বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
১০ বৈশাখ ১৪৩৩

দুই নতুন স্কিম চালু করল জনতা ব‌্যাংক

করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত
করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪ ১৪:০৯

সব শ্রেণিপেশার গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে আমানতের আকর্ষণীয় দুটি নতুন স্কিম চালু করেছে জনতা ব‌্যাংক পিএলসি। গতকাল সোমবার জনতা ব‌্যাংকের এমডি অ্যান্ড সিইও মো. আব্দুল জব্বার ‘জনতা ব‌্যাংক স্মার্ট অ্যাকাউন্ট’ এবং ‘জেবি আমার সঞ্চয় আমার মুনাফা স্কিম’ এই দুটি স্কিম উদ্বোধন করেন।

এ সময় ব‌্যাংকের ডিএমডি ও সিএফও মো. নুরুল আলম, প্রধান কার্যালয়ের আইসিটিডি জিএম মো. নুরুল ইসলাম মজুমদার, ট্রেজারি ও ফরেন ট্রেড ডিভিশনের জিএম মিজানুর রহমান, বিডিএম ও ল’ ডিভিশনের জিএম প্রতিভা রানী সরকার ও জনতা ভবন করপোরেট শাখার জিএম মো. আশরাফুল আলমসহ ঊর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জনতা ব‌্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, দুই হাজার টাকা প্রাথমিকভাবে জমা করে জনতা ব‌্যাংক স্মার্ট অ্যাকাউন্টে হিসাব খোলা যায়। এ হিসাবে যেকোনো দিন যেকোনো পরিমাণ টাকা জমা করা যাবে। কোনো মাসে টাকা জমা না হলেও অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া বা মুনাফা কর্তনের ঝুঁকি নেই। প্রতি তিন মাস পর মুনাফার হিসাবায়ন করা হয়। এ হিসাবে সাধারণ এফডিআর হারের চেয়েও অধিক হারে মুনাফা দেওয়া হয়। এ ছাড়া অন‌্য স্কিমে গ্রাহকরা ১ লাখ বা এর গুণিতক যেকোনো পরিমাণ টাকা জমা রেখে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট হারে মুনাফা উত্তোলন করতে পারবেন। তিন বছর মেয়াদে ১ লাখ টাকা বিনিয়োগে প্রতি মাসে ৬৬৭ টাকা এবং পাঁচ বছর মেয়াদে ১ লাখ টাকা বিনিয়োগে মাস শেষে ৬৮৮ টাকা মুনাফা পাওয়া যায়। এই দুটি স্কিমের আমানতের বিপরীতে ঋণ উত্তোলনের সুবিধা আছে। এ ছাড়া অনলাইনে জনতা ব‌্যাংকের যেকোনো শাখায় বা ই-জনতা মোবাইল অ‌্যাপসের মাধ‌্যমে ঘরে বসেই টাকা জমা করা যায়। এসব হিসাবের ত্রৈমাসিক হিসাব বিবরণী বিনা খরচে গ্রাহককে দেওয়া হয়।

বিষয়:

স্থানীয় উৎপাদন জোরদারে র‍্যানকনের ২৫% অংশীদারত্ব কিনে নিচ্ছে মিতসুবিশি কর্পোরেশন

আপডেটেড ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের অটোমোবাইল খাতের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান র‍্যানকন অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ২৫ শতাংশ অংশীদারত্ব কিনে নিয়েছে জাপানের বিশ্বখ্যাত মিতসুবিশি কর্পোরেশন। স্থানীয়ভাবে গাড়ি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই কৌশলগত বিনিয়োগ করা হয়েছে। এতদিন র‍্যানকন জাপানি এই প্রতিষ্ঠানের হয়ে দেশে গাড়ি সংযোজন করলেও, এখন থেকে মিতসুবিশি সরাসরি মালিকানায় যুক্ত হলো। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের চার চাকার পরিবহন খাতে এটিই এখন পর্যন্ত জাপানের সবচেয়ে বড় প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বা এফডিআই। এই অংশীদারত্বের মূল লক্ষ্য হলো উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থা সুসংহত করা এবং দেশীয় গ্রাহকদের উন্নত সেবা প্রদান করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বিনিয়োগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “এই চুক্তি বর্তমান সরকারের অধীনে প্রথম বড় ধরনের প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ, যা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেবে। মিতসুবিশি করপোরেশনর আগমন অন্যান্য বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদেরও বাংলাদেশে আসতে উৎসাহিত করবে। র‍্যানকন অটো ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব দেশের অটোমোবাইল শিল্পে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল, যার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো স্থানীয়ভাবে গাড়ি উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করা র‍্যানকন অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড দীর্ঘ সময় ধরে আন্তর্জাতিক মানের যানবাহন উৎপাদন ও অ্যাসেম্বলি করে আসছে। সরকারি উৎপাদন নীতিমালার ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের জুন মাস থেকে প্রতিষ্ঠানটি মিতসুবিশির জনপ্রিয় 'এক্সপ্যান্ডার' মডেলের স্থানীয় উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ শুরু করে, যা বর্তমানে দেশের বাজারে সর্বাধিক বিক্রিত ফ্যামিলি এসইউভি। মিতসুবিশি কর্পোরেশনের এই নতুন কৌশলগত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয়, বিপণন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং সাপ্লাই চেইন শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

মিতসুবিশি কর্পোরেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডিভিশন সিওও হিরোয়ুকি এগামি অনুষ্ঠানে জানান যে, বিশ্বজুড়ে অটোমোটিভ খাতে তাদের অর্জিত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা র‍্যানকনের সাথে এই অংশীদারিত্ব স্থাপনে বড় ভূমিকা রেখেছে। অন্যদিকে, র‍্যানকন হোল্ডিংস লিমিটেডের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর রোমো রউফ চৌধুরী বলেন, “মিতসুবিশি কর্পোরেশনের বৈশ্বিক দক্ষতা এবং র‍্যানকনের স্থানীয় বাজার সম্পর্কে গভীর ধারণা – বাংলাদেশের অটোমোটিভ শিল্পকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের অটোমোটিভ খাতে এমন কৌশলগত যৌথ উদ্যোগ এটিই প্রথম, যা বাংলাদেশ-জাপান বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে আমার বিশ্বাস।”

এই অংশীদারত্বের ফলে দেশে জাপানি আধুনিক প্রযুক্তির হস্তান্তর ঘটবে এবং একটি দক্ষ কারিগরি জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এর ফলে গ্রাহকরা যেমন সাশ্রয়ী মূল্যে খুচরা যন্ত্রাংশ পাবেন, তেমনি উন্নত বিক্রয়-পরবর্তী সেবা নিশ্চিত হবে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে ভ্যাট ও করের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয়েও বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইডা শিনিচিসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


বিশ্বকাপ ঘিরে ‘স্পেন্ড ক্যাম্পেইন’ নামে এসসিবি–ভিসার যৌথ প্রচারণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে ‘স্পেন্ড ক্যাম্পেইন’ নামে নতুন একটি প্রচারণা শুরু করেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ (এসসিবি) ও ভিসা। ভিসা ও এসসিবির যৌথ এই উদ্যোগে বাংলাদেশের গ্রাহকেরা সহজে বিশ্বমানের ক্রীড়া অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এসসিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এই প্রচারণার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এসসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নাসের এজাজ বিজয়, হেড অব ওয়েলথ অ্যান্ড রিটেইল ব্যাংকিং লুৎফুল হাবিব ও হেড অব প্রায়োরিটি অ্যান্ড ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট ফয়সাল হক। আর ভিসার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ ও জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক তাসনুভা আয়েশা হক। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ক্যাম্পেইনের আওতায় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের ভিসা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে দৈনন্দিন কেনাকাটা বা বিল পরিশোধ করলেই গ্রাহকেরা পাচ্ছেন আকর্ষণীয় পুরস্কার ও গ্লোবাল রিওয়ার্ডস। তা ছাড়া দুইজন গ্রাহক পাবেন সরাসরি মাঠে বসে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ দেখার সুযোগ। এ ছাড়া ফিফার অফিশিয়াল জার্সি ও পণ্যসহ বিভিন্ন লাইফস্টাইল পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা।


মধ্যপ্রাচ্যের সব পথে ইউএস-বাংলার বিমান চলাচল স্বাভাবিক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের সব গন্তব্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সূচিতে যে সাময়িক ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছিল, পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তা কাটিয়ে উঠেছে এয়ারলাইনসটি।

বিজ্ঞপ্তিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস জানায়, বর্তমানে দুবাই, শারজা, আবুধাবি, মাস্কাট, দোহা, রিয়াদ ও জেদ্দা পথে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে ২৩ এপ্রিল থেকে ঢাকা-দোহা রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু হচ্ছে। এই রুটে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে এবং একই দিন স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে দোহা থেকে ঢাকার উদ্দেশে ফিরবে।

রুটভিত্তিক পরিচালনায় কিছু বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকা-মাস্কাট রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও মাস্কাট থেকে ছেড়ে আসা ফ্লাইট চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় অবতরণ করছে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে প্রতিদিন দুবাই ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। আবুধাবি পথে সপ্তাহে ছয় দিন (বৃহস্পতিবার ব্যতীত) এবং শারজা পথে সপ্তাহে চার দিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা।

সৌদি আরবের রিয়াদ রুটে সপ্তাহে পাঁচ দিন এবং জেদ্দা রুটে সপ্তাহে তিন দিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে এয়ারলাইনসটি। এতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ পথে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বহরে তিনটি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০সহ মোট ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে।

বর্তমান পথের পাশাপাশি শিগগিরই মদিনা ও দাম্মাম পথে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা আছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের।


স্বাস্থ্য পরীক্ষায় হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিশেষ সুবিধা পাবেন প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

স্বাস্থ্য পরীক্ষায় গ্রাহকদের বিশেষ সুবিধা দিতে হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড, হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এর সঙ্গে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। সম্প্রতি গুলশান এভিনিউয়ে প্রাইম অ্যাসপায়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান দুটি এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক মামুর আহমেদ এবং হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড-এর প্রধান, অধ্যাপক. উ.খ.ফ. খান মজলিশ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর ইভিপি ও হেড অব কনজিউমার অ্যাসেটস অ্যান্ড কার্ডস জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল এবং হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড-এর বিজনেস ডেভলপমেন্ট বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক গ্রাহকদের লাইফস্টাইল ভিত্তিক মানসম্পন্ন সেবা ও আর্থিক সমাধান প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা গ্রাহকদের স্বপ্নপূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।


স্টারলিংক মোবাইলের সঙ্গে অংশীদারিত্বে প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সেবা আনছে বাংলালিংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের প্রথম স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু করতে স্টারলিংক মোবাইলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। স্টারলিংক মোবাইল বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং একমাত্র স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে ডাটা, ভয়েস, ভিডিও ও মেসেজিং সেবা দেওয়া সম্ভব।

নিজেদের ‘পিপল ফার্স্ট’ দর্শন ও দেশের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে বাংলালিংক তাদের নেটওয়ার্কে স্টারলিংকের উন্নত স্যাটেলাইট প্রযুক্তি যুক্ত করছে, যা দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে ডিজিটাল সেবার সঙ্গে যুক্ত থাকা যাবে। বিশেষ করে ‘ডেড জোন’—অর্থাৎ যেখানে সাধারণত মোবাইল নেটওয়ার্ক পৌঁছায় না বা সিগন্যাল দূর্বল থাকে—সেসব তুলনামূলক দুর্গম এলাকাতেও সংযোগ পাওয়া যাবে।

এ উদ্যোগের ফলে নেটওয়ার্ক হবে আরও স্থিতিশীল, ফলে গ্রাহকেরা যোগাযোগের ক্ষেত্রে একদম নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন। দেশের যেখানেই থাকুন না কেন, নেটওয়ার্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা কমে আসবে। আকাশ দেখা যায়—এমন যেকোনো জায়গা থেকেই টেক্সট মেসেজ পাঠানো এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা ও প্রয়োজনীয় যেকোন ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করা যাবে। শুরুতে এসএমএস ও ওটিটি মেসেজিং সুবিধা দিয়ে সেবাটি চালু হবে, পরবর্তীতে ধাপে ধাপে এতে ভয়েস ও ডাটা সেবাও যুক্ত করা হবে।

বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ। এ কারণে পার্বত্য অঞ্চল, নদীবেষ্টিত চর, উপকূলীয় দ্বীপ ও সাগরের অফশোর এলাকাতে প্রচলিত টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো স্থাপন অনেক ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়। বাংলালিংকের দেশজুড়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সঙ্গে স্যাটেলাইট সংযোগ যুক্ত হওয়ায় তুলনামূলকভাবে কম উন্নত বা সেবাবঞ্চিত এলাকাতেও নির্ভরযোগ্যভাবে যোগাযোগ করা সহজ হবে। পাশাপাশি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জরুরি যোগাযোগ সচল রাখতেও স্যাটেলাইটভিত্তিক এ মোবাইল সেবা কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে খুব দ্রুতই দেশে এ সেবা চালু করা হবে ।

বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়োহান বুসে বলেন, “সংযোগ মানে শুধু প্রযুক্তি নয়, সংযোগ মানে মানুষের প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকা। অনন্য ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলাদেশের এখনো কিছু এলাকা প্রচলিত নেটওয়ার্কের বাইরে রয়ে গেছে। স্টারলিংকের স্যাটেলাইটভিত্তিক কাভারেজের মাধ্যমে সেই সীমাবদ্ধতা কমিয়ে দেশের সবচেয়ে দূরবর্তী এলাকাতেও সংযোগ পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”

স্টারলিংক মোবাইলের ভাইস প্রেসিডেন্ট (সেলস) স্টেফানি বেডনারেক বলেন, “বাংলালিংকের সঙ্গে অংশীদারিত্বে স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সংযোগ চালু করতে পেরে আমরা গর্বিত। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের লাখো মানুষ সংযুক্ত থাকতে পারবেন। ভিয়নের সঙ্গে অংশীদারিত্বে তৃতীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশে এই সেবা চালু হচ্ছে, যা সবার জন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগসেবা নিশ্চিত করতে আমাদের দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত ধরে।”

ভিয়নের সেবা চালু রয়েছে—এমন দেশগুলোতে স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সংযোগ আরও বিস্তৃত করতে ভিয়ন ও স্টারলিংকের যৌথ উদ্যোগেরই অংশ এটি। ইউক্রেন ও কাজাখস্তানে সফল বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ হবে ভিয়নের তৃতীয় অপারেটর, যেখানে এই প্রযুক্তি চালু হচ্ছে। ডিজিটাল এই যুগে কেউ যাতে পিছিয়ে না থাকে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলালিংকের সেই প্রচেষ্টা আরও জোরালো হবে।


বাংলালিংকের পৃষ্ঠপোষকতায় শুরু হচ্ছে জব্বারের বলী খেলার ১১৭তম আসর, সরাসরি সম্প্রচার টফিতে

আপডেটেড ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৪
করপোরেট ডেস্ক

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলার ১১৭তম আসরে পৃষ্ঠপোষকতা করবে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। নগরীর লালদীঘির মাঠে আগামী শনিবার (২৫ এপ্রিল) বসবে এই আসর। ঐতিহাসিক এ আয়োজনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে দ্বাদশবারের মতো বলী খেলার পৃষ্ঠপোষকতা করছে বাংলালিংক।

আয়োজনের প্রস্তুতি তুলে ধরে আজ সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন লাইব্রেরিতে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বলী খেলা উপলক্ষে এবারও ২৪, ২৫ ও ২৬ এপ্রিল লালদীঘি ময়দান ও আশপাশে বৈশাখী মেলা হবে।

এ পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে নিজেদের ব্র্যান্ড মূলমন্ত্র ‘কেয়ার’ কে তুলে ধরতে চায় বাংলালিংক। এই অঙ্গীকার কেবল গ্রাহকসেবার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়ে তা সংরক্ষণ ও এগিয়ে নেওয়াও এ প্রচেষ্টার অংশ।

এ বছর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জব্বারের বলী খেলা’র ১১৭তম আসর, যা চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। তরুণদের অনুপ্রাণিত ও সংগঠিত করার লক্ষ্যে ১৯০৯ সালে স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার সওদাগরের হাত ধরে এই প্রতিযোগিতার সূচনা হয়। কালের ধারাবাহিকতায় এ আয়োজন এখন ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। বাংলা বছরের প্রথম মাসে প্রতি বছর এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শতবর্ষের ঐতিহ্য ও মৌলিকত্ব বজায় রেখে স্থানীয়দের পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা নামকরা বলীরা (কুস্তিগীর) এই খেলায় অংশ নেন।

জব্বারের বলী খেলা’র এবারের আসর সরাসরি সম্প্রচার করা হবে দেশের অন্যতম শীর্ষ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম টফিতে। এর মাধ্যমে সারা দেশের দর্শক ঘরে বসেই সরাসরি খেলা উপভোগ করতে পারবেন। এ ধরনের উদ্যোগ বলী খেলার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলোকে সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা আরও জোরদার করছে।

আব্দুল জব্বারের বংশধর ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা এ ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা ও মৌলিকত্ব ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় প্রতি বছর দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন, যা এটিকে একটি প্রাণবন্ত জনসমাগমে রূপ দেয়।

পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বাংলালিংক এবার চট্টগ্রামের গণ্ডি পেরিয়ে জব্বারের বলী খেলাকে সারাদেশের দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে চায়। এতে ঐতিহ্যবাহী এ খেলার প্রসার যেমন বাড়বে, তেমনি বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে এর সংযোগও আরও দৃঢ় হবে।


জনতা ব্যাংক পিএলসি-এর ৮৮২তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪১
করপোরেট ডেস্ক

জনতা ব্যাংক পিএলসির ৮৮১তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় পর্ষদের পরিচালক বদরে মুনির ফেরদৌস, ড. মোঃ আব্দুস সবুর, আব্দুল মজিদ শেখ, আব্দুল আউয়াল সরকার, ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, মোঃ আহসান কবীর, মোঃ কাউসার আলম, অধ্যাপক ড. এ. এ. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান ও মোঃ ফয়েজ আলম উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শ্রেণীকৃত খেলাপি ঋণ আদায়সহ ব্যাংকের অন্যান্য করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।


নবপ্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে এনসিসি ব্যাংকের দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বিশ্ব ধরিত্রি দিবস উপলক্ষে এনসিসি ব্যাংক সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ১৪,০০০-এর বেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে। ‘আপনার সাথে সবুজের পথে’ এই স্লোগানকে উপজীব্য করে সম্প্রতি ঢাকার মোহাম্মদপুরে বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন।

অনুষ্ঠানে বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন, এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, ইভিপি ও হেড অব সাসটেইনেবল অ্যান্ড উইমেন ব্যাংকিং নিঘাত মমতাজ, এসভিপি ও ঢাকা আউটস্কার্ট অঞ্চলের প্রধান মো. জসিম উদ্দিন, ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন সেলের প্রধান মো. আনিসুর রহমান মজুমদার, রিটেইল ব্যাংকিং ইউনিট হেড এস. এম. তানভীর হাসান এবং মোহাম্মদপুর শাখার হেড অব বিজনেস অ্যান্ড ব্রাঞ্চ মো. খায়রুল বাশারসহ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও মোহাম্মদপুর শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং প্রায় ১৫০ জন ছাত্রীর মাঝে চারা বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের ১৪২টি স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণসহ ১৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ব্যাংকিং, আর্থিক সাক্ষরতা এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং বিষয়ে সচেতনতামূলক সেশন পরিচালনা করা হয়।

এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন বলেন, এনসিসি ব্যাংক প্রতি বছরের ন্যায় সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করেছে। পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বাড়ির আঙিনা, বাসার ছাদ কিংবা পতিত জমিতে গাছ লাগিয়ে সবুজের ঘাটতি পূরণ করার পরামর্শ দেন।

তিনি আরও বলেন, এনসিসি ব্যাংক সবসময় পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে অর্থায়নের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে। তিনি স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এনসিসি ব্যাংকের সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও পরিবেশবান্ধব সঞ্চয়ী হিসাব ‘এনসিসি নিউএক্স অ্যাকাউন্ট’-এর সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংকের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ ইলেক্ট্রোমার্টের তিনটি মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম এবং বাংলাদেশ রিটেইল ফোরামের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর তৃতীয় আসর। দেশের খুচরা বিক্রয় বা রিটেইল খাতের বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এবারের আসরে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইলেক্ট্রো মার্ট’ (Electro Mart) তিনটি মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির শ্রেষ্ঠত্ব, উদ্ভাবন এবং গ্রাহক আস্থার প্রতিফলন।

ইলেক্ট্রো মার্ট প্রথম পুরস্কারটি পেয়েছে ‘বেস্ট রিটেইলার (ইলেকট্রনিক্স)’ ক্যাটাগরিতে। গ্রাহকদের কাছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পণ্য ও মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়টি হলো ‘এমার্জিং রিটেইলার অফ দ্য ইয়ার’। শক্তিশালী লক্ষ্য নির্ধারণ, গ্রাহক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখা এবং সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের পণ্য ও সেবা সরবরাহের জন্য ইলেক্ট্রো মার্টকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। তৃতীয় স্বীকৃতিটি হলো ‘মোস্ট অ্যাডমায়ার্ড রিটেইলার’। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে সবচেয়ে প্রশংসিত রিটেইলার হিসেবে গ্রাহকদের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের ফলস্বরূপ এই সম্মাননা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মানসম্মত পণ্য উৎপাদন, নিত্যনতুন উদ্ভাবন এবং বিক্রয়োত্তর সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে ইলেক্ট্রো মার্ট বর্তমানে রিটেইল সেক্টরে একটি অনুকরণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের বিশ্বমানের কনকা, গ্রী ও হাইকো ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স পণ্য এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে এবং গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করছে। ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বস্ততা, সুনাম ও আস্থার সাথে পণ্য সরবরাহ করে আসছে এই গ্রুপটি।

বিগত সময়ে গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও ভোক্তাদের অফুরন্ত ভালোবাসা ও নির্ভরতার কারণেই কনকা, গ্রী ও হাইকো ব্র্যান্ড আজ বাজারের শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। এই প্রতিটি স্বীকৃতিই প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন দায়বদ্ধতা তৈরি করেছে, যা আগামী দিনে আরও দায়িত্বশীল হতে এবং নতুন কর্ম-অনুপ্রেরণা যোগাতে সহায়তা করবে। এই অর্জনে ইলেক্ট্রো মার্ট কর্তৃপক্ষ গ্রাহক ও ভোক্তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।


যেখানে গ্রীষ্ম মানেই আম, সেই রাজশাহীতে ‘অতিথি’র সঙ্গে হোক গল্প

আপডেটেড ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩১
করপোরেট ডেস্ক

তীব্র, ক্লান্তিকর, কখনো কখনো যেন একটু দমবন্ধ, বলছি রাজশাহীতে গ্রীষ্মের কথা। প্রচণ্ড রোদে দিনের ছোট ছোট কাজও যেন হয়ে ওঠে পরিশ্রমসাধ্য। তবুও এই তপ্ত সময়ের মাঝেই আছে এক অটুট আনন্দ, আর তা হলো আম। এই গরমের ভেতরেও আমের উপস্থিতিই যেন রাজশাহীর ঋতুকে সবচেয়ে বেশি মনে রাখার মতো করে তোলে।

আর সেই ঋতুর আসল রূপ দেখাতে ব্র্যাকের পর্যটন বিষয়ক উদ্যোগ ‘অতিথি’ নিয়ে এসেছে রাজশাহী ম্যাঙ্গো অর্চার্ড এক্সপেরিয়েন্স প্যাকেজ। এতে আছে দুই দিন-এক রাতের ভ্রমণ প্যাকেজ, যা আপনাকে নিয়ে যাবে রাজশাহীর বিশেষ সব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কাছে।

ভ্রমণের সূচিতে রয়েছে সবুজ আমবাগানের ভেতর দিয়ে হেঁটে বেড়ানো, বাতাসে ভেসে থাকা মিষ্টি গন্ধে ডুবে যাওয়া, আর গাছ থেকে পেড়ে নেওয়া টাটকা আমের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ। বিশেষ করে যারা শহরে থাকি, এই আয়োজনটি এনে দেয় তাদের জন্য এক বিরল সুযোগ— বাগানেই আম উপভোগ করার।

অতিথির এই বিশেষ প্যাকেজটি শুধু আমবাগানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং রাজশাহীর ইতিহাস ও সংস্কৃতির গভীরতাও তুলে ধরে। ভ্রমণের অংশ হিসেবে আরও থাকছে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ঘুরে দেখা, পদ্মার তীরের শান্ত সৌন্দর্য অনুভব আর স্থানীয় সিল্ক হাউসগুলোয় যাত্রা, যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে আছে সূক্ষ্ম কারুশিল্পের ঐতিহ্য।

গত বছর অতিথির সঙ্গে এই ভ্রমণে অংশ নিয়েছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার এবং জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন জ্যান-রলফ জানোস্কি।

অতিথির ম্যাঙ্গো অর্চার্ড এক্সপেরিয়েন্স রাজশাহীর তীব্র গরমকে ভিন্নভাবে অনুভব করার এক অনন্য উপায়, যেখানে প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর আমের সহজ আনন্দ মিলিয়ে তৈরি হয় এক স্মরণীয় যাত্রা। তাহলে আর অপেক্ষা কীসের? ঘুরে আসুন রাজশাহীর অতিথি হয়ে।

প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন ;

যেকোনো তথ্যের জন্য কল করুন +8809610800700 অথবা WhatsApp করুন +8801332550542 নম্বরে।


পটুয়াখালীতে আইএফআইসি ব্যাংকের দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

সম্পন্ন হলো পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ সম্প্রসারণ বিষয়ক বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল লেনদেনে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম। দেশব্যাপী এই আয়োজনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত দুইদিনব্যাপী কর্মসূচিতে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি লিড ব্যাংক হিসেবে নেতৃত্ব প্রদান করে। আয়োজনের প্রথম দিন (১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার) সকালে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারী অতিথি ও বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা শহর প্রদক্ষিণ করেন। র‌্যালি শেষে পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এর পরিচালক জনাব আ.ন.ম. মঈনুল কবীর এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক জনাব আরিফ হোসেন খান। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আবুল বসার, নির্বাহী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), বরিশাল অফিস, বাংলাদেশ ব্যাংক; জনাব কিশোর রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), পটুয়াখালী; জনাব মো. তামিম নূর ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, পটুয়াখালী এবং জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আইএফআইসি ব্যাংক। সেমিনারে বক্তারা ডিজিটাল লেনদেন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং এ সংক্রান্ত সমষ্টিগত কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

এছাড়া,উক্ত সেমিনার স্থলে বিভিন্ন বুথে অতিথিদের কিউআর (QR) কোড ব্যবহারের মাধ্যমে লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সম্মুখ ধারণা প্রদান করা হয়। একই ধারাবাহিকতায় ২০ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার) পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের মাঝে ক্যাশলেস প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেন প্রক্রিয়া সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করতে দিনব্যাপী বিশেষ সেমিনার ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আয়োজনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।


উপায় গ্রাহকরাও পাবে গার্ডিয়ান লাইফ এর ইন্স্যুরেন্স সুবিধা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

উপায় গ্রাহকদের জন্যে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী ইন্স্যুরেন্স এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সম্প্রতি ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেড (উপায়)-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডে। দেশের তৈরি পোশাক খাতের কর্মীদের পাশাপাশি উপায় ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত এজেন্ট, ডিএসও ও পরিবেশকদের—যাদের অনেকেই এখনো প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক সুরক্ষা সেবার বাইরে—বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় গার্ডিয়ান দিচ্ছে একটি সমন্বিত সুরক্ষা প্যাকেজ, যার মধ্যে থাকছে লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ডিসএবিলটি বা অক্ষমতা ইন্স্যুরেন্স এবং হেল্‌থ ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ। এর পাশাপাশি গ্রাহকরা পাবেন প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা- ২৪ ঘণ্টা টেলি-ডাক্তার পরামর্শ, হাসপাতাল সেবায় ছাড় এবং দুর্ঘটনাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি সংক্রান্ত সুবিধা। পুরো প্যাকেজটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে উপায়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে খুব সহজেই এ সেবা গ্রহণ করা যায়।

চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেন গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ, এবং উপায়ের কর্পোরেট সেলস হেড সাজ্জাদ আলম। অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্স্যুরেন্স সেবা বিস্তারের যাত্রায়, এই অংশীদারিত্ব গার্ডিয়ানের জন্য একটি নতুন ধাপ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গার্ডিয়ানের পক্ষ থেকে আব্দুল হালিম, ইভিপি ও হেড অব মাইক্রো ইন্স্যুরেন্স, ডিজিটাল চ্যানেল এবং এডিসি; মো. নওশাদুল করিম চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট; মো. শাহারিয়ার জামিল আবির, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার; এবং আল-আমিন, ডেপুটি ম্যানেজার।

অন্যদিকে উপায়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মো. নুরুজ্জামান তুহিন, জেনারেল ম্যানেজার, কর্পোরেট সেলস; অভিজিৎ গোপ তপু, কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার; এবং ইমরান হাসান রিমন, কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, মার্চেন্ট বিজনেস।

এই অংশীদারিত্বের বৃহত্তর লক্ষ্য নিয়ে শেখ রকিবুল করিম বলেন, “আমাদের লক্ষ্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে ইন্স্যুরেন্সকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করা। বিশেষ করে, তৈরি পোশাক খাতের কর্মীদের মতো সকল পরিশ্রমী মানুষের জন্য আর্থিক সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপায়-এর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব আমাদেরকে আরও কার্যকরভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং তাদের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, সাশ্রয়ী ও প্রাসঙ্গিক সমাধান দিতে সহায়তা করবে।”

গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের এই উদ্যোগ মূলত অংশীদারিত্ব এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বীমা সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা। দৈনন্দিন আর্থিক সেবার সঙ্গে বীমা সুরক্ষাকে যুক্ত করে কর্মজীবী মানুষ ও তাদের পরিবারের জন্য সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী সমাধান দেওয়াই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। এই পদক্ষেপটি কেবল একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত জনবলই তৈরি করবে না, বরং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


শুরু হলো আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ‘ফিনটার্নশিপ’ সামার ২০২৬

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি শুরু করলো তাদের ফ্ল্যাগশিপ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম ‘ফিনটার্নশিপ’ সামার ২০২৬। দেশের আর্থিক খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট ও ফাইনাল-ইয়ার শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২ মে, ২০২৬।

আবেদন করতে ভিজিট করুনঃ https://jobs.bdjobs.com/jobdetails?id=1478326&ln=1

‘লার্ন | লিড | এক্সেল’ স্লোগানকে সামনে রেখে ফিনটার্নশিপ প্রোগ্রামটি তরুণদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে ইন্ডাস্ট্রি-ভিত্তিক জ্ঞান, বাস্তবিক অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ পাবে।

আইপিডিসি’র এই উদ্যোগকে ‘ফাইন্যান্স ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশের সেরা সুযোগ’ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে একাডেমিক জ্ঞান ও কর্পোরেট অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাবে। বাছাইকৃত ইন্টার্নরা রিটেইল ও কঞ্জ্যুমার ফাইন্যান্স, এসএমই ও কর্পোরেট বিজনেস, রিস্ক ও কমপ্লায়েন্স, কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স, বিজনেস অ্যানালাইটিক্স এবং সেলস ও রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট, ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সল্যুশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কাজ করার সুযোগ পাবে।

প্রোগ্রাম চলাকালে ইন্টার্নরা অভিজ্ঞ প্রফেশনালদের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে একটি আধুনিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা লাভের সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে তারা যোগাযোগ ও বিশ্লেষণী দক্ষতা, দলগত কাজের সক্ষমতা, গ্রাহক-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং আর্থিক ব্যবস্থা সম্পর্কে যথাযথ ধারণা পাবে।

এ প্রসঙ্গে আইপিডিসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর রেজওয়ান দাউদ সামস বলে, “বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে প্রাসঙ্গিক কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইপিডিসি’র অভিনব ফিনটার্নশিপ প্রোগ্রাম তরুণদের কর্মজীবনে প্রবেশ কেবল সহজই করবে না, বরং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে। আমাদের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রাম ‘দ্য আনবাউন্ডার্স’ ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বিকাশে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। ‘ফিনটার্নশিপ’ সেই ধারাবাহিকতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।”


banner close