দেয়াল, গাড়ি ও কাঠের সর্বোচ্চ সুরক্ষায় তিন ক্যাটাগরিতে ১১টি নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে এসেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান আরএফএল গ্রুপের জনপ্রিয় রঙের ব্র্যান্ড ‘রেইনবো পেইন্টস’। এর মধ্যে ডেকোরেটিভ পেইন্ট ক্যাটাগরিতে ৬টি, উড কোটিং পেইন্ট ক্যাটাগরিতে ৪টি এবং কার পেইন্ট ক্যাটাগরিতে ১টি পণ্য রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর বাড্ডার একটি হোটেলে নতুন ১১টি পণ্যের উদ্বোধন করেন আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল। ডেকোরেটিভ পেইন্ট ক্যাটাগরির ৬টি নতুন পণ্যের মধ্যে ৪টি হলো ড্যাম্প সিরিজের। পণ্যগুলো হলো ড্যাম্প প্রটেক্টর প্রাইমার, ড্যাম্প প্রটেক্টর হাই বিল্ড পাট্টি, ড্যাম্প প্রটেক্টর টপ কোট-ওয়ান স্টপ, ড্যাম্প প্রটেক্টর টপ কোট- সুপ্রিম। বাকি দুটো পণ্য হলো ওয়েদার কেয়ার ডার্ট গার্ড লং লাইফ ও ফেদার সিল্ক মেটালিক ফিনিশ। উড পেইন্ট ক্যাটাগরির ৪টি নতুন পণ্য হলো উড কেয়ার ফিলার, উড কেয়ার সিলার, উড কেয়ার স্টেইন ও উড কেয়ার টপ কোট। অন্যদিকে কার পেইন্ট ক্যাটাগরিতেও সাকা এনসি পেইন্ট বাজারে এসেছে। অনুষ্ঠানে আর এন পাল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের রং উৎপাদন করে বাজারজাত করায় অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। নতুন পণ্যের মাধ্যমে ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি, রেইনবো পেইন্টসের নতুন পণ্যগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা দেয়াল, গাড়ি ও কাঠের সুরক্ষায় ভালো সমাধান পাবেন।’
নতুন পণ্যের বিষয়ে রেইনবো পেইন্টসের নির্বাহী পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, ‘ড্যাম্প ও নোনা বিল্ডিংয়ের ক্ষতিসাধন করে। ফলে বিল্ডিংয়ের স্থায়িত্ব কমে যায়। ড্যাম্প সিরিজের পণ্য বাজারে আনা হয়েছে বিল্ডিংয়ের ভেতর ও বাহিরের দেয়ালকে ড্যাম্প ও নোনার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। এ ছাড়া ধুলা-ময়লা ও ডাস্ট বিল্ডিংয়ের ক্ষতিসাধন করে, ফলে বিল্ডিংয়ের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। ডেকোরেটিভ ক্যাটাগরির নতুন পণ্য ওয়েদার কেয়ার ডার্ট গার্ড লং-লাইফ বিল্ডিংয়ের বাহিরের দেয়ালকে ধুলা-ময়লা ও ডাস্ট থেকে রক্ষা করে বিল্ডিংয়ের সৌন্দর্যকে অটুট রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঠ, ভিনিয়ার ও এমডিএফ বোর্ডের তৈরি ফার্নিচার রং করার জন্য চারটি নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে। এ ছাড়া অটো-রিফিনিশের ইকোনমিক সল্যুশন হিসেবে স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করতে ওসাকা এনসি পেইন্ট বাজারে আনা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে রেইনবো পেইন্টসের জেনারেল ম্যানেজার (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) সালেহ আহম্মদ চৌধুরী, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মো. সোহেল রানা, হেড অব সেলস শাহজাহান সানী ও হেড অব মার্কেটিং মো. নাজমুল হকসহ রেইনবো পেইন্টসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি
এনআরবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের সাথে রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ৩,০০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রির জন্য ১,০০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের জন্য ১,০০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম-এর অধীনে তিনটি অংশগ্রহণ চুক্তি (Participation Agreements) স্বাক্ষর করেছে।
এই চুক্তিগুলোর মাধ্যমে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট পুনঃঅর্থায়ন স্কিম অনুযায়ী রপ্তানি নীতি ২০২৪-২০২৭ (সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত ও বিশেষ উন্নয়ন খাত)-এর আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্প, যোগ্য গ্রিন ফ্যাক্টরি ভবন, পরিবেশবান্ধব শিল্প এবং আইসিটি খাতের বিভিন্ন উদ্যোগে অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করতে পারবে।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক জনাব এ কে এম নুরুন্নবী এবং এনআরবি ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব তারেক রিয়াজ খান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম. রশিদুল হুদা -সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
যমুনা ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশ ব্যাংকের আইসিটি খাতের উন্নয়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি ও গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং স্থাপন সংক্রান্ত পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ব্যাংকের গ্রাহকদের অর্থায়ন সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক এ কে এম নুরুন নবী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এই চুক্তির মাধ্যমে যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট স্কিমসমূহের নীতিমালা ও যোগ্যতার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এ উদ্যোগ দেশের আইসিটি খাতের বিকাশ, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ প্রশান্ত সামির, এভিপি মো. সাইফুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশবান্ধব শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার বিকাশে অর্থায়ন বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং অ্যান্ড গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি’ এবং আইসিটি খাতের উন্নয়ন সংক্রান্ত পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে অংশ নিয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি।
এসব উদ্যোগের মাধ্যমে যোগ্য ব্যবসা ও প্রকল্পে অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের সবুজ ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি অবদান রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
আইপিডিসি সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের এ পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের পরিচালক এ কে এম নূরুন্নবী। আইপিডিসি ফাইন্যান্সের পক্ষে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও এসএমই বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আশিক হোসাইনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রিজওয়ান দাউদ সামস বলেন, “দায়িত্বশীল অর্থায়ন টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের সবুজ অর্থনীতিতে রূপান্তর এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা ব্যবসাগুলোর পাশে থাকতে চাই।”
এনআরবি ব্যাংক পিএলসি. এবং হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার-এর মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব স্বাক্ষর হয়েছে। এই অংশীদারিত্বের আওতায় এনআরবি ব্যাংকের ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডধারী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারে বিভিন্ন বিশেষ ও আকর্ষণীয় সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।এ উপলক্ষে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার, ঢাকা-এ অনুষ্ঠিত হয়।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এনআরবি ব্যাংক পিএলসি.-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব কিমিওয়া সাদ্দাত এবং হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টারের মহাব্যবস্থাপক জনাব দীপঙ্কর দে।
চুক্তির আওতায়, এনআরবি ব্যাংক প্রিমিয়াম ক্রেডিট কার্ড সদস্যরা বছরব্যাপী বুফে ডিনারে ‘একটি কিনলে একটি বিনামূল্যে’ অফার উপভোগ করবেন। এনআরবি ব্যাংকের সকল ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড এবং প্রিপেইড কার্ডধারীরা ডাইনিং, রুম র্যাক রেটে, জিম সুবিধা, সুইমিং পুল ব্যবহার এবং স্পা সার্ভিসে ২০% পর্যন্ত ছাড় পাবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এনআরবি ব্যাংক পিএলসি.-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, কার্ড বিভাগের প্রধান জনাব খাজা ওয়াসিউল্লাহ এবং স্ট্র্যাটেজিক অ্যালায়েন্স বিভাগের প্রধান জনাব মোঃ শফিকুল হাসান। অন্যদিকে, হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও ব্যবসায়িক সহায়তা বিভাগের পরিচালক জনাব মোঃ তানভীর আহমেদ এবং সিনিয়র ডিজিটাল বিপণন বিশেষজ্ঞ জনাব সাগর পোদ্দার।
এই কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি. এবং হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার গ্রাহকদের জন্য অধিকতর সুবিধা ও উন্নতমানের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করেছে। এই সহযোগিতার ফলে এনআরবি ব্যাংকের কার্ডধারীরা খাবার, সুস্থতা, বিনোদন ও আবাসন—বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা উপভোগের সুযোগ পাবেন, যা তাদের সামগ্রিক জীবনযাপন ও আতিথেয়তা অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
এই অংশীদারিত্ব এনআরবি ব্যাংক পিএলসি.-এর মূল্য সংযোজিত কার্ড সুবিধার পরিধি আরও বিস্তৃত করার চলমান প্রচেষ্টাকেও প্রতিফলিত করে। শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতার মাধ্যমে ব্যাংক তার সম্মানিত কার্ডধারীদের জন্য আরও বৈচিত্র্যময়, আকর্ষণীয় ও মূল্যবান সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কার্ডধারীদের জন্য আরও অর্থবহ ও আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা তৈরির ক্ষেত্রে এনআরবি ব্যাংকের প্রতিশ্রুতিও আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে একযোগে ১৩টি নতুন সেলস সেন্টার চালু করেছে আকিজ বশির কেবলস। অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে রোববার এসব সেলস সেন্টার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন আকিজ বশির এনার্জি লিমিটেডের পরিচালক (অপারেশনস) মোহাম্মাদ ওমর ফারুক। আকিজ বশির কেবলসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, নতুন সেলস সেন্টারগুলো চালুর মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকদের কাছে উন্নতমানের ও নিরাপদ বৈদ্যুতিক কেবল সহজে পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত হলো।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উৎপাদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আকিজ বশির এনার্জি দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করে আসছে। ১৩টি নতুন সেলস সেন্টার চালুর ফলে ৪৫টি সেলস সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহকসেবা আরো গতিশীল হবে এবং ডিলার নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হবে।
আকিজ বশির এনার্জির পরিচালক (অপারেশনস) মোহাম্মাদ ওমর ফারুক বলেন, ‘অনলাইন মাধ্যমে ১৩টি সেলস সেন্টার উদ্বোধন আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে আমরা দেশের প্রতিটি অঞ্চলে নিরাপদ ও মানসম্মত কেবল সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারব।’
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের ১ নম্বর হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের বাজারে উন্মোচন করেছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ। ক্রেতাদের জন্য এই সিরিজে থাকছে ২ বছরের ওয়ারেন্টি এবং ১ বছরের স্ক্রিন প্রোটেকশন, যা নিশ্চিত করবে আরও নিশ্চিন্ত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ব্যবহার অভিজ্ঞতা। রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ফাইভজি, রেডমি নোট ১৭ প্রো ফাইভজি ও রেডমি নোট ১৭, শক্তিশালী এই তিনটি স্মার্টফোনের লাইনআপ প্রতিদিনের স্মার্টফোন অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
এই সিরিজের লাইনআপের শীর্ষ মডেল রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ৫জি-তে রয়েছে বিশাল ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি, সঙ্গে ১০০ ওয়াট হাইপারচার্জ এবং ২৭ ওয়াট রিভার্স চার্জিং। এছাড়াও, এতে রয়েছে ১.৫কে ক্রিস্টালরেজ অ্যামোলেড ডিসপ্লে, শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৬ জেন ৫ প্রসেসর, কর্নিং গরিলা গ্লাস ভিক্টাস ২ এবং আইপি৬৬, আইপি৬৮, আইপি৬৯ ও আইপি৬৯কে রেটিংসহ উন্নত ধুলো ও পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা।
অন্যদিকে রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি-তে রয়েছে ৮,৩৪০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি এবং ৬৭ ওয়াট হাইপারচার্জ এবং রেডমি নোট ১৭ ৪জি-তে রয়েছে ৭,৭০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট টার্বো চার্জিং। রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি এবং রেডমি নোট ১৭ উভয় মডেলেই রয়েছে ইমার্সিভ অ্যামোলেড ডিসপ্লে, কর্নিং গরিলা গ্লাস সুরক্ষা এবং সার্টিফায়েড ৩ মিটার ড্রপ রেজিস্ট্যান্স।
এই শক্তিশালী ফিচারগুলোর পাশাপাশি, রেডমি নোট ১৭ সিরিজ ক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে আকর্ষণীয় সব অফার। কার্ডলেস ইএমআই-এর মাধ্যমে কেনাকাটায় ক্রেতারা পেতে পারেন সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। আরেকটি দারুণ সুবিধা হলো, ৩৬টি ব্যাংকের কার্ডহোল্ডাররা তাদের ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ কিনতে পারবেন সর্বোচ্চ ১২ মাসের ০% ইএমআই সুবিধায়।
নগদ টাকায় ক্রেতারা রেডমি নোট ১৭ সিরিজ কিনলে উপভোগ করতে পারবেন আকর্ষণীয় সব উপহার। এর মধ্যে রয়েছে সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা মূল্যের বাটা গিফট ভাউচার, রেডমি হেডফোনস নিও, রেডমি বাডস ৮ লাইট এবং ট্রাভেল ব্যাগ ও থার্মাল ফ্লাস্ক সমন্বিত এক্সক্লুসিভ ব্যাগ বান্ডেল, পাশাপাশি থাকছে বিশেষ ইন্টারনেট বান্ডেল।
আর চমক এখানেই শেষ নয়! রেডমি নোট ১৭ সিরিজের প্রতিটি ক্রেতার জন্য থাকছে নোট ক্লাব প্রিভিলেজ কার্ড। এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত স্টোরে শাওমি টিভি ও ওয়াশার ড্রায়ারে উপভোগ করা যাবে ২০% পর্যন্ত বিশেষ ছাড়। অর্থাৎ, রেডমি নোট ১৭ সিরিজের সঙ্গে থাকছে আরও বেশি সুবিধা এবং আরও বেশি সাশ্রয়।
এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “শাওমি ফ্যানদের কাছে রেডমি নোট সিরিজের জনপ্রিয়তা ও আস্থা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমরা নিয়ে এসেছি ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারির রেডমি নোট ১৭ সিরিজ, এবং সেই সাথে প্রথমবারের মত যুক্ত করেছি ২ বছরের ওয়ারেন্টি সুবিধা যা ক্রেতাদের আরও নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। আমরা বিশ্বাস করি, আগের প্রজন্মগুলোর মতো এই সিরিজও ক্রেতাদের প্রত্যাশা পূরণ করবে এবং বাংলাদেশে রেডমি নোট ১৭ সিরিজের সাফল্যের ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
ক্লাউড ব্লাশ, গ্রিন ও ব্ল্যাক, এই তিনটি রঙে ও দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ফাইভজি। এর ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৪,৯৯৯ টাকা মাত্র ও ১২ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৯,৯৯৯ টাকা মাত্র। স্কাই ব্লু, সাটিন অরেঞ্জ ও ব্ল্যাক এই তিনটি অনন্য রঙে এবং ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি নোট ১৭ প্রো ফাইভজি, যার দাম ৫৪,৯৯৯ টাকা মাত্র। সেলেসটিয়াল পার্পল, স্কাই টিল ও ব্ল্যাক, এই তিনটি অনন্য রঙে ও দুইটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে রেডমি নোট ১৭ ফোরজি পাওয়া যাচ্ছে। এর ৬ জিবি + ১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৩২,৯৯৯ টাকা মাত্র ও ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৩৬,৯৯৯ টাকা মাত্র।
সুবিশাল ব্যাটারি সক্ষমতা, শক্তিশালী পারফরম্যান্স ও ডিউরেবলিটির সমন্বয়ে তৈরি রেডমি নোট ১৭ সিরিজ এখন দেশজুড়ে সকল শাওমি অথোরাইজড স্টোর ও রিটেইল পার্টনারদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে https://www.mi.com/bd/ ভিজিট করুন বা শাওমি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/XiaomiBangladesh ফলো করুন।
সম্প্রতি হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস বাংলাদেশ পিএলসি-র কাঁচপুর প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেছে জার্মানির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ, জার্মান পার্লামেন্টের সম্মানিত সদস্য ও প্রতিনিধি দলের প্রধান জনাব নিকলাস কাপে, জার্মান পার্লামেন্টের সম্মানিত সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং জার্মান দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে অতিথিরা প্ল্যান্টের আধুনিক যন্ত্রপাতি, আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন প্রক্রিয়া, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন। বিশ্বমানের জার্মান প্রযুক্তি ও টেকসই মান বজায় রেখে বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পে হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস যে অবদান রেখে চলেছে, প্রতিনিধি দল তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এ সময় হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং ডিরেক্টর - জনাব সামির জাকারিয়া, ডিরেক্টর এন্ড চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (CFO) - জনাব ইমদাদুল হক এফসিএ, এবং এইচআর ডিরেক্টর - জনাব মোহাম্মদ আলমগীরসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
জার্মান উৎকর্ষ ও টেকসই প্রযুক্তির সমন্বয়ে বাংলাদেশের আধুনিক অবকাঠামো বিনির্মাণে আমাদের এই দৃঢ় পথচলা অব্যাহত থাকবে।
পবিত্র হজ পালন সহজ করার লক্ষ্যে ‘হজ এজেন্ট কাফেলা কার্ড’ চালু করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। এ কার্ডের মাধ্যমে সৌদি আরবে মাস্টারকার্ড লোগোযুক্ত এটিএম বুথ থেকে সৌদি রিয়াল উত্তোলন, সকল পস মেশিনে পেমেন্ট সুবিধা ও বছরে সর্বোচ্চ ৪ বার বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জ ফ্রি ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। প্রত্যেক হজযাত্রী ১২০০ ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা কার্ডে লোড করে নিতে পারবেন। তৎক্ষণাৎ কার্ড ইস্যু ও ডেলিভারি করা হবে এবং এতে কোন চার্জ নেই। সম্প্রতি রাজধানীর এক হোটেলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ প্রধান অতিথি হিসেবে ইসলামী ব্যাংক ও হজ এজেন্সীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সদস্যদের মতবিনিময় সভায় এ কার্ডের উদ্বোধন করেন। ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আলতাফ হুসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাস্টারকার্ড বাংলাদেশ-এর ডাইরেক্টর সোহেল আলিম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম। এ সময় হাব ও ব্যাংকের উর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আমাদের ঘরের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে রেফ্রিজারেটর। ওভেন, ওয়াশিং মেশিন কিংবা এয়ার কন্ডিশনারও বন্ধ রাখার কারণে কিছুটা বিশ্রাম পেলেও রেফ্রিজারেটরের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটে না। বলা চলে, রেফ্রিজারেটর আমাদের অবিরাম সেবা দেয়। পচনশীল খাবারকে সতেজ ও নিরাপদ রাখতে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকে রেফ্রিজারেটর; এমনকি বিদ্যুৎ চলে গেলেও কিংবা মাঝরাতেও আমরা খাবার কী আছে তা দেখতে রেফ্রিজারেটরের দরজা খুলি।
আধুনিক সময়ের রেফ্রিজারেটর তৈরিও করা হয় আবশ্যিক এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে ঘরের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গটির আলাদা যত্ন নেয়ার প্রয়োজন নেই। সামান্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণই অনেক সময় বড় পার্থক্য গড়ে দেয়; একটি ফ্রিজ পাঁচ বছর টিকবে, নাকি পনেরো বছর, তা নির্ভরও করে আমাদের যত্নের ওপর।
যেমন ধরুন পরিষ্কার করার বিষয়টি। সাধারণত ফ্রিজের ভেতরে কোন কিছু পড়ে ছড়িয়ে পড়লেই মানুষ ফ্রিজ পরিষ্কার করেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ফ্রিজের তাক, ড্রয়ার এবং দরজার ভেতরের আবরণে সব সময়ই কিছুটা করে জলীয় বাষ্পের আর্দ্রতা ও খাবারের অবশিষ্টাংশ জমতে থাকে। এমনকি রেফ্রিজারেটরের ভেতরে থাকা খাবার পুরোপুরি ভালো থাকলেও, জমতে থাকা এসব অবশিষ্টাংশ থেকেই তৈরি হতে পারে দুর্গন্ধ। তাই, মাঝেমধ্যে একটু মুছে নিলেই সবকিছু সতেজ ও পরিষ্কার রাখা সম্ভব।
তাক অতিরিক্ত খাবার দিয়ে ভরে রাখাও আরেকটি সমস্যা। এর ফলে, কিছু খাবার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি গরম হয়ে যেতে পারে, আবার কিছু খাবার অপ্রত্যাশিতভাবে জমে যেতে পারে। এর ফলে, যে খাবার কয়েক দিন সতেজ থাকার কথা, সেটি সম্পূর্ণ সচল একটি ফ্রিজের ভেতরেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নষ্ট হতে শুরু করতে পারে।
তবে, আধুনিক ফ্রিজগুলো আরও কার্যকরভাবে কাজ করে। যেমন, স্যামসাংয়ের ৭০০ লিটারের সাইড-বাই-সাইড রেফ্রিজারেটরের মডেলে রয়েছে ডিজিটাল ইনভার্টার কম্প্রেসর, যা প্রয়োজন অনুযায়ী ক্রমাগত নিজের কার্যক্ষমতা সামঞ্জস্য করে। ফলে, তাপমাত্রা আরও স্থির থাকে এবং তাপমাত্রার ওঠানামা কম হয়।
স্যামসাং রেফ্রিজারেটরে রয়েছে চারপাশে সমানভাবে ঠান্ডা বাতাস ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা, যা এক কোণ থেকে অন্য কোণ পর্যন্ত সমানভাবে ঠান্ডা বাতাস পৌঁছে দেয়। ফলে, কোনো তাক একটু বেশি ভরে গেলেও সেখানে থাকা কোন খাবার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি গরম হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। এতে আরও রয়েছে দুর্গন্ধ দূর করার ছাঁকনি, যা রেফ্রিজারেটরের ভেতরে দুর্গন্ধ জমতে বাধা দেয়। ফলে, মুছে পরিষ্কার না করলেও রেফ্রিজারেটরের ভেতরের পরিবেশ আরও দীর্ঘ সময় সতেজ থাকে।
আধুনিক প্রযুক্তির এসব সুবিধা থাকলেও আরও কিছু ছোটখাটো অভ্যাস ফ্রিজের যত্নকে সম্পূর্ণ করে। যেমন, দরজার রাবারের সিল যেন ভালোভাবে আটকে থাকে তা নিশ্চিত করা, বরফ অতিরিক্ত জমে যাওয়ার আগেই তা সরিয়ে ফেলা, প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঠান্ডা তাপমাত্রা নির্ধারণ না করা এবং ফ্রিজের দুই পাশ ও পেছনে কয়েক ইঞ্চি জায়গা ফাঁকা রাখা।
এসব অভ্যাস ছোট মনে হলেও একসাথে এর প্রভাব অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই ছোট ছোট যত্নই পার্থক্য গড়ে দেয়, আমাদের ঘরের রেফ্রিজারেটরটি এক দশক ধরে নির্বিঘ্নে চলবে, নাকি অল্প সময় ব্যবহারে এতে সমস্যা দেখা দিবে।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর প্রায়োরিটি ডেবিড কার্ড গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা দিতে ডিজাইনার ও বেসপোক টেইলর ব্র্যান্ড মিউস+ভিউস-এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংকের প্রায়োরিটি ডেবিড কার্ড গ্রাহকরা মিউস+ভিউস-এ ফ্যাব্রিক ও টেইলারিং সেবায় ১০ শতাংশ ছাড় উপভোগ করবেন। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা বিশেষ মূল্যে মানসম্মত ফ্যাশন ও টেইলারিং সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
সম্প্রতি ঢাকায় প্রাইম ব্যাংকের করপোরেট কার্যালয় প্রাইম ভিউয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রায়োরিটি ব্যাংকিং, ভিসি, ডিস্ট্রিবিউশন, কনজ্যুমার ব্যাংকিং নাহরীন কাইয়ুম এবং মিউস+ভিউস-এর ফাউন্ডার ও ক্রিযেটিভ ডিরেক্টর ফয়সাল খান।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির হেড অব কাস্টমার প্রোপোজিশন হোসাইন মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং মিউস+ভিউস-এর ম্যানেজার রিদওয়ান এম রহমান।
শতভাগ রাষ্ট্র মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক পিএলসির ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় ২০২৫ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শতভাগ শেয়ারহোল্ডার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু মোঃ মোফাজ্জেল সভায় উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানান এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সভায় নাজমা মোবারেক বলেছেন, বেসিক ব্যাংকের পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে এবং লোকসান কমে আসছে। ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে লোকসানের পরিমাণ আরও কমিয়ে আনতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকের আমানত বাড়ছে, যা গ্রাহকদের আস্থা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি ব্যাংকের আমানতের বিষয়ে সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি গ্রাহকদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে ব্যাংকের ঋণ-আমানত অনুপাত কমে এসেছে এবং ঋণ বিতরণের সক্ষমতা বেড়েছে। তবে নতুন ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
নাজমা মোবারেক আরও বলেছেন, বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা দক্ষ এবং ব্যাংকটির মানবসম্পদের মানও ভালো। বিভিন্ন সময়ে মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে পদোন্নতির ভাইভা বোর্ডে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এ বিষয়ে আশাবাদী। তাঁর ভাষ্য, পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।
ব্যাংকটির শ্রেণীকৃত ঋণের পরিস্থিতির উন্নতিতে সবাইকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নন-ইন্টারেস্ট ইনকাম বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, খেলাপি ঋণ আদায়ই ব্যাংকের প্রধান অগ্রাধিকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী খেলাপি ঋণ আদায়ের কার্যক্রম জোরদার এবং আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন এবং কর্মক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
তিনি ব্যাংকের কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সভায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফরিদ নন-ইন্টারেস্ট ইনকাম বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পর্যবেক্ষক রুপ রতন পাইন বলেছেন, বেসিক ব্যাংকের সুনাম বাড়ছে এবং ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়াবে।
এ সময় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য মুন্সি আব্দুল আহাদ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব শেখ ফরিদ, মো. মতিউর রহমান, এফসিএ, এফসিএমএ, সরকারের অবসরপ্রাপ্ত গ্রেড-১ কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার এস. এম. ইকবাল হোছাইন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পর্যবেক্ষক রুপ রতন পাইন, মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি সচিব মো. হাসান ইমাম এবং ব্যাংকের অডিট ফার্ম কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং-এর প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
পাঠাও ফুড ইউজারদের জন্য নিয়ে এসেছে এক দারুণ সুযোগ। ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত পাঠাও অ্যাপে যেকোনো রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার অর্ডার করলেই পাবেন ফ্রি ডেলিভারি। নিজের পছন্দের খাবার অর্ডার করা কিংবা নতুন কোনো খাবার ট্রাই করার জন্য লুফে নিতে পারেন এই অফারটি। পাঠাও অ্যাপের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ৩০০ টাকার খাবার অর্ডার করলেই এই অফারটি উপভোগ করা যাবে।
টানা দুই সপ্তাহের জন্য আপনার প্রতিদিনের খাবারের প্ল্যানগুলো হতে পারে আরও একটু ভিন্ন। হতে পারে সহকর্মীদের সাথে অফিসের দুপুরের খাবার, পরিবারের সাথে রাতের খাবার, কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডা। আপনার প্ল্যান যাই হোক না কেন, পাঠাও ফুড-এ রয়েছে সব ধরনের রেস্টুরেন্ট ও বিভিন্ন স্বাদের খাবারের এক বিশাল আয়োজন।
পাঠাও ফুড-এ পাওয়া যাচ্ছে পপুলার সব রেস্টুরেন্ট, যেমন, কাচ্চি ভাই, সুলতান'স ডাইন, চিলক্স, বার্গার এক্সপ্রেস, হারফি, বিএফসি, পিজ্জা বার্গ, আল কাদেরিয়া, জিপিআর, স্টার কাবাব এবং ইয়াম চা সহ আরও অনেক। দুপুরে এক প্লেট গরম কাচ্চি, কাজের মাঝে বার্গার, মুভি নাইটে ফ্রাইড চিকেন কিংবা আড্ডায় পিজ্জা, আপনার পছন্দ অনুযায়ী বেছে নেওয়ার জন্য রয়েছে সব অপশন।
আর মাঝে মাঝে তো খাবার খাওয়ার জন্য বিশেষ কোনো উপলক্ষ্যেরও প্রয়োজন পড়ে না। শুধুই হয়তো সকাল থেকে বিশেষ কোনো খাবার খেতে ইচ্ছে করছে, কিংবা বাসার সবাই মিলে ভাবছেন, “আজকে কী খাওয়া যায়?” তখনই পাঠাও ফুড অ্যাপটি ওপেন করুন আর সব বিভিন্ন ধরনের খাবারের অপশন থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন।
তাই ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঠাও ফুড-এর সব রেস্টুরেন্টে উপভোগ করুন ফ্রি ডেলিভারি। পুরনো পছন্দের খাবারটি আবার খাওয়া কিংবা নতুন কিছু ট্রাই করার জন্য এটাই সেরা সময়!
তাহলে আজকে মেন্যুতে কী থাকছে? খাবার যা-ই হোক না কেন, এখনই পাঠাও ফুড থেকে অর্ডার করুন আর উপভোগ করুন ফ্রি ডেলিভারি!
বাংলাদেশের এক নম্বর ই-কমার্স লজিস্টিকস প্রোভাইডার থেকে দেশের ডিজিটাল কমার্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারে রূপান্তরের পথে পাঠাও কমার্স-এর এই উদ্ভাবন, একটি বড় মাইলফলক। লজিস্টিকস, পেমেন্ট, কমিউনিকেশন ও বিজনেস ম্যানেজমেন্টকে এটি একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসেছে।
বিশ্ববাজারে ওয়ালটনের মতো বাংলাদেশি ব্র্যান্ডগুলোর উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ওয়ালটন বাংলাদেশের হাই-টেক শিল্পখাতে চমৎকার কাজ করছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি একদিকে দেশের আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করছে, অন্যদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর পাঁচ তারকা হোটেল ‘দ্য সোলটি’তে আয়োজিত বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্যের শীর্ষ বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজার বিশেষ অনুষ্ঠান ‘তুষার যাত্রা’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম, নেপালের স্বনামধন্য থাপা বিজনেস গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রনীল থাপা, পরিচালক প্রনিমেশ থাপাসহ ওয়ালটনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান বলেন, “ওয়ালটন বাংলাদেশে হাই-টেক খাতে চমৎকার কাজ করছে। ওয়ালটনের উৎপাদিত হাই-টেক পণ্যের গুণগতমান অত্যন্ত উন্নত। এসব পণ্য নিয়ে বিশ্ববাজারে অন্যান্য আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করছে ওয়ালটন। এটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গর্বের।”
তিনি আরও বলেন, দেশে উন্নতমানের হাই-টেক পণ্য উৎপাদনের ফলে এ খাতে আমদানিনির্ভরতা কমছে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে ওয়ালটন। ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতরাও ইকোনমিক ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলোর আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবেন।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, নেপাল ওয়ালটনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজার। বাংলাদেশের মতো নেপালের মানুষের কাছেও আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিপণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে পৌঁছে দিতে কাজ করছে ওয়ালটন। স্থানীয় ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে নেপালের বাজারে ওয়ালটনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।
তিনি বলেন, “ওয়ালটন এখন শুধু বাংলাদেশের একটি ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড নয়; আমাদের লক্ষ্য বিশ্ববাজারে একটি শক্তিশালী গ্লোবাল ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া। নিজস্ব গবেষণা ও উদ্ভাবন, অত্যাধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক মানের পণ্যের মাধ্যমে আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি। নেপালে আমাদের এই অগ্রযাত্রায় থাপা বিজনেস গ্রুপসহ সকল ব্যবসায়িক অংশীদারের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নেপালের বাজারে ওয়ালটনের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মানের পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করা হবে “
থাপা বিজনেস গ্রুপের পরিচালক প্রনিমেশ থাপা বলেন, “আট বছরেরও বেশি সময় ধরে নেপালে ওয়ালটনের অগ্রযাত্রার অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত। উদ্ভাবনী ও মানসম্পন্ন পণ্যের মাধ্যমে নেপালজুড়ে ওয়ালটনের উপস্থিতি আরও বিস্তৃত করতে থাপা বিজনেস গ্রুপ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গ্রাহকদের উন্নত সেবা দেওয়া এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে ওয়ালটনকে নেপালের অন্যতম শক্তিশালী প্রযুক্তিপণ্য ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা কাজ করে যাব।”
ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রায়হান তার বক্তব্যে আধুনিক বিপণন ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনা বিশেষ ওয়ালটন প্লাজার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান জাকির এবং ওয়ালটন প্লাজার হেড অব সেলস এম এম নাজমুল হাসান।
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও চিত্রনায়ক আমিন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নেপাল ট্যুর ভিডিও প্রদর্শন, র্যাফেল ড্র ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
ক্যাপশন: নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে আয়োজিত ওয়ালটন প্লাজার বিশেষ অনুষ্ঠান ‘তুষার যাত্রা’ এ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।