মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার জন্য নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে ভূমিকা রাখতে হবে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওছার, মুক্তিযোদ্ধা প্রাতিষ্ঠানিক ইউনিট কমান্ডের পক্ষে অধ্যাপক আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতি, কারিগরি কর্মচারী সমিতি, চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়ন এবং শহীদ পরিবার কল্যাণ সমিতির নেতারা বক্তব্য রাখেন। রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, এ দেশের বুদ্ধিজীবীরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাম্প্রদায়িকতা, উগ্রতা ও বর্বর গণহত্যার চিত্র বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরেছিলেন। তারা সব অন্যায়, অপকর্ম ও বৈষম্যের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তাদের কণ্ঠরোধ ও ইতিহাস বিকৃতি, জাতিকে মেধাশূন্য ও পরাধীন করতেই পরিকল্পিতভাবে দেশের এই সেরা সন্তানদের হত্যা করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে উপাচার্য ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণের কবরস্থান, জগন্নাথ হল-সংলগ্ন স্মৃতিসৌধ, বিভিন্ন আবাসিক এলাকার স্মৃতিসৌধ এবং মিরপুর ও রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদসহ বিভিন্ন হলের মসজিদ ও উপাসনালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
কৃষকদের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে হবিগঞ্জের মাধবপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'উপজেলা ভিত্তিক কৃষি ঋণ প্রচারণা, আলোচনা সভা ও প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণ কর্মসূচি'। বাংলাদেশ ব্যাংক, সিলেট-এর নির্দেশনায় এবং মাধবপুর উপজেলার ১৫ টি তফসিলি ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের কর্মসূচিতে লিড ব্যাংক হিসেবে মূল ভূমিকা পালন করে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক জনাব মো. জাবেদ আহমদ। মাধবপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব মো. মেহেদী হাসান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ সাজ্জাদ হায়দার চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে প্রান্তিক ও প্রকৃত কৃষকদের মাঝে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার অংশ হিসেবে মোট ৫০ জন কৃষকের মাঝে কৃষি ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। প্রকাশ্যে এই ঋণ বিতরণ কার্যক্রমের ফলে ঋণ প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অতিথিবৃন্দ। এছাড়া, অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষক ও স্থানীয় জনগণের মাঝে কৃষি একটি বিশেষ সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, প্রাইম ব্যাংকের সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান জনাব মো. হুমায়ুন কবির; প্রাইম ব্যাংকের হেড অফ এগ্রো বিজনেস শাহানা পারভীন এবং স্থানীয় তফসিলি ব্যাংক সমূহের শাখা প্রধান ও কর্মকর্তাবৃন্দ। বক্তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কৃষি ঋণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং কৃষকদের সব ধরনের কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
মেটলাইফের নতুন একটি বহুজাতিক গবেষণায় উঠে এসেছে “আত্মবিশ্বাস ঘাটতির” এক চমকপ্রদ চিত্র। গবেষণায় দেখা যায়, অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি নিজেদেরকে যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার মত সহনশীল বলে মনে করলেও বাস্তব জীবনে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলে তাদের আত্মবিশ্বাস ৭২ শতাংশ কমে যায়।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং মেক্সিকোতে পরিচালিত “দ্য কনফিডেন্ট পাথওয়েজ রিপোর্ট”–এর লক্ষ্য ছিল মানুষের আত্মবিশ্বাস কীভাবে গড়ে ওঠে এবং জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে কীভাবে তা টিকে থাকে, তা বোঝা। গবেষণার ফলাফল দেখায় যে সুযোগ, প্রস্তুতি এবং সহায়ক পরিবেশ আত্মবিশ্বাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব উপাদান মানুষকে অনিশ্চয়তা মোকাবিলা, বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এবং নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।
প্রতিবেদনটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে আলা আহমদ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, মেটলাইফ বাংলাদেশ বলেন, “চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে যখন বিশ্বের মানুষ একত্রিত হয়েছে, তখন এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে তরুণদের সম্ভাবনা বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব কতটা গভীর। দলগত কাজ, শৃঙ্খলা এবং দৃঢ়তা শেখায় খেলাধুলা, যা জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে, জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তরুণ, তাই খেলাধুলা, শিক্ষা এবং মেন্টরশিপের সঙ্গে কম বয়সেই পরিচয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেটলাইফ বাংলাদেশে আমরা আরও ভালো আর্থিক প্রস্তুতি এবং সুরক্ষার সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও পরিবারকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যাতে মানুষ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যেতে পারে এবং নিজেদের পূর্ণ সম্ভাবনার বিকাশ করতে সক্ষম হয়।”
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই গবেষণার ফলাফল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশ তরুণ, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ জনমিতিক সম্ভাবনার প্রতিনিধিত্ব করে। পাশাপাশি, ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রায় ৫ কোটি তরুণ-তরুণী দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই তাদের সম্ভাবনাকে পূর্ণ বিকশিত করতে কম বয়স থেকেই আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা গড়ে তোলা জরুরি।
যখন ফুটবল বিশ্বব্যাপী মানুষ ও সম্প্রদায়কে একত্রিত করছে, তখন এই গবেষণা আরও দেখায় যে কম বয়স থেকে খেলাধুলা, শিক্ষা এবং মেন্টরশিপের সঙ্গে সম্পৃক্ততা মানুষের দৃঢ়তা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং জীবনের প্রতি সন্তুষ্টি বাড়ায়, যা আরও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনে সহায়ক।
গবেষণার প্রধান ফলাফল
অনেকেই নিজেদেরকে দৃঢ়চেতা বলে মনে করলেও আর্থিক, মানসিক বা ব্যক্তিগত বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতা সম্পর্কে তুলনামূলকভাবে কম মানুষ আত্মবিশ্বাসী বোধ করেন।
শৈশবে খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারী অর্ধেকেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মনে করেন, এটি তাদের আত্মবিশ্বাস (৫৬%) এবং অধ্যবসায় (৫২%) বৃদ্ধি করেছে। একই সঙ্গে অভিভাবকেরাও খেলাধুলা ও মেন্টরশিপ কর্মসূচির প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছেন।
যেসব প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সঞ্চয় বা জীবনবিমা গ্রহণের মতো সক্রিয় আর্থিক পদক্ষেপ নেন, তারা বিপর্যয় মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাসী হওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় ২০ গুণ বেশি সম্ভাবনাময়।
অর্ধেকেরও কম মানুষ বন্ধুদের (৪১%) অথবা নিজেদের কমিউনিটির (৩১%) কাছ থেকে সমর্থন পান বলে মনে করেন। এটি আরও শক্তিশালী সামাজিক সংযোগ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে।
বাংলাদেশে চাঙ্গান অটোমোবাইলের একমাত্র অনুমোদিত পরিবেশক ডিএইচএস অটোস লিমিটেড দেশের বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন চাঙ্গান সিএস৭৫ প্রো (Changan CS75 Pro). সাত সিটের এই প্রিমিয়াম এসইউভিটি পারফরম্যান্স, আধুনিক প্রযুক্তি, কমফোর্ট ও লাক্সারির দারুণ এক প্যাকেজ। দেশের ক্রমবর্ধমান মিড-সাইজ এসইউভি বাজারে এটি গ্রাহকদের এক্সপেরিয়েন্স পুরোপুরি বদলে দেবে, যার আকর্ষণীয় প্রাইস নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪ লাখ টাকা।
বাংলাদেশে অ্যাসেম্বল করা হলেও সিএস৭৫ প্রো-তে চাঙ্গানের গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড এবং কোয়ালিটি বজায় রাখা হয়েছে। ফ্যামিলি ট্রিপ কিংবা বিজনেস মুভমেন্ট—উভয় ধরনের লাইফস্টাইলের কথা মাথায় রেখে গাড়িটি ডিজাইন করা হয়েছে। এর লাক্সারিয়াস কেবিন, অ্যাডভান্সড টেকনোলজি এবং প্রিমিয়াম সেফটি ফিচারের কারণে ড্রাইভার ও প্যাসেঞ্জার সবার জন্যই রাইড হবে অত্যন্ত স্মুথ ও কনফিডেন্ট।
গাড়িটি বাজারে নিয়ে আসা প্রসঙ্গে ডিএইচএস অটোস লিমিটেড বলছে, “বাংলাদেশের বাজারে চাঙ্গান সিএস৭৫ প্রো ইন্ট্রোডিউস করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি, এদেশের গ্রাহকরা এমন একটি গাড়ি চান যা একাধারে শক্তিশালী, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এবং ফ্যামিলির জন্য কমফোর্টেবল। এই প্রিমিয়াম এসইউভিটি কমপিটিটিভ প্রাইসে ওয়ার্ল্ড-ক্লাস পারফরম্যান্স ও সেলস-পরবর্তী সেবার নিশ্চয়তা দেবে, যা দেশের অটোমোটিভ বাজারে একটি নতুন স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করবে।“
চাঙ্গান সিএস৭৫ প্রো-এর মূল আকর্ষণ ও স্পেসিফিকেশন:
গাড়িটিতে রয়েছে ১.৫ লিটার টার্বোচার্জড ইঞ্জিন, যা ১৮৫ হর্সপাওয়ার পাওয়ার এবং ৩০০ নিউটন মিটার টর্ক জেনারেট করতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত ৭-স্পিড ডুয়াল ক্লাচ ট্রান্সমিশন (DCT) ড্রাইভিংকে করে তোলে অত্যন্ত স্মুথ ও রেসপন্সিভ। ফলে শহরের ডেইলি যাতায়াত থেকে শুরু করে লং হাইওয়ে ড্রাইভ—সবখানেই এটি পাওয়ারফুল পারফরম্যান্স দেয়। ইন্টেরিয়রের ক্ষেত্রে, সিএস৭৫ প্রো-তে রয়েছে তিন সারির প্রশস্ত কেবিন, যেখানে সাতজন প্যাসেঞ্জার বেশ আরামদায়কভাবে ট্রাভেল করতে পারবেন। এর প্রিমিয়াম ম্যাটেরিয়ালে তৈরি লাক্সারি ইন্টেরিয়র ডিজাইন ভেতরকার পরিবেশকে করে তুলেছে এলিগ্যান্ট, আর প্রয়োজন অনুযায়ী সিট ফোল্ডিং ও রি-অ্যারেঞ্জ করার সুবিধা গাড়িটির স্পেস ইউটিলিটিকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
একই সাথে লাইফস্টাইল ও টেক-প্রেমীদের জন্য গাড়িটিতে দেওয়া হয়েছে ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক ক্যামেরা, ইলেকট্রিক প্যানোরামিক সানরুফ এবং ১৯ ইঞ্চির স্টাইলিশ টাইটানিয়াম ব্ল্যাক অ্যালয় হুইলস। এসব প্রিমিয়াম ফিচার এসইউভিটির বোল্ড লুক ও ওভারঅল ড্রাইভিং এক্সপেরিয়েন্সকে আরও ইউনিক করে তোলে। এছাড়া সেফটির দিক থেকেও সিএস৭৫ প্রো সম্পূর্ণ আপ-টু-ডেট, কারণ এতে যুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তি এবং ড্রাইভার-সহায়ক ফিচার (ADAS)। যার ফলে ড্রাইভার যেমন ফুল কনফিডেন্সের সাথে ড্রাইভ করতে পারবেন, ঠিক তেমনি যাত্রীরাও চমৎকার ও নিরাপদ একটি জার্নি উপভোগ করতে পারবেন।
বুকিং ও টেস্ট ড্রাইভের তথ্য:
চাঙ্গান সিএস৭৫ প্রো এসইউভিটি এখন ডিএইচএস অটোস লিমিটেড-এর ফ্ল্যাগশিপ শোরুমসমূহে ডিসপ্লে, টেস্ট ড্রাইভ এবং প্রি-বুকিংয়ের জন্য অ্যাভেইলেবল রয়েছে। বিস্তারিত জানতে বা টেস্ট ড্রাইভ বুক করতে ভিজিট করুন changan.com.bd অথবা যোগাযোগ করুন 16697-এ।
মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের জন্য টেকসই জীবিকা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের সহায়তায় পরিচালিত উইনরকের ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগের মাধ্যমে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিরা ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ অ্যাপ ব্যবহার করে ডিজিটাল রিচার্জসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করে আয় করার সুযোগ পাবেন।
এ অংশীদারিত্বের আওতায় অংশগ্রহণকারীরা মোবাইল রিচার্জসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে উপার্জনের পাশাপাশি নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করবেন।
উদ্যোগটি বাস্তবায়নে সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগার্স ডেনে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। বাংলালিংকের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে সই করেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক দীপ্তা রক্ষিত।
চুক্তি স্বাক্ষর প্রসঙ্গে মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, “উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের জন্য ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে টেকসই আয়ের সুযোগ তৈরি করবে।”
বাংলালিংক পাওয়ার ডিজিটাল অপারেটরটির একটি সামাজিক পরিবেশনা (সোশ্যাল ডিস্ট্রিবিউশন) প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহার করে মোবাইল রিচার্জ বিক্রি করে আয় করা যায়। কোনো প্রাথমিক বিনিয়োগ ছাড়াই তরুণ, নারী, মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে আয় করতে পারেন।
উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে এ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের আর্থিকভাবে ক্ষমতায়নের পাশাপাশি বাংলালিংক পাওয়ারের নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাঁরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারবেন এবং নিজ নিজ কমিউনিটির অন্যদেরও এর আওতায় নিয়ে আসতে পারবেন।
প্ল্যাটফর্মটিতে সহজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া, ডিজিটাল কেওয়াইসি যাচাই, তাৎক্ষণিক কমিশনের হিসাব দেখার সুবিধা এবং স্বচ্ছ পুরস্কার ব্যবস্থাপনা রয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের সহজেই এতে যুক্ত হয়ে তাঁদের আয়ের হিসাব পরিচালনায় সহায়তা করবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মাসনুন হক।
এ উদ্যোগ সম্পর্কে তাইমুর রহমান বলেন, “মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সহায়তা করছে উইনরক। তাদের এ মহতী উদ্যোগের অংশ হতে পেরে বাংলালিংক গর্বিত। একই সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সমাজের সব নারীর ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে জিএসএমএ (গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস অ্যাসোসিয়েশন)-এর ‘কানেক্টেড উইমেন’ উদ্যোগের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।”
উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের পরিচালক দীপ্তা রক্ষিত বলেন, “টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরিতে ডিজিটাল দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য। বাংলালিংকের সঙ্গে এ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আশ্বাস প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের মানব পাচারপ্রবণ ১০টি জেলার নারী ও পুরুষকে প্রায়োগিক ডিজিটাল দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ ধরনের হাতে-কলমে শেখানো দক্ষতা তাঁদের প্রযুক্তি ব্যবহারে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে এবং অর্থনৈতিকভাবে আরও সক্ষম হতে সহায়তা করবে।”
প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং এ ধরনের অংশীদারিত্বকে কাজে লাগিয়ে সবার জন্য উপার্জন ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে বাংলালিংক। ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতিরই অংশ এই উদ্যোগ।
এপেক্স স্টোরে বিকাশ পেমেন্টে গ্রাহকের কেনাকাটাকে আরও সাশ্রয়ী, আকর্ষণীয় ও আনন্দময় করে তুলতে যৌথভাবে নানান উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রিয় ফুটওয়্যার ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড এপেক্স ও দেশের বৃহত্তম মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ।
ক্যাশ ও ভাংতি টাকার ঝামেলা ছাড়াই, দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এপেক্স-এর ৩৪২টি আউটলেট থেকে অথবা অ্যাপেক্স অনলাইন থেকে পণ্য কিনে গ্রাহকেরা আরও স্বাচ্ছন্দ্যে নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট করতে পারছেন, সাথে পাচ্ছেন নানান অফারও।
সম্প্রতি, রাজধানীর গুলশানে এপেক্স-এর প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এসময় এপেক্স এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ফিরোজ মোহাম্মদ, হেড অফ মার্কেটিং মো. রায়হান কবির এবং বিকাশ-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, হেড অফ মার্চেন্ট পেমেন্ট ফয়সাল শহীদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ মার্চেন্ট পেমেন্ট এস এম খালেদ বিন হালিম সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফুটবল বিশ্বকাপ মৌসুমে জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘স্প্রিন্ট’ এর জুতা, স্যান্ডেল, ব্যাগ, টি-শার্ট সহ বিভিন্ন পণ্য কিনে ৩,০০০ টাকার বেশি পেমেন্ট বিকাশ করলেই প্রতিদিন থাকছে জাতীয় ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় হামজা চৌধুরী স্বাক্ষরিত জার্সি জেতার সুযোগ। ৮ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০ জন এবং একজন গ্রাহক একবারই এই পুরস্কার জেতার সুযোগ পাবেন।
শিক্ষার্থীদের নতুন ক্লাসের প্রস্তুতিকে সহজ করতে ‘এপেক্স স্কুল স্মার্ট ক্যাম্পেইন’-এর এক্সক্লুসিভ পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে বিকাশ পেমেন্টে নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর থাকছে ৫% ডিসকাউন্ট। এর পাশাপাশি, বছরজুড়ে গ্রাহকদের জন্য ধারাবাহিকভাবে নানা ধরনের পেমেন্ট অফার নিয়ে আসার যৌথ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে উভয় প্রতিষ্ঠান।
উপহার, ছাড়ের পাশাপাশি এপেক্স থেকে স্বাচ্ছন্দ্যে পছন্দের কেনাকাটার জন্য বিকাশ পেমেন্টে রয়েছে ‘পে-লেটার’ নামের বিশেষ জামানতবিহীন লোন ব্যবস্থা। পেমেন্টের সময় অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকলেও এই সেবার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কেনাকাটা করার সুযোগ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। এছাড়াও অ্যাপ থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টে সংযুক্ত ভিসা কার্ডের মাধ্যমেও পেমেন্ট করতে পারছেন গ্রাহকরা। পাশাপাশি, সর্বোচ্চ সংখ্যক ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি করেও বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা এনে পেমেন্ট করার সুবিধা রয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যাংকিং প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক স্বীকৃতি Infosys Finacle Innovation Awards 2026- G ‘Maximizing Customer Engagement’ ক্যাটাগরিতে এড়ষফ ডরহহবৎ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটি তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ ‘Community Access’ -এর জন্য এ আন্তর্জাতিক সম্মাননা লাভ করে।
এ বছর ইনফোসিস ফিন্যাকল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডসের ১১তম আসরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৯টি ক্যাটাগরিতে ৫০০টিরও বেশি মনোনয়ন জমা পড়ে। কঠোর মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংকিং ও প্রযুক্তি খাতের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ড বিজয়ীদের নির্বাচন করে।
‘Community Access’ -এর মাধ্যমে গ্রাহক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার উদ্ভাবনী প্রয়াসের স্বীকৃতিস্বরূপ কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি. এ সম্মাননা অর্জন করেছে।
এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কমিউনিটি ব্যাংকের প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবাদান এবং ভবিষ্যতমুখী ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি. এ অর্জনকে ব্যাংকের সকল গ্রাহক, অংশীজন ও সহকর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং আগামী দিনগুলোতেও উদ্ভাবনী ও বিশ্বমানের ব্যাংকিং সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গর্ব ও উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করেছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফ শোয়েব, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মাসুদুজ্জামান এবং স্বতন্ত্র পরিচালক জনাব এ কে এম শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো. আব্দুল লতিফ, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
দেশব্যাপী ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা জোরদার এবং বাংলা কিউআর পেমেন্ট জনপ্রিয় করতে রাজধানীর মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় এক সচেতনতা র্যালির আয়োজন করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে এই ফিল্ড ক্যাম্পেইনের নেতৃত্ব দেন।
ব্যাংকের চলমান ডিজিটাল পেমেন্ট ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এই র্যালির আয়োজন করা হয়। র্যালিতে আরও অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা। ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের সহজ উপযোগিতা প্রদর্শনের লক্ষ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান স্থানীয় এক মিষ্টির দোকানে বাংলা কিউআর ব্যবহার করে লাইভ পেমেন্ট করেন।
র্যালি শেষে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের সাথে বাংলা কিউআর নিয়ে সরাসরি কথা বলেন ব্যাংকের কর্মকর্তারা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় দেশব্যাপী এই প্রচারাভিযান প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমে যুক্ত করছে বলে মনে করেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ব্যাংকের এই ডিজিটাল ড্রাইভটি দেশব্যাপী সকল শাখা ও আউটলেটে একযোগে পরিচালিত হচ্ছে।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) এবং জীবন বীমা কর্পোরেশনের মধ্যে সমন্বিত এপিআই (API)-ভিত্তিক ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ঢাকার গুলশান-২-এর সিক্স সিজনস হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তির আওতায় জীবন বীমা কর্পোরেশন দেশব্যাপী বীমা প্রিমিয়াম সংগ্রহের জন্য এমটিবির সমন্বিত এপিআই-চালিত ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা ব্যবহার করবে। পাশাপাশি, এমটিবির ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম MTB eBank-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট ব্যবস্থাপনা এবং DDI (Direct Debit Instruction)-এর মাধ্যমে অনলাইন সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এছাড়া, এমটিবি ই-ব্যাংক অ্যাপ ব্যবহার করে বায়োমেট্রিক অথেনটিকেশনের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে সহজেই লেনদেন অনুমোদনের সুবিধা পাওয়া যাবে, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে এ ধরনের প্রথম উদ্ভাবনী সেবা।
চুক্তিতে এমটিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং জীবন বীমা কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), মোঃ সাঈদ কুতুব নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে এমটিবির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার, চৌধুরী আখতার আসিফ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হোলসেল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান, মোহাম্মদ মামুন ফারুক, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান, মোঃ শফকত হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান, এ. কে. এম. তারেক এবং ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, মোঃ আশিক ইকবাল খান উপস্থিত ছিলেন। জীবন বীমা কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক, মোহাম্মদ আবু কাওসার জালিল, আইসিটি অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক, আবু নাঈম মোহাম্মদ মারুফ খান, ইই বিভাগের মহাব্যবস্থাপক, এইচ. এম. রকিব হায়দার সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
দেশের অন্যতম বৃহৎ অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ নিয়ে আসছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘৭.৭ সুপার সেভিংস সেল’। এই ক্যাম্পেইনে দেশজুড়ে গ্রাহকদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড়, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড অফার এবং আর বিভিন্ন পুরস্কার জিতে নেবার সুযোগ। ৬ জুলাই থেকে রাত ৮টা থেকে শুরু হয়ে ১৭ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত চলবে এই ক্যাম্পেইন। এ সময়জুড়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্যে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন মৌসুমের অন্যতম সেরা সব অফার।
বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে সাজানো এই মেগা ক্যাম্পেইনে থাকছে প্রিপেমেন্ট ভাউচারে সর্বোচ্চ ১৫% পর্যন্ত ছাড়, মেগা ডিল ও ফ্ল্যাশ সেলে সর্বোচ্চ ৮০% পর্যন্ত ছাড়, পাশাপাশি হট ডিলসে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড়। এছাড়াও সাইটজুড়ে ডেলিভারি ডিসকাউন্ট, নির্বাচিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি এবং সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত ১০% ছাড়ের বিশেষ ডিসকাউন্ট ভাউচার থাকায় ইলেকট্রনিক্স, ফ্যাশন, এফএমসিজি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বিউটি এবং লাইফস্টাইলসহ সব ক্যাটাগরিতে কেনাকাটা হবে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী।
ক্যাম্পেইনের উত্তেজনা আরও বাড়াতে দারাজ নিয়ে এসেছে ‘৭.৭ সুপার সেভিংস সেল জ্যাকপট’। এ আয়োজনের মাধ্যমে গ্রাহকরা জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় প্রিমিয়াম হোম অ্যাপ্লায়েন্স। ক্যাম্পেইন চলাকালে ডেটল পণ্যে ন্যূনতম ২৯৯ টাকা কেনাকাটার শর্ত পূরণ করে সর্বোচ্চ সংখ্যক সফল অর্ডার সম্পন্ন করা পাঁচজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী নির্বাচিত হবেন। পুরস্কার হিসেবে থাকছে মিডিয়া ১ টন নন-ইনভার্টার এসি, হায়ার ৩২ ইঞ্চি বেজেল-লেস গুগল টিভি, ওয়ালটন রিচার্জেবল সিলিং ফ্যান, ফিলিপস এনএ১১০ এয়ার ফ্রায়ার এবং ফিলিপস এইচএল৭৫৭৭ মিক্সার গ্রাইন্ডার।
গ্রাহকদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও আকর্ষণীয় করতে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী দিনে থাকছে ‘ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার’, যেখানে মাত্র ৬ ঘণ্টার জন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডে মিলবে এক্সক্লুসিভ মূল্যছাড়। পরবর্তী নির্ধারিত দিনগুলোতে (৭, ৮, ১০, ১৫ এবং ১৭ জুলাই) চলবে ৭ ঘণ্টাব্যাপী ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার, যাতে গ্রাহকরা তাদের পছন্দের ব্র্যান্ডের পণ্য বিশেষ ছাড়ে কেনার সুযোগ পান। পাশাপাশি পুরো ক্যাম্পেইনজুড়ে থাকছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডভিত্তিক বিশেষ আয়োজন। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ৯ জুলাই থাকছে এক্সক্লুসিভ ট্র্যাকশন ডিল। এদিন গ্রাহকরা মাত্র ৭৭ টাকা ও ৭৭৭ টাকায় নির্বাচিত জনপ্রিয় পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন। সীমিত সময় ও সীমিত স্টকের এই অফার গ্রাহকদের জন্য ক্যাম্পেইনের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে।
এর মধ্যে রয়েছে ৮ জুলাই ভিশন ব্র্যান্ড ডে, ৯ জুলাই ইউনিলিভার ব্র্যান্ড ডে, ১০ জুলাই রিয়েলমি ব্র্যান্ড ডে, ১২ জুলাই রেকিট সুপার ব্র্যান্ড ডে, ১৩ জুলাই ভিট ব্র্যান্ড ডে, ১৪ জুলাই টপ টেক জোন ব্র্যান্ড ডে, ১৫ জুলাই ম্যারিকো ব্র্যান্ড ডে এবং ১৬ জুলাই ওরাইমো ব্র্যান্ড ডে। এছাড়াও প্রতি কর্মদিবসে ক্যাটাগরি-ভিত্তিক বিশেষ ক্যাম্পেইন চলবে, যেখানে গ্রাহকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাছাইকৃত অফার উপভোগ করতে পারবেন।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আরও সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য করতে দারাজ তার ‘এভরিডে লো প্রাইস’ (ইডিএলপি) বা দারাজ চয়েস চ্যানেলকে আরও শক্তিশালী করেছে। এই চ্যানেলের মাধ্যমে গ্রাহকরা ৩টি পণ্য কিনলে ফ্রি ডেলিভারি এবং ৫টি পণ্য কিনলে ১টি ফ্রি গিফটের পাশাপাশি ফ্রি ডেলিভারি-এর মতো বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটায় আরও বেশি সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
এবারের ৭.৭ সুপার সেভিংস সেল আরো উপভোগ্য করে তুলেছে দারাজের একাধিক শীর্ষস্থানীয় পার্টনার। ডেটল এবং ইউনিলিভার দারাজের এক্সক্লুসিভ প্লাটিনাম পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে। প্যারাস্যুট ন্যাচারালে এবং হিমালয়া থাকছে গোল্ড পার্টনার হিসেবে। এছাড়া সেসা এবং গোদরেজ সিলভার পার্টনার হিসেবে অংশগ্রহণ করছে, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন।
পেমেন্ট পার্টনারদের মাধ্যমে কেনাকাটায় থাকছে আরও আকর্ষণীয় সাশ্রয়ের সুযোগ। দারাজ–ইস্টার্ন ব্যাংক কো-ব্র্যান্ড ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডধারীরা সর্বোচ্চ ১৫% পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া সিটি ব্যাংক পিএলসি., ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি., মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি., প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি.-এর কার্ডধারীরা সংগ্রহযোগ্য ভাউচারের মাধ্যমে ১২% পর্যন্ত আকর্ষণীয় ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি.-এর ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য দারাজ চয়েস চ্যানেলে থাকছে বিশেষ অফার, যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আরও সাশ্রয়ী মূল্যে কেনা যাবে। এছাড়াও বিকাশ ব্যবহারকারীরা নির্বাচিত হোম অ্যাপ্লায়েন্স কেনাকাটায় তাৎক্ষণিকভাবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। অন্যদিকে ইবিএল জিপ (EBL ZIP)-এর মাধ্যমে টেলিভিশন, এয়ার কন্ডিশনার এবং নির্বাচিত হোম অ্যাপ্লায়েন্স কেনাকাটায় সর্বোচ্চ ৬ মাসের ০% সুদে ইএমআই-এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধাও থাকছে। ফলে পুরো ক্যাম্পেইনজুড়ে প্রতিটি কেনাকাটা হবে আরও সাশ্রয়ী ও লাভজনক।
৭.৭ সুপার সেভিংস সেল উপলক্ষে দারাজ বাংলাদেশের সকল গ্রাহককে এই উৎসবমুখর শপিং ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। গ্রাহকরা দারাজ অ্যাপ বা ক্যাম্পেইন পেজ ভিজিট করে প্রতিদিনের ডিল, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড অফার এবং আকর্ষণীয় পুরস্কারের সুযোগ সম্পর্কে জানতে পারবেন। রিয়েল-টাইম আপডেট ও সর্বশেষ ক্যাম্পেইনের খবর পেতে চোখ রাখুন দারাজ বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলোতে।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর উদ্যোগে সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এমপাওয়ারিং ইয়ুথ সিজন ২.০’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকটির ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবরেশন বৃদ্ধির ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ‘প্রাইমএকাডেমিয়া’-এর আওতায় ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন: এনগেজিং অ্যান্ড ইন্সপায়ারিং ইয়ুথ ইন ব্যাংকিং’ শীর্ষক এই সেমিনারটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইয়াং ইকোনমিস্টস সোসাইটি (ইয়েস)’-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারটির মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং খাত সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান, আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার প্রস্তুতি এবং নেতৃত্বের দক্ষতা উন্নয়ন।
অনুষ্ঠানে কি-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অফ ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসান। তিনি তার বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের জন্য আর্থিক সাক্ষরতা, দায়িত্বশীল অর্থ ব্যবস্থাপনা এবং সঞ্চয়ী মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক পর্যায় থেকেই আর্থিক সচেতনতা তৈরি হওয়া একজন দায়িত্বশীল নাগরিকের কর্তব্য, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ লিডার হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” এছাড়া তিনি সঞ্চয়ের শৃঙ্খলা, ডিজিটাল ব্যাংকিং সচেতনতা, ব্যক্তিগত আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং ইয়ুথ ব্যাংকিং, স্কুল ব্যাংকিং, অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং ও ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সেবার ক্ষেত্রে প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে এইচআর পারসেপশন-এর সিইও ও ফাউন্ডার সিরাজ উদ্দিন চৌধুরী রুবেল একটি বিশেষ ‘সিভি রাইটিং ওয়ার্কশপ’ পরিচালনা করেন। সেখানে তিনি কর্পোরেট প্রত্যাশা অনুযায়ী পেশাদার সিভি তৈরি এবং ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সুযোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা দেন। এছাড়া প্রাইম ব্যাংকের এসভিপি ও রিজিওনাল হেড (চট্টগ্রাম অঞ্চল), কনজ্যুমার ব্যাংকিং সরকার মেহেদী রেজা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে একটি অনুপ্রেরণামূলক সেশন পরিচালনা করেন।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এনায়েত উল্লাহ পাটোয়ারী উপস্থিত থেকে যুব ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান, নেতৃত্ব ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে ইয়াং ইকোনমিস্টস সোসাইটি (ইয়েস)-এর প্রেসিডেন্ট রাহনুমা রহমান নিকিতা এবং জেনারেল সেক্রেটারি শাহ মুসা আল কাজিম সমাপনী বক্তব্য ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দিনব্যাপী এই আয়োজনে ইন্টারেক্টিভ আলোচনা, প্রশ্নোত্তর পর্ব, নেটওয়ার্কিং এবং ক্রেস্ট বিনিময় পর্ব অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা শিক্ষার্থীদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত বিকাশের জন্য একটি কার্যকর ও অর্থবহ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।
নতুন দুটি বিক্রয়কেন্দ্র চালুর কথা জানিয়েছে শিল্পগোষ্ঠী আরএফএলের স্পোর্টস চেইন শপ ‘দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারি’।
সম্প্রতি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সদরে এবং সিলেট নগরীর উপশহরে বিক্রয়কেন্দ্র দুটি উদ্বোধন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল উপস্থিত থেকে বিক্রয়কেন্দ্র দুটি উদ্বোধন করেন। সেখানে মিলবে বিভিন্ন ধরনের বাইসাইকেল, বাইসাইকেল এক্সেসরিজ, ফিটনেস সামগ্রী, ক্রিকেট ও ফুটবল খেলার নানা ধরনের সরঞ্জাম, ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬-এর অফিসিয়াল ফুটবল, জার্সি, ফুটবল বুটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী।
অনুষ্ঠানে আর এন পাল বলেন, “দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারির মূল লক্ষ্য হলো দেশব্যাপী মানসম্মত ও আধুনিক স্পোর্টস ও ফিটনেস পণ্য সহজলভ্য করা। আমরা বর্তমানে আমাদের পণ্যের একটি বড় অংশ দেশেই উৎপাদন করছি এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করছি, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
“তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অন্যান্য নেতিবাচক প্রভাব থেকে দূরে রাখতে এবং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত কাজ ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই আমরা চাই, দেশের আরও বেশি তরুণ খেলাধুলা ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হোক।”
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারি’র বিজনেস হেড সিরাজুল গনি মঞ্জু, হেড অব সেলস কামাল হোসেন, ব্র্যান্ড ম্যানেজার আসিফ আবদুল্লাহ।
ভ্রমণ, সংস্কৃতি ও রন্ধনশিল্পের সমন্বয়ে অতিথিদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করতে বরাবরই কাজ করে যাচ্ছে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেল। সেই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর আতিথেয়তা ও রন্ধনশিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করতে আগামী ৯ জুলাই থেকে হোটেলটির অল-ডে ডাইনিং রেস্টুরেন্ট ‘বাহার’-এ শুরু হচ্ছে ‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমৃদ্ধ খাদ্য ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই বিশেষ উৎসব চলবে আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত।
আয়োজকরা জানান, রেনেসন্স হোটেলের মূল দর্শনই হলো অতিথিদের জন্য এমন অভিজ্ঞতা তৈরি করা। যা ভ্রমণ, সংস্কৃতি ও মানুষের মধ্যে নতুন সংযোগের অনুপ্রেরণা জোগায়। শুধু খাবার পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাদকে অতিথিদের সামনে তুলে ধরতে নিয়মিতভাবে নানা থিমভিত্তিক ডাইনিং আয়োজন করে থাকে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান। এভাবেই হোটেলটি রাজধানীর অন্যতম প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল গন্তব্য হিসেবে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে।
‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বিভিন্ন আসিয়ান দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতিতে ফিতা কাটার মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম প্রতিনিধি, ইনফ্লুয়েন্সার এবং ফুড ব্লগাররাও অংশ নেবেন।
হোটেলটির অল-ডে ডাইনিং রেস্টুরেন্ট ‘বাহার’ ইতোমধ্যে নান্দনিক পরিবেশ, আধুনিক নকশা এবং সৃজনশীল থিমভিত্তিক আয়োজনের জন্য ভোজনরসিকদের কাছে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রেস্টুরেন্টটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন দেশের খাদ্যসংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে পরিবেশ, সাজসজ্জা, লাইভ কুকিং স্টেশন এবং মেনুতে নতুনত্ব নিয়ে আসে। প্রতিটি আয়োজন এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়, যাতে অতিথিরা শুধু খাবারের স্বাদই নয়, সেই দেশের সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার আবহও অনুভব করতে পারেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৈচিত্র্যময় রন্ধন ঐতিহ্যকে সামনে রেখে এবার সাজানো হয়েছে বিশেষ এই বুফে। থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়া, লাওস, মিয়ানমার ও ব্রুনেইর জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ মেনু।
মেনুতে থাকছে ফ্লেভারসমৃদ্ধ স্যুপ, বিভিন্ন ধরনের সালাদ, লাইভ সাতে ও সি-ফুড গ্রিল, সিগনেচার কারি, নুডলস ও রাইস স্পেশালিটি, জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড, ঐতিহ্যবাহী ডেজার্ট এবং ট্রপিক্যাল পানীয়। রেনেসন্সের অভিজ্ঞ শেফদের পরিবেশনায় প্রতিটি পদে ফুটে উঠবে আসিয়ান অঞ্চলের স্বকীয়তা, ঐতিহ্য এবং আতিথেয়তার উষ্ণতা।
আগামী ৯ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার এই বিশেষ আয়োজন উপভোগ করা যাবে। জনপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯৫০ টাকা (নেট)। এছাড়া নির্বাচিত ব্যাংকের কার্ডধারী, জিপি স্টার, বাংলালিংক অরেঞ্জ ক্লাব, রবি এলিট সদস্য এবং গ্রুপ বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়ের সুবিধা থাকছে।
বিস্তারিত তথ্য ও টেবিল বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করা যাবে +৮৮০ ১৭০ ৪১১ ২৬৪৬ এবং +৮৮০ ১৭০ ৪১১ ২৬৪৮ নম্বরে।
আয়োজকদের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রন্ধনশৈলী ও সংস্কৃতিকে এক ছাদের নিচে অতিথিদের সামনে তুলে ধরার যে অঙ্গীকার রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেল ধারণ করে, ‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’ তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। এই আয়োজনের মাধ্যমে রাজধানীর ভোজনরসিকরা শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৈচিত্র্যময় খাবারের স্বাদই পাবেন না, একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং আন্তরিক আতিথেয়তারও অনন্য অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।