মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ওয়ালটন অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস সোনালী ব্যাংকে ব্যবহার

করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত
করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২৩ ১৫:১৪

রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় ব্যবহৃত হচ্ছে ওয়ালটন অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস। দেশের ১০৮০টি শাখায় ১১৫৫টি অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস ইনস্টলেশন শুরু করেছে ওয়ালটন। এ ডিভাইস ব্যবহার করে ব্যাংকটির কর্মীদের অফিস হাজিরাসহ তাদের কর্মঘণ্টার হিসাব রাখা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

এ উপলক্ষে গত আগস্ট মাসে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সোনালী ব্যাংকের শাখা অফিসগুলোতে অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস সরবরাহ ও ইনস্টল করে ওয়ালটন।

দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইসসহ ওয়ালটনের নানান প্রযুক্তি পণ্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশীয় প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনে শিল্প খাতের বিকাশ ত্বরান্বিত হচ্ছে। এতে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সোনালী ব্যাংকের মতো অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দেশীয় ব্র্যান্ডের পণ্য ব্যবহার করলে তা দেশের সামগ্রিক কল্যাণ বয়ে আনবে বলে অভিমত সংশ্লিষ্টদের।

উল্লেখ্য, দেশের প্রযুক্তি বাজারে উচ্চমানের অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস নিয়ে এসেছে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। অ্যাসেন্ট (ASSENT) ব্র্যান্ডের প্যাকেজিংয়ে ওয়ালটনের এই অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস নিশ্চিত করে ঝামেলাহীন অফিস অ্যাটেনডেন্স। ফলে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ সংক্রান্ত কাজ হয় দ্রুত ও নির্ভুল। বর্তমানে ওয়ালটনের রয়েছে ৪ মডেলের অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস। এর মধ্যে ডব্লিউএসি১১ (WAC11) মডেলের দাম ৭,৯০০ টাকা থেকে কমে বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ৬,৭১৫ টাকায়। আর ডব্লিউএসি২২ (WAC22) মডেল ১২,৯৫০ টাকা থেকে কমে এখন দাম হয়েছে ১১,০০৭ টাকা এবং ডব্লিউএসি৩৩ (WAC33) মডেল ১৪,৪৫০ টাকা থেকে কমে ১২,২৮২ টাকা। এছাড়া ডব্লিউএসি৩৪ (WAC34) মডেলের নতুন আরেকটি অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস বাজারে এসেছে।

ওয়ালটনের অ্যাসেন্ট অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইসে অত্যাধুনিক সব ফিচার রয়েছে। এতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, কার্ড এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা যায়। ডিভাইসগুলো ০.৫ সেকেন্ডেরও কম সময়ে রেসপন্স করে। এতে ৩ হাজার ইউজার এবং ৭০ হাজার পর্যন্ত রেকর্ড ধারণ করার সুবিধা রয়েছে।

ওয়ালটন অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইসের সঙ্গে এইচআরএমএস সফটওয়্যার, পেরোল, অ্যাটেনডেন্স রিপোর্ট ইত্যাদি ইন্টিগ্রেট করার সুবিধা রয়েছে। এতে আছে এক্সিট বাটন, ডোর ম্যাগনেট, রিডার ইন্টারফেস, উইগ্যান্ড ইনপুট ফিচার। রয়েছে দেশব্যাপী ওয়ালটন সার্ভিস পয়েন্টের মাধ্যমে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে সেবা পাওয়ার নিশ্চয়তা।

অন্য যেকোনো এইচআরএমএস কিংবা ইআরপি সফটওয়্যারের সঙ্গে ইন্ট্রিগেশনের জন্য ওয়ালটন অ্যাক্সেস কন্ট্রোলের এপিআই ব্যবস্থা আছে। এ ছাড়া যেকোনো প্রতিষ্ঠানে আগে থেকে ব্যবহার করা অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইসের সঙ্গে সমান্তরালে ওয়ালটন অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস ব্যবহার করা যায়। বিজ্ঞপ্তি


নির্বাচিত

এনআরবি ইসলামিক লাইফের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পঞ্চম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানির চেয়ারম্যান কিবরিয়া গোলাম মোহামাদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন শেয়ারধারী এম মাহফুজুর রহমান, আফতাব আহমেদ, ফারিয়া মোস্তাফিজ (উজিরপুর ফিস পার্কের প্রতিনিধি), আরিফ সিকদার (আম্বালা আইটির প্রতিনিধি), মো. জামাল উদ্দিন (লিবার্টি লিভিংয়ের প্রতিনিধি) ও মো. নুরুল আজিম রিফাত।

আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. শাহ জামাল হাওলাদার এবং সিএফও মোহাম্মদ আবু হাসান। এজিএম পরিচালনা করেন কোম্পানি সচিব মো. সালাহউদ্দীন।


নির্বাচিত

আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, আধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা এবং যত্নশীল সেবার সমন্বয়ে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন আকিজ ইনসাফের সম্মানিত ম্যানেজিং ডিরেক্টর শেখ জামিল উদ্দিন এবং ডিরেক্টর ডা. রেজওয়ানা আফরোজ স্মরণী।

‘Care & Happy Experiences at Every Step’- এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পরামর্শ, রোগীকেন্দ্রিক যত্ন ও সেবা, সুস্থতর সমাজ এবং আনন্দময় আগামীর প্রত্যয় নিয়ে আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার অঙ্গীকারবদ্ধ।

এমআরআই, সিটিস্ক্যান, এক্স-রে, ম্যামোগ্রাফি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ইটিটি, ইকোকার্ডিওগ্রামসহ পূর্ণাঙ্গ প্যাথলজিসেবার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশেষায়িত বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কনসালটেশনও প্রদান করা হবে।

উদ্বোধন উপলক্ষে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে মাসব্যাপী অধিকাংশ প্যাথলজি, রেডিওলজি ও ইমেজিং টেস্টে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

রোগীর চলাচলের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারে রয়েছে ইলেকট্রিক স্ট্রেচার ও ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার এবং ইলেকট্রিক পেশেন্ট বেড।

বয়স্ক, অতিরিক্ত ওজনের কিংবা চলাচলে সীমাবদ্ধ রোগীদের অ্যাম্বুলেন্স থেকে Auto height adjustable স্ট্রেচারে স্থানান্তর এবং পরবর্তীতে স্ট্রেচার থেকে ডাক্তারের চেম্বারে রোগীকে Auto height adjustable patient বেডে স্থানান্তর আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণভাবে করা হয়। এ ছাড়া এই স্ট্রেচার এবং Auto height adjustable patient bed-এর মাধ্যমে রোগীকে সহজে নির্দিষ্ট উচ্চতায় এনে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয় চেকআপ সম্পন্ন করা হয়। রোগীদের চলাচল সহজ করতে ইলেকট্রিক হুইলচেয়ারসহ আরও কিছু সেবা রয়েছে।

আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিকের বিভিন্ন পরীক্ষায় অন-লাইন বুকিংয়ের ব্যবস্থা আছে।

এমআরআই, সিটিস্ক্যান, এক্স-রে, ম্যামোগ্রাফি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ইটিটি, ইকোকার্ডিওগ্রাম প্রতিটি পরীক্ষার অনলাইন বুকিংয়ের সময় Patient preparation video দেখা যায়। যা রোগীকে পরীক্ষার পূর্ব প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিটি ফ্লোরের মনিটরে Patient preparation video সব সময় দেখানো হয়, যা রোগী ও রোগীর অভিভাবককে পরীক্ষার পূর্ব প্রস্তুতি সম্পর্কে সচেতন করে।

আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নতমানের চিকিৎসা, সমন্বিত ডায়াগনস্টিক সুবিধা এবং রোগীর স্বাচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দিয়ে আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি ধাপে যত্ন ও ইতিবাচক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


নির্বাচিত

৫ হাজার কোটি টাকার সিএমএসএমই পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে যুক্ত হলো আইপিডিসি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫৬
করপোরেট ডেস্ক

কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধনের অর্থায়ন সুবিধা বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে অংশগ্রহণের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে আইপিডিসি ফিন্যান্স পিএলসি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট (এসএমইএসপিডি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন আইপিডিসি ফিন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. জাবদুল ইসলাম।

এই পুনঃঅর্থায়ন উদ্যোগে যোগ্য ও সক্ষম সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের কাছে অর্থায়ন পৌঁছে দেওয়া এবং ব্যবসার উৎপাদনশীল কাজে এ অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ অর্থায়নের মাধ্যমে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কার্যক্রম চালু রাখা ও সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে, যা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখবে।

আইপিডিসি ফিন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস বলেন, ‘সিএমএসএমই খাতের ব্যবসার ধারাবাহিকতা ও প্রবৃদ্ধির জন্য সময়মতো এবং সাশ্রয়ী হারে চলতি মূলধনের অর্থায়ন পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্যোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অর্থায়নের সুযোগ আরও বাড়াতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, এ উদ্যোগ ব্যবসার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা ও সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।’

পুনঃঅর্থায়ন স্কিমটির আওতায় যোগ্য সিএমএসএমই উদ্যোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে চলতি মূলধনের অর্থায়ন সুবিধা দেবে আইপিডিসি ফিন্যান্স। এ অর্থায়ন তাদের দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা, প্রয়োজনীয় তারল্য নিশ্চিত করা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে সিএমএসএমই খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের সুযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে এ উদ্যোগ।

উদ্যোক্তাদের জন্য সহজলভ্য ও দায়িত্বশীল অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের সিএমএসএমই খাতকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে আইপিডিসি ফিন্যান্স। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় ও অর্থায়ন সুবিধার বাইরে থাকা ব্যবসাগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের আওতায় এনে দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার লক্ষ্য রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।


নির্বাচিত

গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি ও আইসিটি খাতে অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে যুক্ত হলো প্রাইম ব্যাংক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম এবং আইসিটি খাত উন্নয়নে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে দুটি অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফয়সাল রহমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের পরিচালক এ কে এম নুরুননবী। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই দুটি স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে স্বল্প ব্যয়ে অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি করছে। অংশগ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাইম ব্যাংক টেকসই শিল্প উন্নয়ন ও আইসিটি-সংশ্লিষ্ট উদ্যোগে বিনিয়োগকারী যোগ্য উদ্যোক্তাদের পুনঃঅর্থায়ন-সমর্থিত অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করবে।

এই দুটি স্কিমে প্রাইম ব্যাংকের অংশগ্রহণ টেকসই অর্থায়ন, দায়িত্বশীল ব্যাংকিং এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতি ব্যাংকের অব্যাহত অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এর মাধ্যমে সবুজ শিল্পচর্চা গ্রহণ, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান বাস্তবায়নে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার লক্ষ্য নিয়েছে ব্যাংকটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে টেকসই বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা এবং অর্থনীতির উদীয়মান খাতগুলোতে অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণে প্রাইম ব্যাংকের প্রতিশ্রুতিও প্রতিফলিত হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আরও টেকসই, প্রযুক্তিনির্ভর ও ভবিষ্যৎ উপযোগী অর্থনীতি গঠনে অবদান রেখে চলেছে প্রাইম ব্যাংক।


নির্বাচিত

রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসায় অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করল ব্যাংক এশিয়া

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করল ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ ব্যাংক এশিয়া টাওয়ারে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আর কে হোসেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনএম মাহফুজ, নূরুল্লাহ চৌধুরী ও মো. সাব্বির হোসেনসহ ব্যবস্থাপনা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিষদ পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মীদের নিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা ও অসাধারণ সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতেও এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসার প্রবৃদ্ধিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে উৎসাহিত করেন।


নির্বাচিত

ইস্পাহানি মির্জাপুর চায়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মৌসুমী মৌ

ইস্পাহানি মির্জাপুর চা-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল মৌসুমী মৌ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল মৌসুমী মৌ দুই বছরের জন্য ইস্পাহানি মির্জাপুর চা-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ইস্পাহানি টি লিমিটেডের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে তিনি মির্জাপুর চা-এর বিভিন্ন ব্র্যান্ড ক্যাম্পেইন ও প্রচারণায় অংশ নেবেন।

এ ছাড়া বাংলা ভাষা নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রিয়্যেলিটি শো ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদের সপ্তম বর্ষে উপস্থাপিকা হিসেবে দেখা যাবে মৌসুমী মৌকে। বাংলা ভাষা, ব্যাকরণ, সাহিত্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক এই আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা ভাষার চর্চা ও জ্ঞানকে আরও উৎসাহিত করার প্রয়াস চালিয়ে আসছে ইস্পাহানি মির্জাপুর।

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী চা ব্র্যান্ড ইস্পাহানি মির্জাপুর চা দীর্ঘদিন ধরে গুণগত মান ও ভোক্তাদের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। মৌসুমী মৌর জনপ্রিয়তা ও উপস্থিতি ব্র্যান্ডটির যোগাযোগ কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছে ইস্পাহানি টি লিমিটেড।

মৌসুমী মৌ বলেন, ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর চায়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। আগামী দুই বছর ব্র্যান্ডটির সঙ্গে কিছু দারুণ কাজ হবে

বলে আশা করছি। বিশেষ করে বাংলাবিদের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত।’


নির্বাচিত

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে শীর্ষে স্যামসাং

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি–জুন) বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন সরবরাহের হিসেবে শীর্ষে রয়েছে স্যামসাং। এ সময়ে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটির দখল ছিল ২১ দশমিক ৮ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী এ চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০ দশমিক ৯ শতাংশ বাজার হিস্যা নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যাপল। এরপর রয়েছে শাওমি (১১ দশমিক ৪ শতাংশ), অপো (১০ দশমিক ৩ শতাংশ) এবং ভিভো (৭ দশমিক ৬ শতাংশ)।

কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল–জুন) বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন সরবরাহ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ শতাংশ কমেছে। যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির বিভিন্ন চাপের কারণে এ সময়ে স্মার্টফোনের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেও স্যামসাংয়ের স্মার্টফোন সরবরাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ শতাংশ বেড়েছে। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, অনুকূল মূল্য নির্ধারণ এবং বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান স্যামসাংয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

২০২৬ সালের প্রথমার্ধের এই প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে স্যামসাংয়ের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে। উদ্ভাবনী মোবাইল প্রযুক্তি, বিভিন্ন ডিভাইসের সমন্বিত ইকোসিস্টেম এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্মার্টফোনের প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ প্রতিষ্ঠানটির বাজার সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে স্যামসাংয়ের স্মার্টফোনের ব্যবহার ও গ্রাহক আনুগত্যও অব্যাহত রয়েছে। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে গ্রাহকদের প্রয়োজন ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন প্রযুক্তি ও পণ্য নিয়ে আসার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।


নির্বাচিত

সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৭৯৯তম সভায় বিচারপতি মোঃ আজিজুল হক ও নুরজাহান বেগম, এনডিসি স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে যোগদান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের ৭৯৯তম সভা ব্যাংকের দিলকুশাস্থ প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন ও বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব এম. এ. কাশেম।

সভায় ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় বিচারপতি মোঃ আজিজুল হক এবং মিসেস নুরজাহান বেগম, এনডিসি স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদে যোগদান করেন।

বিচারপতি আজিজুল হক ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন। তিনি ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইন বিষয়ে তাঁর একাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি আরবিট্রেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মিস নুরজাহান বেগম, এনডিসি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন সাবেক অতিরিক্ত সচিব। জনপ্রশাসন, কর প্রশাসন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর প্রায় চার দশকের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (BPSC) সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (NDC)-এর সিনিয়র ডিরেক্টিং স্টাফ (সিভিল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদে তাঁদের যোগদানের মাধ্যমে ব্যাংকের সুশাসন, অভিজ্ঞতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের ৪১৩তম সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালক পর্ষদের ৪১৩তম সভা ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ ইউনুছ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় বেশ কিছু সংখ্যক বিনিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফকির আখতারুজ্জামান, পরিচালকবৃন্দ জনাব মো: সানাউল্লাহ সাহিদ, জনাব আব্দুল বারেক, জনাব আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, জনাব খন্দকার শাকিব আহমেদ, জনাব এ. কে. আজাদ, জনাব মো: মশিউর রহমান চমক, জনাব ফকির মাসরিকুজ্জামান, জনাব ফকির মনিরুজ্জামান, স্বতন্ত্র পরিচালক জনাব মো: রিয়াজুল করিম এবং জনাব মোয়াম্মেল এ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব জনাব মো: আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে গতি আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের যোগদান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে আরও বহুমুখী ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকার ‘রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এ অংশগ্রহণের জন্য মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) গত সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে এমটিবি সম্ভাবনাময় রপ্তানিমুখী খাতসমূহকে সহজ শর্তে অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করবে, যা দেশের রপ্তানি খাত সম্প্রসারণ এবং নতুন নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার চৌধুরী আখতার আসিফ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের পরিচালক এ. কে. এম. নূরুন্নবী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতি ঐতিহাসিকভাবে সীমিতসংখ্যক পণ্য ও বাজারের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। ফলে পণ্য ও বাজারের অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবনের কারণে রপ্তানি খাতে বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের রপ্তানি পণ্যের পরিধি বাড়াতে সম্ভাবনাময় রপ্তানিমুখী খাতগুলোতে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করার উদ্দেশ্যেই এই পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করা হয়েছে। পাট ও চামড়াজাত পণ্য-এর মতো খাত, যেগুলো দেশের অভ্যন্তর থেকেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা রাখে। তবে পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব দীর্ঘদিন ধরে এসব খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হিসেবে রয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে যোগ্য শিল্প ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে তুলনামূলক সাশ্রয়ী অর্থায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। এর ফলে তারা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে, নতুন রপ্তানিযোগ্য পণ্য তৈরি করতে, নতুন আন্তর্জাতিক বাজার অনুসন্ধান করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, বৈচিত্র্যময় ও স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এমটিবি-এর পক্ষ থেকে ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের প্রধান তাহমিনা জামান খান ও ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের ইউনিট হেড এ.টি.এম. নেসারুল হক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আবু আলম মহসিন ও যুগ্ম পরিচালক সজীব কুমার দাস উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সময়োপযোগী উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এমটিবি সম্ভাবনাময় রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সহজ অর্থায়ন নিশ্চিত করতে এবং নতুন পণ্য, উদীয়মান শিল্প ও আন্তর্জাতিক বাজারের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালনে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।


নির্বাচিত

মাইক্রো আরজিবি প্রযুক্তি নিয়ে দেশে স্যামস্যাং-এর নতুন এইচ-সিরিজ টিভি লাইনআপ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের বাজারে নতুন এইচ-সিরিজ টিভি লাইনআপ নিয়ে এসেছে স্যামসাং বাংলাদেশ। মাইক্রো আরজিবি, ওএলইডি এবং মিনি এলইডি ডিসপ্লের পাশাপাশি এই সিরিজের কয়েকটি মডেলে রয়েছে সর্বাধুনিক এআই প্রযুক্তি।

গত দুই দশকে ধরে নিত্যনতুন টেলিভিশন প্রযুক্তি বাজারে নিয়ে আসার মাধ্যমে এ খাতে অনন্য মাত্রা যোগ করেছে স্যামস্যাং। উদ্ভাবনের এ ধারাবাহিকতায় তাদের নতুন সংযোজন অত্যাধুনিক এই এইচ-সিরিজ টিভি। এর ফলে বিশ্বের প্রথম আরজিবি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ টেলিভিশন এখন বাংলাদেশের ক্রেতাদের হাতের নাগালে।

দর্শকদের ভিন্ন ভিন্ন পছন্দের কথা মাথায় রেখে স্যামসাংয়ের নতুন এইচ-সিরিজে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ক্যাটাগরির টিভি এবং ডিসপ্লে প্রযুক্তি।

এইচ-সিরিজ লাইনআপের শীর্ষে রয়েছে প্রিমিয়াম মাইক্রো আরজিবি রেঞ্জ ‘আর৯৫এইচ’ (R95H)। এর পাশাপাশি রয়েছে ওএলইডি সিরিজ ‘এস৯৫এইচ’ ও ‘এস৮৫এইচ’ (S95H ও S85H)। এই টিভিগুলোর নিখুঁত কনট্রাস্ট ও আল্ট্রা-ফাস্ট রিফ্রেশ রেট সিনেমা দেখা ও গেমিংয়ে প্রতিটি দৃশ্যকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

বাসার ভেতরে স্টেডিয়ামের আবহ তৈরি করতে স্যামসাং আরও এনেছে মিনি এলইডি (M70H) মডেল ‘এম৭০এইচ’। এর অসাধারণ ডাইনামিক সাউন্ড প্যাক খেলা দেখার প্রতিটি মুহূর্তকে করে তোলে আরও বেশি রোমাঞ্চকর। অন্যদিকে, প্রতিদিনের টিভি দেখার অভিজ্ঞতায় ক্রিস্টাল ইউএইচডি ‘ইউ৮৫০০এইচ’ এবং ‘ইউ৯০০০এইচ’ এবং এফএইচডি/এইচডি ‘এফ৬০০০এফ’ ‘এফ৫০০০এফ’ সিরিজ নিশ্চিত করে চমৎকার রেজল্যুশন।

নতুন এইচ-সিরিজের মূল আকর্ষণ স্যামসাংয়ের মাইক্রো আরজিবি প্রযুক্তি। উন্নত এআই ইঞ্জিন এবং তুষারকণার চেয়েও ক্ষুদ্র লাল, সবুজ ও নীল লাইট চিপের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এই প্রযুক্তি। ফলে স্ক্রিনে ফুটে ওঠে আরও উজ্জ্বল দৃশ্য, নিখুঁত কনট্রাস্ট ও প্রাণবন্ত রঙ; যা দর্শককে দেয় সিনেমা হলের মত উজ্জ্বল ও বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা।

পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সৌন্দর্যের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে স্যামসাংয়ের নতুন এই টিভিগুলো। শিল্পকর্মের অনুপ্রেরণায় তৈরি এর সাবলীল ডিজাইন আধুনিক টিভির প্রচলিত ধারণাকে বদলে দেবে। লিভিং রুমের সৌন্দর্য বাড়িয়ে ঘরকে করে তুলবে আরও আকর্ষণীয়। এই টিভিগুলোর প্রযুক্তিগত আপগ্রেড টিভি দেখার অভিজ্ঞতাকে করবে আরও সহজ ও জীবন্ত।

এর গ্লেয়ার-ফ্রি স্ক্রিন কোটিং-এর কারণে স্ক্রিনে ঘরের বা বাইরের আলো প্রতিফলিত হয় না। ফলে দিনের যেকোনো সময়ে ঝকঝকে ছবি দেখা যায়।

গেমারদের জন্য এতে যুক্ত করা হয়েছে ১৬৫ হার্জ রিফ্রেশ রেট। আর এনভিডিয়া জি-সিঙ্ক ও এএমডি ফ্রিসিঙ্ক সাপোর্ট স্ক্রিন টিয়ারিংয়ের ঝামেলা পুরোপুরি দূর করে নিশ্চিত করে সুপার-স্মুথ অ্যাকশন। নির্ধারিত কিছু মডেলে রয়েছে মিনি এলইডি ব্যাকলাইট যা কম শক্তি খরচে দেয় বেশ উজ্জ্বল ছবি। এছাড়া, এআই ফুটবল মোড রিয়েল-টাইম এআই বিশ্লেষণের মাধ্যমে ছবির মান স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক করে নেয় এবং স্টেডিয়ামের শব্দকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।

নতুন এই টিভি লাইনআপের উন্মোচন উপলক্ষে স্যামসাং বাংলাদেশের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস ডিভিশনের ডিরেক্টর এবং হেড অব বিজনেস শাহরিয়ার বিন লুৎফর বলেন, “ব্যবহারকারীদের বাস্তব জীবনের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই আমরা ধারাবাহিকভাবে নতুন উদ্ভাবন নিয়ে আসছি। যার সুবাদে গত বিশ বছর ধরে বিশ্বজুড়ে টিভি বাজারে আমরা আমাদের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছি। বাংলাদেশে নতুন এইচ-সিরিজের মাধ্যমে আমরা উচ্চমানের টিভি প্রযুক্তিকে করে তুলছি সবার জন্য আরও সহজলভ্য ও উপভোগ্য। এই টিভিগুলো আপনার প্রতিদিনের হোম এন্টারটেইনমেন্টের অভিজ্ঞতাকে নিয়ে যাবে নতুন এক উচ্চতায়।”

নতুন স্যামসাং এইচ-সিরিজ টিভি এখন সারাদেশের অনুমোদিত স্যামসাং আউটলেট ও পার্টনার রিটেইল স্টোরগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।


নির্বাচিত

প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্পের সাথে চুক্তিবদ্ধ হলেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের শীর্ষস্থানীয় ওয়াটার পাম্প ব্র্যান্ড ‘প্রিমিটেক’- এর বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে প্রিমিটেক গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে জমকালো এক আয়োজনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ইরফান সাজ্জাদ বলেন, “প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্পের আধুনিক প্রযুক্তি, দীর্ঘস্থায়িত্ব এবং গুণগত মান আমাকে দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে। আমার বিশ্বাস, দেশের প্রতিটি ঘরে নিশ্চিন্তে অফুরান পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্প অনন্য ভূমিকা রাখবে। এমন একটি নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”

অনুষ্ঠানে প্রিমিটেক গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ওমর ফারুক বলেন, “পণ্যের সেরা কোয়ালিটি নিশ্চিত করার পর আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল এই আস্থার বার্তাটি মানুষের কাছে সুন্দরভাবে পৌঁছে দেওয়া। আর সেই কাজের জন্য আজ আমাদের সাথে যুক্ত হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ।”

প্রিমিটেক গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম এ কাইয়ুম বলেন, “ইরফান সাজ্জাদের মতো জনপ্রিয় অভিনেতাকে প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্পের সাথে যুক্ত করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। প্রিমিটেক সবসময়ই গ্রাহকদের কাছে সেরা প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ নির্ভরতা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

উল্লেখ্য, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্প কম বিদ্যুৎ খরচে দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্সের জন্য সুপরিচিত। বাসা-বাড়ি থেকে শুরু করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক মানের নির্ভরযোগ্য সব পাম্প বাজারে এনেছে প্রিমিটেক, যা দেশের প্রতিটি প্রান্তে নিশ্চিত করছে নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রিমিটেক গ্রুপের ডিরেক্টর দেলোয়ার হোসেন মজুমদার মাশুক, চিফ অপারেটিং অফিসার মোঃ নাজিবুজ্জামান, হেড অব মার্কেটিং সানজিদ ইব্রাহিম সহ বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।


নির্বাচিত

দেশের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত: স্কয়ার হসপিটালে রোবোটিক সার্জারির যাত্রা শুরু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্কয়ার হসপিটাল দেশের মানুষের জন্য বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায়, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারে স্কয়ার হসপিটাল অত্যাধুনিক রোবটিক সার্জারি সেবা প্রদান শুরু করেছে। এই উন্নত ও যুগোপযোগী চিকিৎসার সুবাদে দেশের রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে অত্যন্ত সাশ্রয়ী ব্যয়ে নিখুঁত ও ঝুঁকিমুক্ত অস্ত্রোপচার সম্ভব। এটি রোগীর রক্তপাত ও জটিলতা যেমন কমায়, তেমনি হাসপাতালে অবস্থানের সময়কাল সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত কর্মক্ষেত্রে ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সাহায্য করে।

স্কয়ার হসপিটাল বিশ্বাস করে, এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন বাংলাদেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা খাতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং রোগীদের জন্য আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক চিকিৎসার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

বাংলাদেশে একমাত্র স্কয়ার হসপিটালের রোবটে দুটি কনসোল রয়েছে যার মাধ্যমে নতুন রোবোটিক সার্জন প্রশিক্ষণ নিতে পারবে । স্কয়ার হসপিটাল রোবটের বাণিজ্যিক ব্যবহারের বাইরে দেশের কর্মরত চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের জন্য এই উদ্যোগ গ্রহন করেছে ।শুধু তাই নয় এই রোবটে রয়েছে রিমোট সার্জারি সুবিধা- দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের রোগীর অপারেশন এখন সহজেই সম্ভব।

রোগ নির্ণয় এর জন্য আমাদের রয়েছে মোনালিসা নামক আরও একটি বিশেষ রোবট যার মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁত ভাবে প্রস্টেট এর ক্যান্সার সনাক্ত করা যায় । আমরা ইতেমধ্যে এই পদ্ধতিতে অনেক রোগীর ক্যান্সার সনাক্ত করে সঠিক চিকিৎসা প্রদান করেছি ।

স্কয়ার হসপিটাল সম্পূর্ণ সফলতার সাথে বিশ্বমানের রোবটিক সার্জারি প্রযুক্তির মাধ্যমে জটিল অপারেশন সম্পন্ন করে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।


নির্বাচিত

banner close