চাঁদপুরের মতলবে নতুন আঙ্গিকে দেশীয় ইলেকট্রনিকস কোম্পানি মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের মেগা শো-রুম উদ্বোধন করা হয়েছে ৷ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শো-রুমটির উদ্বোধন করেন মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মো. সামসুদ্দোহা শিমুল। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের ব্যবসায়িক পার্টনার এস এম সেলিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের ডিরেক্টর (শো-রুম) মাহমুদুর রহমান খান, সূর্যমুখী কচিকাঁচা মেলার পরিচালক মাকসুদুল হক বাবলু, চাঁদপুর মতলবের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান খান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক নেতা, গণমাধ্যমকর্মীসহ অন্য বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মো. সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, ‘উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশেই বিশ্বমানের ইলেকট্রনিকস পণ্য তৈরি করছে মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপ। এসব পণ্য সুলভ মূল্যে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি। আমরা দেশের প্রতিটি প্রান্তে আমাদের পণ্য পৌঁছে দিতে অবিরাম কাজ করে চলেছি। তারই ধারাবাহিকতায় দেশি পণ্যের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করার অঙ্গীকার নিয়ে চাঁদপুরের মতলবে মানুষের সামনে নতুন আঙ্গিকে আরও বড় পরিসরে হাজির হয়েছি ৷ আশা করছি, আমরা চাঁদপুরের মতলবের সর্বস্তরের ক্রেতা-সাধারণের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবো। আমরা অচিরেই দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে ইলেকট্রনিকস পণ্য রপ্তানি করব বলে আশা প্রকাশ করছি’। উদ্বোধন উপলক্ষে ক্রেতা সাধারণের জন্য বিশেষ ছাড় ও অফার ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
ঢাকার সাঁতারকুলে সান ভ্যালি আবাসনের নাটমেগ ফিল্ডে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ‘অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’। ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) এবং নাটমেগের যৌথ আয়োজনে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টটি দেশের কর্পোরেট ফুটবলের অন্যতম বড় আসর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। গত ২৪ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই ক্রীড়া মহাযজ্ঞের বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কর্পোরেট জগতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর উপস্থিতিতে এক অনন্য ফুটবল উন্মাদনা তৈরি হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম।
অনুষ্ঠানে সিঙ্গার বাংলাদেশের এমডি ও সিইও এম এইচ এম ফাইরোজ, এসটিএস ক্যাপিটালের সিইও মানাস সিং, এ অ্যান্ড ই-র গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ক্রিস অল্ট, অ্যাক্সেনটেকের এমডি ও সিইও মো. আদিল হোসেন এবং এফআইসিসিআই-এর নির্বাহী পরিচালক টিআইএম নুরুল কবির উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে কর্পোরেট পর্যায়ে ফুটবল প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে দলগত কাজ, নেতৃত্ব এবং কর্পোরেট সংহতি বৃদ্ধির সুফল তুলে ধরেন। দেশের ক্রমবর্ধমান ফুটবল সংস্কৃতিতে এই টুর্নামেন্টটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এবারের আসরে দেশের ২০টি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফুডপান্ডা বাংলাদেশ ৪-০ গোলে সিঙ্গার বাংলাদেশকে পরাজিত করে দাপুটে শুভসূচনা করেছে। দিনের অন্যান্য খেলায় আমেরিকান অ্যান্ড এফার্ড বাংলাদেশ ২-১ গোলে এসটিএস গ্রুপকে হারায় এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ৩-০ গোলের জয় পায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বিপক্ষে। এছাড়া অন্য একটি ম্যাচে রবি আজিয়াটা পিএলসি ২-০ গোলে নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি-কে পরাজিত করে মাঠের উত্তেজনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
টুর্নামেন্টটিতে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে পাশে রয়েছে টেক জায়ান্ট অ্যাক্সেনটেক। এছাড়াও সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে সিঙ্গার-বেকো, বেভারেজ পার্টনার হিসেবে স্প্রাইট মিন্ট, পিআর পার্টনার ব্যাকপেজ পিআর এবং এয়ারলাইন পার্টনার হিসেবে নভোএয়ার এই আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই দীর্ঘ ক্রীড়া আসরে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত ১৬টি ম্যাচ দিনে মোট ৫০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টটি গ্রুপ পর্ব ও নকআউট ফরম্যাটে সাজানো হয়েছে, যেখানে কাপ ও প্লেট—উভয় সেগমেন্টে দলগুলো শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে লড়বে।
সাধারণ দর্শকদের জন্য টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচারের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নাটমেগ ঢাকা এবং এফআইসিসিআই-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ম্যাচগুলো সরাসরি দেখা যাবে, যার ফলে অনলাইন দর্শকরাও এই ফুটবল উন্মাদনায় শামিল হতে পারছেন। উদ্বোধনী দিনের ব্যাপক সাফল্য এবং অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্দীপনা দেখে আয়োজকরা আশা করছেন যে, এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ কর্পোরেট সংহতি ও সুস্থ বিনোদনের একটি অনন্য সফল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে।
জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো দেশের বিনোদন জগতের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর ‘মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০২৫’। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই উৎসবটি ছিল পুরস্কারের ২৭তম আসর। চলচ্চিত্র, টেলিভিশন এবং সংগীত অঙ্গনের একঝাঁক তারকার উপস্থিতিতে এই সন্ধ্যাটি বিনোদনপ্রেমীদের জন্য এক রঙিন উৎসবে পরিণত হয়। মেরিল এবং জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর এই যৌথ উদ্যোগ গত আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
অনুষ্ঠানে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ তাঁর বক্তব্যে দেশীয় সংস্কৃতির সৃজনশীল মানুষদের সম্মান জানানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই আয়োজনটি স্রেফ পুরস্কার প্রদান নয়, বরং শিল্পীদের কাজের স্বীকৃতি দিয়ে শিল্পকলা ও বিনোদন অঙ্গনের বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করা। দর্শকদের ভোটে এবং বিচারকদের মূল্যায়নে এ বছর জনপ্রিয় ও সমালোচক বিভাগে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিল্পী মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে মেরিল ও প্রথম আলোর এই দীর্ঘ পথচলার প্রশংসা করেন উপস্থিত অতিথিরা।
এবারের আসরে জনপ্রিয় ক্যাটাগরিতে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন আফরান নিশো এবং সেরা অভিনেত্রীর স্বীকৃতি পেয়েছেন তমা মির্জা। পাশাপাশি সেরা নবীন অভিনয়শিল্পী হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন শাম্মি ইসলাম নীলা। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় তারকা জুটি আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী। তাঁদের বুদ্ধিদীপ্ত ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনা পুরো আসরে নতুন মাত্রা যোগ করে। শিল্পীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার সময় সম্মেলন কেন্দ্রে উপস্থিত দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ।
সন্ধ্যার সবচেয়ে আবেগঘন ও মর্যাদাপূর্ণ মুহূর্ত ছিল আজীবন সম্মাননা প্রদান পর্ব। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের বরেণ্য অভিনেতা এম. এ. আলমগীরকে এ বছর আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী এবং প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। এছাড়া সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড সংগীতশিল্পী মাহফুজ আনাম জেমসকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। বরেণ্য এই শিল্পীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে মঞ্চে দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন উপস্থিত সকলে।
পুরস্কার বিতরণের পাশাপাশি এই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জনপ্রিয় তারকাদের চোখধাঁধানো সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। নাচে-গানে ভরপুর এই অনুষ্ঠানটি আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য ছিল এক মনোজ্ঞ আয়োজন। ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করা এই প্ল্যাটফর্মটি বর্তমানে দেশের বিনোদন অঙ্গনের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ও মর্যাদাপূর্ণ আসর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সৃজনশীল মানুষদের এই স্বীকৃতি ও সম্মাননা দেশীয় বিনোদন শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে এবং নতুন প্রতিভাদের অনুপ্রাণিত করতে অনন্য ভূমিকা রাখছে।
গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে চলতি বছর দেশব্যাপী দেড়-শতাধিক এটিএম বুথ স্থাপন করছে আইএফআইসি ব্যাংক। বছরজুড়ে গৃহীত এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাজধানীর আইএফআইসি টাওয়ারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব মো. মেহমুদ হোসেন ভার্চুয়ালি একযোগে ৮টি নতুন এটিএম বুথ উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বরিশাল, পটুয়াখালী, টাঙ্গাইল ও নরসিংদী জেলার এটিএম বুথগুলোতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উদ্বোধন করা হয়। গ্রাহক পরিষেবা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আইএফআইসি ব্যাংক এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে সারাদেশে ১৪০০-এর অধিক শাখা ও উপশাখা নিয়ে আইএফআইসি ব্যাংক দেশের বৃহত্তম ব্যাংকিং নেটওয়ার্কগুলোর একটি হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।
জনতা ব্যাংক পিএলসি ২০২৫ সালে রেমিট্যান্স সংগ্রহে দেশ সেরা ১০ ব্যাংকের স্বীকৃতি পেয়ে টপ টেন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে। সম্প্রতি রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর এনআরবি’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজ ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক । সেন্টার ফর এনআরবি’র চেয়ারপার্সন এম. এস. সেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন । জনতা ব্যাংকের পক্ষে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন ব্যাংকের ফরেন রেমিট্যান্স ডিপার্টমেন্টের উপ-মহাব্যবস্থাপক ছাবিকুন নাহার ।
সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি তাদের ভিসা ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য ‘গুগল পে’ (Google Pay) সেবা চালু করেছে। এর ফলে গ্রাহকরা এখন থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে দেশ-বিদেশে দ্রুত, নিরাপদ ও কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট করতে পারবেন।
এই সেবার মাধ্যমে সাউথইস্ট ব্যাংকের ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীরা সহজেই তাদের কার্ড গুগল ওয়ালেটে সংযুক্ত করতে পারবেন এবং বিশ্বব্যাপী মার্চেন্ট পয়েন্টে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন। এর ফলে ফিজিক্যাল বা প্লাস্টিক কার্ড বহনের প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে এবং দৈনন্দিন লেনদেনে সহজতা, নমনীয়তা ও নির্বিঘ্ন অভিজ্ঞতা বাড়বে—যা পিওএস (POS) মেশিন ও অনলাইন উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
‘গুগল পে’ উন্নত নিরাপত্তা প্রযুক্তি যেমন এনক্রিপশন ও টোকেনাইজেশন ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে গ্রাহকের প্রকৃত কার্ডের তথ্য মার্চেন্টদের কাছে প্রকাশ পায় না। ফলে প্রতিটি লেনদেন হয় অধিক সুরক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য। এই উদ্যোগ সাউথইস্ট ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ, গ্রাহকসেবা উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করার প্রতিশ্রুতিরই বহিঃপ্রকাশ।
সেবাটির উদ্বোধন উপলক্ষে সাউথইস্ট ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় বিভিন্ন অফার ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘সাইন-আপ রিওয়ার্ড’, ‘গুগল পে’-তে প্রথম লেনদেনে ১০% ক্যাশব্যাক এবং ‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইন।
সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গুগল পে’ সেবার উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খালিদ মাহমুদ খান এবং ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবিদুর রহমান চৌধুরী ও মো. মাহবুব আলমসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
২০২৬ সালে ভর্তি হওয়া ষষ্ঠ শ্রেণি (স্কুল ও মাদ্রাসা) এবং ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ ও আলিম প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ-এর নম্বরে উপবৃত্তির টাকা পেতে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগেও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তির টাকা শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে নগদ।
নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য নিবন্ধনের জন্য এই লিংকে গিয়ে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর মেন্যুতে গিয়ে ‘প্রাথমিক নির্বাচন’ অপশনে চাপ দিয়ে ‘নতুন শিক্ষার্থী এন্ট্রি’ অপশনে চাপ দিতে হবে। এরপর এন্ট্রি ফরমে শিক্ষার্থীর তথ্য, ঠিকানা ও আর্থসামাজিক তথ্য এন্ট্রি করে তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করে তা সংরক্ষণ করতে হবে। আগামী ৭ মে পর্যন্ত এই নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান থাকবে।
নগদে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে পিতা/মাতার মধ্যে যাঁকে অভিভাবক হিসেবে নির্বাচন করা হবে, তাঁর এনআইডি দিয়ে সংশ্লিষ্ট সিম রেজিস্ট্রেশন ও অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টধারীর নাম হিসেবে শিক্ষার্থীর পিতা/মাতার নাম থাকবে।
এ বিষয়ে নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও উপবৃত্তির টাকা অত্যন্ত সফলভাবে বিতরণ করে আসছে নগদ। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তির টাকা গ্রহণেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পছন্দের শীর্ষে থাকবে নগদ।’
তিনি বলেন, সহজে সবখানে সেবা পাওয়ায় নগদ এখন মানুষের কাছে একটি আস্থার নাম।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সরকার ৯ হাজার কোটি টাকার সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা নগদের মাধ্যমে বিতরণ করে। চলতি অর্থবছরে এই অঙ্ক আরও অনেক বড় হবে। সহজে যেকোনো জায়গায় নগদের ক্যাশ আউট করার সুবিধা ও সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জের জন্য শুরু থেকেই ভাতাভোগীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে নগদ।
প্রথাগত ব্যাংকিং পদ্ধতির ঝামেলা এড়িয়ে ঘরে বসেই সঞ্চয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে সাধারণ মানুষের। দেশের শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ-এর মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ডিপিএস খোলার হার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ৬০ লাখের বেশি গ্রাহক বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ডিপিএস বা সঞ্চয় হিসাব খুলেছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই সঞ্চয়কারীদের মধ্যে ৩৪ শতাংশই নারী।
সঞ্চয়কারীদের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে বিকাশ জানিয়েছে, ডিপিএস খোলা মোট গ্রাহকদের ৪৮ শতাংশের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। অর্থাৎ, তরুণ প্রজন্ম তাদের সীমিত আয় থেকে সঞ্চয় করার ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতিকে বেছে নিচ্ছে। মূলত ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, চিকিৎসা, ব্যবসার মূলধন সংগ্রহ, গৃহস্থালি পণ্য কেনা, শিক্ষা বা ভ্রমণের মতো বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে গ্রাহকেরা এই অর্থ সঞ্চয় করছেন। এমনকি ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যেও অনেকে টাকা জমাচ্ছেন।
২০২১ সালে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের মাধ্যমে এই সেবা শুরু হলেও বর্তমানে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং সিটি ব্যাংক। গ্রাহকেরা সাধারণ সুদভিত্তিক ডিপিএসের পাশাপাশি সিটি ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংকের মাধ্যমে ইসলামি শরিয়াহ্ মোতাবেক ‘ইসলামিক ডিপিএস’ খোলার সুযোগ পাচ্ছেন। বর্তমানে সঞ্চয়ের মেয়াদ ও পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সুদের হার বা মুনাফা সাড়ে ৮ শতাংশ থেকে পৌনে ১০ শতাংশ পর্যন্ত মিলছে।
বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে বর্তমানে সাপ্তাহিক ও মাসিক—উভয় পদ্ধতিতে সঞ্চয় করা যায়। সাপ্তাহিক ডিপিএসে প্রতি সপ্তাহে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জমা করা সম্ভব, যার মেয়াদ ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত। অন্যদিকে, মাসিক ডিপিএসে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জমানোর সুযোগ রয়েছে, যার মেয়াদ ৬ মাস থেকে ৪ বছর পর্যন্ত হতে পারে।
ডিপিএস খোলার প্রক্রিয়া:
বিকাশ অ্যাপের ‘সঞ্চয়’ বা ‘সেভিংস’ অপশন থেকে সহজেই এই হিসাব খোলা যায়। প্রথমেই গ্রাহককে সাধারণ ডিপিএস নাকি ইসলামিক ডিপিএস খুলবেন, তা বাছাই করতে হয়। এরপর সাপ্তাহিক বা মাসিক কিস্তি, সময়সীমা এবং পছন্দের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে হয়। শেষে নমিনির ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য প্রদান করলেই হিসাবটি চূড়ান্ত হয়ে যায়। সফলভাবে হিসাব খোলা হলে গ্রাহকের মোবাইলে নিশ্চিতকরণ বার্তা বা এসএমএস পাঠানো হয়।
এই পদ্ধতিতে সঞ্চয় করার জন্য কোনো নথিপত্র নিয়ে সশরীরে ব্যাংকে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। এছাড়া সঞ্চয়ের বিবরণী অ্যাপ থেকেই দেখা যায় এবং এই ডিপিএস থেকে সরকার নির্ধারিত করছাড় সুবিধাও পাওয়া যায়। তবে নিয়ম অনুযায়ী, হিসাবটি চালুর পর প্রথম ৩ মাস পূর্ণ হওয়ার আগে তা বাতিল করা যায় না। ৩ মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর গ্রাহক চাইলে যেকোনো সময় হিসাব বন্ধের আবেদন করতে পারেন।
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কার্ডহোল্ডারদের বিশেষ সুবিধা দিতে অ্যাসসেন্ট হেলথ লিমিটেড-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। সম্প্রতি গুলশান এভিনিউয়ে প্রাইম অ্যাসপায়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান দুটি এ সম্পর্কিত চুক্তি স্বাক্ষর করে।
এই অংশীদারিত্বের আওতায় প্রাইম ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কার্ডহোল্ডাররা অ্যাসসেন্ট হেলথ থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় আকর্ষণীয় ও বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম. নাজিম এ. চৌধুরী এবং অ্যাসসেন্ট হেলথ লিমিটেড-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ডা. আনোয়ারুল ইকবাল। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক মামুর আহমেদ; অ্যাসসেন্ট গ্রুপ-এর ডিরেক্টর আমের আহমেদ; অ্যাসসেন্ট হেলথ লিমিটেড-এর চিফ অপারেটিং অফিসার রোনাল্ড মিকি, এফসিপিএ, এফসিএমএ (ইউকে); সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কার্ডহোল্ডারদের লাইফস্টাইল ভিত্তিক মানসম্পন্ন সেবা ও আর্থিক সমাধান প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা তাদের স্বপ্নপূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল বিদ্যা সিনহা সাহা মিমকে ‘ছুটি রিসোর্ট’-এর অফিশিয়াল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পূর্বাচলে অবস্থিত ছুটি রিসোর্টে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে উভয় পক্ষের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছুটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মোস্তফা মাহমুদ আরিফী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলমগীর ফেরদৌস, ছুটি রিসোর্ট পুবাইল ও ছুটি ফরেস্ট ইগল রিসোর্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. শামসুল ইসলাম মাসুম এবং ছুটি বিচ রিসোর্ট, জালানানাথ টি রিসোর্ট ও জালানানাথ হাইওয়ে ভিলেজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোস্তফা কামাল। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট মোস্তফা মাহমুদ আরিফী বলেন, “বিদ্যা সিনহা সাহা মিমকে আমাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তাঁর ব্যক্তিত্ব, জনপ্রিয়তা এবং ভক্তদের সাথে তাঁর গভীর যোগাযোগ ছুটি গ্রুপের মূল্যবোধ ও লক্ষ্যকে আরও শক্তিশালীভাবে উপস্থাপন করবে।” এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ছুটি গ্রুপ তাদের ব্র্যান্ড পরিচিতি বাড়ানোর পাশাপাশি পর্যটন, বিনোদন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্পৃক্ততা বাড়াতে চায়।
বর্তমানে ছুটি গ্রুপের অধীনে গাজীপুর, পূর্বাচল, পুবাইল এবং সিলেটের কমলগঞ্জে ‘ছুটি ফরেস্ট ইগল রিসোর্ট’ চালু রয়েছে। এছাড়া গ্রুপটি বেশ কিছু নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে ‘ছুটি বিচ রিসোর্ট’, পূর্বাচলে পাঁচ তারকা হোটেল ‘ছুটি হারমনি’, পুবাইলে ‘ছুটি সিগনেচার’, শ্রীমঙ্গলে ‘জালানানাথ টি রিসোর্ট’, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে ‘জালানানাথ হাইওয়ে ভিলেজ’ এবং গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে ‘ছুটি ভ্যালি’।
নতুন দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যা সিনহা সাহা মিম বলেন, “ছুটি গ্রুপের সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত। বাংলাদেশের পর্যটন খাতে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতি, আতিথেয়তা ও অর্থবহ ভ্রমণ অভিজ্ঞতা—এই তিনের সমন্বয়ে তাঁরা যে কাজ করছেন, তার অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত।”
গত ১৪ বছর ধরে ছুটি গ্রুপ বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতে সফলতার সাথে কাজ করে আসছে। প্রকৃতি-নির্ভর, নিরাপদ ও টেকসই রিসোর্ট অভিজ্ঞতা প্রদান করাই এই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। এই নতুন অংশীদারিত্ব দেশের ক্রমবর্ধমান লাইফস্টাইল ও পর্যটন খাতে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী ‘এএমএস গ্লোবাল ফার্স্ট রেগুলার ইনকাম ফান্ড’-এর সিকিউরিটিজ লেনদেন পরিচালনার লক্ষ্যে একটি ত্রি-পক্ষীয় ট্রেডিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)-এর প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে এই চুক্তি সই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে কাস্টডিয়ান হিসেবে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে এএমএস গ্লোবাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং ব্রোকারেজ হাউস হিসেবে ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের মধ্যে।
আইসিবি’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নূরুল হুদা-এর উপস্থিতিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন আইসিবির কাস্টডিয়ান ডিপার্টমেন্টের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আইরিন পারভীন বিনতে ফারুক, এএমএস গ্লোবাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের সিইও মুহাম্মদ আসমত আলী দরি এবং ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রহমত পাশা।
এই চুক্তির মাধ্যমে বিধিমালা অনুযায়ী ফান্ডের সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় ও লেনদেন প্রক্রিয়া আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাটা গ্রুপের গ্লোবাল সিইও, পানোস মাইটারোস তার প্রথম বাংলাদেশ সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী, তারেক রহমান -এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং সাথে ছিলেন বাটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ফারিয়া ইয়াসমিন। এ সময় তাঁদের মধ্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গঠনমূলক ও কার্যকরী আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাটা বাংলাদেশ ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি ও শিল্পখাতে বাটা’র দীর্ঘদিনের অবদানের প্রশংসা করেন এবং রপ্তানি সম্ভাবনা আরও সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটিকে উৎসাহিত করেন। তিনি বাটা’র অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও সহায়তা করার কথা জানান।
বাটা’র গ্লোবাল সিইও, প্যানোস মাইটারোস বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, ফুটওয়্যার শিল্পের বিকাশ এবং এইখাতে বাটা’র ভূমিকা নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশে চলমান ও ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্পোন্নয়নে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় বাটা’র সামাজিক উদ্যোগও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে ‘বাটা চিলড্রেনস প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে শিশুদের জন্য গৃহীত কার্যক্রম এবং দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাটা বাংলাদেশ-এর অর্থ পরিচালক, ইলিয়াস আহমেদ এবং মানবসম্পদ পরিচালক, মালিক মেহেদী কবির।
বাটা বাংলাদেশ জানায়, প্রতিষ্ঠানটি দেশের মানুষের জন্য বিশ্বমানের কমফোর্ট প্রযুক্তি, ইনোভেটিভ ও সাশ্রয়ী পণ্যসামগ্রী নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত সময়, সহযোগিতা ও উৎসাহের জন্য বাটা কর্তৃপক্ষ আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশের অটোমোবাইল খাতের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান র্যানকন অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ২৫ শতাংশ অংশীদারত্ব কিনে নিয়েছে জাপানের বিশ্বখ্যাত মিতসুবিশি কর্পোরেশন। স্থানীয়ভাবে গাড়ি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই কৌশলগত বিনিয়োগ করা হয়েছে। এতদিন র্যানকন জাপানি এই প্রতিষ্ঠানের হয়ে দেশে গাড়ি সংযোজন করলেও, এখন থেকে মিতসুবিশি সরাসরি মালিকানায় যুক্ত হলো। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের চার চাকার পরিবহন খাতে এটিই এখন পর্যন্ত জাপানের সবচেয়ে বড় প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বা এফডিআই। এই অংশীদারত্বের মূল লক্ষ্য হলো উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থা সুসংহত করা এবং দেশীয় গ্রাহকদের উন্নত সেবা প্রদান করা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বিনিয়োগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “এই চুক্তি বর্তমান সরকারের অধীনে প্রথম বড় ধরনের প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ, যা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেবে। মিতসুবিশি করপোরেশনর আগমন অন্যান্য বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদেরও বাংলাদেশে আসতে উৎসাহিত করবে। র্যানকন অটো ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব দেশের অটোমোবাইল শিল্পে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল, যার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো স্থানীয়ভাবে গাড়ি উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করা র্যানকন অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড দীর্ঘ সময় ধরে আন্তর্জাতিক মানের যানবাহন উৎপাদন ও অ্যাসেম্বলি করে আসছে। সরকারি উৎপাদন নীতিমালার ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের জুন মাস থেকে প্রতিষ্ঠানটি মিতসুবিশির জনপ্রিয় 'এক্সপ্যান্ডার' মডেলের স্থানীয় উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ শুরু করে, যা বর্তমানে দেশের বাজারে সর্বাধিক বিক্রিত ফ্যামিলি এসইউভি। মিতসুবিশি কর্পোরেশনের এই নতুন কৌশলগত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয়, বিপণন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং সাপ্লাই চেইন শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
মিতসুবিশি কর্পোরেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডিভিশন সিওও হিরোয়ুকি এগামি অনুষ্ঠানে জানান যে, বিশ্বজুড়ে অটোমোটিভ খাতে তাদের অর্জিত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা র্যানকনের সাথে এই অংশীদারিত্ব স্থাপনে বড় ভূমিকা রেখেছে। অন্যদিকে, র্যানকন হোল্ডিংস লিমিটেডের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর রোমো রউফ চৌধুরী বলেন, “মিতসুবিশি কর্পোরেশনের বৈশ্বিক দক্ষতা এবং র্যানকনের স্থানীয় বাজার সম্পর্কে গভীর ধারণা – বাংলাদেশের অটোমোটিভ শিল্পকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের অটোমোটিভ খাতে এমন কৌশলগত যৌথ উদ্যোগ এটিই প্রথম, যা বাংলাদেশ-জাপান বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে আমার বিশ্বাস।”
এই অংশীদারত্বের ফলে দেশে জাপানি আধুনিক প্রযুক্তির হস্তান্তর ঘটবে এবং একটি দক্ষ কারিগরি জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এর ফলে গ্রাহকরা যেমন সাশ্রয়ী মূল্যে খুচরা যন্ত্রাংশ পাবেন, তেমনি উন্নত বিক্রয়-পরবর্তী সেবা নিশ্চিত হবে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে ভ্যাট ও করের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয়েও বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইডা শিনিচিসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে ‘স্পেন্ড ক্যাম্পেইন’ নামে নতুন একটি প্রচারণা শুরু করেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ (এসসিবি) ও ভিসা। ভিসা ও এসসিবির যৌথ এই উদ্যোগে বাংলাদেশের গ্রাহকেরা সহজে বিশ্বমানের ক্রীড়া অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এসসিবি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এই প্রচারণার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এসসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নাসের এজাজ বিজয়, হেড অব ওয়েলথ অ্যান্ড রিটেইল ব্যাংকিং লুৎফুল হাবিব ও হেড অব প্রায়োরিটি অ্যান্ড ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট ফয়সাল হক। আর ভিসার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ ও জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক তাসনুভা আয়েশা হক। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ক্যাম্পেইনের আওতায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের ভিসা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে দৈনন্দিন কেনাকাটা বা বিল পরিশোধ করলেই গ্রাহকেরা পাচ্ছেন আকর্ষণীয় পুরস্কার ও গ্লোবাল রিওয়ার্ডস। তা ছাড়া দুইজন গ্রাহক পাবেন সরাসরি মাঠে বসে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ দেখার সুযোগ। এ ছাড়া ফিফার অফিশিয়াল জার্সি ও পণ্যসহ বিভিন্ন লাইফস্টাইল পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা।