বাংলাদেশে অটোমোবাইল সেক্টরের স্বনামধন্য, সুপ্রতিষ্ঠিত ও শীর্ষস্থানীয় মোটরসাইকেল আমদানিকারক, প্রস্তুতকারী, সংযোজনকারী ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান উত্তরা মোটর্স লিমিটেড মোটরসাইকেল বিক্রয় ও বিপণনে এককভাবে ৪৬% মার্কেট শেয়ারের অধিকারী। বর্তমানে বাংলাদেশের রাস্তায় পঁচিশ লাখেরও অধিক সংখ্যক বাজাজ মোটরসাইকেল চলাচল করছে। উত্তরা মোটর্স সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক বিক্রীত বাজাজ মোটরসাইকেল দীর্ঘ ৪ দশকেরও বেশি সময় ধরে সমগ্র দেশব্যাপী ১৫টি শাখা অফিস, চার শর অধিক মোটরসাইকেল থ্রি এস ডিলারের মাধ্যমে বাজারজাত ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ানের মাধ্যমে থানা/গ্রামগঞ্জে বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান নিশ্চিত ও সহজলভ্য করে আসছে। গত ১০ নভেম্বর চট্টগ্রামে উত্তরা মোটর্সের ‘বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২৩’ অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরা গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে কোম্পানির চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও কক্সবাজার শাখার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ডিলাররা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক কাজী ইমদাদ হোসেন, পরিচালক অর্থ ও প্রশাসন এ বি এম হুমায়ুন কবির, হেড অব বিজনেস প্লানিং নাঈমুর রহমান, প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মাশফিকুর রহমানসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাজাজ ডিভিশনের চিফ অপারেটিং অফিসার শাহাদাত হোসেন। পরিচালক অর্থ ও প্রশাসন এ বি এম হুমায়ুন কবির বিগত সালের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন। নির্বাহী পরিচালক কাজী ইমদাদ হোসেন গত অর্থ বছরের অর্জিত কোম্পানির ব্যবসায়িক বিভিন্ন দিক ডিলারদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ডিলারদের অবহিত করেন এবং প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান। হেড অব বিজনেস প্লানিং নাঈমুর রহমান বিগত সালের বিজনেস প্রমোশনাল কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তুলে ধরেন। প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মাশফিকুর রহমান বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে মতিউর রহমান সম্মানিত সব ডিলারকে বিগত বছরের সাফল্যের জন্য উষ্ণ অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরকে ‘উত্তরা, বাজাজ ও ডিলার ওয়ান টিম’ নামে ঘোষণা দেন। ১৯৭৩ সাল থেকে উত্তরা মোটর্স বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মেকানিকসের মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করে আসছে। তিনি ২০২২-২০২৩ সালের বিক্রয় সাফল্যের জন্য থ্রি এস ডিলারদের ক্রেস্ট ও আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করেন।
মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যাফেল ড্র এবং নৈশ ভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব করা হয়, যা সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের সম্মতিক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে।
অনুষ্ঠানে এমটিবি’র পরিচালক, মোঃ আব্দুল মালেক-এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন এমটিবি’র পরিচালকবৃন্দ, খাজা নারগীছ হোসেন, ড্যানিয়েল ডি ল্যাঞ্জ (নরফান্ড কর্তৃক মনোনীত), স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ, ড. মোহাম্মদ তারেক, চেয়ারম্যান, বোর্ড অডিট কমিটি, শিব নারায়ন কৈরী এবং জেরিন মাহমুদ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ডিএমডি ও কোম্পানী সেক্রেটারী, রেইস উদ্দীন আহমেদ, ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারগণ।
সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্তভাবে এই স্টক ডিভিডেন্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়।
‘রাইজ টুগেদার’ স্লোগানে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো দেশের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল খাতের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওয়ালটন ক্যাবলসের তিন শতাধিক ডিলার বা পরিবেশক ও বিক্রয় প্রতিনিধি অংশ নেন। সম্মেলনে ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি ও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে বিক্রয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকল্পে বাজার গবেষণা, সময়োপযোগি বিপণন ও ব্যবসায়িক কলাকৌশল নিয়ে পরিবেশকদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে সময় পরিবেশকগণ দেশের প্রতিটি বাড়িতে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের ওয়ালটন ক্যাবলস পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বুধবার (১৫ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলের পাঁচতারকা হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানে ওয়ালটন ক্যাবলসের ‘বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬’ এর উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম এবং পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি।
সম্মেলনে পরিবেশকগণের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আপনারা হচ্ছেন ওয়ালটন ক্যাবলসের বড় শক্তি। আপনাদের মাধ্যমে ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বমানের ও নিরাপদ ক্যাবলস গ্রাহকদের কাছে যেমন পৌঁছে যাচ্ছে, তেমনি ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ারও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি ও সুসংহত হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, নিরাপদ আবাসস্থল ও স্থাপনার ক্ষেত্রে ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স পণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ব্যবসার পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আবাসস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, অফিস-আদালত সর্বত্র নিরাপদ স্থাপনার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ওয়ালটন আন্তর্জাতিকমানের নিরাপদ ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
ওয়ালটনের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি বলেন, আপনাদের (পরিবেশক) অক্লান্ত শ্রম ও প্রচেষ্টায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন ক্যাবলস। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ওয়ালটন ক্যাবলস এখন ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইয়েমেন, নেপাল, ভূটানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এসময় তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে ওয়ালটন ক্যাবলসের ব্যাপক ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবেশকদের পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, ইভা রিজওয়ানা ও মো. ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন ক্যাবলসের চিফ বিজনেস অফিসার রাজু আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও সঞ্চালনায় ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।
সম্মেলনে অংশ নিতে সারাদেশ থেকে আসা ওয়ালটন ক্যাবলসের পরিবেশকদের পদচারণায় উৎসবে রূপ নেয় হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানের আঙ্গিনা। সন্ধ্যায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে সারা রাত। সম্মেলনে চলতি বছর ওয়ালটন ক্যাবলস বিক্রয়ে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ অবদান রাখায় অর্ধ-শতাধিক পরিবেশককে পুরস্কৃত করা হয়। ছিলো র্যাফেল ড্র। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬।
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র বিচারাধীন মামলাসমূহের নিয়মিত মনিটরিং এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ল’ ডিভিশনের উদ্যোগে প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক দিকনির্দেশনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একই সঙ্গে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সারাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
১৫ জুলাই ২০২৬ (বুধবার) অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (অডিট ও আইন অনুবিভাগ) আবু সালেহ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁ, এনডিসি।
সভাপতিত্ব করেন অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসুমা আলম, মো. আবুল বাশার ও রূবানা পারভীন। সভায় মহাব্যবস্থাপক (ল’) মোহাম্মদ ফজলুল করিম এবং চিফ ল’ অফিসার মশিউর রহমান চৌধুরীসহ প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকগণ, সার্কেল প্রধান, অঞ্চল প্রধান, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং সারাদেশের শাখা প্রধান ও ব্যবস্থাপক এবং মামলা পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
মানবসম্পদ কৌশল নিয়ে কাজ করা বিশ্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠান 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' থেকে টানা সপ্তমবার ‘টপ এমপ্লয়ার’স্বীকৃতি পেল ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ।
বিশ্বব্যাপী মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও কর্মপরিবেশে উৎকর্ষ মূল্যায়নের জন্য পরিচিত 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল কৌশল, কর্মপরিবেশ, মেধাবী কর্মী নিয়োগ, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি এবং কর্মীদের কল্যাণসহ নানা বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন করে থাকে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএটি দাবি করছে, মূল্যায়নে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে তারা সকল বিভাগেই ‘শীর্ষ স্কোরপ্রাপ্তদের অন্যতম’ ছিল।
বিএটি বাংলাদেশের হেড অব ট্যালেন্ট, কালচার অ্যান্ড ইনক্লুশন রাইয়ান আহমেদ বলেন, “টপ এমপ্লয়ার সনদ আমাদের নীতি ও কার্যপ্রণালীগুলোকে একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডের বিপরীতে মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে।
“একই সঙ্গে এটি আমাদের আরও এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে, যাতে আমরা আমাদের কর্মীদের যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে কীভাবে সহায়তা করছি, তা ধারাবাহিকভাবে পর্যালোচনা, পরিমার্জন ও আরও শক্তিশালী করতে পারি।”
ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) রোবোটিক্স সোসাইটি আয়োজিত টেকাথন ন্যাশনালস অ্যান্ড রোভার সামিট ২০২৬-এ দুটি বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির দুটি দল প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার স্বাক্ষর রেখে নিজ নিজ বিভাগে শীর্ষস্থান অর্জন করে।
প্রতিযোগিতার হ্যাকাথন বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির টিম টুআর.জেএস। এই দলের সদস্যরা হলেন সিএসই ৬৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফেরদৌস হাসান রাহিদ, রুকাইয়া সুলতানা, জিহাদুল ইসলাম এবং সানজিদা ইসলাম। অন্যদিকে, পোস্টার প্রেজেন্টেশন বিভাগেও শীর্ষস্থান অধিকার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম দি আউটলায়ার্স। এই দলের সদস্যরা হলেন সিএসই ৬২তম ব্যাচের আব্দুল্লাহ রহমান এবং ৬৪তম ব্যাচের সানজিদা ইসলাম ও রুকাইয়া সুলতানা।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই গৌরবময় অর্জনকে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের মানসম্মত শিক্ষা, গবেষণাভিত্তিক পাঠদান এবং উদ্ভাবনমুখী শিক্ষার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্য জাতীয় পর্যায়ে প্রযুক্তি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে আরও সুসংহত করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যতের একাডেমিক ও পেশাগত জীবনের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করা হয়েছে।
বিয়ের মৌসুম কিংবা বছরের যেকোনো সময়ে স্বপ্নের আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে আকর্ষণীয় ওয়েডিং প্যাকেজ ও এক্সক্লুসিভ অফার দিচ্ছে পাঁচতারকা হোটেল ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। বিয়ের পাশাপাশি গায়ে হলুদ, মেহেদি সন্ধ্যা, বৌভাত, জন্মদিন কিংবা কর্পোরেট অনুষ্ঠানের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু, সুস্বাদু ক্যাটারিং এবং পেশাদার সেবা নিয়ে প্রস্তুত হোটেলটি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সিলভার, গোল্ড ও প্রিমিয়াম— এই তিন ধরনের ওয়েডিং প্যাকেজের পাশাপাশি কমপ্লিমেন্টারি ভেন্যু, ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, আকর্ষণীয় সাজসজ্জা এবং কমপ্লিমেন্টারি রুমসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা রিজেন্সির ১৪ তলায় অবস্থিত ৫,৭২১ বর্গফুটের ‘সেলিব্রেশন হল’-এ একসঙ্গে প্রায় ৫০০ অতিথি বসার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি বহুল জনপ্রিয় রুফটপ গার্ডেন রেস্টুরেন্ট ‘গ্রিল অন দ্য স্কাইলাইন’ এবং আরও ৬টি সুসজ্জিত ব্যাংকোয়েট হল রয়েছে, যা ছোট-বড় সব ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী। বিশেষ করে ছোট হলরুমগুলোতে ৫০ জনের বেশি মানুষের সমাগম সম্ভব, যা ছোট পরিসরে বিয়ের আয়োজন, জন্মদিন উদ্যাপন, সংবাদ সম্মেলন কিংবা কর্পোরেট মিটিংয়ের জন্য বেশ মানানসই। হোটেলের অভিজ্ঞ কর্মীরা বসার সুব্যবস্থা থেকে শুরু করে ক্যাটারিং পর্যন্ত প্রতিটি সেবা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে নিশ্চিত করে থাকেন।
বিয়ের অতিথিদের জন্য রুম বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি নবদম্পতিদের জন্য রয়েছে বিশেষ হানিমুন স্টে প্যাকেজ। বুফে ব্রেকফাস্টসহ হানিমুন প্যাকেজের মূল্য ১৪,৯৯৯ টাকা এবং বুফে ব্রেকফাস্ট ও বুফে ডিনারসহ হানিমুন প্রিমিয়াম স্টে প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯,৯৯৯ টাকা। যারা নিখুঁত ভেন্যুর সন্ধান করছেন, তারা বুকিং বা বিস্তারিত তথ্যের জন্য +৮৮০১৭১৩৩৩২৫১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে অথবা তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ভিজিট করতে পারেন।
সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের আয়োজনে ব্যাংকের আওতাধীন বিভিন্ন শাখা ও টাঙ্গাইল করপোরেট শাখার প্রধানদের নিয়ে এক ব্যবসায়িক পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের সম্মেলন কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং সামগ্রিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এস. এম. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার’স (জিএম) অফিস, ঢাকা নর্থের জিএম ইনচার্জ মোহাম্মদ ইসমাইল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন জিএম অফিস ঢাকা নর্থের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ফেরদৌস সেরনিয়াবাত এবং টাঙ্গাইল করপোরেট শাখা প্রধান মোহাম্মদ মতিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রিন্সিপাল অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও এর নিয়ন্ত্রণাধীন ১৬টি শাখার প্রধান এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন।
এ সময় ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আলতাফ হুসাইন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমানসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলার অসহায় ও দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা, বিনামূল্যে চিকিৎসাপত্র ও ওষুধ বিতরণ করেছে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির আওতায় গতকাল মঙ্গলবার পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ফোরকানের দোকান, সোনালী বাজার, সিকদার পাড়া এবং চকরিয়া উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়নের প্রায় ২ হাজার বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে এই সামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হাতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা হামদর্দের এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ত্রাণ বিতরণকালে হামদর্দের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, মানবকল্যাণই এই প্রতিষ্ঠানের মূল দর্শন। দেশের যেকোনো সংকটময় সময়ে মানুষের পাশে থেকে তাদের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ভূমিকা পালন করাই হামদর্দের অঙ্গীকার। তারা জানান, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ মোতাওয়াল্লী ড. হাকিম মো. ইউসুফ হারুন ভূঁইয়ার সেবা ও সহমর্মিতার বাণীকে হৃদয়ে ধারণ করেই বন্যাদুর্গত মানুষদের স্বস্তি দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুধু বন্যার সময় নয়, বরং বছরব্যাপী তাদের বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে বলেও তারা মন্তব্য করেন।
হামদর্দের এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব মার্কেটিং অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এ সময় হামদর্দ ল্যাবরেটরীজের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। মানবসেবার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসা হামদর্দ ভবিষ্যতেও যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে।
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) মাধ্যমে দেশের প্রায় আড়াই লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক পরিবার এখন সম্পূর্ণ ঋণমুক্ত। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের মাধ্যমে এই বিশাল স্বস্তি এনে দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে সফলভাবে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে রাকাব।
ব্যাংক সূত্র জানায়, সরকারি অর্থায়নে কৃষকদের হয়ে ২২৫ কোটি ৭৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকার কৃষিঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় সরাসরি উপকৃত হয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৪৮০টি কৃষক পরিবার। এর মধ্যে বেশি সুবিধা পেয়েছেন রংপুর বিভাগের কৃষকরা। এ বিভাগের ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮২৫টি কৃষক পরিবারের ১৭৮ কোটি ৯২ লাখ ৪৮ হাজার টাকার ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগের ৫০ হাজার ৬৫৫টি কৃষক পরিবারের ৪৬ কোটি ৮১ লাখ ৩৯ হাজার টাকার ঋণও সরকার শোধ করেছে। দীর্ঘদিনের ঋণের দায় থেকে মুক্তি পেয়ে এসব কৃষক যুক্ত হয়েছেন নতুন কৃষি উৎপাদনে।
কৃষকদের জন্য এই যুগান্তকারী সুযোগ সৃষ্টি করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাকাবের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম মোর্তুজা।
আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।
বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এ দায়িত্ব নেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম, কৌশলগত প্রবৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নেতৃত্ব দেবেন।
নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, দক্ষ সহকর্মী ও অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত ও বাজারে আরএকে সিরামিকসের অবস্থান সুসংহত করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) সবুজ অর্থায়নের সুযোগ বাড়াতে ওয়ানট্রুভ্যালুর (ওটিভি) সঙ্গে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের সহায়তায় গৃহীত এই উদ্যোগের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সার্কুলার ইকোনমিভিত্তিক ব্যবসায় অর্থায়ন আরও সহজ হবে।
চুক্তিতে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং ওয়ানট্রুভ্যালুর পক্ষে ট্রুভ্যালু বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শরাওয়াত ইসলাম স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির ফলে এসএমই খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে এবং একই সঙ্গে দেশের টেকসই ও নিম্ন-কার্বন অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতায় ব্লাইন্ড এডুকেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বার্ডো)-এর সহযোগিতায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্রেইল শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।
সম্প্রতি এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ব্যাংকটি ৪০ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে ৪০টি ব্রেইল বই বিতরণ করা হয়। শিক্ষা ও আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন এবং তাদের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলাই ছিল এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান এম এম মাহবুব হাসান এবং বার্ডোর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. সাইদুল হক। অনুষ্ঠানে বক্তারা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মূলধারার ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এম এম মাহবুব হাসান বলেন, ‘টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সমাজের প্রতিটি মানুষকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রাইম ব্যাংক আর্থিক সেবা, আর্থিক সাক্ষরতা এবং শিক্ষা সহায়তার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’
মো. সাইদুল হক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রাইম ব্যাংককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রাইম ব্যাংকের এ উদ্যোগ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, ক্ষমতায়ন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যাংকটির চলমান প্রচেষ্টারই একটি অংশ।