রোববার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
২১ চৈত্র ১৪৩২

জাতীয় জাদুঘরে ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু: জেন্ডার সমতা’ শীর্ষক সেমিনার

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৪ ১৩:৪১

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উদ্‌যাপন উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু: জেন্ডার সমতা’ শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভা আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় জাদুঘর পর্ষদ সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইডেন মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর হান্নানা বেগম। আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদ সদস্য অধ্যাপক মাহফুজা খানম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের জনশিক্ষা বিভাগের কিপার জনাব আসমা ফেরদৌসি।

বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাঙালি জাতির স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যই আজীবন সংগ্রাম করেননি, তিনি বাঙালি নারীদের কীভাবে বৈষম্যহীন মর্যাদাপূর্ণ পারিবারিক ও সামাজিক অবকাঠামোতে সংযুক্ত করা যায়, সেই ব্যাপারেও সজাগ ছিলেন। বঙ্গবন্ধু নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী-পুরুষের সমকক্ষতায় বিশ্বাসী ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই আমাদের দেশের নারীর অবস্থা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত ছিলেন এবং নারীর ক্ষমতায়নে বিভিন্নপর্যায়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। বিজ্ঞপ্তি


আলোহা বাংলাদেশ আয়োজিত ১৮ তম জাতীয় মেন্টাল অ্যারিথমেটিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আলোহা বাংলাদেশের আয়োজনে গত ০৩ ও ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হলো ১৮ তম জাতীয় পর্যায়ের অ্যাবাকাস ও মেন্টাল অ্যারিথমেটিক প্রতিযোগিতা ২০২৬ । দুদিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় সারাদেশের ৬শ’টির বেশি স্কুল থেকে ৩ হাজার ৪০০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন যারা আলোহা বাংলাদেশের বিভিন্ন শাখায় এ কোর্সটিতে যুক্ত আছেন। ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে আলোহা বাংলাদেশ।

শিশুরা কতো দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সমাধানে পৌঁছাতে পারে এটা পরীক্ষার উদ্দেশ্যেই প্রতিযোগিতাটি আয়োজিত হয়। প্রতিযোগিতাটিতে অংশগ্রহণকারীদের পাঁচ মিনিটের মধ্যে ৭০টি জটিল গাণিতিক সমাধান করতে বলা হয় এবং বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই উল্লেখিত সময়ের মধ্যে নির্ভুলভাবে গাণিতিক সমাধান করে।

প্রথম দিন আয়োজনটি জাতীয় সংঙ্গীতের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন আলোহা মেন্টাল অ্যারিথমেটিকের ফাউন্ডার মি. লোহ মুন সাঙ। এরপর শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানোর পর শুরু হয় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা। দিনব্যাপী এ পরিক্ষায় মোট ৫টি ব্যাচে প্রায় ৩৪০০ শিক্ষার্থী এ ম্যাথ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

দ্বিতীয় দিন বিকেলে প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলোহা মেন্টাল অ্যারিথমেটিকের ফাউন্ডার মি. লোহ মুন সাঙ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলোহা ইন্টারন্যাশনাল ডিরেক্টর মিস কিরণ মাতওয়ানি; বাংলাদশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলেোহাব সাইদানি; ড্যাফোডিল গ্রুপ এর চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান এবং আলোহা কম্বোডিয়ার মি. আনফেকডে ওউচ ও মিস কিমহাই হিউন । অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আলোহা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আলী হায়দার চৌধুরী, চেয়ারম্যান জনাব সাইফুল করিম এবং ডিরেক্টর মোঃ শামসুদ্দিন টিপু।

স্বাগত বক্তব্যে আলোহা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে কাজ করছি যাতে শুরুটা হয় জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এবং ভবিষ্যতে আমাদের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দিতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আলোহা মেন্টাল অ্যারিথমেটিকের ইন্টারন্যাশনাল ডিরেক্টর মিস কিরণ মাতওয়ানি বলেন, “আলোহা বাংলাদেশ আয়োজিত ১৮ তম জাতীয় পর্যায়ের মেন্টাল অ্যারিথমেটিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী শিশু কিশোরদের সকল অভিভাবকদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আজকের বিজয়ী শুধু বাচ্চারাই না সেই অভিভাবকরাও যারা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত এর জন্য তৈরী করছেন এবং এই প্রতিযোগীতার মাধ্যমে সেরাটা দিয়েছেন”

বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলেোহাব সাইদানি বলেন, ‘এই মেন্টাল অ্যারিথমেটিক প্রতিযোগিতার গুরুত্ব সত্যিই অপরিসীম। এটি অংশগ্রহণকারীদের নিজেদের সম্ভাবনা প্রকাশ করার, নতুন প্রতিভা আবিষ্কার করার এবং অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শনের এক মূল্যবান সুযোগ তৈরি করে। আজ আমরা এক অসাধারণ দৃশ্যের স্বাক্ষী হচ্ছি, কম বয়সের অংশগ্রহণকারীরা অবিশ্বাস্য গতি ও নির্ভুলতার সঙ্গে জটিল যোগ, গুণ এবং ভাগের হিসাব মানসিকভাবে কিংবা অ্যাবাকাসের মাধ্যমে সম্পন্ন করছে তা সত্যি অবিশ্বাস্য।’

শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেয়া হয়। এরপর আলোহার গ্র্যজুয়েটেড শিক্ষকদের সার্টিফিকেট দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে কাদামাটির পরিবেশনায় অনুষ্টিত হয় একটি গীতি-নৃত্য-নাট্য। শেষে ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। জাতীয় পর্যায়ে উন্নিত শিক্ষার্থীরা এ বছরের অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। এ বছর প্রতিযোগিতাটির আন্তর্জাতিক আসর বসবে পানামায়।

অনুষ্ঠানের হেলথ কেয়ার পার্টনার ওমনিকেয়ার ডায়াগনষ্টিক লিমিটেড এবং ইভেন্ট এ্যান্ড ষ্ট্র্যাটিজিক পার্টনার হিসেবে থাকছে হ্যাশট্যাগ কমিউনিকেশন লিমিটেড। দীর্ঘ ১৯ বছরের পথচলায় বর্তমানে আলোহা বাংলাদেশের ১০০ টির বেশি শাখায় প্রায় ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এই কোর্সে যুক্ত আছে। ২০০৬ সালের মার্চ থেকে এদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে আলোহা বাংলাদেশ। আলোহা আইএসও সনদ প্রাপ্ত লানিং সিস্টেম যা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত,মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশসহ বিশে^র ৪২টি দেশের ৬০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীদের সাথে কাজ করে।


রাজধানীতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘ঢাকা ট্রাভেল মার্ট ২০২৬’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ভ্রমণপিপাসু ও পর্যটন সংশ্লিষ্টদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে আবারও শুরু হতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘ঢাকা ট্রাভেল মার্ট’। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) থেকে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে এই মেলার ২১তম আসর বসতে যাচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এই মেলায় নেপাল, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, ভিয়েতনাম এবং চীনসহ বিশ্বের আটটি দেশের ৫০টিরও বেশি পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। ‘এয়ার অ্যাস্ট্রা ঢাকা ট্রাভেল মার্ট ২০২৬’ শীর্ষক এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

ভ্রমণ ও পর্যটন বিষয়ক জনপ্রিয় প্রকাশনা ‘দি বাংলাদেশ মনিটর’ আয়োজিত এই মেলায় বেসরকারি এয়ারলাইন এয়ার অ্যাস্ট্রা প্রধান পৃষ্ঠপোষক বা টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত রয়েছে। মেলাটি সফল করতে অংশীদার হিসেবে আরও কাজ করছে ইউ-এস বাংলা এয়ারলাইনস, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, বৈশ্বিক জিডিএস প্রতিষ্ঠান স্যাবর এবং অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি বাইটিকিটস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে থাকবেন এম নাছের রহমান এমপি। পর্যটন শিল্পের এই মহাযজ্ঞকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে রাজধানীসহ সারাদেশে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

মেলার আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এবারের আসরে মোট ১০টি প্যাভিলিয়ন এবং ৮০টিরও বেশি স্টল বা বুথে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আকর্ষণীয় পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করবে। এতে জাতীয় পর্যটন সংস্থা, দেশি-বিদেশি এয়ারলাইনস, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, স্বনামধন্য হোটেল ও রিসোর্ট এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নিচ্ছে। এছাড়া আধুনিক চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য মেলায় থাকছে বিশেষায়িত মেডিকেল টুরিজম প্যাকেজ এবং সেবা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য। সব মিলিয়ে পর্যটন খাতের সব স্টেকহোল্ডারদের এক ছাদের নিচে আনার এক অনন্য প্রয়াস এটি।

মেলায় আসা দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বিশেষ ছাড় ও সুযোগ-সুবিধার ছড়াছড়ি। অংশগ্রহণকারী এয়ারলাইনসগুলো মেলা চলাকালীন দেশি ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যের বিমানের টিকিটে বিশেষ ছাড় ঘোষণা করবে। একইভাবে বিভিন্ন ট্যুর অপারেটর ও হোটেলগুলো তাদের প্যাকেজ ও বুকিংয়ের ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট প্রদান করবে। স্বল্প খরচে এবং এক জায়গায় বিভিন্ন প্যাকেজের তুলনা করে পছন্দের গন্তব্য নির্বাচনের সুযোগ পাওয়ায় সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যে এই মেলা নিয়ে বাড়তি আগ্রহ কাজ করছে। আসন্ন ছুটির দিনগুলোতে ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজাতে এই মেলাটি একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগামী ৯ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় প্রবেশের জন্য টিকেট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৫০ টাকা। তবে মেলায় প্রবেশের এই টিকেটটি কেবল প্রবেশের মাধ্যমই নয়, বরং এটি বড় একটি পুরস্কার জেতার সুযোগ হিসেবেও গণ্য হবে। প্রতিটি প্রবেশ টিকেটের ওপর মেলা শেষে একটি মেগা র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হবে। ভাগ্যবান বিজয়ীরা পুরস্কার হিসেবে পাবেন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন রুটের রিটার্ন এয়ার টিকেট, নামকরা হোটেল ও রিসোর্টে বিনামূল্যে রাত যাপনের সুবিধা এবং ফাইভ স্টার হোটেলের লাঞ্চ ও ডিনার ভাউচার। মূলত পর্যটন খাতের স্থবিরতা কাটিয়ে গতিশীলতা ফেরাতেই এই বড় আয়োজন করা হয়েছে।


ডিজিটাল লেনদেনে নগদের নতুন ইতিহাস: একক প্রান্তিকে ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা ছাড়ানোর রেকর্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের দ্রুত বর্ধনশীল মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে লেনদেনের ক্ষেত্রে এক অভাবনীয় মাইলফলক স্পর্শ করেছে। জানুয়ারি থেকে মার্চ—এই তিন মাসে ডাক বিভাগের সঙ্গে সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানটি ১ লাখ ১১ হাজার ৩৫৫ কোটি ৩২ লাখ টাকারও বেশি লেনদেন সম্পন্ন করে একটি নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়েছে। এই বিপুল পরিমাণ লেনদেন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেশি। নগদের এই ধারাবাহিক সাফল্য মূলত সাধারণ গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান আস্থা, সেবার মান এবং ডিজিটাল লেনদেনের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আগ্রহেরই প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

নগদের আর্থিক প্রবৃদ্ধির চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি গত কয়েক বছর ধরেই অত্যন্ত স্থিতিশীল এবং ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে চলেছে। ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে যেখানে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯২ হাজার ৫৪ কোটি টাকা, সেখানে বছরের শেষ প্রান্তিকে এসে নগদ প্রথমবারের মতো এক লাখ কোটি টাকার একক মাইলফলক স্পর্শ করে। সেই ধারা বজায় রেখে ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে লেনদেন পূর্ববর্তী প্রান্তিকের চেয়ে প্রায় ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে যে, নগদ কেবল স্বল্পমেয়াদী সাফল্য নয়, বরং একটি টেকসই দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক কাঠামোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

মাসভিত্তিক লেনদেনের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, চলতি বছরের মার্চ মাসে নগদ ৪১ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন করেছে, যা একক মাস হিসেবে প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে জানুয়ারিতে ৪০ হাজার ৩০১ কোটি টাকা লেনদেন করে প্রতিষ্ঠানটি রেকর্ড গড়েছিল। মাঝখানে ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচনের কারণে সামগ্রিক মোবাইল আর্থিক সেবার ওপর কিছুটা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকায় লেনদেনের পরিমাণ সাময়িকভাবে কমে ২৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকায় নেমেছিল। তবে মার্চে এসে নগদ পুনরায় শক্তিশালী অবস্থানে ফিরে আসে এবং লেনদেনের সকল রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দেয়।

লেনদেনের এই নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর পথে নগদ বেশ কিছু ক্ষেত্রে অনন্য মাইলফলক অর্জন করেছে। এই তিন মাসে ব্যাংক থেকে নগদে অর্থ জমা বা ‘অ্যাড মানি’, বিভিন্ন মার্চেন্ট পেমেন্ট এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স গ্রহণের হার ছিল যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এছাড়া ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন (P2P), ক্যাশ-ইন এবং ক্যাশ-আউটের ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি নতুন রেকর্ড গড়েছে। এর পাশাপাশি সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভাতা ও উপবৃত্তি বিতরণেও নগদ এক বিশ্বস্ত মাধ্যম হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছে।

নগদের এমন ঈর্ষণীয় সাফল্যের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে এর সাশ্রয়ী সেবামূল্য এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর সক্ষমতা। প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ জানান, দেশের সাধারণ এবং নিম্ন-আয়ভুক্ত মানুষের কাছে নগদ অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এর ন্যূনতম ক্যাশ আউট চার্জ। বর্তমানে প্রতি হাজারে মাত্র সাড়ে ছয় টাকা ক্যাশ আউট খরচ এবং বিনামূল্যে সেন্ড মানি করার সুবিধা সাধারণ গ্রাহকদের নগদের প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। তাঁর মতে, মানুষের এই আস্থার কারণেই প্রতি কোয়ার্টারে নগদ নিজের গড়া রেকর্ড নিজেই ভাঙতে সক্ষম হচ্ছে।

পরিশেষে বলা যায়, প্রথাগত ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা দেশের কোটি কোটি মানুষকে আধুনিক ডিজিটাল অর্থব্যবস্থায় সম্পৃক্ত করে নগদ গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। সাশ্রয়ী খরচ এবং গ্রাহকবান্ধব সেবার মাধ্যমে নগদ এখন কেবল একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দেশের অর্থনীতির এক শক্তিশালী স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বিশ্বাস করেন, এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যতে লেনদেনের এই গতি আরও ত্বরান্বিত হবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটাল বিপ্লবকে আরও বেগবান করবে।


নভোএয়ারের টিকিটে ১৫% ছাড়, কক্সবাজার ভ্রমণে প্যাকেজ অফার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

নভোএয়ারের টিকিটে ১৫% ছাড়, কক্সবাজার ভ্রমণে প্যাকেজ অফার

নভোএয়ারের ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ থেকে টিকেটের মূল্যে ১৫ শতাংশ ছাড়ের সুবিধা পাবেন। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

সব রুটের টিকিট মূল্যে ১৫ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে নভোএয়ার। এ ছাড়া কক্সবাজার ভ্রমণের জন্য আকর্ষণীয় ভ্রমণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এয়ারলাইনটি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, যাত্রীরা ‘SUMMER 15’ প্রোমো কোড ব্যবহার করে নভোএয়ারের ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ থেকে টিকেটের মূল্যে ১৫ শতাংশ ছাড়ের সুবিধা পাবেন।

এছাড়াও, কক্সবাজার ভ্রমণ আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে সর্বনিম্ন মাত্র ২৩২৩ টাকার মাসিক কিস্তিতে তিন দিন-দুই রাতের আকর্ষণীয় কক্সবাজার ভ্রমণ প্যাকেজ অফার ঘোষণা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ছয় মাসের কিস্তি পরিশোধে কোনো ধরনের অতিরিক্ত চার্জ বা ফি দিতে হবে না।

নভোএয়ার আরও জানিয়েছে, ভ্রমণপিপাসুরা এই প্যাকেজের আওতায় কক্সবাজারের জনপ্রিয় ১৭টি হোটেলের মধ্যে পছন্দানুযায়ী যেকোনো একটি হোটেলে থাকতে পারবেন, হোটেল রুম অনুযায়ী প্যাকেজের মূল্য বৃদ্ধি পাবে।

অফারটি উপভোগ করতে ভ্রমণকারীদের ন্যূনতম দুই জনের জন্য প্যাকেজ ক্রয় করতে হবে। এই প্যাকেজের আওতায় কক্সবাজার যাওয়া-আসার এয়ার টিকেট সব ধরনের ট্যাক্সসহ, হোটেলে থাকা, কক্সবাজার এয়ারপোর্ট থেকে হোটেলে যাওয়া আসাসহ নানা সুবিধা রয়েছে।

বিস্তারিত জানতে কল করুন ১৩৬০৩ বা ভিজিট করুন www.flynovoair.com

উল্লেখ্য, নভোএয়ার বর্তমানে প্রতিদিন ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।


স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ফাউন্ডেশনের গ্লোবাল প্রধান হলেন নালিনী তারাকেশ্বর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ফাউন্ডেশনের গ্লোবাল হেড হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নালিনী তারাকেশ্বর।

একই সঙ্গে তিনি ব্যাংকটির করপোরেট ফিলানথ্রোপি কার্যক্রমের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। সামাজিক উন্নয়ন, দাতব্য কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ পরিচালনায় তার দুই দশকের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড সূত্রে জানা গেছে, নতুন দায়িত্বে নালিনী তারাকেশ্বর ফাউন্ডেশনের বৈশ্বিক কৌশল নির্ধারণ, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং সেগুলোর প্রভাব সম্প্রসারণে নেতৃত্ব দেবেন। বিশেষ করে তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কর্মজীবনে প্রবেশের পথে প্রতিবন্ধকতা দূর করার মতো উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নেয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে।

এর আগে নালিনী তারাকেশ্বর ইউবিএস অপ্টিমাস ফাউন্ডেশনের ডেপুটি সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিচালনা, দাতব্য তহবিল ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক প্রভাবমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যালেন্ট অফিসার এবং ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি তানুজ কাপিলাশ্রামী বলেন, ‘‌তরুণরা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। আমাদের ফাউন্ডেশন এরই মধ্যে এক লাখের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে এবং সাত লাখের বেশি মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক ও অংশীদারত্ব কাজে লাগিয়ে আমরা এ প্রভাব আরো বিস্তৃত করতে চাই। এক্ষেত্রে নালিনী তারাকেশ্বরের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

নতুন দায়িত্ব নিয়ে নালিনী তারাকেশ্বর বলেন, ‘‌স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক ব্যাংক এবং এর ফাউন্ডেশন এরই মধ্যে সুবিধাবঞ্চিত তরুণ ও নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এ সাফল্যকে আরো বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত।’


জলবায়ু অর্থায়ন অগ্রগতিতে সিটি ব্যাংক পিএলসি ও ইউএনডিপির মধ্যে সমঝোতা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সিটি ব্যাংক পিএলসি ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।

বাংলাদেশে জলবায়ু অর্থায়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি দেশের উদীয়মান গ্রিন ও থিমভিত্তিক বন্ড বাজারের উন্নয়নে কৌশলগত গুরুত্ব দেয়াই এ চুক্তির লক্ষ্য।

ঢাকায় সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমঝোতায় স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার।

এ সমঝোতার মাধ্যমে সিটি ব্যাংক বাংলাদেশে গ্রিন বন্ড ইস্যু করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চায়। এর আওতায় ইউএনডিপি সিটি ব্যাংককে গ্রিন বন্ড ইস্যু করার জন্য কারিগরি সহায়তা দেবে।

অনুষ্ঠানে মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘সিটি ব্যাংক বর্তমানে একটি গ্রিন বন্ড ইস্যুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইউএনডিপির সঙ্গে এ অংশীদারত্ব দেশের গ্রিন বন্ড বাজারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।’

স্টেফান লিলার বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য নতুন জলবায়ু অর্থায়নের উৎস তৈরি জরুরি। সিটি ব্যাংকের সঙ্গে এ যৌথ উদ্যোগ বৈশ্বিক টেকসই অর্থায়ন ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব সম্ভাবনা ও প্রয়োজনের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

এ অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে থিমভিত্তিক বন্ড ইস্যুর জন্য মানদণ্ড স্থাপন করার পাশাপাশি টেকসই অর্থায়নে বেসরকারি খাতের বৃহত্তর অংশগ্রহণ উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের অর্থায়নে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে নতুন একটি বহির্বিভাগ (আউটপেশেন্ট) চিকিৎসা ইউনিটের উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

ইউনিটটি নির্মাণে অর্থায়ন করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি।

গতকাল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বোর্ড চেয়ারম্যান ডা. একেএম আজিজুল হক, হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হক, আইসিডিডিআর’বির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিদ আহমেদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বেক্সিমকো ফার্মার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন বহির্বিভাগ ইউনিটটি চিকিৎসা সেবার পরিধি বাড়াবে, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের সেবাপ্রাপ্তি আরো সহজ করবে। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের বোর্ড চেয়ারম্যান ডা. একেএম আজিজুল হক বেক্সিমকো ফার্মার এ সিএসআর উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘দেশের স্বাস্থ্য খাতে অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবার সক্ষমতা বাড়াতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

বেক্সিমকো ফার্মার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা বলেন, ‘‌একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের এসব উদ্যোগ সিএসআর কর্মসূচির অংশ হিসেবে জনস্বাস্থ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।’

বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। শিশুদের মধ্যে হঠাৎ করেই সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া ও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় বেশ কয়েকটি শিশুমৃত্যুর ঘটনায় গুরুতর জনস্বাস্থ্য উদ্বেগ তৈরি করেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে তিনটি ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেছে।


এনআরবিসি ব্যাংকের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

এনআরবিসি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ১৩ বছর অতিক্রম করে ১৪ তে পদার্পণ করেছে।

১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গতকাল প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুশাসন জোরদার করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর কথাও জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া। ‘আস্থার আলো দেশজুড়ে’ শীর্ষক স্লোগানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খানসহ বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জোন ও শাখা-উপশাখার কর্মকর্তারা অনলাইন প্লাটফর্ম জুমে অংশ নেন।

আলী হোসেন প্রধানিয়া বলেন, ‘‌১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যাংকের উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল যাত্রা শুরু করা এনআরবিসি ব্যাংক চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর তুলনায় বিভিন্ন সূচকে এগিয়ে রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য সুশাসন নিশ্চিত করা, সেবার পরিধি বাড়ানো ও ব্যাংকের সুনাম বৃদ্ধি করা। ঋণ কার্যক্রম জোরদার ও খেলাপি ঋণ আদায় বৃদ্ধি করে মুনাফা বাড়ানোর মাধ্যমে আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘‌প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে আমাদের অঙ্গীকার—কুটির, অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র খাতে ঋণ বিতরণ বাড়িয়ে এনআরবিসি ব্যাংককে গণমানুষের ব্যাংকে পরিণত করা। এ খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ৪০ শতাংশে উন্নীত করা হবে।’

পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সেবার প্রসার ঘটানো হবে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান বলেন, ‘‌১৪ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আমাদের অঙ্গীকার—এনআরবিসি ব্যাংককে একটি অর্থবহ ও কমপ্লায়েন্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।’

তিনি জানান, ১৩ বছরে ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৫৯০ কোটি এবং ঋণের পরিমাণ ১৪ হাজার ৯৬২ কোটি টাকায়। এনআরবিসি ব্যাংকের অন্যতম শক্তি দেশব্যাপী বিস্তৃত পাঁচ শতাধিক শাখা-উপশাখা ও ছয় শতাধিক এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ। ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা সাড়ে ২১ লাখের বেশি। ক্ষুদ্র ও ন্যানো ঋণসহ বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে ব্যাংকটিকে মানুষের বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।


সীমান্ত ব্যাংক ও ডেসকোর মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি এবং ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির (ডেসকো) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

এ উপলক্ষে সম্প্রতি ডেসকোর প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় সীমান্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল আজীম এবং ডেসকোর কোম্পানি সচিব প্রকৌশলী এসএম শাহ সুলতান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ অংশীদারত্বের আওতায় ডেসকোর গ্রাহকরা সীমান্ত ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং (অ্যাপ ও ওয়েব) এবং ব্রাঞ্চ ও সাব-ব্রাঞ্চের মাধ্যমে বিল পেমেন্ট সুবিধা উপভোগ করবেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম আহমেদ এবং নির্বাহী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. কামরুল ইসলাম। এছাড়া সীমান্ত ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন হেড অব বিজনেস মো. শহিদুল ইসলাম, হেড অব কার্ডস অ্যান্ড এডিসি শরীফ জহিরুল ইসলাম ও গুলশান শাখার ব্যবস্থাপক মো. সজীব রহমান।


ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ঢাকায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেলিতা মেহজাবিন। ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ও উদ্যোক্তা পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন; নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মুখলেসুর রহমান; স্বতন্ত্র পরিচালক মো. জুলকার নায়েন এবং পরিচালক নাজনীন আহমেদ। এছাড়া অন্যদের মধ্যে ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদিল চৌধুরীসহ উপব্যবস্থাপনা পরিচালকরা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ব্যাংকের গৌরবময় পথচলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন অতিথিরা।


গার্ডিয়ান লাইফের সহায়তায় ঋণমুক্ত হলো দুই পরিবার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও ফ্রেন্ডস ইন ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট বাংলাদেশের (এফআইভিডিবি) যৌথ উদ্যোগে ঋণগ্রহীতাদের জন্য লাইফ ইন্স্যুরেন্স সুবিধার আওতায় বীমা দাবির অর্থ হস্তান্তর করা হয়েছে।

মূলত এফআইভিডিবি থেকে ঋণ গ্রহণকারী সদস্যরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাইফ ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষার অন্তর্ভুক্ত থাকেন। ফলে কোনো ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধের আগে মৃত্যু হলে তার বকেয়া ঋণের দায় গার্ডিয়ান লাইফ বহন করে।

গার্ডিয়ান লাইফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি এফআইভিডিবির দুই ঋণগ্রহীতা অঞ্জুয়ে নায়েক ও জাফুরা বেগম যথাক্রমে ৭০ হাজার ও ৬০ হাজার টাকা ঋণ নেন। কিন্তু তা পরিশোধের আগেই দুজনই রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের খাদিমনগরের কল্লাগ্রামে এফআইভিডিবি হেডকোয়ার্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মৃত দুই ঋণগ্রহীতার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ঋণের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করা হয়।

অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব প্রডাক্ট অ্যান্ড ইপিএমও ফাসিহুল মোস্তফা; ভাইস প্রেসিডেন্ট (মাইক্রো, ডিজিটাল চ্যানেল ও এডিসি) নওশাদুল করিম চৌধুরী; ভাইস প্রেসিডেন্ট (মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশনস) রাফায়েত সিকদার রজত; সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশনস) দিতিপ্রিয়া রায় চৌধুরী এবং সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (মাইক্রো, ডিজিটাল চ্যানেল ও এডিসি) আসিফ বিন মুজিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে এফআইভিডিবির পক্ষে ছিলেন বোর্ড মেম্বার এমাদ উল্লাহ শহিদুল ইসলাম ও সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বজলে মোস্তফা রাজীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে গার্ডিয়ান লাইফের এসএভিপি দিতিপ্রিয়া রায় চৌধুরী বলেন, ‘প্রত্যেকটি বীমা আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। পরিবারটি যা হারিয়েছে তা কখনই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে আমরা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে প্রাপ্য বীমা দাবির অর্থ তাদের হাতে পৌঁছে দিতে পেরেছি।’ ভবিষ্যতেও এ ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করে মানুষের পাশে থাকার জন্য গার্ডিয়ান লাইফ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।

এফআইভিডিবির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বজলে মোস্তফা রাজী বলেন, ‘সদস্যদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গার্ডিয়ান লাইফের সঙ্গে এ অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এমন উদ্যোগ আমাদের সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে।’


রূপালী ব্যাংকের বরপা শাখা নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত রূপালী ব্যাংক পিএলসির ‘বরপা শাখা’ নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে সম্প্রতি তারাব পৌরসভার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাউদ টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় স্থানান্তরিত শাখা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রূপালী ব্যাংকের এমডি বলেন, ‘গ্রাহকদের উন্নত ও আরো দ্রুত ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে রূপালী ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক মো. আনিছুর রহমান, মো. শাফি উদ্দিন, মো. আবু তাহের প্রধান, মোহাম্মদ মনসুর আলম ও শাহরিন বজল, শাখা ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গ্রাহকরা অংশ নেন।

ঢাকা উত্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক শেখ মনজুর করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জোনের জোনাল ম্যানেজার মো. সাখাওয়াত হোসেন।


৪০ জন বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করতে সিআরপি ও মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সম্প্রতি সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্য প্যারালাইজড (সিআরপি) এবং মেটলাইফ ফাউন্ডেশন যৌথভাবে ৪০ জন বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিকে তাদের নিজস্ব ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেশন এবং সহায়তা প্রদান করেছে।

এই উদ্যোগটি ২০২৫ সালে চালু হওয়া ‘জাগরণ’ কর্মসূচির অংশ।

‘জাগরণ’ কর্মসূচি অংশগ্রহণকারীদের কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ইলেকট্রনিকস ও মোবাইল ফোন সার্ভিসিং, এবং পোশাক তৈরি ও টেইলরিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে। পাশাপাশি, প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে এই কর্মসূচি প্রশিক্ষণ এবং বাস্তব জীবনে অংশগ্রহণের মধ্যকার ব্যবধান কমিয়ে সহনশীল ও টেকসই জীবিকা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

আগামী কয়েক মাসে আরও ১১০ জন অংশগ্রহণকারী একই ধরনের প্রশিক্ষণ এবং সহায়তা পাবেন। প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক সুযোগ বৃদ্ধি এবং শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তুলতে মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের লক্ষ্যকে এই উদ্যোগ প্রতিফলিত করছে।

প্রশিক্ষণকালীন সময়ে সিআরপি সম্পূর্ণ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুগম পরিবেশে অংশগ্রহণকারীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও থেরাপি সেবা প্রদান করে থাকে। এই সহায়তা মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের কমিউনিটিকে সহায়তা করার অঙ্গীকার এবং স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে সমাজে দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাব তৈরির প্রতিশ্রুতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।


banner close