সিটিজেন্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সম্প্রতি মাসুদুজ্জামানকে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান এবং চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফ শোয়েবকে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত করেছে। মাসুদুজ্জামান দেশের তৈরি পোশাক শিল্প খাতে দীর্ঘ ২৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী এবং সিটিজেন্স ব্যাংক পিএলসির অন্যতম স্পন্সর পরিচালক। তিনি মডেল ডি ক্যাপিটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, রাইন ড্রেস লিমিটেড ও সাদিয়া ফ্যাশন ওয়্যারস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এ ছাড়াও তিনি এমব্রো আর্চ, ওশান কালার, স্টেপ টু রেইনবো, আটলান্টিক অ্যাকসেসরিজ, সাদিয়া প্যাকেজিং অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এবং কেয়ামা কালার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী। রপ্তানির ক্ষেত্রে অসামান্য পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি টানা পাঁচবার বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমুখী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং দেশের খেলাধুলার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।
চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফ শোয়েব সিটিজেন্স ব্যাংক পিএলসির অন্যতম স্পন্সর পরিচালক। চৌধুরী দেশের টেক্সটাইল খাতে দীর্ঘ ২৯ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। তিনি নারায়ণগঞ্জের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। চৌধুরী সালমা গ্রুপের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সালমা গ্রুপ কাঁচা তুলার আমদানিকারক এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় সুতা উৎপাদনকারী হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করে আছে। সালমা গ্রুপের বিশাল সাফল্য তার গতিশীল নেতৃত্ব এবং প্রগতিশীল মানসিকতার সাক্ষ্য বহন করে। চৌধুরী বিভিন্ন সমাজকল্যাণমুখী ও জনহিতকর সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছেন। বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশি ক্যানসার রোগী ও তাদের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে ‘সেকেন্ড ওপিনিয়ন’ বা দ্বিতীয় চিকিৎসা-পরামর্শ এবং চিকিৎসা-নির্দেশনা সেবা চালু করেছে ভারতের হায়দরাবাদভিত্তিক STAR Hospitals-এর বিশেষায়িত ক্যানসার চিকিৎসা ইউনিট STAR Cancer Centre।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি রোগীরা ভারতে যাওয়ার আগে তাদের রোগ নির্ণয়, বর্তমান চিকিৎসা পরিকল্পনা এবং পরবর্তী চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ মতামত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-নির্দেশনা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ক্যানসার চিকিৎসা নিয়ে রোগী ও পরিবারের অনিশ্চয়তা কমানো, চিকিৎসা-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ করা এবং রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী অঙ্গভিত্তিক ও আধুনিক ক্যানসার চিকিৎসার জন্য একটি সুস্পষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করা।
বাংলাদেশে ক্যানসারের চিত্র
STAR Cancer Centre-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর আনুমানিক ১ লাখ ৬৭ হাজার থেকে ১ লাখ ৮৭ হাজার নতুন ক্যানসার রোগী শনাক্ত হন।
বিশেষ করে স্তন, ফুসফুস, জরায়ুমুখ, খাদ্যনালি এবং পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসার আক্রান্ত রোগীরা দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং আধুনিক চিকিৎসার সুযোগ খুঁজছেন।
চিকিৎসার শুরুতেই সঠিক রোগ নির্ণয় হলে রোগীর জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক, কম আক্রমণাত্মক এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসার সম্ভাবনা বাড়ে। অস্ত্রোপচার, রেডিয়েশন চিকিৎসা, ওষুধভিত্তিক চিকিৎসা ও ইমিউনোথেরাপির মতো বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য একাধিক বিশেষজ্ঞের সমন্বিত মতামত গুরুত্বপূর্ণ।
বিনামূল্যে সেকেন্ড ওপিনিয়ন সেবা
STAR Cancer Centre-এর এই সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকরা ভারতে যাওয়ার আগেই তাদের চিকিৎসা-সংক্রান্ত রিপোর্ট ও রোগের নথি অভিজ্ঞ ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে মূল্যায়ন করাতে পারবেন।
অঙ্গভিত্তিক মেডিকেল, সার্জিক্যাল ও রেডিয়েশন অনকোলজি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ বোর্ডের মাধ্যমে রোগীর কেস মূল্যায়নের সুযোগ থাকবে।
প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হবে—
* চিকিৎসার জন্য বিদেশ ভ্রমণ পরিকল্পনা
* সম্ভাব্য চিকিৎসা ব্যয়
* হাসপাতালে থাকার সময়কাল
* ভিসা-সংক্রান্ত সহায়তা
ডা. বিপিন গোয়েলের বক্তব্য
STAR Hospitals-এর জ্যেষ্ঠ পরামর্শক ও সার্জিক্যাল অনকোলজি বিভাগের প্রধান, ল্যাপারোস্কোপিক ও রোবোটিক সার্জন ডা. বিপিন গোয়েল বলেন, ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর রোগী ও তাদের পরিবার অনেক সময় প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।
তিনি বাংলাদেশের নাগরিকদের এই বিনামূল্যের দ্বিতীয় চিকিৎসা-পরামর্শ সেবার সর্বোচ্চ সুবিধা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, চিকিৎসা শুরু করার আগে রোগীদের সঠিক ও যাচাইকৃত বিশেষজ্ঞ মতামত দেওয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় স্বচ্ছতা, আত্মবিশ্বাস এবং চিকিৎসা-পরিকল্পনার স্পষ্টতা তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
STAR Cancer Centre সম্পর্কে
STAR Cancer Centre হলো STAR Hospitals-এর একটি বিশেষায়িত ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র। ভারতের হায়দরাবাদের বানজারা হিলস ও নানাকরামগুড়া এলাকায় হাসপাতালটির অত্যাধুনিক চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, সার্কভুক্ত দেশ ও মধ্য এশিয়াসহ বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশ থেকে আন্তর্জাতিক রোগীরা STAR Hospitals-এর চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছেন।
STAR Cancer Centre-এ রয়েছে অঙ্গভিত্তিক বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধা—
* স্তন ও নারীদের ক্যানসার
* ফুসফুস ও মাথা-গলার ক্যানসার
* পরিপাকতন্ত্র ও লিভারের ক্যানসার
* মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড ও মূত্রনালির ক্যানসার
* হাড়, নরম টিস্যু ও রক্তের ক্যানসার
আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে:
* ট্রুবিম লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটর
* ডিজিটাল PET-CT
* ১২৮-স্লাইস CT স্ক্যান
* ৩ টেসলা উন্নত MRI
* রোবোটিক ক্যানসার সার্জারি
* বোন ম্যারো/স্টেম সেল প্রতিস্থাপন
* CAR-T সেল থেরাপি
* জেনেটিক ক্যানসার ক্লিনিক
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ইস্পাহানি মির্জাপুরের উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় মাতৃভাষা বাংলা নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় মেধাভিত্তিক টিভি রিয়্যালিটি শো ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’ সপ্তম বর্ষ–এর রংপুর বিভাগের বাছাইপর্ব (অডিশন) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ২১ আগস্ট, ২০২৬ শুক্রবার রংপুর ‘পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ’ প্রাঙ্গণে আয়োজিত বাছাই পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। প্রাথমিক বাছাই পর্ব শেষে চূড়ান্ত পর্বে ঢাকায় যাবার সুযোগ পেয়েছে রংপুর বিভাগের সেরা পাঁচ বাংলাবিদ।
নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা সংস্কৃতি, শুদ্ধ বাংলা, বানান ও ব্যবহার ছড়িয়ে দিতে সপ্তমবারের মতো ইস্পাহানি টি লিমিটেড আয়োজন করছে বাংলা প্রতিযোগিতা ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ এবং প্রথিতযশা আবৃত্তি শিল্পী মাহীদুল ইসলাম আর এই প্রতিযোগিতাটি পরিচালনায় ছিলেন চ্যানেল আই-এর তাহের শিপন। পরে নির্বাচিতদের হাতে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন রংপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ও ইস্পাহানি টি লিমিটেডের রংপুর বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন ও দিনাজপুরের জ্যেষ্ঠ বিভাগীয় ব্যবস্থাপক সঞ্জয় ভট্টাচার্য্য। এছাড়াও সুন্দর হাতের লেখার জন্য সেরা তিনজন কে পুরষ্কার তুলে দেন ইস্পাহানি টি লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (বগুড়া) আহম্মেদ শরীফ ।
ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ প্রতিযোগিতায় ৪০ নম্বরের সাহিত্য ও ব্যাকরণভিত্তিক বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও ৩০ নম্বরের অনুধাবনমূলক প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় বিভাগীয় সেরা ২০ প্রতিযোগীকে। পরে বিচারকরা যাচাই করেন প্রতিযোগীদের উচ্চারণ, বানান ও ব্যাকরণের সুষ্ঠ প্রয়োগের ক্ষমতা যার মাধ্যমে সেরা পাঁচজন নির্বাচিত হয়ে ঢাকায় মূলপর্বে যাবার সুযোগ পায়। এছাড়া অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘সুন্দর হাতের লেখা’ প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান বিজয়ীকে দেওয়া হয় যথাক্রমে পাঁচ হাজার, তিন হাজার ও দুই হাজার টাকার আর্থিক পুরস্কার ও সনদপত্র।
উল্লেখ্য, ঢাকায় মূলপর্ব শেষে দেশসেরা বাংলাবিদ জিতে নেবে ১০ লক্ষ টাকার মেধাবৃত্তি এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয়স্থান অধিকারী পাবে যথাক্রমে ৩ লক্ষ টাকা ও ২ লক্ষ টাকার মেধাবৃত্তি। এছাড়াও প্রথম দশজন প্রতিযোগী প্রত্যেকেই পাবে ১ টি ল্যাপটপসহ ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার করার জন্যে ৫০ হাজার টাকা সমমূল্যের বাংলা বই ও বইয়ের আলমারি।
বিশ্বের বৃহত্তম মোটরসাইকেল ও স্কুটার নির্মাতা হিরো মোটোকর্প বাংলাদেশে এক্সপালস ২০০ ৪ভি এবং এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো বাজারে এনেছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ১২ বছরের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক যোগ হলো।
নতুন দুই মডেল বাজারে আনার মাধ্যমে বাংলাদেশে অন-রোড ও অফ-রোড অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল সেগমেন্টে নিজেদের পোর্টফোলিও সম্প্রসারণ করেছে হিরো মোটোকর্প। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এক্সপালস প্ল্যাটফর্ম এখন বাংলাদেশের রাইডারদের জন্যও নিয়ে এলো প্রতিষ্ঠানটি।
এ বিষয়ে হিরো মোটোকর্পের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হর্ষবর্ধন চিতালে বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের কাছে শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার নয়; এটি আমাদের বৈশ্বিক পরিচয় ও উৎপাদন কার্যক্রমেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গত ১২ বছর ধরে ‘হিরোর দেশ বাংলাদেশ’ দর্শনকে সামনে রেখে আমরা এ দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছি। নিলয় মোটরসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটি, সম্প্রসারিত সার্ভিস নেটওয়ার্ক এবং বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়ে আমরা এখানে একটি শক্তিশালী স্থানীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তুলেছি।
“আমরা বাংলাদেশে শুধু পণ্য নিয়ে আসছি না; এ দেশেই উৎপাদন করছি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছি এবং দেশের সঙ্গে একসঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশের রাইডারদের আগ্রহ এখন দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি লাইফস্টাইল, নতুন জায়গা ঘুরে দেখা ও স্বাধীনভাবে রাইডিংয়ের দিকেও বাড়ছে। এক্সপালস ২০০ সিরিজ বাজারে আনার মাধ্যমে বাংলাদেশের সড়কের উপযোগী বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে দেশে অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে নিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
‘মেক নিউ ট্র্যাকস’: এক্সপালস ২০০ ৪ভি ও এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো
তরুণ ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় রাইডারদের জন্য তৈরি এক্সপালস ২০০ সিরিজে দুর্গম পথে চলার সক্ষমতা, দৈনন্দিন ব্যবহারের সুবিধা এবং আধুনিক রাইডিং প্রযুক্তির সমন্বয় রয়েছে। এটি তৈরিতে হিরো মোটোকর্পের ডাকার অ্যাডভেঞ্চার দর্শন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে।
দুই মোটরসাইকেলেই রয়েছে ১৯৯.৬ সিসি, ৪-ভালভ, সিঙ্গেল-সিলিন্ডার, অয়েল-কুলড ইঞ্জিন, যা ৮,৫০০ আরপিএমে ১৮.৯ বিএইচপি পাওয়ার এবং ৬,৫০০ আরপিএমে ১৭.৩৫ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে। এর সঙ্গে রয়েছে ৫-স্পিড ট্রান্সমিশন।
উল্লেখযোগ্য ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে তিনটি এবিএস মোড—রোড, অফ-রোড ও র্যালি; ডুয়াল-পারপাস টায়ার; অ্যাডজাস্টেবল মোনো সাসপেনশন; এলসিডি ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার; ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি; টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন; ক্লাস-ডি এলইডি প্রজেক্টর হেডল্যাম্প ও এলইডি ডিআরএল; ব্যাশ প্লেট; হ্যান্ডগার্ড এবং বাঞ্জি হুকসহ লাগেজ প্লেট।
দুই ধরনের অ্যাডভেঞ্চার রাইডিং অভিজ্ঞতা
এক্সপালস ২০০ ৪ভি দৈনন্দিন যাতায়াত ও হালকা ট্রেইল রাইডিংয়ের জন্য তৈরি। এতে রয়েছে ৮২৫ মিমি সিট হাইট, ২২০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং ১৯০ মিমি ফ্রন্ট সাসপেনশন ট্রাভেল। এটি মেটালিক নেক্সাস ব্লু হোয়াইট রঙে পাওয়া যাবে।
এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো আরও বেশি অফ-রোড সক্ষমতা দেয়। এতে রয়েছে প্রো অ্যাডজাস্টেবল সাসপেনশন, সামনে ২৫০ মিমি ও পেছনে ২২০ মিমি সাসপেনশন ট্রাভেল, ২৭০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স, ৮৯১ মিমি সিট হাইট, হ্যান্ডেলবার রাইজার এবং এক্সটেন্ডেড গিয়ার লিভার। এটি পার্ল ফেডলেস হোয়াইট রঙে পাওয়া যাবে।
দেশজুড়ে বিক্রয় ও সার্ভিস সুবিধা
বাংলাদেশে নিলয় মোটরস লিমিটেডের মাধ্যমে হিরো মোটোকর্পের মোটরসাইকেল বাজারজাত করা হয়। বর্তমানে দেশজুড়ে ৫৩০টির বেশি অনুমোদিত সেলস ও সার্ভিস আউটলেটের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি নতুন মোটরসাইকেল কেনার সঙ্গে গ্রাহকেরা ৫ বছরের ওয়ারেন্টি ও ইন্স্যুরেন্স সুবিধা পাবেন।
এই মোটরসাইকেলটিতে রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় মূল্য। এক্সপাল্স ২০০ ৪ভি র দাম রাখা হয়েছে- ৩৩৫,০০০ টাকা এবং এক্সপালস ২০০ ৪ভি প্রো-৩৬৫,০০০ টাকা।
এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি ‘ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা শনিবার (২২ আগস্ট) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এসবিএসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস.এম. মঈনুল কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি পলিসি অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রব এবং ব্যাংক সুপারভিশন ডিপার্টমেন্ট-৫ এর অতিরিক্ত পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।
কর্মশালায় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আলতাফ হোসেন ভুঁইয়াসহ ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক এবং উপশাখার ইনচার্জবৃন্দ সশরীরে ও অনলাইনে উপস্থিত করেন।
গ্রাহকদের জন্য সহজ, সুবিধাজনক ও আকর্ষণীয় অটো লোন সেবা প্রদানে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি এবং ডিএইচএস অটোস লিমিটেড-এর মধ্যে একটি কৌশলগত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই অংশীদারিত্বের আওতায় ডিএইচএস অটোস লিমিটেডের গ্রাহকগণ প্রতিযোগিতামূলক সুদহারে ব্যাংক এশিয়ার আকর্ষণীয় অটো লোন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়াও এর আওতায় যৌথ বিপণন কার্যক্রম, গ্রাহক সম্পৃক্ততামূলক কর্মসূচি এবং বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজধানী তেজগাঁও শিল্প এলাকায় র্যাংগস ব্যাবিলোনিয়া বিল্ডিংয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংক এশিয়া পিএলসির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব অ্যাসেট, রিটেইল ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান জনাব মোঃ জাহেদ চৌধুরী এবং ডিএইচএস অটোস লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার জনাব শিহাব আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এই অংশীদারিত্ব অটো ফাইন্যান্সিং সুবিধা গ্রহণের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করবে এবং মানসম্মত গাড়ির মালিকানা অর্জনে ব্যক্তি ও পরিবারের প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে, এটি দুই প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি দেশের অটোমোটিভ ও আর্থিক সেবা খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
ব্যাংকিং খাতে ২৬ বছরেরও বেশি সময়ের বহুমুখী অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সৈয়দ এম ওমর তৈয়ব প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং, এসএমই ও কনজ্যুমার ব্যাংকিং, ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং এবং ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্টে তার রয়েছে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা।
বর্তমানে তিনি প্রেষণে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি ও সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এ দায়িত্ব অব্যাহত রাখবেন। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য রূপান্তর এসেছে।
২০২০ সালে প্রাইম ব্যাংকে পুনরায় যোগদানের আগে তিনি কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ, প্রাইম ব্যাংক, দ্য সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইস্টার্ন ব্যাংকে যথাক্রমে চিফ বিজনেস অফিসার, হেড অব এমএসএমই, হেড অব ক্রেডিট অ্যান্ড কালেকশন, হেড অব রিটেইল অ্যান্ড স্মল বিজনেস রিস্ক, হেড অব ইমার্জিং স্মল বিজনেস এবং হেড অব অ্যাসেটস-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বস্থানীয় পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন এবং সেখানে কনজ্যুমার ব্যাংকিং এ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
সৈয়দ এম ওমর তৈয়ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে ইএমবিএ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওমেগা পারফরম্যান্স থেকে ক্রেডিট স্কিল অ্যাসেসমেন্ট (CSA) সনদপ্রাপ্ত পেশাজীবী। এছাড়া ইনস্টিটিউট ফর মার্জার্স, অ্যাকুইজিশনস অ্যান্ড অ্যালায়েন্সেস (IM&A) থেকে ইন্টারন্যাশনাল মার্জার্স অ্যান্ড অ্যাকুইজিশনস সার্টিফিকেশন অর্জন করেছেন। এছাড়াও সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের বৃহত্তর ঢাকা, গৌরীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিলেট এরিয়ার উদ্যোগে বীমা দাবি পরিশোধ, পুরস্কার বিতরণ ও উন্নয়ন সভা করেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) নরসিংদীর ড্রীম হলিডে পার্কে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রাহকদের মোট ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করা হয় ও সফল উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন। মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কোম্পানীর ডিএমডি এন্ড সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস এফসিএ, ডিএমডি মো. আবুল কাসেম, ডিএমডি বাহার উদ্দিন মজুমদারসহ ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় চেয়ারম্যান গ্রাহকদের হাতে বীমা দাবির চেক তুলে দেন ও প্রিমিয়াম সংগ্রহে বিজয়ী উন্নয়ন কর্মকর্তাদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন । অনুষ্ঠানে বৃহত্তর ঢাকাসহ ৪টি এরিয়ার বিভিন্ন জোন থেকে আসা প্রায় ৫ হাজার কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সততা, ন্যায়নিষ্ঠতা ও আন্তরিক গ্রাহক সেবার মাধ্যমে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স আজ দেশের শীর্ষ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আমরা মানুষের আমানতকে সুরক্ষা দিয়ে যথা সময়ে দাবী পরিশোধ করে থাকি।
মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন বলেন, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে দেশের বীমা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। আমাদের অর্জিত প্রিমিয়াম দেশের ব্যাংক-বীমা ও সরকারী বন্ডে বিনিয়োগ হয়ে থাকে এবং টেক্স, ভ্যাট ও স্ট্যাম্প ডিউটির বাবদ সরকারকে বিপুল রাজস্ব প্রদানের মাধ্যমে ন্যাশনাল লাইফ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছে।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর উদ্যোগে দেশব্যাপী বাংলা কিউআর জনপ্রিয় করার লক্ষে একটি ক্যাম্পেইন বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) উদ্বোধন করা হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের বাংলা কিউআর ব্যবহার করে মূল্য পরিশোধকারী ৫০ জন গ্রাহক ও ৫০ জন মার্চেন্ট স্মার্টফোন জেতার সুযোগ পাবেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলতাফ হুসাইন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম. কামাল উদ্দীন জসীম।
বাংলা কিউআর ও কিউআরভিত্তিক সিকিউরড স্টেটমেন্ট বিষয়ে আলোচনা করেন এক্সেকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মজনুজ্জামান। এ সময়ে ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব আলম, মাহমুদুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাঈদ উল্লাহ ও মো. মাকসুদুর রহমানসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জোন ও শাখাপ্রধান এবং উপ-শাখার ইনচার্জরা জুম প্লাটফর্মে সংযুক্ত ছিলেন। ২৩ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, বাংলা কিউআর বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় একটি নতুন সংযোজন। এটি দেশের ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। ইসলামী ব্যাংক সবসময় প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রাহক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার পাশাপাশি প্রবাসীরা যেন আরও দ্রুত, সহজ ও নিরাপদ উপায়ে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন সে বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলা কিউআরের ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও সহজে ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এর ফলে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আরও বিস্তৃত হবে এবং একটি আধুনিক, ক্যাশলেস ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বাংলা কিউআরের ব্যবহারকে শুধু প্রযুক্তিনির্ভর একটি সেবা হিসেবে না দেখে দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলতাফ হুসাইন বলেন, ইসলামী ব্যাংক প্রযুক্তিনির্ভর ও গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইসলামী ব্যাংকের বিস্তৃত শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে দেশের প্রত্যন্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীসহ অধিকসংখ্যক মার্চেন্টকে বাংলা কিউআরের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বাংলা কিউআর ব্যবহারে ব্যাংকের সকল জোন, শাখা, উপশাখা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
সেমস-গ্লোবাল ইউএসএর আয়োজনে পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বাণিজ্যমেলা প্রাঙ্গণ) আগামী ২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর ‘২৫তম টেক্সটাইল সিরিজ অব এক্সিবিশন্স– ২০২৬’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৩৭টি দেশের প্রায় ১ হাজার ৪৭৫টি কোম্পানি ২ হাজার ২৪৫টি বুথ ও প্যাভিলিয়নে অংশ নেবে। আয়োজকদের আশা, এ প্রদর্শনীতে ব্যবসায়িক দর্শনার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়াবে।
এবারের আয়োজনে একই ছাদের নিচে অনুষ্ঠিত হবে ২৫তম টেক্সটেক বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো, ২৬তম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিক শো ২০২৬ এবং ৫৩তম ডাই+কেম বাংলাদেশ ২০২৬ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো। প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ব্যবসায়িক দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, প্রদর্শনীর বিস্তারিত জানাতে গত বুধবার ঢাকার একটি তারকা হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সেমস-গ্লোবাল। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট ও গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন ইসলাম, গ্রুপ সিইও এস এস সারওয়ার, নির্বাহী পরিচালক তানভীর কামরুল ইসলাম এবং গ্রুপ ডিরেক্টর অভিষেক দাস।
আয়োজকেরা জানান, প্রদর্শনী তিনটিতে টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল মেশিনারি, ইয়ার্ন, ফেব্রিক, ট্রিমস, অ্যাকসেসরিজ, ডাইস্টাফ, কেমিক্যালস ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শিত হবে।
প্রদর্শনীর পাশাপাশি চারটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এবারের বিশেষ সংযোজন ‘ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন জোন’। এখানে ইআরপি, অটোমেশন, ক্লাউড সিস্টেম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), আইওটি, ডিজিটাল মেশিনারিজসহ আধুনিক প্রযুক্তি ও সমাধান প্রদর্শন করা হবে।
ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক ড্রামা ক্লাব আয়োজিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নাট্য প্রতিযোগিতায় দেশের ১০টি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যদলকে হারিয়ে দ্বিতীয় রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাব (বিউসিস)।
প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাব ‘রেইনকোট’ নাটকটি পরিবেশন করে। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় ছিলেন তারেক শুভ। প্রতিযোগিতার ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন ভুঁইয়া।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য ইউনিভার্সিটিগুলো হলো নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ, আহছানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি, প্রাইম ইউনিভার্সিটি, নটর ডেম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ।
প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নাট্যদলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাবের এই সাফল্য বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অর্জনের বিষয়ে বিউইসিসির সদস্যরা বলেন, ‘আমাদের ছিল আত্মবিশ্বাস, পরিশ্রম এবং একে অপরের প্রতি বিশ্বাস। সীমাবদ্ধতাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে আমরা এগিয়ে গেছি।’
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কাজী জামিল আজহার এবং উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: জাহাঙ্গীর আলম বিউইসিসির এই সাফল্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও সাফল্য অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
এবি ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আরিফ বিল্লাহ আদিল চৌধুরী । বুধবার (১৯ আগস্ট) তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং অঙ্গনে ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আরিফ বিল্লাহ আদিল চৌধুরী তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, কৌশলগত দক্ষতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি ও ব্যবসায়িক রূপান্তরে সফল নেতৃত্বের জন্য সুপরিচিত।
এবি ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার নেতৃত্বে ব্যাংকটি আমানতকারীদের আস্থা অর্জন এবং খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে। একইসঙ্গে টেমেনোস কোর ব্যাংকিং সিস্টেম আধুনিকায়ন এবং তথ্য নিরাপত্তায় আইএসও ২৭০০১:২০২২ সনদ অর্জনের মাধ্যমে ব্যাংকটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়।
তিনি ২০২০ সালে ব্যাংক এশিয়ায় প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। সেখানে মূলধন শক্তিশালীকরণসহ প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করতে সংস্কার কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এর আগে হংকং ও সিঙ্গাপুরে দ্য ব্যাংক অব নোভা স্কটিয়ার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় দেশের বাইরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের পদে তিনি কর্মরত ছিলেন। এছাড়া, এশিয়া-প্যাসিফিক, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের কৌশলগত কার্যক্রমও তিনি তদারকি করেছেন।
তিনি ঢাকায় ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল ইন্দোসুয়েজ ও আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীকালে স্কটিয়া ব্যাংকের ঢাকা শাখায় ট্রেজারি বিভাগ প্রতিষ্ঠায় তিনি ভূমিকা রাখেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক ডিগ্রি এবং কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিওর রিচার্ড আইভি স্কুল অব বিজনেস থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
গ্রাহক আস্থা আরও সুদৃঢ়করণ, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ এবং ব্যাংকের চলমান রূপান্তর কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে তার এই নিয়োগ দেশের প্রথম বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক- এবি ব্যাংকের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
“Innovate and Lead with Impact” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিশ্ব উদ্যোক্তা দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকস (DScE)-এ। উদ্ভাবন, নেতৃত্ব ও উদ্যোক্তাবৃত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরতে দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের Department of Entrepreneurship Economics, Entrepreneurial Economists Club-এর সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, উদ্যোক্তা, উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও উদ্যোক্তা র্যালির মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়। র্যালির উদ্বোধন করেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের গভর্নিং বডির সম্মানিত চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BIDS)-এর মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এ. কে. এনামুল হক।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক রেহানা পারভীন।
র্যালিতে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং Entrepreneurial Economists Club-এর সদস্যসহ প্রায় ২০০ জন অংশগ্রহণ করেন। র্যালিটি DScE ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে পরীবাগ পর্যন্ত গিয়ে পুনরায় ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।
বিকেল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় দিনের প্রধান আনুষ্ঠানিক পর্ব। সেমিনারে উদ্যোক্তাবৃত্তি, উদ্ভাবন, নেতৃত্ব এবং একটি কার্যকর উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী নেতা, পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. এ. কে. এনামুল হক, ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক রেহানা পারভীন এবং Entrepreneurial Economists Club-এর সভাপতি ফরহাদুল ইসলাম ভূঁইয়া।
আনুষ্ঠানিক পর্বে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের মধ্য থেকে পাঁচজন উদ্যোক্তা এবং পাঁচজন উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ তাদের উদ্যোক্তা-ভাবনা, অভিজ্ঞতা এবং ইকোসিস্টেম উন্নয়নে অবদান উপস্থাপন করেন।
তাদের উপস্থাপনায় দিনের প্রতিপাদ্য “Innovate and Lead with Impact”-এর মূল চেতনা প্রতিফলিত হয়। উদ্ভাবনী ধারণা এবং উদ্যোক্তা নেতৃত্ব কীভাবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে ইতিবাচক ও অর্থবহ প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে, তা উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
অর্থনৈতিক উন্নয়নে তরুণ উদ্যোক্তাদের গুরুত্ব
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে তরুণ উদ্যোক্তাদের গুরুত্ব এবং ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উদ্যোক্তা কর্মকাণ্ড অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। দেশের জনমিতিক লভ্যাংশের (Demographic Dividend) সুফল কাজে লাগাতে বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তাবৃত্তির বিকাশে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তিনি তুলে ধরেন। আলোচনায় তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে উৎপাদনশীল উদ্যোগে রূপান্তর, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার জন্য তাদের ক্ষমতায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বিশেষ অতিথি আনোয়ার ফারুক, পরিচালক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এবং সাবেক কৃষি সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, উদ্যোক্তা উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি উদ্যোক্তা, উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞ এবং নীতিনির্ধারকদের সমন্বয়ে নিয়মিত অনুষ্ঠান ও প্ল্যাটফর্ম আয়োজনের আহ্বান জানান, যাতে দেশের উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম আরও শক্তিশালী করা যায়।
বিশেষ অতিথি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের, ndc (অব.) উদ্যোক্তাদের জন্য মূলধনপ্রাপ্তির সুযোগ সহজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং উদ্যোক্তাদের সফলতায় ব্যাংকিং খাতের ভূমিকার ওপর জোর দেন।
এছাড়া ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে.এস.এম. মোস্তাফিজুর রহমান এবং লাইভ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তালাত মামুন অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন এবং উদ্যোক্তাবৃত্তি ও ব্যবসায় উন্নয়ন বিষয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।
উদ্ভাবন তখনই অর্থবহ, যখন তা প্রভাব সৃষ্টি করে
বিশ্ব উদ্যোক্তা দিবস ২০২৬-এর এই আয়োজন একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরে—উদ্ভাবন তখনই সত্যিকার অর্থে অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে; আর উদ্যোক্তাবৃত্তি তখনই রূপান্তরমূলক হয়, যখন তা দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হয়।
“Innovate and Lead with Impact” প্রতিপাদ্যটি তাই পুরো আয়োজনের মূল দর্শন হিসেবে কাজ করেছে। তরুণদের শুধু নতুন ধারণা সৃষ্টিতে নয়, বরং সেই ধারণাকে টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় নেতৃত্বের সক্ষমতা অর্জনে উৎসাহিত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তা উন্নয়নের জন্য উদ্যোক্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেম বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বাংলাদেশের তরুণদের জন্য একটি সহায়ক ও গতিশীল উদ্যোক্তা পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য বলে অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে অবদান রাখতে সক্ষম উদ্ভাবনী, দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী উদ্যোক্তার একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর নতুন করে গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. এ. কে. এনামুল হক। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের পরিচালক রেহানা পারভীন। Entrepreneurial Economists Club-এর সভাপতি ফরহাদুল ইসলাম ভূঁইয়া সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের সূচনায় বক্তব্য দেন ক্লাবের সেক্রেটারি মেহরাব হোসাইন সায়েম।
বিশ্ব উদ্যোক্তা দিবস ২০২৬ উদযাপনের মধ্য দিয়ে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিকসের Department of Entrepreneurship Economics এবং Entrepreneurial Economists Club বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা নেতৃত্ব এবং ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টিকারী উদ্যোগ বিকাশে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
“Innovate and Lead with Impact” নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান: ধারণাকে কর্মে, নেতৃত্বকে মূল্যে এবং উদ্যোক্তাবৃত্তিকে দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাবে রূপান্তরিত করুন।
বাংলাদেশের তরুণদের স্মার্টফোনে তুলে ধরে প্রতিদিনের অসংখ্য মুহূর্ত এবার জায়গা করে নিয়েছে অপো ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায়। এবারের ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে-তে অপো এই সৃজনশীলতাকে উদযাপন করছে। ‘এভরি ফটো টেলস আ স্টোরি’ শীর্ষক অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬, গ্র্যান্ড ফিনালেতে পৌঁছেছে; আর সারাদেশ থেকে এতে রেকর্ড পরিমাণ ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন এসেছে।
অপোর কাছে ফটোগ্রাফি সবসময়ই উদ্ভাবনের কেন্দ্রে রয়েছে। সেলফি প্রযুক্তিতে পথ দেখানো থেকে শুরু করে এআই-সক্ষম ইমেজিং, পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি, নাইট ফটোগ্রাফি সহ বিভিন্ন ইমেজিং সক্ষমতা উন্নত করা পর্যন্ত, অপো সবসময় সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে ফটোগ্রাফি আরও সহজলভ্য করতে কাজ করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশে এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে ‘অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’, যা দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফটোগ্রাফি ও ভিজ্যুয়াল আর্টস প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সাথে অংশীদারিত্বে আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় সারা বাংলাদেশের ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের স্মার্টফোনে তোলা ছবি পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে জমা দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো- পোর্ট্রেট; নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ; স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার; লো লাইট; ও হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার।
এতে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। প্রতিযোগিতায় ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন পড়েছে, যা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ফটোগ্রাফির প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও সৃজনশীল প্রকাশের হাতিয়ার হিসেবে স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তাকে প্রতিফলিত করে।
প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড উইনার পাবেন ১,০০,০০০ টাকা নগদ পুরস্কার, একটি অপো ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ও পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এলিট উইনার পাবেন ৫০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। মাস্টার উইনার পাবেন ৩০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এবং প্রতিটি ক্যাটাগরি উইনার পাবেন ২০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “অপোতে আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে, ফটোগ্রাফি তরুণদের জন্য নিজেদের পরিচয় ও বিশ্বকে দেখার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যমগুলোর একটি। ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে আমাদের জন্য প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার একটি অসাধারণ সুযোগ। এটি কেবল ইমেজিং প্রযুক্তির প্রতি নয়; বরং, দেশজুড়ে আমরা যে সৃজনশীল কমিউনিটি গড়ে তুলতে চাই তার প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাও। ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ আমাদের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের গল্পগুলো ভাগাভাগি করে নিয়েছেন; এটি অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক। এই আবেগ ও সৃজনশীলতাকে আরও বিকশিত হতে সহায়তা করবে আমরা এমন প্ল্যাটফর্ম ও সুযোগ তৈরি করতে চাই।”
বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/OPPOBangladesh ও ওয়েবসাইট https://opposhot.com/ ভিজিট করুন।