একাধিক কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা এবং ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনে ‘রিমেম্বারিং দ্য ১৯৭১ জেনোসাইড’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহীদদের সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে পেরেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গত বুধবার কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষে ডিজিটাল মাধ্যমে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। এই কুইজ প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দুই সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মী অংশগ্রহণ করেন। কুইজ প্রতিযোগিতার বৈচিত্র্যময় এবং চিত্তাকর্ষক বিভিন্ন প্রশ্ন প্রতিযোগীদের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সহায়তা করেছে। শিক্ষার্থীরা যেন বাংলাদেশের দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে সেই সঙ্গে দেশের ইতিহাস এবং বীর শহীদদের আত্মত্যাগ উপলব্ধি করতে পারে সেলক্ষ্যেই এই কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
এ ছাড়া ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনে ‘রিমেম্বারিং দ্য ১৯৭১ জেনোসাইড’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিপার্টমেন্ট অব ইংলিশ অ্যান্ড হিউম্যানিটিজের প্রফেসর ড. নাহিদ আফরোজ কবির তার আলোচনায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আলোকপাত করেন। পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশৃংশতার বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন বাংলাদেশে গণহত্যার জন্য বাংলাদেশের জনগণের কাছে পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত। গত বুধবার মহান স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে ‘প্রিয় স্বাধীনতা’ শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ মাহফুজুল আজিজ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সবচেয়ে কম সময়ে সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ডিপার্টমেন্ট অব কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী আসিফ ইকবাল খান নুহাশ, শামিউর রহমান এবং মো. জাওয়াদুল হক, নিউ ক্যাম্পাসের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. মাহতাব উদ্দিন, আইটি সিস্টেমস অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আব্দুল মালেক এবং ডিপার্টমেন্ট অব কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. ইশমাম তাসিন।
কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রফেসর সৈয়দ মাহফুজুল আজিজ বলেন, ‘অনেক রক্ত এবং ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আমাদের স্বাধীনতা লাভ করেছি। মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারীদের এই রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। যেকোনো মূল্যে আমাদের স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত রেখে একটি সুখী-সমৃদ্ধ জাতি আমাদের গড়তে হবে। আমাদের শিক্ষার্থীসহ সবাইকে এই দায়িত্বটা নিতে হবে।’ বিজ্ঞপ্তি
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স পরিচালনা—সবকিছুর সমন্বয় থাকবে রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। তবে পরিপত্রটি বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
পরিপত্রে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে শান্তি–শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড নিয়োগ করা এবং স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’–এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে। প্রথম পর্বে চলমান যারা মোতায়েন রয়েছেন, তারা বলবৎ থাকবেন। দ্বিতীয় পর্বে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দিন দায়িত্ব পালন করবেন।
পরিপত্রে বলা হয়, নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা-উপজেলা ও থানাভিত্তিক কাজ করবে। কোস্ট গার্ড দায়িত্বে থাকবে উপকূলীয় এলাকায়।
সব বাহিনী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশ ও পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিম পুনর্বিন্যাস করা যাবে।
আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল থাকবে: আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করার কথা জানিয়ে পরিপত্রে বলা হয়, পুলিশ, আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড এবং র্যাবের সমন্বয় স্থাপন করতে হবে। এ সমন্বয় সেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
পরিপত্রে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানের জন্য জরুরি পরিষেবা নম্বর ৯৯৯-এ বিশেষ টিম গঠন করে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ওই টিম নির্বাচনসংক্রান্তু প্রাপ্ত অভিযোগ/তথ্যের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরাসরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও এলাকাভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে পাঠাবে।
জেলা ও উপজেলায় পর্যায়ে স্থাপিত আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা সংবেদনশীলতা বিবেচনায় পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও র্যাব মোতায়েন করা হবে।
এ ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য নির্বাচনকালীন জেলা ও উপজেলায় গঠিত আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার, বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে এলাকাভিত্তিক অভিযান এবং চেক পয়েন্ট (তল্লাশিচৌকি) অভিযান পরিচালনা করবে।
হায়ার বাংলাদেশ গ্রাহকদের জন্য ২৪ ঘণ্টা কল সেন্টার সেবা চালু করেছে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৭টি এক্সক্লুসিভ সার্ভিস সেন্টার ও ৭টি ডাইরেক্ট সার্ভিস সেন্টার যুক্ত করে আফটার-সেলস সার্ভিস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করেছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাহকরা সপ্তাহের সাত দিন, ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন সাপোর্ট পাবেন। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স শিল্পে প্রথমবারের মতো এমন সেবা চালু করে হায়ার গ্রাহক সেবার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে—যা দ্রুত রেসপন্স, উন্নত সেবা মান এবং সার্বক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করবে।
বর্ধিত সার্ভিস অবকাঠামো দেশের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রদান করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হায়ার বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়াং শিয়াংজিং এবং হেড অব সার্ভিস ফজলুল হক।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওয়াং শিয়াংজিং বলেন, গ্রাহক সন্তুষ্টি হায়ারের বৈশ্বিক ভিশনের মূল কেন্দ্রবিন্দু। ২৪/৭ কল সেন্টার চালু এবং সার্ভিস নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমরা দেশের সর্বত্র দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও সুবিধাজনক সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই উদ্যোগ হায়ার বাংলাদেশের গ্রাহক সেবার অভিজ্ঞতা উন্নয়ন এবং সার্ভিস সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রতিফলন।
প্রাতিষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি, মর্যাদা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষায় সহায়তার জন্য স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় কর্মীরা তাদের প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ শিক্ষাবৃত্তি পাবেন। অভ্যন্তরীণ জরিপের মাধ্যমে সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের তথ্য নিয়ে ও তাদের প্রয়োজন জেনে এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।
এই স্কলারশিপ ব্র্যাক ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) বা সামাজিক দায়িত্বশীলতার অংশ। এর লক্ষ্য হলো প্রতিষ্ঠানের ভেতর এবং বৃহত্তর সমাজে অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করা। সহকর্মীদের কল্যাণ ও একটি ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিকে প্রাধান্য দিচ্ছে ব্যাংকটি।
ব্র্যাক ব্যাংকের এমন উদ্যোগ সম্পর্কে ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, অন্তর্ভুক্তি কেবল আলোচনার বিষয় নয়, এটি বাস্তবেও চর্চা করতে হয়। এই স্কলারশিপ আমাদের সহকর্মীদের প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার পথকে কিছুটা হলেও সহজ করবে এবং প্রতিদিন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়া সহকর্মীদের কিছুটা হলেও সহায়তা করবে। একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শুধু মুনাফার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং আমরা এমন একটি কর্মক্ষেত্র ও সমাজ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবাই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।’
স্কলারশিপপ্রাপ্ত এক সন্তানের অভিভাবক তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক আমাকে কেবল একজন কর্মী হিসেবেই নয়, বরং ব্র্যাক ব্যাংক পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে সত্যিকার অর্থেই মূল্যায়ন করেছে। সত্যি কথা বলতে কী, আমি কখনোই কর্মস্থল থেকে এমন সহায়তা বা উদ্যোগ প্রত্যাশা করিনি। পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গে ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ সামলানো আমার দৈনন্দিন বাস্তবতা। তবুও, ব্র্যাক ব্যাংক আমার না বলা প্রয়োজনটি উপলব্ধি করে আমাদের মতো অভিভাবকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের একজন কর্মী হিসেবে আমি সত্যিই অনেক গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করছি।’
বিশ্লেষকদের দাবি, উদ্যোগটি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে সামাজিক দায়িত্বশীলতাকে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। ব্যাংকটির কার্যক্রমের মূলে রয়েছে সহমর্মিতা, ন্যায্যতা ও মানবিকতা।
মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি তার কর্মী ও তাদের নির্ভরশীলদের জন্য বিমা সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে মেটলাইফ বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই অংশীদারির মাধ্যমে মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রায় ৬০০ জন স্থায়ী কর্মী দুর্ঘটনা, অক্ষমতা এবং মৃত্যুঝুঁকি থেকে সুরক্ষা পাবেন। পাশাপাশি, তাদের নির্ভরশীলরা ইন-পেশেন্ট, আউট-পেশেন্ট ও মাতৃত্বকালীন বিমা সুবিধার আওতায় আসবেন।
মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি ও সিইও) মো. আহসান-উজ-জামান এবং মেটলাইফ বাংলাদেশের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
দাবি নিষ্পত্তিতে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রয়োজনভিত্তিক কাস্টমাইজড সমাধান, আধুনিক ড্যাশবোর্ড, ক্যাশলেস হাসপাতালে ভর্তি ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং আর্থিক সক্ষমতার কারণে মিডল্যান্ড ব্যাংক তাদের বীমা সেবাদাতা হিসেবে মেটলাইফকে নির্বাচন করেছে, যা দ্রুত ও ঝামেলামুক্তভাবে দাবি পরিশোধ নিশ্চিত করে।
মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান-উজ-জামান বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে কর্মীদের জন্য এই বিমা সুবিধা তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি অন্তর্ভুক্তি ও আনুগত্য আরও বাড়াবে।
মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, কর্মীদের জন্য আমরা একটি নিরাপদ এবং সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং গ্রাহকদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকিং সেবা ও বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করে আসছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন; ডিএমডি ও সিটিও নজমুল হুদা সরকার; প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জাভেদ তারেক খান; আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান খন্দকার তৌফিক হোসেন; পিআরডি প্রধান মো. রাশাদুল আনোয়ার, এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান মো. জুবায়েদ উর রহমান।
মেটলাইফ বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আলা উদ্দিন; চিফ করপোরেট বিজনেস অফিসার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান; চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার তৌহিদুল আলম; করপোরেট বিজনেস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মনিরুল ইসলাম; ডেপুটি ম্যানেজার (করপোরেট বিজনেস) শেহেনাজ আক্তার ও ম্যানেজার (করপোরেট বিজনেস) মোহাম্মদ টিপু সুলতান।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর কাছ থেকে সমন্বিত পে-রোল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করবে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.। সম্প্রতি ব্যাংকের করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান দুটি এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
এই চুক্তির আওতায় ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.-এর কর্মীরা মুনাফা ভিত্তিক স্যালারি অ্যাকাউন্ট করতে পারবেন, ডুয়েল কারেন্সি ডেবিট কার্ড, লাইফস্টাইল সুবিধা, কাস্টমাইজড ঋণ ও ক্রেডিট কার্ড সুবিধা এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন ভোক্তাবান্ধব ব্যাংকিং পণ্য ও সেবা উপভোগ করবেন। এছাড়াও তারা প্রাইম ব্যাংকের ওমনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘প্রাইমপে’ ব্যবহার করতে পারবেন, যার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ও নির্বিঘ্নে বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হবে এবং করপোরেট লেনদেন হবে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম. নাজিম এ. চৌধুরী এবং ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কাজিম উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.’র এসইভিপি ও হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক মামুর আহমেদ; ইভিপি ও চিফ ব্যাংকান্সুরেন্স অফিসার মিয়া মোহাম্মদ রবিউল হাসান; ভিপি ও হেড অব পে-রোল ব্যাংকিং হাসিনা ফেরদৌস। এছাড়াও ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন- ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস; হেড অব এইচআর মো. এনামুল হক; ইভিপি ও হেড অব ব্যাংকান্স্যুরেন্স এসএম বাকি বিল্লাহসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
গ্রাহক তথ্যের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় সর্বোচ্চ মান নিশ্চিতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলালিংক। এর ধারাবাহিকতায়, দেশের উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটরটি বৈশ্বিক তথ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড বজায় রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ আবারও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইএসও সনদ অর্জন করেছে।
আইএসও ২৭০০১:২০২২ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ‘ইনফরমেশন সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমস’ (আইএসএমএস) সনদ। এই সনদপ্রাপ্তি গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষা, নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা এবং এক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকরী প্রক্রিয়া অনুসরণ করার ক্ষেত্রে বাংলালিংকের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
সনদপ্রাপ্তির প্রক্রিয়ায় বাংলালিংকের নীতিমালা, পরিচালন কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটির সিকিউরিটি গভর্নেন্স, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, অ্যাক্সেস কন্ট্রোল মেকানিজম, অ্যাসেট অ্যান্ড ভেন্ডর ম্যানেজম্যান্ট প্রাক্টিসেস, বিজনেস কন্টিনিউটি প্ল্যানিং এবং অপারেশনাল সিকিউরিটি কন্ট্রোলস পর্যালোচনা করা হয়েছে। এই সনদ অর্জন বাংলালিংকের শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামো তৈরিতে এবং তা স্থিতিশীল রাখতে কাজ করে যাওয়া কর্মীদের নিবেদনকেই তুলে ধরে।
অপারেটরটির অপারেশনস, রিস্ক ও গভর্নেন্স টিমের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তৈরি করা হয়েছে এর তথ্য নিরাপত্তা প্রোগ্রামটি। এই সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি যেকোন ঝুঁকি চিহ্নিত করা, নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করা এবং নিরাপত্তা অনুশীলনগুলোকে পরিবর্তনশীল নিয়ন্ত্রক এবং শিল্প মানদণ্ডের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আইএসও সনদ অর্জনের বিষয়ে বাংলালিংকের চিফ টেকনোলজি অ্যান্ড ইনফরমেশন অফিসার (সিটিআইও) হুসেইন তুর্কার বলেন, ‘এই সনদ আমাদের গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষিত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। একইসাথে, গ্রাহকেরা নিজেদের প্রাত্যহিক জীবনে আমাদের যেসব ডিজিটাল সেবাগুলোর ওপর নির্ভ করেন, তা সুরক্ষিত রাখাও আমাদের প্রতিশ্রুতির অংশ। এই অর্জনের মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষায় সর্বোচ্চ মান বজায় রাখা এবং আমাদের কার্যক্রমের স্থিতিশীলতা আরও জোরদার করার প্রচেষ্টাই ফুটে উঠেছে । ডিজিটাল সেবা এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠছে, এ বাস্তবতাকে মাথায় রেখে আমরা আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাবো, যেন আমাদের গ্রাহকেরা নিশ্চিন্তে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আমাদের সেবা ব্যবহার করতে পারেন।’
সকল অংশীদারদের জন্য একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিতে অত্যাধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি, কর্মীদের জন্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করা এবং তাদের ধারাবাহিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগে বিনিয়োগ করছে বাংলালিংক। নিজেদের ভবিষ্যৎ কৌশলের অংশ হিসেবে সাইবার নিরাপত্তা ও কমপ্লায়েন্স কাঠামো আরও শক্তিশালী করা এবং ডিজিটাল স্থিতিশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে অপারেটরটি। টেলিযোগাযোগ খাতে ক্রমপরিবর্তনশীল নিরাপত্তাজনিত যেকোন চ্যালেঞ্জ সহজে মোকাবিলা করা বাংলালিংকের লক্ষ্য।
দেশের বাজারে অনার এক্স৯ডি স্মার্টফোন উন্মোচন করল বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অনার বাংলাদেশ। এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ব্র্যান্ডটি নিজেদের তৈরি সর্বশেষ এ স্মার্টফোনটি উন্মোচন করে। স্থায়িত্ব ও ব্যাটারি পারফরমেন্সে অনারের নতুন এ স্মার্টফোনটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় ক্রিকেটার সাইফ হাসানকে অনার বাংলাদেশের নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। অনার ও সাইফ হাসান একসাথে তরুণ স্মার্টফোনপ্রেমীদের মাঝে অনারের ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধিতে ও ব্র্যান্ডটির প্রতি তাদের আস্থা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ল্যাং গুও, বিজনেস হেড আবদুল্লাহ আল মামুন, ডেপুটি কান্ট্রি ম্যানেজার মুজাহিদুল ইসলামসহ সহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন অন্যান্য কর্মকর্তাগণ। পাশাপাশি, অনারের ডিলার পার্টনার এবং শীর্ষস্থানীয় টেক ও লাইফস্টাইল ইনফ্লুয়েন্সারেরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
টেকসই ও শক্তিশালী পারফরমেন্সের জন্য সাড়া ফেলেছে অনার এক্স৯ডি। ‘হাইয়েস্ট স্মার্টফোন ড্রপ’ ক্যাটাগরিতে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন করেছে স্মার্টফোনটি। এ পরীক্ষার সময় ৬.১৩৩ মিটার উচ্চতা থেকে ফোনটি ফেলে দেয়া হয়। এ উচ্চতা থেকে পড়েও ফোনটি অক্ষত ছিল, যা ফোনটির টেকসই গঠন ও স্থায়িত্বেরই প্রমাণ। যারা টেকসই ও নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন ব্যবহার করতে চান, একইসাথে, স্টাইল ও উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেন, তাদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে অনার এক্স৯ডি।
অনুষ্ঠানে অনার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ল্যাং গুও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে এবং বাংলাদেশে অনার ক্রমাগত সফলতা অর্জন করছে। অনার বাংলাদেশের গত বছরের প্রবৃদ্ধি ২০০ শতাংশ। আমরা মনে করি, এক্স সিরিজের সবচেয়ে শক্তিশালী ফোন অনার এক্স৯ডি উন্মোচনের মাধ্যমে এ বছরের শুরুটা অনারের জন্য খুব ভালো হয়েছে।’
১২ জিবি র্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের এই ফোনটির বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৬,৯৯৯ টাকা। ৪ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্মার্টফোনটি অগ্রিম বুকিং দেয়া যাবে। এর মাধ্যমে আগ্রহী ক্রেতারা অনারের এক্স সিরিজের সর্বশেষ স্মার্টফোনটি সবার আগে ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পরিষদের এক সভা বুধবার (৭ জানুয়ারি) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, এফসিএ, এফসিএস, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পোশাক বিপণন প্রতিষ্ঠান টপ টেন গ্রুপ ৩৫ বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি টপ টেন গ্রুপের বিভিন্ন শাখায় আনন্দঘন পরিবেশে দোয়া মাহফিল ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টপ টেন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুল ইসলাম, প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা (অব.) মেজর মুস্তাফিজুর রহমান, জেনারেল ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান, জেনারেল ম্যানেজার মাসুদ খানসহ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ৩৫ বছরের পথচলায় টপ টেন গ্রুপ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে পণ্যের গুণগত মানের ওপর।
এর ফলেই প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতাদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তারা আরও বলেন, এই ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে একটি মাত্র শোরুম দিয়ে যাত্রা শুরু করা টপ টেন গ্রুপ আজ দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫০টিরও বেশি শোরুমে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে।
কর্মকর্তারা ভবিষ্যতেও গ্রাহকসেবার মান বজায় রেখে টপ টেন গ্রুপকে আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও আনন্দময় করতে এবং বিশেষ ডাইনিং সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঝিল ম্যায়েস্ট্রিয়া রেস্টুরেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। গত মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকার উত্তরার ঝিল ম্যায়েস্ট্রিয়া রেস্টুরেন্ট প্রাঙ্গণে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চুক্তির পথচলা শুরু হয়। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠান একে অপরের সেবা ও সুযোগ-সুবিধা বিনিময় করার মাধ্যমে পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাআদত। অন্যদিকে ঝিল ম্যায়েস্ট্রিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন, যাঁদের মধ্যে ঝিল ম্যায়েস্ট্রিয়ার পরিচালক ফরহাদ হোসেন এবং কমিউনিটি ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অন্যতম। বক্তারা এই উদ্যোগকে গ্রাহক সন্তুষ্টির পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন এবং আগামীতে এর পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নতুন এই চুক্তির আওতায় কমিউনিটি ব্যাংকের সকল অ্যাকাউন্ট হোল্ডার, ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডধারী গ্রাহক এবং ব্যাংকটির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্টেকহোল্ডাররা সারা বছর ঝিল ম্যায়েস্ট্রিয়া রেস্টুরেন্টে বিশেষ ডাইনিং সুবিধা উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। বিশেষ এই অফারের আওতায় গ্রাহকরা ৫,০০০ টাকার খাবার অর্ডার করলেই ২,০১৯ টাকা পর্যন্ত বিশাল অংকের ছাড় বা ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ পাবেন। আধুনিক রুচির ভোজনরসিকদের কাছে এই অফারটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে বলে মনে করছে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ।
কমিউনিটি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, তারা সবসময় তাদের গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবার পাশাপাশি জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিভিন্ন বাড়তি সুবিধা দিতে সচেষ্ট থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের জনপ্রিয় ও মানসম্মত রেস্টুরেন্টগুলোর সঙ্গে এ ধরনের অংশীদারিত্ব বজায় রাখা হচ্ছে। গ্রাহক সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং ব্র্যান্ড ইমেজ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আগামীতেও আরও অনেক সৃজনশীল ও জনবান্ধব সেবার ঘোষণা দেওয়া হবে বলে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। মূলত গ্রাহকদের একটি পূর্ণাঙ্গ লাইফস্টাইল ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা প্রদান করাই এই অংশীদারিত্বের মূল লক্ষ্য।
দেশের অন্যতম বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি. তাদের কর্মীদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মানোন্নয়নে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তার সকল স্থায়ী কর্মী ও তাঁদের নির্ভরশীলদের জন্য ব্যাপক বীমা সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে শীর্ষস্থানীয় বীমা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান মেটলাইফ বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রায় ৬০০ জন স্থায়ী কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরাসরি দুর্ঘটনা, শারীরিক অক্ষমতা এবং মৃত্যুঝুঁকির বিপরীতে আর্থিক সুরক্ষা পাবেন। একই সঙ্গে তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও ইন-পেশেন্ট, আউট-পেশেন্ট এবং মাতৃত্বকালীন উন্নত বীমা সুবিধার আওতায় আসবেন, যা তাঁদের পারিবারিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
সম্প্রতি রাজধানীর একটি অভিজাত ভেন্যুতে আয়োজিত এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. আহসান-উজ-জামান এবং মেটলাইফ বাংলাদেশের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আলা আহমদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করেন। মূলত কর্মীদের জন্য এমন বীমা সুবিধা একটি প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তাবোধ ও আনুগত্য গড়ে তুলতে অত্যন্ত সহায়ক। মেটলাইফ বাংলাদেশের পরিচালিত ‘এমপ্লয়ি বেনিফিট ট্রেন্ডস স্টাডি’র তথ্য অনুযায়ী, দেশের বেসরকারি খাতের অধিকাংশ কর্মী মনে করেন যে আর্থিক উদ্বেগ তাঁদের কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। এমতাবস্থায় মিডল্যান্ড ব্যাংকের এই উদ্যোগ কর্মীদের মানসিক প্রশান্তি এবং দীর্ঘমেয়াদী কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে এক বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
মিডল্যান্ড ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মেটলাইফকে তাদের বীমা সহযোগী হিসেবে বেছে নেওয়ার পেছনে বেশ কিছু যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করেছে। বিশেষ করে মেটলাইফের দাবি নিষ্পত্তিতে ধারাবাহিক সাফল্য, প্রয়োজনভিত্তিক কাস্টমাইজড সমাধান এবং আধুনিক ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডের সুবিধা গ্রাহকদের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির ক্যাশলেস হাসপাতালে ভর্তি এবং দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানের সক্ষমতা জরুরি মুহূর্তে জীবন রক্ষায় সহায়ক হবে। মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো. আহসান-উজ-জামান বিশ্বাস করেন যে, এই গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা কেবল আর্থিক নিরাপত্তা দেবে না, বরং এটি সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসার পথ প্রশস্ত করে কর্মীদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি আরও দায়িত্বশীল করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী জনাব আলা আহমদ বলেন যে, তাঁরা সবসময় কর্মীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সহায়ক কাজের পরিবেশ তৈরিতে বদ্ধপরিকর। মিডল্যান্ড ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সেই অভিন্ন লক্ষ্যেরই প্রতিফলন, যেখানে কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০১৩ সাল থেকে মিডল্যান্ড ব্যাংক দেশজুড়ে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা দিয়ে আসছে এবং অন্যদিকে মেটলাইফ বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তিগত গ্রাহক ও ৯০০টির বেশি প্রতিষ্ঠানকে বীমা সুরক্ষা প্রদান করছে, যা তাঁদের শক্তিশালী অবস্থানেরই প্রমাণ দেয়।
উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো. জাহিদ হোসেন, সিটিও জনাব নজমুল হুদা সরকার এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রধানসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে মেটলাইফ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধান অর্থ কর্মকর্তা জনাব আলা উদ্দিন ও চিফ কর্পোরেট বিজনেস অফিসার জনাব মোহাম্মদ কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের করপোরেট সংস্কৃতিতে স্বাস্থ্য ও জীবন বীমার গুরুত্ব পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হলো, যা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একটি অনুসরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।
ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) ও ইউনাইটেড হেলথকেয়ার সার্ভিসেস লিমিটেড, ব্রাঞ্চ-১ (মেডিক্স)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
গত সোমবার (৫ জানুয়ারি) ইউল্যাব ক্যাম্পাসে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে ইউল্যাবের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এবং তাদের বাবা, মা, স্ত্রী, স্বামী এবং সন্তানদের মেডিক্সের বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
সমঝোতা স্মারকে মেডিক্স-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সেন্টার অপারেশনের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. হোসেন ইমাম এবং ইউল্যাবের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য, পিএইচডি, ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও ট্রেজারার।
অনুষ্ঠানে মেডিক্স-এর পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল সার্ভিসেস ম্যানেজার ডা. মো. নজমুল হাসান এবং করপোরেট মার্কেটিংয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. বাপ্পী শাহরিয়ার এবং ইউল্যাবের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল ইসলাম (অব.), ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব কমিউনিকেশন আসিফুর রহমান খান এবং ডেপুটি ডিরেক্টর (এসএও) মো. মাহমুদ হোসেন।
আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি এবং শপিং ব্যাগ সুপারমার্কেট (চট্টগ্রামে অবস্থিত প্রিমিয়ার রিটেইল ডেস্টিনিশন) এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
গত ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ আইএফআইসি ব্যাংক ও শপিং ব্যাগ সুপারমার্কেট এর কর্মকর্তারা এর উপস্থিতিতে শপিং ব্যাগ সুপারমার্কেট এর কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এই চুক্তির আওতায় এখন থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের সকল গ্রাহক নানান ধরনের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখার চিফ ম্যানেজার মো. মঞ্জুরুল মুমিন এবং শপিং ব্যাগ সুপারমার্কেট এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন শপিং ব্যাগ সুপারমার্কেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিল্টন দে। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংক এর খাতুনগঞ্জ শাখার, শাখা ব্যবস্থাপক শেখ সামসুদ্দিন বায়েজীদ, আগ্রাবাদ শাখার হেড অব ক্রেডিট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন শাহাদাত কবির এবং শপিং ব্যাগ সুপার মার্কেট এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. জাফর উল্লাহ।
এছাড়াও উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, এখন থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের গ্রাহকরা শপিং ব্যাগ সুপারমার্কেট এ ৩% বিশেষ ছাড়, শেফস টার্মিনাল ফুড কোর্ট এ ১০% ছাড়, কিডস প্লে ল্যান্ড এর প্রবেশ টিকিটে ৩০% ছাড়, ফ্রি হোম ডেলিভারি সার্ভিস, প্রমোশন ও ইভেন্টে আর্লি এক্সেস, এক্সক্লুসিভ কাস্টমার প্রিভিলেজ এক্সপেরিয়েন্স উপভোগ করতে পারবেন।