশালী অবস্থানে পরিণত হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ পূর্ব-তিমুর। সম্প্রতি দেশটিতে ওয়ালটন টিভির ১২তম শিপমেন্ট সফলভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পণ্যবাহী কন্টেইনার নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পূর্ব-তিমুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে, যা বিশ্ববাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদারই প্রতিফলন।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, বর্তমানে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকার ৫৫টিরও বেশি দেশে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেস রপ্তানি হচ্ছে। পূর্ব-তিমুরে এই ১২তম শিপমেন্টটি মূলত বাংলাদেশ তথা ওয়ালটনের তৈরি অন্যান্য পণ্য দেশটিতে দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এক বিশাল মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। আন্তর্জাতিক বাজারে দেশি পণ্যের এই জয়যাত্রা দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

ওয়ালটন টিভির চিফ বিজনেস অফিসার সৌরভ আক্তার জানান, টেলিভিশন উৎপাদনে ওয়ালটন অত্যন্ত কঠোরভাবে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করছে। ইউরোপিয়ান ডিজাইন ও স্ট্যান্ডার্ডে তৈরি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির টিভি রপ্তানি করার কারণে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে ব্র্যান্ডটি। উন্নত পিকচার কোয়ালিটি, উচ্চ গুণগতমান এবং সাশ্রয়ী দামের পাশাপাশি সময়োপযোগী বিপণন কৌশল এই অসাধারণ সাফল্য অর্জনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। পূর্ব-তিমুরে এই রপ্তানি ধারা এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোতে ব্যবসা সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্তমানে ওয়ালটন টেলিভিশনের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইউরোপ। জার্মানি, গ্রিস, আয়ারল্যান্ড, পোল্যান্ড, স্পেন, ইতালি, রোমানিয়া, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডসসহ ইউরোপের এক ডজনেরও বেশি দেশে নিয়মিতভাবে ওয়ালটন টিভি রপ্তানি হচ্ছে। এসব উন্নত দেশে নিজস্ব ব্র্যান্ড লোগোর পাশাপাশি ওইএম (OEM) হিসেবেও পণ্য সরবরাহ করছে ওয়ালটন। উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো, ওয়ালটন টিভির মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশই বর্তমানে ইউরোপের বিশাল বাজার থেকে সংগৃহীত হচ্ছে, যা বাংলাদেশি কোনো ব্র্যান্ডের জন্য এক অনন্য নজির।

ইউরোপের পাশাপাশি এশিয়া এবং আফ্রিকা মহাদেশেও ওয়ালটন টিভির বাজার প্রতিনিয়ত বড় হচ্ছে। পূর্ব-তিমুর ছাড়াও বর্তমানে শ্রীলঙ্কা, সোমালিয়া, ভুটান ও লিবিয়াতে ওয়ালটন টিভি নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে এবং এসব অঞ্চলে বাজার সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে। বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও আধুনিক ফিচারের সমন্বয়ে ওয়ালটন তাদের বৈশ্বিক পদযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে আরও বড় অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


মুন্সিগঞ্জের বালিগাঁওয়ে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ৩৬তম শাখা উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

মুন্সিগঞ্জের বালিগাঁওয়ে আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য ব্যাংকিং সেবা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। গত ২১ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার, মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ি উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের আজিজুল হক বেপারী সুপার মার্কেট ভবনে ব্যাংকের ৩৬তম শাখাটি উদ্বোধন করা হয়। দেশব্যাপী শাখা ও উপশাখা বিস্তৃতি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই নতুন কেন্দ্রটি চালু করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

শাখাটির উদ্বোধন করেন বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সহায়ক ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দেশের এসএমই খাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল ও টেকসই করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। নতুন এই শাখার মাধ্যমে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও কে. এম. আওলাদ হোসেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ব্যাংকিং সেবাবঞ্চিত বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে আধুনিক আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়া বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স চ্যানেলকে সহজ ও নিরাপদ করতে এই শাখাটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সচিব মো. হুমায়ুন কবির, এফসিএস। এ সময় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন। নতুন এই শাখার মাধ্যমে স্থানীয় জনপদ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সুবিধার পাশাপাশি বিনিয়োগের নতুন নতুন সুযোগ পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক বর্তমানে তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, যার ফলশ্রুতিতে এই ৩৬তম শাখার যাত্রা শুরু হলো। আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ জনশক্তির সমন্বয়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে ব্যাংকটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মুন্সিগঞ্জের বালিগাঁও অঞ্চলে এই নতুন শাখা স্থাপনের ফলে স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।


শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ৯১৯তম ইসি সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর নির্বাহী কমিটির ৯১৯তম সভা সম্প্রতি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যাংকিং কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখা এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মো: সানাউল্লাহ সাহিদ সভায় সভাপতিত্ব করেন। তাঁর নির্দেশনায় কমিটির সদস্যবৃন্দ ব্যাংকের বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভার শুরুতে ব্যাংকের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় এবং বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন বিনিয়োগ কৌশল গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় মূলত বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন এবং ব্যাংকিং সম্পর্কিত বিবিধ বিষয়াবলী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বিশেষ করে দেশের উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং নীতিমালা অনুসরণ করে কীভাবে আরও জনবান্ধব সেবা প্রদান করা যায়, সে বিষয়ে কমিটির সদস্যগণ সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। এছাড়া ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি মজবুত করা এবং আধুনিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় প্রাধান্য পায়।

এই সভায় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান খন্দকার শাকিব আহমেদসহ পরিচালক ও কমিটির সদস্যদের মধ্যে জনাব মহিউদ্দিন আহমেদ, জনাব আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, ইঞ্জি. মো: তৌহীদুর রহমান, জনাব ফকির আখতারুজ্জামান এবং জনাব আবদুল হাকিম উপস্থিত ছিলেন। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সদস্যদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সুশাসন এবং সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নির্বাহী কমিটির এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব জনাব মো: আবুল বাশারও অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রমের প্রশাসনিক ও কারিগরি দিকগুলো পর্ষদ সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করেন। আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর স্বচ্ছ ব্যাংকিং সেবা গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘটে।


শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন বুনতে ব্র্যাক ও গার্ডিয়ান লাইফের যৌথ উদ্যোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

চট্টগ্রামের লালখান বাজারের রেলওয়ে এমপ্লয়িজ গার্লস’ হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এখন আনন্দের জোয়ার বইছে। সম্প্রতি এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন স্কুলব্যাগ ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া হয়েছে। ব্র্যাকের মাইক্রোফাইন্যান্স প্রোগ্রাম এবং গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে ‘স্মার্ট স্টুডেন্টস’ ফাইন্যান্স প্রজেক্টের আওতায় এই বিশেষ কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়। নতুন ব্যাগ ও উপকরণ হাতে পেয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মুখে যে হাসি ও উৎসাহ দেখা গেছে, তা উপস্থিত শিক্ষক ও অভিভাবকদের মুগ্ধ করেছে।

এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের পড়াশোনার পথকে আরও মসৃণ করা। অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়, যেখানে শিক্ষক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে মেয়েদের শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আয়োজনটি কেবল শিক্ষা উপকরণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং শিক্ষার্থীদের সফল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে ইংরেজি ভাষা শিক্ষা এবং অনলাইন শিক্ষার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়বে, তেমনি তারা আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে।

আয়োজিত আলোচনা সভায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ব্র্যাকের কমিউনিকেটিভ ইংলিশ কোর্সের সুযোগ কাজে লাগানোর সুপরামর্শ দেন। সভার একটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্থিক সচেতনতা গড়ে তোলা। বিশেষ করে ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে শিক্ষা সঞ্চয় ও শিক্ষা বীমার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আলোচনায় উঠে আসে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কীভাবে ছোটবেলা থেকেই সঠিক আর্থিক পরিকল্পনা করতে পারে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতেও পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পারে, সেই বিষয়ে সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এই মানবিক উদ্যোগ সম্পর্কে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম (এফসিএ) তাঁর গর্ব প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষা তরুণদের বড় স্বপ্ন দেখার আত্মবিশ্বাস জোগায় এবং সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরি করে। আগামী প্রজন্মকে তাদের স্বপ্ন পূরণে অনুপ্রাণিত করার এই মহতী কার্যক্রমের অংশ হতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি আরও জানান যে, এই প্রজেক্টটি কেবল চট্টগ্রামেই সীমাবদ্ধ নয়; ব্র্যাক ও গার্ডিয়ান লাইফ এ পর্যন্ত দেশের ৭১টি বিদ্যালয়ের ১ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১ হাজার ৫০০টি ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে।

এই শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে, যার মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নীলফামারী, চাঁদপুর ও নোয়াখালীর বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সামাজিক উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকার থেকে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স শিক্ষা, আর্থিক সচেতনতা এবং তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ব্র্যাকের সাথে এই টেকসই অংশীদারিত্ব প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে এবং একটি দক্ষ ও সচেতন প্রজন্ম তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।


লায়ন্স ক্লাব ও সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৫৪ রোগীর ছানি অপারেশন সম্পন্ন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ডাইনামিক সিটি এবং সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামের ৫৪ জন রোগীর বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রাম লায়ন্স চ্যারিটেবল চক্ষু হাসপাতাল ও চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে দুই ধাপে এই অস্ত্রোপচারগুলো পরিচালনা করা হয়। মূলত সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসচ্ছল মানুষের চোখের জ্যোতি ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিশেষ চিকিৎসা সেবার আয়োজন করা হয়েছিল।

অস্ত্রোপচার পরবর্তী সেবার বিষয়ে আয়োজকরা জানিয়েছেন, সফলভাবে অপারেশন সম্পন্ন হওয়া প্রত্যেক রোগীকে এক মাসের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সুরক্ষামূলক চশমা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে সকল রোগী চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এবং তারা শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই মানবিক কার্যক্রমটি পরিচালিত হওয়ায় এর মান ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

এই কার্যক্রমের সূত্রপাত হয়েছিল গত ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামের চন্দনাইশের ফতেহনগরস্থ শরিফুন্নেছা–নজিরউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি বিশাল চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প থেকে। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ডাইনামিক সিটির পরিকল্পনা ও সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সেই ক্যাম্পে প্রায় ৬৫০ জন সাধারণ মানুষকে চক্ষু বিষয়ক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছিল। ওই ক্যাম্প থেকেই ৮৫ জন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়।

শনাক্তকৃত রোগীদের মধ্য থেকে প্রথম পর্যায়ে ৫৪ জন রোগীকে গত ৯ মে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। হাসপাতালের আধুনিক যন্ত্রপাতির সহায়তায় অভিজ্ঞ শল্যবিদরা সফলভাবে এসব রোগীদের ছানি অপসারণ করেন। আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শনাক্ত হওয়া বাকি রোগীদেরও খুব দ্রুত পর্যায়ক্রমে একই প্রক্রিয়ায় উন্নত চিকিৎসা সেবা ও অস্ত্রোপচারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

লায়ন্স ক্লাব এবং সালমা আদিল ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে জনহিতকর ও সেবামূলক কাজে নিজেদের যুক্ত রেখেছে। অন্ধত্ব দূরীকরণ এবং মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার এই ক্ষুদ্র প্রয়াসটি স্থানীয় মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এই দুই প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বড় পরিসরে এই ধরনের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


এনসিসি ব্যাংকের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সহস্রাধিক রোগীকে চক্ষুসেবা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

নিজেদের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এনসিসি ব্যাংক বিভিন্ন সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ফেনীর ছাগলনাইয়ায় এক বিশাল বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। এনসিসি ব্যাংক ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ আই ট্রাস্ট হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি ছাগলনাইয়ার মৌলভী শামছুল করিম কলেজে এই সেবা প্রদান করা হয়। এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চক্ষু শিবিরের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোঃ নূরুন নেওয়াজ সেলিম। এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী পরিচালিত এই ক্যাম্পে এলাকার প্রায় ১ হাজার ১২৫ জন দরিদ্র ও অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চশমা প্রদান করা হয়েছে। শুধু প্রাথমিক চিকিৎসাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে, যেসব রোগীর ছানি অপারেশন প্রয়োজন তাদের বিশেষভাবে বাছাই করা হয়েছে। নির্বাচিত এই রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ঢাকার উন্নত হাসপাতালে যাতায়াত, থাকা-খাওয়া এবং আধুনিক ফ্যাকো মেশিনে অপারেশনের ব্যবস্থা করবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এছাড়া অপারেশন পরবর্তী প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সুরক্ষামূলক কালো চশমাও ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানান ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু। তিনি বলেন, এনসিসি ব্যাংকের এই সেবামূলক কার্যক্রমের ফলে ফেনী জেলার অনেক অসহায় মানুষ অন্ধত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। অন্যদিকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোঃ নূরুন নেওয়াজ সেলিম তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, এনসিসি ব্যাংক কেবল মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যেই ব্যবসা করে না, বরং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো মৌলিক চাহিদা পূরণে সবসময় পাশে থাকে। এই আয়োজনে কারিগরি সহযোগিতা দেওয়ার জন্য তিনি বাংলাদেশ আই ট্রাস্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন ব্যাংকের বহুমুখী সিএসআর কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ব্যাংকটি নিয়মিতভাবে দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষি উপকরণ ও যন্ত্রপাতি প্রদান এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করে আসছে। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ এবং চরাঞ্চলের মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতেও বিনিয়োগ করছে এনসিসি ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় ছাগলনাইয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের চোখের জ্যোতি ফিরিয়ে দিতে এই বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।

পরিশেষে, এই ধরনের মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় এলাকাবাসী ও সুধী সমাজ এনসিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর এ ধরনের অংশগ্রহণ দেশের স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


এমএসএমই ও এগ্রো প্রসেসিং খাতে ঋণ দিতে সিটিজেনস ব্যাংকের চুক্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সম্প্রতি সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। দেশের মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) খাতের সার্বিক উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার ক্লাস্টার ফাইন্যান্সিং স্কিম এবং ২ হাজার কোটি টাকার এগ্রো প্রসেসিং স্কিম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের (এসএমইএসপিডি) পরিচালক নওশাদ মুস্তফা এবং সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর ও বিনিময় করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে পারস্পরিক সহযোগিতার এই নতুন অধ্যায়কে স্বাগত জানান।

এই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় সিটিজেনস ব্যাংক ক্লাস্টার ও এগ্রো প্রসেসিং খাতের উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, যোগ্য উদ্যোক্তারা এই স্কিমের মাধ্যমে মাত্র ৭ শতাংশ সহজ সুদ হারে ঋণ সুবিধা লাভ করবেন। দেশের কৃষিভিত্তিক শিল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক ক্লাস্টারগুলোকে শক্তিশালী করতে এই স্বল্প সুদের ঋণ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা শিখা এবং সিটিজেনস ব্যাংকের এসএমআর অ্যান্ড মার্কেটিং ডিভিশনের প্রধান বিজয় চন্দ্র দাসসহ দুই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আলোচনায় জানানো হয়, এমএসএমই খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। সিটিজেনস ব্যাংক এখন থেকে সরাসরি মাঠপর্যায়ে এই তহবিল বিতরণের মাধ্যমে গ্রামীণ ও আধা-শহুরে অর্থনীতিতে গতির সঞ্চার করবে।

সবশেষে, এই চুক্তিটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এমএসএমই খাতের অবদান বৃদ্ধির একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এগ্রো প্রসেসিং খাতের আধুনিকায়ন এবং শিল্প ক্লাস্টারগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে এই বিশাল অংকের তহবিল থেকে সিটিজেনস ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে। এর ফলে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের উদ্যোক্তারা আর্থিক সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জন করবেন।


banner close