দেয়াল, গাড়ি ও কাঠের সর্বোচ্চ সুরক্ষায় তিন ক্যাটাগরিতে ১১টি নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে এসেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান আরএফএল গ্রুপের জনপ্রিয় রঙের ব্র্যান্ড ‘রেইনবো পেইন্টস’। এর মধ্যে ডেকোরেটিভ পেইন্ট ক্যাটাগরিতে ৬টি, উড কোটিং পেইন্ট ক্যাটাগরিতে ৪টি এবং কার পেইন্ট ক্যাটাগরিতে ১টি পণ্য রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর বাড্ডার একটি হোটেলে নতুন ১১টি পণ্যের উদ্বোধন করেন আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল। ডেকোরেটিভ পেইন্ট ক্যাটাগরির ৬টি নতুন পণ্যের মধ্যে ৪টি হলো ড্যাম্প সিরিজের। পণ্যগুলো হলো ড্যাম্প প্রটেক্টর প্রাইমার, ড্যাম্প প্রটেক্টর হাই বিল্ড পাট্টি, ড্যাম্প প্রটেক্টর টপ কোট-ওয়ান স্টপ, ড্যাম্প প্রটেক্টর টপ কোট- সুপ্রিম। বাকি দুটো পণ্য হলো ওয়েদার কেয়ার ডার্ট গার্ড লং লাইফ ও ফেদার সিল্ক মেটালিক ফিনিশ। উড পেইন্ট ক্যাটাগরির ৪টি নতুন পণ্য হলো উড কেয়ার ফিলার, উড কেয়ার সিলার, উড কেয়ার স্টেইন ও উড কেয়ার টপ কোট। অন্যদিকে কার পেইন্ট ক্যাটাগরিতেও সাকা এনসি পেইন্ট বাজারে এসেছে। অনুষ্ঠানে আর এন পাল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের রং উৎপাদন করে বাজারজাত করায় অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। নতুন পণ্যের মাধ্যমে ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি, রেইনবো পেইন্টসের নতুন পণ্যগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রেতারা দেয়াল, গাড়ি ও কাঠের সুরক্ষায় ভালো সমাধান পাবেন।’
নতুন পণ্যের বিষয়ে রেইনবো পেইন্টসের নির্বাহী পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, ‘ড্যাম্প ও নোনা বিল্ডিংয়ের ক্ষতিসাধন করে। ফলে বিল্ডিংয়ের স্থায়িত্ব কমে যায়। ড্যাম্প সিরিজের পণ্য বাজারে আনা হয়েছে বিল্ডিংয়ের ভেতর ও বাহিরের দেয়ালকে ড্যাম্প ও নোনার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। এ ছাড়া ধুলা-ময়লা ও ডাস্ট বিল্ডিংয়ের ক্ষতিসাধন করে, ফলে বিল্ডিংয়ের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। ডেকোরেটিভ ক্যাটাগরির নতুন পণ্য ওয়েদার কেয়ার ডার্ট গার্ড লং-লাইফ বিল্ডিংয়ের বাহিরের দেয়ালকে ধুলা-ময়লা ও ডাস্ট থেকে রক্ষা করে বিল্ডিংয়ের সৌন্দর্যকে অটুট রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঠ, ভিনিয়ার ও এমডিএফ বোর্ডের তৈরি ফার্নিচার রং করার জন্য চারটি নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে। এ ছাড়া অটো-রিফিনিশের ইকোনমিক সল্যুশন হিসেবে স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করতে ওসাকা এনসি পেইন্ট বাজারে আনা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে রেইনবো পেইন্টসের জেনারেল ম্যানেজার (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) সালেহ আহম্মদ চৌধুরী, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মো. সোহেল রানা, হেড অব সেলস শাহজাহান সানী ও হেড অব মার্কেটিং মো. নাজমুল হকসহ রেইনবো পেইন্টসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি
‘কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অগ্রযাত্রায় গড়ি আগামীর বাংলাদেশ’ স্লোগানে গতকাল ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহকসেবা মাস’ শুরু হয়েছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আলতাফ হুসাইন।
অতিরিক্ত এমডি ড. এম কামাল উদ্দীন জসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার। অনুষ্ঠানে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মজনুজ্জামানসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ব্যাংকের সব জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান ও উপশাখা ইনচার্জরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি-এর ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা গত ৩০ জুন হাইব্রিড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি বিসিআইসি অডিটোরিয়ামে শেয়ারহোল্ডারদের সরাসরি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে উপস্থিতির সমন্বয়ে আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জনাব কাজী রফিকুল হাসান। এতে উপস্থিত ছিলেন স্বতন্ত্র পরিচালক জনাব কাজী মোস্তাক আহমেদ, এফসিএ, পরিচালক জনাব মো. হাসান খান এবং স্বতন্ত্র পরিচালক ও এক্সিকিউটিভ কমিটি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মাহফুজা খানম।
সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডাররা সরাসরি উপস্থিতির পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও সভায় অংশ নেন। এছাড়াও স্বতন্ত্র পরিচালক, উদ্যোক্তা পরিচালক এবং স্বাধীন নিরীক্ষকরা সভায় অংশ নেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. কায়সার হামিদ, গ্রুপ চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার জনাব মো. সাজ্জাদুর রহমান ভূঁইয়া, গ্রুপ কোম্পানি সেক্রেটারি জনাব মুন্সী আবু নাঈম।
সভায় গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হওয়া বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী গৃহীত হয় এবং সভায় উপস্থাপিত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক এজেন্ডাও অনুমোদিত হয়।
এডিবির অর্থায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (ঝওঈওচ)’-এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির মাধ্যমে আয়োজিত মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সমাপ্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২ জুলাই, ২০২৬ তারিখে ব্যাংকের মানব সম্পদ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সেন্টারে (এইচআরটিডিসি) প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো.তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ, সম্মানিত অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. মাসুম বিল্লাহ, বিশেষ অতিথি হিসেবে এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিপ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ন পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াসিম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসএমই-বিজনেস, মাইক্রো ও এগ্রি বিভাগের প্রধান মো. রমজান আলী ভুঁইয়া। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ২৫ জন নতুন উদ্যোক্তাদের সনদপত্র এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো.তৌহিদুল আলম খান. এফসিএমএ, বলেন, আগ্রহী ও পরিশ্রমী উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা, উৎপাদন ও বিপননসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিকজ্ঞানের পাশাপাশি কারখানা পরিদর্শন ও সফল উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়ে সুযোগ হয়েছে। নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং তাদেরকে সক্ষম ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে এনআরবিসি সবধরনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, উদ্যোক্তাদের হাত ধরে দেশের অর্থনীতির রুপান্তর ও পরিবর্তন ঘটবে এই লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করছে। দক্ষতার অভাবে এবং অর্থের অভাবে কোন উদ্যোক্তা পিছিয়ে থাকবে না। আজকের ছোট উদ্যোক্তারা একসময় দেশের বৃহৎ উদ্যোক্তা হিসেবে বড় বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন।
এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিপ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা দেশের অর্থনীতির প্রাণ। এনআরবিসি ব্যাংক এই উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে ঋণসহায়তাসহ নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবিসি ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ক্লাস্টার এর আওতাধীন উদ্যোক্তাদের স্বল্প সুদে ঋণ প্রদানের লক্ষে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি’র মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমইএসপিডি ডিপার্টমেন্টের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও ড. মোঃ জাহিদ হোসেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের এসভিপি ও এসএমই বিভাগের প্রধান নিজামুল হক সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ আকিজ রিসোর্সের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ সিমেন্টের বার্ষিক বিজনেস কনফারেন্স সম্প্রতি থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। "বন্ধুত্বের বন্ধন" শীর্ষক এ কনফারেন্সে আকিজ সিমেন্টের দেশসেরা ৮২ জন রিটেইলার অংশগ্রহণ করেন।
কনফারেন্সে আকিজ বিল্ডিং সলিউশন্স ক্লাস্টার সিইও আসাদুল হক সুফিয়ানী বলেন, 'আকিজ সিমেন্টের আজকের এই অবস্থান সম্ভব হয়েছে আমাদের রিটেইলারদের অক্লান্ত পরিশ্রম, আস্থা ও সহযোগিতার কারণে। এই সম্পর্ককে আমরা সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই এবং ভবিষ্যতেও একসাথে এগিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের রিটেইলার নেটওয়ার্কের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আকিজ সিমেন্ট আগামী দিনগুলোতে দেশের নির্মাণ শিল্পে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে। '
আকিজ রিসোর্সের চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার তৌফিক হাসান বলেন, 'আকিজ রিসোর্স সবসময় বিশ্বাস করে টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির ভিত্তি হলো মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক। আমাদের রিটেইলাররা দেশের প্রতিটি প্রান্তে আমাদের পণ্য ও সেবা পৌঁছে দেন। তাঁদের এই অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া আমাদের দায়িত্ব আর "বন্ধুত্বের বন্ধন" এই চেতনাকেই প্রতিফলিত করে।'
কনফারেন্সটিতে আরও উপস্থিত ছিলেন আকিজ রিসোর্সের ক্লাস্টার চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (আকিজ বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস) মোস্তাক আহমেদ এবং আকিজ সিমেন্টের হেড অফ মার্কেটিং সুব্রত কুমার সিংহ।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য সৃজনশীল কাজ শিক্ষার্থীর ব্যক্তি ও কর্মজীবনে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ জন্য শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রীক বিভিন্ন ক্লাব, সংগঠন ও প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এসব বিষয় মাথায় রেখে তেমন একটি প্রোগাম শুরু করেছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ড অপো। দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীল বিকাশ ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজ নিজ ক্যাম্পাসকেও প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে। চলুন জানা যাক, কী থাকছে এই প্রোগামে।
কেন ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডরের সুযোগ
অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্যই হলো শিক্ষার্থীদের ক্ষমতায়ন বাড়ানো। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণদের কর্মশক্তি, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও ইচ্ছাশক্তিকে একত্র করা। তাদেরকে শেখার, নতুন কিছু তৈরি করার, যোগাযোগ স্থাপন করার ও বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। এই উদ্যোগের মাধ্যমে অপো শিক্ষার্থী, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, ট্রেন্ডসেটার ও চেঞ্জমেকারদেরকে নিয়ে একটি ডাইনামিক কমিউনিটি তৈরি করবে। যারা ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে উভয় জায়গায় অর্থবহ পরিবর্তন আনতে সক্ষম।
অ্যাম্বাসেডররা পাবে মাসিক সম্মানী ও উপহার
ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডররা শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে। এ জন্য নির্বাচিত অ্যাম্বাসেডররা মাসিক সম্মানী, আকর্ষণীয় উপহার, নতুন উন্মোচিত অপো ডিভাইস আগে ব্যবহারের সুযোগ, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ইভেন্টে আমন্ত্রণ, ক্যারিয়ার ও ইন্টার্নশিপের সুযোগের পাশাপাশি, প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং ও ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড উন্নয়নের সুযোগ পাবেন।
কন্টেন্ট তৈরি ও অংশগ্রহণের সুযোগ
অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামটিতে আরো থাকছে কন্টেন্ট তৈরি, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, কমিউনিটি তৈরি ও ডিজিটাল স্টোরিটেলিংয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা শক্তিশালী করা, সৃজনশীলতা ও নতুন উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে। হাতেকলমে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও মেন্টরশিপের সুযোগের মাধ্যমে অ্যাম্বাসেডররা মূল্যবান ধারণা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন, যা তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত উভয়ক্ষেত্রে বিকশিত হতে সাহায্য করবে।
প্রোগ্রাম বিষয়ে যা বলছে অপো
অপো মনে করছে এই প্রোগ্রামের ফলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ভবিষ্যত নেতৃত্বের গুণাবলী আরো মজবুত হবে। অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, আগামীর উদ্ভাবন ও সামাজিক অগ্রগতির চালিকাশক্তি হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা জোরদার করা ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ গড়ে তুলতে অর্থবহ সহযোগিতা করতে চাই। এই উদ্যোগ কেবল ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করবে, যা অন্যদেরকে ইতিবাচক পরিবর্তন ও ভবিষ্যত লিডার হওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করবে।”
যেভাবে আবেদন করা যাবে
অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামে আবেদন করার লিংক এখন উন্মুক্ত করা হয়েছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অফিসিয়াল অ্যাপ্লিকেশন লিংক https://forms.gle/sthZVVgg1SCEGndM6 থেকে আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে আবেদনকারীদের মধ্যে চূড়ান্তভাবে ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত করবে অপো।
জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে ঝুঁকিতে থাকা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ব্রিটিশ কাউন্সিলের উদ্যোগ ‘কালচারাল প্রোটেকশন ফান্ড (সিপিএফ) ২০২৬’-এর আবেদন শুরু হয়েছে। এ তহবিলের আওতায় বাংলাদেশসহ ১৭টি নির্বাচিত দেশের যোগ্য প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৫ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবে।
এ বছর কালচারাল প্রোটেকশন ফান্ডের ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে। বাংলাদেশে এই তহবিলটির সহায়তায় পরিচালিত প্রকল্প স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ইতিহাস, পরিচয় ও সামাজিক বন্ধনের সঙ্গে যুক্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক উদ্যোগগুলোর মধ্যে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সংগ্রহশালা আধুনিকীকরণ এবং জাদুঘরে স্থানীয় ইতিহাসকে তুলে ধরার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ উদ্যোগের আওতায় জাদুঘরের সকল কর্মীকে সংগ্রহে থাকা নিদর্শনের যথাযথ ব্যবস্থাপনা এবং মৌখিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে অমূল্য নিদর্শন সংরক্ষণে স্থানীয় সক্ষমতা বেড়েছে।
বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, ‘কালচারাল প্রোটেকশন ফান্ডের সহায়তায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের অংশীদারদের নেওয়া যৌথ উদ্যোগ যে সাফল্য বয়ে এনেছে তাতে আমরা খুবই আনন্দিত। নতুন এই অর্থায়নের মাধ্যমে ঝুঁকিতে থাকা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি। এসব ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় মানুষকে আরও দক্ষ ও সক্ষম করে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ ফান্ডের আওতায় সর্বোচ্চ ৫ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে —যা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় বিশেষজ্ঞরা তাঁদের দক্ষতা আরও বাড়াতে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন যোগাযোগ গড়ে তুলতে এবং নিজ নিজ এলাকায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবেন।”
আবেদন–সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
কালচারাল প্রোটেকশন ফান্ডের এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট (ইওআই) জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ২০ জুলাই ২০২৬, সোমবার, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট (বাংলাদেশ সময়)।
আবেদন জমা দেওয়ার আগে ২০২৬ সালের আবেদন–সংক্রান্ত নির্দেশিকা এবং বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (এফএকিউ) কালচারাল প্রোটেকশন ফান্ডের ওয়েবসাইট থেকে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবেদন প্রক্রিয়া ও যোগ্যতার শর্ত সম্পর্কে জানাতে এবং প্রতিযোগিতাপূর্ণ আবেদন তৈরিতে স্থানীয় আবেদনকারীদের সহায়তা করতে ১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, সকাল ১০টা থেকে ১১টা (বাংলাদেশ সময়) পর্যন্ত একটি অনলাইন তথ্যসভা (ইনফরমেশন সেশন) আয়োজন করবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।
অর্থায়ন ও যোগ্যতার শর্তাবলি
যেসব প্রকল্প সংঘাত বা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে কাজ করবে, সেগুলো নিম্নোক্ত দেশের এক বা একাধিকটিতে বাস্তবায়িত হতে হবে।
দক্ষিণ এশিয়া: বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তান
মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (মেনা): মিসর, ইরাক, জর্ডান, লেবানন, লিবিয়া, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, তিউনিসিয়া ও ইয়েমেন
পূর্ব আফ্রিকা: ইথিওপিয়া, কেনিয়া, সুদান, তানজানিয়া ও উগান্ডা
আবেদনের শর্ত পূরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বোচ্চ ৫ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবে। আবেদন–সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা এবং আবেদনপত্রের লিংক কালচারাল প্রোটেকশন ফান্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ইনোভেশন টিমের উদ্যোগে ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবনী কর্মপরিকল্পনা ২০২৫-২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইনোভেশন প্রদর্শনী (শোকেসিং) ২০২৫-২৬ এবং শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগ নির্বাচন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব ও চিফ ইনোভেশন অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে যেসব সেবা প্রদান করা হয়, সেসব সেবাকে পর্যায়ক্রমে ডিজিটালাইজড করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্যাংক একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। সেবার উৎকর্ষ সাধন, উদ্ভাবনী ধারণা সৃষ্টি এবং সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য উত্তম সেবা নিশ্চিত করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আখতার, হাসান তানভীর ও মো. হারুনুর রশীদ, মহাব্যবস্থাপক মো. নোমান মিয়া ও সালামুন নেছা এবং চিফ ইনফরমেশন টেকনোলজি অফিসার মো. অহিদুল ইসলাম সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগ কর্তৃক উপস্থাপিত উদ্ভাবনী ধারণা ও ডিজিটাল সেবা উদ্যোগসমূহ প্রদর্শন করা হয় । প্রদর্শিত উদ্যোগগুলোর মধ্য থেকে নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে ব্যাংকের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস “রূপালীক্যাশ” কে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগ নির্বাচন করা হয় । এ আয়োজনের মাধ্যমে ব্যাংকের সেবার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনী সংস্কৃতি বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বীমা প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.-এর ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমান যুগের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানীর সম্মানিত চেয়ারম্যান এইচ.টি.এম. কাদের নেওয়াজ।
ডিজিটাল এই সভায় অংশ নেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের একঝাঁক দূরদর্শী সদস্য। উপস্থিত পরিচালকদের মধ্যে ছিলেন মাহমুদা বেগম, হোসনেআরা বেগম, তাস্মিয়া রহমান, ফারিয়া রহমান, হাসনাত মোশাররফ, হাসিব মোশাররফ, ফাহিম মোশাররফ, মোহাম্মদ আলী এবং হুমায়ুন কবীর। এছাড়াও কোম্পানির শীর্ষ ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মতিন সরকার।
ভার্চুয়াল এই এজিএম-এ কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকবৃন্দ ছাড়াও দেশজুড়ে থাকা বিপুলসংখ্যক সাধারণ শেয়ারহোল্ডার অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে যুক্ত হন। সম্পূর্ণ সভাটি অত্যন্ত নিপুণভাবে ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মনীতি মেনে পরিচালনা করেন কোম্পানীর দক্ষ সচিব মোহাম্মদ কাউছার মুন্সী।
সভায় উপস্থিত শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে ও বিস্তারিত পর্যালোচনার পর ২০২৩-২০২৪ অর্থবছর তথা ২০২৫ ইং সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী এবং পরিচালকদের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ ও সর্বসম্মতিসহ অনুমোদিত হয়। একই সাথে সভায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে ও সফল ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা বজায় রাখায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য চমৎকার ১২% নগদ লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়। শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির সার্বিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে আগামী দিনগুলোতে এর আরও সাফল্য কামনা করেন।
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি সামার ২০২৬ সেমিস্টারে নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে গত ২৮ ও ২৯ জুন তিনটি আলাদা সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রথম অধিবেশনটি ২৮ জুন বিকেল ৩টায় কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের নতুন শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি এবং বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ নূরুল হুদা। ২৯ জুন বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় অধিবেশনে সিএসই, ইইই, টেক্সটাইল, আর্কিটেকচার এবং আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো হয়। এ অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রেইন স্টেশন ২৩-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রাইসুল কবির।
একই দিন বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় অধিবেশনে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের নবভর্তি শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসকো গ্রুপ ও বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির পরিচালক এম. এস. ফাহিমা আখতার। অনুষ্ঠানের প্রথম সেশনে সভাপতিত্ব করেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় ও শেষ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. মোফাজ্জল হোসেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মেজর জেনারেল (অব.), মো. আনোয়ারুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং বিভাগীয় প্রধানগণ নবীন শিক্ষার্থীদেরকে স্বাগত জানান।
প্রধান অতিথিবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের সময়ানুবর্তী, মনোযোগী ও অধ্যবসায়ী হওয়ার আহ্বান জানান। তাঁরা শিক্ষার্থীদের আত্মউন্নয়ন, জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরম স্থায়ী ক্যাম্পাসে অধ্যয়নের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি সফল ও সমৃদ্ধ শিক্ষাজীবন গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।
ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) স্কুল অফ বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্স’র (এসওবিই) উদ্যোগে “নেক্সাস সেমিনার সিরিজ” শীর্ষক প্রোগ্রাম গতকাল ইউআইইউ ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। এই দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগটি ব্যবসা, অর্থনীতি, সমাজ এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটি কার্যকর ও টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
বৈশ্বিক অস্থিরতার পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের চাপ ও ক্রমবর্ধমান ব্যবসায়িক ব্যয়ের মতো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। এই প্রেক্ষাপটে সদ্য চালু হওয়া সিরিজটি অ্যাকাডেমিক সক্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এসওবিই'র আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য নেক্সাস সেমিনারগুলোতে শিল্পক্ষেত্রের পেশাদারদের নেতৃত্বে সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইউআইইউ’র শিক্ষার্থীরা শীর্ষস্থানীয় ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টদের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পাবে, যা শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের সাথে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার এক সমন্বয় সৃষ্টি করবে।
বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র কৃষি অর্থনীতিবিদ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ড. ইফতিখার মোস্তফা "কাঠামোগত সংস্কারের জন্য উদ্ভাবন, ভ্যালু চেইন এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা" শীর্ষক মূল বক্তব্য প্রদান করেন। তিন দশকের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি কাঠামোগত সংস্কার চালনার জন্য তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন: উদ্ভাবনী বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলা, বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খল (জিভিসি) শক্তিশালী করা এবং অর্থবহ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করা। এ প্রসঙ্গে তিনি অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সম্প্রসারণযোগ্য সমাধানের উদাহরণ তুলে ধরেন, যার মাধ্যমে বোঝা যায় কীভাবে সমন্বিত প্রণোদনা টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে সম্ভব করে তুলতে পারে।
আলোচক হিসেবে ইউআইইউ’র অর্থনীতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. এম. ওমর ফারুক, তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন- বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত-পরবর্তী অর্থনীতিতে বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খলে (জিভিসি) উত্তরণের জন্য মূল্য সৃষ্টি, মূল্য আহরণ এবং মূল্য বণ্টন সম্পর্কে একটি ব্যাপকতর ও আরও পরিশীলিত বোঝাপড়া অত্যন্ত জরুরি। অর্থবহ পদ্ধতিগত সংস্কার অর্জনের অপরিহার্য পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি সিস্টেম থিংকিং এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, পদ্ধতিগত সংস্কার কখনোই শূন্যে ঘটে না -এর জন্য প্রয়োজন সুপরিকল্পিত দৃষ্টিভঙ্গি ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। পাশাপাশি তিনি উচ্চশিক্ষায় আন্তঃশাস্ত্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও সক্ষমতা বিকাশের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন এবং উল্লেখ করেন- বর্তমানে সমাজ যে জটিল সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে, তার অধিকাংশই কোনো একক অ্যাকাডেমিক শাখার সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
নেক্সাস সিরিজের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম. নিয়াজ আসাদুল্লাহ বলেন- বাংলাদেশের প্রচলিত প্রবৃদ্ধির কর্মপন্থা তার কাঠামোগত সীমায় পৌঁছে গেছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (৪আইআর) যুগে কঠিন অর্থনৈতিক আপস-মীমাংসা কমাতে পরিমাপযোগ্য ও উদ্ভাবনী সমাধান অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন- কাঠামোগত সংস্কারের জন্য সরকার, ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়াকে এক সমন্বিত ভাষায় কথা বলতে হবে এবং অর্থবহ পরিবর্তন আনতে এই তিনটি ক্ষেত্রকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ইউআইইউ ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্স রিসার্চের (আইএআর) নির্বাহী পরিচালক এবং সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এমেরিটাস ড. এম রিজওয়ান খান এবং বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক প্রফেসর ড. সালমা করিম, গবেষণা-ভিত্তিক নীতি সংলাপকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার বিষয়ে তাদের বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।
কার্যকরী নীতি সংস্কারের উপর একটি আলাপচারিতামূলক প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শেষ হয়, যেখানে বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষিকা, গবেষক এবং ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের উচ্চপর্যায়ের ইন্ডাস্ট্রি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের অন্যতম শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি এবং স্বনামধন্য রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াস লিমিটেড (বিটিআই) গৃহঋণ সুবিধা আরও সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় করতে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আবাসন ও অর্থায়ন সেবাকে একই ছাতার নিচে এনে সম্ভাব্য ফ্ল্যাট ক্রেতাদের জন্য একটি সমন্বিত সমাধান নিশ্চিত করা হবে।
আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি-এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির হেড অব রিটেইল বিজনেস মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং বিটিআই-এর পক্ষে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (মার্কেটিং) মাশরুর হাসান মিম সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন (রিটেইল বিজনেস) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, হেড অব মর্টগেজ (রিটেইল বিজনেস) মেহেদী মাহমুদ খান এবং হেড অব হোম লোন সেলস (মেট্রো) মো. ইমরান হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বিটিআই-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল ম্যানেজার (সেলস) চঞ্চল মজুমদার, সিনিয়র ম্যানেজার (মার্কেটিং) মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (মার্কেটিং) মো. রকিবুল ইসলাম অনিকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই অংশীদারিত্বের আওতায় বিটিআই-এর নির্বাচিত আবাসন প্রকল্পের ক্রেতারা বিশেষ বুকিং উপহার, অ্যাপার্টমেন্টের ওপর বিশেষ মূল্যছাড়, প্রতিযোগিতামূলক সুদের হারে গৃহঋণ এবং ঋণ প্রসেসিং ফিতে ছাড় পাবেন। এছাড়া গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করতে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ডিজিটাল প্রচারণা ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
এই উদ্যোগের ফলে আবাসন নির্বাচন থেকে শুরু করে গৃহঋণের অর্থায়ন পুরো প্রক্রিয়াটি আরও সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত হবে। একই সঙ্গে গ্রাহকরা একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পত্তি ক্রয় এবং অর্থায়ন-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ শামস বলেন, “গ্রাহকদের জন্য গৃহঋণকে আরও সহজলভ্য ও সুবিধাজনক করে তোলাই আইপিডিসির অন্যতম অঙ্গীকার। বিটিআই-এর সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিশ্বস্ত আর্থিক সেবা ও মানসম্পন্ন আবাসন সমাধানকে একত্রিত করে আমরা গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য গৃহঋণ সেবা নিশ্চিত করতে চাই এবং নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন পূরণের পথকে আরও সহজ করে তুলতে চাই।”
বিটিআই-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (মার্কেটিং) মাশরুর হাসান মিম বলেন, “মানসম্মত আবাসনকে আরও বেশি মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা এই অংশীদারিত্বের লক্ষ্য। বিটিআই-এর আবাসন উন্নয়ন অভিজ্ঞতা এবং আইপিডিসির অর্থায়ন সক্ষমতার সমন্বয়ে গ্রাহকরা আরও সহজ, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্যভাবে নিজস্ব বাড়ি কেনার সুযোগ পাবেন বলে আমি আশা করি।”
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আইপিডিসি ফাইন্যান্স উদ্ভাবনী আর্থিক সমাধান এবং কৌশলগত সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের আবাসন খাতে ইতিবাচক অবদান রাখার পাশাপাশি ব্যক্তি ও পরিবারের নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন বাস্তবায়নে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
ফাইন্যান্স এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বাংলাদেশের বেস্ট ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, বেস্ট ইকুইটি ক্যাপিটাল মার্কেটস (ইসিএম) হাউস এবং বেস্ট ডেট ক্যাপিটাল মার্কেটস (ডিসিএম) হাউস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি'র একটি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান।
ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিংয়ের মূল তিন ক্যাটাগরিতে এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের শক্তিশালী অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। ইকুইটি ক্যাপিটাল মার্কেটস, ডেট ক্যাপিটাল মার্কেটস, স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স, সিন্ডিকেশন, অ্যাডভাইজরি, আন্ডাররাইটিং ও ট্রাস্টি সেবায় প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত সক্ষমতার প্রতিফলন এই অর্জন।
তারল্য সংকট, উচ্চ সুদের হার এবং পাবলিক ইক্যুইটি ইস্যুর সীমিত সুযোগ নানা কারণে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের জন্য বিগত অর্থবছরটি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। এমন কঠিন পরিস্থিতিতেও আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস এই বছরের একমাত্র পাবলিক ইক্যুইটি ইস্যুর নেতৃত্ব দিয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি স্ট্রাকচার্ড ডেট সলিউশন সম্প্রসারণ, রেগুলেটরি ক্যাপিটাল গঠনে সহায়তা এবং শীর্ষস্থানীয় করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য গ্রিন, শরিয়াহসম্মত, সিন্ডিকেটেড ও অ্যাডভাইজরি সমাধানও দিয়েছে।
হংকং-এ আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও এম জামাল উদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ ছোট বাজার হলেও এটি এশিয়ার অন্যতম স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির গল্প। এই প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপে আরও গভীর ইকুইটি মার্কেট, শক্তিশালী ডেট ক্যাপিটাল মার্কেট, টেকসই অর্থায়ন এবং বেশি প্রাতিষ্ঠানিক মূলধন প্রয়োজন। ফাইন্যান্সএশিয়ার এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি আমরা আমাদের সম্মানিত গ্রাহক, বিনিয়োগকারী, শেয়ারহোল্ডারগণ এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রতি উৎসর্গ করছি।”
এ বিষয়ে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ বলেন, “ফাইন্যান্সএশিয়ার কাছ থেকে এই তিনটি স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই অর্জন আমাদের সমন্বিত ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম, গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং গুণগত মান, উদ্ভাবন ও উৎকর্ষপূর্ণ বাস্তবায়নের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”