এনসিসি ব্যাংক সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ার ৫০০ প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনা মূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেছে। এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. এহেতেশাম রেজা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুষ্টিয়া জেলার প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে গত শনিবার বিভিন্ন প্রকারের বীজ, সার ও কীটনাশক বিতরণ করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার পার্থ প্রতিম শীল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. হায়াত মামুদ এবং ওয়েব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মহসীন আলী এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অন্যদের মধ্যে এনসিসি ব্যাংকের এসইভিপি ও কোম্পানি সেক্রেটারি মো. মনিরুল আলম, সিআরএম ডিভিশনের এসভিপি মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলামসহ কুষ্টিয়া শাখার ব্যবস্থাপক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. এহেতেশাম রেজা এনসিসি ব্যাংকের কৃষি উপকরণ বিতরণের এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানান। কুষ্টিয়া জেলার প্রান্তিক কৃষকরা এনসিসি ব্যাংকের এই কার্যক্রমের মাধ্যমে উপকৃত হবে এবং অত্র এলাকার কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই কার্যক্রম সহায়ক হবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব আলম বলেন, এনসিসি ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের প্রতি ইঞ্চি জায়গা চাষযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এনসিসি ব্যাংক কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে কৃষি যন্ত্রপাতিসহ আরও উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ কৃষকদের মধ্যে বিনা মূল্যে বিতরণ করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিজ্ঞপ্তি
আসন্ন আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের পেশাদার নারী পেইন্টারদের পাশে দাঁড়াতে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক এবং বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ঘোষণা দিয়েছে। এই সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হলো নারী পেইন্টারদের জন্য একটি সমন্বিত এবং পূর্ণাঙ্গ সহায়তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, যা তাদের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
মূলত মানুষের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে নারীদের জন্য কাজের পরিধি বাড়ানোই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে প্রথাগতভাবে পুরুষতান্ত্রিক হিসেবে পরিচিত পেইন্টিং পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা হচ্ছে।
বার্জার পেইন্টস তাদের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে নারী পেইন্টারদের প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন করছে, যা তাদের বার্জারের ‘এক্সপ্রেস পেইন্টিং সার্ভিস’-এ সরাসরি যুক্ত হওয়ার পথ প্রশস্ত করছে। অন্যদিকে, এই নারী কর্মীদের ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলালিংক তাদের বিশেষ সিম কার্ড প্রদান করছে, যা তাদের ব্যবসায়িক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এর ফলে গ্রাহকেরা বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন আউটলেটের মাধ্যমে সহজেই এই নারী পেইন্টারদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।
ডিজিটাল জীবনযাত্রাকে সহজ করতে বাংলালিংক এই নারী পেইন্টারদের কিস্তিতে স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে প্রাথমিক ডাউন পেমেন্ট প্রদানের দায়িত্ব নিয়েছে। এর ফলে তারা অনলাইনে নিজেদের কাজের প্রচার এবং নতুন নতুন কাজ শেখার সুযোগ পাবেন। আর্থিক সচ্ছলতা বাড়াতে তাদের ‘বিএল পাওয়ার’ অ্যাপের মাধ্যমে রিচার্জ এজেন্ট হিসেবে যুক্ত করা হবে, যা পেইন্টিংয়ের কাজের পাশাপাশি আয়ের একটি বিকল্প উৎস হিসেবে কাজ করবে।
নারী পেইন্টারদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকেও এই উদ্যোগে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ‘মাইবিএল’ অ্যাপের মাধ্যমে তারা বছরজুড়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়ার পাশাপাশি সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমা এবং জীবনবিমার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজনে চিকিৎসায় ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিমা দাবি করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “বাংলালিংকে আমরা সব সময় মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিই। আমরা বিশ্বাস করি, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নারীদের জন্য স্বাধীন ও টেকসই জীবিকার নতুন পথ খুলে দিতে পারে। বার্জার পেইন্টসের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা এসব অগ্রগামী নারীর পাশে থাকতে চাই- সংযোগ, ডিজিটাল সরঞ্জাম, আয়ের সুযোগ ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে। এতে তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের পেশাগত ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে পারবেন।”
একইভাবে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের চিফ মার্কেটিং অফিসার সালাহউদ্দীন আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশের পেইন্টিং শিল্পে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে বার্জার সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এই উদ্যোগ সেই যাত্রার আরেকটি ধাপ। বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন আউটলেটের মাধ্যমে নারী পেইন্টারদের ‘এক্সপ্রেস পেইন্টিং সার্ভিস’ চালুর ফলে দক্ষ নারীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্রাহকেরাও আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও আস্থার সঙ্গে সেবা নিতে পারবেন। এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে এবং এসব পেশাজীবীকে মর্যাদা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পাশে থাকায় বাংলালিংকের ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
এই সম্মিলিত প্রয়াস দেশের নারীদের অপ্রচলিত পেশায় আগ্রহী করতে এবং একটি টেকসই ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
ব্যাংক গ্রাহকদের কাছে বীমা সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্মাননা জানিয়েছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল) ও মেটলাইফ বাংলাদেশ। সম্প্রতি আয়োজিত ‘ব্যাংকাস্যুরেন্স অ্যাওয়ার্ডস নাইট অ্যান্ড কিক-অফ ২০২৬’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানী ঢাকায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মূলত মেটলাইফ বাংলাদেশের অন্যতম অংশীদার হিসেবে ইবিএল-এর যে সকল কর্মকর্তা বীমা সমাধান গ্রাহকদের দ্বারে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের সাফল্য উদযাপনই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে ইবিএল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলী রেজা ইফতেখার বলেন, “দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক হিসেবে গ্রাহকদের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক সমাধান প্রদানে ইবিএল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সুরক্ষায় বীমা সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মেটলাইফের সাথে আমাদের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহকেরা তাদের ভবিষ্যতের সুরক্ষা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হতে পারবেন।” মেটলাইফের সাথে এই যৌথ পথচলা গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমেদ বলেন, “ইবিএল-এর সাথে ব্যাংকাস্যুরেন্স এর এই সফল পথচলা উদযাপন করতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। দেশজুড়ে ইবিএল-এর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা এখন সহজেই নির্ভরযোগ্য বীমা সেবাগুলো গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা ও আর্থিক সক্ষমতা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখবে।” এই অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের জন্য নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং ব্যাংকাস্যুরেন্স যাত্রাকে আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
আয়োজনে উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ইবিএল-এর পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব রিটেইল অ্যান্ড এসএমই ব্যাংকিং এম. খোরশেদ আনোয়ার এবং ইভিপি ও হেড অব ওয়েলথ অ্যান্ড লায়াবিলিটিস শারমিন আতিক অংশগ্রহণ করেন। মেটলাইফ বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির এএমডি ও চিফ ডিস্ট্রিবিউশন অফিসার জাফর সাদেক চৌধুরী এবং ডিরেক্টর ও হেড অব ব্যাংকাস্যুরেন্স সাবরিনা আরিফিন। এই সম্মিলিত উদ্যোগ ভবিষ্যতে গ্রাহকদের বীমা ও ব্যাংকিং সেবা একই ছাদের নিচে পেতে আরও সহায়ক হবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
ব্যাংকিং খাতের আধুনিকায়ন এবং ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে এ.এস.এম. ওয়াসি নোমানকে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার (সিআইও) হিসেবে নিযুক্ত করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। গত ৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় ব্যাংকটির পক্ষ থেকে এই নতুন নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের সুদীর্ঘ ইতিহাসে এটিই প্রথম চিফ ইনফরমেশন অফিসার পদ সৃষ্টি, যা ব্যাংকটির প্রযুক্তিগত কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নতুন এই দায়িত্বে ওয়াসি নোমান মূলত ব্যাংকটির তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল উদ্ভাবন সংক্রান্ত কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেবেন। ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি একই সাথে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল ব্যাংকিং বিভাগের কার্যক্রম দেখাশোনা করবেন, যার মাধ্যমে ব্যাংকটির দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো সম্ভব হবে। গ্রাহক সেবার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ-মুখী ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর এই নিয়োগ একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।
ওয়াসি নোমানের রয়েছে ব্যাংকিং, টেলিযোগাযোগ এবং আইটি খাতে দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা। কর্মজীবনে তিনি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে চিফ টেকনোলজি অফিসার ও চিফ অপারেটিং অফিসারসহ শীর্ষস্থানীয় পদে সফলতার সাথে কাজ করেছেন। ব্র্যাক ব্যাংকে যোগ দেওয়ার আগে তিনি মেটলাইফ বাংলাদেশে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ইতিপূর্বে তিনি গ্রামীণফোন, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক এবং অ্যাকসেঞ্চারের মতো বড় প্রতিষ্ঠানেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। উল্লেখ্য যে, ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ টেকনোলজি অফিসার হিসেবেও যুক্ত ছিলেন।
এই নিয়োগের তাৎপর্য তুলে ধরে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “প্রযুক্তিকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে আমরা আমাদের ব্যাংকের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই। ব্র্যাক ব্যাংকে প্রথম চিফ ইনফরমেশন অফিসার নিয়োগ আমাদের সেই কৌশলগত পরিকল্পনারই প্রতিফলন। ওয়াসি নোমানের দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার বিস্তর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা আমাদের ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। তাঁর নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, উদ্ভাবনী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংক হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবো বলে আশা রাখি।”
শিক্ষাগত জীবনে ওয়াসি নোমান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও তিনি লন্ডনের ফ্যালকনবুরি ইনস্টিটিউট থেকে কারিগরি পেশাজীবীদের জন্য বিশেষায়িত এক্সিকিউটিভ এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর এই নিয়োগ ব্র্যাক ব্যাংকের প্রযুক্তিনির্ভর উৎকর্ষ সাধনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
পবিত্র রমজান মাসে গ্রাহকদের গ্রোসারি কেনাকাটায় বাড়তি স্বস্তি দিতে বিশেষ আয়োজন শুরু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপ্যান্ডা। প্রাইম ব্যাংকের সাথে যৌথভাবে শুরু হওয়া এই মাসব্যাপী ক্যাম্পেইনটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘রামাদান ফেস্ট প্রেজেন্টেড বাই প্রাইম ব্যাংক’।
গত শুক্রবার ০৬ মার্চ ২০২৬, রাজধানী ঢাকায় এই ডিজিটাল গ্রোসারি উৎসবের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এর মাধ্যমে মূলত সাধারণ মানুষের ইফতার ও সেহরির কেনাকাটাকে আরও সহজ ও পকেট-সাশ্রয়ী করে তোলাই এই দুই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
এই বিশেষ প্রচারণার আওতায় গ্রাহকরা নিত্যপ্রয়োজনীয় রান্নার উপকরণ থেকে শুরু করে টাটকা শাকসবজি, বেবি প্রোডাক্ট এবং স্ন্যাকসসহ ইফতারের বিভিন্ন পণ্য কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়ের সুবিধা পাবেন। এর বাইরেও নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর একটি কিনলে একটি ফ্রি পাওয়ার সুযোগের পাশাপাশি ফুডপ্যান্ডার বিশেষ ‘DEALNAO’ অফারে মিলবে আরও ১৫০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত সাশ্রয়। যারা ক্যাশলেস পেমেন্ট বা কার্ডের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করবেন, তাদের জন্য থাকছে আরও একাধিক আকর্ষণীয় ভাউচার সুবিধা।
উৎসবের আনন্দকে গ্রাহকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া গিফট বক্স অফারটি আগামী ২১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। প্যান্ডামার্ট থেকে সর্বনিম্ন ১২৯৯ টাকার পণ্য অর্ডার করলে গ্রাহকরা এই বিশেষ উপহারটি সংগ্রহ করতে পারেন। তবে সীমিত স্টকের কারণে এটি আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে বিতরণ করা হবে বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়। মূলত ডিজিটাল পেমেন্ট ও অনলাইন গ্রোসারি সেবাকে জনপ্রিয় করতেই এই সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
জনতা ব্যাংক পিএলসি-র ব্যবসায়িক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বগুড়া অঞ্চলের শাখা ব্যবস্থাপকদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার স্থানীয় একটি সম্মেলন কেন্দ্রে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান।
বগুড়া বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক-ইনচার্জ মোঃ আবদুল আলীম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান। সম্মেলনে বিভাগীয় কার্যালয়ের বিভিন্ন এরিয়া প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং সকল শাখা ব্যবস্থাপকগণ অংশগ্রহণ করেন। সভায় ব্যাংকের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে সতর্কতা ও নৈতিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে সম্মেলনে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান ঋণ দেওয়ার আগে গ্রাহকের ঋণ পরিশোধের মানসিকতা আছে কি-না, তা দেখে ভাল গ্রাহকদের মাঝে ঋণ বিতরণের নির্দেশনা দেন। এই নির্দেশনার মাধ্যমে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ঝুঁকি কমানো এবং স্বচ্ছ ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করল সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি। এই উদ্ভাবনী পদক্ষেপটি দেশের কার্ড শিল্পের অগ্রযাত্রায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত বুধবার রাজধানীর হোটেল শেরাটন ঢাকায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন সেবার যাত্রা শুরু হয়। এই উদ্যোগটি মূলত যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং একটি দায়িত্বশীল ঋণ সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্যাংকের কৌশলগত অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের যোগ্য শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে এই ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। অভিভাবকের নিশ্চয়তার মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও ঝুঁকিহীন কাঠামো নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, ডিজিটাল ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। এতে করে তরুণ সমাজ অল্প বয়স থেকেই দায়িত্বশীল আর্থিক আচরণ এবং সুশৃঙ্খল লেনদেনের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে পারবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জনাব মোঃ জাকির হোসেন চৌধুরী। তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি সুরক্ষিত ও সুসংগঠিত ক্রেডিট কার্ড চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ব্যাংককে অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে তিনি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে আর্থিক সাক্ষরতা ও দায়িত্বশীল ঋণগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ দেশের আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করবে।” একই সঙ্গে তিনি যথাযথ কমপ্লায়েন্স ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-র চেয়ারম্যান জনাব এম. এ. কাসেম এই সেবাটিকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, “ব্যাংক ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে বিশ্বাসী এবং তরুণদের জন্য দায়িত্বশীল ও কাঠামোবদ্ধ আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।” অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ খালিদ মাহমুদ খান। আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, “দেশের প্রথম ভিসা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল আর্থিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য নিরাপদ কাঠামো, নিয়ন্ত্রিত ক্রেডিট সীমা এবং শক্তিশালী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ডিজাইন করা হয়েছে।”
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব আজিজ আল কায়সার অ্যাকাডেমিয়া ও ব্যাংকিং খাতের মধ্যে সহযোগিতার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক আর্থিক পণ্য যেমন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড আর্থিক অন্তর্ভুক্ত বৃদ্ধি, দায়িত্বশীল আর্থিক অভ্যাস তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত ও ব্যক্তিগত ব্যয় পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।” অনুষ্ঠানে ভিসা ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ম্যানেজার জনাব সাব্বির আহমেদ খানসহ নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, আশা ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এই কার্ডটিতে রয়েছে নিয়ন্ত্রিত ক্রেডিট সীমা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর জন্য দ্বৈত লেনদেন সতর্কতা এবং পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধা। বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন পূর্ণাঙ্গভাবে অনুসরণ করে তৈরি করা এই কার্ডটি শক্তিশালী ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করবে। অনুষ্ঠানের শেষাংশে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্ড তুলে দেওয়া হয়। গণমাধ্যমে প্রেরিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি একটি গ্রাহক-কেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিজিটাল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-র নির্বাহী কমিটির ৯১৪তম সভা গত বুধবার ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান খন্দকার শাকিব আহমেদ।
সভায় বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন এবং ব্যাংকিং সম্পর্কিত বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালক ও কমিটির সদস্যবৃন্দ জনাব মহিউদ্দিন আহমেদ, জনাব আক্কাস উদ্দিন মোল্লা, ইঞ্জি. মো: তৌহিদুর রহমান, জনাব ফকির আখতারুজ্জামান এবং জনাব আব্দুল হাকিম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব জনাব মো: আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন।
দেশের অন্যতম শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক তার পেমেন্ট সেবাদাতা সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘নিও ক্যাসিস’-এর মাধ্যমে ‘মুক্ত পে’ নামে একটি নতুন ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চালু করতে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সাথে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তারা। বাংলাদেশে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
গত ৪ মার্চ স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত ‘মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস’-এ এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরিক আস এবং হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার টিম ঝো নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
‘মুক্ত পে’ প্ল্যাটফর্মটি হুয়াওয়ের সর্বাধুনিক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা অত্যন্ত নিরাপদে ও তাৎক্ষণিকভাবে ছোট-বড় সব ধরনের ডিজিটাল লেনদেন করতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়াটিতে ব্যাংকিং খাতের মতো উচ্চমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে, যা গ্রাহকদের লেনদেনকে করবে আরও নির্ভরযোগ্য।
‘মুক্ত’ শব্দের অর্থ স্বাধীন। বাংলালিংকের লক্ষ্য হলো আর্থিক সেবাকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য ও উন্মুক্ত করে দেওয়া। বিশেষ করে যারা প্রথাগত ব্যাংকিং সেবার বাইরে বা সীমিত সুবিধা পান, তাদের ডিজিটাল অর্থনীতির আওতায় আনাই এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলালিংক কেবল একটি টেলিকম কোম্পানি হিসেবে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে নিজেদের রূপান্তরের প্রমাণ দিচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের জন্য অনাপত্তিপত্র প্রদান করেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই ‘মুক্ত পে’ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করবে।
বাংলালিংকের সিইও এরিক আস বলেন, “আমাদের প্রতিটি উদ্যোগের মূলে থাকে গ্রাহক সেবা। ‘মুক্ত পে’ চালুর মাধ্যমে আমরা ডিজিটাল আর্থিক সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। হুয়াওয়ের উন্নত প্রযুক্তি আমাদের এই লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
অন্যদিকে, হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার সিওও টিম ঝো বলেন, “বাংলালিংকের ডিজিটাল কৌশলের অংশ হতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমাদের সর্বাধুনিক ফিনটেক প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা একটি নিরাপদ ও শক্তিশালী ডিজিটাল আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে চাই, যা বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে বড় অবদান রাখবে।”
দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ইলেক্ট্রো মার্ট লিমিটেড বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এলো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড কনকা’র নতুন প্রজন্মের ‘মিনি এআই এলইডি’ গুগল টিভি। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন এই টিভি সিরিজটি প্রযুক্তিপ্রেমী গ্রাহকদের জন্য এক নতুন অভিজ্ঞতার দুয়ার উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন থেকে ইলেক্ট্রো মার্টের সকল রিটেইল শোরুম এবং পার্টনার শোরুমে এই অত্যাধুনিক গুগল টিভি পাওয়া যাবে।
‘লাইভ লিমিটলেস’ স্লোগানকে সামনে রেখে আনা এই ১০০ ইঞ্চির বিশাল গুগল টিভিতে ব্যবহার করা হয়েছে ২৮৮ হার্টজ এআই রিফ্রেশ রেট, যা আল্ট্রা স্মুথ মোশন নিশ্চিত করে। ফলে স্পোর্টস, অ্যাকশন মুভি কিংবা গেমিংয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে অসাধারণ মসৃণ ও বাস্তবসম্মত ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা। উন্নত চিত্রমানের জন্য এতে রয়েছে ৫৭৬ জোন লোকাল ডিমিং এবং ১০০০ নিটস পিক ব্রাইটনেস প্রযুক্তি, যা ছবির অন্ধকার অংশকে আরও গভীর এবং উজ্জ্বল অংশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। এছাড়া এর কালার গ্যামুট প্রযুক্তি মিলিয়ন রিচ কালার প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রতিটি ফ্রেমকে প্রিমিয়াম মানে উন্নীত করে।
অডিও পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রেও এই টিভিটি অনন্য। এতে রয়েছে ২০০ ওয়াট পর্যন্ত শক্তিশালী ডলবি অডিও সিস্টেম, যা ঘরেই সিনেমা হলের মতো শব্দানুভূতি তৈরি করবে। ৪-কে আল্ট্রা এইচডি রেজোলিউশনের এই স্মার্ট টিভিতে আরও রয়েছে বিল্ট-ইন ভয়েস কন্ট্রোল ফিচার, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই শব্দ বা বিভিন্ন ফাংশন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। গ্রাহকদের বাড়তি নিরাপত্তা ও আস্থার জন্য এই ১০০ ইঞ্চির কনকা গুগল টিভির প্যানেলে ৪ বছরের দীর্ঘ ওয়ারেন্টি ঘোষণা করেছে ইলেক্ট্রো মার্ট।
সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে ইলেক্ট্রো মার্টের কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই নতুন টিভি সিরিজের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের ডিএমডি মো. নুরুল আফছার বলেন, কনকা টিভি সিরিজটি ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি গ্রাহকদের আধুনিক প্রযুক্তির স্বাদ দিতে এবং আগামী ফুটবল বিশ্বকাপকে আরও উপভোগ্য করে তুলতে তাঁরা এই প্রিমিয়াম সিরিজটি বাজারে এনেছেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ সাজ্জাদ-উন-নেওয়াজ, মোহাম্মদ নুরুচ্ছাফা বাবু, বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের জিএম মাহমুদুন নবী চৌধুরী এবং এনএসএম জুলহাক হোসাইনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ইলেক্ট্রো মার্ট কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে, আধুনিক প্রযুক্তি ও নান্দনিক নকশার এই নতুন কনকা টিভি সিরিজটি দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হবে।
গ্রাহকদের জন্য এক ছাতার নিচে সমন্বিত ব্যাংকিং ও বীমা সুবিধা পৌঁছে দিতে একযোগে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। ‘ওয়ান পার্টনারশিপ, কমপ্লিট প্রোটেকশন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সম্প্রতি এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে কমিউনিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই বিশেষ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এই সহযোগিতার মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকদের জন্য অধিকতর আধুনিক, নিরাপদ এবং গ্রাহককেন্দ্রিক আর্থিক সেবা নিশ্চিত করা।
এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে এমন কিছু আর্থিক সমাধান প্রদান করবে যা একদিকে যেমন দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বীমা সচেতনতা বাড়াবে, তেমনি অন্যদিকে জাতীয় পর্যায়ে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও সহায়ক হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে উদ্ভাবনী ব্যাংকিং ও বীমা সেবা প্রদানের ফলে গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা আগের চেয়ে আরও সুসংহত হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। চুক্তিতে কমিউনিটি ব্যাংকের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাআদত এবং গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রাকিবুল করিম স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের উপস্থিতি এই চুক্তির গুরুত্বকে আরও জোরালো করে তুলেছে। কমিউনিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে চিফ অপারেটিং অফিসার সামসুল হক সুফিয়ানী, হেড অব করপোরেট ব্যাংকিং ড. মো. আরিফুল ইসলাম, সিআইটিও মো. তানজীম মোর্শেদ ভূঁইয়া এবং চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম কাদিরসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষে হেড অব মাইক্রো, এডিসি ও ডিজিটাল চ্যানেল আব্দুল হালিম এবং ভিপি মো. নওশাদুল করিম চৌধুরীসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই সমঝোতাকে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁরা মনে করেন, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বীমা সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ গ্রাহকদের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। ‘ওয়ান পার্টনারশিপ, কমপ্লিট প্রোটেকশন’ স্লোগানটির মাধ্যমে মূলত গ্রাহকদের প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা ও আস্থার অঙ্গীকারই ফুটে উঠেছে। এর মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকরা এখন আরও স্বাচ্ছন্দ্যে ও দ্রুততার সঙ্গে বীমা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
পবিত্র রমজান মাসের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশে এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বিশ্বখ্যাত বাণিজ্যিক যানবাহন ব্র্যান্ড ‘আইশার ট্রাকস অ্যান্ড বাসেস’। ‘পরিচ্ছন্নতার সাথে, ঈমানের পথে’ শীর্ষক এই দেশব্যাপী প্রচারণাটি আইশারের চ্যানেল পার্টনার রানার মোটরস এবং র্যাংগস মোটরসের যৌথ নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং জনসাধারণের ব্যবহারের স্থানগুলোর যত্ন নেওয়ার লক্ষ্যে এই উদ্যোগটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বরিশালের রূপাতলী বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রা শুরু করে এবং ৩ মার্চ সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে এসে সমাপ্ত হয়।
আইশারের এই প্রচারণাটি তাদের ব্র্যান্ড দর্শন ‘নতুন সময়, নতুন ভাবনা’-এর একটি বাস্তব প্রতিফলন। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, কেবল উন্নত বাণিজ্যিক যানবাহন সরবরাহ করাই তাদের একমাত্র কাজ নয়, বরং সমাজ ও পরিবেশের উন্নয়নে অবদান রাখাও তাদের অগ্রগতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রচারণার অংশ হিসেবে ১ মার্চ ফরিদপুর বাস টার্মিনালে পরিবহন কর্মীদের সাথে নিয়ে একটি বিশাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। এরপর ২ মার্চ মাদারীপুর সরকারি কলেজে এই উদ্যোগটি স্থানান্তরিত হলে সেখানে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
সর্বশেষ ৩ মার্চ সাভারে জাতীয় শহীদ স্মৃতিসৌধের সম্মুখভাগে সফলভাবে এই অভিযানের সমাপ্তি টানা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ায় যাত্রী, শিক্ষার্থী, পরিবহন কর্মী এবং সাধারণ স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। আইশার ট্রাকস অ্যান্ড বাসেস এবং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রানার ও র্যাংগস মোটরস মনে করে, এ ধরনের উদ্যোগ জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের পরিবহন খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যেও ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করবে। সম্প্রদায়ের কল্যাণে এ ধরনের সেবামূলক কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
টাঙ্গাইলের সখিপুরে সোনালী ব্যাংক পিএলসির শাখা ভবনের আধুনিকায়ন কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং গ্রাহকদের সুবিধার্থে একটি নতুন এটিএম বুথ সেবা চালু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (এমডি) অ্যান্ড সিইও মো. শওকত আলী খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আধুনিকায়নকৃত শাখা ও এটিএম বুথের উদ্বোধন করেন। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবাকে আরও গতিশীল ও গ্রাহকবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই সংস্কার কাজ পরিচালনা করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমডি অ্যান্ড সিইও-র সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ঢাকা নর্থের জেনারেল ম্যানেজার ইনচার্জ মো. মাহফুজুর রহমান, প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এস. এম. হাবিবুর রহমান এবং প্রিন্সিপাল অফিস ঘাটাইলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মুহাম্মদ খোরশেদ আলম খান। এছাড়া অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল অঞ্চলের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, সখিপুর শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ব্যাংকের গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। আধুনিক এই কর্মপরিবেশে এখন থেকে গ্রাহকরা আগের চেয়ে আরও উন্নত পরিবেশে মানসম্মত ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
সখিপুর এলাকার গ্রাহকদের ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন লেনদেনের সুবিধা নিশ্চিত করতে এই নতুন এটিএম বুথটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মনে করছে। উদ্বোধন শেষে ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী মো. শওকত আলী খান উপস্থিত কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিকাশে সোনালী ব্যাংকের অবদান অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। আধুনিকায়নকৃত এই শাখাটি এলাকার আর্থিক সেবা প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দকে গ্রাহকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে দেশের জনপ্রিয় বিউটি ও লাইফস্টাইল রিটেইল চেইন ‘সুন্দোরা’ শুরু করেছে মাসব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন ‘দ্য জয় অফ ঈদ’। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবের আওতায় গ্রাহকরা কসমেটিকস, সুগন্ধি বা পারফিউম, লাইফস্টাইল পণ্য এবং শিশুদের খেলনার ওপর ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বিশাল ছাড় উপভোগ করতে পারছেন। ঈদ কেনাকাটাকে আরও আকর্ষণীয় ও সাশ্রয়ী করতে সুন্দোরার এই উদ্যোগ ইতিমধ্যে ফ্যাশন সচেতন গ্রাহকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এবারের ঈদের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সুন্দোরা তাদের নিজস্ব মেকআপ সরঞ্জাম ব্র্যান্ড ‘সুন্দোরা কালেকশন’ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে উন্নতমানের মেকআপ ব্রাশ ও স্পঞ্জ লাইন। এছাড়া সুন্দোরা বিউটির সংগ্রহে রয়েছে ক্যারোলিনা হেরেরা, প্রাডা, জঁ পল গতিয়ে, ভিক্টর অ্যান্ড রলফ, ম্যাক, টনি মলি এবং ইয়াঙ্কি ক্যান্ডেলের মতো বিশ্বখ্যাত ও প্রিমিয়াম সব ব্র্যান্ডের পণ্য। অন্যদিকে, শিশুদের ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে সুন্দোরা টয়েজে রয়েছে লেগো, বার্বি ও হট হুইলসের মতো আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় সব খেলনার বিপুল সমাহার।
সুন্দোরার রিটেইল মার্কেটিং লিড মুনাওয়ার চৌধুরী এই ক্যাম্পেইন সম্পর্কে বলেন যে, ঈদ মানেই প্রিয়জনদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। তাঁরা চেয়েছেন গ্রাহকদের জন্য কেবল কেনাকাটার সুযোগই নয়, বরং আউটলেটগুলোতে একটি পূর্ণাঙ্গ উৎসবমুখর পরিবেশ উপহার দিতে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে আউটলেটগুলোতে বিশেষ সজ্জার পাশাপাশি রাখা হয়েছে লাইভ প্রোডাক্ট ডেমোনেস্ট্রেশনের ব্যবস্থা, যাতে ক্রেতারা পণ্য ব্যবহারের অভিজ্ঞতা সরাসরি পরখ করে নিতে পারেন।
রাজধানীর বনানী, গুলশান, ধানমন্ডি ও যমুনা ফিউচার পার্কের সুপরিসর আউটলেটগুলোর পাশাপাশি গ্রাহকরা ঘরে বসেই সুন্দোরার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (sundora.com.bd) থেকে এই আকর্ষণীয় অফারগুলো উপভোগ করতে পারবেন। আভিজাত্য আর সাশ্রয়ের এই মেলবন্ধনে সুন্দোরার ‘দ্য জয় অফ ঈদ’ ক্যাম্পেইনটি ঈদ কেনাকাটায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সব মিলিয়ে উৎসবের এই দিনগুলোতে সেরা ব্র্যান্ডের আসল পণ্য নিশ্চিত করতে সুন্দোরা এখন ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করছে।