শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে নারীর ক্ষমতায়ন শীর্ষক সেমিনার

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২০ মার্চ, ২০২৪ ১৩:১৮

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের আয়োজনে গত ১৪ মার্চ ‘এমপাওয়ারিং ওমেন: রোল অব ল্যান্ড ওনারশিপ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এই সেমিনারে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ড. কাজী তানভীর মাহমুদ একটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের আইন উপদেষ্টা শামিমা ফেরদৌস মিলি। সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ এন এম মেশকাত উদ্দীন সেশনে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট বিজনেস স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম এবং স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম মফিজুল ইসলাম। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

নির্বাচিত

প্র্যাবের নতুন সভাপতি ইয়াহিয়া মির্জা, সম্পাদক নজরুল ইসলাম

রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে বণিক বার্তা আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়
ছবি: ইয়াহিয়া মির্জা ও নজরুল ইসলাম
আপডেটেড ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ব্যাংকগুলোর জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তাদের সংগঠন পাবলিক রিলেশনস অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (প্র্যাব) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সিটি ব্যাংক পিএলসির হেড অব পিআর অ্যান্ড মিডিয়া ইয়াহিয়া মির্জা এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান নজরুল ইসলাম।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে বণিক বার্তা আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। প্র্যাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান টিপু নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আতাউর রহমান, সদ্যবিদায়ী সভাপতি শামসুদ্দোহা শিমু ও সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ স্বপনসহ জ্যেষ্ঠ সদস্যরা।

২০১১ সালে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের ব্র্যান্ড ও কমিউনিকেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্র্যাবের যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটি সাধারণত ৩৩ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। প্রতি দুই বছর পর এ কমিটি গঠন করা হয়। দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের জনসংযোগ ও ব্র্যান্ডিং প্রধান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চপদস্থ জনসংযোগ কর্মকর্তারা কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

প্র্যাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান টিপু জানান, আগামী নভেম্বরে বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) মাধ্যমে সংগঠনটির ৩৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে।

বণিক বার্তা আয়োজিত এ প্রীতি সম্মেলনে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জনসংযোগ বিভাগে কর্মরত দুই শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন।


নির্বাচিত

চট্টগ্রামের খাবার, বাজার ও কেনাকাটায় আস্থা ও স্বস্তির নাম ফুডি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

চট্টগ্রামের অনলাইন অর্ডারের বাজারে এই মুহূর্তে শুধু দ্রুততা বা ছাড় নয়, আরেকটি বিষয়ও জোর আলোচনায় এসেছে, সেটি হলো আস্থা। রেস্তোরাঁ কতটা স্বচ্ছ হিসাব পাচ্ছে, গ্রাহক কতটা নির্ভরযোগ্য সেবা পাচ্ছেন এবং কোনো সমস্যা হলে কার সঙ্গে কথা বলা যাচ্ছে, এসব প্রশ্ন এখন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

চট্টগ্রামে ফুডির গল্পটি নতুনভাবে দেখা যায়। কারণ ফুডির সেবা এখন শুধু রেস্তোরাঁর খাবার অর্ডারে সীমাবদ্ধ নয়। খাবারের পাশাপাশি ফুডি মার্টের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার এবং ফুডি শপের মাধ্যমে বিভিন্ন দৈনন্দিন পণ্য অর্ডারের সুযোগও রয়েছে। ফলে একটি প্ল্যাটফর্মের শক্তি শুধু খাবার পৌঁছে দেওয়ায় নয়, রেস্তোরাঁ, দোকান, রাইডার এবং গ্রাহকের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক তৈরি করাতেও। চট্টগ্রামে এই আস্থা ও স্বস্তির জায়গাতেই ফুডি নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে চাইছে আগ্রাবাদ, GEC, EPZ সহ শহরজুড়ে বিভিন্ন এলাকায়।

সারা বছরজুড়ে অফারে বাড়তি সাশ্রয়

চট্টগ্রামের গ্রাহকদের জন্য ফুডিতে সারা বছরজুড়েই বিভিন্ন ধরনের অফার ও সাশ্রয়ের সুযোগ থাকে। কখনো নির্বাচিত রেস্তোরাঁয় ৫০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, কখনো বিনামূল্যে ডেলিভারি, আবার কখনো একটি কিনলে একটি পাওয়ার সুযোগসহ বিভিন্ন ধরনের অফার দেখা যায়। অফারের ধরন, রেস্তোরাঁ এবং প্রযোজ্য শর্ত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই অর্ডারের সময় অ্যাপে চলমান অফারের বিস্তারিত দেখে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।

এই সুবিধার ব্যবহারিক মূল্য বুঝতে জটিল হিসাব লাগে না। একজন মানুষ হয়তো অফিসে কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে দুপুরের খাবার অর্ডার করছেন। একটি পরিবার রাতে বাইরে না গিয়ে বাসায় খাবার আনাচ্ছে। বন্ধুরা একসঙ্গে কয়েকটি পদ নিচ্ছেন। আবার কেউ হয়তো ফুডি মার্ট থেকে প্রয়োজনীয় বাজার করছেন। এসব ক্ষেত্রেই চলমান অফার মোট খরচে বাড়তি সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করে।

ফুডির ক্ষেত্রে অফার শুধু বিশেষ কোনো প্রচারণার সময়ের বিষয় নয়। বছরজুড়ে বিভিন্ন ধরনের অফার চলতে থাকায় ব্যবহারকারীরা নিয়মিতভাবেই সাশ্রয়ের সুযোগ পান। তবে অফার মানুষকে অ্যাপ খুলতে উৎসাহ দিতে পারে, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরি করে পুরো অভিজ্ঞতা। অর্ডার ঠিকমতো আসা, পছন্দের রেস্তোরাঁ পাওয়া, অর্ডারের অবস্থা জানা এবং সমস্যা হলে সহায়তা পাওয়া, এসবই ঠিক করে একজন ব্যবহারকারী আবার ফিরবেন কি না।

চট্টগ্রামের খাবারের বৈচিত্র্যই বড় শক্তি

চট্টগ্রামকে শুধু মেজবান দিয়ে বোঝা যায় না, যদিও মেজবান শহরটির খাদ্যপরিচয়ের বড় অংশ। এখানে পুরোনো রেস্তোরাঁ আছে, নতুন প্রজন্মের খাবারের দোকান আছে, কাবাব, বিরিয়ানি, ভাতের খাবার, সামুদ্রিক খাবার, বার্গার, পিৎজা এবং নানা ধরনের নাশতার নিজস্ব বাজার আছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের কাজ এই বৈচিত্র্যকে এক রকম করে দেওয়া নয়। বরং মানুষ যেন নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাছাকাছি রেস্তোরাঁ খুঁজে নিতে পারেন, সেই পথ সহজ করা।

ফুডিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় ও পরিচিত রেস্তোরাঁ পাওয়া যায়। তালিকা সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্থানীয় রেস্তোরাঁর উপস্থিতি। কারণ চট্টগ্রামের খাবারের বাজার শুধু কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের ওপর দাঁড়িয়ে নেই। পাড়ার পরিচিত দোকান, পারিবারিক রেস্তোরাঁ এবং নতুন উদ্যোক্তার রান্নাও এই শহরের খাবারের গল্পের অংশ।

রেস্তোরাঁর আস্থা গ্রাহকের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ

একজন গ্রাহক সাধারণত রেস্তোরাঁ ও প্ল্যাটফর্মের বাণিজ্যিক চুক্তি নিয়ে ভাবেন না। তিনি শুধু চান অর্ডারটি ঠিকমতো আসুক। কিন্তু পর্দার আড়ালের সম্পর্কটি ভালো না হলে তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত গ্রাহকের অভিজ্ঞতায় পড়তে পারে। রেস্তোরাঁ যদি মনে করে হিসাব পরিষ্কার নয়, পাওনা পেতে সমস্যা হচ্ছে কিংবা কোনো অর্ডারের দায় অন্যায্যভাবে তার ওপর পড়ছে, তাহলে সেই অসন্তোষ পুরো ব্যবস্থাকে দুর্বল করে।

যে প্ল্যাটফর্ম রেস্তোরাঁকে অংশীদার হিসেবে সম্মান দেয়, স্বচ্ছতার জায়গা রাখে এবং গ্রাহকের সেবাকেও সমান গুরুত্ব দেয়, তার জন্য আস্থা তৈরি করা তুলনামূলক সহজ হয়। ফুডির নাম সাম্প্রতিক আলোচনায় স্থানীয় তুলনা হিসেবে আসা তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। তবে সেই আস্থা ধরে রাখতে হলে বাস্তব অভিজ্ঞতাতেও একই মান বজায় রাখতে হবে।

স্থানীয় পরিচয়ও এখানে গুরুত্বপূর্ণ

চট্টগ্রামের মানুষ নিজের শহরের খাবার নিয়ে গর্ব করেন। সেই কারণে স্থানীয় বাজারে সফল হতে হলে শুধু জাতীয় পর্যায়ের বড় রেস্তোরাঁ দেখালেই হবে না। পরিচিত স্থানীয় নাম, এলাকার জনপ্রিয় খাবার এবং নতুন উদ্যোক্তার উপস্থিতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি শহরের খাবারের অ্যাপ তখনই সত্যিকারের স্থানীয় মনে হয়, যখন ব্যবহারকারী সেখানে নিজের শহরের পরিচিত স্বাদ দেখতে পান। ফুডির জন্য চট্টগ্রামে এই স্থানীয় পরিচয় ধরে রাখা শুধু বৈচিত্র্যের প্রশ্ন নয়, আস্থারও প্রশ্ন।

খাবারের পাশাপাশি বাজারের প্রয়োজনও

চট্টগ্রামে ফুডির উপস্থিতি রেস্তোরাঁর খাবারে সীমাবদ্ধ নয়। ফুডি মার্ট শহরটিতে দৈনন্দিন বাজারের প্রয়োজন মেটাতেও ভূমিকা রাখছে। দুপুরে রেস্তোরাঁ থেকে খাবার অর্ডার করা হলো, রাতে দেখা গেল দুধ শেষ। পরদিন সকালের জন্য ডিম দরকার কিংবা রান্নার তেল নেই। একই পরিচিত অ্যাপে খাবারের পাশাপাশি বাজারের প্রয়োজন মেটানো গেলে আলাদা সেবা খোঁজার ঝামেলা কমে আসে।

ফুডি মার্টে সময়ভেদে ফ্ল্যাশ সেলের আয়োজনও থাকে, যেখানে নির্বাচিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে সীমিত সময়ের বিশেষ ছাড় পাওয়া যেতে পারে। কোন পণ্যে কত ছাড় এবং কতক্ষণ সুযোগটি থাকবে, সেটি অ্যাপে দেখে নেওয়াই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। খাবারের অফারের পাশাপাশি বাজারেও এমন সাশ্রয়ের সুযোগ ফুডিকে চট্টগ্রামের দৈনন্দিন প্রয়োজনের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে।

ফুডি শপে খাবারের বাইরের প্রয়োজন

দৈনন্দিন প্রয়োজন সবসময় খাবার কিংবা বাজারে শেষ হয় না। কখনো ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্য দরকার হতে পারে, কখনো ছোট উপহার, ফ্যাশন সামগ্রী, ইলেকট্রনিকস কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনীয় পণ্য। ফুডি শপ এই জায়গাটিকেও একই অ্যাপের মধ্যে আনার চেষ্টা করছে।

ফলে চট্টগ্রামের একজন ব্যবহারকারী একই প্ল্যাটফর্মে খাবার, বাজার এবং নির্বাচিত দোকানের বিভিন্ন পণ্য দেখতে পারেন। এই সমন্বয়ই ফুডিকে শুধু খাবার সরবরাহের অ্যাপ না রেখে দৈনন্দিন অর্ডারের একটি বড় পরিসরে নিয়ে যায়। তবে দোকান ও পণ্যের প্রাপ্যতা এলাকাভেদে বদলাতে পারে। নিজের ঠিকানা অনুযায়ী অ্যাপে কী পাওয়া যাচ্ছে, সেটিই ব্যবহারকারীর জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য।

একটি অর্ডারের পেছনে একাধিক পক্ষ

অ্যাপে একটি অর্ডার দেখতে খুব ছোট। একটি বোতাম চাপা হলো। রেস্তোরাঁ বা দোকান অর্ডার প্রস্তুত করল। রাইডার নিয়ে এলেন। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি অর্ডারের পেছনে একাধিক পক্ষ কাজ করে। গ্রাহক চান সময়মতো সঠিক অর্ডার। রেস্তোরাঁ ও দোকান চায় ন্যায্য শর্তে বিক্রি এবং সময়মতো পাওনা। রাইডার চান সুষ্ঠু কাজের পরিবেশ ও আয়।

এই জায়গাগুলোর ভারসাম্য যত ভালো হবে, পুরো সেবার মান তত শক্ত হবে। চট্টগ্রামে ফুডির জন্য বড় সুযোগ এখানেই। শুধু প্রতিযোগীর জায়গা নেওয়া নয়, বরং এমন একটি স্থানীয় সেবার অভিজ্ঞতা তৈরি করা যেখানে রেস্তোরাঁ, দোকান, রাইডার এবং গ্রাহক সবাই স্বস্তি পান।

দ্রুত সেবার শেষ ধাপটি রাইডারের হাতে

চট্টগ্রামের মতো ব্যস্ত শহরে একটি অর্ডারের সুবিধা অ্যাপে বোতাম চাপার মধ্যেই শেষ হয় না। রেস্তোরাঁ থেকে খাবার সংগ্রহ করা, ফুডি মার্ট থেকে বাজারের প্যাকেট নেওয়া কিংবা নির্বাচিত দোকান থেকে অর্ডার সংগ্রহ করে সঠিক ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়ার শেষ দায়িত্বটি সামলান রাইডাররা। অফিসে দুপুরের খাবার, বাসায় রাতের আহার, হঠাৎ প্রয়োজনীয় বাজার কিংবা অন্য কোনো ছোট কেনাকাটা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই গ্রাহককে বাইরে বের হতে না হওয়াটাই বড় সুবিধা।

একজন রাইডার অর্ডার পৌঁছে দিলে তিনি শুধু একটি পণ্য সরবরাহ করেন না। গ্রাহকের সময় বাঁচান, যাতায়াতের ঝামেলা কমান এবং অ্যাপে শুরু হওয়া পুরো সেবাটিকে বাস্তব অভিজ্ঞতায় পরিণত করেন। চট্টগ্রামে ফুডির আস্থা ও স্বস্তির গল্পে তাই রেস্তোরাঁ, ফুডি মার্ট, ফুডি শপ এবং অফারের পাশাপাশি রাইডারদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।

১৬২৯৫ নম্বরে একজন মানুষের কাছে পৌঁছানো

গ্রাহকের আস্থার আরেকটি পরীক্ষা হয় যখন কিছু পরিকল্পনামতো চলে না। ঠিকানা নিয়ে বিভ্রান্তি হতে পারে, অর্ডারের অবস্থান জানতে হতে পারে কিংবা রেস্তোরাঁ বা দোকানের কোনো তথ্য পরিষ্কার করা দরকার হতে পারে। ফুডির গ্রাহক সহায়তা নম্বর ১৬২৯৫। প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারী সরাসরি এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। অ্যাপের ভেতরেও সহায়তার সুযোগ রয়েছে।

মানুষের সঙ্গে কথা বলার এই ব্যবস্থা ছোট বিষয় মনে হতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ অর্ডারই সময়নির্ভর। রাতের খাবার, জরুরি বাজার কিংবা প্রয়োজনীয় কোনো পণ্যের সমস্যার উত্তর মানুষ পরদিন চান না। দ্রুত এবং মানবিক সহায়তা তাই আস্থার অংশ।

চট্টগ্রামের জন্য স্বস্তির নতুন অর্থ

চট্টগ্রামে অনলাইন অর্ডারের স্বস্তি এখন শুধু একজন রাইডার খাবার নিয়ে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্বস্তি হলো পছন্দের রেস্তোরাঁ পাওয়া, প্রয়োজনের বাজার একই অ্যাপে পাওয়া, ফুডি শপ থেকে দৈনন্দিন অন্য কোনো পণ্য খুঁজে নেওয়া, অর্ডারের অবস্থান জানা এবং প্রয়োজনে একজন মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারা।

সারা বছরজুড়ে চলমান বিভিন্ন অফার গ্রাহকের জন্য বাড়তি সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করে। কখনো বড় ছাড়, কখনো বিনামূল্যে ডেলিভারি, কখনো একটি কিনলে একটি পাওয়ার সুযোগ, আবার ফুডি মার্টে ফ্ল্যাশ সেল। তবে দীর্ঘমেয়াদে ফুডির শক্তি হলো খাবার, বাজার ও কেনাকাটাকে রাইডার সেবা এবং মানবিক সহায়তার সঙ্গে এক জায়গায় সহজভাবে পাওয়া।


নির্বাচিত

"তারল্য সংকট কাটিয়ে আস্থা ফিরছে ন্যাশনাল ব্যাংকে, বাড়ছে আমানত"

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দীর্ঘদিনের তারল্য সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমে ফিরছে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটির প্রতি গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে যেমন নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ, তেমনি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কার্যক্রমও চলছে। এরই মধ্যে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানিয়েছে, বর্তমানে টাকা উত্তোলনের চেয়ে জমার পরিমাণ বেড়েছে। গ্রাহকদের এই ইতিবাচক সাড়া ব্যাংকটির ঘুরে দাঁড়ানোর পথে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

জানা গেছে, গত ১৫ অক্টোবর ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর সব শাখায় আসা গ্রাহকদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা এবং ব্যাংকটির প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এ উদ্যোগ।

দীর্ঘদিনের গ্রাহকের জন্য নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ তুলতে পারা যেমন স্বস্তির, তেমনি ব্যাংকটির জন্যও তা গ্রাহকসেবা স্বাভাবিক করার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কারণ, আর্থিক সংকটের সময়ে গ্রাহকদের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়, তা কাটিয়ে উঠতে নিয়মিত লেনদেন ও আমানত ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে ন্যাশনার ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রাহকদের আস্থায় আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংক। বর্তমানে উত্তোলনের তুলনায় আমানত জমার পরিমাণ বেশি বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংকটির মতে, গ্রাহকদের এই সাড়া তাঁদের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিফলন। একই সঙ্গে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও উন্নত সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থার মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকারও করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।


নির্বাচিত

মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল কৃষি ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

কার্ডভিত্তিক আধুনিক ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে সরকারি ব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রথম মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স পেল।

গতকাল মঙ্গলবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে মাস্টারকার্ডের পক্ষে দক্ষিণ এশিয়ার ডিভিশন প্রেসিডেন্ট ও ভারতের কান্ট্রি করপোরেট অফিসার গৌতম আগরওয়াল বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলীর কাছে লাইসেন্স হস্তান্তর করেন। কৃষি ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

লাইসেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী বলেন, ‘মাস্টারকার্ডের লাইসেন্স প্রাপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলো। এর মাধ্যমে গ্রাহকের কার্ডভিত্তিক লেনদেনের সুযোগ সম্প্রসারণসহ ক্যাশলেস পেমেন্ট সেবা সহজলভ্য করার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।’

মাস্টারকার্ডের দক্ষিণ এশিয়ার ডিভিশন প্রেসিডেন্ট ও ভারতের কান্ট্রি করপোরেট অফিসার গৌতম আগরওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব দেশের আরও বেশি মানুষের কাছে ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা পৌঁছে দিতে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রহিম, মোহাম্মদ খালেদুজ্জামান ও আবু সাঈদ মো. রওশানুল হক, মাস্টারকার্ডের শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের কান্ট্রি ম্যানেজার সানদুন হাপুগোদা ও আইসিটি মহাবিভাগের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন রাজীবসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিষয়:

নির্বাচিত

মাস্টহেড পিআর-এর চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড গ্রোথ অফিসার হিসেবে যোগ দিলেন আশিক ইকবাল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় জনসংযোগ ও কৌশলগত যোগাযোগ প্রতিষ্ঠান মাস্টহেড পিআর-এর চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড গ্রোথ অফিসার (সিএসজিও) হিসেবে যোগ দিয়েছেন আশিক ইকবাল। নতুন দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি টপ অব মাইন্ড (টম) গ্রুপের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও কৌশলগত প্রকল্প বাস্তবায়নেও কাজ করবেন।

মার্কেটিং কমিউনিকেশনস, জনসংযোগ, বিটিএল কমিউনিকেশনস, ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার এবং ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি অর্জনে তাঁর প্রায় দুই দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

কর্মজীবনে তিনি পুবলিসিস মিডিয়া (স্টারকম ওয়ার্ল্ডওয়াইড), মেটলাইফ, এআইএস, সিন্দাবাদ ডটকম, স্যামসাং ইলেকট্রনিকস এবং বাংলালিংক (ভিওন)-এর মতো দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বস্থানীয় পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে আশিক ইকবাল বাংলালিংক-এ ১২ বছরের বেশি সময় কাজ করেছেন। সেখানে তিনি মার্কেটিং কমিউনিকেশনস, ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ও গ্রাহক সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে হেড অব মার্কেটিং কমিউনিকেশন (বিটিএল অ্যান্ড ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন) পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

আশিক ইকবাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। এ ছাড়া তিনি সুইডেনের এলএনইউ থেকে মার্কেটিংয়ে দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

নতুন দায়িত্বে তিনি মাস্টহেড পিআর-এর কৌশলগত পরিকল্পনা ও ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেবেন। তাঁর কাজের মূল লক্ষ্য হবে কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত যোগাযোগসেবার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা।

আশিক ইকবালের এই নিয়োগের মাধ্যমে বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের অংশীদারদের জন্য উদ্ভাবনী ও সমন্বিত যোগাযোগসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার তুলে ধরেছে মাস্টহেড পিআর।


নির্বাচিত

ব্যাংকিং খাতে প্রথম ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করল ইউসিবি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ব্যাংকের পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব, সুশাসন এবং টেকসই অর্থায়নের চিত্র তুলে ধরে ২০২৫ সালের সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)। ব্যাংকিং খাতে প্রথমবারের মতো ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সংস্করণসহ প্রকাশিত এ প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘ট্রান্সফর্মিং ইনটেন্ট ইনটু প্ল্যানেটারি ইমপ্যাক্ট’। এটি ইউসিবির তৃতীয় সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট।

সম্প্রতি ব্যাংকের করপোরেট অফিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউসিবির চেয়ারম্যান শরীফ জহির। এ সময় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন প্রকাশের মানদণ্ড আইএফআরএস এস ১ এবং এস ২ (IFRS S1 & S2) অনুসরণ করে তৈরি এ প্রতিবেদনে ২০২৫ সালে ইউসিবির পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসনসংক্রান্ত কার্যক্রম, জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই অর্থায়নের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইউসিবি টেকসই অর্থায়ন খাতে ১৭,৯২৭ কোটি ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করেছে, যা ব্যাংকটির মোট ঋণ বিতরণের ৭২.২৯ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ২০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এ হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

একই সময়ে ব্যাংকটি গ্রিন ফাইন্যান্স বা পরিবেশবান্ধব খাতে ৪৮৮ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা বিতরণ করেছে। এ পরিমাণ ব্যাংকের মেয়াদি ঋণ বিতরণের ৩০.৪০ শতাংশ, যেখানে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ শতাংশ। ফলে বছর শেষে ইউসিবির গ্রিন ফাইন্যান্সের বকেয়া স্থিতি দাঁড়ায় ২,৭৪৪ কোটি ৩৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা।

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে সহায়তার অংশ হিসেবে ইউসিবি ২৭টি LEED সনদপ্রাপ্ত গ্রিন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অর্থায়ন করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২টি প্ল্যাটিনাম ও ১৩টি গোল্ড সনদপ্রাপ্ত। পাশাপাশি, দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের রপ্তানি কার্যক্রমে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রপ্তানি সুবিধা দিয়েছে ব্যাংকটি।

প্রতিবেদনে ইউসিবির কার্বন নিঃসরণ পরিমাপের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেসের সহযোগিতায় ব্যাংকটি নিজস্ব কার্যক্রম থেকে সরাসরি ও জ্বালানি ব্যবহারের কারণে সৃষ্ট কার্বন নিঃসরণ—অর্থাৎ স্কোপ ১ ও স্কোপ ২—হিসাব করেছে। অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসভিত্তিক জয়েন্ট ইমপ্যাক্ট মডেল (JIM) ফাউন্ডেশনের কাঠামো ব্যবহার করে ঋণ ও অর্থায়নের মাধ্যমে সৃষ্ট নিঃসরণ বা স্কোপ ৩ পরিমাপ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইউসিবির অর্থায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্বন নিঃসরণ ছিল ১,৯১২,২১২.০৬ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য (TCO₂e)। প্রতি কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে কার্বন নিঃসরণের ঘনত্ব ছিল ৩৭.৫২ টন TCO₂e।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যাংকটি ঋণ মূল্যায়ন ও অর্থায়ন কার্যক্রমে পরিবেশগত ঝুঁকি বিবেচনা করছে। পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ভৌত ঝুঁকি এবং কম-কার্বন অর্থনীতিতে রূপান্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যবস্থাপনা জোরদার করছে। পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে অর্থায়নের মাধ্যমে কম-কার্বন অর্থনীতিতে উত্তরণেও ভূমিকা রাখছে ইউসিবি।

অনুষ্ঠানে ইউসিবির চেয়ারম্যান শরীফ জহির বলেন, “জলবায়ু ঝুঁকির মুখোমুখি একটি দেশে পরিচালিত ব্যাংক হিসেবে ইউসিবি বিশ্বাস করে, মূলধনকে বাস্তুতন্ত্রের পুনরুদ্ধার ও টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে হবে।”

পরিবেশগত উদ্যোগের পাশাপাশি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণেও কাজ করছে ইউসিবি। বর্তমানে ব্যাংকটির ৩৪টি সৌরবিদ্যুৎচালিত শাখা ও চারটি সোলার এটিএম রয়েছে। এ ছাড়া, দেশের ৬৪টি জেলায় ৬৩০টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং গ্রাম ও শহরের উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ৫০টি বিশেষায়িত সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স হেল্প ডেস্ক পরিচালনা করছে ব্যাংকটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউসিবির বিতরণ করা ঋণ দেশের বিভিন্ন খাতে দুই লক্ষাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে। এসব কর্মসংস্থানের প্রায় ৩০ শতাংশে রয়েছেন নারী কর্মী। এ ছাড়া, ২০২৫ সালে ব্যাংকটি জাতীয় কোষাগারে ১৮,০৩০.৫৫ মিলিয়ন টাকা জমা দিয়েছে।

ইউসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামদুদুর রশীদ বলেন, ‘ইউসিবিতে আমরা টেকসই ব্যাংকিংকে কেবল করপোরেট বাধ্যবাধকতা হিসেবে দেখি না; বরং একে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের অপরিহার্য ভিত্তি মনে করি।’

ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সংস্করণ চালুর মাধ্যমে ইউসিবি তার টেকসই কার্যক্রম ও অগ্রগতির তথ্য আরও সহজে পাঠক, বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং অন্যান্য অংশীজনের কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

বাংলালিংককে অ্যাডভান্সড ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

টেলিকম অপারেটর বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের অর্থ সংগ্রহ ও লেনদেন কার্যক্রমকে আরো সহজ, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করতে প্রতিষ্ঠানটিকে অ্যাডভান্সড ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সলিউশন সেবা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল এবং বাংলালিংকের করপোরেট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ট্রেজারির পরিচালক আবু মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বলা হয়, এ অংশীদারত্বের আওতায় ব্র্যাক ব্যাংকের ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট (ভিএএম) সেবা ব্যবহার করবে বাংলালিংক, যা প্রতিষ্ঠানটির ফান্ড কালেকশন ও অটোমেটেড রিকনসিলিয়েশনকে সহজ করবে। এছাড়া করপোরেট পেমেন্ট দ্রুত করতে প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং প্লাটফর্ম ‘কর্পনেট’ সুবিধাও ব্যবহার করবে।

ব্র্যাক ব্যাংক বলছে, এসব ডিজিটাল সমাধান বাংলালিংককে তাদের প্রতিদিনের অর্থ সংগ্রহ ট্র্যাক করতে, নির্ভুলভাবে হিসাব মেলাতে এবং দ্রুত পেমেন্ট সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে। ফলে আর্থিক স্বচ্ছতা ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ বাড়বে, যা প্রতিষ্ঠানটিকে ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট এবং সঠিক ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব করপোরেট, কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং মো. আসিফ বিন ইদ্রিস; হেড অব ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং একেএম ফয়সাল হালিম এবং এরিয়া হেড তৌহিদ সারওয়ার। বাংলালিংকের পক্ষে আরো ছিলেন হেড অব করপোরেট ফাইন্যান্স মাহমুদ কবির ও কালেকশন ম্যানেজমেন্ট ম্যানেজার গোলাম আব্বাস।


নির্বাচিত

ফিফা বিশ্বকাপে পারফরম্যান্সের পর এবার টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মঞ্চ মাতাবেন সঞ্জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফরম্যান্সের পর এবার নিজের দেশ বাংলাদেশে ফিরছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ডিজে ও মিউজিক প্রডিউসার সঞ্জয় দেব। আগামী ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন সঞ্জয়।

একটি বিশেষ ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি নিজেই জানান, টেকনোর স্পেশাল গেস্ট পারফর্মার হিসেবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাতে বাংলাদেশে আসছেন তিনি। সম্প্রতি ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে ‘সির সির’ পারফর্ম করে আলোচনায় আসেন তিনি। সেই অনুষ্ঠানে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ছবি সংবলিত একটি বিশেষ জ্যাকেট পরে নিজের বাংলাদেশি পরিচয়ও তুলে ধরেন সঞ্জয়।

এ প্রসঙ্গে সঞ্জয় দেব বলেন, “ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফর্ম করা আমার জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত ছিল। তবে নিজের দেশের মানুষের সামনে পারফর্ম করার অনুভূতিটা একেবারেই আলাদা। টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সবার সঙ্গে সেই আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ভাগ করে নিতে আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমাকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য টেকনো’কে অনেক ধন্যবাদ।”

টেকনো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইস্মার্টইউ টেকনোলজি বিডি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বলেন, “সঞ্জয় বাংলাদেশের সঙ্গে নিজের শিকড়ের সম্পর্ক অটুট রেখে তাঁর মিউজিককে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেছেন। টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁকে বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ফুটবল ও মিউজিকের এমন এক শক্তি রয়েছে, যা ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মানুষকে একত্রিত করে। তাই আমরা চাই, উদ্বোধনী রাতটি দর্শকদের জন্য আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর স্মরণীয় মুহূর্তে ভরপুর হয়ে উঠুক, যা তাঁদের মনে থেকে যাবে দীর্ঘদিন।”

টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে সঞ্জয়ের পারফরম্যান্স। আন্তর্জাতিক মঞ্চ মাতানোর পর এবার দেশের দর্শকদের সামনে নিজের মিউজিকের জাদু ছড়িয়ে দিতে আসছেন তিনি। তাঁর পারফরম্যান্স দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের এই আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত ও স্মরণীয় করে তুলবে।

আগামী ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল দল।


নির্বাচিত

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির সমাপনী ও সনদ বিতরণ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

২৭ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি ব্যাংকের ট্রেনিং একাডেমিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উদ্যোগে, এডিবির অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (এসআইসিআইপি)-এর আওতাধীন উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির (ইডিপি) সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এম. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ প্রধান অতিথি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক ও প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, এসআইসিআইপি-পিএমইউ, মো. মাসুম বিল্লাহ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক ও উপপ্রকল্প পরিচালক, এসআইসিআইপি-পিএমইউ, মোহাম্মদ ওয়াসিম এবং শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির এসএমই বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান এফ. এম. নেওয়াজ আলী, ব্যাংকের কোম্পানি সচিব মো. আবুল বাশার, সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ও কৃষি বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান মো. আবদুর রহিম এবং মানবসম্পদ বিভাগ ও ট্রেনিং একাডেমির প্রধান এ. কে. এম. হাসান রহিমসহ ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (এসআইসিআইপি)-এর আওতাধীন উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ইডিপি) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২৫ জন নতুন উদ্যোক্তার মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া প্রতীকীভাবে নির্বাচিত নারী উদ্যোক্তাকে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য চেক হস্তান্তর করা হয় এবং প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে চারটি ক্যাটাগরিতে চারজন উদ্যোক্তাকে পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ট্রেনিং ভেন্যুতে একটি বর্ণাঢ্য পণ্যমেলার আয়োজন করা হয়, যেখানে ইডিপিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২৫ জন উদ্যোক্তার স্টল স্থান পায়। কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, ফ্যাশন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বেকারি ও ফাস্ট ফুড খাতের বিভিন্ন উদ্ভাবনী পণ্য প্রদর্শিত হয়, যা অতিথি, ব্যাংক কর্মকর্তা ও উপস্থিত সবার মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করে।

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দক্ষ ও যোগ্য উদ্যোক্তা তৈরির কোনো বিকল্প নেই। নতুন উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ এবং টেকসই ব্যবসায়িক উদ্যোগ গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি তার সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দেশের শিল্পায়ন, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নবীন উদ্যোক্তারা নিজেদের ব্যবসার সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিষয়:

নির্বাচিত

রেমিট্যান্স ও ডিজিটাল আর্থিক সেবা সম্প্রসারণে ওয়ান ব্যাংক ও নগদের চুক্তি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গ্রাহকদের ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের সেবার পরিধি বাড়াতে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি-এর সাথে কৌশলগত অংশীদারত্বের চুক্তি করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ।

সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে ওয়ান ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে নগদের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সরওয়ার ভূইয়া এবং ওয়ান ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জিয়াউল ইসলাম ।

এই চুক্তির ফলে ওয়ান ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরও দ্রুত ও সহজে প্রান্তিক মানুষের নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে যাবে। বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধপথে দেশে অর্থ পাঠাতে পারবেন মুহূর্তেই। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ যেকোনো স্থান থেকে নগদ গ্রাহকেরা ২৪ ঘণ্টা এই অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।

এ ছাড়া আগামীতে ওয়ান ব্যাংকের ন্যানো লোন সেবা সহ যেকোনো ঋণ ও মাসিক সঞ্চয়ের (ডিপিএস) কিস্তি নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করার সম্ভাব্যতাও যাচাই করবে দুই প্রতিষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে নগদের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সরওয়ার ভূইয়া বলেন, ‘ওয়ান ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের ফলে গ্রাহকদের কাছে নগদ ওয়ালেটের মাধ্যমে ডিজিটাল আর্থিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিধি আরও বাড়বে। বিশেষ করে ওয়ান ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স সরাসরি গ্রাহকের নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে দেওয়ার ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যেকোনো সময় এই অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন। পাশাপাশি আমরা আশা করি ঋণ ও ডিপিএসের কিস্তি পরিশোধের সুবিধা যুক্ত হলে গ্রাহকদের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেন আরও সহজ হবে।’

ওয়ান ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘সারাদেশে নগদের বিস্তৃত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যেসব প্রত্যন্ত এলাকায় ব্যাংকের ব্র্যাঞ্চ খোলা সম্ভব হয় না, সেসব এলাকাতেও নগদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স বিতরণের পাশাপাশি ঋণ ও ডিপিএসের কিস্তি পরিশোধের সুবিধা নিতে পারবেন গ্রাহকেরা। একইসঙ্গে নগদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ওয়ান ব্যাংকের ন্যানো লোন সেবা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা নিত্যনতুন সেবা চালু করতে চাই।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নগদের রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. এহসানুল হক বাশার, সিনিয়র ম্যানেজার শাহ ইমরান এবং পাইক ইকবাল হোসেন। ওয়ান ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার আহমেদ জাফর, পাবলিক সেক্টর ডিভিশনের ইভিপি এ কে এম সালাহ উদ্দিন খান, আন্তর্জাতিক বিভাগের ইন-চার্জ চৌধুরী মাকসুদুল হক, পাবলিক সেক্টর ডিভিশনের ভিপি আসমা নূরজাহান, রেমিট্যান্স বিভাগের ইন-চার্জ এ কে এম আবদুল্লাহ আল মামুনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


নির্বাচিত

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের এক সভা ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ বৃহস্পতিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন। সভায় ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আলতাফ হুসাইন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সভায় ব্যাংকের সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিষয়:

নির্বাচিত

ইপিএস বেড়েছে এনআরবিসি ব্যাংকের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ও নিট সম্পদমূল্য বেড়েছে। বুধবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পর্ষদ সভায় এ আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়ার সভাপতিত্বে সভায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. তৌহিদুল আলম খানসহ অন্য পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সমন্বিত ইপিএস শূন্য দশমিক ১০ টাকা থেকে বেড়ে শূন্য দশমিক ৫৮ টাকা হয়েছে। এ ছাড়া ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য বেড়ে ১৭ দশমিক ৪৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

আন্তঃপরিবহন সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কারা অধিদপ্তরকে ইলেকট্রিক কার্ট প্রদান মধুমতি ব্যাংকের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচির আওতায় মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬ তারিখে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার, গাজীপুর-এ আন্তঃপরিবহন সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “কারা অধিদপ্তর, ঢাকা”-এর অনুকূলে একটি ১২ আসনবিশিষ্ট ইলেকট্রিক কার্ট প্রদান করেছে মধুমতি ব্যাংক।

ঢাকার বকশীবাজারে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মধুমতি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ সফিউল আজম আনুষ্ঠানিকভাবে ইলেকট্রিক কার্টটি কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আনোয়ারুল কবীর, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি-এর নিকট হস্তান্তর করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার জনাব আরব ফজলুর রহমান এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ রিস্ক অফিসার জনাব আরিফ হাসান খান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোঃ সাইদুল ইসলাম, এএফডব্লিউসি, পিএসসি এবং অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর কবির-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

বিষয়:

নির্বাচিত

banner close