হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ অনুযায়ী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এবং বোরাক রিয়েল এস্টেট লিমিটেড সমঝোতার ভিত্তিতে শেয়ার বণ্টনের চুক্তি স্বাক্ষর করে উভয় পক্ষ ‘ডিএনসিসি ইউনিক কমপ্লেক্স’ (হোটেল শেরাটন)-এর অংশীদারত্ব বুঝে নিয়েছে। ফলে হোটেল শেরাটন বাণিজ্যিকভাবে পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হতে আর কোনো বাধা নেই।
গত সোমবার ডিএনসিসি কার্যালয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষে মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ও বোরাক রিয়েল এস্টেটের পক্ষে সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহা. নূর আলী সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন তার ন্যায্য হিস্যা বুঝে নেয়। অন্যদিকে বোরাক রিয়েল এস্টেটও নিজ অংশ বুঝে পেয়ে হোটেল শেরাটনের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করেছে।
আদালতের নির্দেশ মোতাবেক বনানী ডিএনসিসি-ইউনিক কমপ্লেক্স-এর ২০ তলা বা ২০১ ফুট উঁচু পর্যন্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও বোরাক রিয়েল এস্টেট লিমিটেড তাদের নিজ নিজ অংশ বুঝে নিয়ে চুক্তি স্বক্ষর করে। গত ৯ অক্টোবর দুইপক্ষের উপস্থিতিতে আদালত বিষয়টি নিষ্পত্তির আদেশ দেন। আদেশে বলা হয়েছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ভবনটির ২০১ ফুট উচ্চতা অনুমোদন হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ ভবনের ২১ তলা থেকে ২৮ তলা পর্যন্ত স্থিতাবস্থার আদেশ দেন এবং ইতোপূর্বে ২০২৩ সালের ১২ জুন এবং ২৯ আগস্টে দেয়া আদেশ প্রতিপালন পূর্বক শেয়ার স্পেস বুঝে নিয়ে চুক্তি সম্পাদন করতে হাইকোর্ট বিভাগ নির্দেশ প্রদান করেন। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ দীর্ঘ শুনানির পর গত ৯ অক্টোবর এ আদেশ দেন। সেই আদেশের ভিত্তিতেই এই শেয়ার বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন হয়।
আদালতে বোরাক রিয়েল এস্টেটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সাবেক বিচারপতি এ বি এম আলতাফ হোসেন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আবু তালেব, শেখ মোসফেক কবির, আবুল কাশেম ও এনামুল হক তুহিন। অপরদিকে ডিএনসিসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম নীলিম। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ইমাম হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সাইফুদ্দিন খালেদ।
উল্লেখ্য, ২৮ তলা পর্যন্ত ভবনের উচ্চতার ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই; কারণ তেজগাঁও বিমানবন্দরের উড্ডয়ন কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় ২০০৯ সাল পর্যন্ত বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বনানী এলাকায় উচ্চতার কোনো ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারিত ছিল না। এর পূর্বেই হোটেল শেরাটনের ২৮ তলা ভবনটি নির্মিত হয়। ২৮ তলা ভবনটি ২০১৪ সালের মধ্যেই নির্মাণ সম্পন্ন হয়। এমতাবস্থায়, কোনো অবস্থায়ই বর্তমান উচ্চতার ঊর্ধ্বসীমা আলোচ্য ভবনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। পরবর্তী সময়ে ২০১ ফুটের ঊর্ধ্ব থেকে ২৮ তলা পর্যন্ত উচ্চতার বিষয়টি আদালতে নিষ্পত্তি হওয়া সাপেক্ষে উক্ত ফ্লোরসমূহের হিস্যা বণ্টনের বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
বহুতল এই ভবনটি নির্মাণের পর বোরাক রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে স্পেস বণ্টন-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা ডিএনসিসিকে দেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে সেই প্রস্তাবনা ডিএনসিসির করপোরেশন সভায় উপস্থাপন করে সংস্থাটির প্রকৌশল বিভাগ। করপোরেশন সভার আলোকে ২০২২ সালের ২৭ নভেম্বর এবং ২০২৩ সালের ৭ জানুয়ারি ডিএনসিসির দ্বিতীয় পরিষদের ১৮ ও ১৯তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বোরাক রিয়েল এস্টেট কর্তৃক পেশকৃত প্রস্তাবনা অনুযায়ী ডিএনসিসি বর্ধিত ১৫ তলা থেকে ২৮ তলা পর্যন্ত ভবনের ৩০ শতাংশের পরিবর্তে ৪০ শতাংশ হিস্যা লাভ করবে। আর নকশা অনুসারে ১৪ তলা পর্যন্ত চুক্তি অনুযায়ী ডিএনসিসি পাবে ৩০ শতাংশ, বোরাক রিয়েল এস্টেট পাবে ৭০ শতাংশ এবং ১৫ থেকে ২৮ তলা পর্যন্ত ডিএনসিসি পাবে ৪০ শতাংশ আর বোরাক পাবে ৬০ শতাংশ।
এর আগে ২০০৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বুয়েট কর্তৃক ৩০ তলার স্ট্রাকচারাল নকশা ভেটিং সাপেক্ষে একই বছরের ২৫ জুন ঢাকা সিটি করপোরেশনের তৎকালীন অথরাইজড অফিসার (প্রধান প্রকৌশলী) কর্তৃক ৩০ তলা ভবনের নকশা অনুমোদন দেয়া হয়। একই বছর সিটি করপোরেশন কর্তৃক বিভিন্ন সংস্থা থেকে ৩০ তলার ছাড়পত্র গ্রহণ করা হয় (সিটি করপোরেশন, ডিএমপি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, তিতাস, পরিবেশ অধিদপ্তর, ডেসকো, ঢাকা ওয়াসা প্রভৃতি)। বুয়েটের ভেটিংয়ের পর বিধি অনুযায়ী প্রযোজ্য সব সংস্থার অনাপত্তি প্রাপ্তি সাপেক্ষে সিটি করপোরেশন কর্তৃক ৩০ তলা ভবনের নকশা অনুমোদনের পর ২৮ তলা ‘শেরাটন ভবন’টি নির্মিত হয়।
এরপর ২০১১ সালের ২৭ নভেম্বর ডিএনসিসির তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ১৫ থেকে ৩০ তলা ভবন নির্মাণের বিষয়টি মেয়র কর্তৃক অনুমোদন হয়েছে মর্মে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার সচিবকে চিঠির মাধ্যমে অবহিত করেন। তৎকালীন মেয়র প্রয়াত আনিসুল হক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং বোরাক রিয়েল এস্টেটকে ২০১৫ সালের ৩১ মে লিখিতভাবে তা অবহিত করেন।
গত সোমবার সম্পাদিত চুক্তির ফলে হোটেল শেরাটন ভবনের ২০ তলা পর্যন্ত শেয়ার বণ্টনের কার্যক্রম চূড়ান্ত হলো। ফলে হোটেল শেরাটন পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হতে যাচ্ছে। অন্যদিকে ডিএনসিসিও বুঝে নিয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ ও বিপুল রাজস্ব আয়।
অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে বিমান, বাস টিকেট ও হোটেল বুকিংয়ে সর্বোচ্চ বিকাশ পেমেন্ট করে ৬ জন ভ্রমণপ্রেমী জিতে নিলেন নেপাল, কক্সবাজার ট্যুর ও লাক্সারি হোটেলে স্টেকেশন। এছাড়াও, ভ্রমণকারীরা বিকাশ পেমেন্ট করে পেয়েছেন ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক, ডিসকাউন্ট ও কুপন।
সম্প্রতি, বিকাশ-এর প্রধান কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের স্বারক তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেয়ারট্রিপ-এর হেড অব মার্কেটিং নাফিজ চৌধুরী, ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা-এর ডিরেক্টর অব মার্কেটিং সাদমান সালাহউদ্দিন, বিকাশ-এর মার্চেন্ট পেমেন্ট বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সোহান মিনহাজ হাসান সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ভ্রমণসেবায় ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে বিকাশ এর সাথে শেয়ারট্রিপ ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা যৌথভাবে এই পুরস্কারগুলো নিয়ে এসেছে। ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়েছে ১ অক্টোবর ২০২৫ এ এবং চলবে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। সর্বোচ্চ বিকাশ পেমেন্টের ভিত্তিতে অফার চলাকালীন প্রতি মাসে ৩ জন করে ৪ মাসে মোট ১২ জন এই পুরস্কারগুলো জিতে নিবেন। তারই অংশ হিসেবে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের ৬ জন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। অফার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এই লিংকে - https://tinyurl.com/mr2xjhu9।
ব্যাংকের শরীয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির বিদায়ী চারজন সদস্যকে সম্মাননা জানালো ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং সেবার ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সম্প্রতি রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ ব্যাংক এশিয়া টাওয়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মানিত বিদায়ী সদস্যরা হলেন শরীয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান মুফতি শাহেদ রহমানী, প্রাক্তন সদস্য সচিব মাওলানা শাহ মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ্, প্রাক্তন ফকিহ্ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ মোফাজ্জল হুসাইন খান এবং ড. মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও উপহার তুলে দেওয়া হয়।
ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আরিকুল আরেফিনসহ অন্যান্য উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ, ইসলামিক ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডোর প্রধান, শাখা প্রধানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ অনলাইনে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
অনুষ্ঠানে শরীয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির বিদায়ী সদস্যদের দীর্ঘ কর্মজীবন, নিষ্ঠা ও ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রমে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করা হয়।
সীমান্ত ব্যাংক এবং নভোএয়ার লিমিটেড এর মধ্যে সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় নভোএয়ার লিমিটেড এর সেবা গ্রহনের ক্ষেত্রে সীমান্ত ব্যাংকের সকল ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারগণ বিশেষ সুবিধা উপভোগ করবেন।
সীমান্ত ব্যাংকের হেড অব বিজনেস মোঃ শহিদুল ইসলাম এবং নভোএয়ার লিমিটেড এর পরিচালক সোহেল মজিদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সাক্ষর করেন। এ সময় সীমান্ত ব্যাংকের হেড অব কার্ডস এন্ড এডিসি শরীফ জহিরুল ইসলাম সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বাদ যোহর আইসিবির প্রধান কার্যালয়ে উক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আইসিবি-র পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ, আইসিবি’র মাননীয় ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ নূরুল হুদা, আইসিবি’―এর ৩টি সাবসিডিয়ারি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগণ এবং মহাব্যবস্থাপকগণ সহ কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারীগণ উক্ত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর উদ্যোগে এক হাজার নতুন ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসারের ওরিয়েন্টেশন বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-এ অনুষ্ঠিত হয়। ৯১ হাজার ৭ শত ৫৬ জন প্রার্থীর মধ্যে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দেশের ৬৪ জেলারই প্রতিনিধিত্ব রযেছে। যার মধ্যে প্রথম চট্টগ্রাম, দ্বিতীয় কুমিল্লা ও তৃতীয় কক্সবাজার জেলা। দেশের ৭৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেধার ভিত্তিতে এ নিয়োগ পেয়েছেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন ও ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার। স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসিম। এসময় ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব আলম, মাহমুদুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাঈদ উল্লাহ, কে.এম. মুনিরুল আলম আল-মামুন ও মো. মাকসুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, বিগত বছরগুলোতে ইসলামী ব্যাংক অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল। সকল চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনায় পরিণত করে আবারো ঘুরে দাঁড়িয়ে অগ্রগতির ধারায় ফিরে এসেছে সাধারণ মানুষের প্রিয় এই প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাংকের অগ্রযাত্রা আরো বেগবান করতে এবং ব্যাংক খাতের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য তরুণ কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহবান জানান। তরুণরাই উন্নত বাংলাদেশ ও আধুনিক ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, আজকে যারা এ ব্যাংকে যোগদান করেছেন তারাই আগামী দিনে ব্যাংকিং সেক্টরে নেতৃত্ব দিবে। সবাইকে এ স্বপ্ন নিয়ে কাজ করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। তিনি নতুন যোগদানকৃত কর্মকর্তাদের সুন্দর ব্যবহার ও উন্নত সেবা প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি পেশাগত উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য আহবান জানান।
টয়োটা গাড়ির ক্রেতাদের জন্য নতুন সেবা এনেছে টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড (টিবিএল)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টয়োটা টুসো এশিয়া প্যাসিফিক প্রাইভেট লিমিটেড দেশজুড়ে আরও উন্নত গ্রাহকসেবার অঙ্গীকার করছে। তাই টয়োটার আন্তর্জাতিক মানের গাড়ি ও সেবা সরাসরি পৌঁছে দিতে তাদের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহায়ক প্রতিষ্ঠান টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের (টিবিএল) মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
টয়োটার একমাত্র সহায়ক প্রতিষ্ঠান টিবিএল এখন থেকে বাংলাদেশে সরাসরি নতুন টয়োটা গাড়ি, যন্ত্রাংশ ও আন্তর্জাতিক মানের বিক্রয়োত্তর সেবা দেবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নিয়মিত আপডেট, অফার ও ক্যারিয়ার–সংক্রান্ত তথ্যের জন্য www.toyota-bd.com ও ফেসবুক পেজ www.facebook.com/ToyotaBangladesh ভিজিট করতে বলা হয়েছে। নিজস্ব শোরুমের +০৯৬৪৩৩৩৩৭৭৭ নম্বরে ফোন করে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। শোরুমটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
এবি ব্যাংক পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেছেন জনাব ইফতেখার এনাম আওয়াল। দেশের বেসরকারি ব্যাংকিং খাতের অন্যতম অভিজ্ঞ এই ব্যক্তিত্ব দীর্ঘ দিন ধরে ব্যাংকিং সেবার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় তাঁর মেধা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। জনাব আওয়াল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন্যান্সে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর ১৯৯৪ সালের জুন মাসে এবি ব্যাংক পিএলসিতে ৭ম ব্যাচের প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ তিন দশকের এই পথচলায় তিনি ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে আজ শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আসীন হয়েছেন।
আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর গভীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জনাব ইফতেখার এনাম আওয়াল তাঁর কর্মজীবনে এবি ব্যাংকের একাধিক বড় কর্পোরেট শাখা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন। পেশাগত জীবনে তাঁর দক্ষতার প্রধান ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে কর্পোরেট বিজনেস, ঋণ ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক মুদ্রা এবং শাখা পরিচালনার মতো ব্যাংকিং খাতের অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলো। এসব বিভাগে তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও সুদক্ষ কার্যপরিচালনা ব্যাংকটির সার্বিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। একজন পেশাদার ব্যাংকার হিসেবে তিনি তাঁর ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছেন।
পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে জনাব আওয়াল দেশে ও বিদেশে ব্যাংকিং সংক্রান্ত অসংখ্য উচ্চতর প্রশিক্ষণ, সেমিনার এবং কর্মশালায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এসব প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান তিনি দেশীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাতে কাজে লাগিয়েছেন। এবি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তাঁর এই পদোন্নতি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং ব্যাংকটির ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁর এই বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আগামী দিনে এবি ব্যাংককে আরও শক্তিশালী ও গ্রাহকবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।
রাজধানীর উত্তরায় নান্দনিক সাজে যাত্রা শুরু করল দেশের অন্যতম জনপ্রিয় লাক্সারি ব্র্যান্ড ‘ইল্লিয়ীন’-এর নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্টোর। গত শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) স্টোরটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথি, সর্বসাধারন ক্রেতাবৃন্দ, ইনফ্লুয়েন্সার এবং ইল্লিয়ীনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
আন্তর্জাতিক মানের লাক্সারি পোশাক ও অ্যাকসেসরিজ-এর জন্য পরিচিত ইল্লিয়ীন খুব অল্প সময়ের মধ্যে ফ্যাশন সচেতন ক্রেতাদের কাছে আভিজাত্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন এই আউটলেটে মিলবে ব্র্যান্ডটির সিগনেচার মেন্সওয়্যার, উইমেন্সওয়্যার, কিডস্ওয়্যার, ফুটওয়্যার, ফ্র্যাগরান্স ও অ্যাকসেসরিজ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথরা বলেন, ইল্লিয়ীনের পোশাকের মান ও ডিজাইন সবসময়ই ক্রেতাদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে তাদের সাহারা ও লাক্সারি কালেকশনগুলো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সমকক্ষ।
উদ্বোধনী দিনে আসা ক্রেতারা জানান, ইল্লিয়ীনের গ্র্যান্ড ওপেনিং ইভেন্টটি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ছিল। আয়োজনটি সবারই ভালো লেগেছে। ক্রেতাদের মতে উত্তরায় এমন একটি সুন্দর শোরুম চালু হওয়ায় এই এলাকার ফ্যাশনপ্রেমীদের জন্য কেনাকাটা আরও সহজ হয়ে যাবে।
ব্র্যান্ডটির সেলস অপারেশন্স ম্যানেজার আবু আদম বলেন, “বিশ্বমানের লাক্সারি ব্র্যান্ড হিসেবে ইল্লিয়ীন শুরু থেকেই কোয়ালিটি এবং এক্সেপ্সনাল পণ্য ও সেবা নিয়ে কাজ করছে। আমরা কেবল পোশাক নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি স্তরে আমাদের কাস্টমারদের লাক্সারির অভিজ্ঞতা দিতে চাই। গ্রাহকদের ভালোবাসায় আমরা আজ এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। উত্তরার নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের গ্র্যান্ড ওপেনিং আমাদের সেই যাত্রারই অংশ। ইল্লিয়ীন শুধু লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড না, এটি একটি এক্সপিরিয়েন্স।”
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মহাখালীস্থ এসকেএস টাওয়ারে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী। Accountability Today for Sustainability Tomorrow এই মোটোতে আসন্ন ২০২৬ সালের কর্মপরিকল্পনা ও সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন হাসপাতালের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার দিলীপ কুমার পাল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী, মেডিকেল সার্ভিসেস পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. এ কে মাহবুবুল হক, মানবসম্পদ ও সাপ্লাই চেইন পরিচালক কর্নেল মো. ইফতেখার আহমেদ (অব.), চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার দিপংকর দত্ত এসিএস, ডেপুটি ডিরেক্টর ডা. কাজী রফিকুল আলম, হেড অব করপোরেট নীতা চক্রবর্ত্তী এবং ইউনিভার্সেল মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্রাঞ্চ ইনচার্জ সৈয়দ হাসিবুল হক হাসিবসহ আরও অনেকে।
সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, হাসপাতালের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ ছাড়া রোগীদের আরও উন্নত ও দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রশস্ত নতুন বহির্বিভাগ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে দিবা-রাত্রি অনেক রোগীকে একসঙ্গে বহির্বিভাগ চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। সম্মেলন শেষে স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভায় গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সভায় শোক প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিলে রূপালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল হুদা, পরিচালক মো. আবু ইউসুফ মিয়া, সোয়ায়েব আহমেদ, এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন, মুজিব আহমদ সিদ্দিকী ও এ এইচ এম মঈন উদ্দীন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম অংশগ্রহণ করেন।
এ ছাড়া উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পারসুমা আলম, হাসান তানভীর ও মো. হারুনুর রশীদ এবং কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ শাহেদুর রহমান দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় আবাসন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ।
আমিন মোহাম্মদ পরিবারের পক্ষ থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রমজানুল হক নিহাদ বলেন, ‘রাষ্ট্র পরিচালনা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরকাল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে। তার দৃঢ়চেতা, সাহসী ও আপসহীন নেতৃত্ব দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই মহান নেত্রীর প্রয়াণে দেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক চর্চায় এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হলো, যা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়।’
শোকবার্তায় আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ বেগম খালেদা জিয়ার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, রাজনৈতিক সহকর্মীবৃন্দ এবং অসংখ্য শুভানুধ্যায়ীর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে।
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে মরহুমার রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ, পরিচালক ড. মোহাম্মদ ফজলুল হক, কবিরুল ইজদানী খান, মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ, মুজাফফর আহম্মদ, মো. সাঈদ কুতুব এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকরা ও মহাব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।