বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

উত্তরা মোটর্সের আয়োজনে সুজুকি গাড়ির এক্সচেঞ্জ কার্নিভাল

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১১:০৮

বাংলাদেশের অন্যতম সুপ্রতিষ্ঠিত ও শীর্ষস্থানীয় গাড়ি বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান উত্তরা মোটর্স লিমিটেড। ক্রেতাদের চাহিদানুযায়ী সময় উপযোগী গুণগত মানের আধুনিক ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সুজুকি গাড়ি সফলতার সঙ্গে বাজারজাত করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই অংশ হিসেবে উত্তরা মোটর্স এই প্রথমবারের মতো আয়োজন করল ‘সুজুকি গাড়ির এক্সচেঞ্জ কার্নিভাল’। সুজুকি গাড়ি ক্রেতাদের নিকট এই কার্নিভালটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সমাদৃত হয়েছে। তার ফলে ‘সুজুকি গাড়ির এক্সচেঞ্জ কার্নিভাল’টি আজ সোমবার পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (ছুটির দিন ব্যতীত) পুরো সপ্তাহজুড়ে চলবে বলে ঘোষণা দিল উত্তরা মোটর্স।

পুরাতন যেকোনো মডেলের গাড়ি এক্সচেঞ্জ কার্নিভালের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে বিক্রয় করবে এবং এই বিক্রয়কৃত অর্থ নতুন সুজুকি গাড়ি ক্রয়ের বুকিং মানি হিসেবে গণ্য হবে এবং বাকি টাকা ক্রেতাদের নগদ অথবা ব্যাংক লোনের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।

‘সুজুকি গাড়ির এক্সচেঞ্জ কার্নিভাল’টি ছিল উত্তরা মোটর্স লিমিটেডকে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণা মাইলফলক যা বাংলাদেশের গাড়ি ক্রেতাদের সুজুকি গাড়ির প্রতি আস্থার প্রতিফলন। উত্তরা মোটর্স এবং সুজুকি সব সময় তার গ্রাহকদের মসৃণ এবং আরামদায়ক গাড়ি চালনার অভিজ্ঞতা প্রদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। উত্তরা মোটর্স আটটি বিক্রয় কেন্দ্র এবং ১১টি বিক্রয়োত্তর সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশব্যাপী সুজুকি গাড়ির ক্রেতাদের সন্তুষ্টির জন্য বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করে আসছে। ক্রেতাদের সুবিধার্থে অংশীদারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহজে সুজুকি গাড়ি ক্রয়ে লোন নিতে পারবেন। উত্তরা মোটর্স লিমিটেড আধুনিক সব ফিচার সমৃদ্ধ সুজুকির বিভিন্ন মডেলের স্মার্ট হাইব্রিড ও এসইউভি গাড়ি সফলতার সঙ্গে বাজারজাত করছে। এ পর্যন্ত সারা দেশে ৫০ হাজারেরও অধিক সুজুকি কার, জিপ, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্স বিক্রয় করতে সক্ষম হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি


ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ সহজ হলো — অতিথি দিচ্ছে ০% EMI সুবিধা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

এই ঈদে পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার কথা ভাবছেন? আপনার ভ্রমণকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে অতিথি নিয়ে এসেছে বিশেষ “Travel Now, Pay Later” সুবিধা। এখনই বুক করুন বাংলাদেশের ছয়টি অনন্য গন্তব্যের ভ্রমণ প্যাকেজ এবং উপভোগ করুন সর্বোচ্চ ৩ মাস পর্যন্ত ০% EMI সুবিধা!

অতিথি বাংলাদেশের ছয়টি গন্তব্যে যেমন সিলেট, শ্রীমঙ্গল, সুন্দরবন, উত্তরবঙ্গ, মধুপুর এবং রাজশাহীতে ভ্রমণ প্যাকেজ অফার করে থাকে। BRAC Bank PLC, United Commercial Bank PLC, এবং Eastern Bank PLC এর কার্ডহোল্ডাররা অতিথি’র এই যেকোনো প্যাকেজ বুক করে উপভোগ করতে পারবেন সর্বোচ্চ ৩ মাস পর্যন্ত ০% EMI সুবিধা। এই বিশেষ অফারটি পেতে ৩১ মার্চ ২০২৬-এর আগেই বুক করুন আপনার পছন্দের ভ্রমণ প্যাকেজ! বিস্তারিত জানতে এবং বুক করতে ভিজিট করুন: https://otithi.brac.net/microsite/our-packages. এছাড়াও যোগাযোগ করুন +8809610800700 নম্বরে অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন +8801332550542 নম্বরে।

আমাদের সিলেট প্যাকেজে রয়েছে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা রাতারগুল, জাফলং ও লালাখাল ভ্রমণের সুযোগ, যেখানে পাহাড়, নদী আর সবুজের মায়া একসঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করে এক মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা। শ্রীমঙ্গল প্যাকেজে উপভোগ করতে পারবেন সবুজে মোড়া চা–বাগানের শান্ত সৌন্দর্য, পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনধারা কাছ থেকে জানার এক অনন্য সুযোগ। সুন্দরবন প্যাকেজের মূল আকর্ষণ হলো বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের বিস্ময়কর প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং করমজল পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা।

উত্তরবঙ্গ প্যাকেজে অপেক্ষা করছে বরেন্দ্র অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প, সঙ্গে রয়েছে ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ ভ্রমণের সুযোগ, যা এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে তুলে ধরে। আর মধুপুর প্যাকেজে আপনি পাবেন প্রকৃতির সান্নিধ্যে মাটির ঘরে থাকার ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা এবং মান্দি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী রান্নার স্বাদ নেওয়ার সুযোগ।

ঈদ মানেই একসাথে সময় কাটানোর আনন্দ। সেই আনন্দকে আরও স্মরণীয় করতে অতিথি’র সঙ্গে এবার ঈদের ভ্রমণ হোক সহজ, সাশ্রয়ী এবং নিশ্চিন্ত।


ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস, ক্রেতার পছন্দে  ওয়ালটনের আধিপত্য

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কেনাকাটার ধুম পড়েছে। পোশাক ও জুতার পাশাপাশি গৃহস্থালি ইলেকট্রনিক্স পণ্য, বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ কেনার প্রতি ক্রেতাদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, রমজান শুরু হওয়ার পর থেকেই খাদ্য সংরক্ষণ এবং ইফতার ও সেহরির প্রস্তুতির সুবিধার্থে নতুন ফ্রিজ কেনার প্রবণতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এই মৌসুমী চাহিদাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দেশীয় ইলেকট্রনিক্স খাতের শীর্ষ ব্র্যান্ড ওয়ালটন ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ওয়ালটন প্লাজা ও পরিবেশক শোরুমগুলোতে বর্তমানে ক্রেতাদের ভিড় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ঢাকা ছাড়িয়ে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেটসহ বিভিন্ন জেলা শহরেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রয় প্রতিনিধিরা। বর্তমানের সচেতন ক্রেতারা কেবল পণ্য কেনায় সীমাবদ্ধ না থেকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, দীর্ঘস্থায়ী এবং আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ফ্রিজ খুঁজছেন। ওয়ালটন তাদের উদ্ভাবনী ডিজাইন ও দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবার মাধ্যমে বাজারে এই আস্থার জায়গাটি সুদৃঢ় করেছে।

রমজানে ফ্রিজের চাহিদা বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোয়েব আহমেদ বলেন, “রমজান মাসে পরিবারভিত্তিক খাদ্য সংরক্ষণের প্রয়োজন স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। ইফতার ও সেহরির জন্য আগে থেকে খাবার প্রস্তুত রাখা, ফল, দুগ্ধজাত খাবার, মাংস, হিমায়িত খাদ্য এবং রান্না করা খাবার নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য বড় বা উন্নতমানের ফ্রিজের প্রয়োজনীয়তা বেশি অনুভূত হয়। ফলে এই সময়ে বহু পরিবার পুরনো ফ্রিজ পরিবর্তন করে নতুন ফ্রিজ কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। তাই প্রতিবছরই রমজানে ফ্রিজের চাহিদা ও বিক্রি বৃদ্ধি পায়।”

ফ্রিজ বিক্রির এই বিশাল বাজার নিয়ে ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক জানান, “ঈদ মৌসুমে বরাবরই ফ্রিজের বিক্রি বেশ ভালো হয়। অনেক ক্রেতাই নতুন ফ্রিজ কেনার জন্য ঈদের আগের সময়টাকে বেছে নেন। কেননা এই সময় বেতন, বোনাস মিলিয়ে ক্রেতাদের কাছে বাড়তি টাকা থাকে। তাই বাংলাদেশে রোজা ও কোরবানির ঈদকে ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সারা বছরের মোট ফ্রিজ বিক্রির অর্ধেকেরও বেশি বিক্রি হয় এই সময়টাতে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, উন্নত প্রযুক্তি ও নির্ভরযোগ্য কর্মক্ষমতার কারণে ওয়ালটন ফ্রিজ এখন আধুনিক রান্নাঘরের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ওয়ালটন ফ্রিজে যুক্ত হওয়া অ্যাডভান্সড এআই (AI) এবং আইওটি (IoT) ফিচারের কারণে প্রযুক্তিপ্রেমী ক্রেতাদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। বর্তমানে ওয়ালটন ফ্রিজে যুক্ত রয়েছে এআই ডক্টর, এমএসও ইনভার্টার টেকনোলজি, ডুয়াল টেম্পারেচার কন্ট্রোল এবং ২১.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লের মতো সব আধুনিক স্মার্ট সুবিধা, যা স্মার্টফোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ওয়ালটন কেবল ব্যবসায়িক সাফল্য নয়, বরং দেশীয় শিল্প খাতের সক্ষমতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এদিকে ঈদ উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চলমান ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৩’ এর আওতায় ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ক্রেতারা সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটরসহ অসংখ্য পণ্য উপহার হিসেবে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া ওয়ালটন প্লাজা থেকে ফ্রিজ কিনলে ১০ শতাংশ এবং নির্দিষ্ট কিছু মডেলে অনলাইন ক্রয়ের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ মূল্যছাড় দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে ১৫,৬৯০ টাকা থেকে শুরু করে ২,৪০,০০০ টাকা মূল্যের ৩ শতাধিক মডেলের ওয়ালটন ফ্রিজ পাওয়া যাচ্ছে।


ব্যুফে ইফতারে বিকাশ পেমেন্টে ‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

পবিত্র রমজানের ইফতার এবং আসন্ন ঈদের ছুটিতে গ্রাহকদের কেনাকাটা ও খাওয়া-দাওয়ায় বিশেষ সুবিধা দিতে বিকাশ পেমেন্টে শুরু হয়েছে আকর্ষণীয় অফার। দেশের বিভিন্ন প্রিমিয়াম হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে ও বেকারিগুলোতে বিকাশ পেমেন্ট করলেই মিলছে এই বিশেষ ছাড় ও ক্যাশব্যাক।

আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু তারকা মানের হোটেলে ইফতার প্যাকেজের ক্ষেত্রে বিকাশ পেমেন্টে গ্রাহকরা ‘বাই ওয়ান গেট থ্রি/টু/ওয়ান’ অফার উপভোগ করতে পারবেন। সিক্স সিজনস হোটেলে একটি কিনলে তিনটি এবং হোটেল বেঙ্গল ব্লুবেরি, হোটেল লেকশোর ও দ্য ওয়ে ঢাকাতে একটি কিনলে দুটি ফ্রি সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া ডরিস হোটেল এন্ড রিসোর্টস, এশিয়া হোটেল, বেঙ্গল ইন, স্কাই সিটি, হোটেল জাব্বির প্যারাডাইজ, প্লাটিনাম গ্র্যান্ড, রয়্যাল টিউলিপ, ইউনিক রিজেন্সি, আসকট ঢাকা ও হোটেল সারিনাতে একটি কিনলে একটি ফ্রি অফার চালু রয়েছে।

রেস্টুরেন্টে ইফতার বা ঈদের আড্ডার বিল বিকাশে পরিশোধের সময় ‘D4’ কুপন কোড ব্যবহার করে গ্রাহকরা সর্বমোট ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পেতে পারেন। এই অফারের আওতায় ন্যূনতম ৫০০ টাকা পেমেন্টে ১০ শতাংশ হারে প্রতিদিন একবার সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা এবং অফার চলাকালীন পাঁচবারে মোট ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে। আলফ্রেডো, বার্গার কিং, সিক্রেট রেসিপি, ক্যাফে রিও, ক্যাফেইনস ওয়ার্ল্ড, শেফস টেবিল, গ্রিনস অ্যান্ড সিডস, খাও সান, পিৎজা টাইমসসহ দেশের প্রায় ২,৪০০টি আউটলেটে এই অফারটি কার্যকর থাকছে।

একইভাবে ক্যাফে, সুইটস ও বেকারির কেনাকাটায় ‘D7’ কুপন কোড ব্যবহার করে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ৩১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত ন্যূনতম ৩০০ টাকা পেমেন্টের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে প্রতিদিন একবার ১০০ টাকা করে মোট পাঁচবারে ৫০০ টাকা পর্যন্ত এই ছাড় মিলবে। অ্যাপল গ্যাজেটস, আজওয়া, আম্বার বেক এন্ড পেস্ট্রি, ব্রেড এন্ড বিয়ন্ড, ক্লাউড কেক, কুপার্স, ইউরো বেকারি, কিউ বেকারি, টেস্টি ট্রিট, ওয়েল ফুড, নর্থ এন্ড, ক্রিমসন কাপ, বনফুল, মধুবন ও বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডারসহ প্রায় ২,৫০০ এর বেশি আউটলেটে এই অফারটি গ্রহণ করা যাবে।

বিকাশ পেমেন্টে ইফতার অর্ডারে অফারগুলো দেখে নেয়া যাবে এই লিংকে-

https://www.bkash.com/campaign/search?category=restaurant,payment-five-star-bogo


একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে আইসিএমএবি ও ইউল্যাব-এর এমওইউ স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) হিসাববিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা শিক্ষায় একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার এবং পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।

সোমবার (৯ মার্চ ২০২৬) ইউল্যাব ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আইসিএমএবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শিক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান এস. এম. জহির উদ্দিন হায়দার এফসিএমএ এবং ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামসাদ মর্তুজা এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আইসিএমএবির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মো. কাওসার আলম এফসিএমএ, সেক্রেটারি মনজুর মো. শাইফুল আজম এফসিএমএ, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. মুসফিকুর রহমান এফসিএমএ এবং একাডেমিক অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের অতিরিক্ত পরিচালক ও প্রধান মো. আব্দুল মালেক। ইউল্যাবের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মিলন কুমার ভট্টাচার্য, ইউল্যাব স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক ড. সারওয়ার উদ্দিন আহমেদ, বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. এফ. ওয়াজির আহমেদ, সিনিয়র লেকচারার সাজেদুল আলম, সিনিয়র লেকচারার নাইমা খাতুনসহ স্কুল অব বিজনেসের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

এই চুক্তির আওতায় ইউল্যাবের শিক্ষার্থী ও স্নাতকরা আইসিএমএবি’র চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ) পেশাগত ডিগ্রি অর্জনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোর্সে ছাড় ও ভর্তি বৃত্তির সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি পারস্পরিক একাডেমিক ও পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

ইউল্যাব-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামসাদ মর্তুজা বলেন, “আইসিএমএবির সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ এবং আনন্দিত। এটি আমাদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য অর্থবহ সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমি আমাদের শিক্ষক সদস্যদের আহ্বান জানাই, উদ্ভাবনী একাডেমিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে।”

আইসিএমএবি’র প্রেসিডেন্ট মো. কাওসার আলম এফসিএমএ বলেন, “এই অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠায় ইউল্যাবের সহযোগিতাকে আমরা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। এই সহযোগিতা একাউন্টিং পেশায় উৎকর্ষ, উদ্ভাবন ও পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আগ্রহী ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং সমঝোতা স্মারকে উল্লেখিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


আইসিবি চত্বরে আইএফআইসি ব্যাংকের এটিএম বুথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবা আরও সহজ, দ্রুত এবং অধিকতর সুবিধাজনক করতে ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) প্রাঙ্গণে একটি নতুন এটিএম বুথ স্থাপন করেছে আইএফআইসি ব্যাংক। গত বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বুথটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব মো. মেহমুদ হোসেন এবং আইসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ।

অনুষ্ঠানে আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা সহ আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যবৃন্দ, আইএফআইসি ব্যাংক ও আইসিবি’র অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সম্মানিত গ্রাহকবৃন্দ।

নবউদ্বোধিত এই এটিএম বুথের মাধ্যমে গ্রাহকরা নগদ অর্থ উত্তোলন, আইএফআইসি ব্যাংক কিংবা অন্যান্য ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ও কার্ডে ফান্ড ট্রান্সফার, ব্যালেন্স অনুসন্ধান, মিনি স্টেটমেন্ট সংগ্রহ, কার্ড অ্যাক্টিভেশন, পিন পরিবর্তনসহ বিভিন্ন এটিএমভিত্তিক সেবা সহজেই গ্রহণ করতে পারবেন। গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সুবিধার বিস্তার এবং আধুনিক আর্থিক সেবায় সহজতর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে আইএফআইসি ব্যাংক নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ ব্যাংকের সেবার পরিধি সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশের আর্থিক খাতে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করার অঙ্গীকারকেও আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিফলিত করে।


গ্রাহককেন্দ্রিক কৌশলের ধারাবাহিকতায় নতুন এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু বাংলালিংকের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

রাজধানীতে নিজেদের প্রধান কার্যালয়ে নতুন একটি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। গ্রাহকদের জন্য যাতে একটি স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক পরিবেশ, সহমর্মিতাপূর্ণ সেবা ও নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করা যায়, সে ভাবেই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারটি সাজানো হয়েছে।

নতুন এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারটি বাংলালিংকের সেবামুখী দর্শনের উপর গড়ে ওঠা ‘পিপল-ফার্স্ট’ নীতির প্রতিফলন। এখানে গ্রাহকেরা সহজে বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন। নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তাও পাবেন। একই সঙ্গে আরও স্বস্তিদায়ক ও গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো পরিবেশে বাংলালিংকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগার্স ডেন–এ গত ৯ মার্চ এ এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়োহান বুসে। এ সময় কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

‘স্যাংকচুয়ারি’ বা শান্ত ও স্বস্তিদায়ক আশ্রয়স্থলের ধারণা থেকে এই সেন্টারের নকশা করা হয়েছে। প্রচলিত টেলিযোগাযোগ সেবা কেন্দ্রের ধরন থেকে বেরিয়ে গ্রাহকসেবায় ভিন্ন অভিজ্ঞতা দিতেই এটি সাজানো হয়েছে। এখানে প্রচলিত সার্ভিস কাউন্টার নেই। বরং খোলামেলা ও আরামদায়ক পরিবেশ রাখা হয়েছে। এতে গ্রাহকেরা সহজেই বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন, প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে পারবেন এবং গ্রাহকসেবা প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলতে পারবেন।

গ্রাহকসেবা আরও সহজ করতে এখানে কয়েকটি নতুন সুবিধা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে আছে সাইড–বাই–সাইড সাপোর্ট ব্যবস্থা। এতে সেবাকর্মীরা গ্রাহকের পাশে বসে সরাসরি সহায়তা দিতে পারবেন।

এ ছাড়া রয়েছে আলাদা ডিজিটাল এক্সপ্লোরেশন স্পেস। এখানে দর্শনার্থীরা বাংলালিংকের বিভিন্ন অ্যাপ, সেবা ও ডিজিটাল সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। দ্রুত সেবা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে ফাস্ট–ট্র্যাক সহায়তা। পাশাপাশি আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা ও একটি রিফ্রেশমেন্ট কর্নারও রয়েছে। এতে দর্শনার্থীদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলালিংকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, “আমাদের কাছে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতিটি যোগাযোগ মানেই তাদের প্রতি আমাদের যত্নশীল হওয়ার সুযোগ। এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের মাধ্যমে আমরা এমন একটি স্থান তৈরি করেছি, যেখানে গ্রাহকেরা স্বাচ্ছন্দ্যে প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা পাবেন। এটি কেবল সেবাকেন্দ্র নয়; এখানে গ্রাহকেরা আমাদের সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং একটি সম্মানজনক পরিবেশে নিজেদের প্রয়োজনগুলো তুলে ধরতে পারবেন। আমাদের ধারণা পরিষ্কার—এটি ‘গ্রাহক বনাম আমরা’ নয়, বরং আমরা ও গ্রাহক একযোগে সমাধানের পথ খুঁজি।


বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যালায়েন্সের ইফতার ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যালায়েন্স (বিএমটিএ) কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এক ইফতার মাহফিল ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ০৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ স্টার কাবাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সভার আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি এস এম ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক জনাব শহিদুল ইসলাম বাবুল।

উক্ত সভায় বক্তারা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা নিরসনে ১০তম গ্রেড বাস্তবায়ন এবং একটি যুগোপযোগী বেসরকারি নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরেন। পেশাজীবীদের এই অধিকার আদায়ের বিষয়টি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য তারা প্রধান অতিথির নিকট বিশেষ আহ্বান জানান।

মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে প্রধান অতিথি জনাব শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি বলেন, তিনি "মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বিষয়টি সংসদে উত্থাপনের আশ্বাস প্রদান করেন।" তিনি উপস্থিত সুধীজনের সামনে পেশাজীবীদের এই দাবিগুলোকে অত্যন্ত যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে শফিকুল ইসলাম মিঠু উপস্থিত ছিলেন এবং পুরো সভাটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জনাব মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেন্টাল হেলথ সোসাইটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ডেন্টিস্ট মোহাম্মদ হারুন-অর রশিদ (আওরঙ্গ), সংগঠনের সহ-সভাপতি এম কে পারভেজ ও রেজা কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় বিশ্বাস, যুগ্ম মহাসচিব জিসান হাওলাদার এবং দপ্তর সম্পাদক ফেরদৌসি শেখসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। শামীম শাহ-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৪০০ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।


সিটি ব্যাংক ও টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড-এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

সিটি ব্যাংক পিএলসি ও টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড কৌশলগত অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে। অনুষ্ঠানটি সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড-এর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমিথ সিং এবং সিটি ব্যাংক পিএলসি-র পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতার আওতায় সিটি ব্যাংক টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড-কে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঋণ সুবিধা প্রদান করেছে। সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে কর্পোরেট কার্ড, কালেকশন ও ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা, বৈদেশিক বাণিজ্য সেবা এবং পে-রোলসহ এমপ্লয়ী ব্যাংকিং।

অনুষ্ঠানে মাসরুর আরেফিন বলেন, টয়োটার পক্ষ থেকে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত দুই প্রতিষ্ঠানের কার্যকর সহযোগিতা এবং বিদেশী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য সেবা প্রদানে সিটি ব্যাংকের সক্ষমতার প্রতিফলন।

এ সময় প্রেমিথ সিং সিটি ব্যাংকের কর্মীদের জন্য টয়োটার গাড়িতে বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা আরও জোরদারের আশা প্রকাশ করেন।

উভয় প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।


নারীদের ক্ষমতায়নে মেন্টরশিপ ও কালেক্টিভ ইমপ্যাক্টের ওপর জোর দিলেন বক্তারা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি)। বিভিন্ন ক্ষেত্র ও পেশা থেকে অনুপ্রেরণাদায়ী নারী নেতাদের অংশগ্রহণে ‘শি বিল্ডস ইন: এমপাওয়ারিং উইমেন, এমপাওয়ারিং দ্য নেশন’ শীর্ষক এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বাস্তব অভিজ্ঞতা, সহযোগিতা, মেন্টরশিপ এবং জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে কী ধরনের অর্জন সম্ভব এবং এ পথে কী কী প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা নিয়ে মতবিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা। একই সঙ্গে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতের মতো পুরুষপ্রধান খাতে নারীদের অংশগ্রহণ কীভাবে বাড়ানো যায়, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নারীরা কেন পিছিয়ে পড়েন এবং কর্মসংস্থান ও আর্থিক স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে নারী উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন এলিটাস টেলিকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ফেয়ার গ্রুপের পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্টাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্কো) পরিচালক সায়মা শওকত; লাক্সারি ফ্যাশন লেবেল সারা করিম ক্যাটিউরের প্রতিষ্ঠাতা সারা করিম; আইএসডি-র রোবোটিক্স শিক্ষক আনা ইয়ং; সুবিধাবঞ্চিত কমিউনিটি নিয়ে কাজ করা অলাভজনক সংস্থা থ্রাইভ-এর বোর্ড অ্যাডভাইজরি মেম্বার আমনা রহমান; থ্রাইভ-এর পর্ষদ সদস্য ও তথ্য উপদেষ্টা এবং সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা মঈন ফাউন্ডেশনের পরিচালক সাদিয়া মঈন; এবং বাংলাদেশ অ্যাপারেল ইয়ুথ লিডার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বায়লা) পরিচালক ও ডিআরএজি গার্মেন্টসের পরিচালক জারিন রশিদ।

আইএসডির রোবোটিক্স শিক্ষক আনা ইয়াং মনে করেন ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি উৎসাহিত করা জরুরি। তিনি বলেন, “পরবর্তী প্রজন্মের মেয়েদের ক্ষমতায়নে স্টেম শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি। তাদের নিজের মতো করে আগ্রহ খুঁজে নেওয়ার স্বাধীনতা দিতে হবে এবং তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে হবে। মেয়েদেরকে এটা বোঝাতে হবে যে ভুল করা শেখারই একটি স্বাভাবিক অংশ। আর অনেক সময় ব্যর্থতাও উদ্ভাবন ও নেতৃত্বের পথ খুলে দিতে পারে।”

প্রযুক্তি ও শিক্ষার মাধ্যমে তরুণীদের এগিয়ে নিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকার কথাও উঠে আসে আলোচনায়। শায়মা শওকত বলেন, “এখনও অনেক মেয়ে আছে যারা সাধারণ প্রযুক্তি বা ডিভাইসই ব্যবহার করতে পারে না; বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকায়, যেখানে একটি কম্পিউটার পাওয়াই অনেক কঠিন। শিক্ষা আর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের জন্য নতুন সুযোগ উন্মোচন করা সম্ভব। বেসরকারি খাত এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে পারে এবং তরুণ মেয়েদের আত্মবিশ্বাসী করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের পথ তৈরি করে দিতে পারে।”

আলোচনায় আরও উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সংগঠনগুলো একসঙ্গে কাজ করলে নারীদের জন্য মেন্টরশিপের সুযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব। এতে মেয়েরা পেশাজীবী, উদ্যোক্তা এবং নেতৃত্বের অবস্থানে এগিয়ে যাওয়ার পথ সহজ হবে।

গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন আইএসডির প্রাইমারি ইয়ার্স প্রোগ্রামের (পিওয়াইপি) কো-অর্ডিনেটর তৌহিদা আফসার। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দেন আইএসডির করপোরেট রিলেশনস প্রতিনিধি ফারেস্তা আলী মালিক।

আইএসডির কমিউনিটিতে বহু অনুপ্রেরণাদায়ী নারী রয়েছেন, যারা প্রতিনিয়ত স্কুলটির উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। তাদের মধ্যে শিক্ষক, নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী এবং নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যাওয়া বহু নারী অ্যালামনাই রয়েছেন।

অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, মেন্টরশিপ এবং বৃত্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থী ও একাডেমিক কার্যক্রমে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এর একটি উদাহরণ হুমাইরা আফিয়া অর্থি। তিনি জাতীয় শিক্ষাক্রমে পড়াশোনা করার পর বৃত্তি নিয়ে আইএসডির আইবি ডিপ্লোমা প্রোগ্রামে যোগ দেন। সুযোগ পেলে স্বপ্ন ও আগ্রহ কীভাবে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে, আইএসডির শিক্ষার্থীরা তা ধারাবাহিকভাবে প্রমাণ করে যাচ্ছে।


নীরা গ্রাহকদের সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তায় ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের সঙ্গে প্রাইম ব্যাংকের চুক্তি

আপডেটেড ৯ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২২
করপোরেট ডেস্ক

নীরা গ্রাহকদের সুস্থ জীবনযাপনে সহাতা করতে ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.। সম্প্রতি ঢাকার প্রাইম অ্যাসপায়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা গ্রাহকদের জন্য লাইফস্টাইল ও ওয়েলনেসভিত্তিক সুবিধা সম্প্রসারণে ব্যাংকের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

এই চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংক নীরা গ্রাহকরা ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার প্রদত্ত বিভিন্ন পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাস-সংক্রান্ত সেবায় আকর্ষণীয় ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। পেশাদার পরামর্শ ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যসমাধানের জন্য সুপরিচিত এ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে এ অংশীদারিত্ব গ্রাহকদের জন্য বিশেষজ্ঞ পুষ্টি সহায়তা সহজলভ্য করবে এবং সুস্থ জীবনযাপনে উৎসাহিত করবে।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর এসইভিপি ও হেড অব লাইয়াবিলিটি শায়লা আবেদিন এবং ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের প্রিন্সিপাল নিউট্রিশনিস্ট ও সিইও সাইয়েদা শারমিন আক্তার। এ সময় প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর হেড অব কাস্টমার প্রপোজিশন হোসাইন মোহাম্মদ জাকারিয়াসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই অংশীদারিত্ব প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবার বাইরেও সমন্বিত ও কল্যাণমুখী সুবিধা প্রদানের ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ, যা তাদের সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।


“বিকাশ ফুটসাল কার্নিভাল ২০২৬” -এ অংশ নিল চট্টগ্রামের ১৬টি শীর্ষ ব্র্যান্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

পারস্পারিক সম্পর্ককে জোরদার করতে চট্টগ্রামের শীর্ষ ১৬টি ব্র্যান্ডকে নিয়ে উৎসবমুখরওপ্রতিযোগিতাপূর্ণপরিবেশে“বিকাশফুটসালকার্নিভাল২০২৬”আয়োজনকরেছেবিকাশ।

বন্দরনগরীর প্রিমিয়ার মাল্টি-স্পোর্ট ডেসটিনেশন সিকো এরিনা ফুটবল গ্রাউন্ডে এশিয়ান গ্রুপ, শৈল্পিক, সেকশন সেভেন গ্রুপ, সেভেন ডেজ, মেট্রোপলিটান হসপিটাল, ওয়েস্টউড, সনেট গ্রুপ, রেডিসন ব্লু, নাহার এগ্রো, কিশোয়ান গ্রুপ, সিকো এরিনা, সাজিনাজ হসপিটাল, উৎসব সুপার মার্কেট, হোম রেসিপি, ক্লিফটন গ্রুপ ও অ্যাপোলো ইম্পেরিয়াল হসপিটাল -এর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই ফুটসাল কার্নিভালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এশিয়ান গ্রুপ এবং রানার-আপ হয়েছে উৎসব সুপার মার্কেট।

শীর্ষ মার্চেন্টদের নিয়ে চট্টগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই কার্নিভালে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীরা আনন্দ ও খেলার মাধ্যমে পারস্পারিক সম্পর্ক ও যোগাযোগকে আরও জোরদার করতে পেরেছেন। নিয়মিত যোগাযোগের বাইরে বিকাশও তার মার্চেন্টদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ পেয়েছে।

কার্নিভাল এর ফাইনাল ম্যাচের চ্যাম্পিয়ন সহ বিজয়ী দলগুলোর হাতে ট্রফি তুলে দেন বিকাশ-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ।


আর.এ. স্পিনিং-আউটপেস স্পিনিং এ ৬৫০ কোটি টাকার সিন্ডিকেটড ফাইন্যান্সিং এর চুক্তি স্বাক্ষর কমিউনিটি ব্যাংক এর

আপডেটেড ৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭
করপোরেট ডেস্ক

আর.এ. স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও আউটপেস স্পিনিং মিলস লিমিটেডের জন্য ৬,৫০০ মিলিয়ন বা ৬৫০ কোটি টাকা সংগ্রহের সিন্ডিকেটড ফাইন্যান্সিং কাঠামোর আওতায় অর্থায়ন ব্যবস্থার লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

এই ব্যবস্থার আওতায় কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র কর্পোরেট ব্যাংকিং বিভাগের স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স ইউনিট ফ্যাসিলিটি অ্যারেঞ্জার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। ব্যাংকটি সিন্ডিকেশন প্রক্রিয়া সমন্বয় করবে এবং অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন সংগ্রহে ভূমিকা রাখবে।

এই অর্থায়ন আর.এ. স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও আউটপেস স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং কার্যক্রমের উৎকর্ষতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। প্রতিষ্ঠান দুটি অত্যাধুনিক ইউরোপীয় যন্ত্রপাতি, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা এবং টেকসই উৎপাদন মানদণ্ড অনুসরণের জন্য ইতোমধ্যে সুপরিচিত। পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে পোশাক খাতের প্রতিষ্ঠান দুটি বাংলাদেশ ব্যাংক সমর্থিত টেকসই অর্থায়ন সুবিধাও গ্রহণ করেছে।

উচ্চমানের সুতা উৎপাদন নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল ও পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আমদানিকৃত প্রিমিয়াম মানের কাঁচা তুলা ব্যবহার করে। দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপনা দল এবং উন্নতমানের আধুনিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের উৎপাদন ও পরিচালনা কার্যক্রম দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও কার্যকরী নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক মান ও টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো Oeko-Tex, SEDEX, GOTS, OCS, RCS & GRS (Recycling), BCI, CmiA এবং US Cotton Trust Protocol সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন অনুসরণ করে; যা বৈশ্বিক ক্রেতাদের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা আরও জোরালো করেছে। পাশাপাশি দক্ষ জনবল, কারখানা প্রাঙ্গণে আবাসন সুবিধা এবং সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য শ্রম ও পারিশ্রমিক নীতিমালা তাদের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে।

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র প্রধান কার্যালয়ের অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাআদাত, আর.এ. স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও আউটপেস স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব হায়দার-এর সঙ্গে ম্যান্ডেট চুক্তি স্বাক্ষর ও বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানি দুটির পরিচালক রুবায়েত হায়দার এবং কমিউনিটি ব্যাংকের হেড অফ কর্পোরেট ব্যাংকিং ও হেড অফ বিজনেস (ব্রাঞ্চ) ড. মো. আরিফুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।


সীমান্ত ব্যাংকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে “আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সীমান্ত ব্যাংক। সম্প্রতি ব্যাংকের নারী কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরুল আজীম। এ সময় ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যরা এবং প্রধান কার্যালয় ও ঢাকাস্থ বিভিন্ন শাখার নারী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।


banner close