বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সিলেট বিভাগের আয়োজনে ব্যাংকার-কাস্টমার সম্পর্ক ও গ্রাহক সেবা উন্নয়ন শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে গত বৃজস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কৃষি ও কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে বাংলদেশ কৃষি ব্যাংকের সময়োপযোগী পদক্ষেপের প্রশংসা করে গ্রাহক সেবার মানোন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান বলেন, কৃষি ও কৃষকের প্রাণ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সব প্রকার আধুনিক ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে সর্বোত্তম গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করে অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় কম সুদে ঋণ বিতরণ করে যাচ্ছে। এ সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক চানু গোপাল ঘোষ, সিলেটের মহাব্যবস্থাপক প্রবীর কুমার দাস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার। সিলেট মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক শরীফ মো. তাহাওয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকরা উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি
নতুন দুটি বিক্রয়কেন্দ্র চালুর কথা জানিয়েছে শিল্পগোষ্ঠী আরএফএলের স্পোর্টস চেইন শপ ‘দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারি’।
সম্প্রতি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সদরে এবং সিলেট নগরীর উপশহরে বিক্রয়কেন্দ্র দুটি উদ্বোধন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল উপস্থিত থেকে বিক্রয়কেন্দ্র দুটি উদ্বোধন করেন। সেখানে মিলবে বিভিন্ন ধরনের বাইসাইকেল, বাইসাইকেল এক্সেসরিজ, ফিটনেস সামগ্রী, ক্রিকেট ও ফুটবল খেলার নানা ধরনের সরঞ্জাম, ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬-এর অফিসিয়াল ফুটবল, জার্সি, ফুটবল বুটসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী।
অনুষ্ঠানে আর এন পাল বলেন, “দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারির মূল লক্ষ্য হলো দেশব্যাপী মানসম্মত ও আধুনিক স্পোর্টস ও ফিটনেস পণ্য সহজলভ্য করা। আমরা বর্তমানে আমাদের পণ্যের একটি বড় অংশ দেশেই উৎপাদন করছি এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করছি, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
“তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অন্যান্য নেতিবাচক প্রভাব থেকে দূরে রাখতে এবং তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত কাজ ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই আমরা চাই, দেশের আরও বেশি তরুণ খেলাধুলা ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হোক।”
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুরন্ত স্পোর্টস গ্যালারি’র বিজনেস হেড সিরাজুল গনি মঞ্জু, হেড অব সেলস কামাল হোসেন, ব্র্যান্ড ম্যানেজার আসিফ আবদুল্লাহ।
ভ্রমণ, সংস্কৃতি ও রন্ধনশিল্পের সমন্বয়ে অতিথিদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করতে বরাবরই কাজ করে যাচ্ছে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেল। সেই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর আতিথেয়তা ও রন্ধনশিল্পে নতুন মাত্রা যোগ করতে আগামী ৯ জুলাই থেকে হোটেলটির অল-ডে ডাইনিং রেস্টুরেন্ট ‘বাহার’-এ শুরু হচ্ছে ‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমৃদ্ধ খাদ্য ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই বিশেষ উৎসব চলবে আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত।
আয়োজকরা জানান, রেনেসন্স হোটেলের মূল দর্শনই হলো অতিথিদের জন্য এমন অভিজ্ঞতা তৈরি করা। যা ভ্রমণ, সংস্কৃতি ও মানুষের মধ্যে নতুন সংযোগের অনুপ্রেরণা জোগায়। শুধু খাবার পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্বাদকে অতিথিদের সামনে তুলে ধরতে নিয়মিতভাবে নানা থিমভিত্তিক ডাইনিং আয়োজন করে থাকে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান। এভাবেই হোটেলটি রাজধানীর অন্যতম প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল গন্তব্য হিসেবে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে।
‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বিভিন্ন আসিয়ান দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতিতে ফিতা কাটার মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম প্রতিনিধি, ইনফ্লুয়েন্সার এবং ফুড ব্লগাররাও অংশ নেবেন।
হোটেলটির অল-ডে ডাইনিং রেস্টুরেন্ট ‘বাহার’ ইতোমধ্যে নান্দনিক পরিবেশ, আধুনিক নকশা এবং সৃজনশীল থিমভিত্তিক আয়োজনের জন্য ভোজনরসিকদের কাছে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রেস্টুরেন্টটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন দেশের খাদ্যসংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে পরিবেশ, সাজসজ্জা, লাইভ কুকিং স্টেশন এবং মেনুতে নতুনত্ব নিয়ে আসে। প্রতিটি আয়োজন এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়, যাতে অতিথিরা শুধু খাবারের স্বাদই নয়, সেই দেশের সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার আবহও অনুভব করতে পারেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৈচিত্র্যময় রন্ধন ঐতিহ্যকে সামনে রেখে এবার সাজানো হয়েছে বিশেষ এই বুফে। থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়া, লাওস, মিয়ানমার ও ব্রুনেইর জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ মেনু।
মেনুতে থাকছে ফ্লেভারসমৃদ্ধ স্যুপ, বিভিন্ন ধরনের সালাদ, লাইভ সাতে ও সি-ফুড গ্রিল, সিগনেচার কারি, নুডলস ও রাইস স্পেশালিটি, জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড, ঐতিহ্যবাহী ডেজার্ট এবং ট্রপিক্যাল পানীয়। রেনেসন্সের অভিজ্ঞ শেফদের পরিবেশনায় প্রতিটি পদে ফুটে উঠবে আসিয়ান অঞ্চলের স্বকীয়তা, ঐতিহ্য এবং আতিথেয়তার উষ্ণতা।
আগামী ৯ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতি বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার এই বিশেষ আয়োজন উপভোগ করা যাবে। জনপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯৫০ টাকা (নেট)। এছাড়া নির্বাচিত ব্যাংকের কার্ডধারী, জিপি স্টার, বাংলালিংক অরেঞ্জ ক্লাব, রবি এলিট সদস্য এবং গ্রুপ বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়ের সুবিধা থাকছে।
বিস্তারিত তথ্য ও টেবিল বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করা যাবে +৮৮০ ১৭০ ৪১১ ২৬৪৬ এবং +৮৮০ ১৭০ ৪১১ ২৬৪৮ নম্বরে।
আয়োজকদের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রন্ধনশৈলী ও সংস্কৃতিকে এক ছাদের নিচে অতিথিদের সামনে তুলে ধরার যে অঙ্গীকার রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেল ধারণ করে, ‘আসিয়ান উইকেন্ড থিম নাইট’ তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। এই আয়োজনের মাধ্যমে রাজধানীর ভোজনরসিকরা শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৈচিত্র্যময় খাবারের স্বাদই পাবেন না, একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং আন্তরিক আতিথেয়তারও অনন্য অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।
কখনো অফিস ডেস্কে, কখনো কফিশপের টেবিলে, আবার কখনো বিশেষ মুহূর্তের কোনো ছবিতে একটি স্মার্টফোন অনেক সময় অজান্তেই হয়ে ওঠে পুরো দৃশ্যের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তাই এখন এটি শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; বরং ব্যক্তিগত রুচি, স্টাইল ও ব্যক্তিত্বের প্রকাশ। এ কারণেই প্রযুক্তিগত সক্ষমতার পাশাপাশি স্মার্টফোনের ডিজাইনও এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এই পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখে গ্লোবাল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো নিয়ে আসছে নতুন ভিভো ওয়াই৫০০। আধুনিক ডিজাইন ও প্রিমিয়াম ফিনিশের সমন্বয়ে তৈরি এই স্মার্টফোনটি যেমন দেখতে আকর্ষণীয়, তেমনি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্যও উপযোগী।
প্রথম দেখাতেই নজর কাড়বে ভিভো ওয়াই৫০০-এর ডিজাইন। মহাকাশযানের পোর্টহোল থেকে অনুপ্রাণিত নেব্যুলা উইন্ডো ক্যামেরা মডিউল ডিজাইন ফোনটির পেছনের অংশে যোগ করবে এক ভিন্ন মাত্রা। ডুয়াল-প্লেটিং প্রসেসে তৈরি মেটালিক ফ্রেম ও সাটিন ম্যাট ব্যাক প্যানেল শুধু প্রিমিয়াম লুকই দেবে না, বরং আরামদায়ক গ্রিপের পাশাপাশি দৈনন্দিন ব্যবহারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও দাগও কম পড়বে।
ভিভো ওয়াই৫০০ আসছে দুটি আকর্ষণীয় রঙে- পার্ল হোয়াইট ও মিডনাইট ব্লু। পার্ল হোয়াইটের কোমল আভা ও সূক্ষ্ম ঝিলিক ফোনটিকে দেবে পরিচ্ছন্ন ও মার্জিত একটি লুক। অন্যদিকে, রাতের আকাশের গভীরতা থেকে অনুপ্রাণিত মিডনাইট ব্লু প্রকাশ করবে আধুনিক ও আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্ব। এছাড়া, ৯৪.৪৭ শতাংশ স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও সমৃদ্ধ আল্ট্রা-থিন বেজেলের ডিসপ্লের সাথে প্রায় ফুল-স্ক্রিন ভিউয়িং অভিজ্ঞতা দেবে এবং ফোনটির আকর্ষণীয় ডিজাইনকে আরও ফুটিয়ে তুলবে।
অফিস, ক্যাফে কিংবা প্রতিদিনের নানা মুহূর্তে ভিভো ওয়াই৫০০ সহজেই হয়ে উঠতে পারে স্টাইলের একটি অংশ। এটি শুধু একটি স্মার্টফোন নয়, বরং নিজের ব্যক্তিত্ব ও রুচি প্রকাশেরও একটি মাধ্যম।
আসন্ন এই উন্মোচনকে আরও বিশেষ করে তুলতে জনপ্রিয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড মিনিসোর সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে ভিভো। এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে আগামী ৮ জুলাই থেকে ভিভো ওয়াই৫০০ প্রি-বুক করলে ক্রেতারা পাবেন আকর্ষণীয় পেনপেন ডল, একটি আকর্ষণীয় ফোন কভার এবং এক্সক্লুসিভ স্টিকার। ফলে নিজের পছন্দমতো ফোনকে সাজিয়ে নেওয়া যাবে।
নজরকাড়া ডিজাইন, আকর্ষণীয় রং, প্রিমিয়াম ফিনিশ এবং মিনিসোর সাথে বিশেষ এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ভিভো ওয়াই৫০০ স্টাইল, সৃজনশীলতা ও দৈনন্দিন ব্যবহারিকতার এক নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসতে প্রস্তুত।
ইউজারদের খাবারের এক্সপেরিয়েন্সকে আরও সহজ করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় অন-ডিমান্ড ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পাঠাও অফিশিয়ালি চালু করেছে একটি নতুন ফিচার ‘Far Away Favorites’। এর মাধ্যমে এখন থেকে পুরো ঢাকা শহরের ফুড লাভাররা তাদের নিয়মিত ডেলিভারি এলাকার বাইরে অবস্থিত দূরবর্তী রেস্টুরেন্ট থেকেও পছন্দের খাবার অর্ডার করতে পারবেন। এই দারুণ ফিচারটি দূরত্বের প্রচলিত বাধা দূর করে গ্রাহকদের শহরের যেকোনো প্রান্তের জনপ্রিয় সব খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে; একই সাথে দূরবর্তী পার্টনার রেস্টুরেন্টগুলোর জন্যও তৈরি করছে আয়ের এক বিশাল সম্ভাবনা।
বসুন্ধরায় থেকে আপনার খেতে ইচ্ছে করতে পারেই গুলশানের সেই বিখ্যাত কাবাব। দূরত্ব বেশি হওয়ায় এতদিন যা অসম্ভব ছিল, এই নতুন ফিচারটি এখন সেই রেস্টুরেন্টের খাবারও আপনার দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে । এর মানে হলো, রেস্টুরেন্টটি শহরের অন্য প্রান্তে হলেও এখন আর আপনাকে পছন্দের খাবার থেকে বঞ্চিত হতে হবে না; ঘরে বসেই আপনি উপভোগ করতে পারবেন শহরের সেরা সব রেস্টুরেন্টের স্বাদ।
এই নতুন ফিচারটি পাঠাও-এর পার্টনার রেস্টুরেন্টগুলোর জন্য নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি করে তাদের ব্যবসা বৃদ্ধিতে একটি শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। নিয়মিত ডেলিভারি সীমা পেরিয়ে যাওয়ার সুবিধা থাকায়, রেস্টুরেন্টগুলো এখন খুব সহজেই সম্পূর্ণ নতুন এলাকার কাস্টমারদের কাছে পৌঁছাতে পারবে। ফলে তাদের ব্র্যান্ডের পরিচিতি যেমন বাড়বে, ঠিক তেমনি অর্ডারের সংখ্যা ও সামগ্রিক ব্যবসার পরিধিও আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পাবে।
ইউজারদের জন্য এই সেবাটি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ। পাঠাও ফুড অ্যাপের ভেতরেই অংশ নেওয়া রেস্টুরেন্টগুলোর নামের পাশে ‘Extra Mile Delivery’ লেবেলটি স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই নিয়মিত ডেলিভারি সীমার বাইরের রেস্টুরেন্টগুলো শনাক্ত করে অর্ডার করতে পারবেন এবং পাঠাও ফুডের একই সহজ ও নির্ভরযোগ্য অর্ডারিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন। ।
দূরত্ব, রাইডারের চাহিদা এবং রেস্টুরেন্টের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে এই অর্ডারগুলোর ডেলিভারি সময় ও ফি কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে, অর্ডার কনফার্ম করার আগেই অ্যাপ স্ক্রিনে আনুমানিক ডেলিভারি সময় এবং চূড়ান্ত ডেলিভারি ফি ইউজারদের স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দেওয়া হবে।
এই উদ্যোগটি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একদিকে যেমন গ্রাহকদের সামনে খাবারের আরও বেশি অপশন তুলে ধরছে, অন্যদিকে পার্টনার রেস্টুরেন্টগুলোর কাস্টমার রিচ বাড়াতে সাহায্য করছে, যা ফুড ডেলিভারির এক্সপেরিয়েন্সকে আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে পাঠাও ফুড-এর চলমান প্রতিশ্রুতিরই একটি প্রতিফলন। ডেলিভারির পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটি গ্রাহক এবং ব্যবসায়ী উভয় পক্ষের জন্যই দারুণ ভ্যালু তৈরি করছে।
এই ফিচারের আওতায় অর্ডারের ক্ষেত্রে ইউজাররা সম্পূর্ণ নিরাপদ ডিজিটাল প্রি-পেমেন্ট সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। একটি নির্বিঘ্ন অভিজ্ঞতার জন্য এই ফিচারে ‘পাঠাও পে’ (Pathao Pay)-কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে; তবে গ্রাহকেরা চাইলে অ্যাপে থাকা অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করেও সহজে অর্ডার কনফার্ম করতে পারবেন। এছাড়া, কোনো কারণে ডেলিভারির আগেই অর্ডার বাতিল হয়ে গেলে পাঠাও-এর স্ট্যান্ডার্ড পলিসি অনুযায়ী গ্রাহকেরা টাকা ফেরত পেয়ে যাবেন।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি জেনএক্স হেলথ লিমিটেড-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এ উপলক্ষে ব্যাংকের করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সম্পর্কিত এক চুক্তি স্বাক্ষর করে উভয় প্রতিষ্ঠান।
এই চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংকের নীরা গ্রাহক, কার্ডহোল্ডার এবং কর্মীরা জেনএক্স হেলথ লিমিটেড-এর বিভিন্ন সেবা গ্রহণে বিশেষ ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন, যা তাদের লাইফস্টাইল অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর এসইভিপি ও হেড অব লাইয়াবিলিটি অ্যান্ড ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট শায়লা আবেদীন এবং জেনএক্স হেলথ লিমিটেড-এর ডা. মুনিয়া আমিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর উইমেন ব্যাংকিং নীরা’র বিজনেস ডেভলপমেন্ট ও প্রিপোজিশন ম্যানেজার ফাতেমা আক্তার নাজ; জেনএক্স হেলথ লিমিটেড-এর ডেপুটি ম্যানেজার (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড এডমিন) কাজী আরিফুল ইসলাম; অ্যাসিস্টেন্ট ম্যানেজার (বিজনেজ ডেভলপমেন্ট) আব্দুল্লাহ ইউসুফ সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বর্তমান বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টর ও মেমোরি চিপের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার ফলে স্মার্টফোন বাজারে বাড়ছে খরচ, বাড়ছে দামের চাপ। যার ফলে অনেক দেশে বাড়ছে স্মার্টফোনের দাম। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশেও জুলাই থেকে কর পরিবর্তনের কারণে স্মার্টফোনের বাজারে দাম বাড়তে পারে। যেখানে অন্য স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে , সেখানে এআই-চালিত গ্লোবাল প্রিমিয়াম স্মার্ট ইকোসিস্টেম ব্র্যান্ড টেকনো হাঁটছে ভিন্ন পথে। দেশের আরও বেশি মানুষের হাতে উন্নত প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে টেকনো ১ জুলাই থেকে ক্যামন ও পোভা সিরিজের দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
৩০ জুন কর ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এবং বিশ্বজুড়ে চিপ, প্রসেসর, মাদারবোর্ড ও ব্যাটারির মতো প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের দাম বাড়তে থাকায় অনেক কোম্পানি এখন ফোনের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছে।
গ্রাহকদের এই বাড়তি চাপ থেকে স্বস্তি ও উন্নত প্রযুক্তি সহজলভ্য করতে, ১ জুলাই থেকে টেকনোর প্রিমিয়াম সিরিজের ফোন মিলবে আরও কম দামে। এর মধ্যে অতি জনপ্রিয় একটি ডিভাইস হলো ক্যামন ৫০। ক্যামন ৫০ (২৫৬+৮ জিবি) এর আগে দাম ছিলো ৩৮,৯৯৯ যা এখন পাওয়া যাবে ৩৬,৯৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য) এবং ক্যামন ৫০ (১২৮+৮ জিবি) এর আগের দাম ছিলো ৩৪,৯৯৯ বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ৩১,৯৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য) যার ফলে সবার জন্য ফ্লাগশিপ মানের ক্যামেরার অভিজ্ঞতা হবে আরও সহজলভ্য। এই অফারটি সীমিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য।
অনেকে যখন বৈশ্বিক খরচ বৃদ্ধির এবং স্থানীয় বাজারের চাপের কারণে স্মার্টফোনের দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, টেকনো একটি ভিন্ন পথে যাচ্ছে। নির্বাচিত ডিভাইসের দাম কমিয়ে, ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য উদ্ভাবনী প্রযুক্তি আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছে। জুলাই মাস থেকে সম্ভাব্য দাম পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে, টেকনো -এর এই সিদ্ধান্ত দেখায় যে, উদ্ভাবন, পারফরম্যান্স এবং মান বজায় রেখে অতিরিক্ত খরচ সরাসরি গ্রাহকের ওপর চাপানো ছাড়াই ব্যবসা করা সম্ভব।
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড সম্প্রতি ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে, যার অধীনে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং বার্জার ফসরক লিমিটেড ৪৫ তলা উচ্চতার বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ভবন টিএ টাওয়ার এবং কোম্পানির আসন্ন ও চলমান আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্পগুলোর জন্য সম্পূর্ণ কোটিং ও রঙ সম্পর্কিত সমাধান প্রদান করবে, যা বিশ্বমানের গুণমান, স্থায়িত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদী কার্যকারিতা নিশ্চিত করবে। । এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ও ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেড দেশের রিয়েল এস্টেট শিল্পের একটি আইকনিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে যাচ্ছে।
সমঝোতা স্মারকে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী, চিফ অপারেটিং অফিসার অ্যান্ড ডিরেক্টর এবং ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন রবিউল হক, ম্যানেজিং ডিরেক্টর। চুক্তিটি ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের কর্পোরেট অফিসে স্বাক্ষরিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, "বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভবন টিএ টাওয়ারের মতো একটি আইকনিক প্রকল্পে ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে আমরা গর্বিত। বার্জার সবসময় আধুনিক নির্মাণ শিল্পের চাহিদা পূরণে বিশ্বমানের কোটিং সল্যুশন প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের সমাধান ভবনের সৌন্দর্য, সুরক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করবে।"
অনুষ্ঠানে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন একেএম সাদেক নেওয়াজ- চিফ বিজনেস অফিসার; শাব্বীর আহমাদ- জেনারেল সেলস ম্যানেজার – কর্পোরেট সেলস অ্যান্ড সার্ভিস; আসাদুর রহমান- হেড – কর্পোরেট সেলস; মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির- এরিয়া ম্যানেজার – কর্পোরেট সেলস; এবং রাবাত হোসেন- টেরিটরি ম্যানেজার – কর্পোরেট সেলস, । ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, তানভীর রেজা- চেয়ারম্যান; মো: নূরুল হুদা- ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো: অহিদুল ইসলাম তালুকদার (অব:)- এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর; ফাহাদ আল রহমান সুহাস- ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (পারচেজ, প্রোকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিকস); এবং মো. রাজিব খন্দকার- অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (কনস্ট্রাকশন)।
অনলাইন পেমেন্টকে আরও নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত করতে বাংলাদেশে ‘ভিসা পেমেন্ট পাসকি’ চালু করেছে বৈশ্বিক ডিজিটাল পেমেন্ট প্রতিষ্ঠান ভিসা। ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল) এবং ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় চালু হওয়া এই সেবার মাধ্যমে অনলাইন লেনদেনের সময় প্রচলিত ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) ছাড়াই পরিচয় যাচাই করা যাবে।
নতুন এই প্রযুক্তিতে গ্রাহকরা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসে থাকা ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আইডি অথবা পিন ব্যবহার করে সহজেই লেনদেনের অনুমোদন দিতে পারবেন। ফাস্ট আইডেন্টিটি অনলাইন (FIDO) মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই ব্যবস্থা অনলাইন পেমেন্টকে আরও দ্রুত ও নিরাপদ করবে বলে জানিয়েছে ভিসা।
ভিসার বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশে ই-কমার্স ও ডিজিটাল পেমেন্ট দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু অনলাইন লেনদেনের সময় পরিচয় যাচাইয়ের ধাপটি অনেক ক্ষেত্রেই গ্রাহকদের জন্য সময়সাপেক্ষ ও জটিল হয়ে ওঠে। ভিসা পেমেন্ট পাসকি সেই অভিজ্ঞতাকে সহজ করবে। এতে গ্রাহকরা দ্রুত ও নিরাপদভাবে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন, মাঝপথে লেনদেন বাতিল হওয়ার ঘটনাও কমে আসবে, পাশাপাশি সফল পেমেন্টের হারও বাড়বে।”
ভিসার তথ্য অনুযায়ী, ওটিপিভিত্তিক প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় পেমেন্ট পাসকি ব্যবহারে অনলাইন লেনদেন সম্পন্ন করতে কম ধাপ অতিক্রম করতে হবে। এর ফলে লেনদেন মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমবে।
একবার নিবন্ধন সম্পন্ন করলেই গ্রাহকরা অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন মার্চেন্ট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একই ধরনের অথেনটিকেশন সুবিধা পাবেন। প্রযুক্তিটি প্রধান অপারেটিং সিস্টেম ও ওয়েব ব্রাউজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বিশ্বজুড়ে ফাস্ট আইডেন্টিটি অনলাইন (FIDO) সমর্থিত বিলিয়ন সংখ্যক ডিভাইসে ব্যবহার করা যাবে।
ভিসা জানিয়েছে, বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপদ, সহজ এবং ব্যবহারবান্ধব পেমেন্ট প্রযুক্তি বাজারে আনতে তারা কাজ করে যাচ্ছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে এমন উদ্ভাবনী সমাধান চালুর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
দেশের অন্যতম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন ভিন্নধর্মী ফটোগ্রাফির স্বীকৃতি হিসেবে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মেকাট্রনিক্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান তালহাকে ১০ হাজার টাকার গিফট প্রদান করেছে।
ঢাকার ডেমরার বাসিন্দা তালহা সম্প্রতি স্বপ্ন লোগোকে কেন্দ্র করে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ছবি তোলেন। তার এই ছবিতে অন্ধকার ও প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে চাঁদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নকে তুলে ধরা হয়েছে, যা স্বপ্ন ব্র্যান্ডের মূল দর্শন—স্বপ্ন দেখা, আশা, অগ্রযাত্রা ও সম্ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
তার এই ব্যতিক্রমী সৃজনশীল উদ্যোগ এবং স্বপ্ন ব্র্যান্ডকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ১০ হাজার টাকা সমপরিমান গিফট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ বিষয়ে স্বপ্নের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, "যে কোনো ইতিবাচক ও সৃজনশীল উদ্যোগকে আমরা সবসময় উৎসাহিত করি। তালহার কাজটি শুধু একটি আলোকচিত্র নয়, এটি স্বপ্ন, আশা এবং প্রতিকূলতা জয় করার অনুপ্রেরণার প্রতীক। তরুণদের এমন সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগকে সম্মান জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত।"
তরুণদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং ইতিবাচক উদ্যোগকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে সমাজে অনুপ্রেরণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে স্বপ্ন ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগের পাশে থাকবে।
দেশজুড়ে ক্যশলেস লেনদেন এবং বাংলা কিউআর ব্যবহারে উৎসাহিতকরণে প্রচারাভিযান শুরু করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। রোববার, ০৫ জুলাই, ২০২৬ তারিখে প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে মতিঝিল এলাকায় একটি র্যালি বের করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রচারণা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ। এসময় ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিওও মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদারসহ উধ্বর্তন কর্মকর্তারা অংশ নেন। র্যালি শেষে স্থানীয় দোকানদের বিল গ্রহণের জন্য ‘বাংলা কিউআর’ প্রদান করা হয়।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ বলেন, ‘এক দেশ, এক কিউআর’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘বাংলা কিউআর’ চালু করেছে। সম্পূর্ণ ক্যাশলেন এই ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা পেমেন্ট সিস্টেমকে আরও সহজ ও নিরাপদ করেছে। এনআরবিসি ব্যাংকের প্লানেট অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকরা খুব সহজেই বাংলা কিউআরে পেমেন্ট করতে পারছেন। ফুটপাতের ক্ষুদ্র দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন দোকান ও শপিংমলে এনআরবিসি ব্যাংক বাংলা কিউআর সরবারহ করছে যাতে দোকানীরা সহজেই পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন।
বাংলাদেশে কার্যরত চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিশেষায়িত ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ এবং দেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) উৎসাহিত করার লক্ষ্যে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) এবং ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (ওসিএআইবি)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সম্প্রতি ঢাকায় এমটিবি’র কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমটিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং ওসিএআইবি-এর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স ওয়াই. সি. চ্যাং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এই সমঝোতার আওতায় এমটিবির বিশেষায়িত চায়না ডেস্ক-এর মাধ্যমে ওসিএআইবি-এর সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবেদিত ও পরামর্শভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রেড ফাইন্যান্স, বৈদেশিক রেমিট্যান্স, ট্রেজারি সেবা, হিসাব পরিচালনা এবং প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) সংক্রান্ত বিশেষায়িত পরামর্শসহ প্রয়োজনভিত্তিক বিভিন্ন ব্যাংকিং সমাধান।
অনুষ্ঠানে এমটিবির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হোলসেল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান, মোহাম্মদ মামুন ফারুক, এমএনসি ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান, ইন্তেখাব আলম জিলানী, হোলসেল ব্যাংকিং বিভাগের ক্লাস্টার প্রধান, মাসরু হোসেন, কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান,মোঃ রজার ইবনে আজাদ, সিনিয়র রিলেশনশিপ ম্যানেজার, কাজী সাবরীম হোসেন, রিলেশনশিপ ম্যানেজার, মোহাম্মদ জুনায়েদ এমরান এবং চায়না ডেস্কের রিলেশনশিপ ম্যানেজার, কামরুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
ওসিএআইবি-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ওসিএআইবি-এর প্রেসিডেন্ট, ফেলিক্স ওয়াই. সি. চ্যাং, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি জেনারেল, ভিভিয়ান হুয়াং, ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল, লি তাই পেং (ইভান), ভাইস প্রেসিডেন্ট, লিসা লু এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, স্টিভেন ঝ্যাং। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে এবং বিশেষায়িত ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে দেশে অধিকতর বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য একাধিক বিশেষ অফার ঘোষণা করেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি।
রজতজয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে জুলাইজুড়ে এসএমই ঋণের প্রসেসিং ফির ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় দেবে ব্যাংকটি। পাশাপাশি নির্বাচিত ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য থাকছে প্রিমিয়াম ডাইনিং অফার।
ব্র্যাক ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি জুলাইয়ে আবেদন করা সব এসএমই ঋণের প্রসেসিং ফির ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন গ্রাহকরা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়ন আরো সহজ ও সাশ্রয়ী করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এছাড়া নির্ধারিত ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ প্রিমিয়াম ডাইনিং ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে ব্যাংকটি। এর আওতায় ৩ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত দেশের পাঁচটি পাঁচতারকা হোটেলে বুফে ডিনারে ‘বাই ওয়ান, গেট থ্রি ফ্রি’ অফার উপভোগ করা যাবে। এটি ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট, ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা, র্যাডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ, শেরাটন ঢাকা এবং দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় প্রযোজ্য হবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘রজতজয়ন্তী উদযাপন মূলত গত ২৫ বছর গ্রাহকদের অবিচল আস্থারই প্রতিফলন। উদ্ভাবনী, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবার এ পথচলায় আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ এ বিশেষ অফারগুলো দেয়া হয়েছে।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ব্র্যাক ব্যাংক তার ২৫ বছরের গৌরবময় পথচলার ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও গ্রাহকদের জন্য আরো অর্থবহ ও আকর্ষণীয় ব্যাংকিং সেবা চালু করবে।
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের ৪৬১তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পর্ষদ চেয়ারম্যান খাজা শাহরিয়ার। আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় ব্যাংকের সার্বিক ব্যবসা পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় পর্ষদ পরিচালক মো. শাহীন উল ইসলাম, মো. আবদুল ওয়াদুদ, অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ ও মোহাম্মদ আশরাফুল হাছান এবং পর্যবেক্ষক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (আইবিআরপিডি) মুহাম্মদ আনিছুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যদের মধ্যে ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাফাত উল্লা খান এবং কোম্পানি সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাহীরা।