৫০তম উপশাখা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের ‘বিশ্বরোড’ উপশাখা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার অধীনে গতকাল মঙ্গলবার এটির উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহমুদ হোসেন উপশাখাটির উদ্বোধন করেন। এ সময় ব্যাংকের ব্র্যাঞ্চেস অপারেশন ডিভিশনের প্রধান ও এসইভিপি নিজাম আহমেদ, হেড অব মার্কেটিং ও ইভিপি এ কে এম ছালাহ্ উদ্দিন খান, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক প্রধান ও এসভিপি প্রবীর কুমার ভৌমিক, লজিস্টিক সার্ভিসেস ডিভিশনের প্রধান ও ভিপি প্রদীপ কুমার সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ওসি মো. এমরানুল ইসলাম, পিপিএমবার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার ব্যবস্থাপক ও এভিপি খন্দকার মো. মাহবুবুর রহমান, বিশ্বরোড উপশাখার ইনচার্জ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসা অতিথিরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা এখন তাদের সন্নিকটেই ন্যাশনাল ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। বিজ্ঞপ্তি
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন মো. জিয়াউর রহমান। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্যাংকের বোর্ড সভায় তাকে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়।
ব্যাংকিং খাতে ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মো. জিয়াউর রহমান বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। বৈচিত্রময় কর্ম জীবনে তিনি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার, হেড অব ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, হেড অব সিন্ডিকেট অ্যান্ড স্ট্রাকচারড ফাইন্যান্সিং ও হেড অব করপোরেট বিজনেস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ব্যাংকের কমপ্লায়েন্স বিষয়ে তিনি অত্যন্ত অভিজ্ঞ। প্রাইম ব্যাংকে ডিএমডি হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি ঢাকা ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংকের বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় পদে কর্মরত ছিলেন।
পদোন্নতির আগে তিনি ২০২১ সাল থেকে ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বর্তমানে তিনি প্রাইম ব্যাংকের চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার এবং চিফ রিস্ক অফিসার (সিআরও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
প্রতিবারের মতো এবারও ১লা বৈশাখ উদযাপনের কেনাকাটাকে আনন্দময় ও সাশ্রয়ী করতে আকর্ষণীয় সব ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে এসেছে বিকাশ। প্রিয়জনদের কিংবা নিজের জন্য কেনাকাটায় পছন্দের লাইফস্টাইল, ফুড, টিকেট ও ট্রাভেল, গ্যাজেটস, অনলাইন শপিংসহ দেশজুড়ে ১৫ হাজারের বেশি আউটলেটে বিকাশ পেমেন্টে থাকছে ১,৩৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক। বিস্তারিত জানা যাবে এই লিংকে - https://www.bkash.com/campaign/boishakhi-shopping-with-bkash।
উল্ল্যেখযোগ্য অফার -
লাইফস্টাইল: দর্জি বাড়ি, এক্সটেসি, বারকোড, ফ্যাব্রিলাইফ, কে ক্রাফট, রঙ, র নেশন, শৈল্পিক, স্মার্টেক্স সহ আরও বেশ কিছু ব্র্যান্ডে কেনাকাটায় পাওয়া যাচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। বিকাশ অ্যাপ থেকে ন্যূনতম ১,৫০০ টাকা পেমেন্টের সময় ‘D1’ কোড দিলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট। অন্য দিকে *২৪৭# ডায়াল করে পেমেন্টে থাকছে ৫% করে ক্যাশব্যাক, ১০০ টাকা পর্যন্ত। ক্যাম্পেইন চলাকালীন একজন গ্রাহক ২ বার এই ডিসকাউন্ট বা ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন। আড়ং-এ কেনাকাটায় ‘A3’ কোড দিয়ে ন্যূনতম ৩,০০০ টাকার পেমেন্ট বিকাশ করলে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট। অফারটি একবার উপভোগ করা যাবে। পাশাপাশি, রিচম্যান, ইনফিনিটি মেগা মল ও লুবনান এর যেকোনো আউটলেটে কেনাকাটায় বিকাশ অ্যাপে ‘D8’ কোড যোগ করে পেমেন্টে থাকছে ১০০ টাকা ডিসকাউন্ট আর *২৪৭# ডায়াল করে পেমেন্টে ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক। এক্ষেত্রে ন্যূনতম ২,৫০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে। অফারটি একবার উপভোগ করা যাবে। অফার চলবে ১৫ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।
অনলাইন মার্কেটপ্লেস: পিকাবু, সারা লাইফস্টাইল, গ্যাজেট ও গিয়ার, লুবনান, মাঞ্চিস, লোটো, মুন স্কিন সহ নির্দিষ্ট অনলাইন শপ থেকে যেকোনো কেনাকাটায় ন্যূনতম ৬০০ টাকার পেমেন্ট বিকাশ করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৫% অথবা ১০% করে ক্যাশব্যাক, ১০০ টাকা পর্যন্ত। গ্রাহক দিনে ১ বারে ১০০ টাকা পর্যন্ত এবং অফার চলাকালীন ১৫০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন।
ফুড ও বেভারেজ: নববর্ষে জনপ্রিয় ফুড ডেলিভারি অ্যাপ ফুডি-তে ন্যূনতম ৩০০ টাকা বিকাশ পেমেন্টে থাকছে ১০% করে ক্যাশব্যাক। ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে একজন গ্রাহক দিনে ১ বারে ৫০ টাকা পর্যন্ত, মাসে ১৫০ টাকা এবং অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাবেন। এদিকে, দেশি খাবারের স্বাদ নিতে কুকআপস এর অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে থেকে খাবার অর্ডারে বিকাশ পেমেন্টে থাকছে সর্বোচ্চ ৭% ডিসকাউন্ট। নির্দিষ্ট কুপন কোড অনুযায়ী নির্ধারিত পেমেন্ট অ্যামাউন্টের খাবারের অর্ডারে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৩, ৫ ও ৭% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে গ্রাহকরা প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ২ বার ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। বিস্তারিত জানা যাবে এই লিংকে - https://www.bkash.com/campaign/payment-cookups-feb26।
গ্যাজেটস: স্টার টেক এর যেকোনো আউটলেট থেকে ন্যূনতম ১,২০০ টাকা বিকাশ পেমেন্টে কেনাকাটায় গ্রাহকরা পাচ্ছেন ২০০ টাকা ক্যাশব্যাক। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে একজন গ্রাহক দিনে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। এছাড়া, ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত গোজায়ান-এ ফ্লাইট বুক করে পেমেন্ট বিকাশ করলে ডমেস্টিক ফ্লাইটে ৯% এবং ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইটে ১০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়া যাচ্ছে।
দেশের অন্যতম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক জনতা ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদের ৮৮০তম সভা সম্পন্ন হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে এই সভায় পর্ষদের সম্মানিত পরিচালকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন পর্ষদ পরিচালক মুনir ফেরদৌস, ড. মোঃ আব্দুস সবুর, আব্দুল মজিদ শেখ, আব্দুল আউয়াল সরকার, ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, মোঃ আহসান কবীর এবং মোঃ কাউসার আলম। এছাড়া সভায় অধ্যাপক ড. এ. এ. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমানও উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী এই আলোচনায় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান ও মো. ফয়েজ আলমও অংশ নেন।
অনুষ্ঠিত এই সভায় ব্যাংকের বর্তমান আর্থিক সূচকগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় শ্রেণীকৃত খেলাপি ঋণ আদায়ের ওপর। এছাড়া ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স ২০২৬’। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ সম্মেলনে লিড ব্যাংক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
সম্মেলনে দেশের ৩৪টি ব্যাংক এবং টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাংকিং সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংক হিসাবের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা প্রদান করাই ছিলো অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের পরিচালক জনাব মোঃ ইকবাল মহসীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন একই বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক জনাব কাজী মুতমাঈন্নাহ তাহমিদা, সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ ইমরুল হাসান, বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ অফিসের সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ আকরাম হোসেন এবং টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মোঃ হারুনুর রশিদ।
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব কিমিয়া সাআদাত। এছাড়া ব্যাংকের এসএমই প্রধান হোসেন-আল-সাফীর চৌধুরী, অপারেশনস প্রধান ও ডিক্যামলকো শরফুদ্দীন মোঃ রেদওয়ান পাটোয়ারী, পরিদর্শন প্রধান মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ এবং কৃষি শাখা প্রধান শরীফ হাসান মামুনসহ বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিরা এই আয়োজনে অংশ নেন।
সম্মেলনে বক্তারা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংক হিসাবের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তারা উল্লেখ করেন যে, সঞ্চয়ের মানসিকতা কেবল ব্যক্তিগত উন্নতি নয়, বরং দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে অনুষ্ঠান শেষে টি-শার্ট, ক্যাপ, ব্যাগ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে বিশেষ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশনা পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক পুবালী ব্যাংক পিএলসি এবং স্বনামধন্য স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড যৌথভাবে একটি বিশেষ কো-ব্র্যান্ডেড ক্রেডিট কার্ড চালু করেছে। সম্প্রতি স্কয়ার হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই নতুন কার্ডটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মো. এসাম ইবনে ইউসুফ সিদ্দিক এবং পুবালী ব্যাংক পিএলসি’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহনেওয়াজ খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের মহাখালী করপোরেট শাখা প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক মো. শাহিন শাহরিয়ার, হেড অব কার্ড বিজনেস ও উপ-মহাব্যবস্থাপক এনএম ফিরোজ কামাল এবং সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। স্কয়ার হাসপাতালের পক্ষ থেকে অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সুলতান মিনহাজ উদ্দিন, মার্কেটিং অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. ফয়সাল জামান এবং মেডিকেল সার্ভিসেস ডিরেক্টর প্রফেসর ডা. ওয়াহিদাউদ্দিন মাহমুদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে পুবালী ব্যাংক পিএলসি’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহনেওয়াজ খান বলেন, “পুবালী ব্যাংক দেশের বৃহত্তম প্রাইভেট কমার্শিয়াল ব্যাংক হিসেবে সব সময় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসক ও কর্মকর্তাগণ উন্নত ব্যাংকিং সুবিধার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশেষ অফার ও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন, যা তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমি দৃঢ়ভাবে আশা করি, এই অংশীদারিত্ব শুধু একটি কার্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ভবিষ্যতে আরও বহুমাত্রিক ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগে রূপ নেবে।”
পুবালী ব্যাংক ও স্কয়ার হাসপাতালের এই সম্মিলিত প্রয়াস সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করে তুলবে। এই কার্ডের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বিশেষায়িত সেবা ও ছাড়ের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
দেশের অটোমোবাইল বাজারে সাশ্রয়ী যাতায়াতের নতুন উদাহরণ তৈরি করল ওমোডা ৯ প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিকেল (PHEV)। সম্প্রতি পরিচালিত এক ‘রেঞ্জ টেস্টে গাড়িটি মাত্র একবারের পূর্ণ চার্জ এবং ৬৫ লিটারের এক ট্যাংক জ্বালানিতে ১২৫৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে। এতে প্রতি কিলোমিটার যাতায়াতে গাড়িটির খরচ পড়েছে মাত্র ৬ টাকা।
ঢাকার তেজগাঁও থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ যাত্রা কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার হয়ে টেকনাফ পর্যন্ত যায় এবং একই পথে ফিরে আসে। যাত্রাপথে গাড়িটি মাওয়া হয়ে পদ্মা সেতুও অতিক্রম করে। কোম্পানিটি আগে এই গাড়ির রেঞ্জ ১২০০ কিলোমিটার দাবি করলেও, বাংলাদেশের রাস্তায় বাস্তব পরীক্ষায় তা আরও ৫৫ কিলোমিটার বেশি পারফর্ম করেছে।
ওমোডা ৯ প্লাগ-ইন হাইব্রিড -এর এই অভাবনীয় সাফল্যের মূল চাবিকাঠি এর ‘সুপার হাইব্রিড সিস্টেম (SHS), যা ১.৫ লিটার টার্বো ইঞ্জিনের সাথে ট্রিপল ইলেকট্রিক মোটরের সমন্বয় ঘটিয়ে সর্বোচ্চ জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করে।
ওমোডা জাইকো সেলস-এর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ জনাব জোশ টিমোথি এবং কারস অ্যান্ড কনভারসেশন-এর অ্যাডমিন জনাব মুস্তাভি-এর মতে, প্রিমিয়াম এসইউভি ক্যাটাগরিতে এত কম খরচে এবং দীর্ঘ দূরত্বে চলার সক্ষমতা দেশের হাইব্রিড গাড়ির বাজারে ওমোডা ৯ প্লাগ-ইন হাইব্রিড -কে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। মূলত আন্তঃজেলা ভ্রমণে ‘রেঞ্জ এনজাইটি’ বা চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার ভয় দূর করতেই এই সফল পরীক্ষা চালানো হয়।
লায়ন কর্পোরেশন এবং কল্লোল লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে গঠিত লায়ন কল্লোল লিমিটেড বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে (বিএসইজেড) একটি অত্যাধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট চালু করেছে।
বাংলাদেশ এসইজেড লিমিটেডের অধীনে সকল প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি অনুসরণ করে ৩.৩ হেক্টর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই প্লান্টে ডিশওয়াশিং লিকুইড, টুথব্রাশসহ বিভিন্ন হোম কেয়ার ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য উৎপাদন করা হবে।
শিমিজু কর্পোরেশনের নকশা ও নির্মাণে গড়ে ওঠা এই কারখানায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
উদ্বোধন উপলক্ষে লায়ন কল্লোল লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব গো ইচিতানি বলেন,
“এই নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্টটি বাংলাদেশের প্রতি আমাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং উন্নত মানের নতুন পণ্য বাজারে সরবরাহের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে এটি মানুষের সুস্থ জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব আরও বিস্তৃত করবে।”
কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং লায়ন কল্লোল লিমিটেডের যৌথ অংশীদার জনাব গোলাম মোস্তফা বলেন,
“এই প্লান্টটি কল্লোল গ্রুপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, স্থানীয় দক্ষ জনবল গড়ে উঠবে এবং লায়ন কর্পোরেশন জাপানের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে আমাদের পণ্যের মানও আরও উন্নত হবে।”
লায়ন কল্লোল লিমিটেডের ফ্যাক্টরি অপারেশনসের পরিচালক জনাব তাকাশি ওচিয়াই বলেন,
“কারখানাটি পরিকল্পনা ও নির্মাণের প্রতিটি ধাপে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াগত শৃঙ্খলা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক উৎপাদন মানদণ্ডকে দেশীয় পর্যায়ে প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা একটি নির্ভরযোগ্য উৎপাদনভিত্তি গড়ে তুলছি, যা দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রপ্তানির সম্ভাবনাও বাড়াবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলতে জনাব গো ইচিতানি ও জনাব গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রতীকী বৃক্ষরোপণ করা হয়।
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভোক্তা বাজার এবং উৎপাদন খাতের অগ্রগতি যখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, তখন এ ধরনের বিনিয়োগ উদ্যোগ দেশের শিল্পখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। ২০২২ সাল থেকে দেশজুড়ে ক্রেতাদের জন্য উন্নত মানের গৃহস্থালি ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য সরবরাহে লায়ন কল্লোল লিমিটেড নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।
শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মধ্যে পর্যটন সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সোমবার ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে ‘বিটুবি রোডশো এবং নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে শ্রীলঙ্কা পর্যটন প্রমোশন ব্যুরো। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের পর্যটন খাতের অংশীজনদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নুজহাত ইয়াসমিন। তিনি তার বক্তব্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দুই দেশের এই অংশীদারিত্ব টেকসই পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার মহামান্য ধর্মপাল উইরাক্কোডি জানান, শ্রীলঙ্কার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আতিথেয়তা বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য সবসময়ই আকর্ষণীয়।
শ্রীলঙ্কা পর্যটন প্রমোশন ব্যুরোর চেয়ারম্যান বুদ্ধিকা হেওয়াসাম শ্রীলঙ্কাকে একটি নিরাপদ ও বৈচিত্র্যময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য বিশেষ ট্রাভেল প্যাকেজ এবং স্থানীয় অপারেটরদের সঙ্গে যৌথ প্রচারণার কাজ চলছে। শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ফাওজান ফরিদ জানান, উন্নত বিমান যোগাযোগ এবং প্রতিযোগিতামূলক ভাড়ার মাধ্যমে ভ্রমণ আরও সহজতর করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে টোয়াব (TOAB) সভাপতি মোহাম্মদ রাফুজ্জামান এবং বোয়াটা (BOATA) সভাপতি সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদসহ অন্যান্য শিল্প নেতারা শ্রীলঙ্কায় আউটবাউন্ড ট্যুরিজম সম্প্রসারণে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। ইভেন্টের বিটুবি সেশনে দুই দেশের প্রতিনিধিরা যৌথ ট্যুর প্যাকেজ এবং বাজার সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। একটি নেটওয়ার্কিং ডিনারের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফিটস এয়ার বাংলাদেশ রিজিয়নের বিক্রয় ও বিপণন ব্যবস্থাপক খাইরুল বাশারসহ অন্যান্যরা।
গত ৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত মিডিয়া সেশনের ধারাবাহিকতায় এই রোডশোটি আয়োজিত হয়েছে। এর মাধ্যমে শ্রীলঙ্কাকে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য একটি সাশ্রয়ী ও অন্যতম সেরা ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
আইএফআইসি ব্যাংক ও ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের যৌথ অংশগ্রহণে পরিচালিত বিশেষ রমজান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর বিজয়ীদের নির্ধারণে লটারি বা র্যাফেল ড্র সম্পন্ন হয়েছে। “রেমিট্যান্স আনুন, পুরস্কার জিতুন!” স্লোগানকে সামনে রেখে পবিত্র রমজান মাসজুড়ে যারা দেশের যেকোনো আইএফআইসি ব্যাংক শাখা থেকে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ গ্রহণ করেছেন, তাদের জন্য ছিল নিশ্চিত উপহারের ব্যবস্থা।
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ আইএফআইসি টাওয়ারে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনের রেমিট্যান্স গ্রহণকারী গ্রাহকদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে তিনজন ভাগ্যবান বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং চিফ ইনফরমেশন অফিসার ও ক্যামলকো জনাব মোঃ মনিতুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ক্রেডিট অফিসার জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস ও হেড অব অপারেশন্স জনাব হেলাল আহমেদ। এছাড়া ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বাংলাদেশের প্রতিনিধি ও পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দও এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।
লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত এই তিন বিজয়ীকে শীঘ্রই এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মাধ্যমে আকর্ষণীয় পুরস্কারসমূহ বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের পরিবারকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বৈধ পথে অর্থ প্রেরণে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়েছে।
আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড (এএফবিএল)-এর জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘ক্লেমন’ তাদের বিশেষ ক্যাম্পেইন “ক্লিয়ারলি বাংলাদেশি”-কে এক নতুন আঙ্গিকে দর্শকদের সামনে নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি আকিজ হাউজে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে এএফবিএল-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার জনাব সৈয়দ জহুরুল আলম উপস্থিত থেকে এই নতুন যাত্রার শুভ সূচনা করেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি জানানো হয় যে, ক্লেমন বোতলের গায়ে থাকা কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করেই এখন থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পুরো বাংলাদেশ ঘুরে দেখার এক অনন্য সুযোগ পাবেন দর্শকরা।
ক্যাম্পেইনটির মূল বিষয়বস্তু হিসেবে একটি আকর্ষণীয় মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে দেশীয় সংস্কৃতি ও শেকড়ের টানকে নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ভিডিওটিতে বাংলাদেশের কৃষ্টি ও রঙের বৈচিত্র্য এমনভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, যা প্রত্যেক বাঙালির হৃদয়ে দেশের প্রতি অনুরাগ ও গর্ব তৈরি করে। গল্পের প্রধান চরিত্রে দেখা যায় এক বিদেশি বন্ধুকে, যাকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে পুরান ঢাকার সরু গলি, ঐতিহ্যবাহী টমটম গাড়ি, জামদানি শাড়ি এবং রাজকীয় জমিদারবাড়ির দৃশ্যপট যেমন রয়েছে, তেমনি উঠে এসেছে রাজশাহীর আম, বগুড়ার দই ও মন্ডা মিঠাই, নাটোরের কাঁচাগোল্লা ও চট্টগ্রামের মেজবানের মতো সব জিভে জল আনা আঞ্চলিক খাবারের কথা।
এই ক্যাম্পেইনের সবচেয়ে উদ্ভাবনী দিক হলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সংযুক্তি। ক্লেমন বোতলের কিউআর কোড স্ক্যান করার মাধ্যমে দর্শকরা একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন, যেখানে বিভাগওয়ারী তথ্য, জিআই পণ্য, ঐতিহ্যবাহী খাবার, স্থানীয় গুণী ব্যক্তিত্ব এবং দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এর মাধ্যমে ক্লেমন কেবল একটি ব্র্যান্ড হিসেবে নয়, বরং ব্যবহারকারীদের কাছে নিজ দেশ চেনার এক নতুন ডিজিটাল দুয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
একটি গর্বিত দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে ক্লেমন এই “ক্লিয়ারলি বাংলাদেশি” ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে উপস্থাপনের প্রয়াস চালিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বাস করে, আধুনিক প্রযুক্তি ও দেশপ্রেমের এই মেলবন্ধন প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে দেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির গৌরব ছড়িয়ে দেবে। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং আউটডোর বিলবোর্ডের মাধ্যমে এই প্রচারণাকে দেশব্যাপী ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংক এশিয়া ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ প্রান্তিকে ৪,০০০ কোটি টাকার নিট আমানত প্রবৃদ্ধির এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এই বিশাল অর্জন মূলত ব্যাংকের ওপর গ্রাহকদের অটুট আস্থা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির দৃঢ় অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ।
ব্যাংক এশিয়ার গ্রাহক-বান্ধব সেবা, আধুনিক ও উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সমাধান এবং দক্ষ আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে এই সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সাধারণ ব্যক্তি গ্রাহক থেকে শুরু করে করপোরেট ও প্রাতিষ্ঠানিক—সব পর্যায়ের গ্রাহকদের গভীর নির্ভরতা ও আস্থার ফলেই আমানত বৃদ্ধির এই শক্তিশালী ধারা তৈরি হয়েছে।
এই সাফল্য উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত ‘ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার’-এ সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সোহেল আর কে হোসেনসহ সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পর্ষদ এই অর্জনে কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
ডিজিটাল রূপান্তর, উন্নত গ্রাহক সেবা এবং বহুমুখী পণ্য ও সেবার মাধ্যমে ব্যাংক এশিয়া দেশের ব্যাংকিং খাতে নিজেদের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করে তুলেছে। আগামীতেও এই প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে ব্যাংক এশিয়া বদ্ধপরিকর।
বিশ্ববিখ্যাত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডিভাইস ইকোসিস্টেম প্রতিষ্ঠান অনার বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে তাদের নতুন হ্যান্ডসেট ‘এক্স৬ডি ফাইভ-জি’ নিয়ে এসেছে। প্রযুক্তিপ্রেমীদের সাশ্রয়ী মূল্যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এক্স সিরিজের এই প্রথম ফাইভ-জি সমর্থিত ফোনটি উন্মোচন করা হয়েছে।
দেশের বাজারে বর্তমানে এই আধুনিক স্মার্টফোনটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের নিশ্চয়তা দিতে ডিভাইসটিতে রয়েছে ৫২৬০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ক্ষমতার শক্তিশালী ব্যাটারি। টানা চার বছর ব্যবহারের পরও যেন ব্যাটারির সক্ষমতা অটুট থাকে, সে জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ অ্যান্টি-এজিং প্রযুক্তি।
৫-জি নেটওয়ার্কে নিরবচ্ছিন্ন ভিডিও স্ট্রিমিং এবং হাই-স্পিড ব্রাউজিং নিশ্চিত করতে ফোনটিতে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৬৩০০ প্রসেসর যুক্ত করা হয়েছে। ৪ জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ সমৃদ্ধ এই ফোনে র্যাম টার্বো প্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়ালি ৮ জিবি পর্যন্ত র্যাম ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া বাড়তি মেমোরির প্রয়োজনে গ্রাহকরা ১ টেরাবাইট পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের জন্য আলাদা স্লট পাবেন।
নিখুঁত ছবি তোলার জন্য এতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ক্লিয়ার মেইন ক্যামেরা। হ্যান্ডসেটটি চলবে অ্যান্ড্রয়েড ১৬-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি ম্যাজিক ওএস ১০ অপারেটিং সিস্টেমে। এই নতুন ফোনটি নিয়ে অনার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ল্যাং গুও বলেন, “এই ফোনের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে ফাইভ-জি প্রযুক্তি আরও সহজলভ্য করতে চাই আমরা। একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীরা দীর্ঘ সময় নির্বিঘ্নে আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা নিতে পারেন।”
ওশান সায়ান এবং মিডনাইট ব্ল্যাক—এই আকর্ষণীয় দুই রঙে ফোনটি এখন দেশের সব অনুমোদিত অনার বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাচ্ছে বলে।
দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি তাদের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং বকেয়া ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে ‘ডিপোজিট ও রিকভারি মান্থ - এপ্রিল ২০২৬’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্প্রতি দেশের যশোর ও রাজশাহী অঞ্চলে পৃথক দুটি টাউন হল মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে।
ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সভার মূল লক্ষ্য ছিল রিকভারি কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করা এবং গ্রাহক সেবার মান বাড়িয়ে ব্যাংকের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করা।
যশোরের রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত প্রথম সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়ামত উদ্দিন আহমেদ। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এসইভিপি ও কনজিউমার ব্যাংকিং প্রধান মোহাম্মদ শামীম মোর্শেদ। এছাড়া এই সভায় সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও যশোর শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ আবুল কাশেমসহ ওই অঞ্চলের বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার কর্মকর্তারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, রাজশাহীর নানকিং দরবার হলে অনুষ্ঠিত অপর এক টাউন হল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির আসন অলঙ্কৃত করেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমলেন্দু রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন এসইভিপি এবং এসএমই ও এগ্রি ব্যাংকিং প্রধান আসিফ খান। রাজশাহী শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ হেলাল উদ্দিনসহ স্থানীয় বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজিত এই সভাগুলোতে ব্যাংকের কর্মকর্তারা ‘ডিপোজিট ও রিকভারি মান্থ - এপ্রিল ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এর মাধ্যমে ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করার পাশাপাশি গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।